ধামরাইয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে নববধূকে হত্যা করে লাশ গুম

আনোয়ার হোসেন রানা, স্টাফ রিপোর্টার:

ধামরাইয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে এক নববধূকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের কুশিয়ারা গ্রামে। গত ৮দিন ধরে ওই নববধূ নিখোঁজ একই সাথে গৃহবধূর স্বামীর ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে।

এ ঘটনায় ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূর পরিবার। নিখোঁজ নববধুর নাম ঝরনা খাতুন নামের (১৮) এলাকাবাসী জানায়। গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বড় মাটিয়া গ্রামের রওশন আলীর মেয়ে ঝরনা খাতুনের সাথে ৬ মাস আগে বিয়ে হয় ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের কুশিয়ারা গ্রামের শাহাদাৎ এর সাথে । বিয়ের কয়েক মাস পরেই যৌতুকের টাকার জন্য নববধূ ঝরনা আক্তারকে প্রায়াই মারধর করতো স্বামী শাহাদাৎ মিয়া। পরে গত আটদিন আগে ওই নববধূকে বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক আনার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন স্বামী শাহাদাৎ। এ সময় ওই নববধূ যৌতুকের টাকা আনতে অস্বীকার করলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন ।

ওই নববধূর বাবা রওশন আলী সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, তিনি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যৌতুকের টাকা না পেয়ে তার মেয়েকে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশে বংশাই নদীতে ভাসিয়ে দেয় তার স্বামী।

এদিকে বৃহস্পতিবার ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্য (ওসি) রিজাউক হক দিপু কথা বলতে রাজি হয়ননি।