এইমাত্র
  • এবার বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ
  • স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা অবহেলার শিকার, ইসির উদাসীনতায় হতাশ ইওএস
  • ক্ষমতায় গেলে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান
  • দিনাজপুরের লিচু, আম ও কাঠারিভোগ চাল বিশ্ববাজারে নেওয়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের
  • বরিশালের অধিকাংশ মানুষ জানেন না গণভোটের হ্যাঁ-না ভোট কী
  • দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় গোপনে আমেরিকা, অপর পাল্লায় গোপনে ভারত: চরমোনাই পীর
  • মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০
  • মাগুরায় মোটরসাইকেল-ট্রাক সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত
  • কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ডব্লিউএইচও
  • আজ শনিবার, ২৪ মাঘ, ১৪৩২ | ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    খেলা

    পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে যা বললো আইসিসি

    স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
    স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৯ এএম

    পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে যা বললো আইসিসি

    স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৯ এএম

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পাকিস্তান সরকারের দিকে তাকিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা শেষে শাহিন আফ্রিদিদের বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার।

    তবে, গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। তাদের এমন সিদ্ধান্তে আইসিসি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করতে পরামর্শ দিয়েছে পিসিবিকে।

    রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ভারত ম্যাচ বয়কটের খবরটি নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার। বাংলাদেশকে নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।

    পরে আইসিসি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, আইসিসি পাকিস্তানের সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যটি লক্ষ্য করেছে, যেখানে তারা তাদের জাতীয় দলকে ২০২৬ সালের আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আইসিসি জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। ম্যাচ বয়কটের অবস্থান একটি বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ইভেন্টের মৌলিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যেখানে প্রতিটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সমান শর্তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে আশা করা হয়। আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো মূলত সততা, প্রতিযোগিতা, ধারাবাহিকতা ও স্বচ্ছতার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত; আর পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার মূল চেতনা ও পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করে।

    এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করে আইসিসি জানায়, জাতীয় নীতির বিষয়ে আইসিসি বিভিন্ন দেশের সরকারের ভূমিকাকে সম্মান করলেও, এই সিদ্ধান্তটি বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থে কিংবা পাকিস্তানসহ বিশ্বজুড়ে লাখ-লাখ ভক্তদের কল্যাণের অনুকূলে নয়। আইসিসি আশা করে, পিসিবি তাদের নিজ দেশে ক্রিকেটের ওপর এর সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। কেননা এটি সামগ্রিক ক্রিকেট ইকোসিস্টেমকে প্রভাবিত করতে পারে, পিসিবি যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী।

    সংকট সমাধানে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আরও বলেছে, আইসিসির বর্তমান অগ্রাধিকার হলো বিশ্বকাপ সফলভাবে সম্পন্ন করা, যা পিসিবিসহ প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত। পিসিবি একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে, যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের (স্টেকহোল্ডার) স্বার্থ রক্ষা করবে।

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…