এই মাত্র
  • বিপিএলের মাঝে ছুটি পেয়েই ওমরা করতে গেলেন সাকিব
  • গণভোট দেন, হারলে আর কোনো দিন নির্বাচন করব না : হিরো আলম
  • সুদ যেসব ক্ষতি ডেকে আনে
  • পাকিস্তানের রিজার্ভে ধস, আছে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয়
  • গাড়ি উপহার না পেলে সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন হিরো আলম
  • বিমানের চাকা ফেটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ
  • শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • সর্বত্র সমর্থন পাওয়া দারুণ ব্যাপার, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মেসি
  • জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.)
  • ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
  • আজ শনিবার, ২২ মাঘ, ১৪২৯ | ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

    জাতীয়

    শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: বই না পেলে শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ পরামর্শ দেন। দীপু মনি বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠানে বই দেওয়া বাকি ছিল তাদের ২৫ জানুয়ারির মধ্যেই সকল বই পৌঁছানোর কথা ছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কেন বই পায়নি সে ব্যাপারে আজকেই খোঁজ নেওয়া হবে। তবে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিটি বই দেওয়া আছে। তাই কোথাও কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকলে শিক্ষকরা ওয়েবসাইট থেকে পড়াতে পারেন’। তিনি বলেন, ‘আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের পথে যাত্রা শুরু করেছি। আর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমাদের রাজনীতিতেও স্মার্ট হতে হবে। মিথ্যাচার, অপপ্রচার বাদ দিয়ে দেশের স্বার্থ প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে’। এ সময় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারীসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ: সিইসি

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ৬ আসনে উপনির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, দু’একটি স্থানে কিছু অনিয়ম হলেও ছয় আসনের ভোট সুষ্ঠুই হয়েছে। গড়ে ভোট পড়েছে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছয় আসনের নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্যঘোষিত ছয়টি আসনের উপনির্বাচন বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। বিরতিহীনভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হয়। এখন চলছে গণনা। সিইসি বলেন, উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল হয়েছে। কোথাও কোথাও ছোট কিছু অনিয়ম হলেও ব্যাপক আকারে কিছু হয়নি। উপস্থিতির হার তুলনামূলক কম ছিল। আনুমানিক ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ ভোট হতে পারে। তবে নিশ্চিত করে এখনো কিছু বলা যাবে না। আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে সব তথ্য নিয়েছি। টিভি চ্যানেলগুলোর উপর সর্বাত্মক দৃষ্টি রেখেছিলাম। অনিয়ম বা কারচুপির উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অনলাইন নিউজগুলো আমরা বিশেষভাবে পাঠ করে দেখেছি। বিরূপ কোনো সংবাদ পরিবেশিত হতে দেখিনি। এছাড়া কমিশনের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র রয়েছে। আমরা সেখান থেকেও আপডেট নিয়েছি। তাদের আপডেট অনুযায়ী ২ থেকে ৪টি জায়গায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। একটি তাজা ককটেল পাওয়া গেছে, আর দুই-একটি ককটেল বিস্ফরিত হয়েছে। এগুলো অবশ্যই ভোট কেন্দ্রের বাইরে হয়েছে। সিইসি আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে। অনেক স্থানে মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। কিছু স্থানে আধাঘন্টা পর ভোট সমাপ্ত হলে গণনা করা হবে। আমরা আশা করছি ২-৪ ঘন্টা পর রিটানিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। 

    অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: শুরু হলো ভাষার মাসের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ অমর একুশে বইমেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে মেলা উদ্বোধন করেছেন। বাংলা একাডেমির আয়োজনে একাডেমির প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ঐতিহ্যবাহী এই বইমেলা চলবে। অমর একুশে বইমেলা-২০২৩ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বেলা ৩টায় শুরু হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নুরুল হুদা অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য ‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর বইমেলা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। মেলার ৩৯তম আসরের উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী সাতটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এর আগে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২২ প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী যে বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন, সেগুলো হলো ১. শেখ হাসিনা সম্পাদিত বঙ্গবন্ধুর রচনাবলি ২. আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি ৩. বাংলা একাডেমি পত্রিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী সংখ্যা ৪. বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী: পাঠ বিশ্লেষণ ৫. কারাগারের রোজনামচার: পাঠ বিশ্লেষণ ৬. আমার দেখা নয়াচীন: পাঠ বিশ্লেষণ ৭. হাসান আজিজুল হকের একটি বই। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা ভাষা মধুর ভাষা। রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়া যাবে না, বলা হলো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাদ দিয়ে কিভাবে বাংলা সাহিত্য হবে। সেখানেও  আমাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে। এমনকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায়ও একটা মুসলমানি ভাব দেওয়ার চেষ্টা করা হলো সেটিও হলো।’ অনুবাদ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বছরে একটা দুটা বই অনুবাদ হবে তা নয়। বাংলা ভাষায় যত বই বের হয়, সব অনুবাদ করতে হবে। এক্ষেত্রে মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মূল ভূমিকা নিতে পারে।’

    ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ 

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দপ্তরে সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান এবং বাংলাদেশের মধ্যে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে দুই দেশ একত্রে কাজ করছে। মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে জাপান বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।  বৈঠকে জাপানের সহায়তায় চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

    ৭ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: অমর একুশে বইমেলা ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৭টি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমি আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। গ্রন্থগুলোর মধ্যে ৬টি হলো- শেখ হাসিনা সম্পাদিত বঙ্গবন্ধুর রচনাবলি, আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি, বাংলা একাডেমি পত্রিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী সংখ্যা, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী : পাঠ বিশ্লেষণ, কারাগারের রোজনামচার : পাঠ বিশ্লেষণ, আমার দেখা নয়াচীন : পাঠ বিশ্লেষণ। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে তিনি বাংলা একাডেমিতে উপস্থিত হন। তিন বছর পর সশরীরে হাজির হয়ে বাঙালির বই উৎসব উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। করোনাভাইরাস মহামারির আগে প্রতি বছরই তিনি সশরীরে হাজির হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করতেন। তিনি মেলায় ঘুরে বইও কিনতেন। গত তিন বছর মহামারির কারণে প্রধানমন্ত্রী মেলায় উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি বইমেলা উদ্বোধন করেছেন ডিজিটালি সংযুক্ত হয়ে। এবার তার উপস্থিতি বইমেলায় ভিন্ন মাত্রা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সরকারি ব্যবস্থাপনায় খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: চলতি বছর হজে যেতে সরকারিভাবে একটি প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারিভাবে গত বছর দুটি থাকলেও এবার ঘোষিত একটি প্যাকেজ অনুযায়ী, হজযাত্রায় প্রত্যেক হজযাত্রীর ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা ব্যয় হবে। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভায় হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি ও ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সাংবাদিকের হজ প্যাকেজ সম্পর্কে জানান। গত বছর সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১ এ ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৪০ এবং প্যাকেজ-২ এ ৫ লাখ ২১ হাজার ১৫০ টাকা খরচ হয়েছে। বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর 'সাধারণ প্যাকেজ' এর মাধ্যমে হজ পালনে খরচ হয়েছিল ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৪৪ টাকা। সরকারি প্যাকজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি এজেন্সিগুলো প্যাকেজ নির্ধারণ করবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি মৌসুমে ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১২ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করতে অনুমতি পাবেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৪৪৪ হিজরির ৯ জিলহজ অর্থাৎ ২৮ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।  বাংলাদেশ-সৌদি আরব হজ চুক্তি ৯ জানুয়ারি হয়েছে। হজ চুক্তি শেষে দেশে ফিরে ১৫ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে হজের ব্যয় বাড়ার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনও অবস্থাতেই আমরা হজের খরচ বাড়াতে চাই না। যে ব্যয় গত বছরে হয়েছিল, সেটাই রাখার চিন্তা করছি। তারপরও কিন্তু খরচ বাড়বে। কেন বাড়বে সেটা বলি, সৌদি রিয়ালের দাম গত বছর ছিল ২১ থেকে ২২ টাকা, আর এখন প্রতি রিয়ালের দাম বাংলাদেশি ৩০ টাকা। আমরা দাম বাড়ানো ছাড়াই এমনিতেই ব্যয় বেড়ে গেল এই কারণে। তারপরও আমরা চেষ্টা করবো যে করেই হোক ব্যয় কম রাখার জন্য।’

    ভাষা শহীদদের সম্মানে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলা ভাষায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি নাইমা হায়দার বলেন, আজ ১ ফেব্রুয়ারি। ভাষার মাস আজ থেকে শুরু। ভাষা শহীদদের আত্মার প্রতি সম্মান জানিয়ে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতি সম্মান জানিয়ে আজকের প্রথম রায়টি বাংলায় ঘোষণা করছি। বিশ্বের সব বাংলা ভাষাভাষিদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলায় এ রায় ঘোষণা করছি। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত ও রিটের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আইনজীবী শরিফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের মামলাটি অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা। আদালত রুল নিষ্পত্তি করে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    ছয় আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ছয়টি সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।  বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি)সকাল সাড়ে ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।  সব কয়টি আসনে ভোট হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। আসনগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২। ভোটে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন।  জানা গেছে, সাধারণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য রয়েছে। সাধারণ কেন্দ্রে অস্ত্রসহ পুলিশ তিনজন, অস্ত্রসহ অঙ্গীভূত আনসার একজন, অস্ত্র/লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার একজন, লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার সদস্য (মহিলা-৪, পুরুষ-৬) ১০ জন, লাঠিসহ গ্রাম পুলিশ ১-২ জন এবং দফাদার/মহল্লাদার (লাঠিসহ) ক্ষেত্রবিশেষে দুজন মোতায়েন রয়েছেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে অস্ত্রসহ পুলিশ চারজন, অস্ত্রসহ অঙ্গীভূত আনসার একজন, অস্ত্র/লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার একজন, লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার সদস্য ১০ জন (মহিলা-৪, পুরুষ-৬) এবং লাঠিসহ গ্রামপুলিশ ১-২ জন, দফাদার/মহল্লাদার (লাঠিসহ) ক্ষেত্রবিশেষ দুজন মোতায়েন রয়েছে।

