এই মাত্র
  • বিপিএলের মাঝে ছুটি পেয়েই ওমরা করতে গেলেন সাকিব
  • গণভোট দেন, হারলে আর কোনো দিন নির্বাচন করব না : হিরো আলম
  • সুদ যেসব ক্ষতি ডেকে আনে
  • পাকিস্তানের রিজার্ভে ধস, আছে মাত্র ১৮ দিনের আমদানি ব্যয়
  • গাড়ি উপহার না পেলে সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন হিরো আলম
  • বিমানের চাকা ফেটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ
  • শিক্ষকদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • সর্বত্র সমর্থন পাওয়া দারুণ ব্যাপার, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মেসি
  • জামাতে নামাজ পড়া নিয়ে যা বলেছেন মহানবী (সা.)
  • ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
  • আজ শনিবার, ২২ মাঘ, ১৪২৯ | ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

    আলোচিত

    সন্তানদের সামনেই স্ত্রীকে হাত পা বেধে হাতুড়িপেটা করে হত্যা

    সুমন মিয়া, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের আখি আক্তার নামে এক গৃহবধূকে হাত পা বেধে দুই সন্তানের সামনে হাতুড়িপেটা করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী সাইদুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে সাইদুল তার স্ত্রীকে হাতুড়িপেটা করে পালিয়ে যায়। এরপর আখিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোঘণা করেন। পুলিশ আখির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর গ্রামের ইব্রাহিম প্রধানের মেয়ে আখি আক্তারের সঙ্গে পাশ্ববর্তী চেঙ্গকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলামের ১৫ বছর আগে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তারা অর্ণব ও সিয়াম নামের দুই সন্তানের বাবা-মা। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছে। নানা অজুহাতে সাইদুল তার স্ত্রীকে মারধর করতো। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সন্তানদের সামনেই আখির হাত পা বেধে হাতুড়ি দিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটাতে থাকে সাইদুল। হাতুড়ির আঘাতে আখি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ সময় সন্তানদের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সাইদুল দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। নিহত আখির ছেলে ১২ বছর বয়সী অর্ণব জানায়, তার বাবা-মা প্রায়ই ঝগড়া করতো। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তার মায়ের হাত-পা বেধে ঘরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে তার বাবা। চিৎকার শুনে আশপাশ থেকে লোকজন এগিয়ে এলে তার বাবা পালিয়ে যায়। সোনারগাঁ থানার ওসি মাহাবুব আলম বলেন, গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    ঘুষ কেলেঙ্কারি অভিযোগ, জানতে গেলে সাংবাদিক লাঞ্ছিত

    জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে ধাক্কা দিয়ে ভূমি অফিস থেকে বের করে দেন। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১২ টা দিকে চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে এ ঘটনায় ঘটে। ওই দিন রাত ৭ টা দিকে মেলান্দহ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক সময়ের কণ্ঠস্বর জেলা প্রতিনিধি ও আজকের পত্রিকা (মেলান্দহ উপজেলা প্রতিনিধি) ও ভোরের কাগজের (মেলান্দহ উপজেলা প্রতিনিধি)। ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান,বুধবার বেলা ১২ টা দিকে ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের বিষয় জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, কে অভিযোগ করেছে তাঁর নামে মানহানি মামলা করব। আমার অফিসে সাংবাদিক আসলে ইউএনও অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে আসতে হবে।‌ অনুমতি নিয়ে এখানে আইছোস কি তোরা। পরে ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রশ্ন করলে চেয়ার থেকে উঠে রুম থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক রকিব হাসান নয়ন বলেন,' বুধবার দুপুরে ভূমি অফিস কার্যালয়ে সামনে দিয়ে মেলান্দহ পৌর শহরে যাচ্ছিলাম। যাওয়ার সময় দেখি ভূমি কার্যালয়ে জমি সংক্রান্ত ও ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে বাকবিতণ্ডা চলছে। পরে ওই ভূমি অফিস কার্যালয়ে যাই আমারা। পরে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণ ও‌ তাঁর দরজা বন্ধ করে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়ে নিয়ে জানতে চাইলে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাকিব আল হাসান বলেন,'ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলামের বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগেই ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে করেন মুক্তা বেগম নামে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারী। গত বুধবার দুপুরে ভূমি অফিসে সামনে দিয়ে যাবার পথে দেখি বাকবিতণ্ডা চলছে। পরে আমারা ওই ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে গেলেই আমাদের সাথে অসদাচরণ ও লাঞ্ছিত করে বের করে দেন। ওই কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ইউনিয়নের শত শত মানুষের অভিযোগ রয়েছে।' মুক্তা বেগম নামে একজন অভিযোগ করে বলেন,' ৫ শতাংশ জমি খারিজ (নামজারি) করতে আমার কাছে থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়েছে ছানাউল। পরে খারিজের কাগজ ইউএনও অফিস কাগজ নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, ছানাউল আমার কাছে থেকে টাকা নিয়ে আমার সাথে অসদাচরণ করে।' স্থানীয়রাও ওই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ করেন জানান,'চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রুমে দরজা বন্ধ করে ঘুষ নেন। তাঁর কাছে কোন ধরনের কাজ নিয়ে গেলে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তাঁর ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ করতে মানববন্ধন করবেন বলেও জানান‌।' এবিষয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে চরবাণী পাকুরিয়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম বলেন, আমার সাথে কোন ঘটনা ঘটেনি এ বলে মোবাইল ফোন কেটে দেন। মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহ জামাল বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে তা সাংবাদিকদের জন্য দুঃখজন। ওই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ রয়েছে। ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দিবো। মেলান্দহ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম মিঞা বলেন,'এ বিষয়ে আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ওই ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‘শারীরিক চাহিদা’ মেটাতে না পারায় স্বামীকে খুন!

