এই মাত্র
  • বিপিএলের মাঝে ছুটি পেয়েই ওমরা করতে গেলেন সাকিব
  • গণভোট দেন, হারলে আর কোনো দিন নির্বাচন করব না : হিরো আলম
  • সুদ যেসব ক্ষতি ডেকে আনে
  • পাকিস্তানের রিজার্ভে ধস, আছে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয়
  • গাড়ি উপহার না পেলে সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন হিরো আলম
  • বিমানের চাকা ফেটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ
  • শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • সর্বত্র সমর্থন পাওয়া দারুণ ব্যাপার, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মেসি
  • জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.)
  • ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
  • আজ শনিবার, ২২ মাঘ, ১৪২৯ | ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
    দেশজুড়ে

    খেজুরের রসে ছড়াচ্ছে নিপাহ ভাইরাস, ২৩ দিনে শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু

    user skarif
    প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:০৯ পিএম

    অসীম কুমার সরকার, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: শীতের সকালে খেজুরের রস আর তার সাথে মুড়ি। বেশ সুস্বাদু ও প্রিয় খাবার গ্রামাঞ্চলের অনেক মানুষের কাছেই। কিন্তু সুমিষ্ট এই প্রাকৃতিক পানীয় পানে যে ডেকে আনতে পারে ভয়ংকর প্রাণঘাতী এক রোগ তা অনেকেরই অজানা। 

    বাদুড় বা অন্য প্রাণীর মুখ দেওয়া খেজুরের কাঁচা রস পানে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন নিপাহ নামে এক ধরনের ভাইরাসে। সমস্য হলো, এই ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা নেই। ফলে প্রতিবছরই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ মারা যচ্ছে।

    চলতি মাসেও প্রথম ২৩ দিনেই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নারী-শিশুসহ অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। 

    সর্বশেষ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত সোয়াদ আলী নামে সাত বছরের এক শিশু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এর আগে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের এক নারী নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রামেক হাসপাতালে মারা যান।

    সোমবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে নিপাহ আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে রামেকে মারা যাওয়া দু'জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হলেও বাকি একজনের পরিচয় জানাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। গত বছর এই রোগে দেশে তিনজন আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে দু'জনের মৃত্যু হয়।

    আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন জানান, জানুয়ারির ২৩ দিনে পাঁচজন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন তিনজন। এবছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তের ও মৃত্যুর হার অনেক বেশি। প্রতিদিনই রোগী মিলছে। তাই সবাইকে এবিষয়ে সচেতন হতে হবে।

    রামেক হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, গতকাল মারা যাওয়া শিশুটি ঈশ্বরদীর সানোয়ার হোসেনের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শিশু সোয়াদ প্রায়ই খেজুরের রস পান করত।

    রামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, নিপাহ খুব ভয়ংকর একটি ভাইরাস। এর তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। আমরা উপসর্গের চিকিৎসা করি। এই ভাইরাস মস্তিস্ককে এমনভাবে আক্রান্ত করে যে, রোগীকে বাঁচানো যায় না।

    আইইডিসিআরের পরিচালক ড. তাহমিনা শিরিন বলেন, নিপাহ ভাইরাস আক্রান্তের অন্যতম কারণ খেজুরের কাঁচা রস। এছাড়া আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এলেও এরোগ হতে পারে। পাখি বা বাদুড়ের অর্ধ খাওয়া যে কোনো ফল খেলেও নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। তাই কাঁচা খেজুর রসের পাশাপাশি যে কোনো পাখির অর্ধ বা আংশিক খাওয়া ফল গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে হবে। অনেক সময় গাছের নিচে বিভিন্ন পাকা ফল পড়ে থাকে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় এটি বেশি পরিমাণে দেখা যায়।

    ট্যাগ :

    খেজুরের রস নিপাহ ভাইরাস মৃত্যু

    সম্পর্কিত:

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত