🕓 সংবাদ শিরোনাম

শ্রীলঙ্কার মতো অবস্থা হতে পারে ভুটানের * যে নেতার নিজের মা মরে মরে, তাকে দেখতে আসে না আর আপনার জন্য আসবে কোন দুঃখে: শামীম ওসমান * কেরানীগঞ্জে প্যাকেজিং কারখানায় আগুন, ৩ ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে * পুলিশের উদ্ধার করা মাদক ছিনিয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে খেল মাদকসেবীরা! * চাঁদা না দেয়ায় দোকানে হামলা ভাংচুর, ব্যবসায়ীকে মারধর * ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল আসামিরা, মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি * ভারতকে অনুরোধ করার দায়িত্ব কাউকে দেয়া হয়নি : ওবায়দুল কাদের * বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেলওয়ে জাদুঘর এখন ফরিদপুরে * কোটালীপাড়ায় একদিনে দু’জনের আত্মহত্যা * রাজবাড়ীতে মারামারি মামলায় সাংবাদিকসহ ২জন গ্রেফতার *

  • আজ শনিবার, ৫ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ২০ আগস্ট, ২০২২ ৷

‘মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর অধিকার’ আখ্যা দিয়ে ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিল কলম্বিয়া


❏ শুক্রবার, মে ১৩, ২০২২ চিত্র বিচিত্র

চিত্র-বিচিত্র ডেস্ক: কলম্বিয়ার নাগরিকদের ‘ইচ্ছামৃত্যু’ বরণ করার অনুমতি দিয়েছেন দেশটি সর্বোচ্চ আদালত। কলম্বিয়া লাতিন আমেরিকার প্রথম দেশ, যারা ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিল।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এএফপি জানিয়েছে, গত বুধবার কলম্বিয়ার সর্বোচ্চ আদালতে ৬-৩ ভোটে ইচ্ছামৃত্যুর বিষয়টি পাস হয়। এতে বলা হয়, গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি যারা শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা একেবারেই সহ্য করতে পারছেন না, তাঁরা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, অনুমতি সাপেক্ষে এবং পরামর্শক্রমে নিজের জীবনাবসান ঘটাতে পারবেন। এর জন্য আদালত তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করবেন না।

ইচ্ছামৃত্যু, যা বিশ্বব্যাপী ‘ইউথেনেসিয়া’ নামে পরিচিত। ইউথেনেসিয়া একটি গ্রিক শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ‘ভালো মৃত্যু’। ১৯৯৭ সালে ইউথেনেসিয়াকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছিল কলম্বিয়া।

গত বছরের জুলাই মাসে আদালত এ ধরনের মৃত্যুকে ‘মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর অধিকার’ আখ্যা দিলে বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসে। এ নিয়ে অনেক বিতর্কের পর গত বুধবার সর্বোচ্চ আদালতে বিষয়টির পক্ষে বিপক্ষে ভোটাভুটির পর ইউথেনেসিয়া বৈধতা পায়।

কলম্বিয়ার সরকারি তথ্যমতে, অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হলেও ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত কলম্বিয়ায় প্রায় ২০০ মানুষ মৃত্যুর জন্য ইউথেনেসিয়াকে বেছে নিয়েছেন।

বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশে ইউথেনেসিয়ার অনুমতি রয়েছে। লাতিন আমেরিকার প্রথম দেশ হিসেবে কলম্বিয়া সেই গুটি কয়েক দেশের অন্তর্ভুক্ত হলো। দেশটির বেশির ভাগ মানুষ রোমান ক্যাথলিক হওয়ার পরেও ইউথেনেসিয়া বৈধতা পাওয়াকে অনেকেই বিস্ময়কর হিসেবে দেখছেন। কারণ চার্চ স্পষ্টতই ইচ্ছামৃত্যু ও আত্মহত্যার বিরোধিতা করে থাকে।

সংগত কারণে কলম্বিয়া এই মৃত্যুকে সরাসরি ইউথেনেসিয়া না বলে ‘সহায়তাকৃত আত্মহত্যা’ বলছে। দেশটির রাইট টু ডাই উইথ ডিগনিটি ফাউন্ডেশন (ডিএমডি) বলছে, ইউথেনেসিয়া ও সহায়তাকৃত আত্মহত্যার মধ্যে পার্থক্য হলো—মৃত্যুর জন্য ওষুধটি কে প্রয়োগ করছেন। ইউথেেনসিয়ার ক্ষেত্রে ওষুধটি একজন স্বাস্থ্যকর্মী নিজে রোগীর শরীরে প্রয়োগ করেন। আর সহায়তাকৃত আত্মহত্যার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধটি রোগী নিজে প্রয়োগ করেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজ্যেও চিকিৎসাসহায়তায় আত্মহত্যার অনুমতি রয়েছে।