    প্রথমবারের মতো ১২০ কি.মি মিসাইল ফায়ারিং যুগে বাংলাদেশ

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: বাংলাদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো ১২০ কিলোমিটার রেঞ্জের ক্ষমতা সম্পন্ন টাইগার এমএলআরএস-এর ফায়ারিং অনুষ্ঠিত হলো। সেনাবাহিনীতে নব-সংযোজিত এ টাইগার এমএলআরএস’র যৌথ জাহাজীকরণোত্তর ও স্থানীয় প্রশিক্ষণোত্তর ফায়ারিং দেখলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফের শিলখালী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ঘণ্টাব্যাপী এ ফায়ারিং কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, জাতির পিতার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় প্রণীত ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে ১২০ কিলোমিটার রেঞ্জের ক্ষমতা সম্পন্ন টাইগার এমএলআরএস-এর ফায়ারিং অনুষ্ঠিত হলো, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নতুন সংযোজিত তুরস্কের তৈরি টাইগার মিসাইল সিস্টেম আমাদের অভিযানিক সক্ষমতাকে দিয়েছে এক নতুন মাত্রা। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান ও জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে: ওবায়দুল কাদের

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির নেতাদের শক্তি কমে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে, দম ফুরিয়ে গেছে বলে লাফালাফি বন্ধ করে এখন নীরব পদযাত্রা। কেউ মারা গেলে যেমন নীরব পদযাত্রা হয় বিএনপির পদযাত্রাটা অনেকটা একইরকম। এ দিয়ে সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া। বিএনপিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনাদের সব রঙিন খোয়াব অচিরেই কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। ক্ষমতার খোয়াব দেখছেন তো? হায়রে ময়ূর সিংহাসন। ময়ূর সিংহাসন আর ফিরে আসবে না। মহারানি ভিক্টোরিয়ার মতো ক্ষমতার মঞ্চে বসবেন, সেই দিন চলে গেছে। ফিরে কি আসবে কোনোদিন? স্বপ্ন তো দেখা যায়। দিনের বেলায়ও স্বপ্ন দেখে। দিনের বেলায় যে স্বপ্ন দেখে, তাকে কী বলে? ওই দিবাস্বপ্ন দেখতে থাকুন। রাজধানীর তিব্বত কলোনি বাজারসংলগ্ন রাস্তায় শান্তি সমাবেশে মঙ্গলবার বিকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি-সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ এ সমাবেশের আয়োজন করে। তারেক জিয়াকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সৎ সাহস থাকলে আসুন। লন্ডন থেকে হুংকার ছাড়েন কেন? সৎ সাহস থাকলে দেশে এসে রাজনীতি করুন। আপনি তো কাপুরুষ। কাপুরুষ কেন? রাজনীতি আর করব না, জরুরি সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে তিনি লন্ডনে পাড়ি জমিয়েছেন। কয় বছর? ২০০৭ থেকে, ১৫-১৬ বছর হলো। তার রিমোট কন্ট্রোল নেতৃত্বে এখন ফখরুল করছে আন্দোলন। বাংলাদেশে রিমোট কন্ট্রোলের আন্দোলন হবে না, হবে না, হবে না। ইনশাআল্লাহ হবে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলনের কী খবর? কী খবর? সবাই বলে ভুয়া। সরকার পতন, ১০ তারিখের লাল কার্ড, বিএনপির ৫৪ দল, বিএনপির ২৭ দফা, ১০ দফা, ১৪ দফা, অবশেষে পদযাত্রা, ভুয়া। ভুয়া। ভুয়া। সেতুমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুলের গোস্সা হয়েছে। তিনি বলছেন- ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাচন নাকি মাগুরার উপনির্বাচনের দাদা।’ নির্বাচন কিন্তু এখনো হয়নি। নির্বাচন হবে আগামীকাল (বুধবার)। সকাল ১০টার মধ্যে ভোট শেষ, ১০টার পরে আর ভোট নেই, সেই নির্বাচন হবে না। মাগুরা-মার্কা ফ্রি স্টাইল নির্বাচন আগামী দিনে আর হবে না। ফখরুল সাহেব, মাগুরা স্টাইলের নির্বাচন হবে না। মাগুরার দাদাও হবে না, নানাও হবে না। মাগুরার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, আমি আজই বলে দিচ্ছি। আওয়ামী লীগ সরকার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলমের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) এ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়। নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বেলাল আহমদকে। সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব উল আলম ছিলেন ব্যাংকটির মালিকানায় থাকা চট্রগ্রামের হাসান আবাসন লিমিটেডের পক্ষের মনোনীত পরিচালক। তিনি এর আগে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের এমডি ছিলেন। ওই ব্যাংকে তার মেয়াদ পার হওয়ার পর তিনি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের উপদেষ্টা হন। ২০১৭ সালে এসআইবিএলের মালিকানা পরিবর্তনের পর আগের সব পরিচালককে বাদ দেওয়া হয়। যে ব্যবসায়ী গ্রুপটি এই ব্যাংকের মালিকানা নিয়েছে, তারাই ব্যাংকটিতে সব পরিচালক নিয়োগ দেয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রথমে এসআইবিএলের চেয়ারম্যান করা হয় চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ারুল আজিমকে। পরে মাহবুব-উল-আলম চেয়ারম্যান হন। মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের পাঁচ বছর পর এসআইবিএলের ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় ধরনের অনিয়ম খুঁজে পায়।  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, এসআইবিএল নতুন যেসব ঋণ দিয়েছে, তার অনেকগুলোর ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি। এ কারণে ব্যাংকটির ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ এখন নতুন করে খেলাপি হওয়ার যোগ্য। এসআইবিএলের হিসাবমতে, ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশ। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হিসাব করলে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ২৩ শতাংশের বেশি হবে।

    বায়ুদূষণ রোধে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ পরিবেশমন্ত্রীর

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: বায়ুদূষণ রোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।  মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এডিপির এক সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি এই নির্দেশ দেন। শাহাব উদ্দিন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরে বর্তমানে কর্মরত তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আগামীকাল থেকেই বায়ুদূষণকারী প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনের বিরুদ্ধে নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।  তিনি বলেন, অভিযানের সংখ্যা ও পরিধি বৃদ্ধির জন্য জরুরিভিত্তিতে আরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পাঠানোর জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের কাছে অনুরোধ জানানো হবে।   পরিবেশমন্ত্রী বলেন, দেশের বায়ুদূষণের এই পরিস্থিতি কোনো অবস্থায়ই কাম্য নয়। তাই বায়ুদূষণ রোধে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।  তিনি বলেন, এজন্য সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে কার্যকর আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করতে হবে। মন্ত্রী আরও জানান, বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনে তিনি অভিযানে অংশগ্রহণ করবেন। সভায় হাইড্রলিক হর্ন ব্যবহারসহ শব্দদূষণ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালককেও নির্দেশ প্রদান করেন পরিবেশমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মিজানুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ) মো. মিজানুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডক্টর আবদুল হামিদ এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

    দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন ২ ফেব্রুয়ারি

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে। মেট্রোরেল উদ্বোধনের এক মাসের মধ্যেই পাতাল রেলের নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এমআরটি লাইন ১-এর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন।  মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক। তিনি বলেন, ওই দিন বেলা ১১টায় পূর্বাচল সেক্টর ৪-এ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। এর পর সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন তিনি।  এম এ এন সিদ্দিক বলেন, সরকার প্রথমবারের মতো বিমানবন্দর-কমলাপুর এবং পূর্বাচল-নতুন বাজার-রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জ রুটের মধ্যে ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটারবিশিষ্ট পাতাল ও উড়াল এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ করবে। ডিএমটিসিএল এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের বিবরণে জানা গেছে, এমআরটি লাইন-১ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের পিতলগঞ্জ এলাকায় প্রথম রেল ডিপো নির্মাণ করা হবে এবং নির্মাণকাজ উদ্বোধনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এমআরটি লাইন ১-এর প্রথম অংশ হলো– বিমানবন্দর রুট (বিমানবন্দর-কমলাপুর), যাতে ১২টি স্টেশনসহ ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার বিশিষ্ট পাতাল রেল হবে। আর দ্বিতীয় অংশ হলো– পূর্বাচল রুট (নতুন বাজার থেকে রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জ ডিপো), যাতে ৯টি স্টেশনসহ ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার বিশিষ্ট উড়াল হবে। এই স্টেশনগুলোর মধ্যে সাতটি স্টেশন উড়ালে হবে এবং বিমানবন্দর রুটের অংশ হিসাবে নতুন বাজার ও নর্দা স্টেশন পাতাল অংশে থাকবে। প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, নতুন বাজার স্টেশনে এমআরটি লাইন-৫ (নর্দান রুট)-সহ আন্তপরিবর্তন করার সুবিধা থাকবে। যেখান থেকে যাত্রীরা নেমে পূর্বাচল বা পূর্বাচল রুট থেকে বিমানবন্দর রুটে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণে বলা হয়েছে, এমআরটি লাইন-১ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে ২৪ মিনিট সময় নেবে। ১২টি পাতাল স্টেশনে বিরতি ও সাতটি উড়াল স্টেশনে বিরতিসহ নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল যেতে ২০ মিনিট সময় লাগবে। এমআরটি লাইন-১ চালু হওয়ার পর এই রুটে ৮ লাখ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে। এমআরটি লাইন-১ পাতাল স্টেশন চারতলা বিশিষ্ট হবে। টিকিট কাউন্টার এবং অন্যান্য সুবিধাদি প্রথম বেসমেন্ট লেভেলে থাকবে। প্ল্যাটফর্মটি হবে দ্বিতীয় তালায়। উড়াল স্টেশনের টিকিট কাউন্টার ও প্ল্যাটফর্ম হবে চতুর্থ তলায়। উড়াল ও পাতাল উভয় স্টেশনেই লিফট, সিঁড়ি ও এসকেলেটর থাকবে। প্রকল্পটির জন্য ডিএমটিসিএল জাপানের টোকিও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রকল্পটি ১২টি প্যাকেজের আওতায় বাস্তবায়িত হবে। 

