এইমাত্র
  • দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইতে গিয়ে মায়েরা অপমানের শিকার হচ্ছেন: জামায়াত আমির
  • লক্ষ্মীপুর–২ আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে শঙ্কা
  • ফুলবাড়ীতে জাতীয় পার্টির সভাপতিসহ তিন জনপ্রতিনিধির বিএনপিতে যোগ
  • যশোরে তারেক রহমানের জনসভা, স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশের প্রত্যাশা বিএনপির
  • জীবননগরে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন
  • সুপার গ্রিন জাতের লাউ চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন খানসামার কৃষক
  • জীবননগরে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫৭ হাজার টন গম এল মোংলা বন্দরে
  • ঝালকাঠিতে ছেলের হাতে মা খুন
  • কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে র‍্যাবের অভিযান, ২০ দালাল আটক
  • আজ রবিবার, ১৮ মাঘ, ১৪৩২ | ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়তে পারে, প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হো‌সেন।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হো‌টে‌লে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)-এর নির্বাচন রি‌পো‌র্টিং বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তি‌নি।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ব‌লেন, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। আমার মনে হয় এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে। তি‌নি ব‌লেন, কো‌নো নির্বাচই শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে করা যায়‌নি। কো‌নো না কোনো ঝা‌মেলা ছিল। এবার এখন পর্যন্ত কিছু ঘটনা ঘ‌টে‌ছে এবং সেগু‌লোর বিষ‌য়ে ব্যবস্থা নেওয়া হ‌য়ে‌ছে। বিশ্বাস‌যোগ্য নির্বাচনা করা গুরত্বপূর্ণ। নির্বাচন শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে সম্পন্ন হ‌বে, মানুষ তার ভোটা‌ধিকার প্রয়োগ কর‌তে পার‌বে।নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ বিদেশিদের জানানো হয়েছে ব‌লেও জানান পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টা।হ্যাঁ ভোট নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে তিনি ব‌লেন, হ্যাঁ ভোট নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। জামায়াত-এনসিপি আগেই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলেছে। আর পরে বিএনপির চেয়ারম্যান হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলেছেন।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ব‌লেন, হ্যাঁ ভোটে মানুষ ভোট দেবে দলের কথা শুনে। এখন বড় বড় দলগুলো যেহেতু হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলেছে, হ্যাঁ ভোট খুব সহজেই হবে বলে আমার মনে হয়।নির্বাচনের পর প্রধান উপদেষ্টার জাপান সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো তথ্য নেই বলেও জানান উপদেষ্টা। এমআর-২
    ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করল ইরান
    ইউরোপের দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে ইরান। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার এ ঘোষণা দেন।ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডকে (আইআরজিসি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসীর তকমা দিয়েছে তেহরান।স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বিপ্লবী গার্ডের পোশাক পরে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার পাল্টা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে, আইনের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনী এখন থেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হবে।”গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়। যা সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করে দমন করে বিপ্লবী গার্ড। এই শক্তি প্রয়োগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত সপ্তাহে প্রতীকি ব্যবস্থা হিসেবে বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেয়।ইরানের স্পিকার আরও বলেছেন, “বিপ্লবী গার্ডের ওপর আঘাত হানতে গিয়ে ইউরোপীয়রা মূলত নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে তারা আবারও তাদের নিজেদের জনগণের স্বার্থবিরোধী একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণায় দেওয়ায় এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থাকে ইরান থেকে বহিষ্কারের ব্যাপারে পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বছর দেশটিতে শাহ শাসনের পতন ঘটিয়ে ইসলামিক বিপ্লবীরা। এরপর এ বিপ্লবকে রক্ষায় তৈরি করা হয় বিপ্লবী গার্ড। তারা সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ শাখা। তবে ইরানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ প্রায় সবক্ষেত্রে বিপ্লবী গার্ডের আলাদা প্রভাব রয়েছে। তারা ইরানের মিসাইল খাতটিও দেখে।সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড এমআর-২

    জাতীয়

    সব দেখুন
    ‘নির্বাচনে কোনো বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হবে না’
    নির্বাচনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। যেখানে যে রকম ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সেখানে সে রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রস্তুতি বেশ ভালো। নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। যে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর বেশির ভাগই নিজেদের দলের ভেতরে। কোনো অনুষ্ঠানে একজনকে দাওয়াত দিলে দুজন চলে আসে। তখন সিদ্ধান্তের অমিল হলে নিজেরাই লেগে যাচ্ছে। এ জন্য জনসচেতনতা জরুরি।’সম্প্রতি সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হাতে বিজিবি কর্মকর্তা নিহত হওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। চট্টগ্রামের প্রার্থীরা বিভিন্নভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘দু-একটি আসনে ছোটখাটো লঙ্ঘন যে হচ্ছে না, তা নয়। প্রতিদিনই প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ ফেসবুকে গুজব রটানো ঠেকাতে নির্বাচনের দিন ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করার পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গুজব বা মিথ্যা সংবাদ ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। নির্বাচনের সময় ইন্টারনেট খোলা থাকবে। কেউ বন্ধ করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আগে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে লিখতে বা প্রশ্ন করতে পারতেন না। এখন যেভাবে প্রশ্ন করতে পারছেন, তখন তা সম্ভব ছিল না। বর্তমান সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। তবে মিথ্যা নয়, সত্য সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।’নির্বাচনে নারী ভোটারদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনারা এখানে (সংবাদ সম্মেলনে) যেভাবে নিরাপদ, ভোটকেন্দ্রে ঠিক সেভাবেই নারীরা নিরাপদ থাকবেন।’ এমআর-২
    নির্বাচনী প্রচারের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক: প্রধান উপদেষ্টা
    আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রচারের সামগ্রিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স (ইউরোচেম)-এর চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানো, বাংলাদেশ-ইইউ বাণিজ্য সম্পর্ক আরও মসৃণ করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জোরদারে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়।ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যেন বাংলাদেশের রফতানি- বিশেষ করে তৈরি পোশাক- ইইউ’র বাজারে অব্যাহতভাবে প্রবেশাধিকার পায়, সেজন্য এখনই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।’ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে, যার ফলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩০০-এর বেশি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গেও একই ধরনের আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় সরকার।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে ইপিএ আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। এতে রপ্তানি পণ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ হলে আমাদের বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।’ইউরোচেমের চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশ বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা হারাতে পারে। তাই এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু করা জরুরি। তাঁর মতে, এ ধরনের চুক্তি হলে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং উন্নত পশ্চিমা বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও জোরদার হবে।নুরিয়া লোপেজ আরও বলেন, ভারত ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ করার পথে রয়েছে এবং ভিয়েতনাম আগে থেকেই এ ধরনের চুক্তির আওতায় সুবিধা পাচ্ছে। এতে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তারা ইউরোপের বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করেছে। ‘আমরা এফটি’র পক্ষে কাজ করছি। ইউরোপে গিয়ে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করব,’ বলেন তিনি।ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশ-ইইউ বাণিজ্য সম্পর্কের ধরন বদলাবে, তবে তা ২০২৯ সালের আগে নয়। তিনি জানান, প্রায় ২০ কোটি মানুষের বাজার হিসেবে বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনার বিষয়ে ইইউ আগ্রহী। এ লক্ষ্যে ২০২৬ সালে একটি ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতিও রয়েছে।মাইকেল মিলার বলেন, ‘ইইউ’র কোম্পানিগুলো যেন বাংলাদেশে এসে সমান সুযোগ পায় এবং বিনিয়োগে উৎসাহ পায়- এজন্য আগাম রাজনৈতিক বার্তা গুরুত্বপূর্ণ।’প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বড় সুযোগ পেতে পারে। দক্ষ শ্রমশক্তি ও তুলনামূলক কম ব্যয় বাংলাদেশের বড় শক্তি। তিনি জানান, সরকার একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তুলছে, যার লক্ষ্য বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্রে পরিণত করা।আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ইইউ’র পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি আমাদের গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে বড় আস্থার প্রতীক।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের সামগ্রিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক।’ এমআর-২
    ১২ জেলার ছাপা শেষ ব্যালট পেপার, পাঠানো হচ্ছে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে
    তিন পার্বত্য জেলাসহ ১২ জেলার সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার ছাপা শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসব ব্যালট পেপার পাঠানো হচ্ছে।রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ইসি সূত্রে জানা গেছে, ১২ জেলার সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার ছাপা শেষ হয়েছে। এগুলো হলো- পটুয়াখালী, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, হবিগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, লক্ষীপুর এবং তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি।এর আগে ছাপাখানাগুলোকে (প্রিন্টিং প্রেস) নির্বাচনী পোস্টার না ছাপার নির্দেশনা দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসি চিঠি দিয়েছে।রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার চলছে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারে কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যাতে আচরণবিধি লঙ্ঘন করতে না পারেন, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে ইসি। একই সঙ্গে নির্বাচনী পোস্টার মুদ্রণ না করতে প্রিন্টিং প্রেসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এমআর-২
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি
    বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি। ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ‘পাল্টা শুল্ক’ হ্রাস এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এদিন চূড়ান্ত চুক্তি হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে। সম্ভাব্য চুক্তিতে মার্কিন তুলায় তৈরি পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি বোয়িং বিমান কেনা ও জ্বালানি খাতে আমদানির মতো বড় বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকছে।  আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে চুক্তির খসড়া এবং ৯ ফেব্রুয়ারি তা স্বাক্ষর করার জন্য অনুমোদন চেয়ে আমরা সামারি পাঠিয়েছি। এটি অনুমোদিত হয়ে এলে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের পণ্যের ওপর প্রথমে ৩৭ শতাংশ এবং পরে ৩৫ শতাংশ ‘পাল্টা শুল্ক’ ঘোষণা করে আলোচনার সুযোগ রেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে তৃতীয় দফার আলোচনা শেষে গত ৩১ জুলাই পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। তবে এ জন্য দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিসহ বাংলাদেশকে বেশ কিছু ছাড় দিতে হয়।শুল্ক কত শতাংশ হতে পারে— এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, বাংলাদেশের রেসিপ্রোকাল শুল্কহার ২০ শতাংশ আছে। অন্যান্য দেশেও একই আছে, আবার অনেক দেশে বেশি আছে। তবে, আমরা আশা করছি হয়তো কিছু কমতেও পারে; সে ধরনের একটি ধারণা আছে। তবে, নিশ্চিত করে বলতে পারব না; এখনো তা নিশ্চিত হয়নি। আমরা খসড়া করেছি, তবে শুল্ক কত হবে সেটি নির্ধারণ করতে ৯ তারিখ পর্যন্ত সময় নেওয়া হবে।বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুবিধা পেতে বাংলাদেশকেও বেশ কিছু ছাড় দিতে হচ্ছে। গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর পাল্টা শুল্কের হার কমিয়ে ২০ শতাংশ কার্যকর করলেও দেশটির সঙ্গে কোনো চুক্তি হয়নি। পরে এই শুল্কহার আরও কমানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলায় উৎপাদিত পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা আদায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখে ঢাকা, যা চূড়ান্ত হয়ে চুক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি ভারত ইইউ-এর সঙ্গে একটি এফটিএ (মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) স্বাক্ষর করেছে— এটি নিয়ে সরকার কি উদ্বিগ্ন? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, এখানে উদ্বেগের কিছু নেই। আমরা তৈরি পোশাক খাতে গত ৪৫ বছর ধরে সক্ষমতা অর্জন করেছি এবং আমরা বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ। আমাদের এই খাতে দ্বিতীয় বৃহত্তম অবকাঠামো আছে। এই সক্ষমতা অন্য কেউ রাতারাতি অর্জন করে ফেলবে বলে আমাদের মনে হয় না।তিনি বলেন, আপনারা জানেন ভারত বেসিক টেক্সটাইলে বেশ শক্তিশালী এবং বিশ্ববাজারে তাদের ভালো অবস্থান আছে। আমরা কাঁচামালও তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করি। কাজেই এই দুই দেশ এখনো পরিপূরক (কমপ্লিমেন্টারি) অবস্থায় আছে। তাদের উপকরণ উৎপাদন এবং নিজস্ব তুলাও আছে। ফলে ভারত আমাদের প্রতিযোগী নয়, বরং পরিপূরক।এলডিসি থেকে উত্তরণের পর অনেক সুযোগ-সুবিধা হারানোর পাশাপাশি নতুন শুল্ক যুক্ত হবে—সেক্ষেত্রে এফটিএ নিয়ে সরকার নতুন কিছু ভাবছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, হ্যাঁ, আমরা অনেকগুলো দেশের সাথে এফটিএ করছি। আমরা জাপানের সাথে এফটিএ-র নেগোসিয়েশন শেষ করেছি। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের সাথে এফটিএ স্বাক্ষরিত হবে।তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং আশা করছি এই বছরের মধ্যেই তাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে আমরা এফটিএ-র প্রস্তাব পাঠিয়েছি এবং অন্যান্য যেসব বাজারে আমরা শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাই, সবগুলোর কাছেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেখানে আলোচনা শিগগিরই শুরু হবে।রমজানের প্রস্তুতির ব্যাপারে তিনি বলেন, রমজানের বাজার পরিস্থিতি, নিত্যপণ্যের মূল্য এবং রমজানভিত্তিক নির্দিষ্ট পণ্যগুলোর সরবরাহ নিয়ে আলোচনা করেছি। এ বছরের অবস্থা ভালো।যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, বিমান ক্রয়ের বিষয়টি আলোচনায় আছে। বিমানের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আমেরিকার সাথে এই চুক্তির আগেও পরিকল্পনা ছিল। শুধু বোয়িং নয়, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথেও আলোচনা ছিল। সেটি এখন একটি কাঠামোগত রূপ পেয়েছে। আমেরিকান রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ প্রসঙ্গে যতদূর জানি, তাদের সাথে নেগোসিয়েশন চলছে। বোয়িং কতগুলো এবং কোন বছর সরবরাহ করতে পারবে, দাম কী হবে এবং বিমানের ভেতরের কনফিগারেশন কেমন হবে— এসব নিয়ে আলোচনা চলছে।এখানে যুদ্ধবিমানও আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, যুদ্ধবিমান এই চুক্তির আওতায় কখনোই আসবে না। মিলিটারি ইস্যু কখনো ট্রেড ইস্যুতে থাকে না।গত ছয় মাসে রপ্তানি ৩.৭ শতাংশ নেতিবাচক— যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। এ নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমরা পর্যালোচনা করেছি। বিশ্ববাণিজ্যে ৩.৭ শতাংশ ঘাটতি হয়েছে। আমরা তো পৃথিবীর বাইরে নই, সেই হিসেবে আমাদের ওপর প্রভাব পড়েছে। তবে, আমাদের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ নয়, বরং ১.৬ শতাংশের মতো। অর্থাৎ গ্লোবাল অ্যাভারেজের চেয়ে আমরা ভালো অবস্থায় আছি।যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে উৎপাদিত পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা চুক্তিতে থাকবে কি না— জানতে চাইলে তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে এক দেশের উপকরণ ব্যবহার করলে কিউমুলেশন বেনিফিট পাওয়ার আশা থাকে। এটি একটি প্রগতিশীল প্রক্রিয়া এবং এ ধরনের সুবিধার জন্যই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করা হয়।বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলায় উৎপাদিত পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়ে আসছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলায় তৈরি পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া গেলে তা উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা রপ্তানি বাড়বে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিও বৃদ্ধি পাবে।বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩৪৬ মিলিয়ন ডলারের তুলা আমদানি করেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৭৮ মিলিয়ন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার এখনো যুক্তরাষ্ট্র।উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৬০০ কোটি ডলার থেকে কমাতে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৫০ কোটি ডলারের আমদানি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী কয়েক বছরে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কিনবে সরকার, যাতে খরচ হতে পারে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া কিছুটা বাড়তি দামে প্রতিবছর সাত লাখ টন করে গম আমদানি করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক পণ্য, বেসামরিক উড়োজাহাজ যন্ত্রাংশ, জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল ও তুলার আমদানি বাড়ানো এবং এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা হবে।এইচএ
    নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়তে পারে, প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হো‌সেন।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হো‌টে‌লে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)-এর নির্বাচন রি‌পো‌র্টিং বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তি‌নি।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ব‌লেন, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। আমার মনে হয় এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে। তি‌নি ব‌লেন, কো‌নো নির্বাচই শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে করা যায়‌নি। কো‌নো না কোনো ঝা‌মেলা ছিল। এবার এখন পর্যন্ত কিছু ঘটনা ঘ‌টে‌ছে এবং সেগু‌লোর বিষ‌য়ে ব্যবস্থা নেওয়া হ‌য়ে‌ছে। বিশ্বাস‌যোগ্য নির্বাচনা করা গুরত্বপূর্ণ। নির্বাচন শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে সম্পন্ন হ‌বে, মানুষ তার ভোটা‌ধিকার প্রয়োগ কর‌তে পার‌বে।নির্বাচনকালীন সহিংসতা নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ বিদেশিদের জানানো হয়েছে ব‌লেও জানান পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টা।হ্যাঁ ভোট নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে তিনি ব‌লেন, হ্যাঁ ভোট নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। জামায়াত-এনসিপি আগেই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলেছে। আর পরে বিএনপির চেয়ারম্যান হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলেছেন।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ব‌লেন, হ্যাঁ ভোটে মানুষ ভোট দেবে দলের কথা শুনে। এখন বড় বড় দলগুলো যেহেতু হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলেছে, হ্যাঁ ভোট খুব সহজেই হবে বলে আমার মনে হয়।নির্বাচনের পর প্রধান উপদেষ্টার জাপান সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো তথ্য নেই বলেও জানান উপদেষ্টা। এমআর-২
    তফসিল ঘোষণার পর থেকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক ১৭৭৪ জন
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে সর্বমোট ১৭৭৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে আইএসপিআর।আইএসপিআর জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১৭৯টি অস্ত্র ও ১৯৪১ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময়ে আটক করা হয়েছে ১,৭৭৪ জনকে।এইচএ
    টানা ৯ মাসের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা শুরু
    সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে টানা ৯ মাস পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। এ সিদ্ধান্তে দ্বীপের পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও পরিবহন খাতের মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।  গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) চলতি মৌসুমের শেষদিনে শেষবারের মতো পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপে যাতায়াত করছে। নতুন কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।সাধারণত প্রতিবছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি উন্মুক্ত থাকলেও এবার সময়সীমা কমিয়ে নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। নভেম্বর মাসে পর্যটকদের রাতযাপনও নিষিদ্ধ ছিল। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার পর্যটক করে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করেছেন। তবে পর্যটকসংখ্যা বেশি হলেও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তেমন লাভবান হননি।  কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইন সজিব জানান, শনিবারই শেষবারের মতো সেন্টমার্টিনগামী জাহাজগুলো পর্যটকদের নিয়ে দ্বীপে যাবে। রবিবার থেকে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি থাকবে না। তবে সরকার পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সেন্টমার্টিনে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দে গান বাজানো ও বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ ছিল। একইসঙ্গে কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।এছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ কোনো জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না—এমন কঠোর নির্দেশনাও ছিল। সৈকতে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরচালিত যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। পলিথিনসহ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহনে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় এবং পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।প্রশাসনের মতে, দীর্ঘ সময় পর্যটক না থাকলে প্রবাল, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণির প্রাকৃতিক আবাস পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবে। অতিরিক্ত পর্যটক চাপ ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জীববৈচিত্র্যকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেই এই দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া এই পদক্ষেপ সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রশাসন।এদিকে আশা নিয়ে সেন্টমাটিনে পর্যটন খাতে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু ৩ মাস পর পর্যটন ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। বছরে ৫ মাস সেন্টমার্টিন খুলে দেওয়া ও পর্যাপ্ত পর্যটক যাতায়াতের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।এইচএ
    প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি সানাউল্লাহ
    প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যবহৃত ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।র‌বিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ইসি সানাউল্লাহ বলেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধু প্রিজাইডিং অফিসার কলম সঙ্গে নিতে পারবেন, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনসিল ব্যবহার করবেন। ভোটের দিন প্রতি আসনে ১০ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনারের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের আপ্যায়ন বা আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেন তিনি। অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সত্য ও সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও আহত ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব জেলা ও প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।’নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান। নির্দেশনার পরও কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।’ এমআর-২

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ‌‘জামায়াতের জোয়ারে একটি দল দিশেহারা হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে’
    জামায়াতের জোয়ারে একটি দল দিশেহারা হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরের ইব্রাহীমপুরে নির্বাচনী পথসভায় জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, একদল ভোটের আগেই যা শুরু করেছে, তাদের কাছে দেশ নিরাপদ নয়। এদের হাতে দেশ তুলে দেয়া যাবে না। টুইটার হ্যাক করে নোংরা পোস্ট দেয়া হয়েছে। আমরা তা উন্মোচন করেছি। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে পরোয়া করিনি, অন্য কারো কাছে মাথা নত করার প্রশ্নই ওঠে না। নারীদের সম্মান নিশ্চিতের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মায়েদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে চায় জামায়াত। নারীরা নিরাপত্তা ও ইজ্জতের সঙ্গে বসবাস করবে জামায়াত সেই বাংলাদেশ গড়তে চায়।  তিনি বলেন, বুকের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদ তাড়ানো হয়েছে, নতুন করে কাউকে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেয়া হবে না। রাজনীতিতে আর জমিদারি চলবে না, রাজনীতি হবে জনগণের। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে পাচার হওয়া সব টাকা ফিরিয়ে আনা হবে। এমআর-২
    ‌‘জামায়াতের জোয়ারে একটি দল দিশেহারা হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে’
    জামায়াতের জোয়ারে একটি দল দিশেহারা হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরের ইব্রাহীমপুরে নির্বাচনী পথসভায় জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, একদল ভোটের আগেই যা শুরু করেছে, তাদের কাছে দেশ নিরাপদ নয়। এদের হাতে দেশ তুলে দেয়া যাবে না। টুইটার হ্যাক করে নোংরা পোস্ট দেয়া হয়েছে। আমরা তা উন্মোচন করেছি। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে পরোয়া করিনি, অন্য কারো কাছে মাথা নত করার প্রশ্নই ওঠে না। নারীদের সম্মান নিশ্চিতের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মায়েদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে চায় জামায়াত। নারীরা নিরাপত্তা ও ইজ্জতের সঙ্গে বসবাস করবে জামায়াত সেই বাংলাদেশ গড়তে চায়।  তিনি বলেন, বুকের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদ তাড়ানো হয়েছে, নতুন করে কাউকে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেয়া হবে না। রাজনীতিতে আর জমিদারি চলবে না, রাজনীতি হবে জনগণের। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে পাচার হওয়া সব টাকা ফিরিয়ে আনা হবে। এমআর-২
    বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরও ১৯ জনকে বহিষ্কার
    দলের সিদ্ধান্ত না মেনে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় ১৫ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বহিষ্কৃতরা হলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমিরণ দেওয়ান, নেত্রকোনা জেলাধীন আটপাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য আলী হায়দার কাঞ্চন ও এম জি শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আফজল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ওসমান খাঁন, অরুয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য অ্যাড. মনোয়ার হোসেন রাসেল, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জাকির হোসেন, মুলুক হোসেন, কালীকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন অর রশিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহসভাপতি সুলতান মাহমুদ মোল্লা, বিল্লাল হোসেন, মো. আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিপ্লব, মো. মুসলিম আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. আকতার খন্দকার, থানা বিএনপির সদস্য জাহিদ হাসান রোজেল, নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, কুতুবপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আ. রাজ্জাক রাজা, কুমিল্লা উত্তর জেলাধীন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম জহুর ও পাবনা জেলাধীন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আনিছুর রহমান লিটন।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। এমআর-২
    আমিরের এক্স আইডি হ্যাক, ইসি ও সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জামায়াতের
    দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স আইডি হ্যাক করার মধ্যদিয়ে অপপ্রচারের ঘটনায় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতের ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানায়।দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াত আমির যখন নারীদের শিক্ষাসহ বিভিন্ন অধিকার নিয়ে কথা বলছেন, তখনই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও সরকারের দায়িত্ব। এ সময় ভোটের প্রচারণায় গেলে জামায়াতের নারী কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়া হচ্ছে অভিযোগ তুলে ইসির কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে বলেও জানান জুবায়ের।  এ সময় দলের শীর্ষ পদে আসতে পারবেন না, এটা মেনেই জামায়াতের নারী কর্মীরা রাজনীতি করেন বলে মন্তব্য করেন মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দীকা।   এমআর-২
    ভোট আমরা দেবই, কেউ যেন দুষ্টামি করার সাহস না পায়: মির্জা ফখরুল
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন বানচাল ও ভন্ডুল করার জন্য কিছু লোক সব সময় চেষ্টা করে। তবে এবার নির্বাচন কেউ বন্ধ করতে পারবে না। দেশের মানুষ জেগে উঠেছে যে, ভোট আমরা দেবই। তা কেউ ঠেকাতে পারবে না।আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী এলাকা সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটের দিন আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন, যেন কেউ গন্ডগোল করতে না পারে। হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে— সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কেউ যেন দুষ্টামি করার সাহস না পায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ তারিখে আপনারা সবাই শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতীক ধানের শীষের ব্যানার হাতে নিয়ে মাঠে দাঁড়াবেন। পথসভা চলাকালে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মামুনের বোন তার মাটির ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ ও নিজ হাতে পালিত মুরগির কিছু ডিম বিএনপি মহাসচিবের হাতে তুলে দেন। এতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন, যা উপস্থিত জনতার মাঝেও আবেগের সঞ্চার করে।এইচএ
    ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব: হাসনাত
    কুমিল্লা-৪ আসনে ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ঋণখেলাপি হওয়ার দায়ে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়া ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের জন্য একটি বার্তা।  তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব।আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল রাখার পর সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।  হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আপিল বিভাগের আজকের আদেশে জনগণের বিজয় হয়েছে; জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের জয় হয়েছে। ব্যাংক ডাকাতি করে কেউ জনগণের ভোট আদায় করে সংসদে যেতে পারবে না। এ সময় আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা ও আলী আজগর শরীফী উপস্থিত ছিলেন।এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এর ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।রবিবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে মুন্সীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেন ওই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে কুমিল্লা-৪ আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে ইসি।প্রার্থিতা ফিরে পেতে এবং ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। গত ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট সেই রিট সরাসরি খারিজ করে দিলে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন।  এইচএ
    জামায়াতের আমিরের হ্যাকড এক্স অ্যাকাউন্ট উদ্ধার, থানায় জিডি
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সাইবার হামলার মাধ্যমে নারী বিদ্বেষী ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো হয়, যা আমিরের বক্তব্য ও অবস্থানের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। জামায়াত সূত্র জানায়, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার পরপরই আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়। সাড়ে ৪টার দিকে হ্যাকড অ্যাকাউন্ট থেকে একটি অপ্রত্যাশিত ও আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই জামায়াতে ইসলামীর সাইবার টিম অ্যাকাউন্ট উদ্ধারে কাজ শুরু করে। বিকেল ৫টার কিছু সময় পরে অ্যাকাউন্টের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া সম্ভব হয় এবং বিতর্কিত পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়।তবে ওই স্বল্প সময়ের মধ্যে দেওয়া পোস্টটি স্ক্রিনশট ও কপি করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ এবং দায়ীদের শনাক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এ কারণে সোমবার মধ্যরাতেই হাতিরঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, হ্যাকড অবস্থায় দেওয়া ওই পোস্টটি নারীদের অবমাননাকর ছিল, যা আমিরের চিন্তা-চেতনা ও পূর্বের বক্তব্যের সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা।এদিকে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, অত্যন্ত সমন্বিত পদ্ধতিতে সাইবার হামলা চালিয়ে সাময়িকভাবে আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সাইবার টিম অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়।তিনি আরও বলেন, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, পরিচয় জালিয়াতি করা এবং বিকৃত কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় ও নৈতিকভাবে নিন্দনীয়। এতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, যাচাই ছাড়া কোনো কনটেন্ট শেয়ার না করতে এবং শুধুমাত্র অফিসিয়াল ও বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য গ্রহণ করতে।এইচএ
    যে কারণে স্থগিত হলো জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এ ইশতেহার ঘোষণার কথা ছিল।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে জানানো হয়, অনিবার্য কারণে আজ ইশতেহার ঘোষণা করা হচ্ছে না।জামায়াতে ইসলামীর মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আকস্মিক ও জরুরি শেরপুর সফরের কারণেই মূলত ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।স্থগিত হওয়া এ অনুষ্ঠানের পরবর্তী সময় ও তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে, তা রোববার বিকেলের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ রেজাউল করিমের স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং কবর জিয়ারত করতে শেরপুরের শ্রীবরদী যাবেন জামায়াত আমির।জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ সিনিয়র প্রচার-সহকারী মুজিবুল আলম জানান, শহীদ রেজাউল করিমের স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কবর জিয়ারতের পর তিনি শেরপুর ও জামালপুরে ২টি নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন। বেলা সাড়ে ১১টায় শেরপুর জেলা শহরে নির্বাচনী জনসভা ও দুপুর সাড়ে ১২টা জামালপুরে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।সবশেষ ঢাকায় ফিরে নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জনসংযোগ ও জনসভা করবেন তিনি।এবি 