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের আগনুকালি গ্রামের মৃত আবুসামার ছেলে শরিফুল (২৫) মাত্র দেড় মাস আগে  বিয়ে করেছিলেন একই উপজেলার চরবেতকান্দি গ্রামের ফখরুল ইসলামের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে ফারজানা খাতুনকে (১৮)। বিয়ের পর থেকেই শরিফুলের শারীরিক অক্ষমতার কারণে অসুখী ছিলেন ফারজানা। বিষয়টি নিজের স্বজনদেরকে জানিয়ে বিচ্ছেদ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কথা স্বজনদের বললে, তারা ফারজানাকে গালমন্দ করতেন। তাই পরিকল্পিতভাবে শরিফুলকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর করতোয়া নদীতে ফেলে দেন তিনি। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) হাসিবুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। এর তিন দিন আগে শনিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের চরবেতকান্দি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। হাসিবুল ইসলাম জানান, শরিফুলের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার তিন দিন পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) আসামি ফারজানা আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে বক্তব্য দিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, গত ৯ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টায় শ্বশুরবাড়িতে যান শরিফুল। ফারজানা ওই দিন রাত তিনটার দিকে শরিফুলকে প্রতারণার মাধ্যমে নদীর পাড়ে নিয়ে যান এবং কবিরাজের বরাত দিয়ে বলেন, হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নদীর স্রোতের পানি তুলে পান করলে শারীরিক অক্ষমতা দূর হবে। শরিফুল তাতে সায় দিলে তার পরনের লুঙ্গি ছিঁড়ে হাত ও পা বেঁধে দেন ফারজানা। এরপর একটি প্লাস্টিকের বোতল হাতে নিয়ে নদীর স্রোতের পানি তুলতে গেলে ফারজানা তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং ঘাড় চেপে ধরেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ফারজানার হাতে কামড় বসিয়ে দেন শরিফুল। এ সময় ফারজানা ক্ষিপ্ত হয়ে শরিফুলের ঘাড় মটকে দেন। পরে শরিফুলের মৃত্যু নিশ্চিত হলে ফারজানা তার দেহ পাশে থাকা নৌকার নিচে ঢুকিয়ে দেন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার চার দিন পর শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় পার্শ্ববর্তী শিবরামপুর গ্রামের করতোয়া নদীর পোলঘাটে মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করার পর শরিফুলের মা ও পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেন। ওই দিনই স্ত্রী ফারজানাসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।

    কক্সবাজারে নাস্তা খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে ২ ভাই নিহত

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার): কক্সবাজার শহরের প্রবেশপথ কেন্দ্রীয়  বাসটার্মিনালের পূর্ব লারপাড়া এলাকায় ব্যাডমিন্টন খেলার পরে নাস্তা খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ছুরিকাঘাতে ২ জন নিহত হয়েছেন। এতে আরো একজন আহত হয়েছে। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, একই এলাকার মনু ড্রাইবারের ছেলে কায়ছার হামিদ ও জুনুর ছেলে শহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুল। দুজনেই সম্পর্কে আপন চাচাত ও যেঠাত ভাই বলে জানা গেছে।  স্থানীয় সূত্র জানান, ব্যাডমিন্টন খেলার পর নাস্তা খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে কায়সার হামিদ ও সাইদুলকে ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষের যুবকেরা। এতে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হয়।  কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আশিকুর রহমান বলেন, পৌনে ১২ টার দিকে ছুরিকাঘাত হওয়া তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে আনার আগেই দুইজনের মৃত্যু হয়। বাকি একজন চিকিৎসাধীন রয়েছে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

