• আজ বুধবার, ২৬ শ্রাবণ, ১৪২৯ ৷ ১০ আগস্ট, ২০২২ ৷

সেপ্টেম্বরের শুরুতে ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

pm 2
❏ মঙ্গলবার, জুন ২১, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে আগামী সেপ্টেম্বরে শুরুতে দেশটি সফরে যাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে সেপ্টেম্বরে সম্ভাব্য তারিখও ঠিক করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ওপর নির্ভর করছে।

সোমবার (২০ জুন) শাহজালাল বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। নয়াদিল্লিতে সপ্তম যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক শেষে দেশে ফেরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

ড . মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের তারিখ ঠিক করেছি, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। পরবর্তীতে তিনি আবার জাতিসংঘে যাবেন। আগস্টে তো যাওয়া যাবে না। আর মাত্র জুলাই আছে। আমরা মনে করি, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ বা ওই সময়টায় প্রথম ১০ দিন কনভিনিয়েন্ট টাইম (সুবিধাজনক সময়)। তারাও (ভারত) সেভাবে একটা তারিখ দিয়েছে, ওয়ার্কিং ডেট দিয়েছে।

মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস সফরের তারিখ চূড়ান্ত করবে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকরের সাথে মোমেনের আলোচনায় সফরের এই টাইমলাইন ঠিক করা হয়।

ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ভারত থেকে ১০ লাখ টন গম আমদানি করবে। মাঝে তারা কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছিল। এখন তুলে নিয়েছে। যারা ইতোমধ্যে এলসি খুলেছেন তারা আমদানি করতে পারবেন। ভারত এটা যাচাই-বাছাই করবে। এছাড়া পি কে হালদারকে আমরা ফিরিয়ে আনার কথাও বলেছি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব নদী পথ উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছি। আমরা চাই, এসব নদী পথ দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ুক। এছাড়া পদ্মা সেতুর জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছে দেশটি।

বৈশ্বিক সমস্যার কারণে এ অঞ্চলে যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে সেটা নিয়ে জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। অন্য জায়গায় সংঘাত হলে আমাদের ওপর কম প্রভাব পড়ে। আমরা এ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবো। এ অঞ্চলে একটা দেশ সমস্যায় পড়েছে এবং এ ধরনের ঝামেলা যেন আর না হয় সেজন্য আমাদের একে অপরকে সহায়তা করতে হবে। আমাদের সাপ্লাই চেইন ও স্থিতিশীলতা যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সেজন্য একসঙ্গে কাজ করতে আমরা সম্মত হয়েছি।

মোমেন বলেন, আমরা বারবার উদ্যোগ নিয়েছি জেআরসি বৈঠক করার। কিন্তু তারা শুধু বলে যে হবে। এখনও নির্দিষ্ট তারিখ পাইনি। আশা করবো প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে জেআরসি বৈঠক হবে। কয়েকটি নদীর সীমানা চিহ্নিত করা নিয়ে সমস্যার কথা উঠেছে। এবারের বৈঠকে প্রস্তাব করা হয়েছে যে যৌথভাবে এটি পর্যবেক্ষণ করা হবে। বাংলাদেশে বন্যা ঠেকানো যাবে না।

কিন্তু এর ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভারতকে অনুরোধ করেছি তারা যদি আগেভাগে আমাদেরকে ঢলের বিষয়ে সতর্ক করে তবে আমরা প্রস্তুতি নিতে পারি। এ বিষয়ে তারা নীতিগতভাবে সম্মত।