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফ্রি ইন্টারনেট পাবে সবাই: মাহদী আমিন
    বিএনপি যদি ক্ষমতায় যায়, তাহলে সবার জন্য বিনা মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। পাশাপাশি দলটি জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিতেও কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীতে ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি সেক্টরের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করবে।’তিনি আরও জানান, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভ করলে বাংলাদেশের জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি।’তিনি আরও বলেন, ‘যারা মেধাবী তাদের জন্য জুতসই সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার পরিকল্পনায় এ বিষয়গুলো রেখেছেন।’ আরডি 
    ‘কিছু অর্বাচীন বালকদের হাত থেকেও দেশকে রক্ষা করতে হবে'
    শেখ হাসিনার হাত থেকে দেশ পরিত্রাণ পেয়েছে। পাশাপাশি কিছু অর্বাচীন বালকদের হাত থেকেও দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর পল্টনের আনন্দ ভবনে বায়রা ও হাব নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।মির্জা আব্বাস বলেন, ‘কিছু ছেলে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে লম্বা লম্বা কথা বলছে। ঘুম থেকে উঠে আল্লাহর নাম না নিলেও তারা আমার নাম নেয়। আরে ভাই, ঘুম থেকে উঠে আল্লাহর নাম নাও, প্রশংসা করো।’তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা ৮ আসনে তারা এমন কিছু করতে চাচ্ছে যাদের সারাদেশের ভোট বন্ধ হয়ে যায়। তবুও আমরা ধৈর্য ধরে আছি, সহ্য করে আছি। কিন্তু ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙ্গবে না। বিএনপি স্বচ্ছ নির্বাচন চায়।’তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন কেউ দান করেনি। কেউ কেউ বলে ৫ আগস্ট সবকিছু করে ফেলেছে, অথচ ১৭ বছর আমরা কী পরিমাণ ত্যাগ করেছি। শেখ হাসিনা পালানোর পালানোর পর আমাদের যেই রকম ভালো থাকার কথা ছিলো, সেই রকম ভালো আমরা নেই। কোন স্বার্থের জন্য মির্জা আব্বাসকে কেউ এক কাপ চা খাওয়াতে পারেনি।’এসময় নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব করা হলে তা মেনে নেয়া হবে না জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটের পর যদি ১২ ঘন্টার বেশি ফল দিতে দেরি করে, সেটা কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। এজন্য ভোটের আগে দরকার হলে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কেন্দ্র ভিত্তিক ফল ঘোষণার আগে কোন পোলিং এজেন্ট কেন্দ্র ছাড়বে না।’
    উনি সকালে উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
    ঢাকা-৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পাবলো এসকোবার কার্টেল কিং ছিলেন তেমনি ঢাকা-৮ আসনেও তার মতো একজন রয়েছেন। উনি সকাল বেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি)  সকালে ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। সমাজের সবচেয়ে উপরস্থ কর্মকর্তা ব্যক্তি উনি। সকাল বেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে।’তিনি বলেন, ‘এখানে অনেকগুলা অসভ্য মানুষদের পাল্লায় পড়েছি। কথা বলে গ্যাংস্টারদের ভাষায়। জুনিয়রদেরকে ভালোবাসা ও সম্মান দিতে শিখেনি। একটা আইয়ামে জাহেলিয়াতে আছি। পাকিস্তানের একজন গ্যাংস্টার আছে দাউদ ইব্রাহিম, তেমনি এখানেও এ ধরনের দাউদ ইব্রাহিমরা চলে এসেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘ভোটের মাধ্যমে আপনারা তাদেরকে সভ্য করবেন। ভোটের মাধ্যমে আগামী ১২ তারিখে আমরা আইয়ামে জাহেলিয়া থেকে মুক্ত হতে চাই। ভোটের মাধ্যমে আমরা যারা মানুষের সঙ্গে বেয়াদবি করছে, সন্ত্রাসী আচরণ করছে; আমরা তাদের থেকে মুক্ত হতে চাই।’আরডি
    ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ
    মাসব্যাপী আয়োজিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ছুটির দিন হওয়ায় শেষদিনেও ভালো বেচাকেনার প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার শেষ দিনের বিক্রি তুলনামূলক বেশি হতে পারে। বিশেষ করে ছুটির দিনে মেলার সমাপ্তি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই শেষ মুহূর্তে কেনাকাটার সুযোগ নিতে এসেছেন। কর্মদিবসে দর্শনার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও ছুটির দিনগুলোতে ছিল উল্লেখযোগ্য ভিড়।তবে ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ বলছেন, পুরো মেলার সময়জুড়ে ব্যবসা প্রত্যাশামতো হয়নি। রাষ্ট্রীয় শোক পালনের কারণে এবার তিন দিন কম সময় পেয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি মেলার শুরুতে বৈরী আবহাওয়া এবং জাতীয় নির্বাচনের প্রভাবও বেচাবিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করছেন অনেকে।অন্যদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, সার্বিক হিসাবে এবছর মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবছর দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি ছিল। পাশাপাশি ভ্যাট আদায়ও বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ।শেষ দিনের ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অধিকাংশ স্টল ও প্যাভিলিয়নে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ মূল্যছাড়। কোথাও ১০ শতাংশ, কোথাও আবার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উপহার ও গিফট ভাউচারের নানা অফার, যা শেষ দিনে কেনাকাটার আগ্রহ বাড়িয়েছে।উল্লেখ্য, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসর চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। পহেলা জানুয়ারি উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিবিসিএফইসি ভবনে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।আরডি
    রাজধানীতে রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধসহ আহত ৮
    রাজধানী ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত ‘পাস্তা ক্লাব’ রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে দগ্ধসহ ৮ জন আহত হয়েছেন।গতকাল শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টা ১৫ মিনিটে ওয়ারী থানাধীন বাটা শোরুম ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘পাস্তা ক্লাব’ রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন- শাহ আলাম (৪৫), ইউনুস (৩০), সৌরভ (২৫), মেহেদী (২৫), মোস্তফা (২৭), আবির (২২), জসিম (২৮) ও কামরুল (২০)। প্রত্যক্ষদর্শী ইউসুফ শেখ নামে একজন জানান, বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ৬ আহত ও ২ জন দগ্ধ হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে।ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. হারুন অর রশিদ জানান, ওয়ারীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় বার্ন ইনস্টিটিউটে কামরুল এবং জসিম নামে ২ জনকে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে কামরুলের শরীরের ৮ শতাংশ এবং জসিমের শরীরের ৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ও আহতসহ ৮ জনকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগ ও বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং দগ্ধ ২ জনকে বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এইচএ
    জীবননগরে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন
    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের জীবননগর উপজেলা শাখার আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের পাশাপাশি একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয়সহ জীবনযাত্রার সব খরচ বেড়ে গেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বেতন–ভাতা বাড়েনি। বর্তমান বেতনে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।তাঁরা বলেন, ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি যৌক্তিক ও সময়োপযোগী। এটি সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার। দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মো. রাকিব, তরিকুল ইসলাম, মো. রুহুল আমিন, মো. আলী কদর, কাজল আহমেদ, মো. খালিদ হোসেন, ওয়াসিম, মো. আবুল হোসেন, আব্দুর রশিদ ও হুমায়ুন কবীরসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মচারীরা অংশ নেন।ইখা
    জীবননগরে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা
    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় সরিষা–বোরো–রোপা আমন শস্যপদ্ধতিতে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।জীবননগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে রোববার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার শাপলাকলি পাড়ায় এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন। উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইয়াছিন আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাভেল রানা এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহ আলম, আলমগীর হোসেন ও নুরুজ্জামান।আলোচনায় বক্তারা বলেন, জীবননগরের কৃষিজমি অত্যন্ত উর্বর এবং বছরে তিনটি ফসল চাষের উপযোগী। তবে বর্তমানে উপজেলার প্রায় ৬০ শতাংশ জমিতে বছরে মাত্র দুটি ফসল আবাদ করা হচ্ছে, বাকি সময় জমি পতিত থাকে।বক্তারা জানান, বারি সরিষা–১৪ জাতের জীবনকাল মাত্র ৮০ থেকে ৮৫ দিন এবং এতে তেলের পরিমাণ বেশি। প্রতি কেজি সরিষা থেকে গড়ে প্রায় ৪৫০ গ্রাম তেল পাওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই জাতের সরিষা চাষ করলে একই জমিতে বছরে তিনটি ফসল আবাদ করা সম্ভব।তাঁরা আরও বলেন, সরিষা অনেক ফসলের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবেও চাষ করা যায়। এতে একদিকে ভোজ্য তেলের পারিবারিক চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে উদ্বৃত্ত উৎপাদন বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারবেন।মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৭০ জন কৃষক ও কৃষাণী অংশ নেন।ইখা
    যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫৭ হাজার টন গম এল মোংলা বন্দরে
    যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা আরও ৫৭ হাজার ৫০০ টন গম মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে পানামা পতাকাবাহী আলট্রা ওল জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষা শেষে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজটি গত ২৯ জানুয়ারি মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়ায় এসে নোঙর করে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে রবিবার সকালে গম খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়।জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিস’-এর ব্যবস্থাপক মো. শামিম বলেন, আলট্রা ওল জাহাজটি গত বছরের ২১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড (ওরেগন) বন্দর থেকে মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে এবং ২৯ জানুয়ারি বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়ায় এসে পৌঁছায়।মোংলা খাদ্য কার্যালয়ের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবহান সরদার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সরকার-থেকে-সরকার (জি টু জি) চুক্তির আওতায় এ গম আমদানি করা হচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় মোংলা বন্দর দিয়ে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টন গম আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এটি চতুর্থ চালান।তিনি আরও জানান, এর আগে গত বছরের ২ নভেম্বর প্রথম চালানে ২২ হাজার ৭৮০ টন, ১৪ নভেম্বর দ্বিতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮৭৫ টন এবং চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি তৃতীয় চালানে ২২ হাজার ৭৫৬ টন গম আমদানি করা হয়। এসব গম প্রথমে সরকারি খাদ্যগুদাম মোংলা সাইলোতে মজুত করা হয়। পরে সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গত বছরের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। পাঁচ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির আওতায় নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি করা হচ্ছে।ইখা
    যশোরে দশটি গ্রেনেড, চারটি বিদেশি পিস্তলসহ ৩৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
    যশোরের বাঘারপাড়া যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১০টি শক্তিশালী গ্রেনেড, ৪টি বিদেশি পিস্তল ও ৩৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ৮ টা পর্যন্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের দড়িআগ্রা গ্রামের চুন্নু মোল্যার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করে। অভিযানের আগেই অস্ত্র ও গোলাবারুদের মালিক রায়হান পালিয়ে যান। জানা গেছে, এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আকিবের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বাড়ির ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ১০টি গ্রেনেড, ৪টি বিদেশি পিস্তল (৭.৬৫ এমএম, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত), ৩৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১ চাপাতি, ১ ছুরি, ১ টি খুর উদ্ধার করা হয়।  অভিযান শুরুর আগেই বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আকিব সাংবাদিকদের জানান,নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় ধরণের নাশকতা সৃষ্টির জন্য অস্ত্র বিস্ফোরক মজুদ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, দড়িআগ্রা গ্রামের চুন্নু মোল্লার বাড়িতে রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযানে গ্রেনেড ও অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি চাপাতি ও ছুরিও উদ্ধার করা হয়। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের মালিক চুন্নু মোল্যার ছেলে রায়হান মোল্যা অভিযানের আগেই তিনি পালিয়ে যান। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রায়হানকে আটকের চেষ্টা চলছে।  এসআর
    ভারত ভ্রমণে শর্ত আরোপে বেনাপোলে যাত্রী কমেছে সাড়ে ১৩ লাখ
    ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে ভ্রমণ খাতে। ভিসা প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি, একের পর এক শর্ত আরোপ এবং ভ্রমণ কর বৃদ্ধির কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতগামী যাত্রী উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত ভ্রমণে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত কমেছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার ৮৪ জন।বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা, ব্যবসা ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রতিবছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে ২০ থেকে ২২ লাখ পাসপোর্টধারী যাতায়াত করতেন। এতে উভয় দেশের যাত্রীরা যেমন সুবিধা পেতেন, তেমনি ভ্রমণ খাত থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রায় ১৫০ কোটি টাকা এবং ভারত সরকারের প্রায় ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো।তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারত সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার মেয়াদ সংক্ষিপ্ত করা, নানা শর্ত আরোপ এবং ভ্রমণ কর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে ভ্রমণ খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী ভিসা না পাওয়ায় বাংলাদেশি যাত্রীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।বেনাপোল স্থলবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে মোট ২০ লাখ ১৪ হাজার ১২ জন দেশি ও বিদেশি পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। এর মধ্যে ভারতে গেছেন ১০ লাখ ১৮ হাজার ৭৫ জন এবং ভারত থেকে ফিরেছেন ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩৭ জন।অন্যদিকে ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত যাতায়াত করেছেন মাত্র ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯২৮ জন। এর মধ্যে ভারতে গেছেন ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ জন এবং ভারত থেকে ফিরেছেন ৩ লাখ ২২ হাজার ২২০ জন। এতে দেখা যাচ্ছে, এক বছরের ব্যবধানে যাত্রী যাতায়াত কমেছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার ৮৪ জন। ফলে ভ্রমণ খাতে ভারত সরকারের রাজস্ব কমেছে আনুমানিক ১২১ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকারের কমেছে প্রায় ১৪৩ কোটি টাকা।সর্বশেষ দুই দিনে (শুক্রবার ও শনিবার) বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে গেছেন মাত্র ২ হাজার ৯৮৯ জন। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে দৈনিক ৫ থেকে ৭ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করতেন, সেখানে বর্তমানে সংখ্যা নেমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।পাসপোর্টধারী আনিছুর রহমান বলেন, ‘ভিসা পেতে এখন অনেক টাকা ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। তিনবার আবেদন করার পর মেডিকেল ভিসা পেয়েছি। এরপরও সিরিয়াল কিনতে পাসপোর্টপ্রতি ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন।’বেনাপোল বন্দরের ট্রাভেল এজেন্সির স্বত্বাধিকারী আজিজুল হক বলেন, বর্তমানে ভারত ভ্রমণে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্রমণ কর ১ হাজার ৬১ টাকা, ভারতীয় দূতাবাসকে ভিসা ফি ১ হাজার ৫০০ টাকা, ভিসা সিরিয়াল বাবদ ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা এবং ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে প্রায় ৬০০ টাকা দিতে হয়। এ ছাড়া পাসপোর্ট জমা দিতে ঢাকায় যাতায়াত বাবদ আরও প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সব মিলিয়ে একজন যাত্রীর ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ভারত ভ্রমণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন বলেন, ‘ভিসা প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি ও নানা শর্তের কারণে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ক্রমেই কমে আসছে। গত বছরের তুলনায় যাত্রী কমেছে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি।’ভুক্তভোগী যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।ইখা
    মারিশ্যা জোনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ
    রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)র অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গোল কাঠ উদ্ধার করা হয়েছে।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিজিবি'র পক্ষ থেকে জানান গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় হাবিলদার মোঃ আমান উল্লাহ এর নেতৃত্বে বটতলী নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় মালিকবিহীন অবৈধ সেগুন কাঠ ১৫৫.৫৩ ঘনফুট আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত কাঠের সিজার মূল্য ৬,৬৮,৭৭৯/-মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি) এর জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি বলেন, মারিশ্যা জোন এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও মারিশ্যা জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাকারবারী কর্তৃক বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে চোরাচালানী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় মারিশ্যা জোন কর্তৃক উক্ত চোরাচালান প্রতিরোধকল্পে সর্বদা গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আভিযানিক টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে চোরাচালান দমন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এসআর
    চট্টগ্রামে সজ্জাদ হত্যায় জড়িত ‘মূল হত্যাকারী’ গ্রেপ্তার, মিলল ব্যবহৃত মোটরসাইকেল
    চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সিএনজি চালক মো. সজ্জাদ (২২) হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন আসামিকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, পলাতক আরও দুই আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) গভীর রাতে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় বাংলাদেশ কনভেনশন হলের সামনে থেকে লিয়াকত আলী (৪৮) কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার লিয়াকত আলী চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২ নম্বর সাধনপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লটমনি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের রাতে সজ্জাদের হাত-পা বাঁধার জন্য গামছা কেনেন লিয়াকত আলী। পরে দুইটি ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। মরদেহের পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করতে চোখ উপড়ে ফেলার মতো নৃশংসতার প্রমাণও তদন্তে পাওয়া গেছে।পুলিশ জানায়, মামলার রহস্য উদঘাটনে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিয়াকত আলী হত্যাকাণ্ডে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।পুলিশ আরও জানায়, লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ছিনতাই ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য।আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডে এর আগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মোট ছয়জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।গ্রেফতারকৃত লিয়াকতকে আজ দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”উল্লেখ্য, নিহত সজ্জাদ আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পেশায় তিনি সিএনজি অটোরিকশা চালক ছিলেন। গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর সিএনজি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। চার দিন পর ১৮ সেপ্টেম্বর বরুমছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী নুরুল হকের একটি ফিশারিজ পুকুরের পাড়ের নিচে পানি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. নাছির ড্রাইভার বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।এসআর
    চট্টগ্রামে ১১–দলীয় জোটে টানাপোড়েন, চার আসনে ভোটারদের বিভ্রান্তি
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামের রাজনীতিতে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ভেতরের টানাপোড়েন ক্রমেই প্রকাশ্যে আসছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সমঝোতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার বাস্তব প্রয়োগে তৈরি হয়েছে জটিলতা, বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে চট্টগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও শরিক দলগুলোর ভূমিকার মধ্যে দ্বন্দ্ব ভোটের রাজনীতিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।জামায়াতের দলীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটি আসন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এসব আসন হলো—চট্টগ্রাম–৫ (হাটহাজারী), চট্টগ্রাম–৮ (চান্দগাঁও–বোয়ালখালী), চট্টগ্রাম–১২ (পটিয়া) ও চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ)। সমঝোতা অনুযায়ী চট্টগ্রাম–১২ ও ১৪ আসন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), চট্টগ্রাম–৫ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং চট্টগ্রাম–৮ জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দেওয়া হয়।কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব আসনে জামায়াত নিজেদের প্রার্থী না দেওয়ার কিংবা শরিক দলের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চারটির মধ্যে দুটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক থেকে গেছে। ফলে শরিক দলের প্রতীকের পাশাপাশি জামায়াতের প্রতীকও ভোটারদের সামনে হাজির হয়েছে। এতে ১১–দলীয় ঐক্যের রাজনৈতিক বার্তা দুর্বল হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।চট্টগ্রাম–৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. নাসির উদ্দীন এবং চট্টগ্রাম–১৪ আসনে এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুক নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন। এসব এলাকায় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতের আলাদা কোনো দৃশ্যমান প্রচারণা দেখা যায়নি। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে ঐক্যের প্রার্থী নিয়ে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়নি।তবে ভিন্ন চিত্র চট্টগ্রাম–৮ ও চট্টগ্রাম–১২ আসনে।চট্টগ্রাম নগরের পাঁচটি ওয়ার্ড ও বোয়ালখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম–৮ আসনে ১১–দলীয় ঐক্যের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন। একই সময়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছেরের পোস্টার, ব্যানার ও বিলবোর্ড দেখা যাচ্ছে চান্দগাঁও, মোহরা, কধুরখীল, বোয়ালখালী পৌর সদর, চরখিদিঘিরপুর, পশ্চিম গোমদণ্ডী ও তুলাতল এলাকায়। এতে ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—১১–দলীয় ঐক্যের প্রকৃত প্রার্থী আসলে কে?এনসিপির প্রার্থী জুবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আলোচনা চললেও মাঠপর্যায়ে প্রত্যাশিত সমন্বয় পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর মতে, জোটের পক্ষ থেকে যে ধরনের ঐক্যবদ্ধ প্রচারণা থাকার কথা, বাস্তবে তার ঘাটতি রয়েছে।এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, চট্টগ্রাম–৮ ও চট্টগ্রাম–১২ আসনে জামায়াত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদেরই সমর্থন দিচ্ছে। তাঁর দাবি, মূল প্রচারণা চালাচ্ছেন শরিক দলের প্রার্থীরাই।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক স্থানীয় নেতা বলেন, মাঠপর্যায়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন তৈরি হয়েছে। সে কারণে স্থানীয় কর্মীরা প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, যা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম–৮ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক না রাখতে ২৩ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় আইনগতভাবে প্রতীক বাতিল বা প্রার্থী প্রত্যাহারের সুযোগ আর ছিল না।পটিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম–১২ আসনে পরিস্থিতি আরও জটিল। শুরুতে এলডিপির এম এয়াকুব আলী জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান। কিন্তু ঋণখেলাপির অভিযোগে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়। আপিল করেও তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাননি এবং প্রতীক বরাদ্দ থেকেও বঞ্চিত হন। পরে উচ্চ আদালতে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পেলেও প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ সময় ইতোমধ্যে পার হয়ে যায়। এরপর ২৯ জানুয়ারি তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।এর আগে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল আলম ২৪ জানুয়ারি এলডিপিকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এয়াকুব আলী সরে দাঁড়ানোর পর ফরিদুল আলম ৩০ জানুয়ারি থেকে ফের প্রচারণায় নামেন। এতে এলাকাজুড়ে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চট্টগ্রামের এই দুই আসনে দ্বৈত প্রতীক ও সমান্তরাল প্রচারণা ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে ভোট বিভাজনের পাশাপাশি জোটের রাজনৈতিক বার্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ইখা
    ফটিকছড়িতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মুজিবুর রহমান (২৮) নামের ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের পূর্ব পাশের মাইচ্ছের ছোলা এলাকার একটি রাস্তার পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত মুজিবুর রহমান কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাছি মিয়া পল্লান বাড়ির বাসিন্দা। তিনি কৃষক নুরুল আলমের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুজিবুর রহমান তেমুহনি বাজার এলাকার ইসমাইলের গ্যারেজ থেকে তার অনটেস্ট মোটরসাইকেলটি মেরামত শেষে নিয়ে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রবিবার সকালে রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রফিকুল আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।ইখা
    মেঘনায় যৌথবাহিনীর অভিযানে শটগানসহ একজন গ্রেপ্তার
    কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে একটি দেশীয় শটগান ও কার্তুজসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. শাহজাহান মিয়া ওরফে সাজা (৫২)। তিনি উপজেলার বড়য়াকান্দি গ্রামের হাজী মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডারের নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহজাহানের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাড়ি তল্লাশি করে একটি দেশীয় শটগান ও কয়েকটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা শটগান ও কার্তুজের কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। অস্ত্রটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে তা রাখা হয়েছিল—এসব বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, শাহজাহান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তাঁদের ধারণা। তাঁরা বলেন, তাঁর প্রভাব ও ভয়ের কারণে এতদিন কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাননি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনগত কার্যক্রম শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।ইখা
    বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম: রাদওয়ান আকিফকে জেলা প্রশাসকের অভিনন্দন
    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধায় প্রথম স্থান অর্জনকারী রাদওয়ান রিদভী আকিফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে জেলা প্রশাসক আকিফের হাতে সপুষ্পক অভিনন্দন স্মারক তুলে দেন এবং তাঁর অসাধারণ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, রাদওয়ান আকিফের এই অর্জন শুধু তাঁর পরিবারের নয়, বরং মুন্সীগঞ্জ জেলার জন্যও গর্বের।সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার এবং রাদওয়ান আকিফের অভিভাবকবৃন্দ।উল্লেখ্য, রাদওয়ান রিদভী আকিফ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুরা গ্রামের সন্তান। তিনি রাজধানীর নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষকবৃন্দ ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।এসআর
    কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে র‍্যাবের অভিযান, ২০ দালাল আটক
    কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত র‍্যাব–১৪ কিশোরগঞ্জ ও র‍্যাব সদর দপ্তরের যৌথ একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মো. মুস্তাফিজুর রহমান (৪৫)–কে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া মো. মোতাহার হোসেন (২৭), মো. মিজানুর রহমান (৩০), মো. রনি (২৬), মো. বাদল মিয়া (৪৭), মো. হৃদয় মিয়া (২৫), মো. ফয়সাল (২২), আব্দুর রহমান (২৫), মো. হাফিজ হোসেন (৩০), মো. সাগর আহমেদ (৩৫), মো. শামিম মিয়া (৩১) ও মো. রাফসান (২৩)–কে ২০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।মো. মাসুদ রানা (৩৮), মো. রাসেল মিয়া (৩২), মো. শাফায়াতুল খালেক সাইফুল (৩৮), মো. অজুল মিয়া হৃদয় (২৫), মো. নাদিম মিয়া (২৮) ও মো. ইমন (২০)–কে ১৫ দিন করে এবং মো. সেলিম মজুমদার ও মো. মাহফুজকে সাত দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল চক্র পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ফরম সত্যায়ন, কাগজপত্রে ঘাটতি দেখানো এবং ভেরিফিকেশন ছাড়াই দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা আদায় করে আসছিল। দালালদের প্রস্তাবে রাজি না হলে বিভিন্ন কৌশলে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করা হতো।র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের বলেন, অভিযানের আগে সিভিল পোশাকে থাকা র‍্যাব সদস্যদের কাছেও দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা টাকা দাবি করে। এ ছাড়া পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকেও সরকারি ফি ছাড়াও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে পাসপোর্ট অফিসের কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে দালালদের যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।ইখা
    তাড়াইলে নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
    কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত এক ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে তাড়াইল উপজেলার দড়িজাহাঙ্গীর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রমজান আলী (৪৫) ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে। আটক জুয়েল মিয়া (২৫) তার বড় ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া ও নির্যাতনে জড়াতেন। শনিবার রাতে বাবা ও ছেলে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে জুয়েল বাবার কাছে নেশার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধারালো দা দিয়ে বাবার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন তিনি।রমজান আলীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে জুয়েল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দাটি জব্দ করা হয়েছে।গুরুতর আহত অবস্থায় রমজান আলীকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর ছয়টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের স্বজনরা জানান, রমজান আলীর সংসারে দ্বিতীয় স্ত্রীসহ তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। জুয়েল মিয়া ছোটবেলা থেকেই তাঁর মায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে বসবাস করতেন। তবে মাঝে মধ্যে বাবার বাড়িতে আসতেন।এ বিষয়ে তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। নেশার টাকার বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।ইখা
    কালিয়াকৈরে অটোচালকের আত্মহত্যা
    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের তালুক শিমুলতলী করাতিপাড়া এলাকায় লালমিয়া (৫৫) নামে এক অটোচালক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নিহত লালমিয়া ওই এলাকার মৃত নালু মিয়ার ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঋণগ্রস্ত ও মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। অটোরিকশা চালিয়ে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানসহ পরিবারের ভরণপোষণ করতেন।সকালে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে স্ত্রী সন্দেহ হলে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।এসআর
    মুন্সিগঞ্জে অটোরিকশা চালক খুন, ৩ আসামি গ্রেপ্তার
    মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাড়া এলাকায় অটোরিকশা চালক সোহেল রানা (২৮) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাওয়া ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে সহকর্মী তিনজন অটোরিকশা চালক পরিকল্পিতভাবে সোহেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।পুলিশ জানায়, ঘটনায় জড়িত তিনজন হলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকার মো. শিমুল (৩৫), মো. আলাউদ্দিন (৩৩) ও মো. ফারুক (৩৬)। তারা এবং নিহত সোহেল পেশায় অটোরিকশা চালক এবং পূর্বপরিচিত।ঘটনার সময় আলাউদ্দিন ও তার সহযোগী ইকুরিয়া থেকে সোহেলের অটোরিকশা ভাড়া নেন। পরে শিমুলও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। মাওয়া ঘুরে ফেরার পথে হাঁসাড়া ইউনিয়নের আলমপুর আন্ডারপাসের কাছে তারা সোহেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ ব্রিজের নিচে ফেলে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান।মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানান, ৩০ জানুয়ারি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন, হত্যার উদ্দেশ্য ছিল অটোরিকশা বিক্রি করা। পরে অটোরিকশাটি ফারুকের কাছে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। পুলিশ ফারুকের হেফাজত থেকে এটি উদ্ধার করেছে। অপর এক পলাতক আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।এসআর
    নুর-মামুনের সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫
    ​আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে ১১৩ পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে নির্বাচনী উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। এই আসনের দুই হেভিওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ট্রাক প্রতীক) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন (ঘোড়া প্রতীক) এর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন এবং বিএনপি জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুরের সমর্থকদের দুটি পৃথক মিছিল বিপরীত দিক থেকে এসে মুখোমুখি হয়। এ সময় মিছিল অতিক্রমকালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মারুফ, অজিত, ওয়াজিব, অলিউল ইসলাম টিটু, বায়েজিদসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক মারুফ গাজী (২৪), ওয়াজিব হাওলাদার (২৪) ও জায়েদকে (২২) গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক দুই প্রার্থীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এসআর
    বরিশালের উজিরপুরে বাসচাপায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