    ‘নিখোঁজ’ আমিনুলের মৃত্যু নিয়ে রহস্য, ‘কবরে’ মিলল কম্বল

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: কুমিল্লা থেকে হিজরতের উদ্দেশে বের হওয়া তরুণদের মধ্যে একজন আমিনুল। তার তিন সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গত ১১ জানুয়ারি বান্দরবানে গ্রেপ্তার পাঁচ জঙ্গির মধ্যে এক কিশোরও আমিনুলের সঙ্গী ছিল। র‍্যাবের কাছে তার দেওয়া তথ্য মতে, আমিনুল মারা গেছেন। তাকে বান্দরবানের গহিন এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার কিশোরের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হেলিকপ্টারে লাশ উত্তোলন করতে যান র‍্যাব সদস্যরা। তবে কবর খুঁড়ে মেলে একটি কম্বল। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) হেলিকপ্টার নিয়ে সেখানে পৌঁছে কবর খুঁড়ে অন্যান্য আলামত পেলেও লাশের কোনো সন্ধান পায়নি তারা। র‌্যাব দাবি করছে, তারা সেখানে পৌঁছানোর আগেই অন্য কোনো জঙ্গি সংগঠন কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামে নবগঠিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট’ লাশটি তুলে নিয়ে যেতে পারে। তবে কারা লাশটি তুলে নিয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মুঈন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উদ্ধারকৃত কম্বলটি পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে কারা লাশ তুলে নিয়েছে সে বিষয়েও তদন্ত করবে র‍্যাব। গত বছরের ২৩ আগস্ট বাড়ি ছাড়েন আমিনুলসহ কুমিল্লার সাত তরুণ। তাদের মধ্যে তিনজনকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব। আর নিজের ভুল বুঝতে পেরে পটুয়াখালী থেকে জঙ্গিদের সঙ্গ ছেড়ে কৌশলে পালিয়ে আসার দাবি করেছেন একজন। তাদের মধ্যে বান্দরবানের গত ১১ জানুয়ারি গ্রেপ্তার পাঁচ জঙ্গি সদস্যের মধ্যে এক কিশোর কুমিল্লার। ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর র‍্যাবকে জানায়, আমিনুল ইসলাম ওরফে আল-আমিন (২৩) নামের ওই তরুণকে বান্দরবানের গহিন অরণ্যে একটি কবর খুঁড়ে দাফন করেছে সঙ্গীরা। আমিনুল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বড় আলমপুর গ্রামে। পরিবারসহ তার বাবা মো. নুরুল ইসলাম কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলায় থাকেন। আমিনুলের খোঁজ না পেয়ে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় নিখোঁজ হওয়ার জিডি করেন নুরুল ইসলাম। সূত্র: কালের কণ্ঠ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে নুরুল ইসলাম জানতে পারেন ২৫ নভেম্বর আমিনুল মারা গেছেন। তাকে কম্বল পেঁচিয়ে দাফন করেছে সঙ্গীরা। এমন খবর পেয়ে ছেলের লাশের সন্ধানে গত শুক্রবার স্ত্রী আর স্বজনকে নিয়ে বান্দরবানে যান নুরুল ইসলাম। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) বান্দরবানে পাহাড়ের গহিনে নুরুল ইসলাম, গ্রেপ্তার কিশোরকে নিয়ে কবর থেকে আমিনুলের লাশ উত্তোলন করতে গিয়েছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রশাসনের লোকজন। কিন্তু সেই কবরে কুমিল্লার ওই তরুণের লাশ মেলেনি; মিলেছে একটি কম্বল। জেলার রুমা উপজেলার রেমাক্রিপ্রাংসা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গম মুয়ংমুয়াল পাড়ায় গিয়ে আমিনুলের ‘কবর’ শনাক্ত করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। সোমবার সকালে রুমা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুন শিবলী সাংবাদিকদের বলেন, শনাক্ত করা ওই কবরে আমিনুলের মরদেহ উত্তোলন করতে গিয়ে সেখানে তার মরদেহ পাওয়া যায়নি। তবে কবর দেওয়ার জায়গায় যে সামান্য কিছু আলামত পাওয়া গেছে―সেটি নিয়ে আসা হয়েছে। মো. নুরুল ইসলামের সন্দেহ, জঙ্গিরা তার ছেলেকে হত্যা করেছে। কোনো প্রমাণ যেন সামনে না আসে, সে জন্য লাশ গায়েব করে ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগে কুমিল্লা থেকে নিরুদ্দেশ হওয়া এক কিশোর ধরা পড়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে র‌্যাবকে জানিয়েছে আমিনুল মারা গেছে। র‌্যাবের কাছ থেকে এই খবর পেয়ে শুক্রবার আমরা বান্দরবানে যাই ছেলের লাশের সন্ধানে। রবিবার আমাকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে র‌্যাব ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু কবর খুঁড়ে লাশ পাওয়া যায়নি। কবরের আশপাশে কিছু স্যান্ডেল, জামাকাপড় ও হাঁড়িপাতিল পড়ে ছিল। এ ঘটনার পর র‌্যাব ধারণা করছে, কবর থেকে কেউ লাশ সরিয়ে ফেলেছে।  

    রাজবাড়ীর মহিলা দলের সেই স্মৃতির জামিন বহাল

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতির (৩৫) জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। তাঁর মুক্তিতে বাধা নেই। রোববার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ। সোনিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, কায়সার কামাল, মো. রুহুল কুদ্দুস, মনিরুজ্জামান আসাদ ও মাকসুদ উল্লাহ। সোনিয়ার আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ।  হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়েছে। ফলে, সোনিয়ার কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। ওই মামলায় রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে গত ২৬ অক্টোবর বিফল হন সোনিয়া। তারপর তিনি জামিন চেয়ে গত ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর শুনানি নিয়ে ৩১ অক্টোবর হাইকোর্ট সোনিয়াকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এর শুনানি নিয়ে গত ২ নভেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত জামিন স্থগিত করে বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৮ নভেম্বর বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন দুই মাসের জন্য শুনানি মুলতবি (স্ট্যান্ডওভার) করেন আপিল বিভাগ। এই সময়ে সোনিয়া আক্তারের জামিন স্থগিত থাকে। সোনিয়া রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি জেলা মহিলা দলের সদস্য। সোনিয়া শহরের ৩ নম্বর বেড়াডাঙ্গা এলাকায় বসবাস করেন। তাঁর স্বামী প্রবাসী। ফেসবুকে ‘আপত্তিকর’ পোস্টের বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন সামসুল আরেফিন চৌধুরী নামের আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গত ৫ অক্টোবর রেকর্ড করা হয়। মামলায় ৫ অক্টোবর সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    নারীকে গাড়িচাপা দেয়া ঢাবির সেই শিক্ষক মারা গেছেন

