ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক হ্রাস করা হয়েছে। দেশটির নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ৬০ কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা আগের অর্থবছরের ১২০ কোটি রুপির তুলনায় ৫০ শতাংশ কম।
রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের নতুন অর্থবছরের পেশ করা বাজেটে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, বিজেপি সরকারের সবার আগে প্রতিবেশী নীতির আওতায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বৈদেশিক সহায়তা খাতে ২২ হাজার ১১৮ কোটি ৯৭ লাখ রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা আগের অর্থবছরের ২০ হাজার ৫১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপির তুলনায় সামান্য বেশি।
বাজেটে প্রতিবেশী ও কৌশলগত অংশীদার দেশগুলোর প্রতি ভারতের আর্থিক সহায়তায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। কয়েকটি দেশের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হলেও কিছু দেশে তা কমানো হয়েছে। ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও কৌশলগত অংশীদার ভুটানের জন্য আর্থিক সহায়তা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়িয়ে ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৫৫ লাখ রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে।
এছাড়া আফগানিস্তানের জন্য সহায়তা তিন গুণ বাড়ানো হয়েছে। দেশটির জন্য বরাদ্দ এবারের বাজেটে আগের বছরের ৫০ কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ১৫০ কোটি রুপি করা হয়েছে।
পাশাপাশি নেপালের জন্য ৮০০ কোটি রুপি বরাদ্দ দিয়েছে নয়াদিল্লি; যা গত বছরের তুলনায় ১০০ কোটি রুপি বেশি। শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০০ কোটি রুপি। এই অর্থও আগের বছরের তুলনায় ১০০ কোটি রুপি বেশি। বাজেটে মঙ্গোলিয়ার জন্য বরাদ্দ পাঁচ গুণ বৃদ্ধি করে ৫ কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি রুপি করা হয়েছে।
মরিশাসের জন্য আর্থিক সহায়তাও বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি রুপি করা হয়েছে। সেশেলসের জন্য বরাদ্দ অপরিবর্তিত রেখে ১৯ কোটি রুপি রাখা হয়েছে। মালদ্বীপের জন্য ৫৫০ কোটি রুপি এবং মিয়ানমারের জন্য ৩০০ কোটি রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারত। বিপরীতে, বাজেটে বাংলাদেশের জন্য সহায়তা কমিয়ে ৬০ কোটি রুপি ঘোষণা করা হয়েছে।
এমআর-২