🕓 সংবাদ শিরোনাম

কাউখালীতে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর, ছাগল, জাল ও খোয়ার বিতরণ * রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে অংশীজনের অংশগ্রহণে সভা * বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেপ্তার * নিজ কলেজ শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যাকারী জিতু গাজীপুরে গ্রেপ্তার * পরিবেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান করতে কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ মন্ত্রীর * গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অর্ধশতাধিক নারী শ্রমিক অসুস্থ * বাড়ছে পানি: রংপুর অঞ্চলে দ্বিতীয় দফা বন্যার শঙ্কা! * ক্লাস না নিয়ে দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ * ১১ দফা দাবিতে পাবিপ্রবির কর্মচারী পরিষদের মানববন্ধন * কক্সবাজারে ইয়াবা পাচার মামলায় দুই ভাইয়ের ১০ বছর কারাদণ্ড *

  • আজ বুধবার, ১৫ আষাঢ়, ১৪২৯ ৷ ২৯ জুন, ২০২২ ৷

প্রতিদিন দই খেলে যে ৭ টি স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়


❏ মঙ্গলবার, জুন ২১, ২০১৬ আপনার স্বাস্থ্য

doi


স্বাস্থ্য ডেস্কঃ

গরমকালে দই খুবই উপকারী একটি খাবার। দই মূলত দুধেরই ভিন্ন আরেকটি রূপ। দুধের মতো দইয়েরও রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। আর এ কারণেই দই শারীরিক নানা সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী। বিশেষ করে, প্রতিদিন নিয়ম করে মাত্র ১ কাপ দই খাওয়ার অভ্যাস নানা শারীরিক সমস্যাকে চিরকাল দূরে রাখে।

১) কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি শারীরিক সমস্যা। বিশেষ করে রোজার মাসে পানির অভাবে অনেকের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দেয়। দইয়ের ল্যাকটিক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়াও নিয়মিত দই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

২) অতিরিক্ত তেল ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেই বদহজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যাও দূর করতে পারে দই। দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে।

৩) দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে এবং দই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম যা রক্তের কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক। আর এ কারণে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা, স্ট্রোক এবং হৃদপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি কমায় দই।

৪) কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে রক্তে অনেক সময় অনেক টক্সিন জমে থাকে। আর নিয়মিত দই খাওয়ার অভ্যাস রক্ত পরিশোধনে কাজ করে রক্তকে টক্সিন মুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

৫) উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করতেও দইয়ের জুড়ি নেই। নিয়মিত দই খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টরল কমায় এবং সেই সাথে কমায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি।

৬) অনেকেই দুধ খেতে পারেন না অর্থাৎ অনেকেরই ল্যাকটোস ইন্টলারেন্সের সমস্যা রয়েছে যার ফলে দুধ সহসা হজম হতে চায় না। তারা অনায়েসেই দুধের পরিবর্তে দই খেতে পারেন এবং দুধের পুষ্টিগুণের ক্ষতিপূরণ করে নিতে পারেন।

৭) ওজন কমানোর জন্য অনেক চেষ্টা করতে থাকেন অনেকেই। ওজন কমানোর মূল হাতিয়ার হিসেবে দইয়ের জুড়ি নেই। দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে। এছাড়াও দইয়ের সাথে ফল খাওয়ার অভ্যাস ক্ষুধার উদ্রেক কম করে ও ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।