চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় সরিষা–বোরো–রোপা আমন শস্যপদ্ধতিতে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জীবননগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে রোববার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার শাপলাকলি পাড়ায় এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন। উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইয়াছিন আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাভেল রানা এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহ আলম, আলমগীর হোসেন ও নুরুজ্জামান।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, জীবননগরের কৃষিজমি অত্যন্ত উর্বর এবং বছরে তিনটি ফসল চাষের উপযোগী। তবে বর্তমানে উপজেলার প্রায় ৬০ শতাংশ জমিতে বছরে মাত্র দুটি ফসল আবাদ করা হচ্ছে, বাকি সময় জমি পতিত থাকে।
বক্তারা জানান, বারি সরিষা–১৪ জাতের জীবনকাল মাত্র ৮০ থেকে ৮৫ দিন এবং এতে তেলের পরিমাণ বেশি। প্রতি কেজি সরিষা থেকে গড়ে প্রায় ৪৫০ গ্রাম তেল পাওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই জাতের সরিষা চাষ করলে একই জমিতে বছরে তিনটি ফসল আবাদ করা সম্ভব।
তাঁরা আরও বলেন, সরিষা অনেক ফসলের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবেও চাষ করা যায়। এতে একদিকে ভোজ্য তেলের পারিবারিক চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে উদ্বৃত্ত উৎপাদন বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারবেন।
মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৭০ জন কৃষক ও কৃষাণী অংশ নেন।
ইখা