🕓 সংবাদ শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে চল্লিশ বছর পিছিয়ে দিয়েছে: আমির হোসেন আমু * ফরিদপুরে ১৪ দিন ধরে বন্ধ ক্লিনিক, টিকাদান কর্মসূচী চলছে স্কুলের বারান্দায়! * ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১৫% * এবার গাড়িচাপায় প্রাণ গেল তিন মাদরাসাছাত্রের * ভারতে দুই বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৮ বাংলাদেশি নারী * পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী মা হতে চলেছে, দুলাভাই গ্রেপ্তার * ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ * গার্ডার দুর্ঘটনা : ক্রেনচালকসহ গ্রেপ্তার ৯ * ফরিদপুর জেলা কারাগারে নেই কোনো চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বন্দীরা * পাথর খেকোদের দখলে ডাহুক নদী: নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, ধ্বংস হচ্ছে ফসলি জমি *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র, ১৪২৯ ৷ ১৮ আগস্ট, ২০২২ ৷

ওডেসার আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জন


❏ শুক্রবার, জুলাই ১, ২০২২ আন্তর্জাতিক

অনলাইন ডেস্ক: ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসা অঞ্চলের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ৩০ জন। এক স্থানীয় কর্মকর্তা শুক্রবার ভোরে এ কথা জানায়।

ওডেসা সামরিক প্রশাসনের মুখপাত্র সের্গেই ব্রাচুক বলেন, ‘অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।’

ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড সাউথ এর উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘কৃষ্ণ সাগরে কৌশলগত যুদ্ধবিমান থেকে’ এই ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

‘একটি ক্ষেপণাস্ত্র নয় তলা আবাসিক ভবনে আঘাত হেনেছে’ উল্লেখ করে সেনাবাহিনী বলেছে, আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র একটি বিনোদন কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে। বিনোদন কেন্দ্রে হামলায় এক শিশুসহ তিনজন নিহত এবং একজন আহত হয়।

এদিকে জরুরী সেবা বিভাগ জানিয়েছে, ‘নয় তলার আবাসিক ভবনের একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন শিশুসহ ৩০ জন আহত হয়। উদ্ধার কর্মীরা তিন শিশুসহ সাতজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।’

ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলে ক্রেমেনচুকের একটি শপিং সেন্টারে রাশিয়ার হামলায় ১৮ জন বেসামরিক লোক নিহত হওয়ার কয়েকদিন পরেই এই আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলো।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এ ঘটনায় মস্কোর বাহিনীর দায় অস্বীকার করেছেন।
ওডেসার দক্ষিণ অঞ্চলটি একটি কৌশলগত এলাকা, এখানেই ইউক্রেনের ঐতিহাসিক ওডেসা বন্দর রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাশিয়ান সৈন্যরা ওডেসার উপকূলে ¯েœক দ্বীপে তাদের অবস্থান ত্যাগ করেছে। এখানে যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে ইউক্রেনীয় প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছিল।