

বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশের আমদানি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তার এ ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে। যেখানে এতদিন বাংলাদেশি পণ্যে গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।বুধবার (২ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিনগত রাত ২টা) হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে এ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি। ট্রাম্পের ঘোষণায় ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।তৈরি পোশাকে বাংলাদেশের অন্যতম রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বছরে রফতানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানি ছিল ৭ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলার।অন্যদিকে, শুল্ক আরোপের দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘কয়েক দশক ধরে আমাদের দেশকে দূরের ও কাছের বন্ধু ও শত্রু নির্বিশেষে বিভিন্ন দেশ লুট করেছে, লুণ্ঠন করেছে, ধর্ষণ করেছে এবং ধ্বংস করেছে। বিদেশি মেথররা আমাদের এক সময়ের সুন্দর আমেরিকান স্বপ্নকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে।’পিএম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৮০ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। আর এই হামলা প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে অসহায় ফিলিস্তিনবাসী। সবশেষ হামলায় আরও প্রায় ৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ভূখণ্ডটিতে অবস্থিত জাতিসংঘের একটি ক্লিনিকে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে নারী ও শিশুসহ ২২ জন নিহত হয়েছেন।জানা গেছে, বুধবার ভোর থেকে হওয়া হামলায় গাজায় কমপক্ষে ৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর আল জাজিরাকে জানানোর পর রাতভর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এছাড়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইউএনআরডব্লিউএ-এর একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ২২ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ইসরায়েলের নিন্দা করা হয়েছে।পৃথক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, বুধবার উত্তর গাজায় জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) পরিচালিত একটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২২ জন ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন এবং এই হামলাকে “পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ” বলেও অভিহিত করেছে তারা।একটি মেডিকেল সূত্র এর আগে জানিয়েছিল, জাতিসংঘ পরিচালিত ওই ক্লিনিকে হামলায় নিহতদের মধ্যে ৯ জন শিশু এবং হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। মূলত জাবালিয়া শহরের বাস্তুচ্যুত শত শত বেসামরিক লোক ওই ক্লিনিকে আশ্রয় নিয়েছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলার ফলে ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে যায় এবং এতে বেশ কয়েকজন নিহতের লাশ পুড়ে গেছে।অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫০ হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কোনও প্রমাণ ছাড়াই হামলার কথা স্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে, হামাস সদস্যরা ক্লিনিকের ভেতরে কাজ করছিল। এক সামরিক বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে, হামাসের জাবালিয়া ব্যাটালিয়ন ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করার জন্য ভবনটি ব্যবহার করেছিল।হামাস তাদের পক্ষ থেকে ইসরায়েলি এসব দাবিকে “অপরাধকে ন্যায্যতা দেওয়ার লক্ষ্যে স্পষ্ট মিথ্যাচার” বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, “এই অপরাধ ফ্যাসিবাদী নেতানিয়াহু সরকারের সমস্ত মানবিক এবং আন্তর্জাতিক আইন এবং নিয়মের প্রতি অবজ্ঞাকে প্রতিফলিত করে।”পিএম
জাতীয়
সব দেখুন
প্রধান উপদেষ্টা ও মোদির বৈঠক হবে ব্যাংককে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হবে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ দুই সরকার প্রধানের মধ্যে এটিই হবে প্রথম বৈঠক।বুধবার (২ এপ্রিল) দিল্লির সম্মতির বিষয়টি ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বহুখাতীয়, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ) বা সংক্ষেপে বিমসটেক।থাইল্যান্ডে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংক যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।আগামী ২ থেকে ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।স্থানীয় কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ৩ থেকে ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ড সফর করবেন প্রধান উপদেষ্টা। সফরের প্রস্তুতি চলছে।বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা যেহেতু বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সদস্যভুক্ত সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে বলে জানান ড. খলিলুর রহমান।এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়ে যান বিমসটেক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মণি পাণ্ডে। তিনি ঢাকা সফরকালে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এই তথ্য জানান।এনআই

বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন ড. ইউনূস
বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।বুধবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান।বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন ড. খলিলুর রহমান।তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সব দেশের প্রধানদের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা দরকার।বিমসটেকের সম্মেলনে প্রথমদিন ইয়ুথ কনফারেন্সে যোগ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা। পরদিন সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সম্মেলনে তিনটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।বিমসটেক হলো ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বাংলায় বলা যায় ‘বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বহুখাতীয়, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ’। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কয়েকটি দেশকে নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট।১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংককে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠকে একটি নতুন আন্তঃআঞ্চলিক জোট সৃষ্টি করা হয় এবং সভায় অংশগ্রহণকারী মূল আলোচকদের দেশের নামের অদ্যাক্ষর অনুযায়ী এই জোটের নাম দেওয়া হয়।পিএম
বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে মোদির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেক সম্মেলনে অংশ নিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান।রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বুধবার (২ এপ্রিল) আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সব দেশের প্রধানদের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা দরকার।ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠকের একটা শিডিউল চাওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি বৈঠকটি হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।ড. খলিলুর রহমান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে থাইল্যান্ডে বিমসটেকের (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন) ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ৮টায় তিনি দেশে ফিরবেন।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিমসটেক সম্মেলনে অংশ নিতে ৩-৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে অবস্থান করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সফরে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে এটি তাদের প্রথম বিদেশ সফর। ব্রিফিংয় প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন থেকেই বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন প্রধান উপদেষ্টা। থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও এ সংগঠনের অন্য সদস্য দেশ হচ্ছে মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভুটান।সম্প্রতি চীন সফর করে এসেছেন প্রধান উপদেষ্টা। দায়িত্ব নেওয়ার পর এশিয়ার কোনো দেশে এটিই তার প্রথম সফর। এই সফরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি চুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশে বড় পরিসরে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বেইজিং। এনআই
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে একই কথা বলেছিলেন ২০১২ সালে ড. ইউনূস: ড. খলিলুর রহমান
প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় সেভেন সিস্টার্স খ্যাত সাতটি রাজ্য নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে মন্তব্য করেছেন তা নতুন কিছু না। ২০১২ সালেও একই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। তখন তো এতো আলোচনা-সমালোচনা হয়নি। শুধু তিনি নন, ২০২৩ সালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীও প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার বিমসটেক সম্মেলন নিয়ে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, কানেকটিভি এ অঞ্চলের সম্ভাবনা দুয়ার খুলে দেবে। যাদের জন্য সমুদ্রে এক্সেস পাওয়াটা কঠিন তাদের জন্য আরো বেশি। আমরা কিন্তু জোর করে কারও ওপর কানেকটিভি চাপিয়ে দেবো না। সে সুযোগও আমাদের নেই। কেউ যদি সেই সুযোগ নেয় ভাল কথা। প্রধান উপদেষ্টা সম্পূর্ণ সৎ উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছেন। এখন যদি কেউ অন্য কোন ব্যাখ্যা দেন তাহলে তো কিছু করা নেই। শুধু এটুকু বলতে পারি, সবার ভালো উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেছিলেন। ড. খলিলুর রহমান বলেন, ভারতের সেভেল সিস্টার নিয়ে চীনের যে কথাটা প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এটি নতুন নয়। এর আগে ২০১২ সালেও একই কথা তিনি বলেছিলেন। এর চাইতে এগিয়ে গিয়ে ২০২৩ সালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে দাঁড়িয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় সেভেন সিস্টার্স ও বাংলাদেশ একটা ভ্যালু চেইনে আবদ্ধ করার কথা বলেন। তিনি এই প্রসঙ্গে সিঙ্গেল ইকোনমি জোনের কথাও বলেছিলেন।এর আগে চীন সফরে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় ‘সেভেন সিস্টার্স’ খ্যাত সাতটি রাজ্যের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ভারতের পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত সাতটি রাজ্য। এই রাজ্যগুলো ভারতের স্থলবেষ্টিত অঞ্চল। সমুদ্রে পৌঁছানোর জন্য তাদের যোগাযোগের কোনও উপায় নেই। এই অঞ্চলের জন্য সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক বাংলাদেশ।’ তিনি বলেন, ‘এটি বিশাল এক সম্ভাবনা উন্মোচন করে। এটি চীনা অর্থনীতির একটি সম্প্রসারণ হতে পারে।’তার মন্তব্য নিয়ে ভারতের রাজনীতিবিদ, সাবেক আমলা ও নীতিনির্ধারকদের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। এমনকি বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত দিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া না জানালেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যাল প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে খলিলু রহমান বলেন, আমাদের এ অঞ্চলে কানেকটিভি ছাড়া এগোনো সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিকভাবে যে অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা যাচ্ছে তার মোকাবিলা করার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ বা কানেকটিভিটি থাকতে হবে। জোটবদ্ধভাবে যেটা মোকাবিলা করা সম্ভব সেটি একক কারও পক্ষে করা সম্ভব না, সেই সম্ভাবনার কথাই বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এনআই
চরমপন্থার সুযোগ কাউকেই নিতে দেওয়া হবে না: মাহফুজ আলম
‘নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না।’বুধবার (২ এপ্রিল) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে মাসুম মিয়ার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা-সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।উপদেষ্টা বলেন, ‘শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করবো—গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার কাজ শেষ করে যেতে পারি। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সঙ্গে আছে। আমরা বিশ্বাস করি এ চেতনার সাথে রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।তিনি বলেন, যতদিন আছি আমরা চাইব গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।এইচএ
দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে জঙ্গি সমস্যার উত্থান হয়নি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো জঙ্গিবাদ সংক্রান্ত সমস্যা উত্থিত হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।বুধবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর খিলক্ষেত, বাড্ডা, ভাটারাসহ বিভিন্ন থানায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন সম্পর্কে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কোন পত্রিকা কি বলে তা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাইনা। তবে দেশে জঙ্গি বাদ নিয়ে কোনও উদ্বেগ দেখছিনা না।তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর প্রথমে সরকার ছিলো না, তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। এখন সবাই একত্রে চেষ্টা করছে। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই উন্নতি অব্যাহত থাকবে।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এজহারে অনেকের নাম এসেছে, তবে এমন অনেকেই রয়েছে যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন এবং সে সময় বিদেশে ছিলেন। আমরা প্রপার তদন্ত করছি এবং নির্দোষ কোনও ব্যক্তিকে সাজা দেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, আজকের থানা পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিলো নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া।এমআর-২
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
থাইল্যান্ডে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।এই সফরে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে এটি তাদের প্রথম বিদেশ সফর। ২ থেকে ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় কূটনীতিকরা জানান, বঙ্গোপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ৩ থেকে ৪ এপ্রিল থ্যাইল্যান্ড সফর করবেন প্রধান উপদেষ্টা। সফরের প্রস্তুতি চলছে।এমআর-২
ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া মানুষ
প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদযাপনের পর রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন ঈদে গ্রামে যাওয়া মানুষ। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ এলাকা ঘুরে নগরবাসীর এ ফেরার চিত্র দেখা গেছে।অন্যদিকে আবার আজও রাজধানী ছাড়ছেন অনেকে। ঢাকা ছাড়ার জন্য নগরবাসীর ভিড়ও দেখা গেছে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায়।সোমবার (৩১ মার্চ) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।বাস মালিক ও শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বুধবার সকাল থেকেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন ঈদ করতে গ্রামে যাওয়া নগরবাসী। আগামী কয়েক দিন এ ধারা অব্যাহত থাকবে।যাত্রী ফেরা শুরু হওয়ায় কোনো কোনো রুটের বাস অনেকটা খালি অবস্থায় ঢাকা ছাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা।ীযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ কয়েকটি শ্রেণি পেশার মানুষ রাজধানীতে ফিরে আসতে শুরু করেছেন। বাড়তি ভাড়া গোনা ছাড়া রাজধানীতে ফিরতে তাদের তেমন কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।সকাল ৯টার দিকে সপরিবারে সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ে বাস থেকে নেমেছেন শরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্রামে বাবা-মায়ের সঙ্গে সপরিবারে ঈদ করতে গিয়েছিলাম। আমি একটি ভোগ্যপণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগে কাজ করি। কাল থেকে আমার অফিস খুলছে। তাই আজকেই চলে আসতে হলো।তিনি বলেন, ‘আসতে তেমন সমস্যা হয়নি। আমার বাসা খিলগাঁওয়ে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা অতিরিক্ত ভাড়া চাচ্ছে।’অন্যদিকে, আজও রাজধানী ছাড়ছেন অনেকে। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা ও সায়েদাবাদে জনপদ মোড়ের বিভিন্ন বাস কোম্পানির কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।এবি
সর্বশেষ প্রকাশিত
রাজনীতি
সব দেখুন
শুরু হলো খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা।বুধবার (২ এপ্রিল) চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।তিনি বলেন, আগামী চারদিন উনার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে, লন্ডন ক্লিনিকের ডাক্তাররা বাসায় উনাকে দেখতে আসবেন।খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরও বলেন, কিছু পরীক্ষা করার জন্য হয়তো তাকে (খালেদা জিয়াকে) লন্ডন ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েক দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, যা চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে করা হচ্ছে।বিএনপির চেয়ারপারসন এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লন্ডনে যান বেগম খালেদা জিয়া। গত ৮ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি লন্ডনের দ্য ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।বাসায় ফেরার পর গত দুই মাসে খালেদা জিয়াকে আর হাসপাতালে নিতে হয়নি। কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হলে দ্য ক্লিনিকের চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাসায় গিয়ে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন।৭৯ বছর বয়সি খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে উদ্দেশ্যমূলক মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি করে রাখে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার আবেদন অগ্রাহ্য করে চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত করে। পিএম
শুরু হলো খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা।বুধবার (২ এপ্রিল) চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।তিনি বলেন, আগামী চারদিন উনার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে, লন্ডন ক্লিনিকের ডাক্তাররা বাসায় উনাকে দেখতে আসবেন।খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরও বলেন, কিছু পরীক্ষা করার জন্য হয়তো তাকে (খালেদা জিয়াকে) লন্ডন ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েক দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, যা চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে করা হচ্ছে।বিএনপির চেয়ারপারসন এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লন্ডনে যান বেগম খালেদা জিয়া। গত ৮ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি লন্ডনের দ্য ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।বাসায় ফেরার পর গত দুই মাসে খালেদা জিয়াকে আর হাসপাতালে নিতে হয়নি। কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হলে দ্য ক্লিনিকের চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাসায় গিয়ে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন।৭৯ বছর বয়সি খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে উদ্দেশ্যমূলক মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি করে রাখে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার আবেদন অগ্রাহ্য করে চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত করে। পিএম

যারা রাজাকারদের হাতে নেতৃত্ব চায়, তাদের ভোট চাই না : ফজলুর রহমান
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি ভোট চাই না। যারা রাজাকারদের হাতে নেতৃত্ব ছাড়তে চায়, আমি তাদের ভোট চাই না। কথাটা খুব ক্লিয়ার। আমি ভোট চাই তাদের যারা মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে মানে। যারা এই দেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায়।মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের আনন্দ বাজারে ঈদ-পরবর্তী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘বাপ ডাইকা (নির্বাচন) দেওন লাগবো, বাপ ডাইকা। আমাকে গুলি করে মারবেন? আমার আল্লাহ আছে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে আমাকে রক্ষা করতে পারে, পারে না? ৫০০ গুলিও আমার বুকে লাগতে না পারে, আমার আল্লাহ আছে। আমি সত্য কথা বলবোই। ফজলুর রহমান যদি জীবিত থাকে, বাপ ডাইকা বাংলাদেশে ইলেকশনটা দিয়া যাওন লাগবো।উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম পলাশসহ মৃগা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।পিএম

সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত: মির্জা ফখরুল ইসলাম
সংস্কার আর নির্বাচন আলাদা জিনিস না। সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত চলবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া সংষ্কার প্রস্তাব যথাযথভাবে পর্যালোচনা করেই মতামত দিয়েছে বিএনপি বলেও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার ( ১ এপিল) ঠাকুরগাঁও এ নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।প্রধান উপদেষ্টার সদ্য সমাপ্ত চিন সফরের প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে চিন একতরফা ভাবে একটা দলের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছে তবে এখন তারা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করে সকল দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে। চিন বাংলাদেশে উৎপাদনে ও উন্নয়নে বিনিয়োগের জন্য যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটা দেশের জন্য আশাবাদের কথা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে বিষয়ে মতের ঐক্য হবে সেগুলো মেনেই নির্বাচন হবে। যারাই নির্বাচিত হবে সে সংস্কার করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ, যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ কায়েসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খালেদা জিয়া
আগামীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, আমাদের একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে। সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সোমবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় বিএনপি নেত্রী এ কথা বলেন।খালেদা জিয়া বলেন, আপনাদের এত ত্যাগ ও সংগ্রাম বৃথা যায়নি এবং যাবে না। দেশবাসীর ভোটাধিকার সবাই মিলে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘদিন পর সবাইকে এভাবে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় আগামীর পথচলায় দেশবাসীর দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।এমআর-২

আ.লীগ নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে গণদাবি: নাহিদ ইসলাম
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের গণদাবি বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।সোমবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ঈদের দিন রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে এ কথা বলেন তিনি।নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে। এখন কীভাবে কার্যকর হবে তা দেখার বিষয়। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের গণদাবি বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক।তিনি বলেন, যেহেতু বিচার চলছে, আমরা বিচারের প্রতি আস্থাশীল। আমরা মনে করি, বিচার এবং রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের যে বিষয়টি সেটি সুরাহা হতে পারে।এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ঈদে আনন্দের মাঝেও আমাদের মধ্যে দুঃখ রয়েছে। কারণ, গণ-অভ্যুত্থানে আমরা যেসব ভাইবোনকে হারিয়েছি, তাদের ছাড়া অনেকগুলো পরিবার ঈদ পালন করছে। সেই কষ্ট, সেই বেদনার ভাগ নিতেই জুরাইন কবরস্থানে এসেছি।তিনি বলেন, আপাৎকালীন আমরা বলছি যে, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করা উচিত। আওয়ামী লীগ মার্কা আগামী নির্বাচনে থাকবে না। এটাই শহীদ, আহত পরিবারসহ গণদাবি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।সবসময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টি থাকবে বলেও জানান তিনি।এমআর-২

দেশকে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: জি এম কাদের
অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।সোমবার (৩১ মার্চ) বনানীতে দলটির কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে জি এম কাদের বলেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ভোট আয়োজনের চেষ্টা ভালো হবে না। সরকারের এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে হবে।এ সময় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। পাশাপাশি জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।এমআর-২

