এইমাত্র
  • আতশবা‌জি ফোটাতে গিয়ে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু
  • সাত বছর পর পরিবারের সঙ্গে খালেদা জিয়ার ঈদ
  • সৌদির সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন প্রসঙ্গে যা বললেন ধর্ম উপদেষ্টা
  • লন্ডনের কিংসমেডাও খোলা মাঠে ঈদের নামাজ পড়লেন তারেক রহমান
  • ঝালকাঠিতে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
  • কালিয়াকৈর চন্দ্রায় ১৬ বছর পর ঈদযাত্রায় স্বস্তি
  • চীনের বিনিয়োগে দেশে হবে বিশেষায়িত হাসপাতাল
  • আল-আকসায় ঈদের নামাজে মুসল্লিদের ঢল
  • শরীয়তপুরের ৩০ গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন
  • ২ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিল তালেবান সরকার
  • আজ সোমবার, ১৬ চৈত্র, ১৪৩১ | ৩১ মার্চ, ২০২৫

    রাজনীতি

    নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে হতাশ হয়েছি: ফখরুল
    সম্প্রতি নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যে হতাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের যে অবস্থা তাতে নির্বাচন জরুরি।রোববার (৩০ মার্চ) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তিনি।প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরকে ইতিবাচক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ভূরাজনৈতিক ভাবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন খুবই জরুরি। নিজেদের স্বার্থেই চীন, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমারের মতো দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হবে।তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের শত্রুকে ভারতে বসিয়ে রেখে নির্বাচন পেছালে আরও বেশি সংকট তৈরি করবে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, জনগণের বৈধতার জন্য নির্বাচনের কথা বলছে বিএনপি। এ সময় নির্বাচিত ও অনির্বাচিত সরকারের শক্তি এক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এমআর-২
    বিএনপি প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামবে: ফখরুল
    বিএনপি জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শনিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ১০০ ফিটের বেরাইদ এলাকার দুস্থদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।বিদেশে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি টার্গেট করে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন পিছিয়ে নিতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। দেশে কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেওয়া হবে না, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।তিনি বলেন, কোনোভাবে কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না। ফ্রান্স, লন্ডন, আমেরিকা থেকে কেউ যদি দেশের মানুষকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেন, তবে তা রুখে দেওয়া হবে। দেশে কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ মেনে নেওয়া হবে না।‘বিএনপি এখন রাস্তায় নামে না। কিন্তু দল ও দেশের জনগণের স্বার্থে আঘাত এলে বিএনপি আবার মাঠে নামবে,’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।ফখরুল বলেন, বিএনপি ভারতের পক্ষেও নয়, পাকিস্তানের পক্ষেও নয়। আমেরিকার পক্ষেও নয়, ইংল্যান্ডের পক্ষেও নয়।বিএনপি বাংলাদেশের পক্ষে।তিনি দাবি করেন, ‘বিএনপি সব পরিবর্তন এনেছে, সংস্কার বিএনপি করেছে। একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাও বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছে।’এ সময় গত ১৭ বছরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন দলটির মহাসচিব।তিনি বলেন, এত নির্যাতন, এত মামলা, গুম, খুন, সহ্য করেছে বিএনপি। বিএনপি করে এমন মানুষ নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে ৯৯ শতাংশ। কিন্তু একদিন হঠাৎ করে হাসিনাকে আল্লাহ গুম করে দিলেন, মানুষ শান্তি পেল। ডাইনির হাত থেকে আল্লাহ দেশের মানুষকে রক্ষা করেছেন। নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অতি অল্প সময়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হওয়া উচিত। জনগণ নির্বাচিত সরকার চায়, যেখানে প্রতিনিধিরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। কারণ সমস্ত সংগ্রাম হয়েছে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। তাই নির্বাচনের কথা বলছে বিএনপি।এমআর-২
    দেশে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির অভাব উপলব্ধি হচ্ছে: তারিকুল ইসলাম
