🕓 সংবাদ শিরোনাম

মুখ ফসকে অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ বেরিয়ে গেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী * মাধবপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর গাছে মিলল ঝুলন্ত দেহ * জিয়া কখনই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না: হানিফ * প্রতিরোধ নারায়ণগঞ্জ থেকে শুরু হবে, খেলায় আমরাই জিতব: শামীম ওসমান * সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত * স্কুলছাত্রের ঘরে ঢুকে দরজা আটকালেন কলেজছাত্রী, রাত গভীরে গ্রাম্য সালিসে হলো বিয়ে * সালথায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে চাঁদাবাজি, আটক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী * বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকা চলে, মাঝিদের জীবন চলে না * চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ও উত্তরায় গার্ডার পড়ে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক * নারায়ণগঞ্জে তেল চোরাই চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার *

  • আজ মঙ্গলবার, ১ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ১৬ আগস্ট, ২০২২ ৷

নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই দেবে গেল সাড়ে ৩ কোটি টাকার সেতু!


❏ শনিবার, জুন ১৮, ২০২২ আলোচিত বাংলাদেশ, ঢাকা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর মাঝখানে দেবে গেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা ও ক্ষোভ।

গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল-বেড়াডোমা-ওমরপুর সড়কের বেড়ডোমা এলাকার লৌহজং নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি দেবে যায়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি করা হবে বলে জানিয়েছেন পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ দিনের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সেতু করে দিলেও, ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারের গাফিলতিতে সেতুটি নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই দেবে গেল। এখন দুর্ভোগ কমা তো দূরের কথা আরও বাড়ল।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় টাঙ্গাইল পৌরসভা সেতুটি নির্মাণ করছে। ৮ মিটার প্রস্থ ও ৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর থেকে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করে। গত ১৬ মে এই সেতুর ঢালাইকাজ সম্পন্ন করা হয়। গত ১১ মে কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। গত সপ্তাহে সেতুটির ওপরের অংশে ঢালাই করা হয়। গতকাল রাতে সেতুটির মাঝখানের সাটারিং সরে গিয়ে সাড়ে তিন ফুট দেবে যায়। ফলে নির্মাণাধীন সেতুটি ভেঙে নতুন করে আবার করতে হবে।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সোলায়মান হাসান বলেন, ‘এই সেতুর নির্মাণকাজ অন্যজন পেয়েছিলেন। স্থানীয় এমপি তাঁর কাছ থেকে প্রভাব খাটিয়ে কাজটি হাতিয়ে নেন। পরে তাঁর কর্মী আমিরুল তাঁর অনুসারীদের কাজটি দিয়েছেন। যারা কখনো সেতু নির্মাণ করা দেখেইনি তাঁরা সেতু নির্মাণ করতে এসেছে। এটা দুঃখজনক। নদীতে তেমন পানি ও স্রোত না থাকার পরও সেতুটি দেবে গেছে। সঠিক পদ্ধতিতে মানসম্মত সেতু নির্মাণ করার দাবি জানালেও তাঁরা সব সময় এমপির দোহাই ও ক্ষমতা দেখিয়েছেন। সরকারের অর্থের অপচয় করার জন্য বাস্তবায়নকারীদের বিচার চাই।’

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্রিকস অ্যান্ড ব্রিকসের সাইট ঠিকাদার মোহাম্মদ জামিল খান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে পানির প্রবল স্রোতে নির্মাণাধীন সেতুর পশ্চিমপাশের বাঁশ ও কাঠের খুঁটিগুলো সরে যায়। সেতুর ঢালাইকাজে ব্যবহৃত কাঠগুলোও খুলে গেছে। এতে সেতুর মাঝের কিছু অংশ দেবে যায়। এ পর্যন্ত সেতুর ৭০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা এসে পরিদর্শন করবেন, তারপর কী সিদ্ধান্ত হয় তখন জানা যাবে।