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: রাজধানীর শাহবাগে যে প্রাইভেটকারের নিচে চাপা পড়ে রুবিনা আক্তার (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছিলেন সেটির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজহার জাফর শাহ মারা গেছেন। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ। তিনি বলেন, জাফর শাহ অসুস্থ হয়ে গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আজহার জাফর শাহ ২০১৮ সালে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চাকরি হারান। গত ২ ডিসেম্বর বিকালে শাহবাগ এলাকায় জাফর শাহ একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেন। এতে বাইক আরোহী নূরুল আমিনের (৪০) ভাবি রুবিনা আক্তার প্রাইভেটকারের নিচে চাপা পড়েন এবং তাকে ঝুলিয়ে নিয়ে চালক নীলক্ষেতের দিকে যেতে থাকেন।   দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে জাফর শাহ ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। তিনি শাহবাগ থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত এক কিলোমিটার প্রাইভেটকারের নিচে ছেঁচড়ে ওই নারীকে নিয়ে যান। সেখানে জনতা গাড়িটি আটকে চালককে গণপিটুনি দেন এবং আহত নারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জাফর শাহকেও একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রুবিনার মৃত্যুর ঘটনায় জাফর শাহ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। নিহত ওই নারী তেজগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন। স্বামী মাহবুবুর রহমান খান ডলার মারা গেছেন আগেই। অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছেলে রয়েছে তাদের।

    রাজবাড়ীতে সনাতন ধর্মালম্বী যুবকের ইসলাম গ্রহণে তোলপাড়

    রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। যাহা আল্লাহতালার পক্ষ থেকে নির্ধারিত এবং নির্বাচিত। পৃথিবীর শুরু থেকেই সকল নবী-রাসূলদের ধর্ম ছিল ইসলাম এবং তারা সকলেই ছিলেন মুসলিম। স্বল্প আয়ুর মানব জীবনে ইসলামই হচ্ছে একমাত্র মুক্তির পথ। ইসলামকে যারা মানে এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে  তারাই শুধু মুক্তি পাবে। তবে ইসলামকে মানতে হবে পূর্ণাঙ্গ রূপে। ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনসহ সকল ক্ষেত্রে মুক্তির পথ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে একমাত্র ইসলামকেই। সম্প্রতি, মুসলমানদের আচার-ব্যবহার, ধর্মীয় রীতিনীতি ও সংস্কৃতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে সনাতন ধর্ম  থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন দীপক রায় (৩০) নামে এক যুবক। ধর্মান্তরিত হবার পর তার পছন্দমতো নিজের বর্তমান নামে রেখেছেন মোহাম্মদ আলী। ঘটনাটি জানাজানি হবার পর গোটা উপজেলায় হৈ-হুল্লোড়ের পাশাপাশি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করছে। ধর্মান্তরিত মোহাম্মদ আলী গোয়ালন্দ উপজেলার  দৌলতদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দৌলতদিয়ার সিরাজ খাঁর পাড়ার (হাট) দূর্গা রায়ের পুত্র। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ওমরাহ হজ্জের ছবি পোষ্ট করে তার ধর্মান্তরিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং মোহাম্মদ আলী।  এবিষয়ে তার অনুভূতি জানতে চাইলে নব মুসলিম মোহাম্মদ আলী বলেন, ছোট বেলা থেকেই মুসলমানদের সাথে মিলেমিশে বড় হয়েছি। আমার কিশোরবেলায় খেলাখুলা, পড়ালেখাসহ যুবক বয়সের বেশিরভাগ সময়ই মুসলিম বন্ধুবান্ধবদের সান্নিধ্যে অতিবাহিত হয়েছে। মুসলিম বন্ধুদের  ইসলামিক ধর্মীয় রীতি নীতি বিনয়ী আচরণ আমাকে সর্বদাই মুগ্ধ করতো। বিশেষ করে মুসলমানদের দিনে ৫ ওয়াক্ত আজান আমাকে মুগ্ধ করত। আজানের সময় সবকল কাজকর্ম বিরত রেখে মন দিয়ে আজান শুনতে আমার ভীষণ ভালো লাগত। এক দিন পাশের গ্রামে এক ওয়াজ মাহফিলে অংশ নিয়ে হুজুরের বয়ান শুনে আমার চোখে পনি এসে যায়। ইসলামে নারীদের য সম্মান দান ও তাদের জীবনধারণের জন্যে যে সুশৃঙ্খল নিয়ম নির্ধারণ করা হয়ে তার ভূয়সী প্রসংশা করে তিনি বলেন, বিশ্ব নবী (সঃ) জীবন আদর্শ ও ধর্মীয় রীতি নীতি মেয়েদের পর্দার বিষয়টি  আমার খুব ভালো লাগে। কারন আমি বিশ্বাস করি এক জন পর্দাশীল নারী সে অন্য পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ থেকে সর্বদাই নিজে কে নিরাপদে রাখতে পারে। এবং মহাগ্রন্থ আলকুরআন ও ইসলাম সম্পর্কিত বইগুলো পড়ে এবং নিজে থেকে গবেষণা করে মনপ্রাণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। নব মুসলিম মোহাম্মদ আলী আরো বলেন,পরিবার থেকে আমার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন সকলেই। আমাকে ভুল বোঝানোর শত চেষ্টার একপর্যায়ে নানাভাবে চাপ সৃষ্টি এমনকি ভয়ভীতি দেখাতেও ভুল করেননি আমার পরিবারসহ অনেক প্রভাবশালীরাও। তিনি আরো বলেন,আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল থেকে ইসলামে দিক্ষিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আমার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের  বিষয়টি পরিবারের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছি আমি নিজেই। মোহাম্মদ আলী বলেন, পরিবার থেকে আমার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন সকলেই। আমাকে ভুল বুঝানোর শতভাগ চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়ে  আমার পরিবারসহ নানারকম ভয়-ভীতি দেখাতেও ভুল করেননি প্রভাবশালীরাও। মোহাম্মদ আলী আরো জানান,পরিবার ও সমাজ থেকে বিতারিত হয়ে পরবর্তীতে একজন মুসলিম নারীকে ইসলামী শটিয়াহ মোতাবেক বিবাহ করে নতুন জীবন শুরু করেছি। বর্তমানে আমি সৌদি আরবে আমার প্রিয়  নবী হযরত মোহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর জন্মভূমিতে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছি । আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল আমার প্রিয় নবী করিম (সঃ) রওজা মুবারক যিয়ারত করার। তাই আমি  উমরাহ হজ্জ করতে পেরেছি আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমার জন্যে সকলে দোয়া করবেন আমি যেন ইসলামের আদর্শ, নিয়মনীতি মেনে একজন পূরিপূর্ণ মুসলিম হিসেবে মৃত্যবরণ করতে পারি।