    সংসদে আকস্মিক উত্তেজনা, ছুটে এলেন স্পিকার

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের বক্তব্যে সোমবার রাতে সংসদ অধিবেশনে হঠাৎ করে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিগত সংসদ নির্বাচনে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের জামানত বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত এক বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। তখন সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু। মাইক ছাড়াই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে অধিবেশন কক্ষে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর তিনি অধিবেশন পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে সংসদের মূলতবি অধিবেশন শুরু হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় সরকার দলীয় সংসদ সেলিমা আহমেদ বক্তব্য শেষ হলে ফ্লোর পান লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোতাহের হোসেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রথমবার ৫৫ হাজার ভোটে জিতেছিলাম, গতবার জিতেছি দুই লক্ষ ৬৩ হাজার ভোটে। আবার গত নির্বাচনে আমার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তিনি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। উনি মাত্র সাত হাজার ভোট পেয়েছিলেন এবং জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। আমি ৬ বার এমপি হয়েছি, আরো একবার হতে পারতাম। কিন্তু আগের দিন জিতেছি ১৮ হাজার ভোটে, পরদিন এরশাদ সাহেব জিতেছেন ২২ হাজার ভোটে। গতবার ভোটাররা এরশাদ সাহেবকে তার জবাব দিয়েছেন। এই বক্তব্য নিয়ে অধিবেশন কক্ষে উত্তেজনার শুরু। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা দাড়িয়ে মাইক ছাড়াই ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। বিরোধী দলীয় চিফ হ্ইুপ মসিউর রহমান রাঙ্গা, কাজী ফিরোজ রশীদসহ অনান্যরা বক্তব্যের জন্য মাইক দাবি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে স্পিকার মোতাহার হোসেনের মাইক বন্ধ করে প্রথমে কাজী ফিরোজ রশীদ ও পরে মসিউর রহমান রাঙ্গাকে এক মিনিট করে ফ্লোর দেন। এ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা হৈই চৈই শুরু করেন। বিরোধী দলের সদস্যরা মোতাহার হোসেনের বক্তব্য এক্সপাঞ্চ করার দাবি জানানোর পাশাপাশি সংসদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিতে থাকেন। স্পিকারের আসনে থাকা শামসুল হক টুকু আপত্তিকর কোনো শব্দ থাকলে এক্সপাঞ্চ হবে এবং পয়েন্ট অর্ডারে বিস্তারিত বলার সুযোগ দেওয়া হবে জানিয়ে বসার অনুরোধ করতে থাকেন। তিনি প্লিজ প্লিজ বলে সকলকে বসার অনুরোধ জানাতে থাকেন। এ সময় সংসদে এসে স্পিকারের আসনে বসে পরিস্থিতি শান্ত করেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ আপনারা বসুন। বিরোধী দলের কাজী ফিরোজ রশীদ, মসিউর রহমান রাঙ্গা আপনি বসুন। হাউজের একটি ডেকোরম আছে। এখানে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা হচ্ছে। সেখানে এক বক্তা তার বক্তব্য রাখছেন। সেই বক্তব্যে যদি আপত্তিকর কিছু থাকে, সে বিষয়টি আপনারা উত্থাপন করতে পারেন। কিন্তু আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে। এটা বিরোধী দলের ক্ষেত্রে হলেও তাই। আপনারা হাত তুলবেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সময় দেওয়া হবে। তবে এজেন্ডার মাঝখানে নয়। আমি আপনাদের কাছ থেকে সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। আপনারা উনার বক্তব্যের পর কথা বলবেন। আমি এখন সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনকে বক্তব্য শেষ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এরপর আবারো আলোচনায় অংশ নিয়ে মোতাহার হোসেন তার বক্তব্যে অনড় থাকেন এবং এরশাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমি ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করে বিজয়ী হয়েছি। এরপর ১৯৯০ সালের উপজেলা নির্বাচনে আমার সঙ্গে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনি আরো বলেন, বিমানে একদিন যাওয়ার সময় ঢাকা এয়ারপোর্টে এরশাদ সাহেব আমাকে বলেছিলেন, আপনি আমার জামানত বাজেয়াপ্ত করলেন। আপনার জনপ্রিয়তা আছে বটে। পরে মসিউর রহমান রাঙ্গা ও কাজী ফিরোজ রশীদ পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখেন এবং ওই বক্তব্য এক্সপাঞ্চের দাবি জানান। সর্বশেষ স্পিকার ওই বক্তব্যে তথ্যগত কোনো ভুল থাকলে তা এক্সপাঞ্চ করার হবে বলে সংসদকে জানান এবং সাধারণ আলোচনায় ফিরে যান। এর আগে ফ্লোর নিয়ে কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এইচ এম এরশাদ। তিনি এই সংসদের বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। এই এরশাদ সাহেব রংপুরের মাটিতে কোনোদিন হারে নাই। কারাগারে বসে ৫টি আসনে জিতেছেন তিনি। যে নির্বাচনে এরশাদ সাহেব দাঁড়ান নাই, সেই নির্বাচনে উনি (মোতাহার হোসেন) জামানত বাজেয়াপ্ত করলেন কিভাবে? এরশাদ সাহেবের জামানত বাজেয়াপ্ত করার মতো কোনো সন্তান রংপুরে এখনো জন্ম হয়নি। আমার দাবি ওই কথাগুলো এক্সপাঞ্চ করতে হবে এবং তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলেও রংপুরের মাটিতে উনার সমস্যা হবে। এরপর জাপা নেতা মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, উনি বলছিলেন, হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করে এই সংসদে এসেছি। উনি আরো কিছু কথা বলেছেন, যেটা বঙ্গবন্ধু কন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। সারা দেশে উন্নয়ন হয়েছে, অথচ উনি বলেন উনার এলাকার উন্নয়ন হয়নি। তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালে আমি এরশাদ সাহেবের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। বাধার মুখে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু উনি নির্বাচন করেননি। পরের নির্বাচনেও তিনি ওই আসনে অংশ নেননি।  

    ১৯১টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধে চিঠি দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশবিরোধী সংবাদ প্রচারের অভিযোগ পেলে অনলাইন সংবাদ মাধ্যম বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরইমধ্যে ১৯১টি অনলাইন নিউজ পোর্টালের লিংক বন্ধে ডাক ও টেলিযোগযোগ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য মুজিবুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় হতে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ১৬২টি, দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল ১৬৯টি এবং টিভি চ্যানেলের অনলাইন পোর্টাল ১৫টিসহ ৩৪৬টি অনলাইন পত্রিকা নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। দেশবিরোধী সংবাদ প্রচার বন্ধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ায় এমন কার্যক্রম পরিচালনাকারী ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ১৯১টি অনলাইন নিউজ পোর্টালের ডোমেইন বরাদ্দ বাতিলকরণসহ লিংক বন্ধ করার জন্য ইতোমধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে রাজধানী ঢাকা হতে প্রকাশিত দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকার সংখ্যা এক হাজার ১৪১টি। এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকা ৫০৯টি, সাপ্তাহিক ৩৪৫টি এবং মাসিক পত্রিকা ২৮৭টি।

    ঢাকায় জমজমের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত বায়তুল মোকাররম মার্কেটসহ খোলা বাজারে পবিত্র জমজম কুপের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন। বায়তুল মোকাররম মার্কেটের যেসব দোকানে এই জমজম কুপের পানি বিক্রি হয় সেসব দোকানী, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এই সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এর আগে রবিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বায়তুল মোকাররম মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালক এবং ঢাকা জেলা কার্যালয়ের প্রধান আব্দুল জব্বার মণ্ডল। এ সময় কয়েকটি দোকানে অভিযান চালানো হয়। মার্কেটের আতর-টুপির দোকানে পাওয়া যায় জমজমের পানি। এ পানি কিভাবে দেশে এলো? এই পানি আসল নাকি নকল, এই পানি বিক্রির বৈধতা আছে কিনা? বিক্রেতার কাছে এসব বিষয়ে জানতে চান ভোক্তা অধিদফতরের কর্মকর্তা। জমজম পানির ব্যবসায়ী জানান, হজ বা ওমরাহ করে দেশে ফেরার সময় হাজিরা জমজমের পানি নিয়ে আসেন। চাহিদার থেকে অতিরিক্ত পানি নিয়ে আসেন হাজিরা। পরে সেগুলো মার্কেটের অনেক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন। এই পানি আসল নাকি নকল— এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের কোনও ধারণা নেই। ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে এসব পানি কেনাবেচা করছেন তারা। জমজমের পানি বিক্রির বৈধতার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, জমজমের পানি বৈধভাবে কেউ আমদানি করে না। হাজিরা সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। হাজিদের কাছ থেকে কিনে খুচরা বিক্রি করা হয়। জমজমের পানির চাহিদা থাকায় বেশ ভালো দামে বিক্রি হয়।

    নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হবে বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ: রেলমন্ত্রী

