এইমাত্র
  • নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছে সরকার: রিজভী
  • হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন তামিম
  • ব্যাংককে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ভবন
  • মিয়ানমারে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, অনুভূত বাংলাদেশেও
  • রাশমিকার সংলাপ বলার ধরন নিয়ে আপত্তি নেটিজেনদের
  • বালুবাহী ট্রাক উল্টে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ কিলোমিটার যানজট
  • ঈদে ফিরতি যাত্রার ৭ এপ্রিলের টিকিট মিলছে আজ
  • ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যাত্রীর ঢল, বেড়েছে গাড়ির চাপও
  • ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
  • এবার বাংলাদেশ ও সৌদি আরবে একই দিনে ঈদ হতে পারে
  • আজ শুক্রবার, ১৪ চৈত্র, ১৪৩১ | ২৮ মার্চ, ২০২৫
    দেশজুড়ে

    কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ১২:১৫ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ১২:১৫ পিএম

    কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ১২:১৫ পিএম

    ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে মারিয়া নামে এক কিশোরীকে তিন বছর আগে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

    আজ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    দণ্ডিতরা হলেন-কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন খোলামোড়া গ্রামের কামির উদ্দিনের ছেলে মো. সজিব, ফরিদপুরের ভাংগা উপজেলার খাঁকান্দা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে মো. রাকিব এবং শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার মুসলিম মাতবরের ছেলে শাওন ওরফে ভ্যালকা শাওন।

    এছাড়া, লাশ গুমের ঘটনায় তাদের প্রত্যেককে সাত বছর করে কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে রায়ে আসামি আলী আকবর (২২) এবং মো. রিয়াজের (২২) বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ জুন কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন আঁটিবাজার এলাকায় পুলিশ চলছিল। টহল ডিউটি চলাকালে সকাল পৌনে ৮টার দিকে জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পায়, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পশ্চিম বামনসুর জামে মসজিদের সামনে পুকুরের পানিতে একজন নারীর লাশ ভাসছে। পুলিশ সেখানে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

    পরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ মামলা দায়ের করে। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথমে তার পরিচয় শনাক্ত করে। ভিকটিমের বান্ধবী সাক্ষী হিসেবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, এটা তার বান্ধবী মারিয়ার লাশ। পরে পুলিশ শাওনকে গ্রেপ্তার করে।

    শাওন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। সেখানে জানায়, তিনিসহ মো. রাকিব, মো. সজিব, মো.আলী আকবর মিলে ভিকটিম মারিয়াকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পশ্চিম বামনসুর জামে মসজিদের পানিতে ফেলে রাখেন। পরে রাকিব ও সজিব গ্রেপ্তার হয়। তারাও একই কথা বলে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…