এইমাত্র
  • নুরের পক্ষে কাজ না করায় গলাচিপায় বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত
  • কিশোরগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে এনসিপি ও শিবির নেতার ওপর হামলার অভিযোগ
  • ‘সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ফাদার রিগনের কাছে ঋনী’
  • ‘বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জে আর কোনো আওয়ামী লীগের সমর্থক গ্রেপ্তার হবে না’
  • আজকের মধ্যে না পৌঁছালে বাতিল হতে পারে প্রবাসীদের ভোট
  • বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারত–ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছি: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
  • ‘ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করবো আমরা পাকিস্তান’
  • বিএনপি প্রার্থীকে আ.লীগ নেতা-কর্মীর সমর্থন, গ্রেপ্তার দাবিতে শিবচর থানা ঘেরাও
  • বেকারত্ব দূর ও কুটির শিল্পের প্রসারে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাসারের প্রতিশ্রুতি
  • বাঁশখালীতে সেনা অভিযানে মাদকসহ স্ত্রী আটক, স্বামী পলাতক
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ, ১৪৩২ | ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার পারমাণবিক চুক্তির মেয়াদ শেষ, বাড়ছে উদ্বেগ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ এএম

    যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার পারমাণবিক চুক্তির মেয়াদ শেষ, বাড়ছে উদ্বেগ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ এএম

    যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান শেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি নিউ স্টার্ট-এর মেয়াদ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়ে গেছে। এর ফলে বিশ্ব নতুন এক নিয়ন্ত্রণহীন পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার দিকে এগোতে পারে বলে সতর্ক করেছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। খবর দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের।

    ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রুশ নেতা দিমিত্রি মেদভেদেভের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত নিউ স্টার্ট চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৫০টি মোতায়েনকৃত পারমাণবিক ওয়ারহেড, ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ৮০০টি লঞ্চারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি চুক্তিতে সরাসরি পরিদর্শনের ব্যবস্থাও ছিল। তবে কোভিড-১৯ মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেই পরিদর্শন কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

    এদিকে চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে বলেন, ‘মেয়াদ শেষ হলে শেষ হবে, আমরা আরও ভালো চুক্তি করব।’ 

    অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক বছরের জন্য স্বেচ্ছামূলকভাবে চুক্তির শর্ত মানার প্রস্তাব দিলেও সেটি যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতির ওপর নির্ভরশীল।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চুক্তি ভেঙে পড়লে দুই দেশই দ্রুত তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। যদিও প্রযুক্তিগত ও লজিস্টিক কারণে তাৎক্ষণিকভাবে বড় পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবুও এক বছরের মধ্যেই বড় ধরনের অস্ত্র বৃদ্ধি ঘটতে পারে।

    নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, নতুন কোনো বিকল্প চুক্তি না থাকলে বিশ্ব দীর্ঘ সময়ের জন্য কার্যকর পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ছাড়াই চলতে বাধ্য হবে, যা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

    এবি 

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…