এই মাত্র
  • বিপিএলের মাঝে ছুটি পেয়েই ওমরা করতে গেলেন সাকিব
  • গণভোট দেন, হারলে আর কোনো দিন নির্বাচন করব না : হিরো আলম
  • সুদ যেসব ক্ষতি ডেকে আনে
  • পাকিস্তানের রিজার্ভে ধস, আছে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয়
  • গাড়ি উপহার না পেলে সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন হিরো আলম
  • বিমানের চাকা ফেটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ
  • শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • সর্বত্র সমর্থন পাওয়া দারুণ ব্যাপার, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মেসি
  • জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.)
  • ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
  • আজ শনিবার, ২২ মাঘ, ১৪২৯ | ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

    লাইফস্টাইল

    জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.)

    ইসলাম ডেস্ক- বিশ্বনবী হযেরত মুহাম্মদ (সা.) জামাতে নামাজ পড়ার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস রয়েছে। মালিক ইবনে হুওয়াইরিস (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, নামাজের সময় হলে (একাধিক লোক একসঙ্গে থাকলে) তোমাদের দু’জনের একজন আজান ও ইকামত দেবে। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড়, সে ইমামতি করবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৮) ফজরের নামাজ জামাতে পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, আল্লাহর রাসুলকে (সা.) তিনি বলতে শুনেছেন যে জামাতে নামাজ পড়লে একাকী নামাজ পড়ার চেয়ে ২৫ গুণ বেশি সওয়াব হয়। আর ফজরের নামাজে রাতের ও দিনের ফেরেশতারা একত্রিত হন। (বুখারি, হাদিস: ৬৪৮) এশার নামাজ জামাতে পড়ার গুরুত্ব আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন, মসজিদ থেকে যে যত বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে নামাজে আসে, তার তত বেশি পুণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে নামাজ আদায় করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার পুণ্য সে ব্যক্তির চেয়ে বেশি, যে একাকী নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। (বুখারি, হাদিস: ৬৫১) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবী (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক বেশি নামাজ আর নেই। এ দুই নামাজের কী ফজিলত, তা যদি তারা জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (জামাতে) উপস্থিত হত।

    শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে

    শিশুর দাঁতের যত্ন নিতে হয় গর্ভকালীন প্রথম ছয় সপ্তাহ থেকে। এ সময়ে গর্ভের শিশুর দাঁত ও হাড় গঠনে গর্ভবতীর পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবারের অভাবে দাঁতের গঠন দুর্বল হয়ে যায়। পরে যত্ন নিলেও দাঁত সহজে নষ্ট হয়ে যায়। দাঁতের গঠন ও উজ্জ্বলতার জন্য গর্ভকালীন কোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। এমনকি এ সময়ে অনেক চিকিৎসা গ্রহণ বিপজ্জনক হতে পারে। গর্ভকালীন মাড়ির রোগ বা দাঁতের ব্যথা পুষে রাখলে গর্ভের শিশুর ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজ ডেন্টাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ।  অনেকে মনে করেন, শিশুর দুধদাঁতের স্থায়ীত্বকাল কম বলে যত্নের প্রয়োজন নেই। গবেষণা বলছে, শিশুদের দুধদাঁতগুলো পড়ে যাওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যত্ন নিতে হবে। কারণ- * যথাযথ পুষ্টি পেতে : সুস্থ দাঁত খাদ্যকে উপযুক্ত চর্বণের মাধ্যমে হজমোপযোগী করে, খাবারের ইচ্ছা ও রুচিকে স্বাভাবিক রাখে। * স্পষ্ট উচ্চারণ ও মুখমণ্ডলের আকৃতি : স্বাভাবিক কথা বলা, কবিতা আবৃত্তি বা গান গাওয়া, চোয়ালের গঠন ও মুখের আকৃতি ঠিক রাখতে দুধদাঁতের সুস্থতা জরুরি। স্থায়ী দাঁতকে ঠিক স্থানে আনার দিকনির্দেশনাও দেয় দুধদাঁত। * স্থায়ী দাঁতের ওপর বিরূপ প্রভাব : দুধদাঁতের শিকড়ের নিচে স্থায়ী দাঁতের গঠন শুরু হয়। দুধদাঁতের সংক্রমণ স্থায়ী দাঁতকে ক্ষতি করতে পারে। আবার স্থায়ী দাঁত এলোমেলো বা উঁচু-নিচু হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ দুধদাঁত আগে বা পরে পড়া। * মানসিক বিকাশ : শিশুর মানসিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, আত্মবিশ্বাস, প্রাণচঞ্চলতা, লেখাপড়ায় মনোনিবেশসহ মানসিক বিকাশে অস্থায়ী দুধদাঁত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। * সার্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা : দীর্ঘ মেয়াদি দাঁতের সংক্রমণ রক্ত বাহিকায় মিশে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে আক্রান্ত করতে পারে, যেমন-হার্ট, মস্তিষ্ক, হাড়। অন্যদিকে চোয়ালের হাঁড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। দাঁত ওঠার আগের সময় সঠিক পরিচর্যার অভাবে ও অপুষ্ট শিশুর জিহ্বা, মাড়ি বা চোয়ালের অংশে ছত্রাক সংক্রমণ প্রায়ই দেখা যায়। এতে সাদা দইয়ের মতো প্রলেপ পড়ে, শিশু খেতে বিরক্ত করে ও কান্না করে। এ সমস্যা থেকে উপশম পেতে চিকিৎসকের পরামর্শে মুখ পরিষ্কার, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, প্রয়োজনে ছত্রাকনাশক ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। দাঁত ওঠার আগে অনেক বাচ্চা ‘টিথিং’ নামে সাত-আট দিনের জটিলতায় ভোগে। লক্ষণ হিসাবে বিরক্তি, ঘুমের ব্যাঘাত, মাড়ির ফোলাভাব বা প্রদাহ, লালা ঝরানো, ক্ষুধা কমে যাওয়া, মুখের চারপাশে ফুসকুড়ি, হালকা তাপমাত্রা, ডায়রিয়া, কামড় বেড়ে যাওয়া বা মাড়ি ঘষা দেখা যায়। এ ধরনের সমস্যা হলে মাড়ি ম্যাসাজ, সতর্কতার সঙ্গে ঠান্ডা কোনো ফল বা শক্ত খাবার চিবানোসহ প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন অপরিষ্কার কিছু মুখে না দেয় বা কিছু খেয়ে না ফেলে। অতিরিক্ত আঙুল চোষা রোধেও সচেতন থাকতে হবে। সাধারণভাবে ছয় মাসের দিকে, নিচের সামনের দাঁত ওঠা শুরু করলেও ক্ষেত্র বিশেষে বাচ্চা দাঁত নিয়ে জন্মাতে পারে, তখন চিকিৎসকের পরামর্শে তা ফেলে দিতে হয়। শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই, এতে মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় অতিজরুরি উপাদান আছে। যেসব মায়েদের নিরুপায় হয়ে ফিডারে খাওয়াতে হয় তাদের শিশুর মুখের যত্নে অধিক সচেতন হতে হবে। ফিডারে রাতে দুধ খাওয়ানোর সময় দুটি বোতল ব্যবহার করা উচিত। একটিতে দুধ ও অন্যটিতে পানি। কিছুক্ষণ পর পর দুধ ও পানি পরিবর্তন করে খাওয়ালে শিশুদের মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এমনিতেই মুখের মধ্যে ব্যাকটেরিয়াসহ বিভিন্ন অণুজীব সুপ্ত অবস্থায় থাকে। অনুকূল পরিবেশ পেলে এরা সক্রিয় হয়ে নানা রোগের সৃষ্টি করে। শিশুদের দাঁত ওঠার আগে টুথপেস্টের পরিবর্তে পরিষ্কার সুতি কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে আঙুলে পেঁচিয়ে মাড়ি ও জিহ্বা নিয়মিত সকালে ও রাতে খাবার পর ভালোভাবে মুছে দিতে হবে। দাঁত ওঠার পর বাচ্চাদের স্বভাব মিষ্টি খাবারের প্রতি দুর্বলতা। এ জাতীয় খাবারে অভ্যস্থ করা, অভিভাবকের অবহেলা সব মিলিয়ে দুধদাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় রোগ খুব সাধারণ। র‌্যাম্পেন্ট বা নার্সিং বটল ক্যারিজ থেকে চিকিৎসার অভাবে সংক্রমণ দাঁতের গোড়াতে পৌঁছে দাঁতের গোড়া এমনকি মুখসহ ফুলে যাওয়ার ঘটনা দেখা যায়। বেবি টুথপেস্টের গুণগত মান নিশ্চিত না হয়ে বা খেয়ে ফেলার আশঙ্কা থাকলে পেস্ট না দিয়ে নরম বেবি টুথব্রাশ পানিতে ভিজিয়ে দাঁত পরিষ্কার করে দিতে হবে। বাচ্চারা অনুকরণ প্রিয়, তাই অভিভাবকরা তাদের সামনেই ব্রাশ করবে। এতে বাচ্চারাও দাঁতের যত্নের প্রতি আকৃষ্ট হবে। বাইরের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে তাজা ফলমূলের জুস, শাকসবজি, সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ক্ষতিকর ফাস্টফুড, চিপস্, কোমল পানীয়, কৃত্রিম জুস, ক্যান্ডি ইত্যাদি চিনি জাতীয় খাদ্য থেকে শিশুদের বিরত রাখতে হবে। যেসব শিশুর দীর্ঘ সময় আঙুল চোষা অভ্যাস আছে, সেটাও বন্ধ করতে হবে। দুধদাঁতের চিকিৎসা কাঁদলে, জিদ করলে বা না খেলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব; বলে ছোটকাল থেকে শিশুদের ডাক্তার ভীতি তৈরি করেন অনেক অভিভাবক। এটা শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দুধদাঁত আক্রান্ত হলে এটি পড়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রক্ষা করার সর্বাধুনিক নিরাপদ চিকিৎসা এখন দেশের অনুমোদিত ডেন্টাল চিকিৎসকরা নিয়মিত দিচ্ছেন। তবে রোগের শুরুতে চিকিৎসা নিলে পদ্ধতি হয় সহজ ও অল্প সময়ে। শিশুরা সহযোগিতা না করলেও আছে নানা কার্যকর চিকিৎসাব্যবস্থা। অযথা ভয়ে রোগকে পুষে রেখে বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ দিয়ে জটিলতা বাড়ানো যাবে না। এক্ষেত্রে বেশকিছু নীরবে বেড়ে ওঠা রোগের উপসর্গ মুখ গহ্বরে প্রকাশ পেতে পারে, যেমন-জন্মগত হৃদরোগ, অপুষ্টি, রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস টাইপ-১ ও শ্বাসকষ্ট।  

