ক্ষমা চেয়ে বিএনপি নেতারা পদ্মাসেতু দিয়ে যেতে পারেন: তথ্যমন্ত্রী


❏ মঙ্গলবার, মে ১৭, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: লজ্জা থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে বিএনপি নেতারা যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪২তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

‘বেগম জিয়া, মির্জা ফখরুল সাহেবদের ‘আওয়ামী লীগ সরকার পদ্মাসেতু করতে পারবে না’ এমন মন্তব্য এখনও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়ায়’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এখন পদ্মাসেতু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। ফখরুল সাহেবরা পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে যাবেন না কি নিচ দিয়ে আওয়ামী লীগের নৌকায় করে যাবেন, সেটি ভাবছি। তাদের যদি লজ্জা থাকে, জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে তারা যেতে পারেন। আমরা চাই আপনারা পদ্মাসেতু ব্যবহার করেন।

১৯৮১ সালের ১৭ মের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে তার হার না মানা দেশপ্রেম ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জিয়াউর রহমান সেদিন তাকে দেশে ফিরতে দিতে বাধ্য হয়েছিলো। সে দিনের মুষলধারে বৃষ্টি যেনো ছিলো শেখ হাসিনাকে পেয়ে প্রকৃতির আনন্দ অশ্রু আর মেঘগর্জন ছিলো বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের প্রতি তীব্র ধিক্কার। শেখ হাসিনাকে বরণ করে প্রকৃতি যেনো জানান দিয়েছিলো- ষড়যন্ত্রকারী ও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দিন শেষ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ৪১ বছরের পথ চলায় জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বদলে গেছে। গত ১৩ বছরে প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। এ অভূতপূর্ব উন্নতি সহ্য হচ্ছে না বলে আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, গর্তের ভেতর থেকে বিএনপি-জামাত উঁকি দিচ্ছে এবং বিশৃঙ্খলা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বলতে চাই, আমরা এখনও মাঠে নামি নাই, প্রয়োজন নামবো। যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের প্রতিহত করবো।

মন্ত্রী বলেন, সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে, খাদ্যে ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তের দেশে উন্নীত করে চিরদিন দেশের মানুষের পাশে থাকা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। কিন্তু বিএনপি-জামাত, তাদের দোসর আর কিছু বুদ্ধিজীবীর এই উন্নয়ন-অগ্রগতি ভাল লাগে না। একারণেই সমগ্র পৃথিবী যখন প্রশংসা করে, তখনও তারা প্রশংসা করতে পারে না বরং তাদের কথায় মনে হয় দেশ দশ হাত দেবে গেছে, যা বাস্তবের বিপরীত।