    বরিশালের উজিরপুরে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে বাসচাপায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ইচলাদী টোল প্লাজার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম রিপন বিশ্বাস (৪৩)। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলার রামান্দী গ্রামের মুদেব বিশ্বাসের ছেলে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা ছিলেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে রাস্তা পারাপারের সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সাকুরা পরিবহনের একটি বাস বেপরোয়া গতিতে এসে রিপন বিশ্বাসকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর বাসচালক গাড়িটি সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন।স্থানীয় ব্যবসায়ী শান্ত ফকির বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে যানবাহনের গতি ও চাপ বেড়েছে। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনার সংখ্যাও বেড়েছে। প্রায়ই এ সড়কে প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে।গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম শেখ বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।ইখা
    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ
    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন আমাদের জাতির জীবনে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন। এর সঙ্গে শুধু গণতান্ত্রিক উত্তরণই নয়, দেশের ভবিষ্যৎও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স অবজারভেশন টিমের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা, সামাজিক শান্তি, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে এই নির্বাচন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ‘এত বড় একটি বিষয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে,’ বলেন তিনি।জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কোনো আপোষ নেই: ইসি সানাউল্লাহ
    নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকায় দেশের মানুষ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কোনো আপোষ করবে না নির্বাচন কমিশন। সবাইকে শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইসি সানাউল্লাহ।তিনি আরও বলেন, সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর তার কাছে স্পষ্ট হয়েছে—মানুষ এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে আগ্রহী। “আমরা জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই,” বলেন তিনি।সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। নির্বাচন জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকলে নির্বাচন কর্মকর্তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকেও সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।ঝালকাঠির রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সেনাক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    বরিশালে নসিমনের চাঁপায় শিশু নিহত
    বরিশালের গৌরনদী-সরিকল আঞ্চলিক সড়কের পিঙ্গলাকাঠী হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকায় মালামাল বোঝাই নসিমনের চাঁপার এক শিশু নিহত হয়েছে।তিন বছরের নিহত শিশু তুরফা গরঙ্গল বোরাদী গ্রামের হাকিম বেপারীর মেয়ে।তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাবুল হোসেন ফকির জানিয়েছেন, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল আটটার দিকে রাস্তার পাশে বসে একটি বল নিয়ে খেলা করছিলেন শিশু তুরফা।হঠাৎ করে বলটি রাস্তার ওপর চলে গেলে সেটি আনতে যায় শিশু তুরফা। এ সময় সড়ক দিয়ে মালামাল বোঝাই একটি নসিমন বেপরোয়াগতিতে যাওয়ার সময় শিশু তুরফাকে চাঁপা দেয়।স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় শিশু তুরফাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।ইখা
    দীর্ঘ ২৫ বছর পর জামালপুরে বড় জনসভা করছে জামায়াত
    দীর্ঘ ২৫ বছর পর জামালপুরে বড় ধরনের জনসভা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সর্বশেষ ২০০১ সালে জেলায় প্রকাশ্য বড় জনসভা করেছিল দলটি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ রোববার জামালপুরে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনী প্রচারণার ১১তম দিনে জামালপুরে আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের সিংহজানি স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।জনসভাকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই সিংহজানি স্কুল মাঠে মঞ্চ নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ চলেছে। দলীয় নেতা-কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।জামায়াত আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্রীয় আমির আগামীকাল এই মাঠে জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। প্রস্তুতিমূলক কাজ শনিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে। আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন।’জেলা জামায়াতের আমির মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘জেলার প্রায় ৫০ হাজার নেতা-কর্মী জনসভায় উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সমর্থকরাও থাকবেন। সে হিসাবে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হতে পারে বলে আমরা আশা করছি।’ইখা
    শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর ঘটনায় তিনদিন পর হত্যা মামলা, আসামি ৭ শতাধিক
    শেরপুরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যুর ঘটনায় তিনদিন পর মামলা করা হয়েছে। মামলায় বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ সাত শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।শুক্রবার রাতে নিহত রেজাউল করিমের স্ত্রী মোছা. মার্জিয়া বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় এ হত্যা মামলা করেন বলেন জানিয়েছেন ঝিনাইগাতী থানার এসআই আবুল হাশেম।শনিবার সকালে তিনি বলেন, রেজাউল করিম হত্যা মামলায় শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২৩৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ৪০০-৫০০ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।নিহত রেজাউল করিম (৪০) জামায়াত ইসলামী শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন।বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ান বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হন।পরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে গুরুতর অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ওই দিন রাতেই তিনি মারা যান।এদিকে এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে শেরপুর শহরে জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশ থেকে শনিবার বিকালে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে শহীদ রেজাউলের জন্য দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এসআর
    সরিষাবাড়ীতে ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
    জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ছাত্রদল নেতা লিটন মিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে জেলা ছাত্রদল। একই সঙ্গে তাকে পুনরায় নিজ পদে বহাল করা হয়েছে।সম্প্রতি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সুমিল ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিকের যৌথ স্বাক্ষরে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লিটন মিয়া।বিজ্ঞপ্তি ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লিটন মিয়া সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ডোয়াইল মূলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে জেলা ছাত্রদল। পরে লিটন মিয়ার আবেদনের পর তার সাংগঠনিক আদর্শ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও পূর্বের ভূমিকা পর্যালোচনা করে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে লিটন মিয়া বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম তালুকদারের আদর্শ বুকে ধারণ করে ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হই। দলের নির্দেশনা মেনে সামনের দিনগুলোতে আরও সুশৃঙ্খলভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই।’এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, ‘ডোয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি লিটন মিয়ার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড প্রশংসনীয়। তাঁর নেতৃত্বে ইউনিয়ন ছাত্রদল আগামী দিনে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেগবান হবে বলে আশা করছি।’ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের জন্য জেলা ছাত্রদলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।ইখা
    আমি ভালুকার এমপি হলে, এমপি চলবে আপনাদের কথায়: মোর্শেদ আলম
    ভালুকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় উন্নয়নবঞ্চনা, ভোটের মর্যাদা ও জনপ্রতিনিধিত্বের নতুন ধারণা তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। তিনি বলেন, “ভালুকার এমপি যদি আমি হই, তাহলে এমপি চলবে আপনাদের কথায়। আপনারাই মালিক, আমি শুধু প্রতিনিধি।”রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে পথসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা মাঠে একটু আমার জন্য কাজ করে দেন। আমার জন্য নয়, আপনাদের নিজেদের জন্য। আপনারা সবাই এমপি ক্যান্ডিডেট—আমি একা নই।”মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, এ নির্বাচন কোনো প্রতীকের নয়, এটি ব্যক্তির নির্বাচন। মানুষ কাকে বিশ্বাস করবে এবং কাকে দায়িত্ব দেবে, সেটাই এখানে মুখ্য। তিনি দাবি করেন, ভালুকা পৌরসভা ও উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব সমান। একটি ওয়ার্ডের ভোট যেমন অবহেলা করা যায় না, তেমনি কোনো ইউনিয়নকেও ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকের এই রাস্তাগুলো দেখুন—এগুলো মিল-ফ্যাক্টরি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা করেছে। সরকারিভাবে আমাদের এলাকায় একটি রাস্তাও করা হয়নি। শুধু নেওয়া হবে, বিনিময়ে কিছুই দেওয়া হবে না—এটা আর চলতে পারে না।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, জনগণ এত ভাড়া দিয়ে চলবে কেন, বিনিময়ে তারা কী পাচ্ছে?ভৌগোলিক তুলনা টেনে তিনি বলেন, ভালুকা থেকে টাঙ্গাইল সীমান্ত, কুড়াহাটি, শ্রীপুর, গফরগাঁও কিংবা ধীতপুরের দিকে গেলে দেখা যায়, সেসব এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ দৃশ্যমান। অথচ ভালুকা বারবার উন্নয়নবঞ্চিত হচ্ছে।রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, গত চারটি নির্বাচনে এই এলাকার মানুষ দেখেছে—৭০ থেকে ৮০ জন প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ করত, বিশেষ করে জামিরদিয়া ও ডুবালেটের ঘাট এলাকায়। তবুও চেয়ারম্যান নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পিছপা হয়নি। ভয় বা চাপ নয়, ভালুকার মানুষ সবসময় নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে।ইখা
    দেওয়ানগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার(৩১ জানুয়ারী)  রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের হলকারচর এলাকায় পুরাতন রেললাইনের আগে পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত শিশুর নাম শ্রী দিবস (৯) সে হলকারচর মাঝিপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মৎস্যজীবী দলের চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী জীবনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মা/রা যায়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এফএস
    সুপার গ্রিন জাতের লাউ চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন খানসামার কৃষক
    দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার বাশুলী গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলাম সুপার গ্রিন জাতের লাউ চাষ করে এলাকায় সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আধুনিক ও জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা এই লাউ ইতোমধ্যে বাজারে ভালো সাড়া ফেলেছে। অল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় তাঁর এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত)–এর আওতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের জৈব ও আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদনে উৎসাহিত করছে। এর অংশ হিসেবে খানসামার বাশুলী গ্রামে ২০ শতক জমিতে জৈব সবজি উৎপাদনের একটি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়। এই প্রদর্শনী কার্যক্রমে সুপার গ্রিন জাতের লাউ চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন কৃষক আমিনুল ইসলাম।আমিনুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে তিনি মোট ১০০ শতক জমিতে সুপার গ্রিন জাতের লাউ চাষ করেছেন। এর মধ্যে ২০ শতক জমিতে জৈব পদ্ধতিতে প্রদর্শনী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। লাউ চাষে তাঁর মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এ ব্যয়ের মধ্যে বীজ, মাচা তৈরি, জৈব সার, শ্রমিক ও পরিচর্যা খরচ অন্তর্ভুক্ত।তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে লাউ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আয় করেছেন। জমিতে এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণ লাউ রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাকি ফলন বিক্রি করে আরও আনুমানিক ২ থেকে ৩ লাখ টাকা আয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী জৈব সার ও পরিবেশবান্ধব বালাই দমন পদ্ধতি ব্যবহার করেছি। সুপার গ্রিন জাতের লাউ দেখতে আকর্ষণীয়, আকারে বড় এবং ওজন বেশি হওয়ায় বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।’স্থানীয় বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সাধারণ লাউয়ের তুলনায় সুপার গ্রিন জাতের লাউ ক্রেতাদের বেশি আকৃষ্ট করছে। পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষেত থেকেই লাউ কিনে নিচ্ছেন। এতে পরিবহন খরচ কমছে এবং কৃষকেরাও ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন।স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমিনুল ইসলামের এই সাফল্য দেখে অনেকেই আগামী মৌসুমে সুপার গ্রিন জাতের লাউসহ অন্যান্য সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। বাশুলী গ্রামের এক কৃষক বলেন, ‘এত অল্প খরচে যদি এত লাভ হয়, তাহলে লাউ চাষ অবশ্যই লাভজনক। আমরা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে এই জাতের লাউ চাষ করব।’কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনাজপুর অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া লাউসহ বিভিন্ন সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। পরিকল্পিত চাষাবাদ, জৈব পদ্ধতির ব্যবহার এবং সরকারি সহায়তা পেলে অল্প জমিতেও কৃষকরা স্বাবলম্বী হতে পারেন।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘সুপার গ্রিন জাতের লাউ একটি উচ্চ ফলনশীল জাত। রোগবালাই তুলনামূলক কম হওয়ায় এই জাতের লাউ চাষে ঝুঁকি কম। সঠিক সময়ে চাষ ও নিয়মিত পরিচর্যা করলে অল্প জমিতেও ভালো লাভ করা সম্ভব।’তিনি আরও বলেন, ‘টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জৈব ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা হচ্ছে। জৈব সবজি উৎপাদন প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকেরা হাতে-কলমে শিখছেন কীভাবে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সবজি উৎপাদন করা যায়।’সংশ্লিষ্টদের মতে, আমিনুল ইসলামের মতো সফল উদ্যোগ কৃষিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।ইখা
    ফুলবাড়ীতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে রিহান (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাতাড়ি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রিহান ওই গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসার ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম সাজুর ছেলে। সন্তানের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকাল আটটার দিকে বাড়ির পেছনের একটি পুকুরে স্থানীয় জেলেরা মাছ ধরেন। ধারণা করা হচ্ছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটি পরিবারের অজান্তে পুকুরপাড়ে গিয়ে পা পিছলে পানিতে পড়ে যায়।সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটিকে বাড়িতে না পেয়ে বাবা-মা ও স্বজনেরা আশপাশের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পেছনের পুকুরে শিশুটির নিথর দেহ ভেসে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়।বালাতাড়ি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন শিশুটির পুকুরে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।ইখা
    ভোট আমরা দেবই, কেউ যেন দুষ্টামি করার সাহস না পায়: মির্জা ফখরুল
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন বানচাল ও ভন্ডুল করার জন্য কিছু লোক সব সময় চেষ্টা করে। তবে এবার নির্বাচন কেউ বন্ধ করতে পারবে না। দেশের মানুষ জেগে উঠেছে যে, ভোট আমরা দেবই। তা কেউ ঠেকাতে পারবে না।আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী এলাকা সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটের দিন আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন, যেন কেউ গন্ডগোল করতে না পারে। হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে— সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কেউ যেন দুষ্টামি করার সাহস না পায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ তারিখে আপনারা সবাই শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতীক ধানের শীষের ব্যানার হাতে নিয়ে মাঠে দাঁড়াবেন। পথসভা চলাকালে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মামুনের বোন তার মাটির ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ ও নিজ হাতে পালিত মুরগির কিছু ডিম বিএনপি মহাসচিবের হাতে তুলে দেন। এতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন, যা উপস্থিত জনতার মাঝেও আবেগের সঞ্চার করে।এইচএ
    দেশের মানুষ দীর্ঘদিন সাংবিধানিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল: এটিএম আজহারুল ইসলাম
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে তেঁতুলতলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর–২ (তারাগঞ্জ–বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকার পরিকল্পিতভাবে ভোট চুরির সংস্কৃতি চালু করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখেছে, তাদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে।’তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রসমাজের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মুখে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়।ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের কথা তুলে ধরে জামায়াত নেতা বলেন, মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত ও কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই।নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, বিনা অপরাধে তাঁকে টানা ১৪ বছর কারাবন্দি রাখা হয়েছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। ‘মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ আমি মুক্ত হয়ে জনগণের সামনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি,’ বলেন তিনি।তিনি বলেন, তাঁর জীবনে আর কোনো ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নেই। দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে বাকি জীবন উৎসর্গ করতে চান তিনি। এ জন্য দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।ক্ষমতায় গেলে দলের কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ত্রাণের স্লিপ বিতরণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বরং স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে মানুষের আত্মমর্যাদাশীল জীবন নিশ্চিত করতে চায় দলটি। একই সঙ্গে দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়; এটি ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।জনসভায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, আলেম-ওলামা, যুবক, ছাত্র এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    ক্ষমতায় এলে কৃষকের ঋণ ও মায়েদের এনজিও কিস্তির দায় নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল
    বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে এবং এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধের দায়িত্ব সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা এলাকায় এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে এলাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “এটি আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও দেশকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করবেন।”জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটি দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। অনেক মানুষ হত্যা করা হয়েছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটানো হয়েছে। এসবের জন্য তারা এখনো ক্ষমা চায়নি। যারা ১৯৭১ সালের জন্য ক্ষমা চায়নি, তারা কীভাবে ভোট চাইতে পারে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।এ সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দেশের মানুষের জন্য বিএনপির সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।নির্বাচনী পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    গণতন্ত্র যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: তারেক রহমান
    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ভেতরে কিছু গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, তারা অতীতে ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে আতাত করে চলেছে। তিনি বলেন, ‘১৭ বছর ধরে যাদের দেখা যায়নি, তারা এখন সামনে এসে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, যাতে দেশের গণতন্ত্র কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে।’শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ‘এই দেশ আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। এবার দেশকে দেওয়ার পালা,’ বলেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, ‘কথা একটাই—করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ–২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ–১ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ–৪ আসনের প্রার্থী এম. আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ–৫ আসনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম, পাবনা–১ আসনের প্রার্থী শামসুর রহমান, পাবনা–২ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব এবং পাবনা–৫ আসনের প্রার্থী শিমুল বিশ্বাসসহ অন্যান্য নেতারা।ইখা
    নাটোর জেলা কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ৪১ জন বন্দী
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর জেলা কারাগারের ৪১ জন বন্দী পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে নাটোর জেলা কারাগারে মোট ৭৫২ জন বন্দী রয়েছেন। এর মধ্যে ৩৩ জন নারী বন্দী। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বন্দীদের মধ্যে ৪১ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মধ্যে ১৭ জন হাজতি এবং ২৪ জন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি রয়েছেন। নারী বন্দীদের মধ্যে দুজন হাজতি ও একজন কয়েদি রয়েছেন।কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা পাওয়ার পর থেকেই আটক, হাজতি ও কয়েদিদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আগ্রহী বন্দীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।নাটোর জেলা কারাগারের জেলার শেখ মো. রাসেল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বন্দীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমরা শুরু থেকেই কাজ করছি। কারাগারে থাকা ৭৫২ জন বন্দীর মধ্যে ৪১ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের সব বিধি মেনে তাঁরা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।’সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কারা কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ বন্দীদের সাংবিধানিক অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।ইখা
    দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কথা বললেন ছাত্রশিবির নেতা
    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাবনা জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতীক। তাঁর দাবি, দেশে সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা এই প্রতীকের মধ্যেই রয়েছে।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় উপজেলা ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ‘আগামী নির্বাচনে তরুণ সমাজের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাকিবুল ইসলাম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে ইসলামী ছাত্রশিবির শুরু থেকেই ভূমিকা রেখে আসছে। দেশপ্রেমিক ও আদর্শবান শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবু হুরায়রা হৃদয়ের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাসুদ রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক এস এম সোহেল।এ সময় ভাঙ্গুড়া উপজেলার ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।ইখা
    দীর্ঘ ১৭ বছরের ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বিএনপিই পারে দেশকে বাঁচাতে: পুতুল
    নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বিএনপিই পারে দেশকে বাঁচাতে। আমাদের মাথায় রাখতে হবে, আমরা কেউ আর ৫ আগস্টের আগের বাংলাদেশে ফিরতে চাই না। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, লালপুর-বাগাতিপাড়ায় অবকাঠামোগত নানা সমস্যা রয়েছে। তবে গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে যে মানবিকতার বিপর্যয় ঘটানো হয়েছে, সেটিই দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা। দেশের মানুষের মধ্যে ঘৃণা, হিংসা ও বৈষম্যের রাজনীতি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটা সময় হিন্দু-মুসলমান বিভেদ করা হতো, এরপর দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আমাদের সেই জায়গা থেকে ফিরে আসতে হবে।তিনি বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও গত ১৭ বছরে অনেক বিএনপি নেতাকর্মীর ছেলেমেয়ে চাকরি পায়নি। আমরা সেই কাজ করতে পারব না। আওয়ামী লীগের যারা বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন, পট পরিবর্তনের পর আমরা উল্টো তাদের ঘর পাহারা দিয়েছি।তিনি বলেন, বিগত ২০ বছরে এই এলাকায় কোনো উন্নয়ন হয়নি। মরহুম ফজলুর রহমান পটলের মৃত্যুর পর উন্নয়ন বন্ধ হয়ে গেছে। একটি পরিবর্তিত ও উন্নয়নমুখী বাগাতিপাড়া গড়তে আপনাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের বিদ্রোহী বা বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ার করে পুতুল বলেন, আমাদের প্রোগ্রামে আসতে অনেককে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দলের সুবিধা নিয়ে এখন দলের বাইরে গিয়ে অনেকে সুবিধাবাদী হতে পারেন। আপনারা রাজনীতি করেন, তাতে আমাদের সমস্যা নেই। তবে ধানের শীষের মানুষকে আপনারা বিপথগামী করতে চাইলে জনগণই এর উপযুক্ত জবাব দেবে।দয়ারামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সাজদার রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ, বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, সাবেক সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক নেকবর হোসেনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    বিএনপি শান্তিতে বিশ্বাস করে: তারেক রহমান
    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ এখন জানতে চায়, বাংলাদেশের মানুষ এখন দেখতে চায় যে কোন রাজনৈতিক দল এখন কোন পরিকল্পনা করবে দেশ ও জনগণের জন্য। যাতে এই দেশ আগামীতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। এই মুহূর্তে বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যে দলের অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে দেশকে সুন্দরভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পরিচালনা করতে হয়। বিএনপি ছাড়া এই বাংলাদেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে- অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এ রকম কোনো রাজনৈতিক দল নেই। তিনি বলেন, বিএনপি শান্তিতে বিশ্বাস করে। আমাদের কাছে ধর্ম মূখ্য নয়। সকল ধর্ম বর্ণের মানুষকে নিয়ে একসাথে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আমরা যদি দেশে জনগণের কাছে জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি তাহলে জনগণের প্রকৃত সমস্যা সমাধান সম্ভব।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়ায় বিসিক শিল্প পার্ক এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সিরাজগঞ্জ এবং পাবনা এলাকায় বহু কাজ করার আছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, সবাই একসাথে কাজ করে দেশ গড়তে হবে। এই এলাকায় যেমন কৃষি আছে তেমন ছোটখাট শিল্প কারখানাও রয়েছে। এই মুহূর্তে কৃষিকেও যেমন আমাদের টেনে উঠাতে হবে একইসাথে লাখ লাখ তরুণ যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন নতুন শিল্প পার্ক স্থাপনের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করতে হবে। ঠাকুরগাঁও থেকে শুরু করে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত আমরা কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে চাই। এ সময় ওই এলাকায় তাঁত শিল্পের ওপর কাজ করারও গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। এর মাধ্যমে সারাবিশ্বে তাঁত পণ্য ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব।বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরো বলেন, দেশ আমাদের অনেক দিয়েছে। ১৯৭১ সালে লাখো শহীদ জীবন দিয়েছে দেশকে স্বাধীন করার জন্য। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বহু মানুষ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য। এখন আমাদের সেই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। আজ এই লাখ লাখ মানুষের সামনে আমি হয়তো দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে অনেক কথা বলতে পারতাম, আপনারা হয়তো হাততালি দিতেন। তাতে কোনো লাভ হতো না।তিনি আরও বলেন, মানুষ তার ওপরেই ভরসা করে যার অভিজ্ঞতা আছে। মানুষ তার ওপরে ভরসা করে যার ওপরে ভরসা করা যেতে পারে, যে মানুষকে বিপদের সময় ফেলে রেখে চলে যায়নি। এসব গুণ বিএনপির মধ্যে আছে। যদি দেশের ২০ কোটি মানুষকে একসাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়, তাহলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারেক রহমান বলেন, একটি গোষ্ঠী আপনাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে। যারা এসে আপনাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, দেখামাত্র তাদের বলবেন ‘গুপ্ত তোমরা’। যারা বিভ্রান্তিমূলক কথা ছড়াবে তাদের একটি নাম- তারা গুপ্ত। কারণ গত ১৬ বছর তাদেরকে আমরা দেখি নাই। তারা তাদের সাথেই মিশে ছিল, যারা ৫ তারিখে পালিয়ে গেছে। সিরাজগঞ্জবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা যদি তাঁত বা লুঙ্গির কথা বলি, তাহলে চোখের সামনে ভেসে উঠে সিরাজগঞ্জ ও পাবনার এলাকা। এই এলাকার মানুষ তাঁতশিল্পের সাথে জড়িত। ক্ষমতায় গেলে সিরাজগঞ্জের তাঁতশিল্পের উৎপাদিত পণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে পারবো।সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রোমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ সিরাজগঞ্জের পাঁচটি ও পাবনার পাঁচটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়ে ভোট চান তারেক রহমান। এসময় জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এফএস
    সুনামগঞ্জ ২: জামায়াত প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২
    সুনামগঞ্জ ২ (দিরাই শাল্লা) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।হামলায় প্রচার গাড়িতে থাকা ২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও দিরাই থানা পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মত সুনামগঞ্জ ২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তার প্রচারের গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসা মাত্র দুটি মোটরসাইকেল হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এসে শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করে।দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শেষে যখন জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসে তখন দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি ভাঙচুর করে।তিনি আরও জানান, সেই দুজনের হেলমেট পড়া থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে আসামিদের ধরতে কিংবা চিহ্নিত করতে।সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, হামলার ঘটনার বিষয়ে খুঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এসআর
    সুনামগঞ্জ ২: জামায়াত প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২
    সুনামগঞ্জ ২ (দিরাই শাল্লা) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।হামলায় প্রচার গাড়িতে থাকা ২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও দিরাই থানা পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মত সুনামগঞ্জ ২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তার প্রচারের গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসা মাত্র দুটি মোটরসাইকেল হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এসে শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচারের গাড়ি ভাঙচুর করে।দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শেষে যখন জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়িটি দিরাইয়ের তাড়ল এলাকায় আসে তখন দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি ভাঙচুর করে।তিনি আরও জানান, সেই দুজনের হেলমেট পড়া থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে আসামিদের ধরতে কিংবা চিহ্নিত করতে।সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, হামলার ঘটনার বিষয়ে খুঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এসআর
    টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
    ট্রান্সফরমার মেরামত, সঞ্চালন লাইন উন্নয়ন কাজের জন্য আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে সিলেট নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গতকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৩ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৩ কেভি গোটাটিকর ও জগন্নাথপুর এবং ১১ কেভি বরইকান্দি, স্টেশন, কদমতলী, শিববাড়ী, লালাবাজার, কামারবাজার ও মাসুকগঞ্জ ফিডারের আওতাধীন নগরীর অন্তত ৬২টি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে বরইকান্দি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সুনামপুর, কামুসনা, ধরাধরপুর, পুরান তেতলী, টেকনিক্যাল রোড, খোজারখলা, বাবনা পয়েন্ট, পুলেরমুখ, ঝালপাড়া, চাঁদনীঘাট, কদমতলী, রেলওয়ে স্টেশন, বঙ্গবীর রোড, মোমিনখলা, বারখলা, গালিমপুর, মুন্সিবাজার, আলমনগর, পিঠাকরা, ফরহাদপুর, গাঙপাড়, বনগাঁও, কামালবাজার, পুরানগাঁও, ছোট দিঘলী, বাইপাস রোড, মাসুক বাজার, তাজপুর, মিরেরগাঁও, গুপ্তেরগাঁওসহ আশপাশের এলাকা।তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৩ এর কর্তৃপক্ষ।এইচএ
    সুনামগঞ্জে আড়াই শতাধিক ভারতীয় শটগানের গুলিসহ যুবক আটক
    সুনামগঞ্জে আড়াই শতাধিক ভারতীয় শটগানের গুলিসহ এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার সদর উপজেলার আব্দুজ জহুর সেতু এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯-এর একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজন এক যুবককে আটক করা হয়। পরে তার সাথে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ভারত থেকে আনা শটগানের সিসার গুলির ৬টি প্যাকেট জব্দ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেট কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল এবং প্রতিটিতে ১০টি করে সিসার গুলি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে আড়াই শতাধিক সিসার গুলি জব্দ করে র‍্যাব।বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯-এর এএসপি মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান (বা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)। তিনি জানান, আটককৃত যুবক বর্তমানে র‍্যাব হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।এনআই
    শায়েস্তাগঞ্জ র‍্যাব-৯ এর অভিযানে এয়ারগান উদ্ধার
    র‍্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার হয়েছে।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।এর আগে শুক্রবার রাত ১০টায় র‍্যাব-৯ সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অস্ত্র উদ্ধারের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর ইউনিয়নের সুতাং বাজারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার এয়ারগান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এ প্রেক্ষিতে ব্যাপক তল্লাশী করে হলুদ রঙের প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় ১টি এয়ারগান উদ্ধার হয়। ওই সময় এয়ারগানটির সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে র‍্যাব-৯ এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত এয়ারগানটি নাশকতার কাজে ব্যবহার করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত এয়ারগানটি জিডি মূলে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এসআর