    সিরাজুল ইসলাম শিশির, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, করোনা পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন এর যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টি হলেও নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হবে যমুনা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর নির্মাণ কাজ। আর এই সেতু নির্মাণ হলে দেশের উত্তরবঙ্গসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাথে রেল যোগাযোগের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, দেশের আভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগ বিস্তারে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেললাইন সহ যেসমস্ত প্রকল্প নেয়া হয়েছে সেগুলোও সঠিক সময়ে শেষ হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।  তিনি সোমবার (৩০ জানয়ারি) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর পশ্চিম প্রান্তের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কে এম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল সামাদ তালুকদার, চেম্বার অফ কমার্স এর প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সূর্য সহ রেল বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই উন্নয়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই গত তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করতে পেরেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণতান্ত্রিক ধারা না থাকালে দেশের উন্নয়ন হতো না বলে জানান তিনি। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ও রাজউকের ১১টি প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর রমনা পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেনাপ্রধান করা হয় জিয়াউর রহমানকে। ওই প্রসঙ্গ তুলে বক্তব্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার হত্যার পর যিনি সেনাপ্রধান হলেন, তিনিই একদিন নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিলেন। অনির্বাচিত কাউকে দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না, এটা প্রমাণিত সত্য।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘জাতির পিতা মানুষকে একটি উন্নত জীবন দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ৭৫-এর পর তা হয়নি। বন্দুকের নল দিয়ে ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। স্বাধীন গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হয় তখন। ‘সংবিধান অমান্য করে মার্শাল ল জারি, সম্পূর্ণ সংবিধান পরিপন্থি। ২১ বছর এভাবে সরকার পরিচালিত হয়েছে। যারা উন্নয়নের যে গতি তা ব্যাহত হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘২০০৭/৮ সালের পর আমরা ক্ষমতায় আসি। আমরা রূপকল্প ২১ ঘোষণা দিয়ে সরকার গঠন করি। বাংলাদেশ ২১ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। ‘এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত ছিল বলেই। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি সরকারে ছিল বলেই, এই উন্নয়নগুলো সম্ভব হয়েছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি এই ধারা না থাকতো, তাহলে দেশ কিন্তু এত উন্নত হতে পারত না। আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল যুগের বাংলাদেশ, স্যাটেলাইট যুগের বাংলাদেশ।’ ‘পরমাণু শক্তির সঙ্গেও যুক্ত হতে পেরেছি। আমরা পরমাণু বোমা বানাবো না, কিন্তু পরমাণু বিদ্যুৎ তৈরি করছি।’

    ফেব্রুয়ারিতেই ঢাকায় চালু হচ্ছে আর্জেন্টিনার দূতাবাস

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, বাংলাদেশে থেকে লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার ভৌগোলিক দূরত্ব প্রায় ১৭ হাজার কিলোমিটার। দুই দেশের মানুষের এতো দূরত্ব যেন কমিয়ে দিয়েছে ফুটবল আর ভালোবাসা। আলবিসেলেস্তের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের ভালোবাসা এখন বিশ্ববাসী জানে।  কাতার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা চমকে দিয়েছে তাদের। আর্জেন্টিনার ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার কথা আগে থেকেই জানতো তারা। তবে কাতার বিশ্বকাপে সেই ভালোবাসার প্রভাব সরাসরি পড়েছে। তাই তো দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও গভীর করতে বিশ্বকাপজয়ী দেশটি ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দূতাবাস চালু করতে যাচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় দূতাবাসের উদ্বোধন করতে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি দূতাবাস উদ্বোধন করা হবে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এদিকে, বাংলাদেশে দূতাবাস খোলার পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আর্জেন্টিনা দূতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত ফ্রাঙ্কো সেনিলিয়ানির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আজ সোমবার ঢাকায় আসছে। বাংলাদেশে বরাবরই আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ ভক্ত-সমর্থক ছিল। তবে কাতার বিশ্বকাপে দলটির প্রতি বাংলাদেশিদের অপরিসীম আবেগ-অনুরাগ বিশ্ববাসীর মনোযোগ কেড়েছে। কাতার বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে মেসির গোলের পর উল্লাসরত বাংলাদেশি সমর্থকদের একটি ভিডিও ফিফার অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করার পর তা বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে। ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমেও ঘটনাটি ফলাও করে প্রচার করা হয়। পরে আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কে টুইট করে বলা হয়, 'আমাদের দলকে সমর্থন করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ! ওরা (বাংলাদেশিরা) আমাদের মতোই পাগল!' আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জয়ের পর অভিনন্দন জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজকে চিঠি পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অভিনন্দনবার্তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো। চিঠিতে আলবার্তো বলেন, ২০২৩ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস স্থাপনের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণ ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির দৃঢ়বন্ধনে আবদ্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি। ফিফা বিশ্বকাপ-২০২২ এর শিরোপা জয়ের পরপরই দুই দেশের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা-বার্তা বিনিময় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল ও দক্ষিণ আমেরিকাতে বাংলাদেশের একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।  এর আগে ব্রাজিলে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু হলে দক্ষিণ আমেরিকাতে বাংলাদেশের বাণিজ্য-বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সয়াবিন উৎপাদক দেশ আর্জেন্টিনা থেকে সয়াবিন তেল আমদানি সহজতর হবে। সেই সঙ্গে ‘মারকসুরের’ বাণিজ্য বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশ তরান্বিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

    পালাব না, প্রয়োজনে আমরা ফখরুলের বাড়িতে উঠব: ওবায়দুল কাদের

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: আমরা পালাব না, প্রয়োজনে আমরা ফখরুল সাহেবের বাড়িতে গিয়ে উঠব বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন- আমরা নাকি পালিয়ে যাব। আপনাদের নেতা মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়েছেন। আমরা এ দেশে জন্মেছি। এ দেশেই মরব। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছেন। প্রয়োজনে আমরা ফখরুল সাহেবের বাড়িতে গিয়ে উঠব। তার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতেও আমরা যেতে পারি। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আমাদের লাল কার্ড দেখায়। সরকার পতনের কথা বলে। ৩০ ডিসেম্বর সরকারের পতন হবে বলেছিল। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে বলেছিল। বিএনপির পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা বা অন্তিমযাত্রা। রোববার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির জ্বালা বড় জ্বালা। তাদের জ্বালা মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু আর শেখ হাসিনার উন্নয়ন। পরবর্তীতে আসছে বঙ্গবন্ধু টানেলের জ্বালা। অন্তর জ্বালায় পুড়ছে বিএনপি। সামনে আরও জ্বালা আছে। মেট্রোরেল হবে আন্ডারগ্রাউন্ড। মাতারবাড়ি আর রূপপুরের জ্বালাও বিএনপি নিতে পারছে না। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, খেলা হবে। হবে খেলা। খেলা শুরুর আগেই বিএনপি পালাতে শুরু করেছে। অন্তিম যাত্রা শুরু করেছে। সামনে হবে আন্দোলনের খেলা। হবে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা। আর আগামী নির্বাচনে হবে ফাইনাল খেলা। রেডি হন। বিএনপির এখনো শিক্ষা হয়নি। শিক্ষা হবে আগামী নির্বাচনে পরাজিত হলে। সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আপনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে একসঙ্গে দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। অনেকেই আমাকে গ্রিন সিটি রাজশাহীর সফল মেয়র বলেন। আমি এটা মনে করি না। এ সফলতা আপনার। আপনার সহযোগিতায় রাজশাহীতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। রাজশাহীবাসী আগামী নির্বাচনে আপনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। আওয়ামী লীগের আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন বলেই ফখরুলরা ষড়যন্ত্র করছেন। তারা অসাংবিধানিক শক্তিকে উৎসাহিত করছেন। আগামীতে কোনো অপশক্তি ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের কোনো সুযোগ নেই। স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। সেই সময় অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন শেখ হাসিনা। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, এই উত্তর জনপদ ছিল সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য। বিএনপি বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি করেছিল। আর সেই উত্তর জনপদে এখন শান্তির সুবাতাস বইছে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। দেশে সব সেক্টরে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা জনগণের মাঝে তুলে ধরতে হবে। জনগণ আওয়ামী লীগের উন্নয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা নির্বাচনে নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। দলটির রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে এ দেশকে পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল; কিন্তু সফল হননি। শেখ হাসিনার সঠিক নির্দেশনায় দেশ দুর্বারগতিতে এগিয়ে চলেছে। জনগণের আস্থার প্রতীক শেখ হাসিনা। তারা জানেন দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। সভায় আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, হত্যা, খুন আর গুম ছাড়া খালেদা জিয়া রাজশাহীকে আর কিছুই দিতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে গোপালগঞ্জের উন্নয়ন করেছেন, সেভাবেই রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাগঞ্জসহ সারা দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। শেখ হাসিনা ঐক্যের প্রতীক। সব জায়গায় তার সরকারের উন্নয়ন দৃশ্যমান। সভায় ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কারণে রাজশাহী অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দেশ আবার বাংলা ভাইয়ের জঙ্গি তৎপরতার দিকে ফিরে যাবে- নাকি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে। সভায় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাফরউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। তবে অসুস্থতার কারণে তিনি বক্তব্য দেননি। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শেখ হেলাল, রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন- খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, রাজশাহী-৪ আসনের এমপি এনামুল হক, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি ডা. মনসুর রহমান, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক প্রমুখ। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন আসনের এমপি, আট জেলার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। সভাটি পরিচালনা করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং মহানগর সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। জনসভা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন সময়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিকাল ৩টা ১২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সভামঞ্চে আসেন। এ সময় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকার মোট ৩২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্যে ২৬টির কাজ শেষ হয়েছে। আর ৬টির কাজ চলমান রয়েছে। এ সময় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    আওয়ামী লীগ কখনও পালায় না: প্রধানমন্ত্রী

    অসীম কুমার সরকার, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট বলছে- আওয়ামী লীগ পালানোর সুযোগ পাবে না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে কাজ করে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন নিয়ে কাজ করেছে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া, খালেদা জিয়া কেউ এদেশের মানুষের খাদ্যের কথা চিন্তা করেনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে। রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

    নিপাহ ভাইরাসে দেশে মারা গেছেন ৫ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বাংলাদেশের বেশকিছু এলাকায় নিপা ভাইরাস রোগী পাওয়া গেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের কাছে তথ্য এসেছে আট জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, এর মধ্যে মারা গেছেন পাঁচ জন। রোববার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে ৮ জন রোগী এসেছেন। এদের মধ্যে ৫ জন মারা গেছে। এ ভাইরাসে ৭০ শতাংশ মারা যায়। কাচা রস ও পাখিদের খাওয়া ফল খেলে এ রোগ হয়। বাদুড় এ ভাইরাস বহন করে। বাদুড়ের পান করা খেজুরের রস যদি কোনো ব্যক্তি পান করেন তাহলে তিনি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন। অসুস্থ মানুষের সংস্পর্শে গেলেও দ্রুত এ ভাইরাস ছড়ায়। তখন মাল্টিপল সংক্রমণ হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এই ভাইরাস থেকে রক্ষায় মানুষকে সচেতন করতে পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা টিভিসি (সচেতনতামূলক ভিডিও) করেছি। সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালে আলাদা ইউনিট করে চিকিৎসা দিচ্ছি। তিনি বলেন, নিপা ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন নেই। আমাদের সচেতন থাকতে হবে। এজন্য কাচা রস পান করা যাবে না। পাখিদের খাওয়া ফল কোনো খাওয়া যাবে না।

    পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: স্বাধীনতার সুফল জনগণকে পৌঁছে দিতে পুলিশ বাহিনীকে সক্রিয় হবার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। এখন স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট প্রশাসনের পাশাপাশি স্মার্ট পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সবার আগে পুলিশ বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। কারণ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমন জনগণের ভূমিকা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর বিরাট অবদান রয়েছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙ্গালির ওপর হামলা চালাতে শুরু করে, রাজারবাগে পুলিশ বাহিনীর ওপর তারা আক্রমণ করে, পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত বীরত্বের সাথে তার প্রতিরোধ করবার চেষ্টা করে ও প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই সারদা একাডেমিতেও হানাদার বাহিনী আক্রমণ করেছিল। এখানে যারা ছিলেন তারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, ২৪ জন সদস্য শাহাদাত বরণ করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা যুদ্ধের পর ৮২টি থানা পূর্ণ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই একাডেমিও উন্নত করেন। চেয়েছিলেন বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে। ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তিনি। ১৫ আগস্ট আমাদের আশা সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দেওয়া হয়। এরপর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পালা শুরু হয়। সংবিধান লঙ্ঘন করে বারবার যে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে তার ফলে পুলিশ বা সশস্ত্র বাহিনীর অনেককেই জীবন দিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি। মানুষ ডিজিটাল সেবা পাচ্ছে। তবে এর ভালো দিক যেমন আছে, আবার বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মানিলন্ডারিং, সাইবার ক্রাইম, মানবপাচার সেটাও কিন্তু নতুন নতুন রূপে সামনে আসছে। এগুলো মোকাবিলা করার জন্য ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের পুলিশ বাহিনী বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। একটি ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর দুই সদস্য জীবন দিয়েছিলেন হলি আর্টিজেনে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পুলিশের সাহসী ভূমিকা বাংলাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মুক্ত রাখতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের পুলিশ বাহিনী ভূয়সী প্রশংসার কাজ করছে। তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছে। যখনই প্রয়োজন হয় সেটা অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশের জরুরি সেবা হোক অথবা কেউ বিপদে পড়লে উদ্ধার করা, নির্যাতনের শিকার নারীদের পাশে থাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষ সহযোগিতা পাচ্ছেন। আমরা চাই পুলিশ বাহিনী পেশাদারিত্ব দক্ষ ও বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে গড়ে উঠবে। সেজন্য বহু প্রতিষ্ঠান ও অনেক সরঞ্জামাদি ক্রয় করেছি।  

    এইচএসসির ফল প্রকাশ ৮ ফেব্রুয়ারি

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) সকালে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে আগামী ৭, ৮ বা ৯ ফেব্রুয়ারি-যেকোনো এক দিন ফলাফল প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। ওই সময় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার বলেছিলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের নিয়ম রয়েছে। সে হিসেবে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় আছে। এ সময় বিবেচনা করে আগামী ৭, ৮ বা ৯ ফেব্রুয়ারি-যেকোনো এক দিন ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেদিন সম্মতি দেবেন, সেদিন ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করে থাকেন।

    রাজনীতি করি দেশের উন্নয়নের জন্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    দেওয়ান আবুল বাশার, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (মানিকগঞ্জ): স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিন্তু একে অপরের শত্রু নই। আমরা রাজনীতি করি দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের জন্য। কাজেই নিজেদের মধ্যে শত্রুতা করলে রজানীতির ক্ষতি হবে, দেশের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে যাবে। উন্নয়ন ব্যাহত হবে। দেশের মানুষের ক্ষতি হবে। সেজন্য যারা রাজনীতি করে তাদের মধ্যে ঐক্য থাকা উচিত। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আমাদের মাঝে যদি ঐক্য না থাকে তাহলে তৃতীয় শক্তি রাজনীতির মাঠ দখল করে নেবে। কাজে আমাদের পরিচ্ছন্নভাবে রাজনীতি করতে হবে। পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে। তাতে ক্ষতি হবে জনগণের। ক্ষতি হবে আপনাদেরও। সেজন্য আপনারাও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। দেশের জনগণ যাদেরকে পছন্দ করে তাদেরকেই ভোট দিয়ে জয়লাভ করাবেন। এর বাইরে আর কোনো সুযোগ নাই। জাগীর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো, শামীম মিয়ার সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পৌর-মেয়র মো. রমজান আলী প্রমুখ।

    দেশের শান্তি রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদক নির্মূল এবং চোরাচালান দমনে পুলিশের ভূমিকা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে।’ আগামীকাল রোববার রাজশাহীর সারদায় ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে আজ শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য একটি দক্ষ পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। তাই সরকার গঠনের পর থেকেই আমরা পুলিশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাহিনীর জনবল বৃদ্ধি, নতুন নতুন ইউনিট গঠন, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন, আধুনিক যানবাহন ও লজিস্টিক্স সুবিধা বৃদ্ধি, সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট ও ব্যাংক গঠন, আবাসন ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, দক্ষ ও জনবান্ধব সার্ভিসে পরিণত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, অ্যান্টি টেররিজম ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটসহ বেশ কয়েকটি রেঞ্জ, মেট্রোপলিটন ইউনিট, সাইবার পুলিশ সেন্টার, ব্যাটালিয়ন, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার থানা, তদন্ত কেন্দ্র, ফাঁড়ি এবং জাতীয় জরুরি সেবায় ৯৯৯ ইউনিট গঠন করেছি। আমরা নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্ক চালু করেছি, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সাহসী সদস্যরা উল্লেখযোগ্য প্রশংসনীয় অবদান রেখে চলেছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যগণ নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনসেবার ক্ষেত্রে নজিরবিহীন ভূমিকা রেখেছে।’ তিনি বলেন, ‘নবীন কর্মকর্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের পূর্বসূরীদের আত্মত্যাগকে হৃদয়ে ধারণ করে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রূপকল্প-২০৪১ সফল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।’ প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক বীর পুলিশ সদস্যদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল আত্মত্যাগ ও বীরত্বের স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাস। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে অকুতোভয় বীর পুলিশ সদস্যরা গড়ে তুলেছিল প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।

    সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন, ব্রিটিশ এমপিদের প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: দেশের সংবিধান অনুযায়ীই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্রিটিশ অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের চারজন সংসদ সদস্য সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে জানান। তিনি বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতে শেখ হাসিনা ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের বলেছেন, ‘দেশে নির্বাচন কমিশন অনেকটাই স্বাধীন। আমরা আপনাদের ওয়েস্টমিনস্টারের গণতন্ত্র অনুসরণ করি। নির্বাচন পর্যবেক্ষক এলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’ প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে অতীতে সামরিক শাসকদের কাছ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে আওয়ামী লীগের। তিনি বলেন, সামরিক শাসকরা বন্দুক ব্যবহার করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতো এবং রাজনৈতিক দল গঠন করে রাজনীতিতে পৃষ্ঠপোষকতা করতো। এসময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নিতে ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারপ্রধান বলেন, ইউক্রেন থেকে খাদ্যশস্য, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং ভোজ্যতেল আসত। কিন্তু যুদ্ধের কারণে এই আইটেমগুলোর আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে এই জিনিসগুলোর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের উদ্যোক্তাদের সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বলেন, ‘আমরা সেখানে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকে স্বাগত জানাব।’ ব্রিটিশ এমপিরা বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অবকাঠামোগত উন্নয়নে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা এ উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন। প্রেসসচিব বলেন, ‘বিশেষ করে তারা মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলসহ কানেকটিভিটির উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।’ বাংলাদেশের উন্নয়নে এসব অবকাঠামো খুবই সহায়ক হবে বলে মনে করেন সংসদ সদস্যরা। ব্রিটেনকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে তারা বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চায়।  তারা উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক পরিশ্রমী এবং তারা ব্রিটিশ অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন। তারা আরও বলেন, যুক্তরাজ্য জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে। ব্রিটিশ এমপিরা বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন নিয়েও আলোচনা করেছেন বলে জানান ইহসানুল করিম।. 