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠবে: মঈন খান
ডিসেম্বর সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য একটি সময়সীমা। ডিসেম্বরের পর নির্বাচন পিছিয়ে গেলে দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি সোমবার (৩১ মার্চ) প্রকাশিত হয়েছে। মঈন খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা চলছে, যাতে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা যায়।তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। সুতরাং সময়ই বলে দিবে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়। মঈন খান বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, দ্রুত নির্বাচন দেওয়াই তাদের জন্য উত্তম পন্থা এবং দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে তারা সম্মানজনকভাবে প্রস্থানের সুযোগ পাবে। এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক বক্তৃতায় জানান, এ বছরের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সালের জুনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর কারণ হিসেবে বলেন, কিছুটা সময় নিয়ে নির্বাচন করলে সংস্কারের সুযোগ পাওয়া যাবে এবং এতে নির্বাচন অধিক বিশ্বাসযোগ্য এবং স্বচ্ছ হবে। এদিকে সম্প্রতি ইউনূস সরকারের মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করা ও ছাত্র আন্দোলনের নেতা নাহিদ ইসলাম বলেন, চলতি বছর নির্বাচন আয়োজন কঠিন। কারণ পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি ভালো অবস্থানে নেই। এর প্রেক্ষিতে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারনী কমিটির সদস্য এবং সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল মঈন খান বলেন, আমরা চাই এ বছরই গণতন্ত্র ফিরে আসুক। এমআর-২
চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত
ঈদের রাতে রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৬
রাজধানীর বংশালে পাকিস্তান মাঠে ঈদ উপলক্ষে বসানো মেলায় ফাস্টফুডের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ থেকে আগুন লেগে ৬ জন দগ্ধ হয়েছে।সোমবার (৩১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।দগ্ধরা হলেন- রিমঝিম (১৬), মেহেদী হাসান (২৫), সাগর (২৫), ইকবাল (৩৩), নয়ন (২৯) ও অপূর্ব (১৮)।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বংশাল পাকিস্তান স্মার্ট এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় ৬ জনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে রিমঝিমের শরীরে বার্ন ইনজুরি, মেহেদী হাসানের শরীরের ১ শতাংশ, সাগরের শরীরে ১১ শতাংশ, ইকবালের শরীরের ২ শতাংশ, নয়নের শরীরের ৭ শতাংশ অপূর্বর শরীরের এক শতাংশ বার্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে সাগরকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে বাকিদের জরুরি বিভাগে অবজারবেশনে রাখা হয়েছে। পিএম
ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন রাজধানীবাসীর বাহন মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, ঈদের দিন মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে, তবে আগের শিডিউল অনুযায়ী ঈদের অন্য দিনগুলোতে চলাচল অব্যাহত থাকবে।শনিবার (২৯ মার্চ) মেট্রোরেলের স্টেশনগুলো ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের যে উপচে পড়া পরিস্থিতি ছিল, তা কমে গেছে। ট্রেনের প্রায় প্রতিটি কোচই সিটিং ছিল।যাত্রীরা বসে স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারছেন। কাউন্টারগুলোতেও ভিড় ছিল না। আর এ পরিস্থিতিতে যাত্রীরাও ভ্রমণ করে স্বস্তি পাচ্ছেন। মেট্রোরেলের তত্ত্বাবধানে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ জানায়, গেল বছরের মতো এবারও ঈদের দিন মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে।তবে ঈদের পরের দিন থেকে আগের শিডিউলে চলবে। রমজান মাসের শিডিউল আর থাকবে না।এমআর-২

বনানীতে রাস্তায় মাঝখানে উল্টে গেল বাস, আহত ৪২ জন
রাজধানীর বনানীতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আনা নেওয়া করা পরিস্থান পরিবহনের একটি বাস উল্টে ৪২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করে বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল সারোয়ার।তিনি বলেন, পরিস্থান পরিবহনের একটি বাস আজ ভোরে বনানী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় উল্টে যায়। বাসটি মূলত গার্মেন্টস শ্রমিকদের আনা নেওয়া করতো। আজ ভোরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে বাসটি গাজীপুর যাচ্ছিল। এর মাঝখানে বনানীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ৪২ জন গার্মেন্টস শ্রমিক আহত হয়েছেন। তবে ছয় জন বাদে বাকিরা তেমন গুরুতর আহত হননি। গার্মেন্টস মালিকপক্ষ আহত শ্রমিকদের দেখভাল করছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান রাসেল সারোয়ার।

বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন এমআরটি লাইন-১ এর ভূগর্ভস্থ তিতাস গ্যাসের বিদ্যমান গ্যাস লাইন স্থানান্তর কাজের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।বুধবার (২৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমআরটি লাইন-১ এর জন্য ভূগর্ভস্থ গ্যাস পাইপলাইন অপসারণের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা নিকুঞ্জ-১, নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত এলাকা, কনকর্ড সিটি (নদীর পাড় পর্যন্ত), নামাপাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যমান সকল শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।উক্ত সময়ে আশেপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।এমআর-২

ধানমন্ডিতে র্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, আটক ৪
রাজধানীর ধানমন্ডিতে র্যাব পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে তাদের আটক করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, বুধবার ভোরে র্যাবের পোশাকে ধানমন্ডির একটি ভবনে ডাকাতি করতে যায় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই ভবনে থাকা একটি কক্ষ থেকে নগদ টাকা লুট করছেন ২ জন। তারা বেরিয়ে যাওয়ার পর আরও ৩ জন সেই কক্ষে প্রবেশ করে বাকি টাকাও নিয়ে যান।পুলিশ জানায়, ডাকাতি করে পালানোর সময় এলাকাবাসী ও পুলিশ মিলে চারজনকে আটক করে। বাকিরা পালিয়ে যায়। আটক চারজনের কেউই র্যাব সদস্য নয় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।রমনা থানার ডিসি জানান, খবর পেয়ে দ্রুতই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এসময় আটক হয় ৪ জন। তাদের গ্রেফতার করতে গিয়ে ধস্তাধস্তিতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এ ঘটনায় র্যাবের কোনো সদস্য জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।এবি
টানা ২০৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেল ১৭ শিশু
একটানা ৪১ দিন ২০৫ ওয়াক্ত তাকবীরে উলার সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করে পুরস্কার পেয়েছে ১৭ জন শিশু। পুরস্কার হিসেবে তাদের দেওয়া হয়েছে একটি করে বাইসাইকেল। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের তাদের হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়।“এসো নামাজ পড়ি, কোরআনের আলোকে জীবন গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন দিঘীরপাড়া ইসলামী আদর্শ কাফেলা। পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিঘীরপাড়া ইসলামী আদর্শ কাফেলার সভাপতি হাফেজ শাহাব উদ্দীন সভাপতিত্ব ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান ইকবালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাঁশখালী দারুল ইসলাহ দাখিল মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা মুজিবুর রহমান, সাদুর রশিদ চৌধুরী, হাসান আজাদ চৌধুরী, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, মাস্টার ইউসুফ, আমীরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মিরাজ হোসেন, পশ্চিম বাঁশখালী দারুল ইসলাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন ও ইসলামী আদর্শ কাফেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা রাশেদুল হক। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নামাজ অন্যায় ও অশোভন কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখে। নামাজ মানুষকে সময়ানুবর্তিতার শিক্ষা দেয়। দায়িত্বপরায়ণতার দীক্ষা দেয়। স্রষ্টার সঙ্গে পবিত্র দাসত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে। সকল প্রকার দাসত্ব থেকে মানুষকে মুক্তি দেয়। নামাজ হলো দ্বীনের স্তম্ভ। যে ব্যক্তি নামাজ প্রতিষ্ঠা করে সে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করে।বক্তারা আরও বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুরা জামায়াতে নামাজ আদায়ের প্রশিক্ষণ পেয়েছে। বড় হলে নামাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তারা সমাজ থেকে সকল অন্যায় ও অশোভন কাজকে প্রতিরোধ করবে।
যশোরে ফুচকা খেয়ে অসুস্থদের সংখ্যা বেড়ে ২৪৩, দোকানদার পলাতক
ঈদ মেলার ফুচকা খেয়ে যশোরের অভয়নগরে অসুস্থদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বুধবার (২ এপ্রিল) পর্যন্ত শিশুসহ ২৪৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অসংখ্য মানুষ অসুস্থতার খবর জানাজানির পর সংশ্লিষ্ট ফুচকাওয়ালা মনিরুজ্জামান গা ঢাকা দিয়েছেন। তার দোকানটি বন্ধ রয়েছে।অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ফুচকা খেয়ে অসুস্থরা মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) থেকে হাসপাতালে ভর্তি হতে শুরু করে। বুধবার বিকেল পর্যন্ত ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৩ জন। এর মধ্যে ৫৩ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ২৫ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলীমুর রাজিব জানান, ঈদ মেলা থেকে ফুচকা খাওয়ার পর তারা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, অভয়নগরের ভৈরব সেতুর পূর্বপাড়ের দেয়াপাড়ায় ঈদ বসেছিলো। মেলায় ঘুরতে গিয়ে ইন্ডিয়ান পানিপুরি ও ভোজপুরি নামক ফুচকার দোকান থেকে ফুচকা খেয়ে কাপাশহাটি গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা তাকিব হুসাইনের পরিবারের ৩জন, বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের ইমাম সাহেবের পরিবারের ৮ জন, প্রেমবাগ গ্রামের এক পরিবারের ৫ জন, আসাদুল ইসলাম, তার স্ত্রী সুমাইয়া খাতুন, ছেলে সোহাগ ও সিয়াম, মেয়ে বৃষ্টিসহ অসংখ্য মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এনআই

নড়াইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ৪ নেতা গ্রেপ্তার
নড়াইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগ ঝটিকা মিছিল করেছে। এ ঘটনার পর পুলিশ ছাত্রলীগের ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। গভীর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।তারা হলেন- নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হামিম ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সবুজ সরদার, নড়াইল পৌরসভার ৭নং ওয়াড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকিল মোল্যা ও সদরের তুলারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মুন্না আজিজ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে নড়াইল শহরের রূপগঞ্জ এলাকায় নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে ২৫-৩০ জনের একটি গ্রুপ অন্তবর্তী সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। এ সময় তাদের অধিকাংশের মুখে মাক্স এবং কয়েকজনের হেলমেট পরা ছিল।এদিকে বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে শেখ হাসিনার ফাঁসি ও তাদের দোসরদের বিচার এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলা ছাত্রদলের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পুরাতন বাস টার্মিনালের মুক্ত মঞ্চে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফরিদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাহামুদুল হাসান সনি, জেলা বিএনপি নেতা কামরুল বিশ্বাস, সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আরিফুল আকবার মিল্টন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন গাজী প্রমুখ।এদিকে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগ মিছিল করায় বিভিন্ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমথর্কদের বাড়িতে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চলে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, গত ৪ আগস্টে নড়াইলে নাশকতার মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এইচএ

নড়াইলে ঈদের রাতে ১০ বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ১০টি বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার ঈদের দিন রাতে উপজেলার সত্রহাজারি গ্রামে ঘটনা ঘটে।মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় ,সত্রহাজিরা গ্রামের অন্তত ১০টি বাড়ির বিভিন্ন দেয়াল ভাঙা, টিনের বেড়ায় কোপানোর দাগ স্পষ্ট। ঘরের মধ্যে থাকা টিভি, ফ্রিজ, আলমারিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের ভাঙাচুরা অংশ পড়ে আছে।ভুক্তভোগীরা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের (সত্রহাজারি) বর্তমান সদস্য সাঈদ মিনার সাথে বিরোধ রয়েছে সাবেক সদস্য আক্তার কাজীর। প্রায় দুপক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ঈদের দিন রাত ৮ টার দিকে আতর্কিতভাবে আক্তার কাজী তাঁর লোকজন নিয়ে সাঈদ মিনা সমর্থক জলিল মোল্যা, মফিজুর মোল্যা, মান্নান মোল্যা, নজরুল মোল্যা, আবু তাহের মিনা, জব্বার মিনা, তারিকুল মিনা ও নাঈম মিনাসহ অন্তত ১০ টি পরিবারের ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়ে এ ভাঙচুর ও লুটপাটের করেছে।ভুক্তভোগিদের একজন জলিল মোল্যা বলেন, ‘বাজার থেকে বাড়ি আইসে দেখি, আমার ঘরে আর কোনো কিচ্ছুই নাই। বাক্সের তালা খোলা, ভিতরে থাকা ৫১ হাজার টাকা নেই। ব্যবসা করে এই টাকা গুছাইছিলাম একটা ঘর দেওয়ার জন্য। বউয়ের একটা চেইন আর কানের দুল ছিলো, তাও নিয়ে গেছে। ঘরে থাকা টিভি, ফ্রিজসহ মালামাল ভাঙচুর করে রেখে গেছে।’লেকজান বেগম বলেন, ‘গতকাল রাতে কোনো কারণ ছাড়াই আক্তার কাজী লোকজন নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে সব মালামাল ভাঙচুর করেছে। বাড়িতে থাকা নগদ ৩ লাখ টাকা, ৩ ভরির মত স্বর্ণ নিয়ে গেছে। এখনো আমরা আতংকের মধ্যে আছি, যে-কোনো সময় আবারও হামলা হতে পারে। প্রশাসনের কাছে আমরা এর বিচার চাই।’ মফিজুর মোল্যা নামে একজন বলেন, ‘আমিও রাজনীতি করিনা। শুধুমাত্র মিনা বংশের সাথে আত্মীয়তা হওয়ায় আমার বাড়িতে ভাঙচুর করেছে কাজীরা। ঘরে থাকা ২১ হাজার নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং ৫ বস্তা ধনিয়া, ৫ বস্তা কলাই ও ১০ বস্তা ধান লুট করে নিয়ে গেছে। আমি খুব গরিব মানুষ, কামলা খেটে খায়। খায়ে না খায়ে এই মাল জিনিস বানাইছিলাম।’তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আক্তার কাজী। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না। আমি ওখানে (ঘটনাস্থলে) গিছিলাম না। ওরা যে অভিযোগ করতিছে, তা ভিত্তিহীন। তবে শুনেছি, বাড়িঘর ভাঙচুর হয়ছে এটা সত্য, কিন্তু কোনো লুটপাট হয়নি। আর এ ভাঙচুরও আমার লোকে করেনি। কারা করেছে জানি না।,এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লোহাগড়া থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বলেন, আধিপত্য নিয়ে ওই এলাকায় দুই ইউপি সদ্যসের দীর্ঘদিরে বিরোধ আছে। এর আগে দুই পক্ষের করা মামলা থানায় রযেছে। গতকালের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’পিএম

যশোরে ঈদ মেলার ফুচকা খেয়ে ৫০ জন হাসপাতালে
যশোরে অভয়নগরে ঈদ মেলার ফুচকা খেয়ে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৫০ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ফুচকা খেয়ে তারা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) হাসপাতালে অসুস্থদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কাপাশহাটি গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা তাকিব হুসাইন জানান- ভৈরব সেতুর পূর্বপাড়ে দেয়াপাড়ায় ঈদ মেলা বসেছিলো। সেই মেলায় গিয়ে ফুচকা খেয়ে তার পরিবারের ৩ জন, বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের ইমাম সাহেবের পরিবারের ৮ জন, প্রেমবাগ গ্রামের এক পরিবারের ৫ জন, যথাক্রমে আসাদুল, তার স্ত্রী সুমাইয়া, ছেলে সোহাগ ও সিয়াম, মেয়ে বৃষ্টিসহ অন্তত ৫০ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলীমুর রাজিব জানান, ফুচকা খেয়ে তারা ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। পিএম
সন্ত্রাসীদের হুমকিতে ভীত রামুর এক পরিবার, হামলার শিকার আইটি বিশেষজ্ঞ
ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে জসিম উদ্দিন (৪০) নামের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ভূমিদস্যু চক্র ও সন্ত্রাসীরা। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে এক নারীও গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।ঈদের দিন (৩১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লম্বরী পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জসিম বাদী হয়ে রামু থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।আহত জসিম উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের কোনারপাড়া এলাকার মমতাজ আহমদের ছেলে। তিনি ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চট্টগ্রাম বিভাগে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও আইটি প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।ভুক্তভোগী জসিমের দাবি, জমি দখলে নিতে না পেরে একই এলাকার ভূমিদস্যু চক্র ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার উপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। জসিমের পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চাকরির সুবাদে জসিমের পরিবার চট্টগ্রামে বসবাস করার কারণে তাদের গ্রামের ভিটেবাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার একটি দুষ্কৃতকারী সংঘবদ্ধ চক্র বেআইনিভাবে তাদের বাড়িটি দখল করার অপচেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে জসিম ও তার পরিবার কিছুদিনের জন্য গ্রামের বাড়িতে অবস্থান নেন। তখন তাদের প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে ভিটেবাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন একই এলাকার হাবিব উল্লাহ ও তার ছেলে রনি, রকি, এবাদুল্লাহসহ একটি সন্ত্রাসী-ভূমিদস্যু চক্র। নিজস্ব ভিটেমাটি রক্ষায় জসিম কক্সবাজার আদালতের ধারস্ত হয়ে ১৪৪ ধারায় একটি মামলা করেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে চক্রটির বিরুদ্ধে ওই জায়গায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সশস্ত্র অবস্থায় আরও বেপরোয়াভাবে এলাকায় মহড়া দিয়ে জসিম ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে গ্রামে বসবাস করতে বাধা দেন। এইসব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ঈদ উদযাপন করতে জসিম ও তার পরিবার চট্টগ্রাম থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। ঈদের নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা স্থানীয় কালুর ছেলে হাবিব উল্লাহ, তার ছেলে মো. রনি, মো. রকি, হাবিবের ভাই এবাদুল্লাহ, তার ছেলে মো. সেজান, মৃত জাফর আলমের ছেলে রমজান আলী, তার ছেলে মো. কায়সারসহ ১০/১২ জনের একদল সন্ত্রাসী লোহার রড দা-ছুরি ও দেশীয় ভারী অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীদের দায়ের কোপে জসিম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধারে সাজেদা আক্তার নামের নারী এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা জসিমকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা হুমকি দিয়ে বলে, "এইখানে কেউ আগাবি না, আগে জসিম মরুক, তারপর তার লাশ নেওয়া হবে!" এমন হুমকিতে স্থানীয় জনতা ও তার পরিবার জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় জসিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। এদিকে এই নৃশংস হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর মতে, দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমন কান্তি চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেছি। দোষীদের আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।
কক্সবাজারে নৌবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক ১
কক্সবাজারের উখিয়ায় নৌবাহিনীর সদস্যরা মাদক বিরোধী একটি অভিযান পরিচালনা করে চিহ্নিত মাদক কারবারি ইমাম হোসেনকে আটক করেছে। এসময় ক্রিস্টাল মেথ আইস ও দেশীয় তৈরি বেশ কয়েকটি রাম দা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।বুধবার (২ এপ্রিল) বিকালে দিকে নৌবাহিনীর মিডিয়া কর্মকর্তা জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) অভিযানের সত্যতা গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান গোপন সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের অন্তর্গত শফির বিল এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি ইমাম হোসেনকে আটক করা হয়। এরপর তার বসত বাড়ি তল্লাশি করে ক্রিস্টাল মেথ আইস,গাঁজা ও দেশীয় তৈরি ৭টি রাম দা ৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।আটককৃত মাদক কারবারি ইমাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত ছিলেন বলে অভিযানিক দলের কাছে স্বীকার করেছেন।উদ্ধারকৃত মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক মাদক কারবারির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করার জন্য টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।এনআই

বান্দরবানে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সাংবাদিকের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাজীব দাসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার কাজের জন্য কাবিটা,কাবিখা'র আওতায় নগদ টাকা ও খাদ্য শস্য বরাদ্দ দেয় সরকার।জানা যায়,পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ও সচিবের পরামর্শক্রমে একটি বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ঈদে সাংবাদিকদের সম্মানী দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতি জন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫ শত টাকা করে চাঁদা উত্তোলনের সিন্ধান্ত হয়।গত (৩১ মার্চ ২৫ইং) সন্ধ্যায় সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে এক আলাপ চারিতায় পাইন্দু ইউপির দুই সদস্যের বক্তব্যে এসব তথ্য উঠে আসে।নাম প্রকাশ না করা শর্তে,পাইন্দু ইউনিয়ন এর এক ইউপি সদস্য জানান,বৈঠকের পর উত্তোলিত সম্পূর্ণ টাকা নিজের কাছে জমা থাকায় চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন ইউপি সচিব।সূত্রের ভাষ্যমতে,একটি ইউনিয়নে ১২ জন সদস্য। পুরুষ সদস্য নয় জন আর মহিলা সদস্য তিন জন। প্রতি সদস্যর ৭ হাজার ৫ শত টাকা করে ১২ জনের কাছে হয় ৯০ হাজার টাকা।অভিযুক্ত পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাজীব দাস মুঠোফোনে মেম্বার প্রতি ৭ হাজার ৫ শত টাকা করে চাঁদা উত্তোলনের কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, এর মধ্যে এক সাংবাদিকের হাতে ৪ জনের জন্য ৮০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা কোথায় জানতে চাইলে কলটি কেটে দেন ইউনিয়ন পরিষদ সচিব রাজীব দাস। পরে কয়েক বার কল দিলেও কল রিসিভ করেননি তিনি,অতপর মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।বরাদ্দ বন্টন নীতির আলোকে মোট প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে একটি অংশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। যা আগে উপজেলা পরিষদের হাতে রাখা হতো।উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে উপবরাদ্ধ প্রাপ্তির পর সভায় ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সর্ব সম্মতিক্রমে প্রকল্প গুলো গৃহীত হবার কথা থাকলেও ইউনিয়নের বরাদ্দ গুলো চেয়ারম্যান ও সচিব যথেচ্ছা ভাবে গ্রহণ করে থাকে। কাগজে কলমে কার্য্য বিবরণী ঠিক থাকলেও কোন কোন জায়গায় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়,তা অধিকাংশ সদস্য জানেনা। এমন অভিযোগ ইউপি সদস্যদের,কোন সদস্য কি প্রকল্প পেয়েছে,তা জানানো হয় না। কার্য্য বিবরণীও দেখান না সদস্যদের। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি প্রস্তুত করে সভাপতি স্বাক্ষর নিতে যায়। তখনই সদস্যগণ জানতে পারে এই প্রকল্প তার নামে।বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মার্মা পাড়ায় অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন,দেখা হলে বিস্তারিত কথা হবে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নিকট ইউপি সচিব কর্তৃক সাংবাদিকের নামে চাঁদা উত্তোলনের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অবগত নয় উল্লেখ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাওসার আলী বলেন গৃহীত প্রকল্পের বিপরীতে প্রথম কিস্তির বিল দেয়া হয়েছে। শত ভাগ কাজ শেষ করার পর চূড়ান্ত বিল ছাড়া হবে। এ কাজে স্থানীয়দের সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।এনআই