    অনলাইন ভোট

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে। আপনি কি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    পাকিস্তানে বিয়ের যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৪ জনের প্রাণহানি
    পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে একটি বিয়ের যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২৮ জন আহত হয়েছেন।রোববার রেসকিউ ১১২২ লোধরানের দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়, অতিরিক্ত গতিতে চলা একটি কোস্টার বাস একটি ট্রাকের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন মারা যান।নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে।রেসকিউ ১১২২ জানায়, আহত ২৮ জনের মধ্যে ২৭ জন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত লোধরান জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজনকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।এদিকে লোধরান জেলা পুলিশের (ডিপিও) প্রধান আলী বিন তারিক এক বিবৃতিতে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান।তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।গত মাসে একই দিনে দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৪ জন নিহত ও ২০ জনের বেশি আহত হন। সে সময় পাঞ্জাবের সারগোধা জেলায় একটি ট্রাক শুকনো খালে পড়ে যায় এবং বেলুচিস্তানের ওরমারা এলাকায় একটি কোচ উল্টে যায়।এর কয়েক দিন পর নানকানা সাহিব ও শিয়ালকোটে ঘন কুয়াশার কারণে দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় একটি শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এমআর-২
    বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ কমিয়ে অর্ধেক করল ভারত
    ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক হ্রাস করা হয়েছে। দেশটির নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বাংলাদেশের  জন্য ৬০ কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা আগের অর্থবছরের ১২০ কোটি রুপির তুলনায় ৫০ শতাংশ কম। রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের নতুন অর্থবছরের পেশ করা বাজেটে এই তথ্য পাওয়া গেছে।ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, বিজেপি সরকারের সবার আগে প্রতিবেশী নীতির আওতায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বৈদেশিক সহায়তা খাতে ২২ হাজার ১১৮ কোটি ৯৭ লাখ রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা আগের অর্থবছরের ২০ হাজার ৫১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপির তুলনায় সামান্য বেশি।বাজেটে প্রতিবেশী ও কৌশলগত অংশীদার দেশগুলোর প্রতি ভারতের আর্থিক সহায়তায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। কয়েকটি দেশের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হলেও কিছু দেশে তা কমানো হয়েছে। ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও কৌশলগত অংশীদার ভুটানের জন্য আর্থিক সহায়তা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়িয়ে ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৫৫ লাখ রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে।এছাড়া আফগানিস্তানের জন্য সহায়তা তিন গুণ বাড়ানো হয়েছে। দেশটির জন্য বরাদ্দ এবারের বাজেটে আগের বছরের ৫০ কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ১৫০ কোটি রুপি করা হয়েছে।পাশাপাশি নেপালের জন্য ৮০০ কোটি রুপি বরাদ্দ দিয়েছে নয়াদিল্লি; যা গত বছরের তুলনায় ১০০ কোটি রুপি বেশি। শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০০ কোটি রুপি। এই অর্থও আগের বছরের তুলনায় ১০০ কোটি রুপি বেশি। বাজেটে মঙ্গোলিয়ার জন্য বরাদ্দ পাঁচ গুণ বৃদ্ধি করে ৫ কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি রুপি করা হয়েছে।মরিশাসের জন্য আর্থিক সহায়তাও বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি রুপি করা হয়েছে। সেশেলসের জন্য বরাদ্দ অপরিবর্তিত রেখে ১৯ কোটি রুপি রাখা হয়েছে। মালদ্বীপের জন্য ৫৫০ কোটি রুপি এবং মিয়ানমারের জন্য ৩০০ কোটি রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারত। বিপরীতে, বাজেটে বাংলাদেশের জন্য সহায়তা কমিয়ে ৬০ কোটি রুপি ঘোষণা করা হয়েছে। এমআর-২
    দুই বছর পর গাজার রাফাহ ক্রসিং আংশিক খুলে দিল ইসরাইল
    দীর্ঘ ২ বছর বন্ধ থাকার পর গাজা ও মিসরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংটি একটি ‘পাইলট অপারেশন’ বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের আওতায় আংশিকভাবে খুলে দিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানায়, সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই সীমান্ত দিয়ে উভয়মুখী যাতায়াত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিদিন গাজা থেকে প্রায় ১৫০ জন বাসিন্দা বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং বিপরীতে প্রায় ৫০ জন গাজায় প্রবেশ করতে পারবেন।২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইলি বাহিনী রাফাহ ক্রসিং দখল করার পর থেকে এটি মূলত বন্ধ ছিল, যা গাজার বেসামরিক নাগরিকদের জীবনযাত্রা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। ফিলিস্তিনি বেসামরিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য ক্রসিংটি খোলা হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত খোলার অপেক্ষায় বর্তমানে প্রায় ২০০ জন রোগী জরুরি চিকিৎসার জন্য গাজা ছাড়ার অনুমতি পাওয়ার আশায় রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ৪০ জন কর্মকর্তার একটি দল গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করার জন্য মিসরীয় অংশে পৌঁছেছেন।ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য মতে, এই ক্রসিং খোলার বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনের তত্ত্বাবধানে এবং মিসরের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে ইসরাইল শর্ত দিয়েছিল, গাজায় জিম্মি থাকা সর্বশেষ ইসরাইলি সেনা রান গভিলির মরদেহ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তারা সীমান্ত খুলবে না। সম্প্রতি তার মরদেহ উদ্ধার ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর কোগাট এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংস্থাটি এই পদক্ষেপকে একটি ‘প্রাথমিক পরীক্ষামূলক পর্যায়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে।এদিকে জাতিসংঘ এই ক্রসিংটি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের জন্যও উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে, যা গাজার বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত জরুরি। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে জানান, মানবিক সহায়তাকর্মীরা বর্তমানে সীমান্তে বিভিন্ন বাধা ও পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে বিলম্বের সম্মুখীন হচ্ছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও নিয়মিত সহিংসতার খবরের মধ্যে এই সীমান্ত খোলার সিদ্ধান্তকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যদিও পূর্ণাঙ্গ চলাচলের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সমঝোতা বাকি। এমআর-২
    ইরানের বদলে এখন ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ট্রাম্প
    ভারত এখন থেকে ইরানের বদলে ভেনেজুয়েলার তেল কিনবে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ট্রাম্প বলেন, ভারত ভেনেজুয়েলার তেল কেনার চুক্তি করেছে।ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে এ চুক্তি করেছি।”ভেনেজুয়েলার তেল কেনায় ২০২৫ সালের মার্চে ভারতীয় প্ণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপান ট্রাম্প।ট্রাম্পের এ দাবি নিয়ে ভারত এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে স্ত্রীসহ অপহরণ করে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স। এরপর ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নিয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।বার্তাসংস্থা ব্লুমবার্গ জানায়, জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলা থেকে ১৮টি ট্যাংকার লোড করে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, লুজিয়ানা এবং মিসিসিপির তেল পরিশোধনাগারে পাঠিয়েছে। যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ।এখন ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল যাবে। যা গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় দ্বিগুণ।মাদুরোকে অপহরণের আগে ভেনেজুয়েলা থেকে চীনে প্রতিদিন চার লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল যেত। কিন্তু গত জানুয়ারিতে এ সংখ্যা শূন্যে নেমে আসে।এদিকে গত শুক্রবার ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মাদুরোকে অপহরণের পর ভেনেজুয়েলার নেতার সঙ্গে এটিই মোদির প্রথম ফোনালাপ ছিল। ওই সময় তারা দুই দেশের সম্পর্ক ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এমআর-২
    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‌‘আঞ্চলিক যুদ্ধ’ শুরু হবে, খামেনির হুঁশিয়ারি
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝে ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা। রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, খামেনি বলেছেন, (ট্রাম্প) নিয়মিতই বলেন যে, তিনি রণতরী এনেছেন। এসব দেখে ইরানি জাতি ভয় পায় না। ইরানি জনগণ এসব হুমকিতে বিচলিত হবে না।তিনি জানান, আমরা হামলার সূচনাকারী নই এবং কোনো দেশকে আক্রমণ করতে চাই না; তবে যে কেউ আক্রমণ কিংবা হয়রানি করলে ইরানি জাতি তার বিরুদ্ধে শক্ত আঘাত হানবে।তবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায় কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা এমন ‘ন্যায্য’ আলোচনার জন্য প্রস্তু ; যা তাদের প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা খর্ব করার উদ্দেশ্যে নয়।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং তিনটি লিটোরাল কমব্যাট জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে। এমআর-২
    ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করল ইরান
    ইউরোপের দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে ইরান। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার এ ঘোষণা দেন।ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডকে (আইআরজিসি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসীর তকমা দিয়েছে তেহরান।স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বিপ্লবী গার্ডের পোশাক পরে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার পাল্টা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে, আইনের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনী এখন থেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হবে।”গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়। যা সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করে দমন করে বিপ্লবী গার্ড। এই শক্তি প্রয়োগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত সপ্তাহে প্রতীকি ব্যবস্থা হিসেবে বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেয়।ইরানের স্পিকার আরও বলেছেন, “বিপ্লবী গার্ডের ওপর আঘাত হানতে গিয়ে ইউরোপীয়রা মূলত নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে তারা আবারও তাদের নিজেদের জনগণের স্বার্থবিরোধী একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণায় দেওয়ায় এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থাকে ইরান থেকে বহিষ্কারের ব্যাপারে পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বছর দেশটিতে শাহ শাসনের পতন ঘটিয়ে ইসলামিক বিপ্লবীরা। এরপর এ বিপ্লবকে রক্ষায় তৈরি করা হয় বিপ্লবী গার্ড। তারা সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ শাখা। তবে ইরানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ প্রায় সবক্ষেত্রে বিপ্লবী গার্ডের আলাদা প্রভাব রয়েছে। তারা ইরানের মিসাইল খাতটিও দেখে।সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড এমআর-২
    ইরানে মর্কিন হামলা হতে পারে আজই, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সতর্ক করলেন ট্রাম্প
    যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম 'দ্য ড্রপ সাইট নিউজ'-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে,মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে আজ রোববার থেকেই ইরানে সুপরিকল্পিত হামলা শুরু হতে পারেন। তবে এই হামলার মূল লক্ষ্য কেবল ইরানের পারমাণবিক বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা নয়, বরং শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর ‘শিরচ্ছেদ’ কৌশল প্রয়োগ করে দেশটিতে সরকার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটানো। মার্কিন যুদ্ধ পরিকল্পনাকারীরা মনে করছেন, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর নেতৃত্বকে সরিয়ে দিতে পারলে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে এবং বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে।সাবেক এক শীর্ষ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তিনি ট্রাম্পকে এই আশ্বাসও দিয়েছেন যে তেহরানে পশ্চিমাঘেঁষা নতুন সরকার গঠনে ইসরাইল পূর্ণ সহযোগিতা করবে। ট্রাম্প নিজেও শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে এক বক্তব্যে বিশাল মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো এখন চরম সতর্কাবস্থায় রয়েছে। ইতিমধ্যে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে তারা তাদের আকাশসীমা বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।এদিকে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা মোকাবিলায় ইরানও নজিরবিহীন পাল্টাহুমকি দিয়ে রেখেছে। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, আমেরিকানরা যদি মনে করে দুই ঘণ্টার অপারেশন চালিয়ে টুইট করে যুদ্ধ শেষ করে দেবে, তবে তারা ভুল স্বর্গে বাস করছে। তিনি সতর্ক করেন, হামলা হলে যুদ্ধের পরিধি পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা ও তাদের ঘাঁটিগুলো ইরানি ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হবে। ইরানের বর্তমান সামরিক নেতৃত্ব এবার ‘সীমিত প্রতিক্রিয়ার’ পুরোনো নীতি ত্যাগ করে অন্তত ৫০০ মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।যুদ্ধের এই ঘনঘটার মধ্যেই কূটনৈতিক আলোচনার শেষ চেষ্টা চলছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইস্তাম্বুলে তুর্কি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানিয়েছেন, তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও চাপ বা হুমকির মুখে নতি স্বীকার করবেন না। বিশেষ করে দেশের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তুরস্কের মধ্যে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে ট্রাম্পের রণতরীগুলো ইরানের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক আগ্নেয়গিরির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। এমআর-২
    আফগানিস্তানের দূতাবাস বন্ধ করল জাপান
    আফগানিস্তানের দূতাবাসের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে জাপান। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টোকিওতে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিদা মোহাম্মদ আবদালি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। বিবৃতিতে আবদালি জানান, ‘ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি টোকিও ছাড়ছি।’তিনি বলেন, শনিবার থেকেই জাপানে আফগান দূতাবাসের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।দূতাবাস বন্ধ হওয়ার আগে এটি আফগানিস্তান ও জাপানের মধ্যকার আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছিল। পাশাপাশি জাপানে বসবাসরত আফগান নাগরিকদের জন্য পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবাও দিয়ে যাচ্ছিল।২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আফগান দূতাবাসগুলোর কার্যক্রম একের পর এক বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়ে। সাবেক সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত বহু কূটনীতিককে বরখাস্ত করা হয়েছে, আবার কিছু মিশনের ব্যবস্থাপনায় সাময়িক পরিবর্তন এসেছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপে।জাপান এখনও তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। দেশটি মূলত মানবিক সহায়তার মধ্যেই আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।২০২১ সালের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আফগানিস্তানের ডজনের বেশি কূটনৈতিক মিশন বন্ধ বা কার্যক্রম সংকুচিত করেছে। এর ফলে বিদেশে বসবাসরত আফগান নাগরিকদের কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও জরুরি কনস্যুলার সেবা পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে। এমআর-২
    ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইরান
    ইরানের ফার্স প্রদেশে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ১১ মিনিটে মোহর এলাকায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।জার্মানির ভূবিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র ফর জিওসায়েন্সেস (GFZ) জানায়, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে কম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের প্রভাবে কিছু জায়গায় ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া এবং জানালার কাচ ভাঙার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি ভূমিকম্পের মাত্রা ও গভীরতার তথ্য নিশ্চিত করেছে।এইচএ
    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পথে ভেনেজুয়েলা
    ভেনেজুয়েলার সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করতে দেশটি সফরে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে পৌঁছেছেন দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন প্রতিনিধি লরা ডগু ও কয়েকজন কর্মকর্তা। সোশ্যাল হ্যান্ডেল এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লরা।ডোগু একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক যিনি পূর্বে হন্ডুরাস এবং নিকারাগুয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যানের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।এদিন মার্কিন দলকে স্বাগত জানায় ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল। টেলিগ্রামে দেয়া এক পোস্টে তিনি জানান, দু'দেশের পারস্পারিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরির উদ্দেশ্যে এই বৈঠকের আয়োজন।মূলত, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে দু'পক্ষের মতপার্থক্য। এক পোস্টে মার্কিন প্রতিনিধি লরা জানান, কারাকাসে কাজ শুরু করতে প্রস্তুত তিনি এবং তার প্রতিনিধিরা।চলতি মাসের শুরুতে মাদুরোকে আটক করার পর, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় তার অবস্থান প্রতিষ্ঠা এবং সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতির পর রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে তার প্রশাসন দেশ "চালবে" এবং এর তেল উৎপাদনের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে।উল্লেখ্য, গত বুধবার মার্কিন পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের এক শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন যে ডোগু কারাকাস থেকে নেতৃত্ব দেবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রই শিগগিরই ভেনেজুয়েলায় একটি কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করবে।সূত্র: সিএনএনএইচএ

