• আজ সোমবার, ৩১ শ্রাবণ, ১৪২৯ ৷ ১৫ আগস্ট, ২০২২ ৷

বিএনপির আমলে লোডশেডিং হতো দিনে ১৩-১৪ ঘণ্টা: কাদের


❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ২, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে বিএনপি যে অব্যাহত অপপ্রচার আর মিথ্যাচার করছে, তা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা সহজেই তাদের অতীত ভুলে যেতে চাইলেও জনগণ ঠিকই তা মনে রেখেছে। তাদের শাসনামলে দেশে দিনে ১৩/১৪ ঘন্টা লোডশেডিং চলতো। তাদের সময়ে দেশ ছিলো অন্ধকারে নিমজ্জিত।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে যারা দুর্নীতির কথা বলেন, তারাই প্রকৃতপক্ষে দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক। শেখ হাসিনা সরকার বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্নীতি করলে দেশে ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হতো না, শিল্পায়নের বিকাশ ঘটতো না, অর্থনীতির সমৃদ্ধি এবং প্রবৃদ্ধি ঘটতো না।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো ২২০ কিলোওয়াট, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৫৬০ কিলোওয়াট। বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতাভুক্ত শতভাগ যা ২০০৯ সালের শুরুতে ছিল মোট জনসংখ্যার ৪৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো ৩ হাজার ২৬৭ মেগাওয়াট, বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষমতা ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। তাছাড়া ২০০৯ সালের শুরুতে দেশে বিদ্যুৎ গ্রাহক সংখ্যা ছিলো ১ কোটি ৮ লাখ। ২০২২ সালের এপ্রিলে এসে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের এ সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বিএনপি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার আশঙ্কা কাটাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে রেশনিং করা হচ্ছে, যা সাময়িক পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, একটি মহল ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ভুয়া জিগির তুলছেন, প্রকৃতপক্ষে ভারত থেকে দেশে আমদানিকৃত বিদ্যুতের পরিমাণ মোটের ওপর মাত্র ১০ শতাংশ। আবার কেউ কেউ বলছেন, দেশে নাকি ১৩ দিনের অকটেন এবং ১৭ দিনের পেট্রোলের রিজার্ভ আছে। অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সামান্য পরিমাণে বুস্টার ছাড়া দেশে অকটেন ও পেট্রোল আমদানিই করা হয় না। প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের কনডেনসেট থেকে রিফাইন করে পেট্রোল ও অকটেন তৈরি করা হয়। আবার কেউ কেউ বলছেন, দেশে তেল মজুদ আছে ৩৭ দিনের, তারা এ কথা বলছেন জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, দেশে তেল মজুদের সক্ষমতা রয়েছে ৪০ দিনের।