🕓 সংবাদ শিরোনাম

রাত গভীরে ঘরের জানালা ভেঙে কিশোরীকে ধর্ষণ, আটক অভিযুক্ত বখাটে * ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে চাঁদা আদায়, অভিযোগে আটক প্রেমিকসহ দুই যুবক * প্রবাস থেকে ভিডিওকলে প্রেমিকার চোখের সামনে যেভাবে আগুনে পোড়েন প্রবাসী যুবক! * চকবাজারের অগ্নিকান্ডে নিহতদের স্বজনদের ২ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান * ফরিদপুরে ডিমের বাজারে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা * এএসপি মহররম ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন: এমপি শম্ভু * কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎপৃষ্ঠে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু * ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মামলায় বেকসুর খালাস সাংবাদিক * বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের আশ্রয়দানকারী দেশগুলোর সমালোচনায় প্রধানমন্ত্রী * যাত্রাবাড়ীতে আওয়ামী লীগ নেতা খুন *

  • আজ বুধবার, ২ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ১৭ আগস্ট, ২০২২ ৷

ফরিদপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা


❏ মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

foridpur-1425

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রায়েরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুকিপূর্ণ ভবনে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ফলে আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, ১৯৭৩ ইং সালে এই বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। প্রথমে টিনের ঘরে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের পাঠদান। ১৯৯৪ ইং সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যায়ে এ ভবনটি নির্মাণ করে।

বর্তমানে এই ভবনটি একেবারেই অকেজো হয়ে পড়েছে। ভবনের ভিতরে-বাহিরের দেওয়াল ধ্বসে পড়ছে। ২৪৯ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য ভবনটিতে রয়েছে জরাজীর্ণ ৩টি মাত্র কক্ষ। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেম জানান, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে ঝুকির মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীদের চলছে পাঠদান। ভবনটির দেওয়াল যে ভাবে ধ্বসে পড়ছে তাতে শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা শিক্ষকরাও আতংকের মধ্যে রয়েছি।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ছিদ্দিক মাতুব্বার বলেন, শিশু শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত বিদ্যালয়ের অবুঝ শিশুরা এই জরাজীর্ণ ভবনে লেখা-পড়া করে। কিন্তু ভবনটি যে ভাবে ভেঙ্গে যাচ্ছে, তাতে বড় ধরনের বিপদ হওয়ার আশংকা রয়েছে। এই আশংকা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের নতুন একটি ভবণ অতি জরুরী।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, আমরা জরাজীর্ণ বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেছি। ইতি মধ্যেই রায়েরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউসুফদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, যগন্নাথদি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উজিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিংহপ্রতাপ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাঙ্গারদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, যদুনন্দী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, যদুনন্দী পশ্চিমপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বড় খারদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি ভবনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে একাধিকবার অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার ক্ষোভের সাথে আরো বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনের তাগিদে যে বিদ্যালয়গুলোর তালিকা প্রেরণ করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী উন্নয়ণ বরাদ্দ আসে না। ঐসব বিদ্যালয় যদি কোন দূর্ঘটনা ঘটে তার দায় দায়িত্ব কে নিবে ? তারপরও আশা করি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় “পেপমিস” প্রকল্পের মাধ্যমে খুব শিঘ্রই বরাদ্দ প্রদান করবে।