টেকনাফে মাদকাসক্ত ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাইয়ের স্ত্রী নিহত
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকাসক্ত বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নিহত হয়েছে।বুধবার (২ এপ্রিল) সকালের দিকে টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের অন্তর্গত পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়া এলাকায় উক্ত ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মো.আলম জানান, বুধবার সকালের দিকে মাদকাসক্ত খুনি ইব্রাহিম প্রকাশ লুতিয়া বসত বাড়িতে মাদক সেবনের প্রস্ততি নিচ্ছিল। এ সময় ছোট ভাই ইসমাঈলের 'স্ত্রী' জান্নাত আরা বিষয়টি দেখতে পায় এবং ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে মেহমান আসবে এসব না করার জন্য বাধা প্রদান করলে মাদকাসক্ত খুনি ইব্রাহিম ক্ষীপ্ত হয়ে জান্নাত আরাকে গালি-গালাজ করে। এক পর্যায়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রাণে মারা যায়।ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, ঘটে যাওয়া ঘটনাটি শুনার পর হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত এসআই মোজাহেরুল ইসলাম এক দল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত গৃহবধুর মৃতদেহটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। মৃতদেহটি থানায় নিয়ে আসলে লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট তৈরি করার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।পিএম

মিরসরাইয়ে ধর্ষকের ফাঁসি চেয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৭ বছরের শিশু আরিফাকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষণকের ফাঁসি চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ছাত্রদল। বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা ছাত্রদলের উদ্যোগে পৌর বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক এমরান হোসেনের নির্দেশনায় এবং যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি কাজি আরিফ, সাধারণ সম্পাদক নয়ন, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি ইমন দাশ, সাধারণ নাদির, সাফায়েত, রিয়াজ, তুহিন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা।এরআগে, বারইয়ারহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দুলাল ড্রাইভারের লালসার শিকার হয় ৭ বছরের শিশু কন্যা আরিফা।এইচএ
টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, নারীসহ আহত ৪
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে একজন নারীর শ্লীলতাহানিসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে আয়নাল এবং রাসেল নামের দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (০২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বিল গৌরিশ্বর (ভূঞাপুরের পার্শ্ববর্তী) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ভুক্তভোগী মো. রুবেল মিয়া (২৩) ঘাটাইল থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার মৃত ছামান আলীর ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম (৩৫), মো. আব্দুল্লাহ (৪০), মো. সাহেব উদ্দিন (২৫), আ. ছালাম ভেন্ডারের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম স্বপন (২৫), মো. শিবলু (২০), মো. শুভ (১৮), মৃত আহাম্মদ আলীর ছেলে আ. ছালাম ভেন্ডার (৬০), মৃত ছামান আলীর মেয়ে মোছা. শাহানাজ (২০) এবং আব্দুল্লাহ'র স্ত্রী মোছা. কুলসুম বেগম (৩৫)।অভিযোগসূত্রে জানাযায়, উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বিল গৌরিশ্বর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী রুবেল মিয়ার পরিবারের সাথে অভিযুক্তদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ভুক্তভোগী তাঁর পরিবারের লোকজনদের সাথে নিয়ে বাড়ির মেরামতের কাজ করছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে বাড়ির মেরামতের কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে হত্যার উদ্দেশ্য করে অভিযুক্ত আ. ছালাম ভেন্ডারের হুকুমে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ এবং সাহেব উদ্দিন ভুক্তভোগী রুবেল মিয়াসহ তার ভাই রাসেল এবং ফুপাত ভাই আয়নালের ওপর দলবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায়। এতে আয়নাল ও রাসেল মিয়া রামদা এবং চাপাতির এলোপাতাড়ি কোপের আঘাতে গুরুতরভাবে আহত হয়। এসময় আয়নালের স্ত্রী আকলিমার জামাকাপড় টানা-হেঁচড়া করে তার শ্লীলতাহানি করে। অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে সময় সুযোগ বুঝে হত্যা করার হুমকি প্রদান করেন। পরে প্রতিবেশির সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক আয়নাল এবং রাসেলকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে পূর্ব থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম বুধবার রাত ৯টার দিকে মুঠোফোনে সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ও মোদির বৈঠক হবে ব্যাংককে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হবে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ দুই সরকার প্রধানের মধ্যে এটিই হবে প্রথম বৈঠক।বুধবার (২ এপ্রিল) দিল্লির সম্মতির বিষয়টি ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বহুখাতীয়, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ) বা সংক্ষেপে বিমসটেক।থাইল্যান্ডে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংক যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।আগামী ২ থেকে ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।স্থানীয় কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ৩ থেকে ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ড সফর করবেন প্রধান উপদেষ্টা। সফরের প্রস্তুতি চলছে।বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা যেহেতু বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সদস্যভুক্ত সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে বলে জানান ড. খলিলুর রহমান।এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়ে যান বিমসটেক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মণি পাণ্ডে। তিনি ঢাকা সফরকালে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এই তথ্য জানান।এনআই

কাশিমপুরে ২ বছরের শিশুকে হত্যার অভিযোগে সৎ মা আটক
গাজীপুরের কাশিমপুরে ২ বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে সৎ মাকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলের দিকে তিশা মনি নামে দুই বছরের ওই শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠে সৎ মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ সৎ মা আশরাফিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।নিহত শিশু তিশা মনি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার বাররা গ্রামের রাজন শেখ ও মিতু আক্তারের মেয়ে। বাবা ও সৎ মায়ের সাথে কাশিমপুরে মোজারমিল এলাকায় ভাড়া থাকতো।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজন শেখ কাশিমপুরের মোজারমিল এলাকায় ভাড়া থেকে শ্রমিকের কাজ করত। ঘটনার দিন রাজন শেখ বাহিরে গেলে শিশুটির সৎ মা তাকে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠে। পাশের ভাড়াটিয়ারা শিশুটি অচেতন অবস্থায় রুমের ভেতর পড়ে থাকতে দেখে শিশুটিকে হত্যার সন্দেহে সৎ মা আশরাফিয়াকে আটকে করে কাশিমপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের সৎ মা আশরাফিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সৎ মাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে বলেও তিনি জানান।

মুন্সীগঞ্জে গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে আহত ৬
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। উপজেলার পাচগাও ইউনিয়নের মধ্য খলাগাও গ্রামে বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর নিয়ে জানাগেছে, সম্প্রতি খলাগাও গ্রামের মৃত শাহজাহান ঢালীর ছেলে সেন্টু ঢালীর বিরুদ্ধে পরকিয়া সম্পর্কের গুঞ্জন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেলোয়ার মোল্লার বিরুদ্ধে বিচার শালিসি ডাকে সেন্টু ঢালী। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে খলাগাও মসজিদ মাঠে এ বিচার শালিসি চলাকালে গ্রাম্য মাতবরদের কথা মত দেলোয়ার হোসেন মোল্লা সেন্টুর কাছে ক্ষমা চান। পরবর্তীতে উপস্থিত সবার সামনেই সেন্টুর ভাই কালু ঢালী দেলোয়ার মোল্লাকে মারধর করে।এক পর্যায়ে ওই এলাকার রহিম ঢালী বলেন, মসজিদের সামনে কেউ মারামারি করবেন না। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে সেন্টু ঢালী, মন্টু ঢালী ও কালু ঢালী গংরা রহিম ঢালীকে (৫৫) মারধর করে। পরে রহিম ঢালীর লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের সাথেও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে রহিম ঢালী, তার স্ত্রী ময়না বেগম (৪৫), ছেলে রাব্বি (২২) আহত হয়। অপরপক্ষের কালু ঢালী (৪২), সেন্টু ঢালী (৪০) ও মন্টু ঢালী (৩৮) আহত হয়। পরবর্তীতে এলাকাবাসী এসে আহতদের টঙ্গীবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার ডিউটি অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় উভয়পক্ষের লোকজন থানায় এসেছে৷ উভয় পক্ষের অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ সদস্য রনির পরিবারের পাশে জিএমপি কমিশনার
সন্তানের মুখ দেখে যেতে পারলেন না জিএমপি এর কনস্টেবল রনি, অন্যদিকে পৃথিবীতে জম্ম নিয়েই পিতৃহারা হলেন নিহত রনির নবজাতক শিশু। এমনই জম্মান্তরের হৃদয় বিদারক ক্ষণে পুলিশ সহকর্মী রনির নবজাতক শিশু তার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড.নাজমুল করিম খান। বুধবার (০২ এপ্রিল) জিএমপি এর পক্ষ থেকে শিশুটির জন্য উপহার ও হাসপাতালের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয়বহন ও পারিবারিক খরচ বহন করা হয়।কমিশনারের পক্ষে পরিবারটির হাতে তা তুলে দেন স্টাফ অফিসার এসি তানভীর আহম্মেদ। এই সময় শত দুঃখের মাঝেও জিএমপি কমিশনারের এমনভাবে পাশে দাঁড়ানোতে জিএমপির নিহত কন্সটেবল রনির নবজাতক শিশু ও তার পরিবার সান্ত্বনা খুঁজে পান। এসময় রনির পরিবার জিএমপি কমিশনারের এমন মানবিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জীবনের এমন দুঃখের ক্ষণে পুলিশ সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোতে পুলিশের অনন্য সদস্যদের মাঝেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল গর্ভবতী স্ত্রীর সিজার করানোর উদ্দেশ্যে ছুটি নিয়ে টাঙ্গাইলে নিজ বাড়ি যাবার সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন কন্সটেবল রনি। ওই দিন সন্ধ্যায়ই তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্মগ্রহন করেন। ২০১৮ সালে পুলিশে নিয়োগ পান রনি। তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
ফুটবল খেলতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালীর গলাচিপায় ফুটবল খেলতে যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ জামাল শরীফের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে পাতাবুনিয়া সংলগ্ন বুড়াগৌরাঙ্গ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জামাল শরীফ রতনদী তালতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ নিজ হাওলা গ্রামের মো. কালাম শরীফের ছেলে।স্থানীয়দের তথ্যমতে, ঈদ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেল ৪ টার দিকে রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া থেকে একদল যুবক পার্শ্ববর্তী উপজেলা দশমিনার পাতারচরে ফুটবল খেলতে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে মাঝনদীতে ট্রলারটি হঠাৎ ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ২০-২৫ জন যাত্রীর মধ্যে সবাই সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও জামাল শরীফ নিখোঁজ হন।ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা উদ্ধার কাজ শুরু করেন। তবে নদীর তীব্র স্রোত, গভীরতা এবং রাতের অন্ধকারের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়। বুধবার সকালে আবারও উদ্ধার কাজ শুরু হলে সকাল ৮টার দিকে জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।রতনদী তালতলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাসুম জানান, ট্রলার ডুবির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন এবং পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।গলাচিপা ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার সৌরভ বালা জানান, নিখোঁজ জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এইচএ
ভোলায় ধর্ষণের অভিযোগে আটক যুবকের থানা হাজতে 'আত্নহত্যা’
ভোলায় ধর্ষণের অভিযোগে আটক হওয়া মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ থানার হাজতবাস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, ওই যুবক হাজতবাসের বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মধ্যরাতে ভোলা সদর মডেল থানার হাজতবাসে এ ঘটনা ঘটে।থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাইন পারভেজ সময়ের কন্ঠস্বরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।হাসান সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের মেদুয়া গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং সদ্য বিবাহিত।পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন দুপুরে ফ্রিজে মাংস রাখতে প্রতিবেশী এক নারী হাসানের বাসায় যায়। এসময় হাসান ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে হাসানকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। বিকেলের দিকে পুলিশ হাসানকে এবং ভিক্টিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর রাতে তাকে থানার হাজতবাসে রাখা হয়। পরে সেখানে গলায় জায়নামাজ পেঁচিয়ে হাসান আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশ দাবি করছে।পুলিশ বলছে, রাত ১২টা ১৮ মিনিটের দিকে হাসান হাজতবাসের বাথরুমে গিয়ে গলায় জায়নামাজ পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এরপর তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।এদিকে, থানার হাজতবাসের একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় হাসান নামের ওই যুবক হাজতবাসের মধ্যে একটি জায়নামাজ দাঁত দিয়ে কেটে বাথরুমে নিয়ে যাচ্ছে। বাথরুমে ঢুকার আগেও হাসান হাজতবাসের সামনে থাকা রডের সঙ্গে জায়নামাজ পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। পুলিশ বলছে, বাথরুমে কোনো সিসিটিভি ফুটেজ নেই। যাঁর কারণে তাঁর আত্মহত্যার দৃশ্যমান কোনো ফুটেজ নেই। এছাড়াও হাসানকে থানা থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কোনো ভিডিও ফুটেজ পুলিশের কাছে পাওয়া যায়নি।হাসানের মৃত্যুতে পুলিশের গাফলতি এবং ভিক্টিম নারী দায়ী দাবি তুলে হাসানের পরিবার বলছে, হাসানকে বেধড়ক মারধর করা হয়। হাসানের সমস্ত শরীর আঘাতপ্রাপ্ত ছিল। ওই নারী হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছে। ওই নারীর সঙ্গে হাসানের পরিবারের জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব রয়েছে। যাঁর কারণে ওই নারী পরিকল্পিতভাবে হাসানকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়েছেন এবং পুলিশ হাসানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে আঘাত করেছেন বলে পরিবারের অভিযোগ।হাসানের মা শাহনাজ পারভীন সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, 'আমার ছেলে পুলিশকে বারবার অনুরোধ করে বলেছিল, 'স্যার আমি একটু আমার মা এবং বউয়ের কাছে ফোন করমু মোবাইলটা একটু দেন। কিন্তু এরপরও পুলিশ তাকে ফোন দেয়নি। তাকে একটু খাবারও খেতে দেয়নি। আমার ছেলে যদি অপরাধী হয়। তাহলে তাকে দেশের আইনে বিচার করবে। কিন্তু তাকে এভাবে মানুষরা কেন মারল?হাসানের স্ত্রী বলেন, হাসান সদ্য বিবাহিত। দেড়মাস তাদের বিয়ের বয়স। ওই নারী পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে হাসানকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরো বলেন, হাসান যখন আত্মহত্যা করে তখন সেখানের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য কোথায় ছিল? হাসানের মৃত্যুতে পুলিশের গাফলতি রয়েছে। পুলিশ তাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করলে আজ হাসানের মৃত্যু হতো না।এ ঘটনায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কাউকে বরখাস্ত করা হয়নি জানিয়ে ভোলা পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক বলেন, 'এটি সুইসাইড। আসামি হাসান হাজতবাসের বাথরুমে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে'। এছাড়াও এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এখানে পুলিশের কোনো গাফলতি নেই।পিএম

ঈদের নামাজ শেষে জিলাপির টাকার হিসাব নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৫
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের লামনা গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কয়সর আলী সিকদার বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে জিলাপির টাকা দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঈদের নামাজ শেষে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লীদের মধ্যে জিলাপি বিতরণের পর টাকা দেওয়া-নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নিলে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ৫ জন আহত হন।আহতরা হলেন, মো. রাসেল (৩২), আব্দুর রহমান (৪০), মো. রাজ্জাক (৩৩), মোসা. ফাতিমা (২৮) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৮)। তারা সকলেই বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের লামনা গ্রামের বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান ও জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা নাম নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জেরে দুলাল সিকদার, আলামিন সিকদার ও ফিরোজ সিকদারের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা গলাচিপা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি।আব্দুর রহমান আরও বলেন, "গত রাতে আলোচনা হয়েছে ঈদের জন্য ১৫ কেজি জিলাপি কেনা হয়। কিন্তু আজ নামাজ শেষে জিলাপির টাকার হিসাব করা হবে বলে আমাদের বসতে বলা হয়। মুসল্লিরা চলে যাওয়ার পরই তারা অতর্কিত হামলা চালায়।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিবাদীপক্ষ পূর্বশত্রুতার জেরে ইচ্ছাকৃতভাবে এ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা নাম নিয়ে আগে থেকেই দু'পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল।মসজিদ কমিটির সভাপতি সুলতান সিকদার বলেন, আমি বর্তমানে এলাকায় নেই। ঘটনার বিষয় শুনেছি, বাড়িতে এসে বিস্তারিত জানার পর এ নিয়ে বসবো। তিনি স্বীকার করেন যে, মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা নাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) ঝিলন হাওলাদার বলেন, "অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পিএম

ঈদের নামাজরত অবস্থায় ইমামকে হত্যা চেষ্টা, যুবক আটক
বরগুনার তালতলীতে মসজিদে ঈদের নামাজের সময় হাফেজ মো. ইমরান হোসেন নামে এক ইমামকে ছুড়ি দিয়ে আক্রমণ চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এসময় হামলাকারী মো. মাসুম বিল্লাহ নামে এক যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শারিকখালি ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার শিকদার বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। আটক যুবক মাসুম বিল্লাহ করাইবাড়িয়া ইউনিয়নের আলীর বন্দর গ্রামের সাইদুল কাজীর ছেলে।ইমাম মো. ইমরান হোসেন করাইবাড়িয়া ইউনিয়নের আলীর বন্দর গ্রামের ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে ও আঙ্গাপাড়া শিকদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত আছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুম ও ইমাম ইমরান একসময় বন্ধু ছিলেন। পরে তাদের ভিতরে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্ব চলছিলো। এ জের ধরে আজ সকালে ঈদের নামাজের সময় মাসুম ইমামের ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে নামাজ চলাকালীন সময় ইমাম ইমরান হোসেন রুকুতে গেলে তাকে পিছন থেকে ছুড়ি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা চালায়। এসময় মুসল্লিরা প্রতিরোধ করেন এবং তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও মসজিদের সাবেক সেক্রেটারি মো. জাকির হোসেন বলেন, নামাজের দ্বিতীয় রাকাতের সময় মাসুম বিল্লাহ দুই ফুট লম্বা একটি ছুড়ি বের করে আক্রমণ এর চেষ্টা চালায়। এ সময় আমি নামাজ ছেড়ে দিয়ে প্রতিরোধ করি। তবে জানতে পেরেছি ইমামের সাথে ওই যুবকের পূর্ব শত্রুতা রয়েছে ।হামলাকারী মাসুম বিল্লাহ বলেন, ইমরান আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলো। গত বছর কোরবানির ঈদের সময় আমার প্রেমিকাকে একা পেয়ে ইজ্জত নষ্ট করে। এই জন্য আমি ওর উপর প্রতিশোধ নিতে চাইছি।এ বিষয়ে ইমাম মো. ইমরান হোসেন বলেন, ছাত্রজীবনে মাসুম সাথে মোবাইল চুরির ঘটনা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিলো। এর জের ধরে হত্যার উদ্দেশ্যে আমর উপর হামলা চালায়।তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো শাহজালাল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাসুম বিল্লাহকে আটক করেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।পিএম

আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু
পটুয়াখালীতে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে মো. রাফি নামে আট বছরের এক মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩০ মার্চ) রাতে শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।রাফি ওই এলাকার ব্যবসায়ী মো. মনির হোসেনের ছেলে।রাফির মামা মো. বশার মিয়া জানান, মাগরিবের নামাজের পরে তার ভাগিনাকে আতজবাজি ফোটাতে নিষেধ করে তিনি বাজারে গিয়েছিলেন। রাত ৮টার দিকে খবর পান আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে রাফির শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। তাৎক্ষণিক তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক রাফিকে মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক জানান, আতশবাজির মাথার শিশার অংশ সরাসরি রাফির গলার শ্বাসনালিতে প্রবেশ করায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রাফির পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এফএস
ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
ময়মনসিংহের ভালুকায় মাহিন্দ্রা ট্রাক ও মিনিবাসের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন, আহত একাধিক।রবিবার (৩০ মার্চ) সকালে উপজেলার কাঁঠালী পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ময়মনসিংহ গামী লেনে চ্যাম্পিয়ন পরিবহনের একটি মিনিবাস একটি মাহিন্দ্রা ট্রাক ওভারটেক করতে গিয়ে রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক খুটিতে লাগে। মিনিবাসের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এসময় একজন অজ্ঞাত বৃদ্ধ নারী নিহত হয়।খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনী এসে উদ্ধার কাজ করেন।ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজন বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।পিএম
ফেসবুকে হা হা রিয়্যাক্ট দিয়ে প্রাণ হারালেন কলেজ ছাত্র
বন্ধুর ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়্যাক্ট দেওয়ায় জেরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ছুড়িকাঘাতে নাইম বাদশা নামে এক কলেজ ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সবুজ আহমেদকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাইম বাদশা ওই গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং সরকারি নাজমুল স্মৃতি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামের হুরমুজ আলী ভুট্টুর ছেলে সবুজ আহমেদ গাজীপুর এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করে। নিহত নাইম পার্শ্ববর্তী নয়াবিল গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। উভয়ে বাল্যবন্ধু। সম্প্রতি নাইম সবুজের একটি ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়্যাক্ট দেয়। এ নিয়ে সবুজ ক্ষোভে নাইমকে হুমকিও দেয়। শনিবার সকালে সবুজ নাইমকে মোবাইল ফোনে ডেকে বাড়ির অদূরে কৃষি ব্যাংক নয়াবিল শাখার পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর নাইমের সঙ্গে সবুজের বাক-বিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে সবুজ নাইমকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় সঙ্গে থাকা অন্য বন্ধুরা চিৎকার শুরু করে। পরে নাইমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্বজনেরা। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে নাইম মারা যায়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী সবুজকে ধরে ফেলে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি সোহেল রানা বলেন, অভিযুক্তকে আটক করা রয়েছে। এখন আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।এমআর

দেওয়ানগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পানিতে ডুবে আয়েশা সিদ্দিকা নামের ৭ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মকিরচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা সিদ্দিকা পল্লী চিকিৎসক নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় মেয়ে। সে দক্ষিণ মকিরচর হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী।জানা গেছে, শনিবার দুপুরে শিশু আয়েশা সিদ্দিকা সবার সাথে বাড়ির পাশে সুতারের বিলে মাছ ধরতে যায়। সবার অজান্তে বিলের মাঝখানে গভীর গর্তের পানিতে পড়ে যায় আয়েশা সিদ্দিকা কিনারায় না ওঠায় পরবর্তীতে তাকে খুঁজে না পেলে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ডোবার পানি থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে সানন্দবাড়ী উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আয়েশা সিদ্দিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুর রহিম জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর আমরা পেয়েছি। বাড়ির পাশের ডোবাই মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়। এসআর

সরিষাবাড়ীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীসহ আটক ৪
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আকতারা বেগম (৪২) নামে চার কন্যা সন্তানের জননীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ঐ জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন সরিষাবাড়ি থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জিঙ্গাসাবাদের জন্য স্বামী শান্ত মিয়াসহ চার জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, নিহত ওই নারী পোগলদিঘা ইউনিয়নের গাছ বয়ড়া গ্রামের আঃ রশিদের ছেলে শান্ত মিয়া স্ত্রী এবং চকপাড়া গ্রামের মৃত ছফর আলী মন্ডলের মেয়ে। সে চার কন্যা সন্তানের জননী। পুত্র সন্তান না হওয়া পরিবারের মধ্যে সব সময় ঝগড়া ছিলো স্বামী-স্ত্রীর।গত বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) গাছবয়ড়া এলাকার শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আক্তারা বেগম। পরে তাকে তার স্বামীসহ স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে মধ্য রাতে সবাই বাড়ী চলে যায়। আজ সকালে নিহতের বাবার বাড়ীর পাশে খলিলের পরিত্যক্ত ভিটায় আকতারা বেগমের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সত্যতা পায় এবং নিহতের সুরতহাল শনাক্ত করে থানায় নিয়ে যায়।এঘটনায় নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা ধারণা করছেন সম্ভবত তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে স্বামীর বাড়ী থেকে বাপের বাড়ী এলাকায় গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখে গেছে। আকতারা বেগমের পা মাটিতে স্পর্শ করে একটি ছোট চিকন গাছের সাথে যেভাবে ফাঁস নিয়েছে, তা দেখে এলাকাবাসী সহ সবার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুত্র সন্তান না হওয়া নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকতো।এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মো. চাঁদ মিয়া বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এনআই

ময়মনসিংহে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক তরুণীর মৃত্যু
ময়মনসিংহ নগরীর প্রাণকেন্দ্র গাঙ্গিনারপাড় মোড়ের একটি বহুতল ভবনের ‘ছাদ থেকে পড়ে’ অজ্ঞাত এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এদিকে মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরের দিকে নগরীর গাঙ্গিনারপাড় মোড়ের ‘বর্ণালী সিটি সেন্টার’ নামে ১৪ তলা বিশিষ্ট একটি বহুতল ভবনে এ ঘটনা ঘটে। তবে সে ওই ভবনের কেউ নয় বলে দাবি বাসিন্দাদের। এখন পর্যন্ত নিহত তরুণীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনাকে রহস্যজনক বলছেন স্থানীয়রা।পুলিশ ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানা গেছে, দুপুর ১টা ১১ মিনিটের দিকে গেট দিয়ে ভবনে প্রবেশ করে নীল জামা পরিহিত এক তরুণী। মুখে মাস্ক থাকায় চেনার উপায় নেই। নিচে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দারোয়ান না থাকায় সোজা লিফটে চলে যায় সে। ঠিক দুই মিনিট পর ১২ তলায় লিফট থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে চলে যায় ছাদে। কিছু সময় পর ভবনের নিচে মেলে তার নিথর দেহ।এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম খান জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বুঝা গেছে সে আগেও এ ভবনে আসা যাওয়া করেছে কিন্তু কেউ তার নাম পরিচয় বলতে পারছে না। তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। নিহত তরুণীর বয়স আনুমানিক ২৫ বছর হবে। পরিচয় নিশ্চিতের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কাজ করছে। আশাকরি খুব দ্রুতই রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
আমরা কখনোই বলিনি নির্বাচনের পরে সংস্কার: মির্জা ফখরুল
‘নির্বাচন নয়, সংস্কার; বা আগে নির্বাচন পরে সংস্কার– বিএনপি কখনও এমন কথা বলেনি। এটি বিএনপিকে টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার অথবা বিএনপির কর্মসূচি বুঝতে বা বোঝাতে না পারার সমস্যা। বর্তমানে উচ্চারিত সংস্কারের সবগুলো বিষয়ই বিএনপির ৩১ দফায় রয়েছে।’ বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন।নির্বাচন প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘বিএনপি সব সময়ই ধ্বংস হয়ে যাওয়া নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার করে নির্বাচন চেয়েছে। বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে আমরা ছয় মাসের কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচন চেয়েছি। বিএনপি যা চেয়েছিল সেটাই তো এখন আসছে, তাহলে সমস্যা কোথায়।’মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ডানপন্থা ও কর্তৃত্ববাদের ক্রম উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এখন দুনিয়াজুড়েই গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন। বিএনপির সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের ঢাকার বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব নিজেই তা উল্লেখ করেছেন। গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রে নানা সমস্যা থাকলেও এটাই এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সেরা মতবাদ। তাই গণতন্ত্র রক্ষা এখন একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে আমাদের সামনে এসেছে। বহুদলীয় গণতন্ত্র বা বহুত্ববাদকে এখন ছড়িয়ে দিতে হবে।’ভারতীয় গণমাধ্যমের অপপ্রচারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া একটা অপতথ্য ও মিথ্যা প্রচারের কারখানা। আমি সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। আগস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতীয় মিডিয়ায় সম্প্রতি চট্টগ্রাম দখলের হুমকিসহ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেসব অপপ্রচার চলছে সেটা “পাগলের প্রলাপ”। আগস্ট আন্দোলনের পরপরই সংখ্যালঘুদের ওপর কিছু কিছু অন্যায় হলেও তারপর থেকে এখন পর্যন্ত আর কোনও ঘটনা তো ঘটছে না। অথচ ভারতীয় মিডিয়ার হিংসাত্মক প্রচারণা দেখলে মনে হয়, যেন প্রতিদিন এমন ঘটনা ঘটছে।’ঠাকুরগাঁওসহ দেশজুড়ে গ্রেফতার বাণিজ্য এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ঘাটতির কথা স্বীকার করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘হাসিনার আমলের পুলিশি নিপীড়ন ব্যবস্থার ফলে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের মনোবলে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। দেশজুড়েই আমরা আইনশৃঙ্খলার অবনতির খবর আমরা পাচ্ছি।‘বর্তমানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে যেসব ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো নির্বাচনের আগেই সংস্কারের প্রস্তাব আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দিয়েছি। প্রয়োজনে আরও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ব্যাপারে বলবো।’দলীয় নেতাকর্মীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির যেসব নেতাকর্মী ও সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং অন্যায় করার, সেসবের বিরুদ্ধে কিছু অভিযুক্ত কমিটি ভেঙে দেওয়া, বহিষ্কারসহ নানা দলীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’এ সময় উপস্থিত ছিলেন– জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক পয়গাম আলী, সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরীফ, সাধারণ সম্পাদক তারিখ আদনানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এইচএ
বিরামপুরে চাঁদাবাজি মামলায় ছাত্রদল সভাপতিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার
দিনাজপুরের বিরামপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি। চাঁদা না পেয়ে বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর ও বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ কাটার মামলায় সানোয়ার হোসেন (২৬) নামে উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতিসহ ৫ জন কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।মঙ্গলবার (১ লা এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিরামপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মমতাজুল হক। উপজেলার ৭ নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ১ ওর্য়াডের চন্ডিপুর(চায়না অফিস) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে মো. সানোয়ার হোসেন (২৬)। তিনি ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। অন্যরা হলেন, একই গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে মো. শাহা আলম (৩৬), জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (২৯), আশরাফ আলীর ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), মৃত আলেফ আলীর ছেলে মো. রতন রানা (২৫)। গত রবিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।মামলা সূত্রে জানা যায়, পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সানোয়ার হোসেন ও তার গংদের সঙ্গে পৌরশহরের ঘাটপাড় এলাকার অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মোখলেছুর রহমানের সাথে দীর্ঘদিন থেকে জমিজমার বিষয় নিয়ে মনোমানিল্য হয়ে আসিতেছিল। সেই জমির বিষয়ে সমাধান করার কথা বলে তারা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে।মোখলেছুর রহমান পেশায় একজন ডাক্তার হওয়ায় তার জমি চন্ডিপুর (চায়না অফিস) এলাকার মৃত জাবেদ আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৪৩), কে জমিজমা দেখাশোনার জন্য কর্মচারী হিসেবে রাখেন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে তার জমিজমা দেখাশোনা করে আসছিলেন। সেই জমিতে ফারুক হোসেন একটি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। জমিতে এ মৌসুমে কুল (বড়ই) এবং কমলা চারা সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফল গাছ লাগিয়ে তিনি পরিচর্যা করে আসছিলেন। এ মৌসুমে প্রতিটি বড়ই গাছে পর্যাপ্ত পরিমানে বড়ই ধরে, কিছু বিক্রয় করেন আর কিছু বড়ই এখনও গাছে আছে। জমি দেখাশোনার কাজ করায় তারা সময় সুযোগমত ফারুক হোসেনের বাড়ী ঘর ভাংচুর করে। বাড়িঘর উচ্ছেদ করে জমি দখল করবে বলে প্রায় সময় হুমকি ধামকি দিত ঐ ছাত্রদল সভাপতি।গত রবিবার (৩০ মার্চ) দুপুর দেড় টার দিকে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সানোয়ারসহ অজ্ঞাত নামা ২০/২৫ জন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতে লাঠি সোঠা, রামদা, লোহার রড, শাবল, ধারালো চাকু, ছুরি, দা, বেকী, কোদাল ও কুঠার ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে বাগানে ঢুকে পরে। বাগানে ঢুকে বাগানে থাকা ১৫৭ টি বড়ই গাছ, ৮৪টি কমলা গাছ ও ২৩টি আমের গাছের গোঁড়া কেঁটে দেয়। যার আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এসময় তাদের গাছ কাটতে নিষেধ করলে তারা কর্মচারী ফারুক হোসেনের উপর ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদল সভাপতি সানোয়ার হোসেন হুকুম দেন, শ্যালাদের শেষ করে দাও, হুকুম করার সঙ্গে সঙ্গে তারা কর্মচারী ফারুকের ওপর আক্রমন করে। প্রানভয়ে দৌড় দিয়ে বাড়ীতে চলে আসে। তখন ছাত্রদল সভাপতি আবারও হুকুম করে, শ্যালাদের ধর। হুকুম করার সঙ্গে সঙ্গে তারা সবাই ফারুকের পিছনে ধাওয়া করে। তারা ধাওয়া করে বসত বাড়ীতে অনধিকার ভাবে ঢুকে পরে। বাড়িতে ঢুকে তারা তাদের এলোপাথারীভাবে মারপিট শুরু করে। মারপিটে শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম করে। ছাত্রদল সভাপতি সানোয়ার হোসেনের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ফারুক হোসেনের মামাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন কে ডান হাতের কনুইয়ের নিচে ডাং মেরে গুরুত্বর জখম করে। দেলোয়ার মাটিতে পরে গেলে তার সঙ্গে থাকা মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক লোহার রড দিয়ে বাম হাতের কনুইয়ের নিচে আবারও ডাং মেরে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে, ফারুক হোসেনের বিদ্যুতের মিটারসহ বাড়ীঘর ভাংচুর করে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং বক্সের ভিতরে রাখা ব্যবসার নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অসৎতের উদ্দেশ্যে চুরি করে নিয়ে যায়। ফারুক হোসেন জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওন, বিরামপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মমতাজুল হক থানা ফোর্স, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা কর্মচারীসহ স্থানীয় জনগন দ্রুত ঘটনাস্থলে তাদের আটক করে। এ সময় বড়ই বাগান দিয়ে দৌড় দিয়ে পালানোর সময় তারা আঘাত প্রাপ্ত হয়। ঐ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের মারপিট করে জখম করে। বিরামপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, ফারুক হোসেনের দায়ের করা মামলায় মো. সানোয়ার হোসেনসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।এনআই

সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত: মির্জা ফখরুল ইসলাম
সংস্কার আর নির্বাচন আলাদা জিনিস না। সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত চলবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া সংষ্কার প্রস্তাব যথাযথভাবে পর্যালোচনা করেই মতামত দিয়েছে বিএনপি বলেও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার ( ১ এপিল) ঠাকুরগাঁও এ নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।প্রধান উপদেষ্টার সদ্য সমাপ্ত চিন সফরের প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে চিন একতরফা ভাবে একটা দলের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছে তবে এখন তারা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করে সকল দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে। চিন বাংলাদেশে উৎপাদনে ও উন্নয়নে বিনিয়োগের জন্য যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটা দেশের জন্য আশাবাদের কথা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে বিষয়ে মতের ঐক্য হবে সেগুলো মেনেই নির্বাচন হবে। যারাই নির্বাচিত হবে সে সংস্কার করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ, যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ কায়েসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদের পরিবারকে বেরোবি উপাচার্যের ঈদ সামগ্রী প্রদান
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছরের জুলাইয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। রবিবার (৩০ মার্চ ) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের জাফরপাড়ার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী শহীদ আবু সাঈদের বাবা জনাব মকবুল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। উপাচার্য শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন। এ সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।এসময় বেরোবি উপাচার্য বলেন, শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য। শহীদ আবু সাঈদকে ছাড়া তার পরিবার প্রথমবারের মতো ঈদ পালন করবে। উপাচার্য বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী দেওয়ার জন্য এখানে এসেছি। কিন্তু আবু সাঈদের পরিবারের মাঝে ঈদের কোন আনন্দ নেই। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো রমজান মাসে নিত্য পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় রয়েছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের মতো যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। উপাচার্য বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই বিপ্লবে শহীদদের হত্যাকারীদের যথাযথ বিচার এখনো দেখতে পারিনি ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবার ও দেশবাসী ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ অনুভব করবে। এনআই

লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে দিনাজপুরে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে। সকাল ৯টায় প্রায় লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে সেখানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।ঐতিহাসিক এ ঈদের জামাতে অংশ নিতে দিনাজপুর সদর উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের কয়েকটি জেলার মুসল্লিরা আসেন। জামাতে ইমামতি করেন মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।বৃহৎ এ জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ছিল কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি। মাঠের আশপাশে র্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও তৎপর ছিলেন।নামাজে অংশ নেন জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর পৌর প্রশাসক বিয়াজুল ইসলাম,দিনাজপুর পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন মারুফ,জেলা বিএনপির সভাপতি সাধারন সম্পাদক, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মীরা।জেলার নীলফামারী থেকে ঈদ জামায়াতে আসা মুসল্লী তামিরুল হক বলেন, একসাথে এত বেশি মুসল্লী একসাথে নামাজ আদায় করে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে ঈদ জামায়াতে আসা মুসল্লী ডা জাকির হোসেন বলেন,দীর্ঘ দিনের ইচ্ছে আজ আল্লাহর রহমতে পুরন হলো। একসাথে লাখ মুসল্লী ঈদের নামাজ আদায় করলাম। আল্লাহ আমাদের রোজ ও নামাজ গুলো কবুল করুন।গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, আল্লাহ তালার রহমতে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠে মুসল্লীর সুন্দর ভাবে নামাজ আদয়া করতে পেরেছে। আমারা নামাজ শেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতীর মঙ্গল কামনায় দোয়া করেছি।বিশেষ করে ফিলিস্তিনি মুসলিমদের জন্য দোয়া করেছি আল্লাহ তাদের হেফাজত করবেন।৭১ ও ২৪ সালের নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠ ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে লাখো মুসল্লীর উপস্থিতিতে সুন্দর ভাবে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠর নজরদারি ছিলো সবমিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর ভাবে নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। জানা যায়, বিভিন্ন স্থান থেকে বড় বড় ঈদগাহ মাঠের চিত্র নিয়ে এসে এ মাঠের নির্মাণ পরিকল্পনা করা হয়। সর্বপ্রথম মাঠের পশ্চিম প্রান্তে গত ২০১৫ সালে এ ঈদগাহ মাঠের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর পর এটি নামাজের জন্য পুরো প্রস্তুত করা হয়। এ ঈদগাহে রয়েছে ৫২টি গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে দু’টি মিনার, এর মধ্যের দুটি মিনার ৫০ ফুট করে এবং প্রধান মিনারের উচ্চতা ৫৫ ফুট। এসব মিনার আর গম্বুজের প্রস্থ হলো ৫১৬ ফুট। দেশের বড় ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানের পশ্চিম দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ ঈদগাহ মিনারটি। প্রত্যেকটি গম্বুজে দেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক বাতি সংযোগ। ৫২টি গম্বুজ ২০ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে। গেট দুটির উচ্চতা ৩০ ফুট নির্মাণে নান্দনিক স্থাপনা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।উল্লেখ্য, আগে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতো কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এখন দিনাজপুরের ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মাঠে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহীতে বাচ্চা অপহরণের চেষ্টায় টিকটকার লাবনী আটক
রাজশাহীর শিরোইল কলোনিতে এক শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে লুবনাত জাহান লাবনী নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিরোইল কলোনির ১ নম্বর গলিতে শামিম হোসেন জনির এক বছর বয়সী মেয়ে মরিউমকে অপহরণ করতে গেলে লাবনীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। শিশুটির মা আকতার বানু ময়না জানান, সকাল ৬টার দিকে ছাদে কাপড় মেলতে গেলে লাবনী তাদের বাসায় ঢুকে পড়ে। সে মুহূর্তে মরিউমকে কোলে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে, বড় মেয়ে অন্তরা (৮) চিৎকার করে বিষয়টি জানায়।মেয়ের চিৎকার শুনে মা ছুটে এসে দেখেন, লাবনী মরিউমের গলায় কেচি ধরে আছে এবং হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তখন শিশুটির বাবা শামিম হোসেন জনি এগিয়ে এলে লাবনী তাকে কেচি দিয়ে আঘাত করে এবং খামচি দিয়ে জখম করে। ঘটনাটি মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা ছুটে এসে লাবনীকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।স্থানীয়রা লাবনীর ব্যাগ তল্লাশি করে একাধিক সন্দেহজনক জিনিস পায়—একটি কাপড় কাটার কেচি, গাঁজা খাওয়ার কোলকি এবং কিছু ওষুধ। এতে অনেকেই ধারণা করছেন, লাবনী হয়তো মাদকাসক্ত বা তার মানসিক সমস্যা রয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, লাবনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আলেক্সা আসিফ’ (Alexa Asif) নামে একটি টিকটক আইডি চালাতো। সে নিজেকে ঢাকার সাভারের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। তবে তার কথা অসংলগ্ন ও পরস্পরবিরোধী হওয়ায় পুলিশ নিশ্চিত হতে পারছে না তার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল।চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, লাবনীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, কিন্তু তার দেওয়া তথ্যগুলো অসঙ্গতিপূর্ণ। এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের না করায়, পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন, লাবনী মানসিকভাবে অসুস্থ, আবার কেউ মনে করছেন, সে শুধু অভিনয় করছে। ফলে, তার মুক্তি পাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এনআই
নাটোরে মসজিদের ডিজিটাল বোর্ডে ভেসে উঠল ‘জয় বাংলা’
নাটোরের লালপুর উপজেলার বালিতিতা পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে জয়বাংলা লেখা ভেসে উঠেছে। বুধবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় মসজিদটির ডিজটাল সাইনবোর্ডে এই লেখা ভেসে ওঠে। এতে লেখা ছিল বাংলা আমার অহংকার, তাই বাংলার দিকে যে তাকাবে তার চোখ উপড়ে নেয়া হবে, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। পরে লেখাটি এলাকাবাসীর চোখে এলে ১৫ মিনিটের মাথায় সাইনবোর্ডটি নামিয়ে ফেলা হয়। এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এর আগে, ঈদের দিন বালিতিতা পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে রামকৃষ্ণপুরে ঈদের নামাজের পর জয় বাংলা স্লোগান দেয়া নিয়ে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন গুলিবিদ্ধসহ পাঁচ জন আহত হন।এনআই

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধে রাজশাহীতে বিআরটিএ'র অভিযান
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। ঈদ সামনে রেখে সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্ধারিত ভাড়ায় নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী শহরের শিরোইল বাস টার্মিনালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বাড়তেই বাস মালিকরা বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের খবর পেয়ে বিআরটিএর মনিটরিং টিম মাঠে নামে।বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলপনা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কয়েকটি বাস কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযানের সময় কাউন্টারের ম্যানেজারদের সতর্ক করা হয় এবং যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত ভাড়া ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সব কাউন্টারে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলপনা ইয়াসমিন বলেন, পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে সতর্কতামূলক এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী প্রতিটি বাসে ভাড়া প্রদর্শনের জন্য চার্ট টানানো থাকবে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না। কাউন্টারগুলোকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।অভিযানের খবর শুনে টার্মিনালে অপেক্ষমাণ অনেক যাত্রী স্বস্তি প্রকাশ করেন। বগুড়াগামী এক যাত্রী মো. সেলিম বলেন, প্রতি ঈদেই আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এবার অন্তত প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে, এটা ভালো লাগছে। অন্যদিকে, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী এক যাত্রী বলেন, বিআরটিএর অভিযান নিয়মিত হলে যাত্রী হয়রানি অনেক কমে যাবে।ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের এই প্রবণতা রোধে বিআরটিএর এই অভিযান প্রশংসনীয়। তবে অনেকেই মনে করেন, শুধুমাত্র অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। এজন্য নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।জনসাধারণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বিআরটিএ। সাধারণ যাত্রীদেরও সচেতন থাকার পাশাপাশি কোনো অনিয়ম দেখলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

ধামইরহাটে পাথরের মূর্তি উদ্ধার
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ২১০ কেজি ওজনের একটি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১লা এপ্রিল) রাতে উপজেলা আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের কাশিপুর এলাকা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানান বিজিবি।বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান, উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন বিওপি’র উত্তর কাশিপুর দ্বিগুণ গ্রামের নলাদিঘী নামক পুকুরে ছোট বাচ্চারা মাছ ধরার সময় ১টি পাথরের মূর্তি দেখতে পায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বিজিবির সদস্যকে বিষয়টি অবগত করলে তাৎক্ষণিক সুবেদার মোঃ জিহাদ আলী এর নেতৃত্বে ০৮ সদস্যের একটি বিশেষ টহল দল উক্ত স্থানে গিয়ে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় পাথরের মূর্তিটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে নজিপুর জুয়েলারী সমিতি কর্তৃক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পাথরের মূর্তিটি কষ্টি পাথর নয় বলে নিশ্চিত হন। উক্ত উদ্ধারকৃত পাথরের মূর্তির ওজন ২১০ কেজি যার সিজার মূল্য প্রায় এক কোটি পাঁচ লক্ষ টাকা বলে নিশ্চিত করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।এবিষয়ে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন ১৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, উদ্ধারকৃত মূর্তিটির নিচের অংশ কিছুটা ভাঙা রয়েছে। মুর্তির বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা শেষে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে।এনআই

উল্লাপাড়ায় অস্ত্র লুট মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও অস্ত্র লুট মামলায় সলঙ্গা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান হেদায়েতুল আলম রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বুধবার (২ এপ্রিল) ১০টার দিকে হাটিকুমরুল ইউনিয়নের আকন্দপাড়া তার ভাইয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান জানান, গত ৫ আগস্ট সলঙ্গা থানায় হামলা ও হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলার এজাহারনামীয় আসামি আলম রেজা।গোপন সংবাদের হাটিকুমরুল ইউনিয়নের আকন্দপাড়া এলাকায় তার ভাইয়ের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে সিরাজগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।এইচএ
হবিগঞ্জের সাতছড়ি উদ্যানে পর্যটকের ঢল
হবিগঞ্জের সাতছড়ি উদ্যানে পর্যটকের ঢল মঈনুল হাসান রতন হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। তারা উদ্যানের প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করে মুগ্ধ হচ্ছে। এভাবে পর্যটকের ঢল আরো কয়েকদিন থাকবে বলে মনে করছে উদ্যান কর্তৃপক্ষ।এ উদ্যানের ভেতরে রয়েছে অন্তত ২৪টি আদিবাসী পরিবারের বসবাস। রয়েছে বন বিভাগের লোকজন। পর্যটকদের জন্য চালু আছে প্রজাপতি বাগান, ওয়াচ টাওয়ার, হাঁটার ট্রেইল, খাবার হোটেল, রেস্ট হাউস, মসজিদ, রাত যাপনে স্টুডেন্ট ডরমিটরি। উদ্যানে দুই শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদের মধ্যে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, কৃষ্ণচূড়া, ডুমুর, জাম, জামরুল, সিধা জারুল, আওয়াল, মালেকাস, আকাশমনি, বাঁশ, বেত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ১৯৭ প্রজাতির জীবজন্তুর মধ্যে প্রায় ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৬ প্রজাতির উভচর। আরো আছে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি। রয়েছে লজ্জাবতী বানর, মুখপোড়া হনুমান, উল্লুক, ভাল্লুক, চশমাপরা হনুমান, শিয়াল, কুলু বানর, মেছো বাঘ, মায়া হরিণের বিচরণ। সরীসৃপের মধ্যে আছে নানা জাতের সাপ। কাও ধনেশ, বন মোরগ, লাল মাথা ট্রগন, কাঠঠোকরা, ময়না, ভিমরাজ, শ্যামা, ঝুটিপাঙ্গা, শালিক, হলদে পাখি, টিয়া প্রভৃতির আবাসস্থল এই উদ্যান।সাতছড়ি উদ্যানের কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সন্ধ্যা রাণী দেববর্মা জানান, ঈদে পর্যটক বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল সাতছড়ি উদ্যান। এ লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে। রয়েছে নিরাপত্তা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যটকরা এসে ঘুরাঘুরি করে মুগ্ধ হচ্ছেন।সাতছড়ি বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মামুনুর রশিদ জানান, সাতছড়িতে প্রচুর বন্যপ্রাণী রয়েছে। রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। মনোরম প্রাকৃতি পরিবেশে ঘুরে পর্যটকরা আনন্দিত। ঈদে পর্যটকদের নিরাপত্তা মনিটরিং করা হচ্ছে। পরিষ্কার করা হয়েছে বসার আসনগুলো। পর্যটকরা উদ্যানের এমন পরিবেশে মুগ্ধ হচ্ছেন।তিনি জানান, ঈদের দিন প্রবেশ ফি বাবদ ১ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা ও পর দিন ৮৯ হাজার ৯৩০ টাকা রাজস্ব এসেছে। এভাবে আরো কয়েক দিন চলবে বলে মনে করছেন তিনি।সাতছড়িতে প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত পর্যটক আসেন। উদ্যানে প্রবেশে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিট ১১৫ টাকা ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৬০ টাকা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১ হাজার ১৫০ টাকা। শুটিংয়ের জন্য ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। পিকনিক পার্টির জন্য জনপ্রতি ২৩ টাকা। পার্কিংয়ের জন্য ছোট গাড়ির ফি ১১৫ টাকা ও বড় গাড়ি ফি ২৩০ টাকা।বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল জানান, বর্তমানে পর্যটকদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। এ উদ্যানে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যটকদের অবস্থান লেগে থাকে। কারণ এখানে সহজে আসা যায়। উদ্যানের গভীর অরণ্যে দেখা যাচ্ছে নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী। আশপাশে রয়েছে চা বাগান। পাশে তেলিয়াপাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ। উদ্যানে রয়েছে থাকা-খাওয়ার সু-ব্যবস্থা। রয়েছে নিরাপত্তা।তিনি জানান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে পর্যটক সমাগম বাড়ছে। ঈদে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাজানো হয়েছে উদ্যানে অবস্থিত দোকানগুলো।উদ্যানে আসা পর্যটক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শামীম আহমেদ জানান, পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের নিয়ে এসে ঘুরে ঘুরে দেখেছেন। উদ্যানের পরিবেশ তাদের মুগ্ধ করেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা পর্যটক শাহিন মিয়া, পারুল আক্তার, রুবেল মিয়া, বাবলি সরকার উদ্যান ঘুরে তাদের ভালো লাগার কথা জানান। দেশের নানা প্রাপ্ত থেকে শত শত পর্যটক এ উদ্যানে এসে মুগ্ধ হচ্ছে। পর্যটকের নিরাপত্তায় পুলিশের টহল রয়েছে। রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। সাতছড়ি উদ্যান ছাড়াও জেলার বিভিন্ন চা ও রাবার বাগান এবং দর্শনীয় স্থানে পর্যটকরা পরিদর্শন করে মুগ্ধ হচ্ছে। এইচএ
সুনামগঞ্জ সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকের লাশ হস্তান্তর
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার উপজেলা সীমান্তে নিহত হওয়া ভারতীয় নাগরিক সারভেস মারাক (২৮) এর লাশ হস্তান্তর করছে বিজিবি ও পুলিশ। তিনি ভারতের মেঘালয় প্রদেশের শিলং জেলার চেলা থানার সীমান্ত এলাকা কাসিন্দা বস্তির গবিন মারাক এর পুত্র।মঙ্গলবার (১ লা এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বাংলা বাজার ইউনিয়নের কলাউড়া সীমান্তের ১২৩৭ পিলারে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দু দেশের বিজিবি,বিএসএফ ও পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে লাশটি হস্তান্তর করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী কাছ থেকে জানাগেছে,দোয়ারাবাজার উপজেলার টেবলাই গ্রামের এক কৃষক ফসলি জমিতে ইদুর মারার জন্য সাধারণ(গুনা)তার দিয়ে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করে। সেই ইঁদুরের ফাঁদে সোমবার মারা যান। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাহিদুল হক,সাব-ইন্সপেক্টর মোহন রায়, বাংলাবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মো: সিরাজুল ইসলাম ভারতের পক্ষে কাসিন্দা বিওপি,বিএসএফ ইন্সপেক্টর বিএস নয়াল,মেঘালয় প্রদেশের শিলং চেলা থানার অফিসার ইনচার্জ ইপ্রাইম রাইডংসহ বিজিবি,বিএসএফ ও পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন,দোয়ারা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো:জাহিদুল হক। তিনি বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে লাশ হস্তান্তর করা হয়।এনআই

একটা সংগঠন করতাম, যেটা বলতে এখন লজ্জা হয়: জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জন্মস্থানের একটা মায়া-ভালোবাসা আছে। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আপনাদের সামনে ২৪ বছর পর কথা বলার সুযোগ হয়েছে। কুলাউড়ার মানুষ যেভাবে চেনে অন্য কেউ সেভাবে চেনে না। ’মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘আমি কি যুদ্ধাপরাধী? না; অথচ আমার ওপর যুদ্ধাপরাধের মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল সাড়ে ১২ বছর। সাড়ে ১২ বছরের ছেলে যুদ্ধের সময়ে মানুষ খুন করতে পারে—এটা বিশ্বাসযোগ্য কথা? তা-ও চেষ্টা করা হয়েছে। কেউ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগও দেয়নি, সাক্ষ্যও দেয়নি।হিন্দু ভাইয়েরাও তাতে রাজি হয়নি। আমি সেই সময় জামায়াতে ইসলামীও করতাম না। আমি অন্য একটা সংগঠন করতাম। যেটা বলতে এখন লজ্জা হয়।’ কুলাউড়া শহরের ঐতিহ্যবাহী ডাকবাংলো মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আব্দুল মুন্তাজিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট মহানগরীর আমির মো. ফখরুল ইসলাম।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত জালিম সরকারের আমলে আমরা ১১ জন শীর্ষ নেতাকর্মীকে হারিয়েছি। ৫ শতাধিক মানুষ পঙ্গু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ হামলা-মামলার শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল।আগস্টের ১ তারিখ আমাদের নিষিদ্ধ করা হয়। সে সময় আল্লাহকে বলেছিলাম, ৪ দিন পর আল্লাহর বিচার হয়েছে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্রদের সঙ্গে আমরাও ছিলাম। জালিমের মাথা আল্লাহ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।’তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে আল্লাহ জালিমের কবল থেকে মুক্ত করেছেন। ফিলিস্তিনকেও যেন আল্লাহ জালিমের হামলা থেকে মুক্ত করে দেন।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের আবাল বৃদ্ধ-বনিতা সব জায়গায়, ঘরে, রাস্তায়, কর্মস্থলে নিরাপদ থাকবে, এমন একট দেশ গড়তে চাই। আমরা এমন একটা দেশ দেখতে চাই, যেখানে চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোরদের জ্বালায় মানুষ অতিষ্ঠ হবে না। আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ চাই। আল্লাহ যতদিন আমাদের তৌফিক দেবেন ততদিন আমরা লড়াই চালিয়ে যেতে চাই দেশকে এইভাবে দেখার জন্য।চা শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শুরুতেই দাবি তুলেছিলাম চা শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির জন্য। যেখানে মালিক এবং শ্রমিক উভয়েই লাভবান হবে। শ্রমিক উপযুক্ত শ্রমের মূল্য পেয়ে আনন্দদের সঙ্গে কাজ করবে। যার ফলে মালিক আরও লাভবান হবে।তিনি বলেন, আমরা অপদার্থ শিক্ষাব্যবস্থা চাই না। শিক্ষিত হয়ে যাতে কেউ ডাকাতে পরিণত না হয় সেই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চাই। যাদের অন্তরে মানুষের প্রতি ভালোবাসা নেই, এরকম ডাক্তার, শিক্ষক, আইনজীবী চাই না।

চাঁদরাতে টমটম পার্কিং নিয়ে সংঘর্ষ, শ্রীমঙ্গলে বিএনপি নেতাসহ আটক ১৪
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চাঁদরাতে টমটম পাকিং নিয়ে সাবেক মেয়র মহসিন মধুর সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গলের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মহসিন মিয়া মধুসহ আটক ১৪ জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।সোমবার (৩১ মার্চ) রাত ১টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের গদারবাজার এলাকার এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। জানা যায়, গদার বাজার এলাকায় সাবেক মেয়র মহসিন মধুর বিনা লাভের বাজারের সামনে টমটম পার্কিং নিয়ে মধু গ্রুপ ও পশ্চিম ভাড়াউড়া গ্ৰামবাসীর লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে সেনাবাহিনী মাঠে নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় শহরে দোকানপাঠে আটকে পড়া সাধারণ মানুষ নিরাপদে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বেশকয়েকটি দোকান ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শ্রীমঙ্গলে সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধুর বিনা লাভের বাজারে হামলার ঘটনায় দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় বেশ কিছু টমটমসহ গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে পুলিশ ও যৌথবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মহসিন মিয়া মধুসহ ১৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুনামগঞ্জে নৌকাডুবিতে প্রাণ গেল পাঁচজনের
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত নয়টায় উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের বৌলাই নদীতে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য দেবাশীষ তালুকদার।এদিকে ঘটনাস্থল দূরে হওয়ায় সেখানে পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ। জামালগঞ্জ থানার ওসি জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। এছাড়া নৌ পুলিশও ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য দেবাশীষ তালুকদার বলেন, মধ্যনগর উপজেলা সদরে শনিবার হাট ছিল। সেখানে কেনাকাটা শেষে নৌকায় ফিরছিলেন ৫০-৬০ যাত্রী। তাতে মালামালও ছিল। নৌকাটি মদনাকান্দি-দুর্গাপুরের কাছাকাছি নোয়াপাড়া এলাকায় এসে ডুবে যায়। এ সময় যাত্রীরা সাঁতরে পাড়ে উঠলেও নারী-শিশুসহ পাঁচজন ডুবে মারা যান। তাদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- নোয়াপাড়া’র বিউটি চক্রবর্ত্তী (৫০), মোহনগঞ্জের হাতনি গ্রামের কল্পনা সরকার (৪৫) ও কলমাকান্দা উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের সুজিত সরকারের ছেলে গঙ্গা সরকার (৫)। বাকি দুজনের পরিচয় জানা যায়নি।জামালগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম রাত সাড়ে ১১টার দিকে জানান, নৌকাডুবিতে পাঁচজন মারা গেছেন। সবার নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থানা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে। আমরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছি।এফএস
অনলাইন ভোট

