এইমাত্র
  • ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ
  • কিশোরগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
  • এক বেগুনের ওজন ২ কেজি, রাখাইন জাতের বেগুন চাষে ভাগ্য বদল
  • ভারতীয় পণ্যে আরোপ করা অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের
  • ঝিনাইদহে ভোটের মাঠে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট
  • সোনারগাঁয়ে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে ড. ইকবালের মতবিনিময়
  • ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়লো স্বর্ণের দাম
  • আজ সিলেট যাচ্ছেন জামায়াত আমির
  • আজ উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান
  • গাজায় মৃত্যু ২ লাখ ছাড়াতে পারে: জেনেভা অ্যাকাডেমি
  • আজ শনিবার, ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    লাইফস্টাইল

    ঘুমের সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের সম্পর্ক, বাড়তে পারে ঝুঁকি

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম
    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম

    ঘুমের সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের সম্পর্ক, বাড়তে পারে ঝুঁকি

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    সারাদিনের পরিশ্রমের পর রাতে ঘুম ভালো না হলে সকালে উঠে প্রায়ই ক্লান্ত লাগে। অনেকেই ঘুম থেকেই ওঠার পর মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে ইচ্ছা হতে পারে। তবে হয়তো এই ক্লান্তি এবং মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা সাধারণ কোনো কারণে হচ্ছে না, বরং রক্তে শর্করার পরিমাণ ভারসাম্য হারাচ্ছে।

    ‘চায়না ওয়েস্টলেক ল্যাবরেটরি অব লাইফ সায়েন্সের এন্ড বায়োমেডিসিন’ কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ঘুমের সঙ্গে রক্তের শর্করা মাত্রার সম্পর্ক রয়েছে। এর কারণে ডায়াবেটিস সহ অন্যান্য হজম সম্পর্কিত সমস্যা হওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

    ৪৬ থেকে ৮৩ বছর বয়সী ১১০০ জন ব্যক্তির উপর এই সমীক্ষা করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে ঘুমের সঙ্গে সরাসরি রক্তে শর্করার পরিমাণ সম্পর্কিত। প্রতিদিন কতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন এবং কখন ঘুমাতে যাচ্ছেন, তা শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকে প্রভাবিত করতে পারে। ঘুমের ধারাবাহিকতা বজায় না থাকলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ওঠানামা করে। বিপাক এবং ডায়াবেটিসের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। 

    গবেষণায় ঘুমের সময়কে ভিত্তি করে ৪ টি ভাগ করা হয়েছে- 

    ৪ থেকে ৪.৭ ঘণ্টা ঘুমানোকে অতিমাত্রায় অপর্যাপ্ত ঘুম বিবেচনা করা হয়।

    ৫.৫ থেকে ৬ ঘণ্টার ঘুমকে অপর্যাপ্ত ধরা হয়।

    ৬.৮ থেকে ৭.২ ঘণ্টা ঘুমকে সামান্য অপর্যাপ্ত ঘুম বিবেচনা করা হয়।

    ৮ ঘণ্টা এবং এর চেয়ে আধ বেশি সময় ঘুমকে পর্যাপ্ত ঘুম বলা হয়। 

    যারা প্রতিদিন কম ঘুমান তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে। ৫.৫ ঘণ্টা থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো ব্যক্তিদের মধ্যে গ্লাইসেমিকের ব্যাপক পরিবর্তন নজরে পরে। যারা দেরিতে ঘুমায় তাদের গ্লাইসেমিক শতকরা ১.১৮ ভাগ বেশি ছিল। যারা এরচেয়েও কম ঘুমায় তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ আরও নেতিবাচকভাবে অনিয়ন্ত্রিত ছিল।   

    রক্তে শর্করা অসামঞ্জস্যতা কেবল ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তদের জন্য উদ্বেগজনক নয়। এই সমস্যা আরও অনেক মারাত্মক সমস্যা ; যেমন- শক্তিমাত্রা কমিয়ে দেওয়া, বারবার ক্ষুধা লাগা, বিপাক  গতি মন্থর করা, ইনসুলিন প্রতিরোধ করাসহ সার্বিক স্বাস্থ্যের অবনতি করাতেও দায়ী। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমানো ছাড়াও, দৈনিক চিনি সেবন মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে দৈনিক ২৫ গ্রাম এবং প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের  ক্ষেত্রে ৩৬ গ্রাম চিনি গ্রহণ মাত্রা বিবেচনা করা হয়।

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…