নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের উপদ্রপ!

আ.ম আরীফুল হক, হাওর অঞ্চল কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চল খ্যাত নিকলী উপজেলার ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার ফলে রোগীরা ভোগান্তি ও নানা দুর্দশার শিকার হচ্ছে। সরকারী নিয়মে ডাক্তারদের কোন ভিজিট নেওয়ার কথা না থাকলেও এ হাসপাতলটিতে বিভিন্ন রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমান ভিজিট রাখা হচ্ছে বলে রোগীরা জানালেন।

পরিচর্যা ও তদারকির অভাবে হাসপাতালের ভেতর দিন দুপুরে বে- ওয়ারিশ কুকুরের আনা গোনা দেখা যায়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটিতে অর্ধেকের বেশী ডাক্তারদের শূণ্য পদ থাকলেও সে সকল পদে ডাক্তার নিয়োগ করা হচ্ছেনা। জরুরী বিভাগ সহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে কোন কাজ শেষ হলেই রেগীদের কাছ থেকে বকশিশের নামে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

কিশোরগঞ্জে হাতি দিয়ে পথে পথে চাঁদাবাজি

ভৈরব- কিশোরগঞ্জ মহা সড়কে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহা সড়কের বিভিন্ন বাজার সহ সড়কের যান বাহন আটক করে প্রতিনিয়ত চলছে ব্যাতিক্রম ধর্মী চাঁদাবাজি। যার ফলে উক্ত মহা সড়কের সকল ব্যবসায়ী, পথচারী ও যাত্রীরা থাকছেন চরম আতঙ্কে। ১০ থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে হাতির মাধ্যমে চাঁদা তুলে নিচ্ছে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র। হাতিকে নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে তার পিঠে অল্প বয়সী এক যুবককে নিযন্ত্রন করার জন্য রাখা হয়েছে। কেউ টাকা দিতে না চাইলে হাতির মাধ্যমে তাকে নানা প্রকার ভয় ভীতি দেখানো হচ্ছে। অবশেষে এক সময় বাধ্য হয়ে টাকা- পয়সা দিয়ে দিচ্ছে লোকজন। হাতি দিয়ে চাঁদাবজি এখন ভৈরব- কিশোরগঞ্জ মহা সড়কের ব্যবসায়ী, পথচারী ও যাত্রীদের জন্য ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছয়সূতী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ঊষা, অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী শামান্তা, সুমাইয়া, জোনাকী ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্র বিনয় বলে, আমরা বিভিন্ন দোকান ও যান বাহন থেকে হাতির মাধ্যমে টাকা তুলতে দেখেছি। আমরা তো ভয়ে সামনে আসতেই সাহস পাইনি।