এইমাত্র
  • যশোরে শহীদ আব্দুল্লাহর পরিবারে ঈদ আনন্দ কেটেছে বেদনায়
  • ঈদে কারাবন্দিদের জন্য থাকছে যেসব খাবার
  • লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে দিনাজপুরে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
  • ঈদের জামাতে দ্রুত নির্বাচন চেয়ে দোয়া প্রার্থনা
  • আগামীতে আরও বড় পরিসরে ঈদ উদযাপন করব: উপদেষ্টা আসিফ
  • যত বাধাই আসুক ঐক্যবদ্ধ থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়ব
  • জাতীয় ঈদগাহে প্রধান উপদেষ্টার ঈদের নামাজ আদায়
  • লোহাগাড়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত
  • জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
  • ঈদের দিনেও গাজায় ই’রায়েলি হামলা, নিহত ৬৪
  • আজ মঙ্গলবার, ১৭ চৈত্র, ১৪৩১ | ১ এপ্রিল, ২০২৫
    দেশজুড়ে

    ধামরাইয়ে বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে তিন ফসলি জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ

    আব্দুল কাদের, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৫, ০৫:২৩ পিএম
    আব্দুল কাদের, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৫, ০৫:২৩ পিএম

    ধামরাইয়ে বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে তিন ফসলি জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ

    আব্দুল কাদের, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৫, ০৫:২৩ পিএম

    ঢাকার ধামরাইয়ে তিন ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির আমিনুর রহমান নবীউল্লাহর বিরুদ্ধে! তিনি যাদবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে একাজ করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, আমরাইল মৌজার তিন ফসলি জমির মাটি কেটে রাতের আধারে বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে গ্রামীন রাস্তা নষ্ট হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। রাস্তার পাশে বাড়িঘরে ধূলা বালি উড়ে গিয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানায়, বিএনপির সভাপতি আমিনুর রহমান নবীউল্লাহ তিন ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করছে। রাতভর মাটি কাটার ফলে শব্দে এলাকার মানুষ ঘুমাতে পারে না। একাধিকবার থানা প্রশাসন থেকে নিষেধ করা সত্ত্বেও রাতের আধারে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাটি কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    স্থানীয়রা জানায়, অপরিচিত বহিরাগত লোকজন দিয়ে এলাকায় টহল দিয়ে মাটি কাটা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিএনপির সভাপতি নবীউল্লাহ। থানা প্রশাসন বন্ধ করে দিলেও রাতের আধারে মাটি কাটা সচল রাখছে তারা।

    এলাকাবাসী আরো জানায়, গ্রামীণ রাস্তা রক্ষা করাসহ তিন ফসলি জমির মাটি বিক্রি বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা আরো শক্তিশালী করা দরকার। তবে আফসোস গত আড়াই মাসে মাটি কাটার বিরুদ্ধে কোন অভিযান চালায়নি উপজেলা প্রশাসন।

    উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, তিন ফসলি জমির মাটি বিক্রি একটা অপরাধ। কোন ব্যক্তি তিন ফসলি জমির মাটি বিক্রি করতে পারেনা। নিজের জমিতে অনুমতি নিয়ে পুকুর খনন করলেও মাটি অন্যত্র বিক্রি করতে পারেনা।

    এবিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামনুন আহমেদ অনিকের কাছে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

    এইচএ

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…