এইমাত্র
  • মেসিকে ‘অতিবিরল’ এক ঘড়ি উপহার দিলেন আম্বানি
  • বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করে যে বার্তা দিলো ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  • পুলিশের বাধার মুখে ‘লং মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’
  • বিশ্বকাপ পর্যন্ত নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাড়াচ্ছে সান্তোস
  • নিরাপত্তা শঙ্কায় বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল
  • নির্বাচন ইস্যুতে টকশোতে কটূক্তি নয়, নির্দেশ ইসির
  • ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমালো ফিফা
  • ব্রেন সক্রিয় করতে হাদির অপারেশন প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ
  • পুরান ঢাকায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন
  • হোয়াটসঅ্যাপে বিরক্তিকর নম্বর ব্লক করার সহজ উপায়
  • আজ বুধবার, ৩ পৌষ, ১৪৩২ | ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
    দেশজুড়ে

    স্যাম্পলের ব্লাড চুরি করে বিক্রি করত তারা

    রবিউল আউয়াল, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:০২ এএম
    রবিউল আউয়াল, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:০২ এএম

    স্যাম্পলের ব্লাড চুরি করে বিক্রি করত তারা

    রবিউল আউয়াল, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:০২ এএম

    অন্যের পরীক্ষা করতে দেয়া ব্লাড হাসপাতালের অসাধু কর্মচারীদের সাহায্যে চুরি করে রোগীদের কাছে বিক্রির ঘটনায় দুই প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- তারাকান্দা উপজেলার গোয়াইলকান্দি এলাকার আব্দুর রহমান খানের ছেলে নাঈম খান পাঠান (৩৮) ও নগরীর মড়লবাড়ি এলাকার ভাসমান বাসিন্দা মন্টু চন্দ্র দে'র ছেলে তুষার চন্দ্র দে (২২)।

    শনিবার (১৮ জানুয়ারী) বিকেল ৫ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাদের দু'জনকে ১ ব্যাগ ব্লাডসহ গ্রেফতার করা হয়েছে বলে রবিবার (১৯ জানুয়ারী) দুপুরে কোতোয়ালি থানা পুলিশের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: সফিকুল ইসলাম খান।

    তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন যাবত এই চক্রটি নগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও ব্লাড ব্যাংক থেকে রোগীদের পরীক্ষার জন্য দেয়া ব্লাড স্যাম্পলগুলো অসাধু কর্মচারীদের সহায়তায় সংগ্রহ করে রোগীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল। যা মানবদেহের জন্য ভয়ংকর। এতে করে সুস্থ মানুষও মারা যেতে পারে। এদের একটি বড় চক্র রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    এমআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…