🕓 সংবাদ শিরোনাম

যে নেতার নিজের মা মরে মরে, তাকে দেখতে আসে না আর আপনার জন্য আসবে কোন দুঃখে: শামীম ওসমান * কেরানীগঞ্জে প্যাকেজিং কারখানায় আগুন, ৩ ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে * পুলিশের উদ্ধার করা মাদক ছিনিয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে খেল মাদকসেবীরা! * চাঁদা না দেয়ায় দোকানে হামলা ভাংচুর, ব্যবসায়ীকে মারধর * ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল আসামিরা, মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি * ভারতকে অনুরোধ করার দায়িত্ব কাউকে দেয়া হয়নি : ওবায়দুল কাদের * বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেলওয়ে জাদুঘর এখন ফরিদপুরে * কোটালীপাড়ায় একদিনে দু’জনের আত্মহত্যা * রাজবাড়ীতে মারামারি মামলায় সাংবাদিকসহ ২জন গ্রেফতার * নারায়ণগঞ্জে প্রাইভেটকারচাপায় পথচারীর মৃত্যু *

  • আজ শনিবার, ৫ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ২০ আগস্ট, ২০২২ ৷

শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম

Health desk news
❏ সোমবার, মে ১৬, ২০২২ লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ডায়াবিটিস কখনও একা আসে না। সঙ্গে নিয়ে আসে একাধিক গুরুতর রোগ। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। যাঁদের ডায়াবিটিস নেই, কিন্তু ডায়াবিটিসের পূর্ববর্তী লক্ষণ রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রেও যাতে রক্তে শর্করার মাত্রা অকস্মাৎ বেড়ে না যায়, সে কথা মাথায় রাখা জরুরি। আর তার জন্য মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম।

১। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে নিয়মিত। ডায়াবিটিস বা প্রাক-ডায়াবিটিসের লক্ষণ থাকলে এমনিতেই খাবার খেতে হয় মেপে। কিন্তু অনেক সময়ই নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি নিতান্তই কিছু খেতে ইচ্ছে করে, তবে আগে খান পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। ফাইবার ধীরে ধীরে পাচিত হয়। ফলে শর্করার মাত্রা আচমকা বৃদ্ধি পাওয়ায় আশঙ্কা কমে।

২। খাওয়াদাওয়ার পর শুয়ে-বসে থাকা? নৈব নৈব চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাওয়াদাওয়ার পর অন্তত মিনিট দশেক হাল্কা হাঁটাহাঁটি করুন। শুয়ে বসে থাকবেন না। নিয়মিত শরীরচর্চা করতে পারলে তো আরও ভাল। তিন বেলা খাবার খাওয়ার পর অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে রক্তের শর্করার মাত্র।

৩। একবারে অনেকটা নয়, অল্প অল্প করে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাবার খান। বিশেষত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে হলে, অল্প করে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে খাওয়াই ভাল। এক বেলা না খেয়ে অন্য বেলা বেশি পরিমাণে খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। দরকারে দিনে তিন বেলার বদলে পাঁচ বার খাবার খান, পরিমিত পরিমাণে। এতে এক ধাক্কায় শর্করার মাত্রা হ্রাস-বৃদ্ধির সমস্যা কমবে অনেকটাই।