🕓 সংবাদ শিরোনাম

নিজের অশ্লীল ছবি দিয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ছাত্রীর ছবি চান অধ্যক্ষ! * ‘চুক্তি বাতিল করেছি’, জানালেন সাকিব * বিয়ের নাটক সাজিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা * পান্থপথের আবাসিক হোটেল থেকে নারী চিকিৎসকের গলাকাটা মরদেহ; গ্রেপ্তার ঘাতক * বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রে রাতের আধারে পাথর চুরি, দিনে ট্রাকে বিক্রি * সিয়েরা লিওনে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ, নিহত ২৭ * বিবাহ বহির্ভূতভাবে ১০ মাস সংসার! স্ত্রীর স্বীকৃতিতে নারীর অনশন * জাতীয় শোক দিবসে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে : আইজিপি * ম্যাকিয়াভেলির প্রভাবে শেখ হাসিনা, যা প্রয়োজন * ইস্টার আইল্যান্ডঃ অসংখ্য দানব আকৃতির মূর্তি-রহস্যের দ্বীপ! (শেষ পর্ব) *

  • আজ শুক্রবার, ২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯ ৷ ১২ আগস্ট, ২০২২ ৷

এক বস্তা সারের দাম তিন লাখ টাকা!

Tangail news
❏ শনিবার, আগস্ট ৬, ২০২২ ঢাকা

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভাওড়া ইউনিয়নে সারের বস্তা চুরির বিচারে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকেলে ভাওড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া বাজারে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে এক বস্তা সারের চুরির দায়ে দুইজনকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন, চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ স্থানীয় মাতাব্বররা।

জানা গেছে, কামারপাড়া গ্রামের লুৎফর মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (৪২) ও একই গ্রামের গফুর মিয়ার ছেলে নুরু মিয়া (৪৫) ভাওড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া ময়ূরভাঙ্গা ক্ষেতে কৃষি কাজ করতে যায়। একপর্যায়ে ক্ষেত পার্শ্ববর্তী পুকুরের ধারে তিন বস্তা সার দেখতে পেয়ে কোনো মানুষজন দেখতে না পেয়ে ওইখান থেকে সোহেল নামের ব্যক্তি এক বস্তা সার পাট ক্ষেতে সরিয়ে নেয়। ফেলে রাখা তিন বস্তা সারের মালিক কামারপাড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের মজিবর মিয়ার বলে জানা যায়।

পরে এক বস্তা সার না পাওয়ায় মজিবর স্থানীয়দের জানালে গত বুধবার সন্ধ্যার সময় সোহেল নুরু মিয়াকে অটোযোগে ওই সারের বস্তা নিতে গেলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে গণপিটুণি দেয়। পরে স্থানীয় ইউপি মেম্বার শ্যামল বিষয়টি মিমাংসা করা হবে বলে জনগণের কাছ থেকে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শুক্রবার বিকেলে একটি শালিসি বৈঠকের মাধ্যমে সোহেল ও নুরুকে এক বস্তা সার চুরির দায়ে জুরি ভোটের মাধ্যমে দেড় লাখ করে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানার সিদ্ধান্ত দেয় ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান মাসুদ, মেম্বার শ্যামল, মেম্বার ইউসুফ, সাবেক মেম্বার গিয়াস ও মাতাব্বর সিরাজ। সিদ্ধান্তনুযায়ী নগদ সাত হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের মুচলেকা দিলে বৈঠক শেষ হয়।

কামারপাড়া ওয়ার্ডের মেম্বার শ্যামল বলেন, আমি চেয়ারম্যানের সাথে কথা না বলে বিচারের ব্যাপারে আপনাকে কিছু বলতে পারবোনা!

এ ব্যাপারে ভাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান মাসুদ’র সাথে সাংবাদিক পরিচয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বিকেলে মির্জাপুর আসতেছি। বিচারের বিষয়টি সরাসরি আপনাকে বুঝিয়ে বলতে পারবো।