দ্বিতীয় সেশনে এসে ঠিকই ধরা দিলেন এলগার

সময়ের কণ্ঠস্বর~  প্রথম সেশনে সফল না হলেও দ্বিতীয় সেশনে এসে ঠিকই ধরা দিলেন এলগার। শুরু থেকে শুভাশীষ আর মোস্তাফিজের শর্ট বলে খেলতে অস্বস্তি হচ্ছিল ডিন এলগারের। ততক্ষণে তুলে নিয়েছেন দশম সেঞ্চুরি।

৫৪তম ওভারে শুভাশীষের শর্ট বলে পুল করতে গিয়েছিলেন। ঠিকমতো না হওয়ায় ফাইনলেগে ঠিকই মোস্তাফিজের হাতে তালুবন্দী হন এলগার। বিদায় নেন ১১৩ রানে। তার ১৫২ বলের ইনিংসে ছিল ১৭টি চার।

দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১ উইকেটে ২৫৬ রান। ব্যাট করছেন মারক্রাম ১৩৫ ও হাশিম আমলা ১ রান।

এর আগে ১১০ রানে মোস্তাফিজের ওভারের লাষ্ট বলে জীবন পান ডিন এলগার, লিটন দাশের গ্লাপ্সে লেগে বল উপরের দিকে উঠে যায়। শেষ পর্যন্ত সোম্য সরকার এসেও ধরতে পারিনি ক্যাচটি।

ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে প্রথম দিনে ২০০ ছাড়া করেছেন আরেক ওপেনার এইডেন মারক্রামকে সঙ্গী বানিয়ে। আগের ম্যাচে মারক্রাম অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি পাননি। তবে এবার আর সেই ভুলটা করেননি তিনি। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।

বাংলাদেশি বোলারদের ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। মুশফিকুর রহিম সেটা স্বীকারও করেছেন। আর তাই বাদ পড়তে হলো প্রথম টেস্টের চার বোলারদের মধ্যে তিনজনকে। চারটি পরিবর্তন নিয়ে ব্লুমফন্টেইনে শুক্রবার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের মিশনে নেমেছে বাংলাদেশ। টস জিতে ফিল্ডিং নেন মুশফিকুর রহিম। পিচের কন্ডিশন বিবেচনায় হয়তো লক্ষ্য ছিল প্রথম সেশনে কিছু করে দেখানো।

কিন্তু আগের টেস্টের মতো প্রতিরোধ দিয়ে দাঁড়িয়ে যান দুই ওপেনার ডিন এলগার ও এইডেন মারক্রাম। প্রথম সেশনে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন এলগার ও এইডেন মারক্রাম।এই দুই ব্যাটসম্যানকে ঠেকাতে শুরতে চেষ্টা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান, শুভাশীষ রায় ও রুবেল হোসেন। সঙ্গে স্পিনার তাইজুল,মাহামুদুল্লাহও ছিলেন।