    শান্তির একমাত্র পথ ইসলাম

    ইসলাম ডেস্ক- বিজ্ঞানের চরম এই উৎকর্ষতার যুগে মানুষ আজ দিশেহারা। মানুষগুলো যেন মরীচিকার পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরছে। চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান আর অতৃপ্তির মাত্রা যেন বেড়েই চলছে। কোথাও শান্তির কোনো আভাস মিলছে না। শুধুই হতাশা উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় কালাতিপাত করছে মানুষগুলো। তারা ভেবেই পাচ্ছে না, কী হচ্ছে? কী হতে যাচ্ছে? কোথায় মানবতা? কোথায় সুখ? কোথায় শান্তি? এসব প্রশ্ন আজ বিশ^ সভ্যতার এই যুগের মানুষগুলোকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা সূরা ইয়াসিনের ৬৮ নম্বর আয়াতে বলেছেন, ‘প্রত্যেক সৃষ্টিকে দীর্ঘ সময় দানের পর আমি সৃষ্টিগত দিক থেকে তাদের প্রাথমিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেই।’ সূরা বাকারার ২৬৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা যাকে চান তাকে একান্তভাবে বিশেষ জ্ঞান দান করেন, আর যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালার এই বিশেষ জ্ঞান দান করা হলো তাকে সত্যিকার অর্থেই প্রচুর কল্যাণ দান করা হলো, আর প্রজ্ঞাসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া আল্লাহ তায়ালা এসব কথা থেকে কেউ কোনো শিক্ষাই গ্রহণ করতে পারে না। জেনে খুশি হবেন যে, আল্লাহ তায়ালার এই অমিয় বাণী ও নিয়ম মেনেই যেন বিশে^র দেশে দেশে যারা আল্লাহর বিধান লঙ্ঘনের শেষ সীমায় পৌঁছে ছিল, যারা বিবস্ত্র বা অর্ধবসনে থাকতে পছন্দ করত, যাদের মধ্যে মানুষের স্বভাব চরিত্র, আচার আচরণ, পারিবারিক বা সামাজিক জীবন বলতে কিছুই ছিল না, যাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী আর বাবার পরিচয় ছিল না, মায়ের পরিচয়ে যারা পরিচিত হতো, তারাই আজ ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিটেনের এক আদালতে বাবার পরিচয় জানতে এক কিশোর মামলা করেছিল। আদালত তার মাকে তার বাবার পরিচয় ঠিক করে দিতে নির্দেশ দেন। তার মা যথারীতি জনৈক পুরুষকে তার বাবা বলে পরিচয় করিয়ে দিলে সে কিশোর তা মানতে রাজি হয়নি। আদালত তাদের ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দিলে তা ল্যাবরেটরি টেস্টে মিল খুঁজে না পেলে তার মাকে আবারো আদালতে হাজির করা হয় এবং তার বাবার সঠিক পরিচয় দিতে বললে তার মা অন্য একজন পুরুষকে সে কিশোরের বাবা বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। সে কিশোর তাও মানতে রাজি না হলে আবারো আদালত তাদের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। এবারো সে পরীক্ষায় গরমিল দেখা দিলে আবারো তার মাকে তার বাবার পরিচয় কী হবে জানতে চাইলে তার মা অপর এক পুরুষের কথা বলে এভাবে বেশ কয়েকজন পুরুষের ডিএনএ পরীক্ষার পর সে কিশোর তার বাবার আসল পরিচয় পায়। তখন সে কিশোর আদালতেই বলে উঠে, বাবার পরিচয় জানার জন্য যেখানে আদালতে আসতে হয়, ডিএনএ পরীক্ষা করতে হয়, সে বাবা আর সে মা দিয়ে আমার কী হবে? এমনই অবস্থা বিরাজ করছে পশ্চিমা বিশে^র দেশে দেশে। পশ্চিমা বিশে^র দেশে দেশে ইসলামের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে ইসলাম গ্রহণের প্রবণতা বেশি। ব্রাজিল সম্পর্কে আমাদের যে ধারণা আছে, নৈতিকতার দিক থেকে ব্রাজিল তার চেয়েও নিম্নে অবস্থান করছে। যেখানে বাবার পরিচয় নেই বললেই চলে। তারপরও যা আছে তাতে দেখা গেছে, নিজ কন্যাসন্তানকে বাবা-মা পতিতাবৃত্তিতে ঠেলে দিচ্ছে। বাবা-মায়েরাই তাদের কন্যার জন্য খরিদ্দার জোগাড় করে দিচ্ছে। ব্রাজিলে পতিতাবৃত্তি বা দেহব্যবসা বৈধ! সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে চিন্তা-চেতনার মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। ব্রাজিলের সানপাওলো শহরে ছোট্ট একটি মসজিদ আছে। এই মসজিদকে কেন্দ্র করে সানপাওলো শহরে ইসলামী দাওয়া নামের একটি সংগঠনের দাওয়াতে এক খ্রিষ্টান পরিবারের মা-মেয়ে আর এক মডেল অভিনেত্রীসহ তিনজন নারী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ব্রিটেনেও নারী-পুরুষ দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করছে। ফ্রান্সের এক গানের শিল্পী সাম্প্রতিক সময়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার নাম ছিল সুজাউ বর্তমান নাম হচ্ছে মারইয়াম সুজাউ। অতিসম্প্রতি ইসলাম গ্রহণ করেছেন, ভারতের তামিলনাড়–র বিখ্যাত অভিনেত্রী মনিকা। তিনি পিসটিভি ও ডা: জাকির নায়েকের বক্তব্য থেকে বাস্তবতার নিরিখে তার ধর্মের বিভিন্ন অসঙ্গতি আর ইসলামের সঙ্গতি দেখে ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার চার্লস ডারউইন বিশ^বিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষিকা মালয়েশিয়া সফরে এসেছিলেন। তাদের দুইজনের চেহারায় যথেষ্ট মিল আছে। দেখলে মনে হয়, মা-মেয়ে অথবা আপন দুই বোন। তারা মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়া মসজিদ দেখে অভিভূত হন। তারা দুইজনই ছিল প্রায় অর্ধউলঙ্গ। তারা মসজিদে ঢুকতে চাইলে সেখানকার খাদেমেরা তাদেরকে হিজাব পরতে বললে তাতে তারা প্রথমে আপত্তি করেন। তাদেরকে কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিতে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা ও গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝানোর পর তারা হিজাব পরে মসজিদে প্রবেশ করেন। মসজিদে প্রবেশ করে তারা দেখতে পেলেন যারাই মসজিদে প্রবেশ করছেন তারাই দুই রাকাত সালাত আদায় করছেন। তারা জানতে চাইলেন এটা কী হচ্ছে? বা এ লোকগুলো কী করছে? মসজিদের খাদেম ও গাইড তাদেরকে বুঝিয়ে বললেন যে, মসজিদের পবিত্রতা রক্ষার জন্য মসজিদে প্রবেশকারীরা দুই রাকাত সালাত আদায় করছেন। এ কথা শুনে তারাও সালাত আদায়কারীদের মতো করে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। তারা মসজিদ পরিদর্শন শেষে যাওয়ার পথে মসজিদের খাদেম ও গাইড তাদের দুইজনকে দু’টি আরবি-ইংরেজি ভার্সন কুরআন শরিফ হাদিয়া হিসেবে প্রদান করেন। তারা এহেন হাদিয়া পেয়ে মহাখুশি। তারা দুইজনই সে খাদেমের সাথে প্রতিজ্ঞা করলেন যে, আল কুরআনে কী আছে তা তারা ভালোভাবে দেখবেন। আলহামদুলিল্লাহ, তারা দুইজনই কুরআন স্টাডি করে প্রকৃত ওহির জ্ঞানের ভিত্তিতে আল্লাহর রহমতে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। থাইল্যান্ড সম্পর্কে আমাদের মধ্যে অনেকেরই খারাপ ধারণা আছে। আসলেই থাইল্যান্ড দুনিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আনন্দ ফুর্তিরই দেশ। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে যা প্রয়োজন সবই এখানে আছে। আশার কথা বা ভালো ধারণার কথা হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ, থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক সময়ে ‘আল ফাতুনি’ নামে একটি ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আরো ভালো খবর হচ্ছে, থাইল্যান্ডে একটি ইসলামী ব্যাংক ‘ইসলামী ব্যাংক অব থাইল্যান্ড’ নামে চালু হয়েছে। যার বেশির ভাগ গ্রাহকই হচ্ছে অমুসলিম আর ডিপোজিটও সন্তোষজনক বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তা ছাড়াও থাইল্যান্ডে হালাল ফুড ইন্ডাস্ট্রিও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশে^র সেরা ‘রেড বোল’ নামের এই পানীয়টিও হালাল ফুড ইন্ডাস্ট্রিজেরই একটি পণ্য। আলহামদুলিল্লাহ, এমনিভাবে বিশে^র বিবেকবান আর সচেতন মানুষগুলো আজ ইসলামের দিকে দারুণভাবে ঝুঁকছে। আল্লাহ তায়ালা মাফ করুন, ভাবতে অবাক লাগে বাংলাদেশে যেখানে ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ মুসলমান সেখানে দিন দিন ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব, প্রচার-প্রচারণা, ইসলামী অনুশাসন মানতে বাধা দান করা হচ্ছে। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ইসলামী শিক্ষা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। প্রকৃত ইসলামী জ্ঞান তথা কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞানের অভাবেই আজ বাংলাদেশের মুসলমানেরা নাস্তিকতার দিকে ধাবিত হচ্ছে বা ইসলামবিদে¦ষী মনোভাব পোষণ করছে আর ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আলেমদের দায়িত্বের ব্যাপারে সূরা বাকারার ১৪০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলছেন, ‘আর তার চাইতে বড় জালেম আর কে হতে পারে যার কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত (সত্যের) সাক্ষ্য জ্ঞান (কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞান) মজুুদ আছে আর তারা তা গোপন করে।’ সূরা আলে ইমরানের ১৮৭ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ‘আর স্মরণ করো আল্লাহ তায়ালা এই কিতাবধারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে (যাদেরকে কিতাবের জ্ঞান দান করা হয়েছে) প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছিলেন, (তিনি তাদের বলে ছিলেন) তোমরা একে (আল্লাহর কিতাব বা আল কুরআনকে) মানুষের কাছে বর্ণনা করবে আর একে (এই কিতাবকে) গোপন করবে না, কিন্তু তারা তাদের এ প্রতিশ্রুতি পেছনে ফেলে রাখল আর অত্যন্ত সামান্য মূল্যে তা বিক্রি করে দিলো, বড়ই নিকৃষ্ট তাদের এই বেচাকেনা যা তারা করল। শাসকদের দায়িত্বের ব্যাপারে সূরা আল হাজ্জের ৪১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালার ঘোষণা হচ্ছে, ‘আমি যদি আমার এ জমিনে (মুসলমানদেরকে) প্রতিষ্ঠা দান করি, তাহলে তারা (প্রথমে) সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, (দ্বিতীয়ত) জাকাত আদায় (এর ব্যবস্থা) করবে আর (তৃতীয়ত) দেশের নাগরিকদেরকে তারা সৎ কাজের আদেশ দেবে আর মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে, তবে এসব কাজের চূড়ান্ত পরিণতি একান্তভাবেই আল্লাহ তায়ালার এখতিয়ারভুক্ত।