    মোসাদ সদস্যের সঙ্গে ভিপি নুরের বৈঠক, তদন্তের দাবি সংসদে

    সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সদস্যের সঙ্গে ভিপি নূরের বৈঠকের যে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্তের দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। সোমবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমান এ দাবি করেন। পীর ফজলুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়, দুবাইয়ে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সদস্য মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে বৈঠক করেছে নতুন দল গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নূর। পত্রিকায়ও খবর প্রকাশ হয়েছে। সে ডাকসুর ভিপি ছিল। হাসিমুখে মোসাদের সদস্যের সঙ্গে ছবিও এসেছে। নূর বলেছিল এটি তার এডিট করা ছবি। পরে অভিজ্ঞ ফটোগ্রাফারদের দিয়ে সেটা দেখানো হয়, তখন দেখা যায় সেটি এডিট করা নয়, এটা অরিজিনাল ছবি। আবার এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখছি- সে বলছে আমি কথা বলেছি, তাই কী হয়েছে। আমি কি কারো সঙ্গে কথা বলতে পারি না, আমি কারো সঙ্গে বৈঠক করতে গেলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে কেন। এটা পত্রিকায়ও হয় তো আসবে। তিনি আরও বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে আমাদের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। আমরা এ সংসদে ফিলিস্তিনি নর-নারী, শিশু হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। সে কারো সঙ্গে বৈঠক করতেই পারে। সে সরকারকে পছন্দ না করতেই পারে। কিন্তু যে দেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, যে ইসরাইল ফিলিস্তিনি মুসলিম নারী-শিশুকে হত্যা করছে, আমরা এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সেই দেশের গোয়েন্দা সদস্যের সঙ্গে তা আইনসম্মত নয়। ‘আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব- এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্ত করে সংসদে ৩০০ বিধিতে আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করছি।’ পরে এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ বলেন, এখানে ভিপি নূরের কথা এসেছে। ভিপি নূর আমি মনে করি একটা সন্ত্রাসের নাম। এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিজয়ের মাসে বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে সমাবেশ করে। আমরা অবাক হয়ে যাই। এখানে তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর সুযোগ আমরা কাউকে দেব না। বিএনপি এখন তলানিতে চলে গেছে। তাই তারা মরার আগে বিএনপিকে তাজা করতে চায়। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আমরা তো কারো কাছে পরাজয় মানতে পারি না। আমরা একসঙ্গে থাকলে কেউ দেশের ক্ষতি করতে পারবে না।

