🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ২৫ শ্রাবণ, ১৪২৯ ৷ ৯ আগস্ট, ২০২২ ৷

সকল প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী


❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ২১, ২০২২ প্রধান খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা এ দেশের মানুষ সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে এ দেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে। সকল প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি; সামনে উন্নত দেশের মর্যাদাও পাব।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৬ হাজার ২২৯টি পরিবারকে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী এসবের (জ্বালানি, খাদ্য) সংকট শুরু হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের প্রতিটি মানুষকেও যার যার জায়গা থেকে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। কেননা উন্নত বিশ্বও এ পরিস্থিতিতে হিমশিম খাচ্ছে।

‘তাই সবাইকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে; খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। সবাই মিলে একযোগে কাজ করলে আমরা সংকট এড়িয়ে এগিয়ে যাব।’

বৈশ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ, মহামারি এবং যুদ্ধ চলছে। এ কারণে নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। একে তো করোনা মহামারি, তার ওপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়ার ওপরে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা চলছে। ইউরোপ তাপদাহে পুড়ছে। বন পুড়ে যাচ্ছে; বিমানবন্দরের পিচ গলে যাচ্ছে। এককথায় বিশ্বব্যাপী সংকট শুরু হয়েছে।

‘কাজেই আমাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না। খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফুয়েল এবং পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। সংকট আসার আগেই সাবধান হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। সবাইকে সঞ্চয় বাড়াতে হবে। সেটা খাদ্য হোক বা জ্বালানি হোক, দুর্যোগ ও সংকট আসার আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। সেই বাংলাদেশের কোনো মানুষ যেন ঠিকানাবিহীন না থাকে। তাদের জীবনটা যেন সুন্দর হয় সেই লক্ষ্য নিয়েই এই উদ্যোগটা জাতির পিতাই প্রথম করেছিলেন। তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে তার হাতে গড়া বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষের অন্তত একটা বসবাসের জায়গা করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এই আশ্রয়ণ।

সরকারপ্রধান বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল বাংলার মানুষ খাদ্য পাবে, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান পাবে।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর যখন দেশে ফিরি আমাদেরকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমরা ৩২ নম্বরের রাস্তায় বসে দোয়া পড়েছি, সবার মাগফিরাত কামনা করেছি।