    বিনোদন

    সব দেখুন
    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নবম গ্রেডে নিয়োগ
    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজিতে ‘বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।প্রতিষ্ঠানের নাম: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিভাগের নাম: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজিপদের বিবরণ:চাকরির ধরন: অস্থায়ীপ্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষকর্মস্থল: ঢাকাবয়স: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ ১৮-৩২ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এপিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।আবেদন টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে প্রতিটি পদের জন্য ২২৩ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে। আবেদনের শেষ সময়: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।এইচএ
    বিমানবন্দরে নিরাপত্তারক্ষীর হাতে আটকালেন শাহরুখ খান
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলিউড মেগাস্টার শাহরুখ খানের নতুন একটি ভিডিও। বিমানবন্দরের চেকিংয়ে ক্যামেরাবন্দি হন এ অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মুম্বাই বিমানবন্দরে পা রাখেন শাহরুখ। এ সময় নায়ক পরেছিলেন আকাশি রংয়ের হুডি ও জিন্স প্যান্ট। মাথায় কালো টুপিও।ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুম্বাই বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাকে আটকে দেন। হঠাৎ শাহরুখকে সানগ্লাস খুলে ফেলতে বলেন। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কোনও তর্ক-বিতর্কে জড়াননি অভিনেতা। বরং বিরক্তি প্রকাশ না করে সহযোগিতা করতে যায় তাকে। নিরাপত্তারক্ষীর কথায় সানগ্লাস খুলে হাসেন শাহরুখ। নিরাপত্তা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতেই গার্ডের কাঁধে হাত রেখে চলে যান। এ ভিডিও নেটদুনিয়ায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। বলিউড কিং খ্যাত এ তারকার ব্যবহারে মুগ্ধ নেটিজনরা। প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্তব্যের ঘরে এক ভক্ত লেখেন, ‘এই জন্যই তিনি রাজা।’ আরেক জন লেখেন , ‘একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে শাহরুখ খান জানেন যে এটি নিরাপত্তারক্ষীর কর্তব্য। যা তিনি সততার সঙ্গেই পালন করেছেন।’ বর্তমানে ‘কিং’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন শাহরুখ খান। নতুন এ সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন শাহরুখের একমাত্র মেয়ে অভিনেত্রী সুহানা খান। ‘কিং’ সিনেমায় জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে দেখা যাবে রানি মুখার্জি, দীপিকা পাডুকোন এবং অভিষেক বচ্চনকে। সিদ্ধার্থ আনন্দের পরিচালনায় নতুন এ সিনেমার পোস্টার ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে নেটদুনিয়ায়। এইচএ
    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হচ্ছেন ৩০ জন
    ২০২৩ সালের জন্য চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ২৮টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ৩০ জন শিল্পী ও কুশলীকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে। এবারের আসরে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান আজীবন সম্মাননা যৌথভাবে পাচ্ছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং বরেণ্য চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু। বছরের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে কে. এম. হালিমুজ্জামান (খন্দকার সুমন) প্রযোজিত সিনেমা ‘সাঁতাও’। একই সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের পুরস্কারও জিতেছেন খন্দকার সুমন।এদিকে, প্রথম সিনেমা দিয়েই বাজিমাত করেছেন আফরান নিশো ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন। অন্যদিকে ‘সাঁতাও’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন আইনুন পুতুল।পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মাননা পাচ্ছেন মনির আহমেদ শাকিল (সুড়ঙ্গ) এবং শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাজিয়া হক অর্ষা (ওরা সাত জন)। শ্রেষ্ঠ খল চরিত্রে আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন) এবং শ্রেষ্ঠ কৌতুক চরিত্রে শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ) জয়ী হয়েছেন। শিশু শিল্পী শাখায় শ্রেষ্ঠ হয়েছেন মো. লিয়ন এবং বিশেষ পুরস্কার পাচ্ছেন আরিফ হাসান আনাইরা খান (উভয়ই ‘আম কাঁঠালের ছুটি’ সিনেমার জন্য)।আবার, সংগীতে একক প্রাধান্য দেখিয়েছে ‘প্রিয়তমা’ ও ‘সুড়ঙ্গ’। ‘ও প্রিয়তমা’ গানের জন্য বালাম শ্রেষ্ঠ গায়ক এবং ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমার জন্য অবন্তী দেব সিঁথি শ্রেষ্ঠ গায়িকা নির্বাচিত হয়েছেন। 'ঈশ্বর' গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে সোমেশ্বর অলি এবং সুরকার হিসেবে প্রিন্স মাহমুদ পুরস্কৃত হয়েছেন। শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হয়েছেন ইমন চৌধুরী (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন)।সেরা কাহিনিকার হিসেবে ফারুক হোসেন (প্রিয়তমা), চিত্রনাট্যকার হিসেবে নিয়ামুল মুক্তা (রক্তজবা) এবং শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা হিসেবে যৌথভাবে রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা (সুড়ঙ্গ) নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘মরিয়ম’ এবং প্রামাণ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘লীলাবতী নাগ: দ্য রেবেল’ রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতি পেয়েছে।এফএস
    তারেক রহমানের প্রিয় সিনেমা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’, দেখেছেন ৮ বার
    দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনী এ ডামাঢোলের মাঝে বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম মধ্যবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন তিনি। তাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।সেখানে তাকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘Bangladesh’s Prodigal Son’ বা ‘বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তিত সন্তান’ হিসেবে।প্রতিবেদনটিতে এক পর্যায়ে তারেক রহমান তার পছন্দের একটি সিনেমার একটি উক্তি ব্যবহার করে নিজের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গির জানান দিয়েছেন। সেটি হ্যারিসন ফোর্ড অভিনীত সিনেমা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’। তিনি জানান, এই ছবিটি তার খুব প্রিয়। মোট ৮বার তিনি সিনেমাটি দেখেছেন বলেও জানিয়েছেন টাইম ম্যাগাজিনকে।তিনি বলেন, ‘আমি সম্ভবত আটবার এটি দেখেছি!’প্রতিবেদনের এক পর্যায়ে উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমান মৃদুভাষী এবং অন্তর্মুখী বলে মনে হয়। তর্কে না গিয়ে শুনতেই বেশি পছন্দ করেন। লন্ডনে তার প্রিয় বিনোদন ছিল রিচমন্ড পার্কে ঘুরে বেড়ানো, চিন্তায় ডুবে থাকা, অথবা ইতিহাসের বই পড়া।এতে আরো বলা হয়, তারেক রহমানকে একজন নীতিনির্ধারক হিসেবে দেখা হয় যিনি যেকোনো বিষয়ে তথ্য এবং পরিসংখ্যান সংগ্রহ করতে পারেন। তিনি ১২,০০০ মাইল খাল খনন করতে চান জলস্তর পূরণ করতে, ভূমির অবক্ষয় রোধে বছরে ৫ কোটি গাছ লাগাতে এবং ধোঁয়ায় ঢাকা রাজধানীকে শ্বাস নিতে সাহায্য করার জন্য ৫০টি নতুন সবুজ স্থান বপন করতে। আবর্জনা পোড়ানো বিদ্যুৎ জেনারেটর স্থাপন, অভিবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কারিগরি কলেজ পুনর্নির্মাণ এবং চাপা রাজ্য স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে উপশম করতে বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের পরিকল্পনা রয়েছে তার।আরেকটি অংশে উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমানের কোনো অভিযোগ নেই। তিনি মনে করেন, তার প্রত্যাবর্তন কারো ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে হয়নি । বরং জনগণের ভাগ্য উন্নত করার দৃঢ় সংকল্পের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি দেশে ফিরেছেন।সেখানে তিনি স্পাইডার-ম্যান ছবির ‘মহান শক্তির সাথে মহান দায়িত্ব আসে’ উক্তিও ব্যবহার করেন। তারেক বলেন, ‘আমি এই কথাটা খুব বিশ্বাস করি।’এইচএ

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    সরকারি ৪ ব্যাংকে আমানত বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা
    নানা কৌশলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকারি ব্যাংকগুলো। বিশাল অংকের খেলাপির মধ্যেই বছর শেষে ৪ প্রতিষ্ঠানে আমানত বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। নগদ অর্থ আদায় হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ও রেমিট্যান্স আয় প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বেড়েছে খেলাপি অর্থেরও আদায়। পরিকল্পিতভাবেই অনিয়ম, সেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মেকানিজমেই সরকারি ব্যাংকগুলো থেকে ঋণের নামে অর্থ সরিয়ে নেয় লোপাটকারীরা। আওয়ামী সরকার পতনের পর যার চিহ্ন স্পষ্ট হতে শুরু করে। কিন্তু থমকে না দাঁড়িয়ে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করে ব্যাংকগুলোর নতুন পর্ষদ। গ্রাহকদের আস্থা ধরে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের বিদায় বছরের রিপোর্ট বলছে, ধীরে ধীরে ঠিক হচ্ছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর ভাঙা মেরুদণ্ড।তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকরা জমা রেখেছেন ৫০ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। ক্যাশ রিকভারি হয়েছে ৪ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। প্রবাসীদের আয়েও চমক দেখিয়ে রেমিট্যান্স আয় হয়েছে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১৪৮৫৮ কোটি টাকা। দুই হাজার কোটি টাকা কমে খেলাপি দাঁড়িয়েছে ১৬২৫০ কোটি টাকায়। ক্যাশ রিকভারি হয়েছে ১২০৩ কোটি, রেমিট্যান্স আয় ১৮৪২ কোটি ও পুনতফসলি করেছে ৭৫০ কোটি টাকা। এক বছরে অগ্রণী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১৩৮৩৬ কোটি টাকা। শ্রেণিকৃত ঋণ ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮.৬৫ শতাংশে। ক্যাশ রিকভারি ১০৩৭ কোটি টাকা। রেমিট্যান্স এসেছে চার ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩৯৬১ কোটি টাকা।জনতা ব্যাংক ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ আমানত সংগ্রহকারী, ১৫৭৪০ কোটি টাকা। পুনঃতফসিল করেছে ৪৮০০ কোটি টাকা। ক্যাশ রিকভারি ৯১৫ কোটি আর ব্যাংকটিতে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৫৫৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা।রুপালী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ৬ শতাংশ কমে বর্তমানে মোট ঋণের ৩৬ শতাংশে। আর রেমিট্যান্সে এসেছে ১৪৭৬ কোটি টাকা।সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. শওকত আলী জানান, খেলাপি অর্থ আদায়ের হার বাড়ায় মার্চের মধ্যে আশান্বিত পর্যায়ে নামবে মন্দ ঋণের পরিমাণ।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্সুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শহীদুল জাহীদ জানান, ব্যাংকগুলোকে সবচেয়ে বেশি সংকটে রেখেছে হেভিওয়েট খেলাপিদের মাধ্যমে বেহাত হওয়া হাজার হাজার কোটি টাকার ঘাটতি। যা রাজনৈতিক সরকারের সহযোগিতা ছাড়া উদ্ধার সম্ভব নয়।আর্থিক খাতের দীর্ঘ পথচলা সরকারি ব্যাংকগুলোর। দেশের যে কোনো সংকট বা দুর্যোগে নানাভাবে ভূমিকা রাখে এই প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই বৃহৎ স্বার্থে আর্থিক খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিচালনায় স্বচ্ছ ও স্বাধীন ভাবমূর্তি ধরে রেখে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।এইচএ
    সকালে কমে রাতেই বাড়ল স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে আবারো স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সকালে কমে রাতেই অর্থাৎ ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে এবার ভরিতে চার হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দু’ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরো জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ছয় শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ আজ ৩১ জানুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ভরিতে ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ নয় হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১৯ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে পাঁচ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এফএস
    জ্বালানি তেলের দাম কমাল সরকার
    বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছে সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা করে কমেছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ২ টাকা কমে ১০০ টাকা, কেরোসিন লিটারে ২ টাকা কমে ১১২ টাকা, পেট্রোলের দাম ২ টাকা কমে ১১৬ টাকা এবং অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা কমিয়ে ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শনিবার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।আগামীকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হবে।জানা যায়, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ গত বছরের মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার। সে হিসেবে প্রতি মাসে নতুন দাম ঘোষণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দর নির্ধারণ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল ব্যবহার হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলে। ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচে, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহার করা হয়।অকটেন ও পেট্রল বিক্রিতে সব সময় বিপিসি লাভ করেন। জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করতো বিপিসি। এখন বিইআরসি প্রতিমাসে তা সমন্বয় করছে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারত ছাড়াও উন্নত বিশ্বে প্রতি মাসেই জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়।আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসেবে গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া চালুর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশে কমবে আবার বাড়লে দেশের বাজারেও বাড়বে। এফএস
    বাণিজ্য মেলায় একমাসে ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি
    ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় মাসব্যাপী প্রায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।মেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি ৩২৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশের পরিমাণ ১৭.৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২২৪.২৬ কোটি টাকা।খাতগুলো হলো— বহুমুখী পাট পণ্য, ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স, হোম অ্যাপলায়েন্স, কসমেটিক্স, হাইজিন পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হ্যান্ডলুম, তৈজসপত্র, হোম টেক্সটাইল, নকশি কাঁথা, ফেব্রিক্স ইত্যাদি। যেসব দেশ থেকে রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে সেগুলো হলো— আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক।মেলার আয়োজকরা জানান, স্থানীয়ভাবে আনুমানিক ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য-সামগ্রীর (রেস্তোঁরাসহ) ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে। মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ক্যাটাগরির সেরা প্যাভিলিয়ন, স্টল ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।এফএস
    স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন, ভরিতে কমেছে প্রায় ১৬ হাজার টাকা
    একদিনের মধ্যে আবারও বড় ধাক্কা খেল দেশের স্বর্ণবাজার। সর্বশেষ দফায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা পর্যন্ত দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন এই দাম আজ শনিবার ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই কার্যকর হবে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমেছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৮৯০ ডলারে নেমে এসেছে; যা গতকাল ৫ হাজার ২০০ ডলারে ছিল। আগের দিন বৃহস্পতিবার ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছাড়িয়েছিল। দেশের বাজারে নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা। সোনার দামের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।এইচএ
    এক লাফে ভরিতে সোনার দাম কমল ১৪ হাজার টাকা
    অবশেষে দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম কমে ২ লাখ ৭১ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।এর আগে গতকাল দাম বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় উঠেছিল। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম ছিল।শুক্রবার ( ৩০ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দাম আজ শুক্রবার ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।সংগঠনটি জানায়, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমেছে।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সোনার দরপতন হয়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২০০ ডলারে নেমে এসেছে; যা গতকাল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছাড়িয়েছিল।দেশের বাজারে নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকা।সোনার দামের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৭ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা।এমআর-২
    জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট: যে ২ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে।আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।এতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ২৫ জানুয়ারির এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি।উক্ত দুই দিন বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।এইচএ
    সরকারি ৪ ব্যাংকে আমানত বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা
    নানা কৌশলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকারি ব্যাংকগুলো। বিশাল অংকের খেলাপির মধ্যেই বছর শেষে ৪ প্রতিষ্ঠানে আমানত বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। নগদ অর্থ আদায় হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ও রেমিট্যান্স আয় প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বেড়েছে খেলাপি অর্থেরও আদায়। পরিকল্পিতভাবেই অনিয়ম, সেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মেকানিজমেই সরকারি ব্যাংকগুলো থেকে ঋণের নামে অর্থ সরিয়ে নেয় লোপাটকারীরা। আওয়ামী সরকার পতনের পর যার চিহ্ন স্পষ্ট হতে শুরু করে। কিন্তু থমকে না দাঁড়িয়ে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করে ব্যাংকগুলোর নতুন পর্ষদ। গ্রাহকদের আস্থা ধরে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের বিদায় বছরের রিপোর্ট বলছে, ধীরে ধীরে ঠিক হচ্ছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর ভাঙা মেরুদণ্ড।তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকরা জমা রেখেছেন ৫০ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। ক্যাশ রিকভারি হয়েছে ৪ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। প্রবাসীদের আয়েও চমক দেখিয়ে রেমিট্যান্স আয় হয়েছে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১৪৮৫৮ কোটি টাকা। দুই হাজার কোটি টাকা কমে খেলাপি দাঁড়িয়েছে ১৬২৫০ কোটি টাকায়। ক্যাশ রিকভারি হয়েছে ১২০৩ কোটি, রেমিট্যান্স আয় ১৮৪২ কোটি ও পুনতফসলি করেছে ৭৫০ কোটি টাকা। এক বছরে অগ্রণী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১৩৮৩৬ কোটি টাকা। শ্রেণিকৃত ঋণ ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮.৬৫ শতাংশে। ক্যাশ রিকভারি ১০৩৭ কোটি টাকা। রেমিট্যান্স এসেছে চার ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩৯৬১ কোটি টাকা।জনতা ব্যাংক ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ আমানত সংগ্রহকারী, ১৫৭৪০ কোটি টাকা। পুনঃতফসিল করেছে ৪৮০০ কোটি টাকা। ক্যাশ রিকভারি ৯১৫ কোটি আর ব্যাংকটিতে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৫৫৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা।রুপালী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ৬ শতাংশ কমে বর্তমানে মোট ঋণের ৩৬ শতাংশে। আর রেমিট্যান্সে এসেছে ১৪৭৬ কোটি টাকা।সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. শওকত আলী জানান, খেলাপি অর্থ আদায়ের হার বাড়ায় মার্চের মধ্যে আশান্বিত পর্যায়ে নামবে মন্দ ঋণের পরিমাণ।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্সুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শহীদুল জাহীদ জানান, ব্যাংকগুলোকে সবচেয়ে বেশি সংকটে রেখেছে হেভিওয়েট খেলাপিদের মাধ্যমে বেহাত হওয়া হাজার হাজার কোটি টাকার ঘাটতি। যা রাজনৈতিক সরকারের সহযোগিতা ছাড়া উদ্ধার সম্ভব নয়।আর্থিক খাতের দীর্ঘ পথচলা সরকারি ব্যাংকগুলোর। দেশের যে কোনো সংকট বা দুর্যোগে নানাভাবে ভূমিকা রাখে এই প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই বৃহৎ স্বার্থে আর্থিক খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিচালনায় স্বচ্ছ ও স্বাধীন ভাবমূর্তি ধরে রেখে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।এইচএ
    সকালে কমে রাতেই বাড়ল স্বর্ণের দাম
    দেশের বাজারে আবারো স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সকালে কমে রাতেই অর্থাৎ ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে এবার ভরিতে চার হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দু’ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরো জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ছয় শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।এর আগে, সবশেষ আজ ৩১ জানুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ভরিতে ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ নয় হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১৯ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে পাঁচ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।এফএস
    জ্বালানি তেলের দাম কমাল সরকার
    বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছে সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা করে কমেছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ২ টাকা কমে ১০০ টাকা, কেরোসিন লিটারে ২ টাকা কমে ১১২ টাকা, পেট্রোলের দাম ২ টাকা কমে ১১৬ টাকা এবং অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা কমিয়ে ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শনিবার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।আগামীকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে নতুন এ দর কার্যকর হবে।জানা যায়, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ গত বছরের মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার। সে হিসেবে প্রতি মাসে নতুন দাম ঘোষণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দর নির্ধারণ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল ব্যবহার হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলে। ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচে, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহার করা হয়।অকটেন ও পেট্রল বিক্রিতে সব সময় বিপিসি লাভ করেন। জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করতো বিপিসি। এখন বিইআরসি প্রতিমাসে তা সমন্বয় করছে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারত ছাড়াও উন্নত বিশ্বে প্রতি মাসেই জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়।আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসেবে গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া চালুর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশে কমবে আবার বাড়লে দেশের বাজারেও বাড়বে। এফএস
    বাণিজ্য মেলায় একমাসে ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি
    ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় মাসব্যাপী প্রায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।মেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি ৩২৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশের পরিমাণ ১৭.৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২২৪.২৬ কোটি টাকা।খাতগুলো হলো— বহুমুখী পাট পণ্য, ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স, হোম অ্যাপলায়েন্স, কসমেটিক্স, হাইজিন পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হ্যান্ডলুম, তৈজসপত্র, হোম টেক্সটাইল, নকশি কাঁথা, ফেব্রিক্স ইত্যাদি। যেসব দেশ থেকে রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে সেগুলো হলো— আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক।মেলার আয়োজকরা জানান, স্থানীয়ভাবে আনুমানিক ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য-সামগ্রীর (রেস্তোঁরাসহ) ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে। মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ক্যাটাগরির সেরা প্যাভিলিয়ন, স্টল ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।এফএস
    স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন, ভরিতে কমেছে প্রায় ১৬ হাজার টাকা
    একদিনের মধ্যে আবারও বড় ধাক্কা খেল দেশের স্বর্ণবাজার। সর্বশেষ দফায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা পর্যন্ত দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন এই দাম আজ শনিবার ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই কার্যকর হবে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমেছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৮৯০ ডলারে নেমে এসেছে; যা গতকাল ৫ হাজার ২০০ ডলারে ছিল। আগের দিন বৃহস্পতিবার ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছাড়িয়েছিল। দেশের বাজারে নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা। সোনার দামের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।এইচএ

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    পাবিপ্রবিতে ১৫তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত
    পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ১৫তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অলিম্পিয়াডে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে একটি র‍্যালি প্রশাসনিক ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবন–২ এর সামনে গিয়ে শেষ হয়।সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অলিম্পিয়াডের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন হলে পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী ও পাবিপ্রবির রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক, জীব ও ভূবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, পাবিপ্রবির রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক রতন কুমার পালসহ রসায়ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এই প্রতিযোগিতায় কেউ বিজয়ী হয়েছে, কেউ হয়নি—কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তোমরা সাহস করে একটি বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছ। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তোমাদের আরও দূরে নিয়ে যাবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক রতন কুমার পাল বলেন, “এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের রসায়নভীতি দূর হবে এবং বিষয়টির প্রতি আগ্রহ বাড়বে। রসায়ন মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করবে এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করার প্রেরণা জোগাবে।”ইখা
    আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ দাবি, যবিপ্রবি উপাচার্যকে ‘মুলা’ উপহার শিক্ষার্থীদের
    আবাসিক হলের নিরাপত্তা, ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা, ক্যাম্পাসের আয়তন বৃদ্ধি ও পরিকল্পিত উন্নয়নসহ বিভিন্ন দাবির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রতীকীভাবে ‘মুলা’ উপহার দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে তাঁর কার্যালয়ের কর্মকর্তা পার্থ সারথী দাসের হাতে প্রতীকী মুলা তুলে দেন শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলে সিসি ক্যামেরার ঘাটতির কারণে নিয়মিত চুরির ঘটনা ঘটছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রায় ছয় মাস ধরে রাস্তা সংস্কারের নামে বারবার কাজ শুরু ও বন্ধ করা হলেও এখনো তা সম্পূর্ণ হয়নি। বাকি অংশ সংস্কারেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।এ ছাড়া মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। বন্ধের দিনগুলোতে চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে এবং হল-সংযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। দেড় বছর দায়িত্বে থাকার পরও প্রশাসন ক্যাম্পাস সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবন পর্যন্ত পর্যাপ্ত আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও নেই।এ সময় শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান ইমরান বলেন, “উপাচার্য স্যারের যোগদানের দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবিগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। কেবল আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। আবাসিক হলে চুরি, বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ, চিকিৎসাসেবায় বিলম্ব এবং সংস্কারের নামে হয়রানি চলছে।”আরেক শিক্ষার্থী সামিউল আলিম সামি বলেন, “আমরা বারবার গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো তুলে ধরেছি। কিন্তু উপাচার্য শুধু আশ্বাস দিয়েছেন, বাস্তবে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। তাই প্রতিবাদ হিসেবে প্রতীকীভাবে মুলা উপহার দেওয়া হয়েছে।”এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে উপাচার্যের কার্যালয়ের কর্মকর্তা পার্থ সারথী দাস সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।ইখা
    বকশীগঞ্জে পরীক্ষা না দিয়েই ফাজিল পাশ!
    পরীক্ষার চলাকালে সৌদি আরবে অবস্থান করার পরেও ফাজিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মুস্তাকিন বিল্লাহ নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড়কে আর আই কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং একই কেন্দ্রের ফাজিল ৩য় বর্ষের পরীক্ষার্থী ছিলেন।   জানা যায়, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ফুলদহপাড়া গ্রামের মনজুরুল হকের ছেলে মুস্তাকিন বিল্লাহ বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার ২০২৪ সালের ফাজিল পরীক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১৬ বিষয় কোডের ইসলামী স্টাডিজ বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।মোস্তাকিন বিল্লাহ সেই দিন সৌদি আরবে অবস্থান করে ওমরা পালন করছিলেন। এ কারণে তিনি ২৭ নভেম্বর ৪১৬ বিষয় কোডের ইসলামী স্টাডিজ বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি। কিন্তু তারপরেও পরীক্ষার হাজিরা খাতায় উপস্থিতি দেখানো হয়েছে তাকে। তার পরিবর্তে প্রক্সি পরীক্ষা দিয়েছে অন্যজন। ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ফাজিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলাফলে মুস্তাকিন বিল্লাহ জিপিএ-৩.২৫( শিক্ষাবর্ষ ২০২১-২০২২, ৩য় বর্ষ, রেজি: ২১২০৩১১৯১, ফাজিল রোল- ২১২০৩১১৯১) পেয়েছেন।এ ব্যাপারে বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব সুলতান মাহমুদ খসরু জানান, মুস্তাকিন বিল্লাহর ফলাফল এসেছে। তবে কিভাবে পাশ করেছে তা আমার জানা নেই।ব্যাপারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইয়াসিন আলী জানান, সুনির্দিষ্টভাবে বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইখা
    গজারিয়ার আকিফ বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় দেশসেরা
    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান রাদওয়ান রিদভী আকিফ। দেশজুড়ে হাজারো মেধাবী পরীক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে এই অসাধারণ সাফল্যের মাধ্যমে তিনি নিজের মেধার উজ্জ্বল প্রমাণ রাখলেন।বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে বুয়েট কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করলে আকিফের সাফল্যের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে গজারিয়াসহ পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় আনন্দ ও গর্বের আবহ তৈরি হয়।আকিফ গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তার এই অর্জনকে ‘বিক্রমপুরের গর্ব’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে আকিফ বলেন, ‘বুয়েটের মতো দেশের শীর্ষ প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথম স্থান অর্জন করা আমার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন। দীর্ঘ দুই বছরের কঠোর পরিশ্রম ও সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপা না থাকলে এই সাফল্য সম্ভব হতো না।’এ বছর বুয়েটের প্রকৌশলসহ বিভিন্ন বিভাগে মোট ১ হাজার ৩০৯টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ৯ হাজার ৫১ জন শিক্ষার্থী। গত ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ হাজার ৬৪৪ জন ছাত্র এবং ২ হাজার ৭০৭ জন ছাত্রী ছিলেন। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান অর্জন করেন আকিফ।স্থানীয়দের ধারণা, আকিফের এই সাফল্য গজারিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও অনেককে স্বপ্ন দেখাবে।এফএস

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    হ্যাকার থেকে রক্ষা পেতে স্ক্যাম অ্যান্ড্রয়েডের ৪টি নতুন স্মার্ট ফিচার
    ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ ও সংযুক্ত রাখতে অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হলো একগুচ্ছ নতুন ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় তৈরি এসব সুবিধা প্রতিদিনের যোগাযোগকে করবে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্মার্ট। সন্দেহজনক মেসেজ শনাক্ত করা থেকে শুরু করে বন্ধু–পরিবারের লাইভ লোকেশন দেখা কিংবা গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেম খেলা সবই এখন আরও সহজ অ্যান্ড্রয়েডে। জেনে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ৪টি ফিচার সম্পর্কে। সন্দেহজনক মেসেজে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা: প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে গুগল মেসেজেসে যুক্ত হয়েছে এআই-চালিত স্ক্যাম ডিটেকশন। এই ফিচার সন্দেহজনক কথোপকথনের ধরণ শনাক্ত করে আগেই সতর্ক করে দেবে। অনেক সময় নিরীহ মেসেজ থেকেই ধীরে ধীরে প্রতারণা শুরু হয় এই ফিচার সেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে রিয়েল-টাইম সতর্কবার্তা দেবে। প্রয়োজনে এক ক্লিকেই মেসেজ ব্লক ও রিপোর্ট করা যাবে। ভালো খবর হলো, এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিভাইসের মধ্যেই সম্পন্ন হয় আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ।লাইভ লোকেশন শেয়ার করে থাকুন নিশ্চিন্ত: এবার ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপেই বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করা যাবে। কারও সঙ্গে দেখা করার সময় বা প্রিয়জন নিরাপদে বাসায় পৌঁছেছেন কি না সেটা  নিশ্চিত করতে এই ফিচার বেশ কাজে আসবে। ম্যাপে সরাসরি দেখা যাবে আপনার পরিচিতদের অবস্থান। কাকে, কত সময়ের জন্য লোকেশন দেখাবেন সবকিছুই থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে, সঙ্গে থাকবে নিয়মিত রিমাইন্ডার।গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় গেমিংয়ের মজা: অ্যান্ড্রয়েড অটোতে যুক্ত হয়েছে নতুন গেমিং সুবিধা। গাড়ি পার্ক করা থাকলে এখন গাড়ির স্ক্রিনেই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেমগুলো। অপেক্ষার সময়টুকু আর বিরক্তিকর নয় গেম খেলেই কাটানো যাবে সময়।কেনাকাটায় স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ক্রোম: অ্যান্ড্রয়েডে ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত হয়েছে নতুন শপিং ইনসাইট। এখন পণ্যের দামের ইতিহাস, মূল্য কমার নোটিফিকেশন কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের দাম তুলনা করা যাবে সহজেই। ঠিক সময়ে কেনাকাটা করতে চাইলে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে থাকা “প্রাইস ইস লো” নোটিফিকেশনই হয়ে উঠবে আপনার গাইড।সব মিলিয়ে, অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন ফিচারগুলো শুধু প্রযুক্তিগত আপডেট নয় বরং ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ, সংযুক্ত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুবিধার ভারসাম্য রাখতেই অ্যান্ড্রয়েডের এই নতুন পদক্ষেপ।এইচএ
    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক -ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা
    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এক আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে টেক জায়ান্ট মেটা। জনপ্রিয় তিন প্ল্যাটফর্ম— হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন চালুর পরিকল্পনা করছে মার্ক জাকারবার্গের এই সংস্থা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন সেবাটি বর্তমান ‘মেটা ভেরিফাইড’ বা ব্লু টিক সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। মূলত যারা সাধারণ ব্যবহারকারীদের তুলনায় একটু বেশি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পেইড প্ল্যান নিয়ে আসছে মেটা।দীর্ঘ সময় ধরে এই তিনটি অ্যাপই বিশ্বজুড়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও এখন আয়ের নতুন উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর সেই ব্যয় সামলাতে এই প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো বলছে, এই প্রিমিয়াম সেবার মূল আকর্ষণ হবে মেটার উন্নত ‘মানুস এআই এজেন্ট’। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট রিপ্লাই, দ্রুত কন্টেন্ট তৈরির সুবিধা এবং স্বয়ংক্রিয় নানা কাজ সহজেই সেরে নিতে পারবেন। এছাড়া ইনস্টাগ্রামের জন্য ‘ভাইবস’ নামক একটি নতুন এআই টুল যুক্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আকর্ষণীয় ছোট এআই ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হবে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের কিছু ব্যক্তিগত চাহিদাও এই প্রিমিয়াম মডেলে জায়গা পেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। যেমন—কে আপনাকে ফলো করছে না তা দেখার বিশেষ সুবিধা কিংবা অন্য পক্ষকে না জানিয়েই গোপনে তাদের ‘স্টোরি’ দেখার অপশন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য বাড়তি কাস্টমাইজেশন এবং এআই-চালিত চ্যাট ফিচার যুক্ত হতে পারে। তবে মেটা কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই নতুন সুবিধাগুলো নেওয়া পুরোপুরি ব্যবহারকারীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। যারা অর্থ খরচ করতে চান না, তারা আগের মতোই বর্তমানের ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।নতুন এই পদক্ষেপের ফলে গোপনীয়তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের আনাগোনা বাড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হবে কি না। যদিও মেটার দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মূলত উন্নত এআই অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই প্রিমিয়াম মডেলের আবির্ভাব ঘটছে। এখন দেখার বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কতটা সাড়া দেন এবং মেটার এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।এইচএ
    শিশুদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা
    যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন মামলার মুখে পড়েছে বিশ্বের ৩ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্ম ফেসবুক, গুগল ও টিকটক। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আসক্তি তৈরি এবং এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার অভিযোগে আদালতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে জনপ্রিয় এই ৩ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।  এএফপির প্রতিবেদন মতে, স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা, অ্যালফাবেট ও বাইটড্যান্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আদালত এই মামলার জুরি নির্বাচন শুরু করবে। এই মামলাকে মার্কিন বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসের একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা।এই মামলার রায় ৩ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে গেলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এ ধরনের আরও হাজারো মামলার ঢেউ উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতে মেটার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হতে পারে বলে জানা গেছে। কম বয়সি শিশু, তরুণ ও তরুণীরা ওই তিন প্রতিষ্ঠানের সেবা ও পণ্য ব্যবহার করে অবসাদ, খাবারে অনাসক্তি, মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, এমনকি, আত্মহত্যাও করেছেন—এমন দাবি করেছেন বাদী পক্ষের হাজারো মানুষ। বাদী-পক্ষের আইনজীবীরা ১৯৯০ ও ২০০০ এর দশকে তামাক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা আইনি কৌশল বেছে নিচ্ছেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিশ্বখ্যাত সিগারেট উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ পণ্য বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছিল। বিচারক নিয়োগের পর আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে বিচারপতি ক্যারোলিন কুল-এর আদালতে মামলার কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ১৯ বছর বয়সি এক মার্কিন নারী। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে শুধু নামের আদ্যাক্ষর ‘কে জি এম’ ব্যবহার করে তার পরিচয় দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তির কারণে তিনি ‘মানসিক ক্ষতির’ শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের মামলা ও আদালতের অভিযোগ গ্রহণের নজির নেই। সোশাল মিডিয়া ভিক্টিমস ল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথু বার্গম্যান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এবারই প্রথম কোনো সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে শিশুদের ক্ষতি করার অভিযোগে বিচারকদের সামনে দাঁড়াতে হচ্ছে।’ বার্গম্যানের আইনজীবীরা এ ধরনের প্রায় এক হাজার মামলার দায়িত্বে আছেন। আইনজীবীদের এই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে তরুণ-তরুণীদের ক্ষতি করার জন্য সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছে। বার্গম্যান বলেন, ‘কে জি এম ও তার পরিবার যে একটি আদালতকক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে বড়, ক্ষমতাবান ও বিত্তবান প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখোমুখি দাঁড়াতে পেরেছেন, এটাই একটি উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিজয়।’  তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটা বুঝতে পারছি যে এ ধরনের মামলাগুলো জেতা অনেক কঠিন এবং আগের, একই ধরনের ঘটনার নজির ও তথ্য-প্রমাণ টেনে বিজয়ী হওয়ার দায়ভার আমাদের ওপর বর্তেছে। আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে, এসব প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তাদের প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন করেছে যা কেজিএম-এর (মানসিক) ক্ষতি নিশ্চিত করে। এই দায়িত্ব আমরা খুশি মনেই কাঁধে নিয়েছি।’ এই বিচারের রায় ভবিষ্যতে একই ধরনের সব মামলার রায়কে সরাসরি প্রভাবিত করবে বলে মত দেন বার্গম্যান। গত সপ্তাহে অপর সমাজমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাট আদালতের বাইরে চুক্তি করে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছে। ওই চুক্তির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্মগুলোর দাবি, মার্কিন যোগাযোগ নৈতিকতা আইনের ২৩০ ধারা তাদেরকে সুরক্ষা দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কী পোস্ট করছেন, তা নিয়ে কোনো ধরনের দায়বদ্ধতা থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেহাই দেয় এই ধারা। তবে মামলায় বিবাদীদের যুক্তি—সমাজমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তাদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, যা মানুষের মনোযোগ ধরে রাখে। পাশাপাশি সেখানে এমন সব কনটেন্টের প্রচারণা করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়।  বার্গম্যান আরও বলেন, ‘আমরা সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্ষতিকারক কন্টেন্ট সরিয়ে নিতে না পারার জন্য মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করছি না।’ তার ভাষায়, ‘তাদের দোষ, তারা এমনভাবে প্ল্যাটফর্মগুলো বানিয়েছে যা শিশুদের আসক্ত করে তোলে। তাদের এলগরিদম এমন যে শিশুরা কনটেন্ট থেকে চোখ সরাতে পারে না।’ ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল আদালতেও একই ধরনের অভিযোগে অসংখ্য মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার বিষয়ে উল্লেখিত তিন প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।  এইচএ
    প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রজাপতির জীবনরহস্য উন্মোচনের চেষ্টা
    মোনার্ক জাতের প্রজাপতির বৈচিত্রময় জীবনরহস্য ও গতিপথ উন্মোচনে নতুন এক পদ্ধতি অবলম্বন করতে যাচ্ছেন একদল মার্কিন বিজ্ঞানী। এই পদ্ধতিতে প্রজাপতির পাখায় ট্র্যাকিং ডিভাইস বসিয়ে অনুসরণ করা হবে গতিপথ। সেলুলার প্রযুক্তির এই ছোট ট্যাগগুলো মানচিত্রে প্রজাপতি চলাচলের সুনির্দিষ্ট পথ ফুটিয়ে তুলতে পারে। যার মাধ্যমে তাদের অভিবাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। হলদে ডানার কালো ডোরাকাটা দাগ বিশিষ্ট বড় জাতের প্রজাপতি মোনার্ক। যাদের গতিপথ রহস্যে ঘেরা। শীতকাল কাটাতে তারা পাড়ি দেয় হাজার হাজার মাইল পথ। কানাডা ও উত্তর আমেরিকা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে সুদূর লাতিন আমেরিকার দেশ ম্যাক্সিকোয় জায়গা করে নেয়। যা কোনো পোকামাকড়ের দীর্ঘতম অভিবাসন প্রক্রিয়া। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তারা কোথায় যায়, কোন কোন পথ ব্যবহার করে এবং কিভাবেই বা স্থানীয় প্রজাতি থেকে নিজেদের আলাদা করে রাখে তা ঘিরে রয়েছে হাজারো প্রশ্ন।সেই রহস্যের জট খুলতে গবেষণা করে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন এবং মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। মোনার্ক জাতের প্রজাপতির পিঠে ক্ষুদ্র ও হালকা ওজনের রেডিও ট্যাগ বসাতে যাচ্ছেন গবেষকরা। এসব ডিভাইস পোকামাকড়ের ভ্রমনের সময় অবস্থানের তথ্য ও গতিবিধি নজরদারির সুযোগ করে দেবে। গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. শন বার্চার বলেন, আমার দক্ষতার ক্ষেত্র ছিল প্রজাপতি নিয়ে গবেষণা। আর ইসলার দক্ষতা ছিল প্রযুক্তি, ড্রোন ও এআইয়ের মতো বিষয়। আমরা ভাবছিলাম দুজন মিলে কী করা যায়। একই সময়ে বাজারে নতুন এক প্রযুক্তি আসে, যেখানে খুব ছোট ট্যাগ প্রজাপতির গায়ে লাগিয়ে তাদের গতিপথ অনুসরণ করা যায়। এই প্রযুক্তিটি আমাদের দুজনের আগ্রহের মধ্যে পড়ে। তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিই এটি ব্যবহার করে আমরা একটি প্রকল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।ট্যাগগুলো সেলুলার ট্র্যাকিং টেকনোলজি দ্বারা তৈরি। এতে ব্লুটুথ সিগনাল ও ছোট সৌর প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারি ছাড়াই তথ্য পাঠাতে সক্ষম। আশপাশে থাকা যেকোনো রিসিভার এমনকি স্মার্টফোনও এই সিগনাল শনাক্ত করতে পারে। কোম্পানির মতে, এই প্রযুক্তির ফলে ট্যাগগুলো প্রজাপতির পুরো জীবনকালজুড়ে কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। ট্যাগ থেকে পাওয়া তথ্য ইন্টারঅ্যাকটিভ মানচিত্রে দেখানো হয়, যেখানে প্রজাপতিগুলোর চলাচলের সুনির্দিষ্ট পথ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। এতে মনার্ক প্রজাপতিগুলো কীভাবে পথ খুঁজে নেয়, কোথায় থামে এবং পরিবেশগত উপাদান অভিবাসনে কী প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। গবেষকদের মতে, একই প্রযুক্তি শিগগিরই ড্রাগনফ্লাই ও পঙ্গপালসহ অন্যান্য পোকামাকড়ের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরিবেশগত গবেষণার পাশাপাশি বিধ্বংসী পোকা মাকড়ের আগমন শনাক্তের মাধ্যমে মানবিক সহায়তাতেও কাজে আসতে পারে।এইচএ
    আয় বাড়তে চ্যাটজিপিটিতে ওপেনএআই চালু করলো বিজ্ঞাপন
    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জনপ্রিয় চ্যাটবট চ্যাটজিপিটিতে এবার বিজ্ঞাপন যুক্ত করতে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কোম্পানি ওপেনএআই। আসছে সপ্তাহগুলোতেই পরীক্ষামূলকভাবে এই বিজ্ঞাপন চালু হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক ব্লগ পোস্টে ওপেনএআই জানায়, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে এই বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং তা সীমাবদ্ধ থাকবে ফ্রি ও নিম্নস্তরের সাবস্ক্রিপশন ব্যবহারকারীদের জন্য। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, চ্যাটজিপিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ও দ্রুত বাড়ছে। সেই ব্যয় সামাল দিতেই নতুন আয়ের উৎস হিসেবে বিজ্ঞাপন চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।পরীক্ষামূলক এই বিজ্ঞাপন কার্যক্রম সফল হলে ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশেও এবং আরও বিস্তৃত পরিসরে বিজ্ঞাপন চালু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পেইড বা প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীরা আপাতত এই বিজ্ঞাপনের বাইরে থাকবেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও, বিজ্ঞাপন চ্যাটজিপিটির ব্যবহার অভিজ্ঞতায় কতটা প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর থাকবে গ্রাহকদের।এইচএ
    ৫৪ বছর পর আবারও চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আর্টেমিস টু মিশন উৎক্ষেপণ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। এটি হবে ১৯৭২ সালের পর মানুষের প্রথম চাঁদ অভিযান। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।এই মিশনের যাত্রা হবে ১০ দিনের। এতে অংশ নেবেন নাসার তিন নভোচারী। তারা হলেন রিড উইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ। তাদের সঙ্গে থাকবেন কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন। তারা চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।আর্টেমিস টু মিশনে চাঁদের পৃষ্ঠে নামা হবে না। তবে এই মিশন ভবিষ্যতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে ২০২৭ সালের আর্টেমিস থ্রি মিশনের পথ তৈরি হবে। ওই মিশনে বহু বছর পর আবার মানুষ চাঁদে পা রাখবে।এই উৎক্ষেপণের সময়সূচি খুব সীমিত। পৃথিবী ও চাঁদের কক্ষপথের কারণে এই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল উৎক্ষেপণ হবে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে। এখান থেকেই এক সময় অ্যাপোলো মিশনগুলো চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।যদি ৬ ফেব্রুয়ারি উৎক্ষেপণ সম্ভব না হয়, তাহলে বিকল্প তারিখ রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো ৭, ৮, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি।৫৩ বছর ধরে কোনো মানুষবাহী মহাকাশযান নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথের বাইরে যায়নি। আর্টেমিস টু সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে যাচ্ছে।এই মিশনে ব্যবহার করা হবে ওরিয়ন মহাকাশযান। এটি বহন করবে নাসার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম বা এসএলএস রকেট। উৎক্ষেপণের পর প্রথমে মহাকাশযানটি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরবে। সেখানে জীবনধারণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে। এরপর এটি চাঁদের দিকে যাবে।চাঁদের কাছ দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ব্যবহার করা হবে। সেই শক্তিতে ভর করে মহাকাশযানটি আবার পৃথিবীর পথে ফিরে আসবে।এমআর-২

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    আশুলিয়ায় হত্যার পর ৬ লাশ পোড়ানোর মামলার রায় ৫ ফেব্রুয়ারি
    জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জনের মরদেহ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার দায়ে সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৫ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে।আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এদিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়।এ মামলায় ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, আবজাল ও কনস্টেবল মুকুল কারাগারে আছেন। তবে সাবেক এমপি সাইফুলসহ আটজন এখনো পলাতক। গত বছরের ২১ আগস্ট এ মামলায় ১৬ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ৫ আগস্ট ৬ জনকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেয়া হয়। তবে সে সময়েও জীবিত ছিল একজন। এ ছাড়া ৪ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনে একজনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।এইচএ

    প্রবাস

    সব দেখুন
    দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত
    দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খালেদ নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার জোহানেসবার্গ শহরের ইন্ড স্ট্রিট এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।নিহত খালেদের বাড়ি বাংলাদেশের সিলেট জেলায়। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বরাতে জানা যায়, তিনি তার মামা এডভোকেট আফরোজ উদ্দিনের মালিকানাধীন একটি ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। প্রতিদিনের মতো আজও দোকানে করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খালেদকে দ্রুত উদ্ধার করে জোহানেসবার্গের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালেই রাখা হয়েছে।খালেদ জোহানেসবার্গে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ। তার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে গভীর শোক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।এফএস

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    যে পিল খেয়ে ‘বায়ুত্যাগ’ করলে বের হয় গোলাপ আর চকলেটের সুবাস
    প্রতিদিনই কিছু না কিছু আবিষ্কার হচ্ছে পৃথিবীজুড়ে। কিন্তু, কখনও কখনও এমন কিছু আবিষ্কারের কথা জানা যায়, যাতে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়তে হয়। এমনই পিলে চমকে দেওয়া এক ওষুধ আবিষ্কার করেছেন পঁয়েশ্যেভাল নামে ফরাসি এক বিজ্ঞানী। এমন এক পিল আবিষ্কার করেছেন তিনি, যা খাওয়ার পর ‘বায়ুত্যাগ’ করলে দুর্গন্ধের বদলে বের হয় গোলাপ আর চকলেটের সুবাস।   ৬৬ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান পঁয়েশ্যেভালের অভিনব এ আবিষ্কারের পেছনে আছে মজার এক কাহিনি। জানা গেছে, আজীবন বিভিন্ন উটকো সমস্যার সমাধান খোঁজাই ফ্রান্সের ঝেভা গ্রামের বাসিন্দা ক্রিশ্চিয়ান পঁয়েশ্যেভালের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। এই বিরল প্রতিভার জন্য স্থানীয়রা তাকে ‘সান্তাক্লজের ছোট হিপো ভাই’ নামেও ডেকে থাকেন।২০০৬ সালে বন্ধুদের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেছিলেন পঁয়েশ্যেভাল। ওই ভোজসভার পরের এক অপ্রীতিকর ঘটনাই মূলত তাকে বায়ুত্যাগজনিত দুর্গন্ধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করতে উদ্বুদ্ধ করে। পঁয়েশ্যেভাল জানান, ভরপেট খাওয়ার পরে আমি এত দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু ত্যাগ করতে থাকি যে নিজেরই দমবন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়। আমার পাশে বসা বন্ধুরাও আমার কারণে বিমর্ষ হয়ে পড়েন। ওই ঘটনার পরেই তাকে গবেষণার পথে নামতে হয় আর তারই ফলে এক অভিনব আবিষ্কার করে ফেলেন পঁয়েশ্যেভাল। বায়ুত্যাগজনিত দুর্গন্ধ দূর করতে তিনি চকোলেটের মতো সুগন্ধযুক্ত বড়ি আবিষ্কার করেন। তবে এটিই তার একমাত্র আবিষ্কার নয়। এর আগে, তিনি এমন ওষুধও তৈরি করেছেন, যা বায়ুত্যাগে গোলাপ এবং ভায়োলেট ফুলের সুগন্ধ এনে দিতে সক্ষম।এখানেই শেষ নয়, পোষ্য জানোয়ারদের বায়ুত্যাগজনিত দুর্গন্ধ কমানোর পাউডারও তৈরি করেছেন পঁয়েশ্যেভাল। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি এই সমস্ত ওষুধ সমস্ত রকম রাসায়নিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত। তার একমাত্র লক্ষ্য, সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর ও লজ্জাজনক পরিস্থিতি থেকে মানুষকে রক্ষা করা।আসলে খাদ্যতালিকা ও পেট ফাঁপার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক খুঁজে পান এই ফরাসি বিজ্ঞানী। তার ভাষ্য, ‘আমি যখন নিরামিষভোজী ছিলাম, তখন দেখেছি আমার বায়ুত্যাগে শাকসবজির গন্ধ প্রাধান্য পেয়েছে। তার সঙ্গে গরুর গোবরের গন্ধের অনেক মিল রয়েছে। কিন্তু, যখন আমিষ খাওয়া শুরু করলাম, তখন বায়ুত্যাগে দুর্গন্ধ আরও প্রবল হয়ে উঠল।’ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, পঁয়েশ্যেভালের তৈরি ওষুধে উদ্ভিদজাত কাঠকয়লা, মৌরি, সামুদ্রিক শৈবাল, পাইন রজন, বিলবেরি এবং কোকো ফলের নির্যাসের মতো প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যা শুধু দুর্গন্ধকে আড়ালই করে না, তার সঙ্গে অন্ত্রে সৃষ্ট গ্যাস এবং তার জেরে পেট ফাঁপার মতো উপসর্গও হ্রাস করে।পঁয়েশ্যেভালের তৈরি এইসমস্ত ওষুধ এক ভিন্ন গোত্রের বাজার তৈরি করে ফেলেছে। বিশেষ করে উৎসব ও ছুটির মৌসুমে তার চাহিদা লাফিয়ে বাড়তে দেখা গেছে। পঁয়েশ্যেভালের ভাষ্যমতে, পেট ফোলার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই তার ওষুধ নিয়মিত সেবন করেন। আবার অনেকে মজার ছলে বন্ধুদের উপহারও দেন এই ওষুধ। পেটে জমে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত বায়ু গোলাপ এবং চকোলেটের সুগন্ধে বদলে দেওয়া এ ওষুধ ছোটখাটো একটা বিপ্লবই ঘটিয়ে ফেলেছে।সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়ারএইচএ

    Loading…