    হবিগঞ্জ শিমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

    মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: বাহুবলে শীত মৌসুমের সবজি শিমের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এতে শিম চাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারে এখন শিমের সমারোহ। প্রতিদিন এখানকার উৎপাদিত শিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জানা যায়, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী, সুখচর, যাদবপুর, মিরেরপাড়া, লামাপুটিজুরী, আব্দানারায়ণ, রাজসূরত, ভবানীপুর, কল্যাণপুর, হাজিনাদাম গ্রামসহ পুরো উপজেলাজুড়ে শীতকালীন সবজি হিসেবে শিমের চাষাবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাহুবল উপজেলার সীমানায় প্রবেশ করার পর মহাসড়কের দুই পাশে বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজ শিমের বাগান দৃষ্টিগোচর হয়। এসময় শিম বাগানের পরিচর্যায় কৃষকদের সাথে তাদের পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরকেও তৎপর দেখা যায়। গত ২৫/২৬ বছরে ওই এলাকায় বিশেষ করে গুঙ্গিয়াজুরী হাওরের পাশে অর্থকরী ফসল হিসেবে শিম চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাহুবলের দ্বিগাম্বর, মিরপুর, ডুবাঐ বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বাজারে দেশি জাতের শিমের প্রচুর সরবরাহ। বর্তমানে এখানকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। প্রতিদিন ভোর বেলা জমে উঠে দ্বিগাম্বর বাজার। এ সময় ব্যবসায়ীরা পাইকারী দরে শিম ক্রয় করে ট্রাক বা বিভিন্ন যানবাহনে করে তা ঢাকা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারী বাজারে নিয়ে যান। দ্বিগাম্বর বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, বাজারে বেশি পরিমাণে স্থানীয়ভাবে চাষকৃত শিম আসতে শুরু করেছে। দেশি শিমের স্বাদ আলাদা হওয়ার কারণে ক্রেতারা অন্য সবজির পাশাপাশি শিম বেশি কিনছেন। পাইকারী ব্যবসায়ী সানু মিয়া জানান, চাষিদের ক্ষেত থেকে নগদ টাকায় শিম কিনে ট্রাকে করে পাঠানো হয় ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। কয়েক বছর ধরে এ ব্যবসায় জড়িয়ে আমার পাঁচ সদস্যের সংসার ভালোই চলছে।  

    ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

    অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা উপজেলার সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি তৌকির হাসান তমালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোছাব্বীর রহমান। হ্যাভেনের সঞ্চলনায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান শেখ, সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন। সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম মন্ডল বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আবুবক্কর সিদ্দিক মিলন ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এমদাদুল হক মিলন প্রমূখ।     

    পুরনো ৫ শিক্ষককে বাদ দিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে নতুন নিয়োগের অভিযোগ

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলে প্রতিষ্ঠিত দইখাতা নাজিরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানটির ৭ বছর চাকরি করে আসা পুরনো ৫ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।  জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা করে নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল ও প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম গোপনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন নিয়োগকৃত শিক্ষকদের তালিকা প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। বুধবার (০৪ জানয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষে রাসেল হোসেন। তারা জানান, বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কেউ এগিয়ে না এলেও তারা মোটা অঙ্কের ডোনেশন দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি খুব অল্প সময়েই এমপিওভুক্ত হয়। গত বছর এমপিওভুক্ত ঘোষণার পর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। গোপনে বিদ্যালয়ের সভাপতি আর প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ত্যাগী ও পরিশ্রমী শিক্ষক রাসেল হোসেন, গোকুল চন্দ্র রায়, আয়েশা খাতুন, শাহনাজ পারভীন ও মজিবুল ইসলামকে বাদ দিয়ে রাতারাতি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের নামের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে অধিদপ্তরে। দীর্ঘদিন শ্রম দিয়ে আসা শিক্ষককে এমন অমানবিকভাবে বাদ দেয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককের অনিয়ম তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এদিকে বিদ্যালয়ের নামে ২ বিঘা জমি স্টাম্পে লিখে দিয়ে নিজের সন্তানকে চাকরি নিয়ে দেন আমজাদ আলী নামে স্থানীয় এক ব্যাক্তি। তবে সেই দুই বিঘা জমি বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল নিজের নামে নিয়ে বিদ্যালয়ে দান করে নিজেই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বনে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে আমজাদ আলীকে সেখানে দাতা সদস্য রাখা হয়নি বলে জানান তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম বলেন, নিবন্ধন না থাকায় তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। এখানে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল বলেন, আমজাদ আলী নামে ওই ব্যাক্তির অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জমির বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন। কোন জমি দান করেননি। কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন বলেন, আমি ওই বিদ্যালয়ের বিষয়ে নানা অভিযোগ পেয়েছি। কয়েকজন শিক্ষককে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যদের নিয়োগ দেয়ার কথা জানতে পেরেছি। এছাড়া আমজাদ আলী নামে এক লোকের জমি বিদ্যালয়ের নামে দানের পরেও তাকে দাতা না করে অন্য একজন দাতা হয়েছেন মর্মে অভিযোগ পেয়েছি। আমি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে শীঘ্রই জানাবো।  

