এই মাত্র
  • বিপিএলের মাঝে ছুটি পেয়েই ওমরা করতে গেলেন সাকিব
  • গণভোট দেন, হারলে আর কোনো দিন নির্বাচন করব না : হিরো আলম
  • সুদ যেসব ক্ষতি ডেকে আনে
  • পাকিস্তানের রিজার্ভে ধস, আছে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয়
  • গাড়ি উপহার না পেলে সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন হিরো আলম
  • বিমানের চাকা ফেটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ
  • শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • সর্বত্র সমর্থন পাওয়া দারুণ ব্যাপার, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মেসি
  • জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.)
  • ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
  • আজ শনিবার, ২২ মাঘ, ১৪২৯ | ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

    দেশজুড়ে

    পাবনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক হাজতির মৃত্যু

    আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি: ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পাবনা কারাগারে থাকা জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত জিয়াউর রহমান পাবনার আতাইকুলা থানার যাত্রাপুর নতুনপাড়া গ্রামের মৃত কায়েম উদ্দিনের ছেলে। পাবনা জেলা কারাগারের জেলার আনোয়ার হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, আতাইকুলা থানার একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ২১ জানুয়ারী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া পাবনা কারাগারে আসেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ করেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সোয়া ১০টার দিকে মারা যান তিনি। শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ময়না তদন্ত ও আইনী প্রক্রিয়া শেষে জিয়াউর রহমানের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান জেলার আনোয়ার হোসেন।

    নিজস্ব অর্থায়নে বেইলি ব্রিজ নিমার্ণ করে দিলেন এমপি শুভ

    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বরুটিয়া-হাড়িয়া আঞ্চলিক সড়কে নিজস্ব অর্থায়নে বেইলি ব্রিজ নিমার্ণ করে দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের বরুটিয়া-হাড়িয়া আঞ্চলিক সড়কের ব্রিজটি ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে করে ওই এলাকাসহ আশপাশের মানুষের যানচলাচল ও মালামাল নিতে অসুবিধা হচ্ছিলো। খবর পেয়ে খান আহমেদ শুভ এমপি ব্রিজটি পরিদর্শন করে এলাকাবাসীকে দ্রুত ব্রিজ নিমার্ণের আশ্বাস দেন। পরে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সহযোগিতায় ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙা ব্রিজটি অপসারণ করে এমপির নিজস্ব অর্থায়নে একটি বেইলি ব্রিজটি নিমার্ণ করে দেন এবং ব্রিজের দুই পাশে মাটি ফেলে চলাচলের জন্য উপযোগী করেন। বর্তমানে সাধারণ মানুষ ব্রিজ দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন। ভাওড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন বলেন, এই ব্রিজটি দিয়ে প্রায় ১৫টি এলাকার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করতেন। বর্তমানে ব্রিজ নিমার্ণের ফলে মানুষ নির্বির্ঘে চলাফেরা করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, বরুটিয়া ব্রিজটি ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াতে এমপি নিজে পরিদর্শন করেন। এরপর পূর্বের ব্রিজটি অপসারণ করা হয়। এমপি মহোদয় প্রায় তিন লাখ টাকা দিয়ে ২০ফিট বেইলি ব্রিজ নিমার্ণ করে দেন। পর্যায়ক্রমে এই ব্রিজটি আরও বড় করা হবে বলে জানান তিনি।

    তাড়াশে দুই হাজার অসহায় দুস্থ শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    সিরাজুল ইসলাম শিশির, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অসহায় দুস্থ শীতার্তদের মাঝে প্রায় দুই হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৩রা ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিনোদপুর খেলার মাঠে  দুস্থ অসহায় শীতার্তদের মানুষের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।  বারুহাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান ময়নুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ ৩ (তাড়াশ- রায়গঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা . মো. আব্দুল আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান, নজরুল ইসলাম বাচ্চু, মোজাম্মেল হক মাসুদ, তালম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেকসহ প্রমুখ।  এ সময় এমপি আজিজ জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরীব অসহায় মানুষদের কথা ভেবে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি অসহায় মানুষদের শীত মৌসুমে দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আপনাদের কাছে আমাকে পাঠিয়েছেন। প্রতি বছরের ন্যায় আমি আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় অসহায় দুস্থ শীতার্তদের মাঝে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। আপনারা দোয়া করবেন যেন আগামীতে আপনাদের পাশে থাকতে পারি। বারুহাস ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম নান্নু সার্বিক তত্ত্বাবধানে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বারুহাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা।

    নওগাঁয় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক

    নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে নির্মিত ঘর পরিদর্শন করেছেন আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় নির্মিত ঘরগুলো পরিদর্শনসহ চতুর্থ পর্যায়ে নির্মিত ঘরগুলোর উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এসময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, নওগাঁ জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান (পিএএ), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মাদ ইব্রাহিম, মান্দা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এমদাদুল হক মোল্লা, মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবু বাক্কার সিদ্দিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির মুন্সী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, গনেশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম চৌধুরী (বাবুল), ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এস.এম এনামূল হক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ১ম ধাপে ১০৬টি ও ২য় ধাপে ৭১টি মোট ১৭৭টি বাড়ির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এসময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগ সারা বিশ্বের কাছে নন্দিত হয়েছে। দেশের একজন মানুষও যেন ঘরহীন না থাকে তার জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পটি যেন সুচারু ভাবে টিকশই মানের নির্মাণ করা হয় তারজন্য আমরা সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই ঘর নির্মাণ প্রকল্পটি পর্যবেক্ষণ করছি। আমি আশাবাদি বর্তমান সময়ে যে ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে সেগুলো যথাযথভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে কারো কোন অবহেলা কিংবা কোন প্রকারের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

    রোগের চিকিৎসা করছে বানর!  

    ছাইদুর রহমান নাঈম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: আধুনিক যুগেও এখনো টিকে আছে চিকিৎসার নামে কুসংস্কার।  এখনো গ্রামের সহজ সরল মানুষ কবিরাজি, মাজার বিশ্বাস, কথিত বাবা, পশু পাখিকে রোগ মুক্তির সহায়ক মনে করেন। আর এই সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর লোক গ্রামে চষে বেড়ায় রোগ মুক্তিসহ জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য।  এভাবেই চিকিৎসার নামে কুসংস্কারে ডুবে আছে কিছু মানুষ।   সম্প্রতি দেখা গেল এমনি এক ঘটনা।  এক ভ্রাম্যমাণ বানর চিকিৎসকের দেখা মিলে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর পাশ্ববর্তী উপজেলা মনোহরদীর খিদিরপুর ইউনিয়নের মনতলা গ্রামের হাজী পাড়ায়৷ মানুষের চিকিৎসা করছে বানর। আর এটাকেই বিশ্বাস করে চিকিৎসা নিচ্ছেন কিছু মানুষ।  কবিদের ন্যায় ঝুলন্ত ব্যাগ ও হাতে শিকলে বাধা এক বানর। যে কিনা হাত দেখা থেকে শুরু করে বিষ ব্যাথা, রাতে বিছানায় প্রসাব করা, কান পাকা, ভয় পাওয়া, ও অতিরিক্ত কান্না করা বাচ্চাদের চিকিৎসা করে। রোগ নির্ণয় করার এ যেন এক অদ্ভুত পদ্ধতি। বানর জ্যোতিষীর মতই হাত দেখে বিভিন্ন ইশারা ইঙ্গিতে তার মালিককে বুঝিয়ে দেয় ব্যাক্তিটি কোন রোগে আক্রান্ত। সেখানে উপস্থিত হওয়া নানা বয়সের মানুষদের মধ্যে কিছু সংখ্যক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ভ্রাম্যমাণ বানর চিকিৎসক বলে আখ্যায়িত করেন। কিছু সচেতন মানুষ এসবকে সমর্থক না করে কুসংস্কার বলে সেখান থেকে ত্যাগ করেন। বানরকে নিয়ে ফেরি করা রফিক মিয়া (৫০) এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরেই তিনি এই পেশায় জড়িত। সূদুর খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহ জেলা থেকে দেশের ৬৪ জেলায় তিনি এই বানরটিকে নিয়ে ঘুরে ঘুরে জীবিকা নির্বাহ কিরেন। পাশাপাশি গাছ গাছরার দ্বারা তৈরী আয়ূর্বেদিক মেডিসিনও তিনি বিক্রি করে থাকেন। দৈনিক চারশ, পাচঁশ কিংবা কোনদিন হাজার টাকাও আয় করেন। রাত যাপন করার কথা জিজ্ঞাসা করলে রফিক মিয়া জানান, যেখানেই রাত সেখানেই কাত। পথি মধ্যে কোন না কোন বাজারে খাবারের হোটেলে কিছু টাকার বিনিময়ে রাত পার করেন। তারও রয়েছে অদ্ভুত এক কাহিনি কেননা, মূলত বানর চিকিৎসকের ভূমিকা পালন করে থাকেন। রোগীর হাত দেখে বলে দেন তিনি কি রোগে আক্রান্ত। বানর ও তার মালিক রফিক মিয়ার মধ্যে কথোপকথন করতেও দেখা যায়৷ হাত দেখানো ব্যাক্তিটির রোগ ভালো হলে বানর চিকিৎসা করেন এবং বানরের সামনে রাখা গাছ গাছরার মেডিসিন বানর-ই দেখিয়ে দেন। যদি উক্ত চিকিৎসা বানরের সাধ্যে কুলোয় তবে করেন নতুবা মাথা নেড়ে না করে দেন। এবং হাত দেখানো ব্যাক্তিটির কাছ থেকে নির্ধারিত ১০ টাকাও নেননা যদিনা বানর চিকিৎসা করেন। হাত দেখা শেষে রোগীকে সালাম ও প্রদর্শন করেন বানর। সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে জমিলা খাতুন (৬০) বাত ব্যাথায় আক্রান বহুদিন যাবত। অনেক আগের মানুষ বলে এসব বিশ্বাস করে থাকেন। এবং তিনি বানরকে হাত দেখানোর জন্যে সম্মতি প্রকাশ করেন। বানর হাত দেখে জানিয়ে দেন কোমড়ে ব্যথা যার চিকিৎসা বানরের দ্বারা সম্ভব নয়।

    বোয়ালমারীতে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির হিড়িক!

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন ফসলি জমির মাটি কেটে খাদ বানিয়ে ট্রাকে করে মাটি নেয়া হচ্ছে ইটভাটায়। মাটি কাটা বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।  বোয়ালমারী পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামে অবস্থিত জেলা পরিষদের পুকুরের পূর্ব পাশের হাসেম শেখের মালিকানাধীন ফসলি ক্ষেতের মাটি গত ১৫/২০ দিন ধরে ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন, হাসেম শেখের ফসলি জমিতে পুকুর কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাটি টানার ট্রলিতে করে এসব মাটি নেয়া হচ্ছে ভাটায়। এর ফলে ইট বিছিয়ে পুকুরের পাড়ের উপর তৈরি করা সংকীর্ণ সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এতে সামনে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিতে পুকুরের পাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এদিকে, উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে জাহিদ সিকদারের ফসলি জমি থেকে গত ১৫ দিনেরও অধিক সময় ধরে মাটি কাটা হচ্ছে। কর্তনকৃত মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়। বেপরোয়াভাবে চলাচলকারী মাটি টানার ট্রাকের চাপে রাস্তাঘাটের অবস্থা বেহাল।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের জনৈক শিক্ষক বলেন, ফসলি জমি থেকে গত ১৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে মাটি কাটা হচ্ছে। মাটি টানা ট্রাকের বেপরোয়া চলাচলের কারণে রাস্তার অবস্থা নাজুক হয়ে পড়ছে। ময়না ইউনিয়নের খরসূতি গ্রামের খরসূতি মাদ্রাসার উত্তর পাশে বাগান শেখের ফসলি জমিতে পুকুর কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়। এছাড়া উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রাম, সাতৈর ইউনিয়নের ভোচনের মাঠ, রূপাপাত ইউনিয়নের সূর্যোগের মাঠ, শেখর ইউনিয়নের বড়গাঁ বিলের ভেতরের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটাগুলোতে।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেরই এক বা একাধিক স্থানের ফসলি জমিতে ভেকু দিয়ে অর্থের বিনিময়ে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন মাটিখেকোরা। প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের অভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন উপজেলার মাটিখেকোরা।  উপজেলার সিনিয়র সংবাদিক কামরুল সিকদার বলেন, ফরিদপুরের বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার (পিএএ) স্যার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছরের ১২ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদের হলরুমে  প্রশাসন ও পরিষদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ইউএনও মোশারেফ হোসাইনের সভাপতিত্বে উপজেলা চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি স্যার বলেছিলেন, কারো এক টুকরো জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন সময় তার বক্তব্যে জমি পতিত ফেলে না রাখতে বলেন। কিন্তু জমির মালিকেরা টাকার লোভে মাটি বিক্রি করে দিচ্ছেন। আর মাটিখেকোরা ফসলি জমির মাটি কিনে ভাটায় বিক্রি করছেন। এ অবস্থা কোনভাবেই কাম্য নয়। এ ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোশারেফ হোসাইন বলেন, ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধে জনপ্রতিনিধিদেরও একটা ভূমিকা পালন করা উচিত।  উল্লেখ্য, এর আগে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কৃষি জমি কেটে পুকুর খনন করার অপরাধে ২০২২ সালের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে তৎকালীন ইউএনও মো. রেজাউল করিম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে তিনি কঠোর পদক্ষেপ নেন। আদালতে বালুবহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর বিভিন্ন ধারায় সে সময় তিনি বিভিন্ন জনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। সেই সাথে অবৈধ কাজে ব্যবহৃত জব্দকৃত ট্রলি এবং ভেকু বিনষ্ট করেন। এসব ঘটনায় সংক্ষুব্ধ মাটিখেকোরা একটি পক্ষের ইন্ধনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওই বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। ওই ঘটনার পর থেকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফসলি জমির মাটি কর্তন, বিক্রয়কারী এবং অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন মাটিখেকোরা। ভাটামালিকেরাও এ সুযোগে মজুদ বাড়িয়ে গড়ে তুলছেন স্ব স্ব ইটভাটায় মাটির পাহাড়।  

    রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে চিত্র শিল্পী শাহাবুদ্দিন ও আনোয়ারের শ্রদ্ধা নিবেদন

    রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রীপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার। পরে তাঁরা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান ও মরহুমা জাহানারা জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাঁরা প্রথমে নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর কাদিরগঞ্জে শহীদ কামারুজ্জামান ও জাহানারা জামানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অতিথিবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আকতার রেণী, মিসেস তৌফিকা আনোয়ারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    সন্তানদের সামনেই স্ত্রীকে হাত পা বেধে হাতুড়িপেটা করে হত্যা

    সুমন মিয়া, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের আখি আক্তার নামে এক গৃহবধূকে হাত পা বেধে দুই সন্তানের সামনে হাতুড়িপেটা করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী সাইদুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে সাইদুল তার স্ত্রীকে হাতুড়িপেটা করে পালিয়ে যায়। এরপর আখিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোঘণা করেন। পুলিশ আখির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর গ্রামের ইব্রাহিম প্রধানের মেয়ে আখি আক্তারের সঙ্গে পাশ্ববর্তী চেঙ্গকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলামের ১৫ বছর আগে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তারা অর্ণব ও সিয়াম নামের দুই সন্তানের বাবা-মা। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছে। নানা অজুহাতে সাইদুল তার স্ত্রীকে মারধর করতো। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সন্তানদের সামনেই আখির হাত পা বেধে হাতুড়ি দিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটাতে থাকে সাইদুল। হাতুড়ির আঘাতে আখি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ সময় সন্তানদের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সাইদুল দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। নিহত আখির ছেলে ১২ বছর বয়সী অর্ণব জানায়, তার বাবা-মা প্রায়ই ঝগড়া করতো। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তার মায়ের হাত-পা বেধে ঘরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে তার বাবা। চিৎকার শুনে আশপাশ থেকে লোকজন এগিয়ে এলে তার বাবা পালিয়ে যায়। সোনারগাঁ থানার ওসি মাহাবুব আলম বলেন, গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    টাঙ্গাইলে  ছদ্মবেশ ধারণ করে ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করলো পুলিশ

     টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: লুঙ্গি-গামছা পড়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে  ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ২ ব্যক্তিকে আটক করেছে  কালিহাতী থানা পুলিশ। শুক্রবার সকালে মামলা দায়ের করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার দুপুরে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার জামালপুর গ্রামের আ: গফুরের ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম মনির (৩৫) ও গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষাবাড়ী গ্রামের আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার ছেলে মো. সুমন ভূঁইয়া (৩২)। কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, মাদক সমাজের জন্য ভয়ংকর অভিশাপ। সমাজ তথা দেশকে মাদক থেকে রক্ষার জন্য আমরা কঠোর পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। তারই ধারাবাহিকতায়  বৃহস্পতিবার দুপুরে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ ও সঙ্গীয় ফোর্স লুঙ্গি-গামছা পড়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময়  ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ওই ২ ব্যাক্তিকে আটক করা হয় । এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার এস আই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে শুক্রবার তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

    মোক্তবে পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার ছাত্রী

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: মোক্তবে পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী। ঘটনাটি হবিগঞ্জের সদর উপজেলায়। ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ওই মক্তবের ওস্তাদ আহাদ মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহাদ মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ফান্দ্রাইল গ্রামের মৃত নীলু মিয়ার ছেলে। তিনি দর্শনের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াকুব আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আহাদের জবানবন্দির বরাত দিয়ে তিনি বলেন, আহাদ উত্তর বামকান্দি জামে মসজিদের মক্তবের ‘ওস্তাদ’। গত বুধবার ভোরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী সেখানে আরবি পড়তে যায়। এ সময় ‘ওস্তাদ’ ইয়াকুব তাকে ধর্ষণ করেন। অন্য শিক্ষার্থীরা ঘটনাটি দেখে চিৎকার করতে থাকে। পরে স্থানীয়রা আহাদকে আটক করে সদর মডেল থানায় খবর দেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। পরে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

    রাজশাহীতে চোর সন্দেহে ২ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪

    :অসীম কুমার সরকার, রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে চোর সন্দেহে ২ শ্রমিককে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত১০ টার দিকে নগরীর সপুরা বিস্কুট ফ্যাক্টরি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন হলেন, নওগাঁর মান্দা উপজেলার সুগনিয়া গ্রামের সামাদের ছেলে আতাউর রহমান (৪৫) ও অপরজন  হলেন  রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার রাজু ওরফে রাকিব। পুলিশ জানায়, বোয়ালিয়া থানাধীন সপুরা বিশাল বিস্কুট ফ্যাক্টরির সামনের বাসায় রাজমিস্ত্রির কাজ করার জন্য এসেছিলেন এই দুই শ্রমিক। এরই মধ্যে বাড়িটিতে চুরির ঘটনা ঘটে। আর চোর সন্দেহে এই দুই শ্রমিককে বেধে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। নগরীর বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্ওজ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, আহত অবস্থায় বোয়ালিয়া থানা পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আতাউর রাজপাড়া থানাধীন তেরখাদিয়া ডাবতলা এলাকায় থাকেন। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় ৪জনকে গ্রেফতার  করা হয়েছে।  গ্রেফতারকৃতরা  হলেন, বাড়ি মালিক আব্দুল্লাহ (৩৮), তার শ্বশুর মাসরুম রেজা (৫০), চাচাতো শ্যালক মনির উদ্দিন রিয়াল (১৯) ও কর্মচারী ইমরান হোসেন (২১)। এদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। জানা গেছে, সপুরার মডার্ণ ফুডের মালিক আব্দুল মালেক হাজীর ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর কারখানা সংলগ্ন বাসায় রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১০লাখ টাকা চুরির অভিযোগে দুই শ্রমিককে খুঁটিতে বেঁধে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করা হয় সারা শরীরে। চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ে রাত সোয়া ৯টা পর্যন্ত দুই শ্রমিকের ওপর নির্যাতন চলে। নির্যাতনের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়। এই ধরণের দুটি ভিডিও পুলিশ উদ্ধার করেছে। এদিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারখানার সংলগ্ন মালিকের বাসায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দুই শ্রমিককে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশ পিকআপে তুলে তাদেরকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা এক শ্রমিককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রেজাউলকে ৮ নং ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। কিন্তু ভর্তির কয়েক মিনিট পর তারও মৃত্যু হয়। অন্যদিকে দুই শ্রমিককে উদ্ধারের সময় কারখানা মালিকের ছেলে আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহর শশুর মাসুম রেজা, শ্যালক মহিউদ্দিন রিয়াল ও ম্যানেজার এমরান হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । তাদেরকে বোয়ালিয়া থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে রাতেই খবর দেওয়া হয়েছে। ওসি জানান, শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এজাহার পাওয়া সাপেক্ষে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।

    অপহৃত ১৬ জেলে উদ্ধার, অস্ত্রসহ ৬ জলদস্যূ আটক

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার): বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে অপহৃত ১৬ জেলেকে ৪ দিন পর উদ্ধার করেছে কক্সবাজারের মহেশখালী থানার পুলিশ। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত ৩ জলদস্যূকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। অপর এক অভিযানে কুতুবদিয়া থেকে অস্ত্র সহ ৩ জলদস্যূকে আটক করেছে র‌্যাব ৭। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোরে মহেশখালী থানা পুলিশ ঘটিভাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে জড়িত ৩ জলদস্যূকে আটকের পর তাদের দেয়া তথ্য মতে ১৬ জেলেকে উদ্ধার করে। আটক জলদস্যূরা হলেন, মহেশখালীর কুতুবজোমের তাজিয়াকাটা এলাকার মোহাম্মদ জাফরের ছেলে মোহাম্মদ কাইছার (১৯), আব্দুল মালেকের ছেলে মোহাম্মদ সোনা মিয়া (১৯) ও মকবুল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ তারেক (২৬)। এসময় উদ্ধার করা হয়, ২টি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় তৈরী লাইটার গান (এলজি), ২টি কিরিচ, ১টি দা, ১০টি মোবাইল ফোন ও মাছ ধরার ট্রলারের ইঞ্জিনের সেলফ। মহেশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক মীর এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মহেশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক মীর জানান, গত ২৯ জানুয়ারি রাত ৯ টার দিকে কক্সবাজারের নাজিরার টেক এলাকা থেকে ১৬ মাঝি-মাল্লাসহ এফবি ভাই ভাই-০৩ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে যায় জলদস্যুরা। কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার ছিদ্দিক আহমদের ছেলে শাহাদত হোছেনের মালিকানাধীন এ ট্রলার জেলে সহ নিয়ে যাওয়ার পর কক্সবাজার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।  এ ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে পুলিশের একটি দল মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকার মঞ্জুর নামের একজনের অভিযান চালায়। অভিযানে মোহাম্মদ কাইছার ও আব্দুল মালেককে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেয়া তথ্য মতে শাহাদত হোছেনের মালিকানাধীন ট্রলারটি ঘটিভাঙ্গা ঘাট থেকে জেল সহ উদ্ধার করা হয়। এসময় আটক করা হয় মোহাম্মদ তারেক নামের আর একজনকে। এব্যাপারে পুলিশ বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে ও ট্রলার মালিক বাদি হয়ে ডাকাতির ঘটনায় আলাদা ২টি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। অপর দিকে, কুতুবদিয়া থেকে ৮ টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২২ রাউন্ড গুলিসহ শীর্ষ জলদস্যূ মোশারফ বাহিনীর প্রধান মোশারফ হোসেন ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে র‌্যাব ৭। বৃহস্পতিবার ভোরে কুতুবদিয়ার বড়খোপ এলাকার মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন ঝাউবাগানে এ অভিযান চালানো হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন র‌্যাব ৭ এর সিনিয়র সহকারি পরিচালক (গণমাধ্যম) মো. নূরুল আবছার। আটক জলদস্যূ প্রধান মোশারফ হোসেন কুতুবদিয়ার সিকদার পাড়ার শাহাবুদ্দিনের ছেলে। আর সহযোগী মো. আজিজ (২৩) সন্দীপ পাড়ার নুরুল আবছারের ছেলে এবং মো. রবিউল হাসান (২০) সিকদারপাড়ার মো. জাবেদ আহম্মেদর ছেলে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটকরা সাগরে জলদস্যূতার পাশাপাশি ওই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে লবণ চাষীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। এসময় ৩টি এসবিবিএল, ৪টি এলজি এবং ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। শীর্ষ জলদস্যূ মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় সরকারী সম্পত্তি আত্মসাধ, সস্ত্রাসী, ডাকাতি, দুর্ধষ চাঁদাবাজী, হত্যাচেষ্টা এবং মাদক সংক্রান্তে ৬ টি মামলা রয়েছে।। এব্যাপারে মামলা দায়ের সহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

    কক্সবাজারে আরসা সদস্যসহ ২ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: কক্সবাজারের রামু থেকে দুই রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। র‍্যাবের দাবি, এদের একজন মিয়ানমারের বিছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্য। গ্রেফতাররা হলেন, টেকনাফের ২২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘সি’ ব্লকের দিল মোহাম্মদের ছেলে মো. শফিক ওরফে হাফেজ শফিক (৩০) ও একই ক্যাম্পের ‘ডি’ ব্লকের রশিদ আহমেদের ছেলে ইসলাম (২৬)। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের রামুর র‌্যাব-১৫-এর কার্যালয়ের সামনে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অভিযানে গ্রেফতার হাফেজ শফিক টেকনাফ থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র মামলার আসামি। ইসলাম মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরসার সদস্য। তার বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। এদের দুজনকে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

    টাঙ্গাইলে বাস খাদে, আহত ১০

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রান্তিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিহাতী পৌরসভার সিলিমপুর চাটিপাড়া নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন,সখিপুর উপজেলার সাফিয়াচালা গ্রামের সুলতানা (৪৫), দেলোয়ার হোসেন (৫৫),ঘাটাইল উপজেলার নাটশালা গ্রামের খলিলুর রহমান (৬৫) ও সুমাইয়া খান (৫০),রসুলপুর গ্রামের হাফছা বেগম (২৩), করিমপুর গ্রামের রাজিব (২৪),ধনবাড়ি উপজেলার রঞ্জিত সরকার (৪৫),ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর উপজেলার ভালুকাপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিন (৫৫), নান্দাইল উপজেলার পাছবাড়িয়া গ্রামের রেজাউল করিম (৪৪), ফুলবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর (৩৩)।  কালিহাতী  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে সুমাইয়া খান, হাফছা বেগম ও রাজিবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ৪ জন কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিহাতী পৌরসভার সিলিমপুর চাটিপাড়া নামকস্থানে এসে প্রান্তিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়।এতে প্রায় ১০/১২ জন যাত্রী আহত হয়।খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন,পুলিশ ও  কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে তাদেরকে হাসপালে ভর্তি করা হয় ।

    সোনারগাঁয়ে নিয়মিত সাব রেজিষ্ট্রারের দাবিতে দলিল লেখকদের কর্মবিরতি

    সুমন মিয়া,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে কর্ম বিরতি ও বিক্ষোভ করেছে ওই অফিসে কর্মকরত দলিল লেখকরা।  বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তারা এ কর্মবিরতি পালন করেছেন। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন দলিল লেখক, দাতা ও গ্রহিতারা।  দলিল লেখকদের অভিযোগ, দলিল নিবন্ধন করতে গিয়ে তারা সাব-রেজিষ্টার আলী আজগর (অতিরক্তি দায়িত্ব) দ্বারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তিনি দলিল নিবন্ধনে তার নিজের মতো ইচ্ছে মাফিক নিয়ম জুড়ে দিয়েছেন। সাব রেজিষ্টার সকল প্রকার দলিলে খাজনা, নামজারি, ডিসিআর ছাড়া দলিল নিবন্ধন করেন না। এছাড়াও তিনি সময় ক্ষেপন করে দলিল নিবন্ধন করার কারণে জমা দেওয়া সকল দলিল নিবন্ধন করতে পারেন না। জানা যায়, ১৭১.০২ বর্গ কিলোমিটারের আয়তনের সোনারগাঁয়ে ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। প্রতিদিন গড়ে এ সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ২শ থেকে ২৫০টি দলিল নিবন্ধন হয়ে থাকে। এ থেকে প্রতিদিন সরকারের রাজস্ব আদায় হয়। সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে নিয়মিত সাব রেজিষ্টার নিয়োগ না পাওয়ার কারণে গত দেড় মাসে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। সোনারগাঁ সাব রেজিষ্টার আনম বজলুর রশিদ মন্ডল ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর বদলি হওয়ার পর থেকে এ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে কোন সাব রেজিষ্ট্রারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে জমি কেনা বেচা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ২২ ডিসেম্বর আড়াইহাজার সাব রেজিষ্ট্রার মো. আলী আজগরকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফলে কয়েকদিনের দলিল জমে থাকার কারণে দলিল নিবন্ধন সংখ্যা দীর্ঘ হয়। বর্তমানেরও দলিল নিবন্ধনে অনেক জট তৈরি হয়ে আছে। ফলে ওই সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখকরা তাদের দলিল নিবন্ধন করতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন। শুধু দলিল লেখকই নয়, সঙ্গে দাতা ও গ্রহিতাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। সোনারগাঁ সাব রেজিষ্ট্রি সূত্র জানায়, ২০০৪ সালের রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ মোতাবেক আরএস রেকর্ড মূলে মালিক হলে দলিল নিবন্ধনে কোন খাজনা, নামজারি ও ডিসিআর লাগবে না। দলিল মূলে মালিক হলে শুধুমাত্র ডিসিআর ও নামজারি জমা ভাগ লাগবে। আমমোক্তার, বিনিময়, বন্টন, দানের ঘোষণা, হেবা ঘোষণা, বিলওয়াজ হেবা, অছিয়ত, ভুল সংশোধন, ঘোষণা পত্র, না দাবি ক্ষেত্রে খাজনা, নামজারি ও ডিসিআর লাগবে দলিল নিবন্ধনে এমন কোন অধ্যাদেশ জারি হয়নি। সাব রেজিষ্ট্রার মো. আলী আজগর অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি নিজের মনগড়া আইন তৈরি করে দলিল লেখক, দাতা ও গ্রহিতাকে চাপিয়ে দিয়েছেন। সাব রেজিষ্ট্রারের নিয়ম মতো কোন দলিল না হলেই তিনি দলিল নিবন্ধনে তালবাহানা শুরু করেন। এতে করে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে দলিল লিখক, দাতা ও গ্রহিতারা। দলিল লেককদের দাবি, ওমেদার হাফিজুর রহমান হাফেজ সাব রেজিষ্টার আলী আজগরের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতি দলিলে সিরিয়াল আগে পাওয়ার জন্য দলিল লেখকদের কাছ থেকে অতিরক্তি ৫-১০ হাজার টাকা আদায় করে থাকে। এতে আরো ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে দলিল লেখকরা।  বৃহস্পতিবার সকালে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শহীদ সরকার ও সিনিয়র কয়েকজন দলিল লেখক একত্রিত হয়ে সাব রেজিষ্টার আলী আজগরের সঙ্গে দেখা করে জমা হওয়া সকল দলিল নিবন্ধনের অনুরোধ করেন। এতে সাব রেজিষ্টার দ্বি মত প্রকাশ করলে দলিল লেখকরা তাকে দলিল না করে চলে যেতে বলেন। এ খবর সকল দলিল লেখকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় হট্টগোল। এক পর্যায়ে সাব রেজিষ্ট্রারের অপসারণ দাবি করে স্লোগান দিতে থাকে। পরে সাব রেজিষ্ট্রার দলিল নিবন্ধন না করেই চলে যান। ফলে দলিল নিবন্ধন করতে আসা দলিল গ্রহিতা ও দাতারা বিপাকে পড়েন। কাঁচপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মিয়া বলেন, আমার মা কিডনী রোগী। তিন শতাংশ জমি বিক্রি করে মায়ের ডায়েলাইসিস করাবো। দু’দিন ঘুরে দলিল নিবন্ধন না হওয়ার কারনে ভোগান্তিতে পড়েছি। ফলে ডায়ালাইসিসের জন্য টাকার ধার করে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর গ্রামের শাহাজালাল মিয়া বলেন, আমি একজন প্রবাসী। আজ রাত ১১ টায় আমার ফ্লাইট। জমি বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করতে চেয়েছিলাম। জমি নিবন্ধন না হওয়ার কারনে ঝামেলা এড়ানো সম্ভব হয়নি। আমার ঝামেলা থেকেই গেলো। এ সমস্যার সমাধান পেলাম না। সোনারগাঁ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, এ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে প্রতিদিন গড়ে ২শ থেকে ২৫০টি দলিল নিবন্ধন হয়ে থাকে। সাব রেজিষ্ট্রার ইচ্ছে করে সময় ক্ষেপনের মাধ্যমে দলিলের সকল প্রকার কাগজপত্র দেখে নিবন্ধন করার কারনে দলিলের জট তৈরি হয়ে আছে। আমরা দেখা করে জমা দেওয়া সকল দলিল নিবন্ধনের অনুরোধ করেছি। তিনি সকল দলিল নিবন্ধন করে দ্বিমত করেন। তাই তাকে চলে যেতে বলা হয়েছে। সোনারগাঁ উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আলী আজগর বলেন, এ সাব রেজিষ্ট্রি অনেক দলিল নিবন্ধন হয়ে থাকে। আমি দুদিন এ অফিসে সময় দিয়ে থাকি। ৬ দিনের দলিল এখানে দুদিনে নিবন্ধন করা সম্ভব হয় না। ফলে নেতৃত্ব দানকারীদের ডেকে আলাপ করেছি। তাদের দাবি সকল দলিল নিবন্ধন করতে হবে। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিমত থাকায় আমি চলে এসেছি। তবে দলিল লেখকদের বিক্ষোভের বিষয়ে তিনি জানেন না।

    ভোমরা স্থলবন্দরে দফায় দফায় হয়রানীর শিকার বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীরা

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের দফায় দফায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) সদস্যদের বিরুদ্ধে। ফলে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত হ্রাস পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে যেখানে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পাসপোর্টযাত্রীদের বাংলাদেশ-ভারত যাতায়াত করেছে সেখানে জানুয়ারীতে নেমে গেছে তলানীতে। বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের অভিযোগ, ‘বৈধ পথে আসলেও পথে পথে বিভিন্ন জায়গায় বিজিবি তাদের তল্লাশি করছে। ভারত থেকে সঙ্গে আনা পণ্য আটক দেখিয়ে রেখে দেয়া হচ্ছে। এসব পণ্যের কোনো কাগজপত্র বা সিজার লিস্ট দেয়া হচ্ছে না। প্রতিবাদ করলে দেওয়া হচ্ছে মামলা দিয়ে চালান দেয়ার হুমকি।’  সরেজমিনে দেখা যায়, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ব্রীজ পার হতে না হতেই ভারত থেকে আগত বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের ব্যাগসহ যাবতীয় মালামাল তল্লাসী করছে বিজিবি। এরপর ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট চেকিং শেষে বের হলেই কোন কোন পাসপোর্ট যাত্রীদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আইসিপি ঘরে। সেখানে ব্যাগ থেকে পণ্য নামিয়ে ফের করা হচ্ছে তল্লাসী। এরপর সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়ার পর পাসপোর্ট যাত্রীরা যাচ্ছেন কাস্টমসে। সেখানে মালামাল চেকিং শেষ করে বাইরে আসতে না আসতেই আবার পাসপোর্ট যাত্রীদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিজিবির আইসিপি ঘরে। ব্যাগ থেকে পণ্য ইচ্ছামতো মেঝেতে নামিয়ে পুণরায় তল্লাসী চালানো হচ্ছে। আর একটু বেশি মালামাল পেলেই ঠনকু অজুহাতে সেগুলো রেখে দেওয়া হচ্ছে। একজন পাসপোর্ট যাত্রীর কাছ থেকে কিকি পণ্য নেওয়া হলো তার কোন সিজার লিস্টও দেওয়া হচ্ছেনা। এরপর সেখান থেকে ছেড়ে দিলে ভোমরা স্থলবন্দরের শেষ সীমানার বাঁশকলে এবং আলীপুর বিজিবি চেকপোস্টে আবারো চেক করা হচ্ছে।  ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগণার প্রফুল্ল নগর এলাকার বাসিন্দা পিন্টু বিশ্বাস(পাসপোর্ট নং আর০৬৯১০৪৩) বলেন, ‘আমি ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে দ্বিতীয় বার আসলাম। আত্মীয়দের দেওয়ার জন্য আমি সাথে করে একটি কম্বল, কিছু ইমিটেশন পণ্য নিয়ে এসেছিলাম। যেগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭ হাজার টাকা। ইমিগ্রেশন, কাস্টমস কম্পিলিট করার পর রাস্তায় আসামাত্র বিজিবি ডেকে নিয়ে আমার সকল পণ্য রেখে দিয়েছে। আমি অনেক রিকোয়েস্ট করলাম তবুও আমার কিছুই ফেরত দেওয়া হয়নি। তারা বলেছেন, ‘এগুলো ট্যাক্স হয়। আপনি ট্যাক্স দেননি। আমাদের মালামাল যদি এভাবে রেখে দেয় তাহলে আমরা আসবো কি করে? আমাদের যেন এরূপ হয়রানী করা না হয় সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমরা দাবী জানাচ্ছি।’  ভারতের কৃষ্ণনগর গোয়ালদাহ এলাকার সুজিত বিশ্বাস (পাসপোর্ট নং ভি১২৩৩২৪৮) বলেন, ‘আমি এই প্রথম বাংলাদেশে এসেছি। সাথে করে আমি ৫টি শাড়ী নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু বিজিবি আমার সেই শাড়ী ৫ টা নিয়ে নিয়েছে। আমি অনেক রিকোয়েস্ট করেছি। বলেছি স্যার আমিতো ব্যবসা করিনা। এগুলো আত্মীয়-স্বজনদের জন্য এনেছি। তবুও তারা মানেনি। কাস্টমস সহ সকল জায়গা কম্পিলিট করার পরও যদি বিজিবি আমাদের জিনিস এভাবে নিয়ে নেয় তবে এখানে কাসটমস থাকার দরকার কি? আমরা যে পরিমাণ হয়রানির শিকার হচ্ছি তাতে ভোমরা বর্ডার দিয়ে আর আমরা আসবোনা এবং কেউ যাতে না আসে সেজন্য নিষেধ করবো।’  খুলনা এলাকার পাসপোর্টযাত্রী ইয়াছিন বলেন, কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দারা ব্যাগ তল্লাশি করে ছেড়ে দিয়েছে। তারপর গেট পার হলে রাস্তার উপর থেকে বিজিবি ডেকে নিয়ে ওই একই ব্যাগ খুলে তল্লাশি করেছে। তারপর শুনছি সামনে আরো কয়েক জায়গায় বিজিবি তল্লাসী করবে। এটা কি কোনো সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে?  ভোমরা স্থলবন্দরের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পাসপোর্টযাত্রীর কাছ থেকে বিজিবি যেসব পণ্য রেখে দিচ্ছে তার কোনো কাগজপত্র দিচ্ছে না। এই পণ্যগুলো কোথায় কীভাবে যাচ্ছে বা কাস্টমসে সঠিকভাবে জমা হচ্ছে কি-না তার কোনো সঠিক প্রমাণাদি থাকছে না। ওইসব পণ্যের মালিক থাকার পরও মালিকবিহীন দেখিয়ে তারা সিজ করছে। এর আগে বিজিবি পাসপোর্টযাত্রীদের কাছ থেকে যেসব পণ্য আটক করতো তাদের নাম ও পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে কাস্টমসে জমা দিত এবং যাত্রীদের এক কপি কাগজও দিয়ে দিত। ওই কাগজ নিয়ে যাত্রী কাস্টমস থেকে সরকারি শুল্ক পরিশোধ করে পণ্য চালান ছাড় দিতে পারতেন। কিন্তু সিজার লিস্ট না দেওয়ার ফলে যাত্রীরা ওই পণ্য সরকারি শুল্ক দিয়ে ছাড়িয়ে নিতেও পারছেন না। আটক সব পণ্য কাস্টমস গোডাউনে জমা করা হয় কি না তা নিয়েওতো প্রশ্ন আছে। ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার হিসেবে ওহিদুল ইসলাম আসার পর থেকে সরকারি ভ্রমণ কর দিয়ে বৈধপথে ভারত থেকে ব্যবহারের কিছু জিনিসপত্র আনার পরও বিজিবির হাতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন পাসপোর্ট যাত্রীরা। কাস্টমসের একটি সূত্র জানায়, বন্ডেড এলাকার মধ্যে বৈধ পাসপোর্টযাত্রীদের কোনো পণ্য দেখার নিয়ম না থাকলেও তারা এটা দেখছে আমাদের করার কিছু নেই। এনিয়ে বার বার বৈঠক হওয়া স্বত্তেও বিজিবি তা মানছে না।  ভোমরা ইমিগ্রেশনের ওসি মাজরিয়া হোসাইন বলেন, ‘গত ডিসেম্বরের চেয়ে জানুয়ারী মাসে পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত কমে গেছে। তবে কি কারণে কমে গেছে সেটি বলতে পারবোনা।’  ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের কাস্টমস আইনে ইন্ডিয়ান নাগরিকের জন্য ১০ টাকারও লাগেজ সুবিধা নেই। এছাড়া ইন্ডিয়ান নাগরিকের কাছ থেকে যে পণ্য আমরা সিজ করি তার কোন সিজার লিস্ট আমরা দেইনা। আমরা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করি। বিজিবি আইন, পুলিশ আইন, মাদক দ্রব্য আইন শেখার পর এই ভোমরায় এসে আমাকে কাস্টমস আইন শেখা লেগেছে। এজন্য আমি সকল বিষয় জানি।’  বৈধ পথে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানী করা অমানবিক উল্লেখ করে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান বলেন, ‘যাদের সন্দেহ হয় তাদের বিজিবি চেক করুক। ১০০ জনের মধ্যেতো আর ১০০ জনইতো আর খারাপ না। ইচ্ছামতো সকলকে চেক করা বন্ধ হওয়া উচিৎ। আমরা বিভিন্ন মিটিং এই বিষয়ে কথা বলেছি কিন্তু কোন সুরাহা হয়নি।’  এ ব্যাপারে জানার জন্য সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটলিয়ান অধিনায়কের মোবাইল নম্বরে একাধিক বার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

    ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বিদায় নিলেন স্কুলশিক্ষক

    মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: বিদায় সব সময় বেদনার হলেও কখনো কখনো তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। এমনই এক বিদায়ী সংবর্ধনা পেয়েছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান।  এই শিক্ষকের অবসরগ্রহণ উপলক্ষে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বর্ণিল এই আয়োজন করে। বিভিন্ন ফুলের মালা দিয়ে সাজানো ঘোড়ার গাড়িতে করে ওই শিক্ষককে বিদায় জানান সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) শিক্ষা অফিসার বীরেন্দ্রনাথ রায়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আ ব মোকতাদের বিল্লাহ্,  উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রনবীর কুমার রায়, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার যোগেন্দ্রনাথ সেন, বারাজান এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার সরকারসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমানের চাকরি জীবনের শেষ দিন ছিল। ওই দিন এভাবেই তাকে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। বিদায়ী ওই শিক্ষক ওই উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের গোপালরায়  গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষক মজিবর রহমান তার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি বিদায় নিচ্ছি, কিন্তু আমার দোয়া রেখে গেলাম। তোমরা লেখাপড়া করে যখন অনেক বড় হবে, তখন আমাদের কথা মনে পড়বে। তোমরা নিজেদেরকে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিয়া সুলতানা বলেন, মজিবর রহমান স্যার শুধু শিক্ষক ছিলেন না, তিনি পিতার মতো আমাদের স্নেহ করতেন। তার বিদায় আমাকে খুব মর্মাহত করছে। তিনি না থাকলেও তার দেওয়া শিক্ষা আমাদের মানবিক জীবন গড়তে সহায়ক হবে। তেঁতুলিয়া নীলকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আঁখিরুজ্জামান বলেন, বিদায়ী শিক্ষক মজিবর রহমান শুধু একজন প্রধান শিক্ষক নন, তিনি আমার ভাইয়ের মতো ছিলেন। যেকোনো বিষয়ে পরামর্শ নিতাম। বিদায় বড় কষ্টের, তবুও মানতে হবে। আমাকেও এভাবে একদিন বিদায় নিতে হবে। একজন শিক্ষকের বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে তাকে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্মরণে রাখতেই এমন ব্যতিক্রমী ও বর্ণাঢ্য আয়োজন। কালীগঞ্জ উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) শিক্ষা অফিসার বীরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, একজন শিক্ষক যখন তার চাকরিজীবন শেষে বাড়ি ফিরে যান তখন তিনি অনেক কষ্ট পান। সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের রেখে চলে যাওয়া খুব কষ্টের। বিদায়ের কষ্ট কিছুটা কমানোর জন্যই কর্তৃপক্ষ ব্যতিক্রমী এমন আয়োজন করেছে। কালীগঞ্জে এই পথম এমন উৎসবের বিদায়। শুধু মজিবর রহমান নয়, প্রতিটি শিক্ষকের বিদায় এমন হওয়া উচিত।

    চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দেওয়ার আহ্বান আমুর

    মো.নজরুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ঝালকাঠি): চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, শেখ হাসিনা মানুষের দোড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি হাসপাতালেই এখন বিশেষজ্ঞ কিচিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই চিকিৎসকদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের সেবা দিতে হবে।  বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। চিকিৎসা সেবার মান্নোয়নে সরকার নানা ধরণের পরিকল্পনা করে যাচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা আমির হোসেন আমু বলেন, সদর হাসপাতালের নতুন ভবন বরাদ্ধ দেয়ায় দ্রুতো এর উন্নয়ন কাজ চলছে। সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যা রূপান্ত করা হয়েছে। সুতরাং মানুষ যেন চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান।  অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জাপুরে ফুটপাত দখল মুক্ত করতে অভিযান

    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।  বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। জানা গেছে, পৌরসদরের ফুটপাতে দোকান বসিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনে ৭জনকে ১৪ হাজার ৭শ' টাকা জরিমানা করা হয়। অবৈধ অটো রিকসার ১২জন মালিককে ৫হাজার ৬শ' টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে সময় দেয়া হয়। এব্যাপারে সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ফুটপাত দখল মুক্ত ও যানজট নিরসন করতে অভিযান চালিয়ে তাদের জরিমানা করা হয়। পর্যায়ক্রমে সম্পন্নভাবে ফুটপাত দখল মুক্ত করা হবে। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।  

    সিরাজগঞ্জে ৬২০ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি ও সন্মাননা প্রদান

    উজ্জ্বল অধিকারী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে জেলার ১১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অষ্টম ও দশম শ্রেণীর ৬২০ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করেছে মানবকল্যানমুখী প্রতিষ্ঠান খাজা মোজাম্মেল হক (রঃদ) ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সোহাগপুর নতুন পাড়া আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৬২০ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়। উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে জেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি ও সমাজের বিভিন্নস্তরের পেশাজীবি মানুষের উপস্থিতিতে ফাউন্ডেশনের মাননীয় চেয়ারম্যান ও প্রধান অতিথি খাজা টিপু সুলতান মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করেন।  প্রধান অতিথি তাঁর মুল্যবান বক্তব্যে বলেন, খাজা মোজাম্মেল হক্‌ (রঃ) ফাউন্ডেশন বিগত ২০০১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সুন্দর ভাবে আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে কিন্তু আমি খুবই দুঃখিত বিগত তিনটি বছর আমরা বৃত্তি প্রদান করতে পারিনি করোনার প্রাদুর্ভাবের কারনে। বক্তৃতা আমি পছন্দ করি না বরং কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমাদের ফলাফল গুলো খুবই নিষ্ঠার সাথে বাছাই কর হয় এতে কোনই সন্দেহ নেই। তাই পুরো সিরাজগঞ্জ জেলার মেধা এখানে উপস্থিত আছে। তিনি আরো বলেন সুধু ভাল ফলাফল করলেই হবে না একজন ভালো মানুষ হতে হবে।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন। জেলা শিক্ষা অফিসার, বেলকুচি থানার অফিসার ইন-চার্জ, মেয়র, বেলকুচি উপজেলাসহ জেলা এবং উপজেলার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।  ফাউন্ডেশনের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী আরমান খানের উপস্থাপনায় মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতামুলক অনুষ্ঠান “মেধায় মাতি” পর্বটি উপস্থিত সকলেই অনুষ্ঠানে আনন্দে মাতিয়ে রাখে। সংগীত শিল্পী এস, ডি রুবেল ও চলচিত্র অভিনেতা ফেরদৌস এ পর্বে উপস্থিত হয়ে সংক্ষিপ্ত শৈল্পীকতা উপস্থাপনার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকে খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন বৃত্তিপ্রদান কার্যক্রমের পাশাপাশি আরো ২টি মানবকল্যানমুলক কার্যক্রম করে আসছে সারাদেশজুড়ে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের সমন্বয়ে ঢাকার শ্যামলীবাগ, শ্যামলীতে ও শ্রীমঙ্গলের জান্নাতুল ফেরদৌস কমপ্লেক্সে বিনামুল্যে চিকিৎসাপত্র প্রদান কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং শুধুমাত্র খাজা শাহ ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর নেছবতভুক্ত অসচ্ছল কর্মক্ষম ভক্তবৃন্দের মাঝে ‘ছাদকা-ই-জারিয়া’ হিসেবে এককালীন মুলধন প্রদান করে আসছে।

    মাদারীপুর ২৫০ শয্যার হাসপাতালের আংশিক উদ্বোধন

    মেহেদী হাসান সোহাগ, স্টাফ করেসপন্ডেট (মাদারীপুর): মাদারীপুরের দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন ২৫০শয্যা জেলা হাসপাতাল উদ্বোধনের মাধ্যমে বাস্তবে রুপ নিয়েছে।  বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে মাদারীপুর জেলা হাসপাতালের নতুন ভবনের হল রুমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মাদারীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন ভবন উদ্বোধন করেন।  এসময় প্রধান অতিথি শাজাহান খান বলেন, আমাদের আগেই ১০০শয্যার হাসপাতাল ছিল। এখন আমরা মোট ২৫০শয্যার হাসপাতাল উদ্বোধন করলাম কিন্তু লোকবলের কারনে আমারা ৫০শয্যার কার্যক্রম করতে পারবো মোট ১৫০শয্যার কার্যক্রম এইখানে পরিচালিত হবে। আগামীতে লোকবল নিয়োগের মাধ্যমে পরিপূর্ণ ভাবে ২৫০শয্যার কার্যক্রম চালু করা যাবে এতে মাদারীপুর আধুনিক সেবা পাবে। মাদারীপুর সিভিল সার্জন মুনীর আহমেদ খানের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, মাদারীপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ওবাইদুর রহমান খান, মাদারীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম চৌধুরী, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খান, মাদারীপুর সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাজাহান হাওলাদার প্রমুখ।

    মারা গেছেন অসুস্থ রাসেল, চিকিৎসাধীন বোন টুম্পা!

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিল সিংহ সহোদর রাসেল ও টুম্পা। পাঁচ সদস্যের চিকিৎসক দল অসুস্থ ভাই-বোনের চিকিৎসা করছিল। তবুও বাঁচানো গেলোনা ১৬ বছর বয়সী ভাই রাসেলকে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় রাসেল মারা গেলে থানায় জিডি দায়েরের পর রাতে ময়নাতদন্ত করে পুঁতে ফেলা হয় পার্কে। ১৫ বছর বয়সী টুম্পা এখনো গুরুতর অসুস্থ। বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাফারী পার্কের তত্বাবধায়ক মাজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্যাস্ট্রলোজিক্যাল সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় সিংহ রাসেল ও টুম্পা। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ড. বিবেক চন্দ্র সূত্র ধরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের মেডিকেল দল তাদের নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়ে আসছিল। তবুও রাসেলকে বাঁচানো যায়নি। টুম্পাও শংকামুক্ত নয়। সিংহ রাসেল ২০০৭ সালের ১৫ অক্টোবর এবং সিংহী টুম্পা ২০০৮ সালের ২০ নভেম্বর সাফারি পার্কে জন্মগ্রহণ করে। রাসেলের মৃত্যুর পর পার্কে বর্তমানে ১ টি সিংহ ও ৩ টি সিংহী রয়েছে।

    ফরিদপুরে পদ্মা নদী থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার 

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে মো. জসীমউদ্দিন (৫৫) নামে এক বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।  বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার আকোটেরচর ইউনিয়নের বুড়ির চর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই ব্যক্তি চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেমের ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর সিএন্ডবি ঘাট নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, আকোটেরচরের বুড়ির চরে মরদেহটি পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখে বুধবার রাত ১১টার দিকে এক ট্রলার চালক সদরপুর থানায় খবর দেন। পরে সদরপুর থানা পুলিশ নৌ পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওসি মো. ইদ্রিস আলী আরও বলেন, মরদেহের শরীরে কোন পোশাক ছিল না। পরে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফরিদপুরের মাধ্যমে হাতের ছাপ নিয়ে মৃতের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে।  তিনি বলেন, মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    হবিগঞ্জে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে প্রাণ হারালেন মাহমুদ

    মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: কুমিল্লা থেকে সন্তানদের জন্য কেনা নতুন কাপড় নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি মাহমুদ মিয়ার (৪০)। ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। জানা যায়, অভাব-অনটনের সংসারে জীবিকার তাগিদে বাড়িতে স্ত্রী ও শিশুসন্তান রেখে কুমিল্লায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন মাহমুদ। বাড়ি যাবেন বলে বাচ্চাদের জন্য নতুন কাপড় কেনেন তিনি। এরপর বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা থেকে পাহাড়িকা ট্রেনে চড়ে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হন। বেলা ২টার দিকে ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে থামলে মাহমুদ নামতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে যান। ট্রেন ছাড়লে তার পা কাটকা  পড়ে। তাকে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালও পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান। শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাদশা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অসাবধানতাবশত মাহমুদ মিয়া ট্রেনের নিচে পড়ে যান। সকালে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে জমি বিরোধের জেরে ‘ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি’ বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ ইউনুছ (৬০) টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ উত্তর-পশ্চিম পাড়ার মৃত মকবুল আহম্মদের ছেলে। বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মো. সাদিকুল হক। মামলার নথির বরাতে মেজর সাদিকুল সাংবাদিকদের বলেন, টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ উত্তর-পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউনুছের সঙ্গে তার ছোট ভাই মোহাম্মদ হোসেনের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এনিয়ে গত ২৮ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫ টায় মোহাম্মদ হোসেনকে বাড়ী থেকে ডেকে বের করেন বড় ভাই মোহাম্মদ ইউনুছসহ তার সঙ্গীয় লোকজন। পরে দুই ভাই জমি বিরোধ নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু করে। এক পর্যায়ে ইউনুছ ও তার সন্তানরাসহ সঙ্গীয় লোকজন ধারালো দা’সহ দেশিয় অস্ত্র-সশস্ত্র নিয়ে মোহাম্মদ হোসেনের উপর হামলা চালায়। এতে ধারালো অস্ত্রের এলোপাতাড়ী আঘাতে মোহাম্মদ হোসেন গুরুতর জখম পূর্বক ফেলে রেখে হামলাকারিরা পালিয়ে যায়। র‍্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, পরে স্বজনরা মোহাম্মদ হোসেনকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এসময় তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে সেখানে আনা হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় গত ৩০ জানুয়ারি নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে মোহাম্মদ ইউনুছকে প্রধান আসামি করে টেকনাফ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন বলে জানান সাদিকুল হক। তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মুহুরী পাড়ায় মামলার মোহাম্মদ ইউনুছসহ কয়েকজন আসামি অবস্থান করছে খবরে র‍্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ওই এলাকায় সন্দেহজনক একটি বসতঘর ঘিরে ফেললে ৩/৪ জন লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারে র‍্যাবের অভিযান চলছে বলে জানান মেজর মো. সাদিকুল হক।

    জন্মদিনে নিজের লেখা ১০১ কপি বই পাঠাগারে উপহার দিলেন সিদ্ধেশ্বর মজুমদার

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: জন্মদিনে নিজের লেখা ১০১ কপি বই পাঠাগারে উপহার দিলেন লেখক ডাক্তার সিদ্ধেশ্বর মজুমদার। বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশী গ্রামে নির্মিত জ্ঞানের আলো পাঠাগারে নিজের লেখা ২২টি বইয়ের ১০১ কপি বই উপহার দেন ডাক্তার সিদ্ধেশ্বর মজুমদার।  এসময় প্রফেসর গৌরাঙ্গ লাল চৌধুরী, কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, সাংবাদিক লেখক রবীন্দ্রনাথ অধিকারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম দাড়িয়া, কবি মিন্টু রায়, কবি নিউটন বিশ্বাস, কবি সবিতা রায় প্রেরণা, কবি সুভাষ বালা, জ্ঞানের আলো পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।  লেখক ডাক্তার সিদ্ধেশ্বর মজুমদার কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি ইউনিয়নের বরুয়া গ্রামের দেবন্দ্রনাথ মজুমদারের ছেলে ও মানিকগঞ্জের সাবেক সিভিল সার্জন।   শ্মশানে শাশ্বত হাসি, হঠাৎ অশরীরী তুমি, যুগল বন্ধি, ঐ সে আসে, অবিনাশী গান, ঝরাফুল তার উল্লেখ যোগ্য কাব্যগ্রস্থ। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সিটি ও প্রেরনাদায়িনী বঙ্গজননী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নামে তিনি দুটি প্রামান্য গ্রস্থ রচনা করেছেন।   বিষাক্ত চুম্বন, তুমি নেভালে আগুন নামে তার দুটো উপন্যাস রয়েছে বলে জানিয়েছেন লেখক সিদ্ধেশ্বর মজুমদার।  তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমি ছড়া, কবিতা, উপন্যাসহ ২২টি বই লিখেছি। এই ২২টি বই থেকে ১০১ কপি বই আমি আমার ৬৯তম জন্মদিনে জ্ঞানের আলো পাঠাগারকে উপহার দিলাম।  কবি মিন্টু রায় বলেন, একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্যে দিয়ে লেখক ডাক্তার সিদ্ধেশ্বর মজুমদার তার জন্মদিন পালন করলেন। তার লেখা বইগুলো বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখবে। 

    ফরিদপুরে চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনি খেয়ে নিহত হয়েছেন আবুল কালাম (৩৮) নামে এক যুবক। বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের মোড়ালিদাহ নামক এলাকায় এ গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই যুবককে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।  নিহত যুবক মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার দক্ষিণ কোঁড়কচর এলাকার ইসমাইল চোকদারের ছেলে বলে জানা যায়।  গণপিটুনিতে নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, একটি বাড়িতে চুরি করতে গেলে ওই ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।  এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা। 

    কোটালীপাড়ায় মেয়র প্রার্থী কামাল হোসেনের গণসংযোগ

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র হাজী মোঃ কামাল হোসেন শেখ লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেছেন।   বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) মেয়র প্রার্থী হাজী মোঃ কামাল হোসেন শেখ পৌরসভার পশ্চিমপাড়, কয়খা, ফেরধরা, ঘাঘর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন।  এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান বুলবুল, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম তালুকদার, আওয়ামী লীগ নেতা কবিরুল ইসলাম রুনি, মিজানুর রহমান খান, কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা কাইয়ুম শেখ , তাইজুল ইসলাম, বুলবুল আহম্মেদ হাজরা, শেখ মনিরুজ্জামান, শ্রমিক লীগ নেতা বশির বিন সামসুদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা শামীম দাড়িয়াসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা তার সাথে ছিলেন।   মেয়র হাজী মোঃ কামাল হোসেন শেখ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত আছি। বর্তমানে আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পৌরসভায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। করোনার কারণে পৌরসভার কিছু জনকল্যাণমূলক কাজ সমাপ্ত করতে পারিনি। আমি আবার মনোনয়ন পেলে মেয়র হয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করে স্মার্ট পৌরসভা গঠন করবো।   উল্লেখ্যঃ আগামী ২০মার্চ এ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    ফরিদপুরে যুবককে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড  

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে ধ্রব মন্ডল (২২) নামে এক যুবককে অপহরণের পর হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এরায় দেন।  ২০০৭ সালের ২৮ জানুয়ারি এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এর ১৬ বছর পর বুধবার এরায় প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের মেঘারকান্দি গ্রামের সিরাজ মোল্লা (৫১), ইমারত মোল্লা (৪৬) ও কালাম মোল্লা (৪৮) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের পুলিশ প্রহরায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এ মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন, সুবল টিকাদার (৬১) ও রঙ্গেশ্বর মন্ডল (৪৬) পলাতক রয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। মামলার এজাহার ও আদালতের নথি ঘেটে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৭ জানুয়ারি পাশের গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চালচা গ্রামের বাসিন্দা কানাইলাল মন্ডলের ছেলে ধ্রুব মন্ডলকে অপহরণ করে নিয়ে আসে পাশের ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মেঘারকান্দি গ্রামের উল্লেখিত ব্যাক্তিরা। পরে তারা ধ্রুবর বাবার কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পরদির ২৮ জানুয়ারি ধ্রুবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মেঘারকান্দি গ্রামে একটি গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় ২০০৭ সালের ২৮ জানুয়ারি নিহত ধ্রুবর বাবা কানাই লাল মন্ডল বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নগরকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কেরামত আলী ২০০৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মোট ৯জন আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে বাকি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতিত ভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর মুক্তি দেওয়া হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী (পিপি) গোলাম হোসেন মৃধা জানান, আদালত এ মামলা অপহরণ ও হত্যা দুটি পৃথক অভিযোগে আসামিদের সাজা দেন। অপহরণ মামলায় আসামিদের সাত বছর করে সশ্রম করাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন। অপর দিকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছর করে বিনাশ্রম করাদন্ড দেন। তবে দুটি অভিযোগের সাজা এক সাথে ভোগ করায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ভোগ করলেই চলবে।

    ত্রিশালে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২   

    মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বৈলর বড়পুকুর পাড় নামক স্থানে আজ বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকালে দাঁড়ানো বালিভর্তি একটি ট্রাকের সাথে অপর একটি ট্রাকের সংঘর্ষে উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের চরকুমারিয়া গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে পথচারী মিলন মিয়া (২৪)ও ট্রাকের হেলপার (৪২) অজ্ঞাতনামা ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।  নিহত মিলন মিয়ার স্বজনরা জানান, সে একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।   ত্রিশাল থানা পুলিশ নিহত দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। নিহত ট্রাকের হেলপারের এখনো কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।  

    নওগাঁয় ভারতীয় সীমান্তে বিজিবির উপর মাদক কারবারিদের হামলা

    নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্তে মাদক কারবারিদের তল্লাশীর সময় বিজিবি সদস্যদের উপর হামলা চালিয়েছে সঙ্ঘবদ্ধ মাদক কারবারিরা। এ সময় অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে বিজিবি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু মাদক ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা।  বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার উমার ইউনিয়নে চকচন্ডি সীমান্তের সুন্দরা ও চকমহেশ নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পত্নীতলায়-১৪ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল হামিদ উদ্দিন পিএসসি। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চকচন্ডি বিওপি ক্যাম্পের নায়েক মিজানের নেতৃত্বে একটি দল চকচন্ডি ক্যাম্পের এলাকায় বিকেলে সুন্দরা ও চকমহেশ টহল দিচ্ছিলেন। ভারতীয় সীমান্তে ঘেঁষা ধামইরহাট উপজেলার চকমহেশ গ্রামের উত্তরে মাঠে নজরুল ইসলামের সরিষা ক্ষেতের পাশ দিয়ে রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল যোগে তিনজন আরোহী যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেল আরোহীদের গতি বিধি সন্দেহ হলে তাদের পথ রোধ করে দেহ তল্লাশী শুরু করে বিজিবি সদস্যরা।  এসময় ওই তিনজন বিজিবি সদস্যদের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে ওই তিনজন তাদের সহযোগিদের মোবাইল ফোন করলে ৫-৬টি মোটরসাইকেল নিয়ে আরও ১০-১২ জন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বিজিবি সদস্যদের মারতে শুরু করেন। এসময় মাদক কারবারিদের সাথে বিজিবি সদস্য লেন্স নায়েক হাফিজ ও সিপাহী মজিবরের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। সংবাদ পেয়ে চকচন্ডি ক্যাম্প হতে আরও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারী মাদক কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীদের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল, ৪০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও তিন বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। পত্নীতলায়-১৪ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল হামিদ উদ্দিন পিএসসি বলেন, এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। হামলাকারি মাদক কারবারিদের আটকের অভিযান চলছে। হামলা ও অস্ত্র কেড়ে নেয়ার চেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    কালিহাতীতে বাড়ি-ঘর ভাংচুর,বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত 

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কামান্না উত্তরপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে শওকত আলী (৭০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত ও বাড়ি-ঘর ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে তার সৎভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, শওকত আলী বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন। এসময় তিনি জানান,সোমবার(৩০ জানুয়ারী) সকালে তার জমিতে ঘর তুলতে যায়। তখন তার সৎভাই তোফাজ্জল, ভাতিজা তুহিন ও ভাইবউয়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। রাতে তারা এসে তার ঘর ভাংচুর করে। সে বাধা দিলে তারা তাকে কিল ঘুষি, লাথি মেরে আহত করে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এব্যাপারে মামলা প্রস্তুতি চলছে। কালিহাতী থানার এসআই কায়সার জানান,তারা সৎভাই,তাদের জমি ভাগাভাগি না করে ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে এঘটনা ঘটেছে। তারা আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন।

    ফরিদপুরে বিশ্বমানের আস্থা আইরিশ মৈত্রী হাসপাতালের যাত্রা শুরু

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে বিশ্বমানের সেবা দেবার প্রত্যয়ে শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে আস্থা আইরিশ মৈত্রী হাসপাতাল পিএলসি এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে হাসপাতালের সামনে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার ও ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা: ছিদ্দিকুর রহমানসহ বিশিষ্ট জনেরা।   এরপর আস্থা আইরিশ‌ মৈত্রী হাসপাতালের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ কুমার সাহা তনুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার। এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক, সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফ, পৌর মেয়র অমিতাভ বোস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) শেখ আব্দুল্লাহ বিন কালাম, শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. শাহজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শ্যামল কুমার ব্যানার্জি, বিএম এর সভাপতি ডা: আসম জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটু, আয়ারল্যান্ডের নাগরিক সুজন মেকে, লিসা ওয়ালেজ , কিনিয়ান রাইনি, হাসপাতাল পরিচালকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সঞ্জিব দাস, ডাক্তার বিপুল চাকি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিজানুর রহমান কোটন ও শিপ্রা গোস্বামী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মহান ভাষার মাস উপলক্ষে ‌ এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম শুরু হয়। সভার আলোচনা পর্বে বক্তারা আস্থা আইরিশ মৈত্রী হাসপাতালের সার্বিক উন্নতি ও সাফল্য কামনা করেন। হাসপাতালে নিয়োজিত কর্তৃপক্ষকে বিনা মূল্যে অসহায় দুঃস্থ, মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যরা। চিকিৎসার নামে বাণিজ্য কমিশন যেন না হয় সেদিকে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। এই হাসপাতালে সাধারণ মানুষের সেবার অন্যতম ভরসা হয়ে উঠতে পারে সে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে। উল্লেখ্য, হাসপাতালের উদ্বোধনের জন্য সুদূর আয়ারল্যান্ড থেকে ২৭ জন ডাক্তারসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত বিদেশিরা অংশ নেন। 

    ফেসবুকে হা হা রিয়েক্ট দেয়ায়  রাজশাহী কলেজে সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত

    অসীম কুমার সরকার, রাজশাহী প্রতিনিধি: ফেসবুকে হা হা রিয়েক্ট দেয়ায় রাজশাহী কলেজ ক্যাম্পাসে এক ছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করেছে তারই সহপাঠী।  আহত ওই ছাত্র রামেক হাসপালাতের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  আহত ছাত্রের নাম তিহাস (২১)। তিনি রাজশাহী কলেজের মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে রাজশাহী কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।  পরে তার অন্য সহপাঠীরা আহত ছাত্রকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে।    ছুরিকাঘাতকারীর নাম কিবরিয়া। সেও মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। হামলার সময় কিবরিয়ার সঙ্গে বহিরাগত আরেকজন ছিলো বলে জানান ভুক্তভোগী ।  আহত শিক্ষার্থীর সহপাঠী তারেক হোসেন সজিব জানান, তিহাস ক্লাস শেষ করে মাঠে অবস্থান করেছিলেন৷ এসময় আকষ্মিকভাবে কিছু যুবক তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এভাবে ক্যাম্পাস চলাকালীন শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করায় আহতের সহপাঠীরাও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।  এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, দুই বন্ধুর মধ্যে ছোট্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত ছাত্রের চিকিৎসা চলছে। এ বিষয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। এ নিয়ে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল খালেক বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

    আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামছুল হকের জন্মবার্ষিকী পালিত

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামছুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার শামছুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- টাঙ্গাইল পৌর শহরের ডিস্ট্রিক গেটে শামছুল হক তোরণের প্রতিকৃতিতে পুষ্পঘ্অর্পণ, এলেঙ্গা সরকারি শামসুল হক কলেজে কেক কাটা ও আলোচনা সভা, মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় কালিহাতীর কদিমহামজানীতে কবর জিয়ারত, দোয়া ও তবারক বিতরন ইত্যাদি।  এ সময় বিদেশ থেকে আগত শামছুল হকের দুই মেয়ে ড. শাহীন ফাতেমা দিল, ড. শায়েকা দিল, বিশিষ্ট কবি আল মুজাহিদী, শামছুল হক ফাউন্ডেনের সভাপতি ড. সাইফুল ইসলাম স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কালাম মোস্তফা লাবুসহ আত্মীয়-স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। শামসুল হক ১৯১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় দেওলী ইউনিয়নের মাইঠান। তার পিতার নাম দবির উদ্দিন মিঞা ও মাতার নাম শরিফুননেছা। শামসুল হকের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ভারতবর্ষে এবং তিনি পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। পাকিস্থান গণপরিষদের সংসদীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। বাংলা ভাষা আন্দোলনে অগ্রভাগে থেকে সংগ্রাম করেছেন। শামসুল হক আওয়ামী লীগের প্রথম এবং তৃতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাকিস্থান সরকার বিরোধী রাজনীতিতে তিনি ছিলেন প্রথম সারির নেতা। তার জনপ্রিয়তা ছিল ঈর্ষান্বিত হওয়ার মতো। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১৯৬৪ সালে শামসুল হক হঠাৎ করেই নিখোঁজ হন এবং ১৯৬৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শনিবার তার অনুসারী কালিহাতী উপজেলার কদিমহামজানি গ্রামের মহির উদ্দিন আনসারীর বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন। শামসুল হক গবেষণা পরিষদ অনেক খোঁজাখুজি করে মৃত্যুর ৪২ বছর পর ২০০৭ সালে কালিহাতী উপজেলার কদিম হামজানিতে শামসুল হকের কবর আবিষ্কার করে।

    ফরিদপুরে যুবকের দুই পায়ে গুলির ঘটনায় বিদেশী পিস্তলসহ গ্রেফতার ৫

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে ইজি বাইক থেকে নামিয়ে একটি মেহগনির বাগানে নিয়ে হাবিব ফকির (৩২) নামের এক যুবককে দুই পায়ে গুলি করে আহত করার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বিদেশী পিস্তল,গুলি, ম্যাগজিন, চাকু ও মদসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারী) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় পুলিশ।  এ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) শেখ মো. আব্দুল্লাহ বিন কালাম। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলার সালথা উপজেলার রসুলপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া ওই পাঁচ ব্যাক্তি হলেন, সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুরের মো. সোহেল ফকির (২৮), ফরিদপুর শহরের কমলাপুর লালের মোড় এলাকার শেখ খসরু (৩৬) ও মো. রিপন ওরফে লিমন (২৫) এবং শহরের গুহলক্ষ্মীপুর এলাকার শাহীন মোল্লা (৩৭) ও মো. তুষার (৫৩)।  এ সময় তাদের কাছ থেকে যে পিস্তল দিয়ে হাবিব ফকিরকে গুলি করা হয় সেই পিস্তল, একটি গুলি, তিনটি ধাঁরাল চাকু ও এক বোতল দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়। হাবিব ফকিরকে গুলি করার ঘটনায় তার ভাই আক্কাস ফকির বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অপরদিকে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাববুবুর রহমান বাদী হয়ে সালথা থানায় ওই পাঁচ ব্যাক্তিকে আসামি করে অস্ত্র আইনে একটি ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি সহ আরও দুটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান ওরফে তিতাস ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন ফকিরের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিনিয়ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। আহত হাবিব ফকির কৃষ্ণপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল ফকিরের সমর্থক। একটি মামলায় হাজিরা দিতে তিনি মঙ্গলবার সকালে আদালতে এসেছিলেন। হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে একটি ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ইজিবাইকটি দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে পৌঁছালে কৃষ্ণপুর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান তিতাসের সমর্থক কয়েকজন অস্ত্রধারী ইজি বাইকের গতি রোধ করে হাবিববে নামিয়ে সড়কের পাশের একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে নিয়ে হাবিবের দুই পায়ে গুলি করে। এছাড়া ডান ও বাম পায়ে কুপিয়ে জখম করে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটিয়ে আহত করে। হাবিব ফকির বর্তমানে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। হাবিব ফকির সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্বকান্দি গ্রামের  গোলাপ ফকিরের ছেলে। তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল, ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুল গফফার, পরিদর্শক (অপরাধ) হাবিল হোসেন, পরিদর্শক  (পুলিশ কন্ট্রোল) সেলিম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। হাবিব ফকিরের ওপর হামলার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান বলেন, বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে এ মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার হওয়া ওই পাঁচ ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। আদালত রিমান্ডের শুনানির তারিখ পরে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত দিয়ে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

    ভোলায় নদীর তীর থেকে বিচ্ছিন্ন একটি হাত উদ্ধার

    এস আই মুকুল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (ভোলা): ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানা এলাকায় তেতুলিয়া নদীর তীর থেকে মানুষের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন একটি হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ।   বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ডিএনএ পরীক্ষার জন্য উদ্ধারকৃত হাতটি ভোলা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুলারহাট থানার ওসি আনোয়ারুল হক জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে মানুষের একটি কাটা হাত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কাটা হাত নারী কিংবা পুরুষের তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। আজ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। উদ্ধারকৃত হাত নিয়ে জনমনে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    হবিগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় পথচারী নিহত, সড়ক অবরোধ

    মঈনুল হাসান রতনন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় হান্নান মিয়া (২৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।  বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কের জগতপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হান্নান মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের দক্ষিণচর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কে গাছ ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার সঙ্গে কথা বলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আরিফউজ্জামান আরিফ বলেন, খবর পেয়ে আমরা গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক ট্রাক্টরকে আটক করা হয়েছে। তবে এর চালক পালিয়ে গেছে। এখন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

    মির্জাপুরে সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

    মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর সরকারি কলেজে ২০২২-২৩ একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১ফেব্রুয়ারি) সকালে শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা মিলনায়তনে ওরিয়েন্টেশন হয়। এ সময় মির্জাপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাহমিনা জাহান, মির্জাপুর সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামিল হোসেন, সহকারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম, নসরুল হামিদ, প্রভাষক জাকির হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, ক্রীড়া শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন প্রমুখসহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  এর আগে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

    ফুলবাড়ীতে একাদশ শ্রেণির নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। 

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বালারহাট স্কুল এন্ড কলেজ ও নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্বোধনী ক্লাস উপলক্ষে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠান দুটিতে দিনব্যাপি এসকল কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল ১১ টায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বালারহাট আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে উদ্বোধনী ক্লাস নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মিজানুর রহমান মিঠু, বিশেষ অতিথি ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম বন্ধন। কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে এবং ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের প্রভাষক আইয়ুব আলীর সঞ্চালনায় এসময় অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুজ্জামান সরকার, সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, সাবেক ছাত্রনেতা মানিক মিয়া বাবু বক্তব্য রাখেন। অন্যদিকে নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজে সকাল সাড়ে ১১ উদ্বোধনী ক্লাস উপলক্ষে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসেন আলী। কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে ও রসায়ন বিষয়ের জেষ্ঠ প্রভাষক আতাউর রহমান তাজুলের সঞ্চালনায় এসময় অধ্যক্ষ আব্দুল হানিফ, সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।  বক্তব্য শেষে স্থানীয় ও কলেজের শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    চট্টগ্রামে ট্রাকের চাপায় নিহত এক যুবক

    চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. রনি (২২) নামে ট্রাক চালকের এক সহকারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিঠাছরা গাংচিল ফিলিং স্টেশন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সিভেন রিং সিমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার রেজাউল হক আল কাদেরী পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত রনির বাড়ি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার সকাল ৯টার দিকে সেভেন রিং কোম্পানির একটি ট্রাক থেকে সিমেন্ট আনলোড চলছিলো। এসময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ট্রাকের সহকারী রনিকে অপর একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো. আলমগীর জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি তারা জানেন না। তবে খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করছেন।  

    নওগাঁ আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিটু, সম্পাদক রাজ্জাক

    নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট খোদাদাদ খান পিটু ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।  মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ৯টায় নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে বেলা ১১টা থেকে জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে। মোট ৪০৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৩৯১ জন। নির্বাচনে মোট ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে ১১ জন এবং সাধারণ সম্পাদকসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে চারজন নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী পরিষদ থেকে নির্বাচিতরা হলেন-সহ সভাপতি ময়েন উদ্দিন প্রামাণিক ও মোফাজ্জল হক, সহ সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন) কাজী হাসানুজ্জামান হাসান, সহ-সাধারণ সম্পাদক (লাইব্রেরী) তানজিমুল হক লিঙ্কন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (আপ্যায়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ) আশরাফুদ্দৌলা নয়ন এবং সদস্য পদে রফিকুল ইসলাম মন্ডল, এ.এস.এম আলতাফ হোসেন, আবু সাঈদ সুমন, শাকিল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন প্রামাণিক। অপরদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ থেকে নির্বাচিতরা হলেন সদস্য পদে মনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম-২ ও গোলাম আজম।  

    শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা

    সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরে শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।  বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের আয়োজনে জেলা স্টেডিয়াম মাঠে এ প্রতিযোগীতার উদ্বোভন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুনিরা পারভীন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব সহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী অফিসার বৃন্দ।  শ্রেণী ভিত্তিক দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে শিক্ষার্থীরা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা ‘ক’ গ্রুপ এবং নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা ‘খ’ গ্রুপের হয়ে অংশ নিবে এই প্রতিযোগিতায়। ‘ক’ গ্রুপের ছাত্র-ছাত্রীরা ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়, হাই জাম্প ও লং জাম্পে অংশ নিবে। ‘খ’ গ্রুপের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ১০০, ২০০, ৪০০, ৮০০ ও ১৫০০ মিটার দৌড়, হাই জাম্প, লং জাম্প, ট্রিপল জাম্প, বর্শা নিক্ষেপ, শট পুট, ডিসকাস থ্রো এবং ৪ গুনিতক ১০০ মিটার রিলেতে।