এইমাত্র
  • ঈদযাত্রায় চাপ নেই গাবতলীতে
  • নববর্ষের শোভাযাত্রা প্রত্যাখ্যান চারুকলার ২৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের
  • বঙ্গভবনে নামাজে ইমামতি করলেন সেনাপ্রধান
  • বাংলাদেশে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আবহাওয়া অফিস
  • গাড়ি, ভ্যানের পর এবার টমটমের বহর নিয়ে গ্রামে গ্রামে সারজিস
  • বাংলাদেশকে সামরিক সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
  • ভাতা না নেওয়া ১৩৯৯ শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে খুঁজছে সরকার
  • দেশে ফের বার্ড ফ্লু শনাক্ত
  • প্রধান বিচারপতিকে সম্মাননা দিল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  • আলেম-ওলামাদের সব কিছু থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে: হাসনাত
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ চৈত্র, ১৪৩১ | ২৭ মার্চ, ২০২৫
    লাইফস্টাইল

    হার্ট অ্যাটাকের ৬টি লক্ষণ এবং যা করবেন

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৩ পিএম
    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৩ পিএম

    হার্ট অ্যাটাকের ৬টি লক্ষণ এবং যা করবেন

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৩ পিএম

    হার্ট বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য হার্টে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ দরকার হয়। হার্টে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালী যদি বন্ধ হয়ে যায় এবং এর ফলে যদি রক্ত হার্টে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে হার্টের মাংসপেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। আর তখনই হয় হার্ট অ্যাটাক। হার্ট অ্যাটাক একধরনের মেডিকেল ইমার্জেন্সি; সঠিক সময়ে চিকিৎসা করানো না হলে বা হাসপাতালে ভর্তি না করালে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত থাকতে পারে। এ কারণে হার্ট অ্যাটাকের ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি। কিছু পূর্ব লক্ষণ বা বিপদচিহ্ন জেনে রাখা উচিত, যেসব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    হার্ট অ্যাটাকের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ


    বুকব্যথা

    গবেষণায় দেখা গেছে, হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশের অনেক আগেই বুকব্যথার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। অনেকে সামান্য ব্যথাকে গুরুত্ব দেন না, কিন্তু এটি হার্ট অ্যাটাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব লক্ষণ হতে পারে।

    বুকে ভারবোধ

    ৪৪ শতাংশ রোগী হার্ট অ্যাটাকের আগে বুকে ভারী অনুভূতি বা চাপ অনুভব করেছিলেন। বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রম, সিঁড়ি ওঠা বা দ্রুত হাঁটার পর যদি বুকে চাপ অনুভূত হয়, তবে এটি সতর্ক সংকেত হতে পারে।

    বুক ধড়ফড় করা

    ৪২ শতাংশ রোগী বুক ধড়ফড় বা হার্টবিট অনিয়মিত হওয়ার মতো অনুভূতির কথা জানিয়েছেন। কেউ কেউ হার্টবিট মিস হওয়ার কথাও বলেন। এটি হার্টের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

    শ্বাসকষ্ট বা হাঁপিয়ে যাওয়া

    শারীরিক পরিশ্রম ছাড়াই যদি শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয় বা হাঁপিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, তবে এটি হার্টের কার্যক্রম দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশ্রামের সময়ও এমন লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    বুক জ্বালাপোড়া

    অনেকে বুক জ্বালাপোড়া অনুভব করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মনে করেন এবং গ্যাসের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন। তবে যদি গ্যাসের ওষুধেও উপশম না হয়, তাহলে এটি হার্টের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

    দুর্বলতা ও ক্লান্তিবোধ

    দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা ক্লান্তি থাকলে সেটি অবহেলা করা উচিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি হার্টের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

    অন্যান্য লক্ষণ

    বুক ব্যথা ছাড়াও হার্ট অ্যাটাকের সময় মাথা ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অনিদ্রা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, পা ফোলা বা ভারী লাগার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে এসব লক্ষণের উপস্থিতি পুরুষদের তুলনায় বেশি দেখা যায়। তবে অনেকের ক্ষেত্রে কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

    হার্ট অ্যাটাক হলে সঙ্গে সঙ্গে যা করবেন

    আতঙ্কিত হবেন না

    হার্ট অ্যাটাক হলে বা উপসর্গ দেখা দিলে প্রথমেই ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিন। আতঙ্কিত হয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

    দ্রুত চিকিৎসা নিন

    অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন। যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু হবে, তত বেশি বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ান

    লম্বা শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এতে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়বে এবং হৃৎপিণ্ড কিছুটা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারবে।

    কাশির মাধ্যমে সাপোর্ট দিন

    হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে রোগীকে ঘন ঘন কাশি দিতে বলা হয়। প্রতিবার কাশি দেওয়ার আগে গভীর শ্বাস নিতে হবে। এতে হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিকভাবে রক্ত সঞ্চালনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

    অ্যাসপিরিন বা নাইট্রোগ্লিসারিন নিন

    যদি রোগীর আগে থেকে হার্টের সমস্যা থাকে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাসপিরিন বা নাইট্রোগ্লিসারিন ব্যবহার করার নির্দেশনা থাকে, তবে তা দ্রুত গ্রহণ করুন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে ওষুধ নেওয়া ঠিক নয়।


    রোগীকে শুইয়ে দিন

    রোগীকে সমতল স্থানে শুইয়ে দিন এবং যদি সম্ভব হয়, পা কিছুটা উঁচুতে রাখুন। এতে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে।

    আশেপাশের কাউকে জানিয়ে দ্রুত সাহায্য নিন

    হার্ট অ্যাটাক হলে নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা না করে আশপাশের কাউকে জানিয়ে দ্রুত সাহায্য নিন।

    হার্ট অ্যাটাক একটি ভয়াবহ সমস্যা, তবে আগেভাগে লক্ষণ চিনতে পারলে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিলে প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাবার গ্রহণ, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়।


    এবি

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…