    লটারিতে ১০৫ কোটি টাকা জিতলেন বাংলাদেশি রয়ফুল

    প্রবাসের কথা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে নতুন বছরের প্রথম ‘দ্য বিগ টিকিট’ লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রয়ে ২৪৭ সিরিজের প্রথম ও সবচেয়ে বড় পুরস্কার জিতেছেন মুহাম্মদ রায়ফুল নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি। তার পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৫ কোটি টাকা)। রায়ফুলের লটারি টিকিট নম্বর ছিল ০৪৩৬৭৮। তিনি গত ১০ ডিসেম্বর অনলাইনে টিকিটটি কিনেছিলেন। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব আমিরাতের আল আইনে বসবাস করেন রায়ফুল। তবে এই ড্রয়ের পর বাংলাদেশ কিংবা আমিরাতে তার বসবাসের বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৯ বছর বয়সী রায়ফুল আবুধাবির আল আইনের একটি কোম্পানিতে পিকআপ চালক হিসেবে কর্মরত। তিনি ৯ বছর ধরে এ লটারির টিকিট কিনছেন। তবে এবার যে টিকিটে লটারি জিতেছেন, সেটি তিনি ২০ বন্ধুর সঙ্গে মিলে কিনেছিলেন। এখন পুরস্কারের অর্থ সবাই মিলে নেবেন। টিকিটটির মূল্য ছিল ৫০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার টাকা)। দুটি টিকিট কিনলে একটি ফ্রি ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন লটারির র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়, তখন অনুষ্ঠানের হোস্ট বেশ কয়েকবার রায়ফুলের ফোনে ফোন করেন। কিন্তু তাকে তখন পাওয়া যায়নি। তিনি তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য আয়োজকরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ লটারি জয়ের খবর তাকে দেন। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় রায়ফুল বলেন, ১২ বছর ধরে আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছি। বিশ্বাস করতে পারছি না, আমি এ লটারি জিতেছি। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত।. এই টাকা তিনি কীভাবে খরচ করবেন—জানতে চাইলে জানান, তিনি এখনো কোনো পরিকল্পনা করেননি। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি এয়ারপোর্ট ও শহরের প্রমোশনের জন্য ‘বিগ টিকিট’ লটারি চালু করা হয়। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র হয়। প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ প্রতি মাসে পরিবর্তন হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারির প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ লাখ দিরহাম। এ মাসের দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম।

    দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছবে: শিক্ষামন্ত্রী

    সময়ের কণ্ঠস্বর, চাঁদপুর: আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীরা শ্রেণির সব বই হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বলেন, বিগত অতিমারি ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও বছরের প্রথমদিন আমরা বই উৎসব করতে পেরেছি এটিই বড় বিষয়। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ সময় মতো বই বিতরণের সাফল্যকে পাশ কাটাবার জন্য নানান রকম কথা বলছে। আমি মনে করি প্রতিটি শিশুই বই পেয়েছে। তবে যে শিশু ৫টি বই পাওয়ার কথা সে ৩টি বই পেয়েছে। তিনি বলেন, এ বছর বই ছাপানোর জন্য বিদেশ থেকে কাগজ আনার কোন সুযোগ ছিল না। আমাদের যে কাগজছিল সেই কাগজ দিয়েই বই ছাপাতে হয়েছে। সেই ছাপাতে মান একেবারে খারাপ হওয়ার কথা নয়। শুধু কাগজের উজ্জ্বলতা কম হবে। এটিতে কোনো সমস্যা নয়। কারণ কাগজে বেশি উজ্জ্বলতা হলে চোখের জন্যও ভাল হয় না। বিদেশেও যখন বই ছাপা হয় তখনও উজ্জ্বলতা কমিয়ে বই ছাপানো হয়। আমাদের দেশে অনেকেই মনের করেন কাগজ যতবেশি সাদা হবে ততই ভালো। দীপু মনি বলেন, আমরা কাগজ আনার সুযোগ না থাকায় বইয়ের রং কিছুটা ভিন্ন হয়েছে। এর কোনটাই নিউজ প্রিন্ট না। আর আগে একটি বই কতজন শিক্ষার্থী পড়েছে। এখন একটি বই একজন শিক্ষার্থী একবছরই শুধু পড়েন। সংতরাং এই বই নিয়ে বড় ধরণের কোনো অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। আমাদের যে কোনো বিষয় নিয়ে গেল গেল বলে রব উঠে। কিন্তু সেটি সত্যিকার অর্থে দেখে এবং তার গুণাগুণ বিচার না করে, এটা কেন করতে হল, কি ধরণের সমস্যা হল, সেগুলো নিয়ে আমরা কেউ মাথা গামাই না।

    রোববার পর্যন্ত ফখরুল-আব্বাসের কারামুক্তিতে বাধা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের কারামুক্তিতে জামিননামা দাখিল না করতে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এ সময় তারা মুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার (৮ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় রাষ্ট্রপক্ষের এক আবেদনের শুনানি করে চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এই আদেশ দেন। আদেশে চেম্বার আদালত বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিষয় কোনো জামিননামা দাখিল করা যাবে না। রোববার এ বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। এদিন সকালে বিএনপির এই শীর্ষ দুই নেতাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে বিচারিক আদালতে চার দফা জামিন নাকচ হওয়ার পর সোমবার (২ জানুয়ারি) মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাদের আইনজীবীরা। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে শুনানি করে বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।

    ফরিদপুরে রাস্তার পাশে পড়ে ছিল ভ্যানচালকের মরদেহ

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় রাস্তার পাশে থেকে জিহাদ হোসেন নামে (১৫) এক কিশোর ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের চরমুরারদিয়া ব্রীজ সংলগ্ন একটি রাস্তার পাশে থেকে ওই ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  নিহত ভ্যান চালক জিহাদ ওই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দিঘলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত লালু শেখের ছেলে বলে জানা যায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিহাদ মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান নিয়ে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার (০৪ জানুয়ারি) মৃতদেহ পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানার পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জিহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত ওই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।  তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ওই কিশোরের ভ্যান ছিনতাই করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

    নোরা ফাতেহির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান!

