মেট্রোরেলের খরচ বাড়লো সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা


❏ মঙ্গলবার, জুলাই ১৯, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: মেট্রোরেল নির্মাণে প্রায় ১১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা ব্যয় বাড়লো। একই সঙ্গে নির্মাণের সময়ও বাড়ছে।

মেট্রোরেল নির্মাণের খরচ ও প্রকল্পের সময় বাড়ানোসহ প্রায় ১৫ হাজার ৮৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে মেট্রোরেল নির্মাণে ব্যয় বাড়লো ১১ হাজার ৪৮৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা এবং নির্মাণ কাজ শেষ করার মেয়াদ বাড়ানো হলো দেড় বছর। একই সঙ্গে এর দৈর্ঘ্য বাড়বে ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার।

মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির ফলে এখন পর্যন্ত এর মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ মেট্রোরেলের ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ‘আজকের সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি জাতীয় মহাসড়কের হাটহাজারী থেকে রাউজান পর্যন্ত সড়কাংশ চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ডেভেলপমেন্ট (লাইন-৬) (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্প, নরসিংদী সড়ক বিভাগের আওতায় ইটাখোলা-মঠখোলা-কটিয়াদী সড়ক ও নয়াপাড়া-আড়াইহাজার-নরসিংদী-রায়পুরা দুটি আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মানে প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প, ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ, ইলেকট্রনিক ডাটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যাভিত্তিক জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং কর্মসূচি (ইপিসিবিসিএসপি) (দ্বিতীয় সংশোধিত), খাগড়াছড়ি শহর ও তৎসংলগ্ন অবকাঠামো নদী ভাঙন থেকে সংরক্ষণ, উপজেলা গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (ইউজিডিপি) (দ্বিতীয় সংশোধিত), বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।’

আটটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ১৫ হাজার ৮৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ১২ হাজার ৪৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ থেকে পাওয়া যাবে তিন হাজার ২৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ১৩৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা পাওয়া যাবে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।