সহকর্মীকে ধর্ষণ: মেহেরপুরের সেই ধর্ষক প্রধান শিক্ষক কারাগারে


❏ সোমবার, জুলাই ১৮, ২০১৬ আলোচিত বাংলাদেশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি- সহকর্মীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার আম্রকানন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম আত্মসমর্পণ করেছেন।

শনিবার কুষ্টিয়ার সিনিয়র অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের স্পেশাল আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। পরে বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। teacherশিক্ষিকা ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই আশরাফুল আলম আত্মসমর্ণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনার পর ভারতে আত্মগোপন করেছিলেন শরিফুল। কয়েকদিন আগে দেশে ফিরলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে লুকিয়ে ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল।

শনিবার তিনি কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আত্মসর্ম্পণ করেন। বিজ্ঞ বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ওইদিনই তাকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি আত্মসমর্পণ করায় এখন চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে এসআই আশরাফুল আলম আরো জানান, দ্রুত মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে। ভুক্তভোগী যাতে ন্যায়বিচার পায় সে অনুযায়ী মামলা তদন্ত করা হচ্ছে।

কুষ্টিয়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাবুদ্দিন চৌধুরী জানান, চলতি বছরের ১৩ মে কুষ্টিয়াতে নিবন্ধন পরীক্ষা দিতে গিয়ে কুষ্টিয়ার একটি হোটেলে প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলামের দ্বারা ধর্ষিত হন মুজিবনগর আম্রকানন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন খ্রিস্টান ধর্মীয় এক শিক্ষিকা (২৫)। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য ওই শিক্ষিকা পরীক্ষা হলে না গিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ ঘটনায় ১৫ মে ওই শিক্ষিকা বাদী হয়ে শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় নারী নির্যাতন মামলা করেন। এর পর থেকে শরিফুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। শনিবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।