১২ ঘন্টায় কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করার সকল প্রস্তুতি আছে : মেয়র আতিক

Dhakar news
❏ শনিবার, জুলাই ৯, ২০২২ ঢাকা

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ‘ঈদে বিপুল পরিমান বর্জ্য অপসারণ একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। ১২  ঘন্টায় কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করার সকল প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। ১০ হাজার কর্মী কাজ করবে। ৬০০ যানবাহন, পচনশীল পলি ব্যাগ এবং পর্যাপ্ত পরিমান ব্লিচিং পাওডার ও স্যাভলন রয়েছে। সেই সাথে নগরভবনে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

জনসাধারণকে কন্ট্রোল রুমের নম্বরে ফোন করে বর্জ্য সংক্রান্ত তথ্য জানানোর আহ্ববান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কন্ট্রোলরুমে ফোন করে সবাই বর্জ্য সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পারবে এবং তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয় হবে। কন্ট্রোলরুমের ৩টি ফোন নম্বরঃ ১৬১০৬, ০২-৫৫৫০৫২০৮৪, ০৯৬০-২২২২৩৩৩।’

দুপুরে রাজধানীর আফতাবনগর কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে ডিএনসিসি মেয়র সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।  তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতায় কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিষ্কার করা হবে।”

তিনি আরো বলেন, ‘ডিএনসিসিতে দশটি পশুর হাটেই বিপুল সংখ্যক ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটেছে। হাটের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা রেখেছি। হাটগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘মাস্ক আমার সুরক্ষা সবার এটি মানতে হবে সবাইকে। ডিএনসিসির প্রতিটি হাটে ১০০(একশত) জন করে মোট ১০০০ (এক হাজার) স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনাসহ সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করছে।’

এসময় মেয়র বলেন, ‘ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপদ ও সহজ লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো ডিএনসিসির ৬টি হাটে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ স্থাপন করা হয়েছে। বুথগুলোতে কোন চার্জ ছাড়াই ২৪ ঘন্টা লেনদেন করা যাবে। সাথে সাথে একটি ডেবিট কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে ঝুঁকি নিয়ে নগদ টাকা বহন করতে হবে না।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নোত্তরে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘ইজারাদারকে তাদের দায়িত্বে ১২ ঘণ্টার মধ্যে পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। পশুর হাটের বর্জ্য পরিষ্কার না হলে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি তাদের জমাকৃত অর্থ বাজেয়াপ্তও করা হতে পারে।’

আরো এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পশুর হাটের পার্শ্ববর্তী এলাকায় মশার সংখ্য বেড়ে গেছে। হাট চলাকালীন মশার ঔষুধ ছিটানো যাচ্ছে না কারণ এতে পশুর ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। হাটের কার্যক্রম শেষ হলে এই এলাকাগুলোতে মশা নিধনে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

পশুর হাট পরিদর্শনে অন্যান্যের সাথে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জেনারেল মোঃ জোবায়দুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, কাউন্সিলর এবং ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।