    দেশে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির অভাব উপলব্ধি হচ্ছে, রাজনীতিতে রাজনীতিবিদদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে। নিজেদের স্বার্থ ত্যাগ করে রাজনীতিবিদদের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।শনিবার (২৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল পিপলস যুব পার্টির কার্যালয়ে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ন্যাশনাল পিপলস যুব পার্টির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম সুমন।সভাপতির বক্তব্যে তারিকুল ইসলাম সুমন বলেন, নিজেদের স্বার্থ ত্যাগ করে রাজনীতিবিদদের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।তারিকুল ইসলাম সুমন আরো বলেন, রাজনীতিবিদদের প্রধান কাজ হচ্ছে দেশের ভাবমূর্তিকে সুশৃংখল রাখার লক্ষ্যে কাজ করা। সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা। এ সময় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলকে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সাহায্য করার আহব্বান জানান তিনি ।অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল পিপলস যুব পার্টির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বাপ্পি, ন্যাশনাল পিপলস যুব পার্টির সদস্য মো. আলাউদ্দিন, মোশারফ হোসাইন, শান্ত, ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।পিএম
    ড. ইউনূসকে ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকবে: সারজিস
    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৫ বছরের জন্য বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আজীবন থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।শনিবার (২৯ মার্চ) বেলা ১১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন তিনি।স্ট্যাটাসে সারজিস লিখেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন স্টেটসম্যানকে পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমার আজীবন থাকবে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্ট্যাটাসটিতে ২০ হাজারেরও অধিক মানুষ মন্তব্য করেছেন।সোহেল বীর নামে একজন বলেন, এ জাতির সৌভাগ্য একজন ড. ইউনূস পেয়েছে।আজাদ আবুল কালাম লিখেছেন, আমারও একই আকাঙ্ক্ষা।দেলোয়ার আকন্দ সৌরভ লিখেন, ড. ইউনূস সারা পৃথিবীর গর্ব।তারেক হাসান নামে আরেকজন লিখেন, এভাবেই কমপক্ষে ৫ বছর চলমান রাখা যায় কিনা সেটাই চেষ্টা করেন। জনগণ এর সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে ইতোমধ্যেই।প্রসঙ্গত, চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে।এমআর-২
    এক পরিবারের স্বার্থে আটকে যাবে না দেশের সংস্কার : তাসনিম জারা
    ‘এক পরিবারের স্বার্থে আটকে যাবে না দেশের সংস্কার ’ এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।ডা. তাসনিম জারা তার পোস্টে কোনো পরিবারকে ইঙ্গিত করেছেন তা জানা যায়নি। কিন্তু ওই পোস্টের কমেন্ট সমকালের একটি নিউজের লিঙ্ক শেয়ার করা হয়। নিউজের শিরোনাম ছিল ‘ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানোর পক্ষে নয় বিএনপি।’তাসনিম জারার পোস্টে তার সাথে একমত পোষণ করে মত দিয়েছে অনেকেই। মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের স্থায়ী অবসান ঘটুক। মুষ্টিমেয়ের করাল থাবা থেকে মুক্ত হয়ে রাজনীতির চর্চা হোক দেশ, সমাজ ও মানুষের বৃহৎ কল্যাণের জন্য। তবেই তো কাঙ্ক্ষিত স্বদেশের স্বপ্ন বাস্তব হয়ে ধরা দেবে।অন্যদিকে তার এ মন্তব্যে ভিন্ন মত প্রকাশ করা লোকের সংখ্যাও অনেক দেখা গেছে।এনআই
    ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক হেফাজতে ইসলামের
    নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আমলে দায়েরকৃত সব মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে আগামী ৩ মে (শনিবার) ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে হেফাজতে ইসলাম।শুক্রবার (২৮ মার্চ) কেন্দ্রীয় খাস কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।  এদিন বিকেলে জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মিলনায়তনে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।এতে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, অর্থসম্পাদক মাওলানা মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী,‌ প্রচার সম্পাদক মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী প্রমুখ।