• আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ আষাঢ়, ১৪২৯ ৷ ৩০ জুন, ২০২২ ৷

আগামী নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত


❏ মঙ্গলবার, মে ২৪, ২০২২ প্রধান খবর, ফিচার

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হচ্ছে জনগণ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরকার গঠন করবে। নির্বাচনটি হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তীর্ণ। মুক্ত গণমাধ্যম তথা সাংবাদিকরা এ জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। রাজধানীর ধানমন্ডির ইএমকে সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মার্কিন দূতাবাস।

অনুষ্ঠানে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো মাওকি, যুক্তরাজ্যের ডেপুটি হাইকমিশনার জাবেভ পাটেল এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বক্তব্য দেন্। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত মুখপত্র ব্রায়ান শিলার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, ‘মুক্ত গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে কোনো দেশই শতভাগ সফল নয়। মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে যুক্তরাষ্ট্র ১৮০টি দেশের মধ্যে ৪২তম অবস্থানে। এর অর্থ আমাদের আরও উন্নতি করা প্রয়োজন। এই সূচকে বাংলাদেশ ১৬২তম অবস্থানে। যা গত বছরের তুলনায় ১০ ধাপ পিছিয়েছে। এর কারণ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইনটি সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর একটি আইন।’

পিটার হাস বলেন, মার্কিন সরকার বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্ট ও সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন সময় আলোচনায় এই আইন নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরেছে। সবাই জানে কোনো সাংবাদিক কোনো রিপোর্ট করলে তা ‘মিথ্যা’, ‘মানহানিকর’ ও ‘বিদ্বেষমূলক’ বলে এই আইনে অভিযুক্ত করা হয়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিটিআরসি ও আইসিটি বিভাগ আরও দুটি আইনের প্রস্তাব করেছে। আমাদের আশঙ্কা এই দুটি আইনও সাংবাদিকদের আরও আতঙ্কিত করতে পারে।’

অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো মাওকি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে এ দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। জাপান এই উন্নয়নযজ্ঞের অংশীদার হতে পেরে গর্বিত। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পূর্ণতা পাবে যদি মুক্ত গণমাধ্যম বিরাজমান থাকে। তাই মুক্ত গণমাধ্যমের প্রতি সবাইকে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। আমি মনে করি, বাংলাদেশকে সব দিক দিয়ে আরও উন্নত হওয়া দরকার।

আলোচনা অনুষ্ঠানে মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাসিমুন আরা হক মিনু, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ, বিএফইউজের অপর অংশের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ডিক্যাবের সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মঈনুদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।