    প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহী

    অসীম কুমার সরকার, রাজশাহী প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল রাজশাহীতে আসছেন। ওই দিন বিকেলে রাজশাহী মাদরাসা মাঠে আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহীতে দিনব্যাপী সফরে ১হাজার ৩১৭ কোটি টাকার ২৫টি প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিনই তিনি ৩৭৬ কোটি টাকার আরও ৬টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করবেন সরকার প্রধান। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী সেজেছে বর্ণিল সাজে। যেন উৎসবের সাজ সাজ রব চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। নৌকার আকৃতিতে জনসভাস্থল মাদরাসা মাঠে তৈরি হয়েছে মঞ্চ। চলছে মাঠে সাজসজ্জার কাজ। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে নগরী। দেয়াল লিখন, আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণসহ নানা সাজসজ্জা করা হয়েছে। রাজশাহী বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা ও নগর আওয়ামীলীগ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। সভা-সমাবেশ ছাড়াও প্রচার মিছিল, মাইকিং করা হচ্ছে নগরজুড়ে। শনিবার মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী যে মঞ্চে বক্তব্য দেবেন সেই মঞ্চে সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্য়ায়ে। পুরো মাঠসহ চারপাশ সাজানোর কাজ চলছে। রাজশাহীর এই জনসভায় স্মরণকালের জনসমাগম ঘটবে বলে মনে করেন দলীয় নেতারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৯ জানুয়ারি সকালে একদিনের সফরসূচিতে রাজশাহী আসছেন। এদিন সকালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপণী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। পরে দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসার ময়দানে আওয়ামী লীগের বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।  আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছর পর রাজশাহীতে আসছেন। সারাদেশের মতো রাজশাহীর সব উন্নয়নের অবদান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। রাজশাহীর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সভা-সমাবেশ ও প্রচার মিছিল করা হয়েছে। সব জায়গাতেই আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। রাজশাহীতে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভা হবে। সবার কাছেই জনসভাটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ জনসভায় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আগামী ২৯ জানুয়ারি রাজশাহী মহানগরী এক উত্তাল জনসমুদ্রে পরিণত হবে। কেবল এই মাদরাসা মাঠই নয়, পুরো রাজশাহীই মানুষে ছাপিয়ে যাবে; লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে। এরই মধ্যে জনসভার সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সারা উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষায় রয়েছেন জনসভায় আসার জন্য। নাটোর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা, উচ্ছ্বাস ও আনন্দের জোয়ার বইছে। নাটোর থেকে চারটি ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নলডাঙ্গা, মাধনগন, নাটোর, মালঞ্চি, আব্দুলপুর থেকে ওই ট্রেনে লোক যাবে রাজশাহীতে। এছাড়া জেলা, ৭টি উপজেলা, ৮টি পৌর ও ৫২টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নেতৃতে কর্মী-সমর্থকরা সমাবেশে আসবেন। সমাবেশের আগের দিনই অনেক নেতাকর্মী রাজশাহীতে অবস্থান করবেন। এজন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। কতটি গাড়ি রাজশাহীতে আসবে সেটারও তালিকা করা হয়েছে। জেলার নেতারা উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছেন। সমাবেশের আগেই যেন নেতা-কর্মীদের বহর নিয়ে রাজশাহী শহরে সকলে প্রবেশ করতে পারেন সে লক্ষ্যে যাবতীয় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল বলেন, রাজশাহীর বাইরে থেকে যারা আসবেন, তাদের জন্য সর্বোচ্চটা করার প্রচেষ্টা রয়েছে। এছাড়া সমাবেশ উপলক্ষে মাদরাসা মাঠসহ যে ১২টি পয়েন্টে ডিজিটাল মনিটরের মাধ্যমে লাইভ দেখানো হবে। সেখানকার জন্য ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাবেসী কাজ করবেন। নির্বিঘ্নে যেন মানুষ আসতে পারে ও সমাবেশ সফল করতে পারে যে লক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতিই নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে রাজশাহী নগরী। র‌্যাব, পুলিশ, গোয়ান্দা সংস্থাসহ পুরো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা বাড়িয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই সমাবেশস্থল মাদরাসা মাঠে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নগরীজুড়ে পোশাকে সাদা পোশাকে পুলিশি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। মাদরাসা মাঠে পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছে। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মাদরাসা মাঠ। জনসাধারণের মাঠে প্রবেশেও এক ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আশপাশের এলাকাগুলোতেও পুলিশি নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়েও পুলিশি পাহারা জোরদার করা হয়েছে। জানা যায়, মাঠে আমন্ত্রিত অতিথিসহ গণমাধ্যমকর্মীদের বিষয়েও মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নগরীতে চলাচলকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হচ্ছে। র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সকল পর্যায়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে, সাদা পোশাকে সমাবেশস্থলসহ নগরী ও যে রুটে প্রধানমন্ত্রী আসবেন সেখানে গোয়েন্দা তৎপরতা আছে। এছাড়া সামাবেশের দিন মাঠে ১০ পেট্রোল র‌্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ৩টি রিজার্ভ পেট্রোল থাকবে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রধানমন্ত্রীর স্পেশাল ফোর্সের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এদিকে, মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় এই সমাবেশকে সামনে রেখে রাজশাহী মহানগর এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ। ২৭ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে ৩০ জানুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত সব ধরনের অস্ত্র-শস্ত্র বহন, আতশবাজি, পটকা ফুটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য বহন, সংরক্ষণ, ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার এবং অনুমতি ব্যতীত ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। ঢাকা হেড কোয়ার্টারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আগে থেকে সোচ্চার রয়েছে পুলিশ। 

    আর একজন রোহিঙ্গাকেও ঢুকতে দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: মিয়ানমার থেকে আর একজন রোহিঙ্গাকেও সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এটা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি যারা দেশে প্রবেশ করেছে, তাদের বের করে দেওয়া হবে। আজ শুক্রবার সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-৩ ইউনিট ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্নারের (এনসিডি) উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিতীয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জমি অধিগ্রহণের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কাজটি দ্রুত শুরু করতে হবে। কারণ, সিলেটবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকার আন্তরিক। হাসপাতালের আইসিইউ-৩ ইউনিট এ অঞ্চলের মানুষের, বিশেষ করে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচাতে মূল্যবান অবদান রাখবে। অবদান রাখবে এনসিডি ইউনিটও। ড. মোমেন বলেন, দ্বিতীয় ওসমানী হাসপাতাল হলে সিলেটবাসীর চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য হবে। অনেকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান। তাঁদের আর যেতে হবে না। বিদেশে চিকিৎসার পেছনে অনেক টাকা খরচ হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কম টাকায় মানুষের জীবনও অনেক সুরক্ষিত হবে। উদ্বোধনকালে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া, মেডিকেল কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মইনুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. শিশির চক্রবর্তী, সাবেক বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হিমাংশু লাল রায়, হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    বানর থেকে মানুষের তথ্য, পাঠ্যবইয়ের কোথাও নেই: শিক্ষামন্ত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘পাঠ্যবইয়ে যেসব ভুল বেরিয়েছে, তার অধিকাংশ ১০ বছর আগের। পাঠ্যবইয়ে কোনো ভুল যদি থাকে, সেটা অনিচ্ছাকৃত। আর যদি কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে, তার জন্য আমরা তদন্ত কমিটি করেছি।’ আজ শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ব্র্যাকের অভিজ্ঞতামূলক শিক্ষা তরীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘পাঠ্যবইয়ের কোথাও বানর থেকে মানুষ হয়েছে- এমন কোনো তথ্য নেই। অথচ একটা গোষ্ঠী অপপ্রচার করছে। যেই ছবিটা রয়েছে, বিভিন্ন সময়ের মানুষ। আদিযুগে মানুষ দেখতে কেমন ছিল আর এখন কেমন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই না দেখে মন্তব্য করছেন, সত্যিই মনে হয় বইতে এই কথাটি রয়েছে। আপনারা বই খুলে দেখেন, কোথাও এই কথা নেই। কেউ গুজবে কান দেবেন না। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, ব্র্যাক শিক্ষা তরীর পরিচালক সাফি রহমান খান, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা শাহনাজ, অতিরিক্ত পুলিশ (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এ এইচ এম আহসান উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান শোভন প্রমুখ।

    সেচ মৌসুমে লোডশেডিং থাকবে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: চলতি সেচ মৌসুমে লোডশেডিং থাকবে না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ১৪তম ডিআরএমসি জাতীয় বিজ্ঞান কার্নিভাল ২০২৩-এর উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। নসরুল হামিদ বলেন, চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় রেখে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। কৃষকরা সেচের সময় পিক ও অফ পিক আওয়ার মেনে চললে ভালো ফল পাবেন। একই সঙ্গে বিদ্যুতের দাম পর্যায়ক্রমে সমন্বয় করা হবে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস চেয়েছিলেন। আমরা গ্যাসের মূল্যেরও সমন্বয় করছি। আমরা এখন এপ্রিল থেকে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস দেওয়ার পরিকল্পনা করছি। ভোলায় যে গ্যাস পাওয়া গেছে, তা আগামী দুইমাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সংযোগ করা হবে। সেচের মৌসুমে লোডশেডিংয়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘লোডশেডিংটা ওই রকম না। বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা ম্যানেজ করছি। কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিংয়ের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সেচের জন্য আমরা যে সময় নির্ধারণ করেছি ওই সময় সেচযন্ত্র চালালে তেমন সমস্যা হবে না।’ এর আগে, গত ২৪ জানুয়ারি বিদ্যুৎ ভবনে সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ-সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেচ মৌসুমে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। সার্বিক সমন্বয়ের মাধ্যমে তদারকি জোরদারের মাধ্যমে কৃষকরা উপকৃত হবেন। রক্ষণাবেক্ষণের নামে যেন অহেতুক সময় নষ্ট না হয় বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে।

    আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, প্রস্তুতি নিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেছেন, আমরা নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সুইজারল্যান্ডের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবন কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম। শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়নের পর সরকার সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। বিদেশি পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন তদারকি করতে আসবেন এবং তারা স্বাধীনভাবে তাদের কাজ করবেন। তিনি বলেন, দেশের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন, এর ওপর এবং এর বাজেটের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল যার ভিত্তি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত রয়েছে। এই রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ) জন্ম গণমানুষ থেকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির জন্ম সেনানিবাস থেকে। এই দলের প্রধান প্রথমে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্রপতি হন, পরে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। জনগণের মধ্যে তাদের কোনো ভিত্তি নেই। জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল। জনগণের মধ্যে তাদের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে সরকার গঠন করবে। শেখ হাসিনা বলেন, গত ১৪ বছরে সরকার দেশের ব্যাপক রূপান্তর ঘটিয়েছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগ ও তার জোটকে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ভোট দেওয়ার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে এবং গণতন্ত্রের বিকাশে কাজ করে। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১০ লাখের বেশি মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশের জন্য বোঝা। তিনি সব পশ্চিমা দেশকে মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে সমর্থন প্রসারিত করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কোভিড এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কষ্টে ফেলেছে। আমরা এই প্রভাব বন্ধ করার চেষ্টা করছি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই যুদ্ধে কাদের লাভ। শুধু অস্ত্র বিক্রেতারাই লাভবান হচ্ছে। বিশ্বের উচিত অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ করা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশে নারীর ক্ষমতায়নের কথাও সংক্ষেপে বর্ণনা করেন। সুইজারল্যান্ডের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে এবং তার দেশ মসৃণ উত্তরণে বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, আমি সবসময় বাংলাদেশের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে থাকব। তিনি বলেন, তিনি দেশের প্রতিটি কোণ পরিদর্শন করেছেন এবং তিনি দেশের উল্লেখযোগ্য এবং চিত্তাকর্ষক উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করে মুগ্ধ হয়েছেন। নাথালি চুয়ার্ড বলেন, বাংলাদেশকে কোভিড-১৯ মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। আমি আশা করছি যে বাংলাদেশ এই সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আরও এগিয়ে যেতে পারবে। তিনি গণতন্ত্রের মান, এর স্থিতিশীলতা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রশংসা করেন। তিনি দেশের নারীর ক্ষমতায়নের, অগ্রগতিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে সুইজারল্যান্ডের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মনে করেন, তাদের (রোহিঙ্গা) দ্রুত স্বদেশে ফিরে যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, দেশের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং এর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

    ডিসিদের দুর্নীতিমুক্ত থাকতে বললেন রাষ্ট্রপতি

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: সরকারের বহুমুখী কার্যক্রম সমন্বয় ও তত্ত্বাবধানকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যাতে না হয় তা নিশ্চিত করার জেলা প্রশাসকদেরকে (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৩’-এর তৃতীয় দিনে ডিসিদের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেন তিনি। ডিসিদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘নিজে দুর্নীতিমুক্ত থাকবেন, এবং অন্যরাও যাতে দুর্নীতির সুযোগ না পায় সেদিকেও খেয়াল রাখবেন। দুর্নীতি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির কারণে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তাই মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।আশা করি, আপনারা কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব ও ক্ষমতার পার্থক্য সচেতনভাবে বজায় রাখবেন। জনকল্যাণে ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে ডিসিদেরকে তাদের মেধা ও দক্ষতা ব্যবহার করার ও নির্দেশনা দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসকরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে দেশাত্মবোধ ও একাগ্রতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাবেন। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা করেন, ২০৩০-এর মধ্যেই বাংলাদেশ এসডিজির সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ‘আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশে’ পরিণত হবে। জেলা প্রশাসনের কর্ণধার ও সেবক হিসেবে জনগণের দোরগোঁড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার অর্পিত এ গুরুদায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার  আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মূল্যবান পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে ডিসিদেরকে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন। মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘জনগণের সেবা দেওয়া আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এটাকে দয়া বা অনুগ্রহ মনে করার কিছু নেই। করোনাকালে ও পরবর্তীতে করোনার অভিঘাত মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন আর্থিক ও প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য জেলা প্রশাসকদের ধন্যবাদ জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্যদ্রব্য, ভোজ্য তেল ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ জাতীয় জীবনে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদেরকে সব সময়ই জনগণের পাশে থাকার নির্দেশনা দেন। রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতি মাথায় রেখে সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার, ব্যয় সংকোচন এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে আপনাদের আরো যত্নশীল হওয়ার অনুরোধ করছি। পরিবেশবান্ধব গ্রামোন্নয়নে আবাসন, শিক্ষা, কৃষি নির্ভর শিল্পের প্রসার, চিকিৎসা সেবা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানীয় জল ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থার মাধ্যমে উপজেলা সদরে ও বর্ধিষ্ণু শিল্পকেন্দ্রগুলোকে আধুনিক শহর-উপশহর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় ঘটাতে জেলা প্রশাসকদেরকেও কার্যকরী ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি। ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জনগণের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে তিনি দক্ষ, আধুনিক, জনকল্যাণমুখী ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং ভূমি সংক্রান্ত জনবান্ধব ডিজিটাইজ সেবা নিশ্চিতকরণে ডিসিদের আরও বেশি কৌশলী ও তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এসব ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদেরকে আরও কঠোর হতে হবে। এসি ল্যান্ডসহ তৃণমূল পর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হবে।’ জেলা ই-সার্ভিস সেন্টার, পৌর ডিজিটাল সেন্টার ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ডিসিদের কার্যকরী ভূমিকা রাখার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি। দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সামাজিক বনায়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন, জলাভূমির উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের চলমান কর্মসূচির বাস্তবায়নে ডিসিদেরকে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে বন, নদী ও পাহাড় রক্ষা করতে হবে। যুব সমাজের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে সরকার যুব সমাজকে সুসংগঠিত ও উৎপাদনমুখী করতে ‘ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি’সহ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কার্যকর অবদান রাখার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। তিনি মাদকদ্রব্য যাতে যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে না দেয় সে দিকেও জেলা প্রশাসকদেরকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথ পরিক্রমায় একটি উন্নত, আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

    নিয়ন্ত্রণে এলেও জঙ্গিবাদ মূলোৎপাটন হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও এখনো তাদের মূলোৎপাটন করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে। যেকোনো মূল্যেই তাদের নির্মূল করা হবে। পাহাড়ে আশ্রয় নেওয়া ৫২ জঙ্গিকে আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক আছে। বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান না হলে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে। ক্যাম্প এলাকায় সাম্প্রতিক জঙ্গি আস্তানার সন্ধান সেটিরই ইঙ্গিত বহন করে। এছাড়া ইয়াবার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিভিন্ন রোহিঙ্গা গ্রুপ মারামারি করছে বলেও জানান তিনি।

    আবারও বাড়ল চিনির দাম

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বাজারে চিনির সংকটের মধ্যেই আবারও পণ্যটির দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরএ)। খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে নতুন দাম। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। বিএসআরএ’র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে চিনি। খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম। প্রতি কেজি পরিশোধিত খোলা চিনি বিক্রি হবে ১০৭ টাকায়। আর পরিশোধিত প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হবে প্রতি কেজি ১১২ টাকায়। দেশের চিনির বাজার এখনও অস্থির। বাজারে প্যাকেটজাত চিনি নেই বললেই চলে। এমনকি ডিলার পর্যায়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত চিনি। আবার যাও পাওয়া যাচ্ছে, তাও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। বিএসআরএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির ঊর্ধ্বমুখী দাম, ডলারের বাড়তি বিনিময় হার এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলগুলোর উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর খোলাবাজারে কেজি প্রতি চিনির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০২ টাকা, আর প্যাকেটজাত চিনির মূল্য ১০৮ টাকা।  এই চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন এবং চিনি কম্পানিগুলোর চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।

    দেশের সব শিল্পাঞ্চলে ফাইভজি সেবা নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: দেশের সব শিল্পাঞ্চলে ফাইভজি সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) তিন দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩’র উদ্বোধনের সময় এমন মন্তব্য করেন তিনি।  প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত এই মেলা চলবে আগামী শনিবার (২৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত। শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায় সরকার। এজন্য দেশের সব শিল্পাঞ্চলে ফাইভজি সেবা নিশ্চিত করা হবে। ডিজিটাল সংযোগেই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে। মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের সংযুক্তির মহাসড়ক’। জানা গেছে, মেলায় ৫২টি প‌্যাভিলিয়নে বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করবে। এর মধ্য প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ট্রিপল প্লে (এক ক্যাবলে ল্যান্ডফোনের লাইন, ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ), মোবাইল অ্যাপস, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ইত্যাদি প্রদর্শন করা হবে।  এছাড়া প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জেডটিই ও হুয়াওয়ে তাদের উদ্ভাবিত পণ্য প্রদর্শন করবে। পাশাপাশি দেশি সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের তৈরি সফটওয়্যার ও সেবা উপস্থাপন করবে। টেলিকম অপারেটরগুলো তাদের ভয়েস, ইন্টারনেট ও মূল্য সংযোজিত সেবা (ভ্যাস) দেখাবে। মেলায় লাইভ দেখা যাবে ফাইভ-জি।  মেলায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পৃথক কর্নার থাকবে। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবনী তুলে ধরা হবে। এছাড়া ৮টি সেমিনারের মাধ্যমে সরকারের মন্ত্রী এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা বর্তমানের প্রযুক্তি ও আগামী দিনে প্রযুক্তির গন্তব্য নিয়ে কথা বলবেন।

    বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদন ছাড়া কোনো সেতু নয়: নৌপ্রতিমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদন ছাড়া কোনো সেতু নির্মাণ করা যাবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ। এ ক্ষেত্রে ডিসিদের কার্যকরী ভূমিকা রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নদীগুলোতে বিভিন্ন ধরনের জাহাজ চলাচল করে। এ ক্ষেত্রে কোন নদীতে কোন জাহাজ চলাচল করবে, সেটা মাথায় রেখেই সেতুগুলো নির্মাণ করতে হবে। সেটির ক্লিয়ারেন্স দেয় বিআইডব্লিউটিএ। এ ক্ষেত্রে তাদের অনুমোদন ছাড়া রোডস, এলজিইডি, সেতু বিভাগ কেউই যেন কোনো ব্রিজ নির্মাণ করতে না পারে, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকি করতে বলেছি।

    বাঘ বুড়ো হলেও তার থাবা বুড়ো হয়না: আ ক ম মোজাম্মেল হক

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, কাদের সিদ্দিকী ইতিহাসের গর্বিত সন্তান। মুক্তিযুদ্ধের মহামানব। তার বীরত্বগাঁথা ইতিহাসে বিরল। যুদ্ধ শেষে বিজয়ী হয়ে তিনি এক লাখ চার হাজার অস্ত্র বঙ্গবন্ধুর কাছে জমা দিয়েছিলেন। এটি একটি বিষ্ময়। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে কাদেরিয়া বাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা রয়েছে।  মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দেয়ার ৫০ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী তিনি এসব কথা বলেন। শহরের শহীদ মিনারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সম্পর্কে যে মনোভাব প্রকাশ তা আমার জন্য বিব্রতকর। আমরা এই অনুষ্ঠানটিকে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে দেখতে চাই। সম্পর্কের কোন অবনতি থাকলে তা জাতীয়ভাবে নিতে চাই না। জাতীয়ভাবে আমরা মনে করি এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। কাদেরিয়া বাহিনীর যোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে অস্ত্র লুট করে মুক্তিযোদ্ধাদের সরবরাহ করছে। সেই অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে। কাদেরিয়া বাহিনীর যোদ্ধারা আমার চেয়েও সাহসী ছিলেন। কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ্যে করে মন্ত্রী বলেন, বাঘ বুড়ো হয়, কিন্তু তার থাবা বুড়ো হয় না। বয়স আমাদের হতে পারে। এই ৫২ বছরে আমরা সেই ২৫/২৬ বছরের টকবগে যুবক নয়। তাই ঘোলা পানিতে কেউ মাছ শিকারের চেষ্টা করবেন না। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাকে এই অনুষ্ঠানে যোগদানের নির্দেশ প্রদান করেছেন।  তিনি কাদের সিদ্দিকীকে বঙ্গবন্ধুর স্বার্থক আদর্শিক পুত্র অবহিত করে বলেন, আসুন আমরাও আপনাকে নিয়ে পথ চলতে চাই। ২৪ সালে যে নির্বাচন হবে সে নির্বাচনে এক বৃত্তে থাকবেন মুক্তিযুদ্ধের বীরসেনানীরা। স্বার্থক পিতার স্বার্থক উত্তরসূরী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে লড়বো। কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদান দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেকমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, বীরমুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুুব, কবি আল মুজাহিদী, আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিনী নাসরিন সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছালাম চাকলাদার, আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রম, হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক প্রমুখ।

    আল্লাহ গজব না দিলে দুর্ভিক্ষের কোনো চান্স নেই: খাদ্যমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বৈশ্বিক সংকটের মাঝেও দেশে দুর্ভিক্ষ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, আমি আগেও বলেছি। দেশে দুর্ভিক্ষ হবে না, হওয়ার কোনো চান্স নেই। যদি আল্লাহ নিজের হাতে গজব না ফেলে।  বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘আমনের আগে খরার সময় আমরা মনে করছিলাম দুর্ভিক্ষ হবে, আমন হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। সংগ্রহ ভালো হচ্ছে, সরবরাহ ভালো আছে। এখন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মজুত (সরকারি খাদ্যশস্যের), এখন ১৯ লাখ ২৫ লাখ টন সরকারি মজুত, যেটা কোনোদিনই ছিল না। এখনও সংগ্রহ চলছে। আমরা মাসে এক লাখ টন করে ওএমএস দিচ্ছি।’ সারাদেশেই এবার সরিষা চাষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা তো মনে হয় এবার ৩০ শতাংশ ভোজ্যতেল সরিষা থেকেই পাব। চালের দাম যাদের জন্য অসহনীয় পর্যায়ে তাদের জন্য ওএমএস, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভিজিডি, ভিজিএফ ইত্যাদি আছেই। অতএব শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। সবাই ভালো আছেন। খাদ্য অপচয় রোধের তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, খাবার অপচয়টা যাতে রোধ হয়। একটি বিয়ে বাড়িতে দেখা যায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ খাবার নষ্ট হয়। এটা রোধ করতে হবে। শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ। পেট ঠান্ডা, মাথা ঠান্ডা।

    চালু হলো পল্লবী স্টেশন, ৭ মিনিটে পল্লবী টু আগারগাঁও

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: চালু হয়েছে মেট্রোরেলের পল্লবী স্টেশন। বুধবার থেকে রাজধানীর এই স্টেশনে যাত্রী উঠা নামায় থামছে ট্রেন। সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে এ স্টেশনের কার্যক্রম চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয় দিনই মেট্রোরেলে চলাচল করছে। একইসঙ্গে মেট্রোরেলের চলাচলের সময়েরও পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মিরপুরের যাত্রীদের নতুন একটি চলাচলের পথ উন্মুক্ত হলো। মেট্রোরেলের মাধ্যমে তারা এখন অনায়াসে উত্তরা ও আগারগাঁও যেতে পারবেন। প্রথমদিন রাজধানীর উত্তরা থেকে ট্রেনটি মিরপুরের পল্লবী স্টেশনে যখন পৌঁছে, তখন সকাল ৮ টা ৩৫ মিনিট। যাত্রী ওঠার পর ট্রেনটি আগারগাঁওয়ের উদ্দেশ্য রওনা হয় ৮টা ৩৭ মিনিটে। পল্লবী থেকে আগারগাঁও আসতে যাত্রীদের সময় লেগেছে মাত্র ৭ মিনিট। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড-ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক জানান, তিনটি স্টেশনে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করবে। তবে টিকিট কাটার সুবিধার্থে যাত্রীদের জন্য গেট খোলা হবে সকাল ৮টা থেকে। ট্রেনগুলো আগের মতোই ১০ মিনিট পরপর চলাচল করবে। ডিএমটিসিএলের মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রথম দিনের শুরুতে পল্লবী স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কম। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে। গত ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও মেট্রোরেল চালু হয়। এতদিন এ দুটি স্টেশনে যাত্রীরা চলাচল করতে পারতেন। আজ বুধবার থেকে পল্লবী স্টেশনে ট্রেন থামতে শুরু করেছে। ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ দিয়াবাড়ী-আগারগাঁও রুটে স্টেশনের সংখ্যা ৯টি। আজ পল্লবীসহ সচল হচ্ছে তিনটি। উত্তরা সেন্টার, উত্তরা সাউথ, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া স্টেশনে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ট্রেন থামবে। পল্লবী থেকে আগারগাঁওয়ের ভাড়া ৩০ টাকা। দিয়াবাড়ীর ভাড়াও ৩০ টাকা।

    মাদ্রাসাতেও স্কাউটিং চালু করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসাতেও স্কাউটিং চালু করতে হবে। বাছাইকৃত নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষার্থীই যাতে স্কাউটিংয়ের প্রশিক্ষণ পায় সে বিষয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরের মৌচাকে স্কাউট জাম্বুরির ৩২তম সমাবেশের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিটি শিশুকে দেশের একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। স্কাউটদের নৈতিক ও জীবনমুখী শিক্ষা দিয়ে, সেবা দেওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন করে দেশপ্রেমিক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’  তিনি বলেন, আমি চাই আমাদের দেশটা আরো চমৎকারভাবে গড়ে উঠুক যেখানে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোন স্থান হবে না। দেশ সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসমুক্ত থাকবে। কাজেই বাংলাদেশে যে শিশুরা বড় হবে তারা উদার মন নিয়ে বড় হবে, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা কাজ করবে।  শেখ হাসিনা বলেন, স্কাউটিং নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও জীবনধর্মী প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে তরুণদের মাঝে আধুনিক, প্রগতিশীল ও সৃজনশীল গুণাবলী বিকশিত হয়। ফলে স্কাউট সদস্যরা সেবার মন্ত্রে দীক্ষিত হচ্ছে এবং সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলছে। পরোপকারি হিসেবে সমাজ সেবার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ও প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা কোভিড-১৯ কালীন স্কাউট সদস্যদের সেই আন্তরিকতা আমরা দেখতে পেয়েছি। কাজেই আমি চাই আমাদের দেশে এই স্কাউট আন্দোলন আরো ব্যাপকভাবে গড়ে উঠুক। দেশে স্কাউট আন্দোলন জোরদার করতে তাঁর সরকারের উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, সরকার প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় স্কাউট ভবন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব স্কাউটস জাম্বুরী ভবিষ্যতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে এ লক্ষে প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কাব স্কাউটসদের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড’ বিতরণ করেন এবং তাঁর নিজের স্বাক্ষরিত সনদপত্র ১২ জনের হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ এবং জাম্বুরী আয়োজক কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান। প্রধানমন্ত্রী আঞ্চলিক ও জাতীয় স্কাউটদের জাম্বুরী চিহ্নিত করে একটি স্মারক ডাক টিকিট ও অবমুক্ত করেন। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৯ ফেব্রুয়ারি

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি। রাষ্ট্রপতি পদে আগ্রহী প্রার্থীদের ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনী কর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন এই ভোটের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। নির্বাচন কমিশন সভায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিস্তারিত দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়। কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি। ১৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা হবে। প্রার্থীর সংখ্যা একজনের বেশি না হলে তাকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। আর একাধিক প্রার্থী হলে সংসদের অধিবেশন কক্ষে বিধিমালা অনুযায়ী ভোট হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টার মধ্যে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, যিনি এ নির্বাচনের ‘নির্বাচনী কর্তা’। তার কার্যালয়েই (প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অফিসে) নির্ধারিত দিনে অফিস চলাকালে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনার জন্য গতকাল জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। উল্লেখ্য, সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ অবসানের কারণে এ পদ শূন্য হলে মেয়াদ সমাপ্তির তারিখের আগের ৯০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন হবে। বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৩ এপ্রিল।

    সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ 

    মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না- এটা দুঃখজনক, তবে বিজিবি ও বিএসএফ তাদের সাধ্যমতে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে চেষ্টা করছেন। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) দুপুরে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার শীতার্ত মানুষজনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে উভয় পক্ষে আলোচনা চলছে। ভারত সরকারও আন্তরিক। তারা সবসময় বলে থাকেন বর্ডার ক্লিন (সীমান্তে হত্যা) বন্ধ করবেন। তারপরও তারা করছেন। আমরা দুপক্ষই আন্তরিক এটা বন্ধ করতে। খুব শিগগির আমাদের পরিকল্পনা এটা বন্ধে আমরা সফল হবো। এসময় তিনি আরও বলেন, র‍্যাব শুধু এলিড ফোর্স নয়, তারা জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। এ সেবার মাধ্যমে তারা আজকে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। আস্থার যায়গাটা জয় করছেন। যখন যার যেটা প্রয়োজন তখন র‍্যাব তার পাশে এসে দাঁড়ায়। সেই জন্য র‍্যাব বাহিনী আজ সবার সবার মনে মনে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব শহীদদের কবর দেশের বাহিরে রয়েছে তাদের কবর দেশে এনে কবর দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক টি এম মমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।