সভায় পরামর্শক্রমে ৫ মে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে গণহত্যা, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন, ২০২১ সালে মোদী বিরোধী আন্দোলন ও চব্বিশের ছাত্রজনতার ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে গণহত্যার বিচার এবং হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আমলে দায়েরকৃত সব মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে ৩ মে শনিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে সংগঠনটি। এছাড়া আগামী জুন মাসে সব জেলা ও মহানগর প্রতিনিধিদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।সভায় গৃহীত আরেক প্রস্তাবে বলা হয় যে, জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ করুন।পিএম
    নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছে সরকার: রিজভী
    জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। একেক সময় একেক বক্তব্য দিয়ে পতিত সরকারের মতোই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রিকশাভ্যান ও অটোচালকদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণঅভ্যুত্থানে সবার ত্যাগ স্বীকার না করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বর না জুনে?— এমন দোদুল্যমান বক্তব্য না দিয়ে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করে জাতিকে আশ্বস্ত করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, অনেকেই বলেন যে আন্দোলন কি করা হয়েছে শুধু নির্বাচন করার জন্য? নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলেই তো আন্দোলন হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করেননি শেখ হাসিনা। ক্ষমতা রক্ষার জন্য দেশকে একটি কারবালায় পরিণত করেছিলেন।বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই নেতা আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলেও জনগণের সমর্থন রয়েছে। সকল আন্দোলনকারী দল তাদের সমর্থন দিয়েছে।এবি
    আইজিপিকে তারেক রহমানের ঈদের শুভেচ্ছা
    বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে গিয়ে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাকে ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড পৌঁছে দেন সাবেক ডিআইজি ও বিএনপির পুলিশ সংস্কার কমিটির সদস্যসচিব খান সাঈদ হাসান।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।শায়রুল জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড ইন্সপেক্টর জেনারেল বাংলাদেশ পুলিশ বাহারুল আলমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি ও বাংলাদেশ পুলিশ সংস্কার কমিটি বিএনপির সদস্য খান সাঈদ হাসান তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা কার্ড স্থানান্তর করেন।এবি
    প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান
    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তার সচিব সাইফুল্লাহ পান্নার কাছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চেৌধুরী এ্যানি এ শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন চার দিনের চীন সফরে আছেন। পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; সড়ক পরিবহণ ও সেতু; এবং রেলওয়ে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী, সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রয়েছেন।এবি
    আ. লীগের আমলে নিপীড়িতদের কাছে চব্বিশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা: নাহিদ
    যারা লুটপাটের রাজনীতি করে তাদের কাছে চব্বিশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা নয়। কিন্তু বিগত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার নিপীড়নের শিকার হওয়াদের কাছে ২৮ দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরে মোদি বিরোধী আন্দোলনে নিহতদের তালিকা প্রকাশ, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও বিচারের দাবিতে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।নাহিদ বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের স্বার্থ রক্ষা করেছে। দেশটির সহায়তায় দলটি ক্ষমতায় ছিল। তাদের খুশি করতেই নতজানু পররাষ্ট্রনীতি করাই ছিলো শেখ হাসিনার কাজ। দেশটি প্রতিবেশি বলে তাদের সাথে আমাদের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে তাদের সাথে সমতা-ন্যায্যতার ভিত্তিতে সর্ম্পক হবে। সীমান্ত হত্যার আজও কোনো বন্দোবস্ত হয়নি। পানির ন্যায্যতা পাইনি। বাংলাদেশের জনগণের প্রাপ্য দেশটিকে বুঝিয়ে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, মোদিবিরোধী ও জুলাই হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগ জড়িত। এই সবকিছুর বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বিচার এখন না হলে আর হবে কিনা বলা যাচ্ছে না।তিনি আরও বলেন, ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই। দেশটির মিডিয়া ৫ আগষ্ট পরবর্তী গুজব ছড়াচ্ছে। এসবের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল।এমআর-২
