এইমাত্র
  • একটা সংগঠন করতাম, যেটা বলতে এখন লজ্জা হয়: জামায়াত আমির
  • ঈদের দিনে নরসিংদীতে গণপিটুনিতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
  • ইমামকে রাজকীয় বিদায়, এককালীন পেলেন ৯ লাখ টাকা
  • ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৭০০ ছাড়াল
  • ঈদে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আহত রিয়াদের খোঁজ নেননি কেউ
  • ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রাণচাঞ্চল্য
  • ঈদের দিন সারাদেশে সড়কে প্রাণ গেছে ২৫ জনের
  • যশোরে পটকা ফাটানো নিয়ে যুবক খুন, ছুরিকাহত ৪
  • দেশের যে দুই অঞ্চলে আজ ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
  • ঈদে নথিবিহীন অভিবাসীদের ওপর মালয়েশিয়ায় কঠোর নজরদারি
  • আজ মঙ্গলবার, ১৮ চৈত্র, ১৪৩১ | ১ এপ্রিল, ২০২৫
    রাজনীতি

    আ. লীগ নিষিদ্ধে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৫, ০১:১৯ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৫, ০১:১৯ পিএম

    আ. লীগ নিষিদ্ধে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৫, ০১:১৯ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

    রোববার (২৩ মার্চ) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি।

    পোস্টে রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান করছি। প্রধান উপদেষ্টা যদি আগামীকালই এই সংলাপ ডাকে, আগামীকালই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে।

    রাশেদ খান লেখেন, এখন কথা হলো, সেই সংলাপ কি ডাকা হবে? অন্তর্বর্তী সরকারে দুজন ছাত্র উপদেষ্টা আছেন, তারা সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলে সংলাপ ডাকতে চাপ প্রয়োগ করুক। যদি তাদের কথা না শোনে, তাহলে পদত্যাগ করে তারা জনতার কাতারে আসুক। তারপর জনগণ সরকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    তিনি লিখেন, প্রয়োজনে এই সরকার বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য থাকবে। সত্যিই যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চান, তবে জাতীয় সংলাপ ডাকতেই হবে এবং এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখতে হবে ছাত্র উপদেষ্টাদের। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, কোনো দল পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলতে পারবে না।

    রাশেদ খান আরও বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সংলাপের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ হোক গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগ। নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়। সেটির আয়োজক হতে হবে সরকারকে। আর যদি সেটি না হয়ে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হয়, অন্তর্বর্তী সরকার আজীবন দায়ী থেকে যাবে।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…