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আপনিও কি তাই মনে করেন?
আন্তর্জাতিক
সব দেখুন
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৮০ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। আর এই হামলা প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে অসহায় ফিলিস্তিনবাসী। সবশেষ হামলায় আরও প্রায় ৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ভূখণ্ডটিতে অবস্থিত জাতিসংঘের একটি ক্লিনিকে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে নারী ও শিশুসহ ২২ জন নিহত হয়েছেন।জানা গেছে, বুধবার ভোর থেকে হওয়া হামলায় গাজায় কমপক্ষে ৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর আল জাজিরাকে জানানোর পর রাতভর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এছাড়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইউএনআরডব্লিউএ-এর একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ২২ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ইসরায়েলের নিন্দা করা হয়েছে।পৃথক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, বুধবার উত্তর গাজায় জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) পরিচালিত একটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২২ জন ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন এবং এই হামলাকে “পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ” বলেও অভিহিত করেছে তারা।একটি মেডিকেল সূত্র এর আগে জানিয়েছিল, জাতিসংঘ পরিচালিত ওই ক্লিনিকে হামলায় নিহতদের মধ্যে ৯ জন শিশু এবং হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। মূলত জাবালিয়া শহরের বাস্তুচ্যুত শত শত বেসামরিক লোক ওই ক্লিনিকে আশ্রয় নিয়েছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলার ফলে ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে যায় এবং এতে বেশ কয়েকজন নিহতের লাশ পুড়ে গেছে।অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫০ হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কোনও প্রমাণ ছাড়াই হামলার কথা স্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে, হামাস সদস্যরা ক্লিনিকের ভেতরে কাজ করছিল। এক সামরিক বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে, হামাসের জাবালিয়া ব্যাটালিয়ন ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করার জন্য ভবনটি ব্যবহার করেছিল।হামাস তাদের পক্ষ থেকে ইসরায়েলি এসব দাবিকে “অপরাধকে ন্যায্যতা দেওয়ার লক্ষ্যে স্পষ্ট মিথ্যাচার” বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, “এই অপরাধ ফ্যাসিবাদী নেতানিয়াহু সরকারের সমস্ত মানবিক এবং আন্তর্জাতিক আইন এবং নিয়মের প্রতি অবজ্ঞাকে প্রতিফলিত করে।”পিএম

বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশের আমদানি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তার এ ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে। যেখানে এতদিন বাংলাদেশি পণ্যে গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।বুধবার (২ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিনগত রাত ২টা) হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে এ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি। ট্রাম্পের ঘোষণায় ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।তৈরি পোশাকে বাংলাদেশের অন্যতম রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বছরে রফতানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানি ছিল ৭ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলার।অন্যদিকে, শুল্ক আরোপের দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘কয়েক দশক ধরে আমাদের দেশকে দূরের ও কাছের বন্ধু ও শত্রু নির্বিশেষে বিভিন্ন দেশ লুট করেছে, লুণ্ঠন করেছে, ধর্ষণ করেছে এবং ধ্বংস করেছে। বিদেশি মেথররা আমাদের এক সময়ের সুন্দর আমেরিকান স্বপ্নকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে।’পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের রণতরীতে ফের ইয়ামেনের মিসাইল হামলা
ইয়ামেনি আর্মড ফোর্স মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস হ্যারি এস ট্রুম্যানে মিসাইল আর ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এ হামলা হয়েছে রণতরীটি যখন লোহিত সাগর পাড়ি দিচ্ছিল ঠিক তখন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিলিটারির একজন মুখপাত্র।ব্রিগ্রেডিয়ার ইয়াহইয়া সারি জানান, শেষ ২৪ ঘণ্টায় এটি তাদের তৃতীয় হামলা। শত্রুর অবস্থানের বিরুদ্ধে ইয়ামেনের পদক্ষেপের অংশ এটি। এই উত্তেজনা বেড়ে যায় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সানা, সা’দা ও হুদাইদায় একাধিক বিমান হামলা চালায়। সেখানে ৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। লোহিত সাগরজুড়ে তাই এখন নতুন উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ আন্দোলন হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যতদিন ‘জায়োনিস্ট শাসনব্যবস্থা’ গাজা অবরুদ্ধ করে রাখবে, ততদিন জাহাজ ও দখলকৃত ভূখণ্ডে হামলা চলবে। ইয়েমেনিরা ফিলিস্তিনের সংগ্রামের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে, বিশেষ করে ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে। ওইদিন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’ নামে এক পাল্টা অভিযান চালায়, যা দখলদার শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছে।এমআর-২

হাসপাতালে ভর্তি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অসুস্থতা অনুভব করার পর তাকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী করাচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সেখানে চিৎিসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার পর তাকে করাচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এক্সপ্রেস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, জ্বর এবং সংক্রমণের কথা জানানোর পর তাকে প্রথমে নওয়াবশাহ থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল।খবর অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জারদারির বেশ কয়েকটি মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তার অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।দলীয় নেতারা জনসাধারণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জারদারির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন ভালো আছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং আগামী দিনে আরও আপডেট পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতি অনুসারে, অসুস্থতার খবরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ প্রেসিডেন্ট জারদারির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে তার সাথে যোগাযোগ করেছেন।কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ প্রেসিডেন্ট জারদারির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। তিনি তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করে বলেন, “আল্লাহ আপনাকে পূর্ণ ও দ্রুত আরোগ্য দান করুন। সমগ্র জাতির দোয়া আপনার সাথে রয়েছে।”এদিকে পৃথক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের আরেক মংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে আসিফ আলী জারদারির হাসপাতালে ভর্তির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ প্রেসিডেন্ট জারদারির সাথে যোগাযোগ করেন এবং তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন।যদিও প্রেসিডেন্ট ভবন বা জারদারির দল পিপিপির পক্ষ থেকে তাদের সহ-সভাপতির (আসিফ আলী জারদারি) স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি, তবে সংবাদমাধ্যমগুলো বেশ কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নওয়াবশাহ থেকে প্রেসিডেন্ট জারদারিকে করাচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলে দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র ডন ডটকমকে জানিয়েছে, তিনি “কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন এবং শিগগিরই তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে”।এদিকে, সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর কামরান তেসোরির কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি প্রেসিডেন্ট জারদারির চিকিৎসক ড. আসিম হুসেনকে ফোন করে জারদারির স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছেন এবং তার শুভকামনা জানিয়েছেন।এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে বিমান থেকে নামার সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের পা ভেঙে যায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।মূলত ৬৯ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট জারদারি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার চোখের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।তার আগে ২০২২ সালে বুকের সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য তাকে করাচির ড. জিয়াউদ্দিন হাসপাতালে এক সপ্তাহের জন্য ভর্তি করা হয়েছিল। অসুস্থতার গুজবের মধ্যে, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগী ড. আসিম সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন যে— তিনি “ভালো আছেন”।এর আগে ২০২২ সালের জুলাই মাসে তিনি কোভিডে আক্রান্ত হন। যদিও তার ছেলে এবং পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারির সেসময় জানিয়েছিলেন, জারদারি কেবল কোভিডের “হালকা লক্ষণ” অনুভব করেছিলেন।এবি
ইরান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ভূমি এবং আকাশ ব্যবহার করতে দিবে না মধ্য প্রাচ্যে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানকে বোমা হামলার হুমকি দিলেন, তখনই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ভূমি বা আকাশসীমা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করতে পারবে না। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধাক্কা। ট্রাম্প প্রশাসন ইয়েমেনের হুথিদের ওপর ব্যাপক বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের ওপর যে চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল তাতে বড় বাধা হয়ে গেল মধ্যপ্রাচ্যের এমন সিদ্ধান্ত।একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, ‘তারা এই সংঘাতে জড়াতে চায় না।’মার্কিন কর্মকর্তারা সৌদি আরব ও আমিরাতের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বৈঠক করেছেন। এ সময় কাতারকে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং সৌদি আরবকে উন্নত অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়।গালফ দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটিতে বি-২ বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে। অতীতে ইরাকে হামলার সময়ও এই ঘাঁটি ব্যবহার করা হয়েছিল।ইরান এরই মধ্যে দিয়েগো গার্সিয়ায় হামলার হুমকি দিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ পাল্লা ২,০০০ কিলোমিটার, তবে রাশিয়া ও চীনের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরান ভারত মহাসাগর থেকে হামলা চালাতে পারে।ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি পারমাণবিক চুক্তিতে না আসে, তাহলে ‘অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ’ হামলা চালানো হবে।মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বাড়ছে। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে এবং অন্তত ৪০,০০০ সেনা মোতায়েন রয়েছে। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এটি শুধুই চাপ সৃষ্টি নাকি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।পিএম
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফলে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার ৩৯৯ জনে পৌঁছেছে।মঙ্গলবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একই সময় গাজায় আহত হওয়া আরও ১৮৩ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংঘাতের শুরু থেকে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৮৩ জনে পৌঁছেছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে আছে। তাদের উদ্ধারে স্বেচ্ছাসেবকদের যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েলি বাহিনী।দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১ হাজার ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।এর আগে গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও হয়েছে ইসরায়েল।পিএম
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৭০০ ছাড়াল
ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রতিবেশী মিয়ানমারে প্রাণহানির সংখ্যা ২ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেল। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের নিচে এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি দেশটিতে কাজ করছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। তারা বলছে, মিয়ানমারে ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মানুষের আশ্রয়, খাদ্য ও পানি জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ চলায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের কাছে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন।মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইং বলেছেন, ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ২ হাজার ৭১৯ জনে পৌঁছেছে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কার করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, ভূমিকম্পে ৪ হাজার ৫২১ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ আছেন আরও ৪৪১ জন।গত শুক্রবার দুপুরের দিকে মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পড আঘাত হানে। দেশটিতে এক শতাব্দির বেশি সময়ের মধ্যে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শত শত বছরের প্রাচীন গির্জা ও আধুনিক ভবনও ধসে যায়।জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয়কের কার্যালয় বলেছে, মিয়ানমারের মান্দালয় শহরে জাতিসংঘের পরিচালিত একটি প্রাক-বিদ্যালয় ভেঙে ৫০ শিশু ও দু’জন শিক্ষক নিহত হয়েছেন।জাতিসংঘ বলছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে লোকজনের মৌলিক চাহিদা যেমন বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সরঞ্জাম সরবরাহ করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে সংস্থাটির জরুরি সেবা শাখার সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা লোকজনকে শনাক্ত ও তাদের কাছে জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছাতে অবিরাম কাজ করেছে চলেছেন।পিএম
ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ
ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালের স্মট্রিচ পদত্যাগ করেছেন। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ডানপন্থী জোট সরকারের মধ্যকার উত্তেজনা আরও গভীর হলো।স্মট্রিচ অবশ্য নেসেটে উগ্র ডানপন্থী রিলিজিয়াস জায়ানিজম দলের এমপি হিসেবে কাজ করবেন। তিনি এই দলের নেতা।নেসেট সদস্য জভি সুকটের পুনর্বহাল নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এক বিবৃতিতে রিলিজিয়াস জায়ানিজম পার্টি ওতজমা ইয়েহুদিত পার্টির প্রধান বেন-গভিরকে ওয়াদা বরখেলাফ করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।ইসরাইলি উগ্র ডানপন্থী জোট সরকারের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিরোধকে আরও বাড়িয়ে দিল এই পদক্ষেপ। কয়েক মাস ধরেই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ এবং নীতি নিয়ে জোটের মধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে।তবে এর ফলে সরকার পতনের কোনো শঙ্কার সৃষ্টি হয়নি। গত সপ্তাহে ইসরাইলের পার্লামেন্ট ২০২৫ সালের বাজেট পাস করেছে।গাজায় ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর থেকে স্মট্রিচ সকল ধরনের যুদ্ধবিরতি উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছিলেন। তিনি বলছিলেন, যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। তিনি অধিকৃত পশ্চিমতীরকে ইসরাইলের ভূমি হিসেবে গ্রহণ করার পক্ষে। তিনি গাজা উপত্যকা স্থায়ীভাবে দখলে রাখতে চান, সেখানে অবৈধ ইহুদিবাদী বসতি স্থাপনকারীদের রাখার পক্ষে।এমআর-২
ঈদের দ্বিতীয় দিনও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৩৪
ফিলিস্তিনের গাজায় ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৪ নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১২ জন একই পরিবারের সদস্য।এদিন উপত্যকার গাজা সিটির একটি আবাসিক এলাকায় বিমান হামলায় প্রাণ যায় তাদের। ঈদ উপলক্ষ্যে একইসাথে অবস্থান করছিলেন তারা।ভয়াবহ হামলার মাঝেই নতুন করে উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় বেশকিছু স্থান খালি করার নির্দেশনা দিয়েছে তেলআবিব। ফলস্বরুপ আরও একবার রাফার পথে পথে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি।এদিকে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ থাকায় গাজার হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে ওষুধ স্বল্পতা। যুদ্ধবিরতি ভেঙে লাগাতার ১৫ দিনের মতো চলছে ইসরায়েলি আগ্রাসন।প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় বছর ধরে চলমান এই নৃশংসতায় প্রাণ গেছে ৫০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির।এমআর-২
ঈদে নথিবিহীন অভিবাসীদের ওপর মালয়েশিয়ায় কঠোর নজরদারি
ঈদের ছুটিতে কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নথিবিহীন অভিবাসীদের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। কেএলসিসি, জালান সিলাং, কোতারায়া, বুকিত বিনতাং ও চৌকিতসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিশেষ টহল পরিচালনা করছে ইমিগ্রেশন।সোমবার (৩১ মার্চ) কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইমিগ্রেশনের কর্মীরা রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে সর্বদা প্রস্তুত। প্রয়োগমূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি, টহল কার্যক্রম ও নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে। এটি শুধু জনসাধারণের নিরাপত্তা বাড়াতে নয় বরং অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতেও সহায়ক হবে।কেএলসিসি এলাকায় ইমিগ্রেশন বিভাগের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় তুলনামূলক কম হলেও, বিশেষ কিছু এলাকায় জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।ডিরেক্টর বলেছেন, অভিযানে ৬০৯ অভিবাসীর কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩৩৫ জন বাংলাদেশি, ১২৭ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৮৮ জন ভারতীয়, ৩৮ জন চীনা এবং ২১ জন ফরাসি, দক্ষিণ কোরিয়ান ও ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছেন। তবে এই অভিযান শুধু বিদেশিদের বিতাড়নের উদ্দেশ্যে নয় বরং এটি বিশেষভাবে লক্ষ্য করছে যাদের বৈধ ভ্রমণনথি নেই এবং যারা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করছেন। অবৈধ বিদেশি কর্মী নিয়োগে জড়িত নিয়োগকর্তারাও নজরদারির আওতায় রয়েছেন।অভিযান চলাকালীন বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জনসাধারণের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি জোরদার করলেও এ অভিযানে কাগজপত্রের যাচাইয়ের পর কাউকে আটক করেছে কি না তা জানায়নি ইমিগ্রেশন বিভাগ।পিএম
বিনোদন
সব দেখুন
ঈদের রাতে শাকিব খানকে নিয়ে অপুর স্ট্যাটাস
ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানকে হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ভালোবাসা জানিয়েছেন তার প্রাক্তন স্ত্রী ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সোমবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে স্যোশাল মিডিয়ায় এ ভালোবাসা জানান তিনি।এদিন অপু বিশ্বাস ছেলে আব্রাম খান জয় ও প্রাক্তন শাকিব খানের বেশ কিছু ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, হাজার কিলোমিটার দূরত্বে থেকেও আজ আমি নিশ্চিন্ত, কারণ আব্রাম তার পাপার পরম আদরে আনন্দে উল্লাসে ঈদ উদ্যাপন করল।তিনি আরও লেখেন, এই বন্ধন আজ আমাকে আনন্দের অশ্রুতে সিক্ত করল। আমার সন্তানের বাবা নিঃসন্দেহে একজন শ্রেষ্ঠ বাবা। এরপর ভালোবাসার ইমোজি জুড়ে দেন অপু বিশ্বাস।এদিকে অপুর এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন দীর্ঘ সময় পরেও ছেলের জন্য শাকিব-অপুর বন্ধন যে অটুট রয়েছে, তা যেন আবারও প্রমাণ হলো এই পোস্টের মাধ্যমে। যদিও এ বিষয়ে কিছু বলছেন না শাকিব। ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে বহু সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে সিনে পর্দার বাইরেও তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভালোবেসে তারা বিয়েও করে ফেলেন ২০০৮ সালে।কিন্তু ক্যারিয়ারের কথা ভেবে সেই খবর গোপন রাখেন শাকিব-অপু দু’জনেই। দীর্ঘ আট বছর পর ২০১৭ সালে সন্তান নিয়ে টেলিভিশন লাইভে হাজির হন অপু। ওই ঘটনায় শুধু মিডিয়া পাড়া নয়, গোটা দেশ তোলপাড় হয়।বিতর্ক-সমালোচনার ঝড় থামতে না থামতে শাকিব ও অপুর বিয়েটাও ভেঙে যায়। ২০১৮ সালে তারা বিবাহবিচ্ছেদ করেন। বর্তমানে ছেলে আব্রাম খানকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় তাকে। তবে ছেলের আবদারগুলো দুজনে পূরণ করেন।

কয়েদির বেশে পুলিশের হাতে আটক অভিনেতা আফরান নিশো!
রাজধানীর গুলশানে কয়েদির বেশে দেখা মিলল জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর। যেখানে দেখা যাচ্ছে লম্বা চুল, মুখ ভর্তি দাড়ি, গায়ে কয়েদির পোশাক, হাতে হাতকড়া আর এই অভিনেতার দুই পাশে দুজন পুলিশ!তাহলে গ্রেপ্তার হলেন এই অভিনেতা? না, কারণ গ্রেপ্তার হওয়ার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা কয়েদির পোশাক পান। তবে এমন পোশাকে কেন অভিনেতা? প্রশ্ন আসতেই পারে, কারণ তিনি এমন কোনও অপরাধেও জড়িত নন, যার জন্য সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাহলে এই পোশাকের রহস্য কী?মূলত আসছে ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নিশো অভিনীত সিনেমা 'দাগি'। এটি মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প বলে জানিয়েছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন। এর ধারণা দিয়ে এই নির্মাতা বলেন, নিশান-জেরিনের ভালোবাসা-বিরহের গল্প 'দাগি'। একই সঙ্গে চরিত্র দুটির অনুশোচনার গল্পও। আবার এখানে কারাগারের ব্যাপারও আছে। আর জেলের দাগ একবার যার লাগে, বাকি জীবন সে দাগি হয়ে থাকে। এখান থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ক্ষমার বিষয়টি। যা আমাদের জীবনে তো বটেই, ধর্ম ও মানবতারও অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। তাই আমরা বলছি, 'দাগি' মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প। নির্মাতার কথা থেকে ধারণা পাওয়া যায়, এই সিনেমার মূল চরিত্রে অর্থাৎ দাগি আসামির বেশে দেখা যাবে নিশোকে। মুক্তির আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর গুলশানের শুটিং ক্লাবে সিনেমাটির সংবাদ সম্মেলনে নিশো সাজাপ্রাপ্ত আসামির বেশে হাজির হয়ে চমকে দেন। এরপর মঞ্চে নির্মাতা শিহাব শাহীন হাতকড়া খুলে নিশোকে তার আসনে বসান। এর আগে পুলিশ ভ্যানে আফরান নিশোকে নিয়ে আসা হয় অনুষ্ঠানস্থলে। এছাড়াও সিনেমার দুই নায়িকা তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামালসহ প্রযোজকরা এই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন।সৈয়দপুর, রাজশাহী, ঢাকায় হয়েছে 'দাগি' সিনেমার শুটিং। সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে আরও শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতুসহ অনেকে। 'দাগি' সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।প্রসঙ্গত, 'দাগি' সিনেমার টাইটেল গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নিশো নিজেই। যেটি বুধবার প্রকাশ হয়েছে। রাসেল মাহমুদের কথায়, গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আরাফাত মহসীন নিধি। গানে মূলত নিধির সঙ্গে কিছু অংশ গেয়েছেন নিশো।