    পরিচর্যা করেও শীতে ত্বক ক্রমশ জেল্লা হারাচ্ছে, কিন্তু কেন?

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: শীতে ত্বকের খেয়াল রাখা সহজ নয়। অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। কারণ এই সময় ত্বক অত্যধিক শুষ্ক হয়ে পড়ে। পরিচর্যা করা হলেও শুষ্কতা যেন কিছুতেই দূর হতে চায় না। মাঝেমাঝে আরও জাঁকিয়ে বসে। ত্বকের মসৃণতা ধরে রাখতে চেষ্টার ঘাটতি রাখেন না অনেকেই। বাজারচলতি প্রসাধনীর ব্যবহার থেকে ঘরোয়া টোটকা— ত্বকের শুশ্রূষায় ব্যবহার করা হয় সবই। তা-ও যেন ত্বকের হাল ফিরতে চায় না। যত্ন তো নিচ্ছেন, কিন্তু কী কী ভুল থেকে যাচ্ছে? সঠিক প্রসাধনী বাছুন ময়েশ্চারাইজার, ক্রিম, তেল— শীতকালে ত্বকের দেখাশোনায় কমতি রাখছেন না। কিন্তু যেগুলি ব্যবহার করছেন আপনার ত্বকের জন্য তা উপযুক্ত তো? শীতকালে দ্রুত ত্বকের কোমলতা ফেরাতে তেলের পরিমাণ বেশি এমন লোশন ব্যবহার করেন। এতে আরও হিতে বিপরীত হয়। লোশনে থাকা অতিরিক্ত তেল ত্বকের ছিদ্রগুলি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দেখা দেয় ব্রণ। এ ছাড়া যে প্রসাধনীর উপকরণে অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি, সেগুলিও এড়িয়ে চলুন। এতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। বেশি করে পানি পান করুন শীতকালে ত্বক ভাল রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। শীতে পানি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমে যায়। এতে শুধু শরীর নয়, আর্দ্র হয়ে যায় ত্বকও। পানি কম খাওয়ার ফলে ত্বক ভিতর থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ত্বকের নিজস্ব যে জেল্লা, তা হারিয়ে যায়। বাইরে থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু তার চেয়ে বেশি জরুরি ভিতর থেকে ত্বক পরিষ্কার রাখা। এই কাজটি করতে জলের উপর ভরসা রাখা ছাড়া উপায় নেই। খুব ঠান্ডা লাগলে পানি একটু ফুটিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু সারা দিনে অন্তত ৬-৮ গ্লাসর পানি খেতেই হবে। শীতকালে রোদের দেখা খুব কম সময়ের জন্য পাওয়া যায়। ফলে সানস্ক্রিনের প্রয়োজন নেই। এমনটাই মনে করেন অনেকে। ভুলের শুরুটা হয় এখান থেকেই। শীতকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করাটা একেবারেই বোকামি। সারা বছর সানস্ক্রিন ব্যবহার করাটা জরুরি। শীতেও তা ভুললে চলবে না।

