এইমাত্র
  • ভুটান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আজ
  • নিজের জীবন বাজি রেখে যাত্রীদের জীবন বাঁচাতে যান শাহাবুদ্দিন
  • ময়মনসিংহের ইয়াসিন ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
  • নৈশভোজে ‘ঘনিষ্ঠভাবে’ কথা বলেছেন ইউনূস-মোদি, বৈঠক কাল
  • আন্তর্জাতিক আদালতের সদস্যপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা হাঙ্গেরির
  • মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ছাড়িয়েছে
  • চট্টগ্রামে ডাবল মার্ডার: দুই আসামি গ্রেফতার
  • উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ তরুণ প্রজন্মকে ড. ইউনূসের
  • এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষাবোর্ড
  • বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা আমাদের: ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আজ শুক্রবার, ২০ চৈত্র, ১৪৩১ | ৪ এপ্রিল, ২০২৫
    দেশজুড়ে

    ইমামকে রাজকীয় বিদায়, এককালীন পেলেন ৯ লাখ টাকা

    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫২ পিএম
    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫২ পিএম

    ইমামকে রাজকীয় বিদায়, এককালীন পেলেন ৯ লাখ টাকা

    মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫২ পিএম

    টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নতুন কহেলা জামে মসজিদের ইমাম ও খতীবকে তিন যুগ ইমামতি শেষে রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইমামকে এককালীন পেনসন হিসেবে দেয়া হয়েছে ৯ লাখ টাকা।

    মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নতুন কহেলা এলাকায় গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

    জানা যায়, ১৯৯১ সালে মাওলানা মোহাম্মদ শাজাহান খান নতুন কহেলা জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘ ৩৪ বছর ইমামতি করেন তিনি। গ্রামের প্রতিটি মানুষের সাথে তার রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীকে তিনি কুরআন শিখিয়েছেন। তার শেষ বয়সে এলাকাবাসী ইমামকে সম্মানিত করতে ঘোড়ার গাড়ি টমটমে করে বিদায় দিয়েছেন। এছাড়া ঘোড়ার গাড়ি বহরে বিদায় সফর সঙ্গী হয়েছে অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল। গ্রামবাসীরা হাত নেড়ে ইমামের কর্মজীবনের শেষ বিদায় জানান।

    ১৯৯১ সালে যুবক বয়সে ৬০০ টাকা বেতন পাওয়া ইমামের বিদায়কালে বেতন হয় ১৭ হাজার পাঁচশত টাকা। এই ইমাম মির্জাপুর উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের মৃত কুরবান আলীর ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান খান। তিনি ঢাকার লালবাগের একটি সনামধন্য মাদ্রাসা থেকে মাওলানা পাস করেন। পরে তিনি এই মসজিদে ইমাম হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তার মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী সে সময়ে ৬ শত টাকা বেতন ধার্য করা হয়। তার এই দীর্ঘ ৩৪ বছরের ইমামতি পেশায় থাকা কালীন এলাকায় ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন। ফলে তার বিদায় বেলায় এক কালীন পেনসন দেওয়া হয়েছে ৯ লাখ ৩ শত টাকা।

    ২০২৪ সালে গ্রামের পক্ষ থেকে ওমরা হজ্বেও পাঠানো হয় এই ইমামকে। এছাড়া গ্রামের মানুষ নানা ধরনের উপহার দিয়ে বিদায় জানান তাকে। এবং বিদায় সফর সঙ্গী হয়ে এই গ্রামের প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ ৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ইমামের নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসেন। এমন বিদায় জানাতে পেরে খুশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ।

    এমন ব্যতিক্রমী বিদায়ে এলাকাবাসীর ভালোবাসার কাছে আবেগাপ্লুত হয়ে কেদে কৃতজ্ঞতা জানান বিদায়ী এই ইমাম।

    মসজিদ কমিটির সভাপতি বলেন, এমন বিদায় সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ইমামের পরবর্তী জীবন ভালো কাটতে সরকারি চাকুরীর মত পেনসন দেওয়া হয়েছে।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…