🕓 সংবাদ শিরোনাম

করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় ৪ জনের মৃত্যু * বিশ্বের ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা * গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীসহ ২জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ * বন্যাদূর্গত হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে মুফতী মুনীর উদ্দিনের নেতৃত্বে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ * কক্সবাজারে যাবজ্জীবনসহ তিন জনের কারাদণ্ড * গাজীপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু * গাজীপুরে গাড়ির যন্ত্রাংশ চোর চক্রের ১২ সদস্য গ্রেফতার * ডিসেম্বরেই পাতাল জয়, খুলবে ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ * ২০২৩ সালে উদ্বোধন হবে ঝিনুক আকৃতির রেলস্টেশন * টাঙ্গাইলে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের সমাপনী অনুষ্ঠান *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ আষাঢ়, ১৪২৯ ৷ ৩০ জুন, ২০২২ ৷

সঠিক তথ্য পেতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে কাজ করবে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর


❏ শুক্রবার, মে ২০, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ভোক্তা অধিদপ্তরের বড় দূর্বলতা হচ্ছে সঠিক তথ্যের অভাব। এই সংস্থার তথ্যের বৈধ উৎস নেই। ভোক্তা বা ব্যক্তিগত উৎস থেকে যে তথ্য পাওয়া যায়, সেগুলোর সঠিকতা যাচাই করারও সুযোগ নেই। এজন্য ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন শৃংখলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনাওে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ বিষয়ক সেমিনারটি আজ রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইআরএফ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মনজুর মোহাম্মাদ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ইআরএফ সভাপতি শারমিন রিনভী, এএফপির ব্যুরো চীফ শফিকুল আলম, ক্যাবের উপদেষ্টা কাজী আব্দুল হান্নান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যক্রম ও আইন নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রজবী নাহার রজনী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভোক্তা অধিকার বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। সেগুলোর জবাব দেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

মহাপরিচালক সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত ইস্যু ভোজ্যতেল নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তথ্য অনুযায়ী তেলের সংকট হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সংকট হয়েছে। কোম্পানিগুলো উৎপাদন কমিয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ আদেশ ধরে রাখছে। এক কথায় এই বাজারে এক ধরনের মনোপলি বা সিন্ডিকেট হয়ে গেছে। কারণ এক বা দুটি বড় কোম্পানি কোনো অজুহাতে উৎপাদন বন্ধ রাখলে যে সংকট হয়েছে, তার চেয়ে বড় ধরনের সংকটের আশংকা রয়েছে। সরকার চায় পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে।’

সভাপতির বক্তব্যে মনজুর মোহাম্মাদ শাহরিয়ার বলেন, উন্নয়ন সাবলীল করতে ভোক্তা অধিকার আইনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। অধিদপ্তরকে জনবলসহ অন্যান্য সহায়তা দিয়ে শক্তিশালী করতে হবে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকেও শক্তিশালী করা দরকার।

তিনি বলেন, নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রচুর অনিয়ম রয়েছে। ভোক্তা অধিদপ্তর ঠিকমত কাজ করতে পারলে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে জরিমানা বা শাস্তি হবে না। তিনি ভোক্তা অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।