কাজী হায়াতের গাড়ি আটকানো নিয়ে এবার মুখ খুললেন কাজী মারুফ
ঈদ যত এগিয়ে আসছে, সিনেমাপাড়া ততই উত্তাপ হয়ে উঠছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রতিক্ষীত সিনেমা ‘বরবাদ’ মুক্তি নিয়ে জল ঘোলা তো কম হয়নি। চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড এ সিনেমায় ভায়োলেন্সের ওপর আপত্তি জানায়। আর তাতেই বেঁকে বসে শাকিবিয়ানরা। সেন্সর বোর্ড কর্তাদের আপত্তিতে কিছু সংশোধনী করা হয়েছে। তবে শাকিব ভক্তরা দাবি করেন আনকাট সার্টিফিকেশনের। সেই দাবি জানাতে মঙ্গলবার চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য কাজী হায়াতের গাড়ি আটকে প্রতিবাদ করেন। এ সময় বর্ষীয়ান এই নির্মাতার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় ভক্তদের। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাজী হায়াতপুত্র চিত্রনায়ক কাজী মারুফ। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুক লাইভে কথা বলেন তিনি। মারুফ বলেন, ‘কাজী হায়াত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য। উনি যেটা করেছেন, তা একান্ত ওনার ব্যাপার। বা উনি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা সেই ছবির ভালোর জন্যই নিয়েছেন, দেশের জন্য করেছেন।’ সেদিন ভক্তদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় ‘আমার মারুফেরও লোক আছে’ মন্তব্য করে বিপাকে পড়েন কাজী হায়াত। এমনকি কাজী মারুফের ফেসবুক পেজের ইনবক্স ও মন্তব্যের ঘরে গালিগালাজসহ হুমকি আসতে থাকে।বিষয়টি নিয়ে মারুফ বলেন, ‘মারুফের লোক আছে বলে বাবা বুঝিয়েছেন আমার দর্শক আছে। একসময় আমার দর্শক ছিল।’তার ভাষায়, এখনকার দর্শকেরা গল্পপ্রধান সিনেমা থেকে ভায়োলেন্স বেশি পছন্দ করেন। তাই তারা মারুফের সিনেমা পছন্দ করবেন না। তার কথায়, ‘এখনকার প্রজন্ম আমার সিনেমা দেখেনি, দেখলেও হয়তো পছন্দ করবে না। এখনকার দর্শক মারামারি পছন্দ করে, যার নজির দেশের চলমান অবস্থা। দেশে আছিয়ার মতো শিশুদের, এটা বলতেও আমার খারাপ লাগছে।’ মারুফ আরও বলেন, ‘অনেক কথা বলার আছে আমার। নির্মাতাদের সেল্ফ সেন্সরশিপ থাকা উচিত। দুইটা টাকার জন্য যা খুশি বানালাম, এটা কখনো উচিত নয়।’এছাড়া শাকিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কথা বলেন মারুফ। তিনি বলেন, ‘শাকিব তোমাকে ইচ্ছা করেই ফোন দিইনি, তুমি বিষয়টি দেখো।’

দাগি সিনেমার নায়ক ও গায়ক আফরান নিশো
নাটকের পর ওটিটি পরে তো বড় পর্দার নায়ক। এবার নিশোকে দেখা গেল গানেও। ঈদের ‘দাগি’ সিনেমার টাইটেল ট্র্যাকে কণ্ঠ দিয়েছেন আফরান নিশো। গানের কথা-'তোমাদের চোখে দাগি/সমাজের চোখে দাগি/যতবার খুশি মারো, তত বারবার জাগি'। ঠিক যেন 'দাগি' সিনেমার দাগি হয়ে নিজের কথাগুলোই বলেছেন গানে গানে। ২৬ মার্চ গানটি প্রকাশ পেয়েছে অনলাইনে। রাসেল মাহমুদের কথায়, গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আরাফাত মহসীন। গানে মূলত নিধির সঙ্গে কিছু অংশ গেয়েছেন নিশো। কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই গানটিতে কণ্ঠ দেওয়া অভিনেতার। নিশো বলেন, 'এটা আমার জন্য একরকম সারপ্রাইজই ছিল। প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল একদিন আমাকে গানটির একটা ডেমো ভার্সন শুনিয়ে জানতে চাইলেন, কেমন লেগেছে। আমি বললাম, ক্যাচি অ্যান্ড পাওয়ারফুল। গানটা নিয়ে কী করা যায়? এটা ভাবতে ভাবতে একসময় আমাকে জানানো হয়, গানটিতে আমি কণ্ঠ দিলে কেমন হয়?' গানটির কথা সাজানো হয়েছে একজন দাগির দৃষ্টিকোণ থেকে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চেয়েছেন ‘দাগি’ সিনেমার দাগি যিনি, তাঁর কণ্ঠেই গানটি সবচেয়ে বেশি মানায়। নিশো বলেন, 'গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার কারণগুলো আমার বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছে বলেই আমি রাজি হয়েছি। পরে আরও কিছু সংযোজন-বিয়োজনের পর গানটিতে ভয়েস দিই।' সৈয়দপুর, রাজশাহী ও ঢাকায় হয়েছে 'দাগি' সিনেমার শুটিং। সিনেমায় অভিনয় করেছেন তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতুসহ অনেকে। ‘দাগি’ সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।
অর্থ-বাণিজ্য
সব দেখুন
আজ যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা
এবার ঈদের ছুটিতে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল টানা ৯ দিন ব্যাংক বন্ধ। তবে পোশাক খাতে কর্মরতদের বেতন দেওয়ার সুবিধার্থে শিল্প এলাকায় আজ (২৯ মার্চ) ব্যাংক খোলা থাকবে।এর আগে, শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা ছিল। তবে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, বাকি সময় লেনদেন পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।শনিবার (২৯ মার্চ) শিল্প এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর মধ্যে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। যেসব শাখা খোলা থাকবে সেসব শাখায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিধি মোতাবেক ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।২৪ মার্চ কিছু ব্যাংক শাখা খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপন বলা হয়, আগামী ৩ এপ্রিল পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতরের আগে তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল বিক্রির জন্য এবং ওই শিল্পে কর্মরতদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে পোশাকশিল্পের লেনদেনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যাংক শাখা ২৮ ও ২৯ মার্চ খোলা রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাকশিল্প এলাকার।এমআর-২

ঈদের আগে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
ঈদুল ফিতরের আগে আবারও এক দফায় স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ১ হাজার ৭৭৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দর শনিবার (২৯ মার্চ) থেকে কার্যকর হবে।নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।এর আগে, সবশেষ গত ২৫ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ১৫৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।উল্লেখ্য, চলতি বছর দেশের বাজারে এ নিয়ে মোট ১৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস। যারমধ্যে ১৩ বার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। দাম কমানো হয়েছে মাত্র ৪ বার। এর আগে ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৩৫ বার বাড়ানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম। এছাড়া গত বছর ২৭ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।এনআই

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিঙ্গাপুর-যুক্তরাজ্য থেকে আসবে ২ কার্গো এলএনজি
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির করছে সরকার। এতে ব্যয় হবে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কমিটির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।জানা গেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে। ভারতের মেসার্স বগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই চাল আনা হবে। প্রতি মেট্রিক টন চালের দাম ধরা হয়েছে ৪২৪.৭৭ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৫০ হাজার টন চালের দাম পড়বে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানির সম্প্রতি অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর আওতায় ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম থেকে কয়েক টন চাল আমদানি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।এবি

শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে ৩ কারখানাকে সোয়া ১২ কোটি টাকা দিলো সরকার
ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে তিনটি পোশাক কারখানাকে ১২ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে অসন্তোষ থাকা টিএনজেডের এক কারখানা গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করেছে।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন, বোনাসসহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।উপদেষ্টা বলেন, ‘রোয়ার ফ্যাশন নামের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে তাদের শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে পাওনাদি পরিশোধের জন্য এরই মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলের আপদকালীন হিসাব থেকে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এ উদ্যোগ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রসারিত করা যাবে না।’তিনি বলেন, ‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত শ্রম অসন্তোষ নিরসন বিষয়ে গত ২৫ মার্চের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেড গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে। এটা এর আগে বাংলাদেশে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। মালিক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।’এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাহমুদ গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ সহায়তা বাবদ ১১ কোটি টাকা ছাড় করেছে বলেও জানিয়েছেন শ্রম উপদেষ্টা।সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘স্টাইলক্রাফট অ্যান্ড ইয়াংওয়ান বিডি লিমিটেড বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আজ এক সভা হয়েছে। সভায় শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে।’পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যার যা পাওনা পেয়ে যাবেন। বাকিরা যারা না পান আজ বা কাল সকালে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবো। প্রায় সব সমস্যাই সমাধান হয়ে গেছে।’‘এই ঈদ অন্যান্য ঈদ থেকে অনেক ভালো। অন্যান্য বছরের তুলনায় শ্রমিক অসন্তোষ কম। পোশাক খাতের অনেকেই ভালো করছে। এই শিল্পটা বসে যায়নি, পোশাক শিল্পে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে’, বলেন উপদেষ্টা।জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট। রাস্তার দুই পাশে দোকান বসেছে। সদরঘাট যেতে এই সড়কটি সচল রাখার কথা জানিয়েছিলেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি পুলিশের ডিসি সাউথকে অনুরোধ করছি, এটি আপনারা দেখেন। আমি যদি বের হই, এরকম দেখি, আপনাদের বিরুদ্ধেই আমাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করতে হবে।এবি

দেশের গ্যাস সংকট নিরসনে স্বস্তির খবর
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে নতুন ১১ কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস)। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি মাসে দুটি এবং আগামী মাসে আরও নয়টি কার্গো এলএনজি দেশে পৌঁছাবে, যা জাতীয় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে মহেশখালী থেকে প্রতিদিন ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে, যার ফলে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে গ্যাস সংকট অনেকটাই কমে এসেছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এলএনজি সরবরাহের ফলে আগামী দুই মাসের বেশি সময় গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহের ইতিহাসে এর আগে কখনো একসঙ্গে এত বড় পরিমাণে এলএনজি আসেনি। ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়। তবে প্রায় সাত বছর পর এই প্রথম একসঙ্গে ১১ কার্গো এলএনজি সরবরাহ হতে যাচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ফারাক থাকার ফলে প্রায়শই গ্যাস সংকট দেখা দেয়। বিশেষ করে আশুগঞ্জ–বাখরাবাদ পাইপলাইনকে ওয়ানওয়ে করে দিয়ে চট্টগ্রামকে পুরোপুরি এলএনজি নির্ভর করে ফেলার কারণে এই সংকট আরও প্রকট হয়। তবে সাম্প্রতিক এলএনজি আমদানির গতি বাড়ায় চট্টগ্রামে গ্যাসের প্রবাহ ও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। আগামী অন্তত দুই মাস এই সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।একটি এলএনজি কার্গোর ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬৬ হাজার ঘনমিটার লিকুইড গ্যাস। গ্যাসিফিকেশনের পর এটি প্রায় ৬০০ গুণ বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে সরবরাহ করা হলে ১১ কার্গো এলএনজি অন্তত ৪০ দিনের গ্যাস চাহিদা পূরণ করতে পারবে। ফলে দেশের অন্তত দুই মাসের গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।বর্তমানে বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩,২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২,২০০–২,৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ঘাটতি পূরণ করতে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। নতুন ১১ কার্গো এলএনজি এই ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট লাঘব করবে।শীতকাল শেষে গ্যাসের প্রবাহে আর কোনো বাধা থাকবে না, ফলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এটি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী শিল্পখাত, বিশেষ করে বস্ত্র ও পোশাক শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত হলে উৎপাদন ব্যাহত হবে না।বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমে আসবে, যা শিল্প উৎপাদন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং রপ্তানিতে গতি আসবে।বাংলাদেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ক্রমশ কমছে। ফলে চাহিদা পূরণে আমদানি নির্ভরতা বাড়ছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি আমদানির জন্য বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে চুক্তি করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্পট কার্গো সংগ্রহ করছে। তবে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ভবিষ্যতে কেমন থাকবে, তা নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির উপ-মহাব্যবস্থাপক, পাইপলাইন ও পুরনির্মাণ ডিপার্টমেন্ট প্রকৌ. মো. আহসান হাবীব সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বর্তমানে গ্যাসের যোগান ঠিকমতো রয়েছে এবং প্রেসারও স্বাভাবিক। এটি ধরে রাখা গেলে দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতের জন্য একটি সুসংবাদ হয়ে থাকবে।

বিকাশ-নগদ-রকেটে দৈনিক ৫০ হাজার টাকা লেনদেন করা যাবে
মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর। বিকাশ, নগদ, রকেটসহ অন্যান্য এমএফএস প্ল্যাটফর্মে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একজন গ্রাহক আগের চেয়ে বেশি টাকা ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট ও স্থানান্তর করতে পারবেন।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এখন থেকে এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ব্যক্তিগত হিসাবে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ক্যাশ ইন করা যাবে, যা আগে ছিল ৩০ হাজার টাকা। মাসিক ক্যাশ ইন সীমাও ২ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়েছে।একইভাবে ক্যাশ আউটের সীমাও বাড়ানো হয়েছে। আগে এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ব্যক্তিগত হিসাবে দৈনিক সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করা যেতো, যা এখন ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। মাসিক ক্যাশ আউট সীমা দেড়লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে।এছাড়া, এসব হিসাবে এখন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতি রাখা যাবে, যেখানে আগে সীমা ছিল ৩ লাখ টাকা। পাশাপাশি, লেনদেন সংখ্যার সীমাও প্রত্যাহার করা হয়েছে, অর্থাৎ গ্রাহকরা ইচ্ছেমতো লেনদেন করতে পারবেন।তবে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ঝুঁকি বিবেচনায় এসব সীমার কম নির্ধারণ করতে পারবে। নতুন নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।এ সিদ্ধান্তে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পরিসর আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য এটি সুবিধাজনক হবে, কারণ লেনদেনের সীমা বাড়লে আর্থিক লেনদেনের গতিও ত্বরান্বিত হবে।এইচএ

এপ্রিলেও অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানি তেলের দাম
এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (৩১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। নতুন দাম ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের জন্য বিদ্যমান মূল্য কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য হবে- ডিজেল প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, কেরোসিন প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, অকটেন প্রতি লিটার ১২৬ টাকা ও পেট্রোল প্রতি লিটার ১২২ টাকা।এমআর-২

আজ যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা
এবার ঈদের ছুটিতে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল টানা ৯ দিন ব্যাংক বন্ধ। তবে পোশাক খাতে কর্মরতদের বেতন দেওয়ার সুবিধার্থে শিল্প এলাকায় আজ (২৯ মার্চ) ব্যাংক খোলা থাকবে।এর আগে, শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা ছিল। তবে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, বাকি সময় লেনদেন পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।শনিবার (২৯ মার্চ) শিল্প এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর মধ্যে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। যেসব শাখা খোলা থাকবে সেসব শাখায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিধি মোতাবেক ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।২৪ মার্চ কিছু ব্যাংক শাখা খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপন বলা হয়, আগামী ৩ এপ্রিল পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতরের আগে তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল বিক্রির জন্য এবং ওই শিল্পে কর্মরতদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে পোশাকশিল্পের লেনদেনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যাংক শাখা ২৮ ও ২৯ মার্চ খোলা রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাকশিল্প এলাকার।এমআর-২

ঈদের আগে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
ঈদুল ফিতরের আগে আবারও এক দফায় স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ১ হাজার ৭৭৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দর শনিবার (২৯ মার্চ) থেকে কার্যকর হবে।নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।এর আগে, সবশেষ গত ২৫ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ১৫৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।উল্লেখ্য, চলতি বছর দেশের বাজারে এ নিয়ে মোট ১৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস। যারমধ্যে ১৩ বার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। দাম কমানো হয়েছে মাত্র ৪ বার। এর আগে ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৩৫ বার বাড়ানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম। এছাড়া গত বছর ২৭ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।এনআই

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিঙ্গাপুর-যুক্তরাজ্য থেকে আসবে ২ কার্গো এলএনজি
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির করছে সরকার। এতে ব্যয় হবে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কমিটির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।জানা গেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে। ভারতের মেসার্স বগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই চাল আনা হবে। প্রতি মেট্রিক টন চালের দাম ধরা হয়েছে ৪২৪.৭৭ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৫০ হাজার টন চালের দাম পড়বে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানির সম্প্রতি অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর আওতায় ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম থেকে কয়েক টন চাল আমদানি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।এবি

শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে ৩ কারখানাকে সোয়া ১২ কোটি টাকা দিলো সরকার
ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে তিনটি পোশাক কারখানাকে ১২ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে অসন্তোষ থাকা টিএনজেডের এক কারখানা গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করেছে।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন, বোনাসসহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।উপদেষ্টা বলেন, ‘রোয়ার ফ্যাশন নামের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে তাদের শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে পাওনাদি পরিশোধের জন্য এরই মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলের আপদকালীন হিসাব থেকে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এ উদ্যোগ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রসারিত করা যাবে না।’তিনি বলেন, ‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত শ্রম অসন্তোষ নিরসন বিষয়ে গত ২৫ মার্চের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেড গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে। এটা এর আগে বাংলাদেশে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। মালিক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।’এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাহমুদ গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ সহায়তা বাবদ ১১ কোটি টাকা ছাড় করেছে বলেও জানিয়েছেন শ্রম উপদেষ্টা।সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘স্টাইলক্রাফট অ্যান্ড ইয়াংওয়ান বিডি লিমিটেড বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আজ এক সভা হয়েছে। সভায় শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে।’পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যার যা পাওনা পেয়ে যাবেন। বাকিরা যারা না পান আজ বা কাল সকালে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবো। প্রায় সব সমস্যাই সমাধান হয়ে গেছে।’‘এই ঈদ অন্যান্য ঈদ থেকে অনেক ভালো। অন্যান্য বছরের তুলনায় শ্রমিক অসন্তোষ কম। পোশাক খাতের অনেকেই ভালো করছে। এই শিল্পটা বসে যায়নি, পোশাক শিল্পে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে’, বলেন উপদেষ্টা।জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট। রাস্তার দুই পাশে দোকান বসেছে। সদরঘাট যেতে এই সড়কটি সচল রাখার কথা জানিয়েছিলেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি পুলিশের ডিসি সাউথকে অনুরোধ করছি, এটি আপনারা দেখেন। আমি যদি বের হই, এরকম দেখি, আপনাদের বিরুদ্ধেই আমাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করতে হবে।এবি

দেশের গ্যাস সংকট নিরসনে স্বস্তির খবর
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে নতুন ১১ কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস)। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি মাসে দুটি এবং আগামী মাসে আরও নয়টি কার্গো এলএনজি দেশে পৌঁছাবে, যা জাতীয় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে মহেশখালী থেকে প্রতিদিন ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে, যার ফলে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে গ্যাস সংকট অনেকটাই কমে এসেছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এলএনজি সরবরাহের ফলে আগামী দুই মাসের বেশি সময় গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহের ইতিহাসে এর আগে কখনো একসঙ্গে এত বড় পরিমাণে এলএনজি আসেনি। ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়। তবে প্রায় সাত বছর পর এই প্রথম একসঙ্গে ১১ কার্গো এলএনজি সরবরাহ হতে যাচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ফারাক থাকার ফলে প্রায়শই গ্যাস সংকট দেখা দেয়। বিশেষ করে আশুগঞ্জ–বাখরাবাদ পাইপলাইনকে ওয়ানওয়ে করে দিয়ে চট্টগ্রামকে পুরোপুরি এলএনজি নির্ভর করে ফেলার কারণে এই সংকট আরও প্রকট হয়। তবে সাম্প্রতিক এলএনজি আমদানির গতি বাড়ায় চট্টগ্রামে গ্যাসের প্রবাহ ও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। আগামী অন্তত দুই মাস এই সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।একটি এলএনজি কার্গোর ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬৬ হাজার ঘনমিটার লিকুইড গ্যাস। গ্যাসিফিকেশনের পর এটি প্রায় ৬০০ গুণ বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে সরবরাহ করা হলে ১১ কার্গো এলএনজি অন্তত ৪০ দিনের গ্যাস চাহিদা পূরণ করতে পারবে। ফলে দেশের অন্তত দুই মাসের গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।বর্তমানে বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩,২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২,২০০–২,৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ঘাটতি পূরণ করতে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। নতুন ১১ কার্গো এলএনজি এই ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট লাঘব করবে।শীতকাল শেষে গ্যাসের প্রবাহে আর কোনো বাধা থাকবে না, ফলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এটি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী শিল্পখাত, বিশেষ করে বস্ত্র ও পোশাক শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত হলে উৎপাদন ব্যাহত হবে না।বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমে আসবে, যা শিল্প উৎপাদন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং রপ্তানিতে গতি আসবে।বাংলাদেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ক্রমশ কমছে। ফলে চাহিদা পূরণে আমদানি নির্ভরতা বাড়ছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি আমদানির জন্য বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে চুক্তি করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্পট কার্গো সংগ্রহ করছে। তবে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ভবিষ্যতে কেমন থাকবে, তা নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির উপ-মহাব্যবস্থাপক, পাইপলাইন ও পুরনির্মাণ ডিপার্টমেন্ট প্রকৌ. মো. আহসান হাবীব সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বর্তমানে গ্যাসের যোগান ঠিকমতো রয়েছে এবং প্রেসারও স্বাভাবিক। এটি ধরে রাখা গেলে দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতের জন্য একটি সুসংবাদ হয়ে থাকবে।
শিক্ষাঙ্গন
সব দেখুন
বেরোবিতে ঈদের দিন উপাচার্যের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বিশেষ খাবার প্রদান
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর উদ্যোগে ঈদের দিনে আবাসিক হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন বাস্তবতায় যে সকল শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে তাদের জন্য সকালে ও দুপুরে বিশেষ খাবার প্রদান করা হয়। সোমবার (৩১ মার্চ) দুপুরে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের কুশল বিনিময় করেন ও তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। আপনজন ও পরিবার ছেড়ে হলে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ঈদের দিন দুপুরে বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। এ সময় উপাচার্য পত্নী মোছাঃ মাহমুদা আখতার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর রশিদ, প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, সহকারী প্রক্টর মো. আব্দুল্লাহ্-আল-মাহবুবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে কর্মরত আনসার সদস্য, ফাঁড়ির পুলিশ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্যও বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের নামাজে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকতা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে সকালে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের জন্য সেমাইসহ মিষ্টান্ন জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।পিএম

আবু সাঈদের পরিবারকে বেরোবি উপাচার্যের ঈদ সামগ্রী প্রদান
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছরের জুলাইয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। রবিবার (৩০ মার্চ ) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের জাফরপাড়ার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী শহীদ আবু সাঈদের বাবা জনাব মকবুল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। উপাচার্য শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন। এ সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।এসময় বেরোবি উপাচার্য বলেন, শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য। শহীদ আবু সাঈদকে ছাড়া তার পরিবার প্রথমবারের মতো ঈদ পালন করবে। উপাচার্য বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী দেওয়ার জন্য এখানে এসেছি। কিন্তু আবু সাঈদের পরিবারের মাঝে ঈদের কোন আনন্দ নেই। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো রমজান মাসে নিত্য পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় রয়েছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের মতো যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। উপাচার্য বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই বিপ্লবে শহীদদের হত্যাকারীদের যথাযথ বিচার এখনো দেখতে পারিনি ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবার ও দেশবাসী ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ অনুভব করবে। এনআই

বাকৃবিতে ঈদুল ফিতরের জামাত সকাল ৯টায়
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।রবিবার (৩০ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এ বছরও বাকৃবির কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এবছর শুধু একটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলেও কিছু শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকরা এখনো ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকার অনেক মানুষ কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজ আদায় করে। সবার সুবিধার্থে ঈদের নামাজের সময় সকাল ৯টায় নির্ধারণ করা হয়েছে।এআই

বেরোবিতে ঈদের জামাত সকাল ৮টায়
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র ইমাম কাম-খতিব হাফেজ মাওলানা রকিব উদ্দিন আহাম্মেদ।তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলেও হল ও ডরমিটরিগুলোতে কিছু শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকরা অবস্থান করছেন। তাদের সুবিধার্থে আমরা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদের জামায়াত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবার সুবিধার্থে ঈদের নামাজের সময় সকাল ৮টায় নির্ধারণ করা হয়েছে।এইচএ
তথ্য-প্রযুক্তি
সব দেখুন
এবার এক্সও বেচে দিলেন ইলন মাস্ক
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার (বর্তমানে এক্স) কিনে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক। এবার এক্স’কেই বিক্রি করে দিলেন তিনি। নিজের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংস্থা এক্সএআই-কে এই প্ল্যাটফর্ম বিক্রি করে দিয়েছেন মাস্ক। শনিবার (২৯ মার্চ) মাস্কের এক এক্স পোস্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।এতে বলা হয়, ৩৩ বিলিয়ন ডলারের অল-স্টক লেনদেনের মাধ্যমে এক্স-এর হাতবদল হয়েছে। এক্স কিনে নিয়েছে ইলন মাস্কের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংস্থা এক্সএআই।শুধু তাই নয়, ইলন মাস্কের এক্স-এর ১২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের দায়ও এক্সএআই-এর ঘাড়ে চাপতে চলেছে। এই আবহে এক্সএআই-এর বাজার দর উঠেছে ৮০ বিলিয়ন ডলার। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে এক ছাতার তলায় আনতে চলেছেন ইলন মাস্ক, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।বিষয়টি নিয়ে মাস্ক নিজের এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে লেখেন, ‘এক্সএআই এবং এক্স-এর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে জড়িত। আজ আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ডেটা, মডেল, গণনা, বিতরণ এবং প্রতিভা এক ছাতার তলায় আনার পদক্ষেপ নিয়েছি।’মাস্ক আরও বলেন, ‘আমি এক্সএআই এবং এক্স-এর প্রত্যেক কর্মীর কঠোর পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দিতে চাই যা আমাদের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। এটা তো সবে শুরু।’ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে লড়াইয়ে এক্সএআইকে সামনের সারিতে রাখার চেষ্টা করছেন মাস্ক। এক্সএআইয়ের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে এক্স-এর ৬০০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী যুক্ত হওয়ায় এআই সম্পর্কিত কাজ আরও দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হবে বলে মনে করছেন ধনকুবের মাস্ক।তবে এক্স বা এক্সএআইর মুখপাত্ররা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। কারণ চুক্তির বেশিরভাগ সুনির্দিষ্ট বিষয় অস্পষ্ট রয়ে গেছে, যেমন বিনিয়োগকারীদের কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে, এক্স সংশ্লিষ্টদের কীভাবে নতুন ফার্মে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ইত্যাদি বিষয় এখন অমিমাংসিত।এর আগে ২০২২ সালের শেষের দিকে সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম টুইটার কিনে নেন মাস্ক। ওই সময় ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার খরচ করেছিলেন তিনি। সংস্থাটির ঋণও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল। টুইটার-চুক্তি সম্পন্ন হতেই প্ল্যাটফর্মটির নাম বদল করে এক্স হ্যান্ডেল রাখেন তিনি। এইচএ

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ শনিবার, দ্বিতীয়টি ২১ সেপ্টেম্বর
২০২৫ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার (২৯ মার্চ)। এবারের গ্রহণটি আংশিক বলে জানা গেছে।গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবছর দু’টি সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা। প্রথমটি ২৯ মার্চ, দ্বিতীয়টি ২১ সেপ্টেম্বর।বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী শনিবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। শেষ হবে ৬টা ৪৩ মিনিটে। কিন্তু গ্রহণ চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছাবে ৪টা ৪৭ মিনিটে। বাংলাদেশ থেকে দেখা না গেলেও আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আটলান্টিক এবং উত্তর মহাসাগর থেকে তা দেখা যাবে।প্রসঙ্গত, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় চলে এলে চাঁদ যদি সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে বাধা দেয়, তখনই সূর্যগ্রহণ হয়। যদি সূর্যের আলো সম্পূর্ণ বাধাপ্রাপ্ত হয় তাহলে পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হয়। অন্যথায় হয় আংশিক সূর্যগ্রহণ। এবারের গ্রহণ আংশিক। উল্লেখ্য, এবছর ৪টি গ্রহণ হওয়ার কথা। এর মধ্যে মার্চে একটি চন্দ্রগ্রহণ ও একটি সূর্যগ্রহণ। আবার ৭ সেপ্টেম্বর হবে চন্দ্রগ্রহণ। ২১ সেপ্টেম্বর সূর্যের বলয়গ্রাস।২০২৫ সালের শুরু থেকেই মহাজাগতিক নানা বিস্ময় অপেক্ষা করে রয়েছে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য। উল্কাবৃষ্টি থেকে শুরু করে শুক্র-শনির সহাবস্থানের মতো নানা দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন তারা। এর মধ্যে অন্যতম গ্রহণ। প্রতি বছরের মতো এবারও আলাদা করে নজর কাড়বে সূর্য ও চন্দ্রের গ্রহণ। কিন্তু প্রথম গ্রহণটির মতো দ্বিতীয় গ্রহণও দেখা যাবে না বাংলাদেশ থেকে। তবে অনলাইনে তা দেখা যাবে।এইচএ

ল্যাপটপে মোবাইল চার্জ দেবার আগে একবার ভাবুন
আজকাল
অন্যতম প্রয়োজনীয় গ্যাজেট হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ল্যাপটপ। অনেকেই
স্মার্টফোন ল্যাপটপ থেকে চার্জ করে নেন। ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করার সুবিধা অনেক। চার্জারের দরকার হয় না। ইউএসবি
ক্যাবল থাকলেই হলো। অফিস হোক কিংবা ক্যাফে, সহজে চার্জ করাও যায়। ইলেকট্রিকে বোর্ডেরও দরকার পড়ে না। কিন্তু এতে লাভের বদলে ক্ষতিই হয় বেশি।ল্যাপটপের
ইউএসবি পোর্টের ভোল্টেজ ফোনের জন্য উপযুক্ত নয়। এর ফলে চার্জ
উঠতে দেরি হবে। সময় বেশি লাগবে। পাশাপাশি ওভারহিটিংয়ের ঝুঁকিও থাকে। চার্জিংয়ের সময় যদি ফোন বেশি গরম হয়ে যায় তাহলে শুধু ফোন নয়, ল্যাপটপেরও ক্ষতি হতে পারে। সঠিক ভোল্টেজ ব্যবহার করা জরুরি, তবেই ব্যাটারি দীর্ঘদিন চলবে, কার্যক্ষমতাও ঠিক থাকবে।সবচেয়ে
বড় কথা হলো, ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। হ্যাঁ, এটা অনেকেই জানেন না। যদি কেউ নিয়মিত ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করেন, তাহলে ল্যাপটপের ব্যাটারির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ধীরে ধীরে আয়ু কমতে থাকে।ইউএসবি
পোর্টেরও ক্ষতি হয়। বারবার খোলা-লাগানোর ফলে পোর্টের পিন বেঁকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন ইউএসবি পোর্ট আর কাজ করাই
যাবে না। তাই ক্যাবল লাগানোর সময় খুব বেশি চাপ দিতে বারণ করা হয়।ল্যাপটপ
ফোন চার্জের জন্য তৈরি হয়নি। যদি কেউ সেটাই করতে থাকে তখন পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ে। ল্যাপটপ মাল্টিটাস্কার। এতে অনেক কাজ একসঙ্গে চলে। কিন্তু ফোন চার্জ করতে থাকলে সেই কাজে প্রভাব পড়ে।দীর্ঘমেয়াদে
ল্যাপটপ থেকে চার্জ করার কারণে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতে পারে। পাশাপাশি পাবলিক কম্পিউটার বা অজানা চার্জিং
পোর্টে ফোন চার্জ করতেও বারণ করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে ডাটা চুরির আশঙ্কা থাকে।সবসময়
ফোনের আসল ওয়াল চার্জার ব্যবহার করা উচিত। এতে ব্যাটারিও ভালো থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করাই যায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, এটা যেন অভ্যাসে পরিণত না হয়। আর
পাবলিক চার্জিং পোর্ট এড়িয়ে চলতে হবে। সুরক্ষা সবার আগে।ল্যাপটপ
থেকে ফোন চার্জ করা সুবিধাজনক হলেও, সচেতনতার সঙ্গে ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সঠিক পদ্ধতি মেনে চললে ডিভাইসের পারফরম্যান্স বজায় থাকবে এবং ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘস্থায়ী হবে।এইচএ

দশ মিনিটের চার্জে ১০ ঘণ্টা চলবে ইয়ারবাড
বর্তমানে সবারই খুব পছন্দ ইয়ারবাডস। ছোট্ট চার্জিং কেস সমেত এদিক-ওদিক নিয়ে যাওয়াও সহজ। পোশাকে একটা প্যাকেট কিংবা ব্যাগে অল্প একটু জায়গাই যথেষ্ট। বিভিন্ন সংস্থা তাদের ইয়ারবাড বাজারে আনছে।সম্প্রতি নতুন ইয়ারবাড বাজারে আনছে রিয়েলমি। রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭ মডেল। এটি একটি ট্রু ওয়্যারলেস স্টিরিও ইয়ারবাডস। সংস্থার দাবি রিয়েলমির নতুন ইয়ারবাডসে একবার পুরো চার্জ দিলে ৫২ ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকবে।রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭ মডেলে ৫২ ডেসিবেল পর্যন্ত কাজ করবে অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন বা এএনসি ফিচার। ছয়টি মাইক যুক্ত একটি সেটআপ থাকছে এই ইয়ারবাডসে যেখানে কল নয়েজ ক্যানসেলেশন ফিচার কাজ করবে।রিয়েলমির আসন্ন ইয়ারবাডসে রয়েছে ১২.৪ মিলিমিটারের ডিপ বেস ড্রাইভার এবং সেখানে হাই রেজোলিউশনেও অডিও সাপোর্ট পাবেন ব্যবহারকারীরা। এর সঙ্গে ২৬০ ডিগ্রি স্প্যাটিয়াল অডিও এবং এলএইচডিসি ৫.০ টেকনোলজির সাপোর্ট থাকছে।রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭-এই ইয়ারবাডসে মাত্র ১০ মিনিট চার্জ দিলে এই ইয়ারফোন চালু থাকবে প্রায় ১০ ঘণ্টা। ক্রিস্টাল অ্যালয় ডিজাইন থাকতে চলেছে এই ইয়ারবাডসে।এটি আইপি৫৫ রেটিং যুক্ত ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিসট্যান্ট ডিভাইস। অর্থাৎ ধুলা এবং পানিতে সহজে নষ্ট হবে না ইয়ারবাডটি। আইভরি গোল্ড, ল্যাভেন্ডার পার্পল এবং মস গ্রিন- এই তিন রঙে রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭ লঞ্চ হতে চলেছে ভারতে। ইয়ারবাডের দাম সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি।এমআর-২

হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলে আসছে নতুন সুবিধা
হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করলে প্রস্তুতি না থাকায় চেহারা নিয়ে অনেক সময় বেশ বিব্রত হতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে ফোনের ক্যামেরা বন্ধ রেখেই ভিডিও কলে কথা বলার নতুন সুবিধা চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ। এরই মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের সর্বশেষ পরীক্ষামূলক সংস্করণে (বেটা ভার্সন) নতুন এই সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি।বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল রিসিভ করলেই ফোনের সামনের ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। ফলে চাইলেও ক্যামেরা বন্ধ রেখে ভিডিও কলে কথা বলা যায় না। নতুন এ সুবিধা চালু হলে সামনের ক্যামেরা বন্ধ রেখেই অন্যদের করা ভিডিও কলে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলা যাবে। সুবিধাটি কবে নাগাদ উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। তবে শিগগিরই সুবিধাটি উন্মুক্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।অ্যান্ড্রয়েড অথরিটির তথ্যমতে, সুবিধাটি চালু হলে ভিডিও কল আসার সময় হোয়াটসঅ্যাপে ‘টার্ন অফ ইয়োর ভিডিও’ নামের একটি অপশন দেখা যাবে। এরপর ‘একসেপ্ট উইথ আউট ভিডিও’ বাটনে ক্লিক করলেই ভিডিও কলের সময় ফোনের সামনের ক্যামেরা বন্ধ থাকবে এবং অডিও মোডে কথা বলা যাবে।এর পর যদি আপনি চান, মাঝপথে ভিডিও অন করতে, তার অপশনও আছে। সে ক্ষেত্রে কল চলার সময়েই ‘টার্ন অন ইয়োর ভিডিও’-তে ক্লিক করলেই ক্যামেরা চালু হয়ে যাবে।এইচএ

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয়ের সুযোগ
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ এক সুযোগ নিয়ে এসেছে। এখন থেকে ফেসবুকের কনটেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত কনটেন্ট নির্মাতারা তাদের ফেসবুক স্টোরিজ থেকেও অর্থ আয় করতে পারবেন। কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আয়ের নতুন সুযোগ নিয়ে এসেছে ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে ফেসবুকের কনটেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত কনটেন্ট নির্মাতারা তাদের ফেসবুক স্টোরিজ থেকেও অর্থ আয় করতে পারবেন। নির্মাতারা তাদের ভিডিও, রিলস বা দৈনন্দিন জীবনের মুহূর্তগুলো স্টোরিতে শেয়ার করেও অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকের মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের সদস্যদের জন্য চালু হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ একটি রেসিপি ভিডিও তৈরি করে এবং সেটির কিছু অংশ স্টোরিতে শেয়ার করেন তবে সেটি থেকেও আয়ের সুযোগ থাকবে।ফেসবুকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্টোরির পেমেন্ট নির্ধারিত হবে কনটেন্টের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিউয়ের শর্ত ছাড়াই নির্মাতারা আয়ের সুযোগ পাবেন।বিশ্লেষকরা বলছেন, টিকটকের জনপ্রিয়তা বাড়ার ফলে ফেসবুক ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন আয়ের পথ তৈরি করতে চাইছে। মেটা ইতোমধ্যে নগদ বোনাস, কনটেন্ট চুক্তি এবং অন্যান্য সুবিধা দিয়ে ক্রিয়েটরদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।ফেসবুক ক্রিয়েটরদের জন্য কী সুবিধা আনছে?ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক উভয় প্ল্যাটফর্মেই কনটেন্ট মনিটাইজেশন সহজতর হবে।স্টোরির মাধ্যমে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাওয়া যাবে।কোনো অতিরিক্ত সেটআপ ছাড়াই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হবে।আশা করা হচ্ছে, ফেসবুকের এই নতুন উদ্যোগ কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য বড় একটি সুযোগ তৈরি করবে।এসআর
আইন-আদালত
সব দেখুন
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা
জুলাই আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। একাধিকবার অপরাধ প্রমাণে তথ্য-প্রমাণ মিলেছে খসড়া তদন্ত রিপোর্টে। পার পাওয়ার সুযোগ নেই।বুধবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকেএমনটা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চূড়ান্ত তালিকা পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব। তবে খসড়ার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ফরমাল চার্জ গঠন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।তাজুল ইসলাম বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বহু প্রমাণ ও উপাত্ত রয়েছে। কখনও সরাসরি, কখনও টেলিফোনেসহ নানা মাধ্যমে গুলির নির্দেশ দিয়ে তা আবার নিশ্চিতও করেন শেখ হাসিনা। হেলিকপ্টার থেকে গুলি করার স্পষ্ট নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। আইনের ভাষায় এ গণহত্যার সুপেরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি শেখ হাসিনার।তিনি আরও বলেন, খসড়া প্রতিবেদনটি এখন প্রসিকিউশনের হাতে রয়েছে। প্রতিবেদনে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে গণহত্যার চালানোর অজস্র প্রমাণ উঠে এসেছে। শিগগিরই চূড়ান্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া হবে।প্রসঙ্গত, গত ১৭ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের চেষ্টা ও গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।এইচএ
প্রবাস
সব দেখুন
লন্ডনের কিংসমেডাও খোলা মাঠে ঈদের নামাজ পড়লেন তারেক রহমান
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের কিংসটন এলাকার কিংসমেডাও স্টেডিয়ামের খোলা মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাতে অংশ নিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার (