🕓 সংবাদ শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে চল্লিশ বছর পিছিয়ে দিয়েছে: আমির হোসেন আমু * ফরিদপুরে ১৪ দিন ধরে বন্ধ ক্লিনিক, টিকাদান কর্মসূচী চলছে স্কুলের বারান্দায়! * ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১৫% * এবার গাড়িচাপায় প্রাণ গেল তিন মাদরাসাছাত্রের * ভারতে দুই বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৮ বাংলাদেশি নারী * পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী মা হতে চলেছে, দুলাভাই গ্রেপ্তার * ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ * গার্ডার দুর্ঘটনা : ক্রেনচালকসহ গ্রেপ্তার ৯ * ফরিদপুর জেলা কারাগারে নেই কোনো চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বন্দীরা * পাথর খেকোদের দখলে ডাহুক নদী: নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, ধ্বংস হচ্ছে ফসলি জমি *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ১৮ আগস্ট, ২০২২ ৷

এক সপ্তাহ খালি পেটে রসুন-মধু খেলে যা হয়


❏ বুধবার, জুন ২৯, ২০১৬ লাইফস্টাইল

119535_1


লাইফস্টাইল:

শুধু খাদ্য বা মসলা হিসেবে নয় অনেক আগ থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে রসুন। বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য রসুন প্রচুর ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

রসুনের ভূমিকা:- প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চীন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাঁটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

মধুর ভুমিকা:- বিভিন্ন দেশে রোগ নিরাময়কারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসঙ্গে হয়, তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।

রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

মধু ও রসুনের এই চমৎকার ও কার্যকরী মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি নিচে জেনে নিন-

উপাদান:-
একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম, মধু, তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)

যেভাবে তৈরি করবেন:-
প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।