🕓 সংবাদ শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে চল্লিশ বছর পিছিয়ে দিয়েছে: আমির হোসেন আমু * ফরিদপুরে ১৪ দিন ধরে বন্ধ ক্লিনিক, টিকাদান কর্মসূচী চলছে স্কুলের বারান্দায়! * ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১৫% * এবার গাড়িচাপায় প্রাণ গেল তিন মাদরাসাছাত্রের * ভারতে দুই বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৮ বাংলাদেশি নারী * পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী মা হতে চলেছে, দুলাভাই গ্রেপ্তার * ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ * গার্ডার দুর্ঘটনা : ক্রেনচালকসহ গ্রেপ্তার ৯ * ফরিদপুর জেলা কারাগারে নেই কোনো চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বন্দীরা * পাথর খেকোদের দখলে ডাহুক নদী: নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, ধ্বংস হচ্ছে ফসলি জমি *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ১৮ আগস্ট, ২০২২ ৷

রংপুরে ৪ দিন ধরে দেখা মিলছে না সূর্যের

cold
❏ রবিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২১ রংপুর

সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর- ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে রংপুরসহ আশাপাশের জেলাগুলি। এতে করে থমকে গেছে জনজীবন। ছিন্নমূল মানুষরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করার চেষ্টা করছেন। কাজ ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না কেউ। কমে গেছে যানবাহন চলাচল। তীব্র শীতে কাপঁছে পুরো রংপুর অঞ্চলের মানুষ।

রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত ৪ দিন থেকে দেখা মিলছে না সুর্যের। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম, ভোগান্তিতে আছে নিম্ন আয়ের মানুষ। কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় চরাঞ্চলের কয়েক লাখ শীতার্ত মানুষের কষ্ট বেড়েছে বহুগুণ।

পরিবারগুলোতে শীতের পোশাক না থাকায় খড়কুটোর আগুনই ভরসা করে চলছে শীতার্ত দুস্থ্য মানুষ। গেল ৩ দিনে সারাদিনেও সূর্যের দেখা না পাওয়ায় বেড়েছে ঠান্ডার তীব্রতা। এতে কাবু হয়ে পড়েছে রংপুর অঞ্চলের শিশু, বৃদ্ধ সকলেই।

বিশেষ করে তিস্তা পারের মানুষ জন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। মাঘের শুরু থেকেই শীতের তীব্রতা বাড়ায় প্রতিদিন সকাল ৬ টা থেকে সকাল ১০ টা ও সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে দিনে ও রাতে খড়কুটোয় আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন তারা। একটু উষ্ণতা পাওয়ার আশায় গ্রামাঞ্চলের শীতবস্ত্রহীন মানুষ তাকিয়ে থাকছেন সূর্যের আলোর দিকে। সারাদিন ঠান্ডার তীব্রতার কারণে হাট-বাজারেও লোকসমাগম অনেকটাই কম।

রংপুরের নিসবেতগঞ্জ এলাকার একরামুল জানান, কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে ঘর থেকে বেড় হওয়া যায় না। এই এলাকায় বেশী ভাগ মানুষ দিনমজুর ঠান্ডায় কাজ কর্ম না পেয়ে এই শীতের মৌসুমে তাদের কষ্ট বেড়ে গেছে।