    এবার এমপি পদ ফেরত চাইলেন হিরো আলম
    ইশরাক হোসেনকে ঢাকার মেয়র ঘোষণার পরপরই নিজেকে সংসদ সংসদ সদস্য (এমপি) ঘোষণা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।হিরো আলম লিখেন, যেহেতু ইশরাককে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ঘোষণা করা হয়েছে। হিরো আলমকে ঢাকা–১৭ বগুড়া– ৪ ও ৬ আসনের এমপি পদ ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমি তো অনেক নির্যাতিত হয়েছি।হিরো আলমের এই স্ট্যাটাসে নেটিজেনদের সমর্থন লক্ষ করা গেছে। বেশির ভাগ নেটিজেন হিরো আলমের কথায় একমত পোষণ করেছেন। কেউ বলেন, ‘হিরো আলমের দাবি যৌক্তিক’। কেউ কেউ বলছেন, ‘ইশরাক যদি মেয়র হয়! হিরো আলম কেন নয়?’এর আগে, দেশের আলোচিত এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেছিলেন, তিনি আর রাজনীতিতে নেই।বিরতি নিয়েছেন। তিনি কোনো দলেও যোগদান করবেন না। নির্বাচনেও অংশ নেবেন না। মিডিয়া জগতের লোক, মিডিয়াতেই থাকতে চান হিরো আলম। তবে আজই নতুন করে এমপি পদ দাবি করে বসেন হিরো আলম।এমআর-২
    মেয়র হিসেবে শপথ নেব কি না, সেটা দলীয় বিষয়: ইশরাক
    ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল বাতিল করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে রায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ইকরাক বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি, এটা হলো মূল বিজয়। আমি মেয়র হতে পারব কি না বা শপথ নেব কি না, সেটা সম্পূর্ণ দলীয় বিষয়।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ন্যায়বিচার ফিরে আসুক। ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার পতনের পর সাধারণ মানুষ যে ন্যায়বিচার পায়, সেটার ধারা শুরু হচ্ছে বা শুরু হয়েছে। এই ধারাটা অব্যাহত থাকুক। বাংলাদেশের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য।’ ইশরাক বলেন, ‘২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। সেই নির্বাচনে দিনদুপুরে ভোট ডাকাতি হয়েছিল। নির্বাচনের প্রচারণার শুরু থেকেই আমরা অভিযোগ দিয়ে আসছিলাম।তখন আমাদের প্রচারণাকে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তখনকার বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিনা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। আমাদের প্রচারণার মাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। পোস্টা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। প্রচারণার শেষ পর্যায়ে আমার মিছিলে হামলা করে আমাদের অংসখ্য নেতাকর্মীদের মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে।নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি ও ভোট কারচুপি করা হয়। আমরা তখন মামলা করেছিলাম। সব কিছু আইনগতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’এমআর-২
    ডিসেম্বরে নির্বাচনের কথা বললেও জুনে চলে যায় কীভাবে, প্রশ্ন রিজভীর
    নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে যথার্থ ও স্পষ্ট নির্দেশনা নেই জানিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কথার সঙ্গে কাজের যথার্থ মিল থাকা উচিত। ডিসেম্বরে নির্বাচনের কথা বলা হলেও সেটি আবার মার্চ বা জুনে চলে যায় কীভাবে? সেই প্রশ্নও তুলেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় গরিব ও দুস্থদের মধ্যে ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।রুহুল রুহুল কবির বলেন, স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ছিল গণতন্ত্র। কিন্তু স্বাধীনতা পাওয়ার পরও দেশের গণতন্ত্র বারবার হরণ করেছে আওয়ামী লীগ। তারা সব সময় মিথ্যা ও ভাওতাবাজি করে দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।তিনি আরও বলেন, কথা ও কাজের মিল ছিল না ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার। তিনি জনগণের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে নিজে মালিক সেজে বসেছিলেন। ব্যাংক-বিমা লুট, বড় বড় প্রকল্পের আড়ালে তিনি ও তার পরিবার অর্থ লুট করেছেন। সেসব অর্থ লুট করে দেশের বাইরে পাচার করেছেন।এ সময় দ্রুত নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার আহ্বান জানান রিজভী।এমআর-২
    ১১ এপ্রিল স্বাধীনতা কনসার্ট রাজধানীসহ ৩ বিভাগীয় শহরে
    বিএনপি সমর্থিত সংগঠন 'সবার আগে বাংলাদেশ' এর আয়োজনে রাজধানীসহ দেশের ৩টি বিভাগীয় শহরে ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা কনসার্ট। ঢাকার কনসার্টটি আয়োজন করা হবে মানিক মিয়া এভিনিউতে।আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং সংগঠনের সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই কনসার্ট আয়োজন করা হচ্ছে।দেশের ৪টি মহানগর ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা এবং বগুড়ায় একই দিনে বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে কনসার্ট। রমজানের কারণে ঈদের পরে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, ‘দেশব্যাপী এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতিতে ভারতীয় এবং পাকিস্তানি সংগীতের আগ্রাসন রুখে দিয়ে দেশীয় সমৃদ্ধ কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরা।’ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম, খুলনায় স্টেডিয়ামে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। বগুড়ার ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ শুধু সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে কাজ করবে এমনটি নয়, দেশের যেখানে মানুষের সহায়তায় দরকার হবে সেখানেই এই সংগঠন কাজ করবে।’রাজধানী ঢাকায় সংগীত পরিবেশন করবেন জেমস, ফিডব‍্যাক, শিরোনামহীন, প্রীতম, জেফার, মিলা, মিফতাহ জামান। চট্টগ্রামে মাইলস, সাবকনশিয়াস বে অব বেঙ্গল, মিথুন বাবু। বগুড়ায় আর্টসেল, বেবি নাজনীন। খুলনায় ওয়ারফেইজ, কার্নিভেল, বাংলা ৫, কুঁড়েঘর, বালাম, তাহসান, কনা, নাসির, লিজা এবং পলাশ। এর বাইরে প্রত্যেক এলাকার আঞ্চলিক পরিবেশনা থাকবে। এইচএ
    ১০ বছর পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদ করবেন খালেদা জিয়া
    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১০ বছর পর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন। ২০১৫ সালের পর আবার ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতি-নাতনিদের সঙ্গে ঈদ করছেন তিনি। মাঝের বছরগুলোয় খালেদা জিয়া কিছুদিন কারাগারে এবং পরে বাসায় অন্তরীণ ছিলেন।দলের একটি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া ২০১৫ সালে যখন লন্ডনে ঈদুল আজহা উদযাপন করেন, তখনও তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানরা সঙ্গে ছিলেন। ছিলেন ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী-সন্তানরাও। কোকোর মৃত্যুর পর সেটি ছিল জিয়া পরিবারের জন্য এক দুঃসহ স্মৃতিময় ঈদ।গত কয়েক বছরের তুলনায় এখন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বেশ ভালো। তাই পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবারের ঈদ জিয়া পরিবারের জন্য অন্য রকম হবে।উন্নত চিকিৎসার জন্য গত জানুয়ারি মাসে লন্ডনে যান বিএনপির চেয়ারপারসন। ৮ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি লন্ডনের দ্য ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।বাসায় ফেরার পর গত দুই মাসে খালেদা জিয়াকে আর হাসপাতালে নিতে হয়নি। কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হলে দ্য ক্লিনিকের চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাসায় গিয়ে তাঁর স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সা‌বেক সি‌নেট সদস্য ও যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব কমার্স অ্যান্ড আইটির কর্ণধার নসরুল্লাহ খান জুনা‌য়েদ বলেন, ১৮ বছ‌রে খা‌লেদা জিয়ার ম‌তোন একজন নেত্রী এবা‌রের ম‌তো মাত্র তিনবার প‌রিবা‌রের সা‌থে ঈদ কর‌তে পার‌ছেন, সে‌টিও সম্ভব হ‌য়ে‌ছে উনি চি‌কিৎসার জন্য লন্ড‌নে আস‌তে পারায়।খা‌লেদা জিয়া বা তা‌রেক রহমানের সা‌থে যুক্তরাজ্য বিএন‌পি এবার কোনও ঈদ শু‌ভেচ্ছা বি‌নিময় অনুষ্ঠান কর‌বে কিনা এ প্রশ্নের জবা‌বে যুক্তরাজ্য বিএন‌পির সভাপ‌তি এম এ মা‌লেক ব‌লেন, তারা বড় প‌রিস‌রের হল পা‌চ্ছেন না। হ‌লের ব্যবস্থা করতে পার‌লে বিষয়‌টি চূড়ান্ত হ‌বে।খা‌লেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হো‌সেন সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন যে তার স্বাস্থ্যের উন্নতির ইতিবাচক লক্ষণ দেখা গেছে। ঈ‌দের পরই দে‌শে ফেরার কথা বল‌লেও ঠিক ক‌বে ফির‌তে পা‌রেন, সে‌টি এপ্রিলের কোন সপ্তা‌হে হ‌তে পা‌রে সে বিষয়ে কোনও তথ্য জানান‌নি তি‌নি।
    Loading…