    হবিগঞ্জ শিমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

    মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: বাহুবলে শীত মৌসুমের সবজি শিমের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এতে শিম চাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারে এখন শিমের সমারোহ। প্রতিদিন এখানকার উৎপাদিত শিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জানা যায়, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী, সুখচর, যাদবপুর, মিরেরপাড়া, লামাপুটিজুরী, আব্দানারায়ণ, রাজসূরত, ভবানীপুর, কল্যাণপুর, হাজিনাদাম গ্রামসহ পুরো উপজেলাজুড়ে শীতকালীন সবজি হিসেবে শিমের চাষাবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাহুবল উপজেলার সীমানায় প্রবেশ করার পর মহাসড়কের দুই পাশে বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজ শিমের বাগান দৃষ্টিগোচর হয়। এসময় শিম বাগানের পরিচর্যায় কৃষকদের সাথে তাদের পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরকেও তৎপর দেখা যায়। গত ২৫/২৬ বছরে ওই এলাকায় বিশেষ করে গুঙ্গিয়াজুরী হাওরের পাশে অর্থকরী ফসল হিসেবে শিম চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাহুবলের দ্বিগাম্বর, মিরপুর, ডুবাঐ বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বাজারে দেশি জাতের শিমের প্রচুর সরবরাহ। বর্তমানে এখানকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। প্রতিদিন ভোর বেলা জমে উঠে দ্বিগাম্বর বাজার। এ সময় ব্যবসায়ীরা পাইকারী দরে শিম ক্রয় করে ট্রাক বা বিভিন্ন যানবাহনে করে তা ঢাকা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারী বাজারে নিয়ে যান। দ্বিগাম্বর বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, বাজারে বেশি পরিমাণে স্থানীয়ভাবে চাষকৃত শিম আসতে শুরু করেছে। দেশি শিমের স্বাদ আলাদা হওয়ার কারণে ক্রেতারা অন্য সবজির পাশাপাশি শিম বেশি কিনছেন। পাইকারী ব্যবসায়ী সানু মিয়া জানান, চাষিদের ক্ষেত থেকে নগদ টাকায় শিম কিনে ট্রাকে করে পাঠানো হয় ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। কয়েক বছর ধরে এ ব্যবসায় জড়িয়ে আমার পাঁচ সদস্যের সংসার ভালোই চলছে।  

    ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা উপজেলার সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি তৌকির হাসান তমালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোছাব্বীর রহমান। হ্যাভেনের সঞ্চলনায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান শেখ, সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন। সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম মন্ডল বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আবুবক্কর সিদ্দিক মিলন ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এমদাদুল হক মিলন প্রমূখ।     

    পুরনো ৫ শিক্ষককে বাদ দিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে নতুন নিয়োগের অভিযোগ

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলে প্রতিষ্ঠিত দইখাতা নাজিরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানটির ৭ বছর চাকরি করে আসা পুরনো ৫ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।  জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা করে নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল ও প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম গোপনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন নিয়োগকৃত শিক্ষকদের তালিকা প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষে রাসেল হোসেন। তারা জানান, বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কেউ এগিয়ে না এলেও তারা মোটা অঙ্কের ডোনেশন দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি খুব অল্প সময়েই এমপিওভুক্ত হয়। গত বছর এমপিওভুক্ত ঘোষণার পর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। গোপনে বিদ্যালয়ের সভাপতি আর প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ত্যাগী ও পরিশ্রমী শিক্ষক রাসেল হোসেন, গোকুল চন্দ্র রায়, আয়েশা খাতুন, শাহনাজ পারভীন ও মজিবুল ইসলামকে বাদ দিয়ে রাতারাতি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের নামের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে অধিদপ্তরে। দীর্ঘদিন শ্রম দিয়ে আসা শিক্ষককে এমন অমানবিকভাবে বাদ দেয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককের অনিয়ম তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এদিকে বিদ্যালয়ের নামে ২ বিঘা জমি স্টাম্পে লিখে দিয়ে নিজের সন্তানকে চাকরি নিয়ে দেন আমজাদ আলী নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি। তবে সেই দুই বিঘা জমি বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল নিজের নামে নিয়ে বিদ্যালয়ে দান করে নিজেই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বনে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে আমজাদ আলীকে সেখানে দাতা সদস্য রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম বলেন, নিবন্ধন না থাকায় তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। এখানে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল বলেন, আমজাদ আলী নামে ওই ব্যাক্তির অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জমির বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন। কোন জমি দান করেননি। কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন বলেন, আমি ওই বিদ্যালয়ের বিষয়ে নানা অভিযোগ পেয়েছি। কয়েকজন শিক্ষককে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যদের নিয়োগ দেয়ার কথা জানতে পেরেছি। এছাড়া আমজাদ আলী নামে এক লোকের জমি বিদ্যালয়ের নামে দানের পরেও তাকে দাতা না করে অন্য একজন দাতা হয়েছেন মর্মে অভিযোগ পেয়েছি। আমি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে শীঘ্রই জানাবো।  

    লটারিতে ১০৫ কোটি টাকা জিতলেন বাংলাদেশি রয়ফুল

    প্রবাসের কথা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে নতুন বছরের প্রথম ‘দ্য বিগ টিকিট’ লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রয়ে ২৪৭ সিরিজের প্রথম ও সবচেয়ে বড় পুরস্কার জিতেছেন মুহাম্মদ রায়ফুল নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি। তার পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৫ কোটি টাকা)। রায়ফুলের লটারি টিকিট নম্বর ছিল ০৪৩৬৭৮। তিনি গত ১০ ডিসেম্বর অনলাইনে টিকিটটি কিনেছিলেন। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব আমিরাতের আল আইনে বসবাস করেন রায়ফুল। তবে এই ড্রয়ের পর বাংলাদেশ কিংবা আমিরাতে তার বসবাসের বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৯ বছর বয়সী রায়ফুল আবুধাবির আল আইনের একটি কোম্পানিতে পিকআপ চালক হিসেবে কর্মরত। তিনি ৯ বছর ধরে এ লটারির টিকিট কিনছেন। তবে এবার যে টিকিটে লটারি জিতেছেন, সেটি তিনি ২০ বন্ধুর সঙ্গে মিলে কিনেছিলেন। এখন পুরস্কারের অর্থ সবাই মিলে নেবেন। টিকিটটির মূল্য ছিল ৫০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার টাকা)। দুটি টিকিট কিনলে একটি ফ্রি ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন লটারির র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়, তখন অনুষ্ঠানের হোস্ট বেশ কয়েকবার রায়ফুলের ফোনে ফোন করেন। কিন্তু তাকে তখন পাওয়া যায়নি। তিনি তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য আয়োজকরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ লটারি জয়ের খবর তাকে দেন। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় রায়ফুল বলেন, ১২ বছর ধরে আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছি। বিশ্বাস করতে পারছি না, আমি এ লটারি জিতেছি। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত।. এই টাকা তিনি কীভাবে খরচ করবেন—জানতে চাইলে জানান, তিনি এখনো কোনো পরিকল্পনা করেননি। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি এয়ারপোর্ট ও শহরের প্রমোশনের জন্য ‘বিগ টিকিট’ লটারি চালু করা হয়। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র হয়। প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ প্রতি মাসে পরিবর্তন হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারির প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ লাখ দিরহাম। এ মাসের দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম।

    দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছবে: শিক্ষামন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, চাঁদপুর: আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীরা শ্রেণির সব বই হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বলেন, বিগত অতিমারি ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও বছরের প্রথমদিন আমরা বই উৎসব করতে পেরেছি এটিই বড় বিষয়। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ সময় মতো বই বিতরণের সাফল্যকে পাশ কাটাবার জন্য নানান রকম কথা বলছে। আমি মনে করি প্রতিটি শিশুই বই পেয়েছে। তবে যে শিশু ৫টি বই পাওয়ার কথা সে ৩টি বই পেয়েছে। তিনি বলেন, এ বছর বই ছাপানোর জন্য বিদেশ থেকে কাগজ আনার কোন সুযোগ ছিল না। আমাদের যে কাগজছিল সেই কাগজ দিয়েই বই ছাপাতে হয়েছে। সেই ছাপাতে মান একেবারে খারাপ হওয়ার কথা নয়। শুধু কাগজের উজ্জ্বলতা কম হবে। এটিতে কোনো সমস্যা নয়। কারণ কাগজে বেশি উজ্জ্বলতা হলে চোখের জন্যও ভাল হয় না। বিদেশেও যখন বই ছাপা হয় তখনও উজ্জ্বলতা কমিয়ে বই ছাপানো হয়। আমাদের দেশে অনেকেই মনের করেন কাগজ যতবেশি সাদা হবে ততই ভালো। দীপু মনি বলেন, আমরা কাগজ আনার সুযোগ না থাকায় বইয়ের রং কিছুটা ভিন্ন হয়েছে। এর কোনটাই নিউজ প্রিন্ট না। আর আগে একটি বই কতজন শিক্ষার্থী পড়েছে। এখন একটি বই একজন শিক্ষার্থী একবছরই শুধু পড়েন। সংতরাং এই বই নিয়ে বড় ধরণের কোনো অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। আমাদের যে কোনো বিষয় নিয়ে গেল গেল বলে রব উঠে। কিন্তু সেটি সত্যিকার অর্থে দেখে এবং তার গুণাগুণ বিচার না করে, এটা কেন করতে হল, কি ধরণের সমস্যা হল, সেগুলো নিয়ে আমরা কেউ মাথা গামাই না।

    রোববার পর্যন্ত ফখরুল-আব্বাসের কারামুক্তিতে বাধা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের কারামুক্তিতে জামিননামা দাখিল না করতে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এ সময় তারা মুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার (৮ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় রাষ্ট্রপক্ষের এক আবেদনের শুনানি করে চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এই আদেশ দেন। আদেশে চেম্বার আদালত বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিষয় কোনো জামিননামা দাখিল করা যাবে না। রোববার এ বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। এদিন সকালে বিএনপির এই শীর্ষ দুই নেতাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে বিচারিক আদালতে চার দফা জামিন নাকচ হওয়ার পর সোমবার (২ জানুয়ারি) মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাদের আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে শুনানি করে বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।

    ফরিদপুরে রাস্তার পাশে পড়ে ছিল ভ্যানচালকের মরদেহ

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় রাস্তার পাশে থেকে জিহাদ হোসেন নামে (১৫) এক কিশোর ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের চরমুরারদিয়া ব্রীজ সংলগ্ন একটি রাস্তার পাশে থেকে ওই ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  নিহত ভ্যান চালক জিহাদ ওই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দিঘলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত লালু শেখের ছেলে বলে জানা যায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিহাদ মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান নিয়ে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার (০৪ জানুয়ারি) মৃতদেহ পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানার পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জিহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত ওই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।  তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ওই কিশোরের ভ্যান ছিনতাই করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    নোরা ফাতেহির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান!

    বিনোদন ডেস্ক: বছরের শুরুতে আবারও নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন। এবার গুঞ্জনটা যাদের ঘিরে তাদের একজন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান এবং আরেকজন বলিউড আইটেম গার্ল মরোক্কান সুন্দরী নোরা ফাতেহি। কানাঘুষো চলছে, ২৫ বছর বয়সী আরিয়ান বছর ৩০-এর নোরার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন! খবর- আনন্দবাজার পত্রিকার বলিউডের ‘দিলবার গার্ল’ এই মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। যদিও বলিউডে নিজের মাটি শক্ত করাটা সহজ ছিল না নোরার জন্য। কিন্তু এখন নোরার ওঠাবসা সবটা বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের সঙ্গে। কখনও মালাইকার সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাকে। কখনও আবার ডাক পেয়েছেন করণ জোহরের পার্টিতে। এবার একই অনুষ্ঠানে দেখা গেল আরিয়ানের সঙ্গে। তবে এই প্রথম নয়, আজকাল নাকি বিভিন্ন সময় একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে তাদের। এককথায় ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে দুজনের। সম্প্রতি এক রেডিট ব্যাবহারকারী আরিয়ান ও নোরার সঙ্গে আলাদা আলাদা ছবি দেন। কিন্তু ক্যাপশনে লেখেন, ‘তোমাদের দুজনের সঙ্গে দেখা করে ভালো লাগল।’ এরপরই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে শুরু করেন নেটাগরিকরা। বছর পঁচিশের আরিয়ানের সঙ্গে সত্যি সত্যি কি প্রেমে করছেন বলিউডের এই আইটেম গার্ল? নাকি অনুরাগীদের কল্পনা, সেটা সময় বলবে। আরিয়ানের সঙ্গে নোরা ফাতেহির প্রেম নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে তখন শাহরুখ পুত্রের চর্চিত প্রেমিকা অনন্যা পান্ডেকে কিন্তু, মোটেই ভোলেননি নেটিজেনরা। নোরার সঙ্গে ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই অনন্যাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে নেটপাড়া। আরিয়ানের বোন সুহানার বেস্টি অনন্যা। কফি উইথ করণের সেটে লাইগার অভিনেত্রী স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে আরিয়ানকে তার বেশ ভালোই লাগে। সোশাল মিডিয়ায় সেই এপিসোডের ভিডিও যথেষ্ট ভাইরালও হয়। একই সঙ্গে আরিয়ানের অনন্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্তও নজর এড়ায়নি নেটিজেনদের। আরিয়ানের সঙ্গে অনন্যা পান্ডের নাম জড়ানোর আগে ঈশান খট্টরের প্রেমিকা হিসাবে পরিচিত ছিলেন অনন্যা পান্ডে। খালি পিলি ছবির শুটিংয়ের সময়ই তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে বলেই ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন। কিন্তু ২০২২ সালে নিজেদের সম্পর্কে ইতি টানেন ওই স্টার কাপল। তবে খান পরিবারে নতুন করে প্রেমের হাওয়া লাগল কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।

    ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে চাল কিনবে সরকার

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৪২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি জানান, সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়া চারটি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ৭৩৯ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬ টাকা। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের মেসার্স বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ চাল কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর। ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল কিনতে মোট খরচ হবে ২১০ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৪২ টাকা ৭ পয়সা। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের এগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চালও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কিনছে খাদ্য অধিদপ্তর। এজন্য ব্যয় হবে ২১৩ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চাল কিনতে খরচ হবে ৪২ টাকা ৬৮ পয়সা।

    ফরিদপুরে শীতে কাপছে জনপদ, দেখা মিলছেনা সূর্যের

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: উত্তরের হিমেল হওয়া ও তীব্র শীত জেঁকে বসেছে ফরিদপুরে। আর এই শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। গরমের কাপড়ের চাহিদাও দেখা দিয়েছে। সাথে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগও। ফরিদপুরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিনই এ তাপমাত্রা কমছে।  টানা দুই দিন সূর্যের দেখা নেই এ জেলাতে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা, আর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও হাড় কাঁপানো বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসছে। বৃদ্ধ ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কষ্ট নেমে এসেছে। দিনমজুর ও কৃষকও পড়েছেন বিপাকে। চাকুরীজীবি ও জরুরি কাজ ব্যতিত ঘরের বাহির বেড় হচ্ছেনা মানুষ। রিক্সা ও অটোরিকশার সংখ্যা সড়কে কম দেখা মিলছে। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলতে দেখা গেছে।

    সংসদ ভবন এলাকায় ডিএমপির বিধিনিষেধ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক। তিনি জানান, সংসদ অধিবেশন কেন্দ্র করে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সই করা এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বুধবার রাত ১২টা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়, বুধবার (৪ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে অত্র এলাকায় সব প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও যে কোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষেধ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে— ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা ও এ সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।