    বিনোদন ডেস্ক: বছরের শুরুতে আবারও নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন। এবার গুঞ্জনটা যাদের ঘিরে তাদের একজন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান এবং আরেকজন বলিউড আইটেম গার্ল মরোক্কান সুন্দরী নোরা ফাতেহি। কানাঘুষো চলছে, ২৫ বছর বয়সী আরিয়ান বছর ৩০-এর নোরার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন! খবর- আনন্দবাজার পত্রিকার বলিউডের ‘দিলবার গার্ল’ এই মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। যদিও বলিউডে নিজের মাটি শক্ত করাটা সহজ ছিল না নোরার জন্য। কিন্তু এখন নোরার ওঠাবসা সবটা বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের সঙ্গে। কখনও মালাইকার সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাকে। কখনও আবার ডাক পেয়েছেন করণ জোহরের পার্টিতে। এবার একই অনুষ্ঠানে দেখা গেল আরিয়ানের সঙ্গে। তবে এই প্রথম নয়, আজকাল নাকি বিভিন্ন সময় একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে তাদের। এককথায় ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে দুজনের। সম্প্রতি এক রেডিট ব্যাবহারকারী আরিয়ান ও নোরার সঙ্গে আলাদা আলাদা ছবি দেন। কিন্তু ক্যাপশনে লেখেন, ‘তোমাদের দুজনের সঙ্গে দেখা করে ভালো লাগল।’ এরপরই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে শুরু করেন নেটাগরিকরা। বছর পঁচিশের আরিয়ানের সঙ্গে সত্যি সত্যি কি প্রেমে করছেন বলিউডের এই আইটেম গার্ল? নাকি অনুরাগীদের কল্পনা, সেটা সময় বলবে। আরিয়ানের সঙ্গে নোরা ফাতেহির প্রেম নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে তখন শাহরুখ পুত্রের চর্চিত প্রেমিকা অনন্যা পান্ডেকে কিন্তু, মোটেই ভোলেননি নেটিজেনরা। নোরার সঙ্গে ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই অনন্যাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে নেটপাড়া। আরিয়ানের বোন সুহানার বেস্টি অনন্যা। কফি উইথ করণের সেটে লাইগার অভিনেত্রী স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে আরিয়ানকে তার বেশ ভালোই লাগে। সোশাল মিডিয়ায় সেই এপিসোডের ভিডিও যথেষ্ট ভাইরালও হয়। একই সঙ্গে আরিয়ানের অনন্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার মুহূর্তও নজর এড়ায়নি নেটিজেনদের। আরিয়ানের সঙ্গে অনন্যা পান্ডের নাম জড়ানোর আগে ঈশান খট্টরের প্রেমিকা হিসাবে পরিচিত ছিলেন অনন্যা পান্ডে। খালি পিলি ছবির শুটিংয়ের সময়ই তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে বলেই ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন। কিন্তু ২০২২ সালে নিজেদের সম্পর্কে ইতি টানেন ওই স্টার কাপল। তবে খান পরিবারে নতুন করে প্রেমের হাওয়া লাগল কিনা সেটা তো সময়ই বলবে।

    ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে চাল কিনবে সরকার

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৪২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি জানান, সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়া চারটি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ৭৩৯ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬ টাকা। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের মেসার্স বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ চাল কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর। ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল কিনতে মোট খরচ হবে ২১০ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৪২ টাকা ৭ পয়সা। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের এগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ চালও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কিনছে খাদ্য অধিদপ্তর। এজন্য ব্যয় হবে ২১৩ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চাল কিনতে খরচ হবে ৪২ টাকা ৬৮ পয়সা।

    ফরিদপুরে শীতে কাপছে জনপদ, দেখা মিলছেনা সূর্যের

    হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: উত্তরের হিমেল হওয়া ও তীব্র শীত জেঁকে বসেছে ফরিদপুরে। আর এই শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। গরমের কাপড়ের চাহিদাও দেখা দিয়েছে। সাথে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগও। ফরিদপুরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিনই এ তাপমাত্রা কমছে।  টানা দুই দিন সূর্যের দেখা নেই এ জেলাতে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা, আর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও হাড় কাঁপানো বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসছে। বৃদ্ধ ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কষ্ট নেমে এসেছে। দিনমজুর ও কৃষকও পড়েছেন বিপাকে। চাকুরীজীবি ও জরুরি কাজ ব্যতিত ঘরের বাহির বেড় হচ্ছেনা মানুষ। রিক্সা ও অটোরিকশার সংখ্যা সড়কে কম দেখা মিলছে। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলতে দেখা গেছে।

    সংসদ ভবন এলাকায় ডিএমপির বিধিনিষেধ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক। তিনি জানান, সংসদ অধিবেশন কেন্দ্র করে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সই করা এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বুধবার রাত ১২টা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়, বুধবার (৪ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে অত্র এলাকায় সব প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও যে কোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষেধ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে— ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা ও এ সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।