🕓 সংবাদ শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে চল্লিশ বছর পিছিয়ে দিয়েছে: আমির হোসেন আমু * ফরিদপুরে ১৪ দিন ধরে বন্ধ ক্লিনিক, টিকাদান কর্মসূচী চলছে স্কুলের বারান্দায়! * ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১৫% * এবার গাড়িচাপায় প্রাণ গেল তিন মাদরাসাছাত্রের * ভারতে দুই বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৮ বাংলাদেশি নারী * পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী মা হতে চলেছে, দুলাভাই গ্রেপ্তার * ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ * গার্ডার দুর্ঘটনা : ক্রেনচালকসহ গ্রেপ্তার ৯ * ফরিদপুর জেলা কারাগারে নেই কোনো চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বন্দীরা * পাথর খেকোদের দখলে ডাহুক নদী: নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, ধ্বংস হচ্ছে ফসলি জমি *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ১৮ আগস্ট, ২০২২ ৷

মীর কাসেম আলীর সাথে পরিবারের সাক্ষাৎ


❏ শনিবার, জুন ১৮, ২০১৬ জাতীয়

1 (40)

গাজীপুর প্রতিনিধি: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে কাশিমপুর কারাগারে দেখা করেছেন তার পরিবারের নয়জন সদস্য। শনিবার দুপুর পৌনে ১টায় দিকে জেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তারা মীর কাসেমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

যারা দেখা করেছেন তারা হলেন- মীর কাসেম আলীর স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন, ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেম, পুত্রবধূ সায়েদা ফাহমিদা আক্তার ও তাহমিনা আক্তার, মেয়ে তাহেরা তাসমিম, ভাগিনা রুমান পারভেজ ও আব্দুল আল মাহাদী, ভাতিজা কেএম রশিদ উদ্দিন এবং শুভ মজুমদার।

কাশিমপুর কারাগার২-এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, শনিবার দুপুরে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর পরিবারের নয়জন সদস্য তার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে আসেন। পরে সাক্ষাতের জন্য আবেদন করলে শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির বন্দিদের জন্য নির্ধারিত ৪০ নম্বর সেলে বন্দি রয়েছেন। ২০১২ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি এ কারাগারে রয়েছেন। তবে ২০১৪ সালের আগে তিনি ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দির মর্যাদায় থাকলেও দণ্ডপ্রাপ্তির পর তাঁকে ফাঁসির সেলে পাঠানো হয়।

গত ৮ মার্চ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখে রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোর জসিমসহ ছয়জনকে হত্যার দায়ে মীর কাসেমকে দেওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ফাঁসি বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এ ছাড়া রঞ্জিত দাস, টুন্টু সেন হত্যার দায় থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়।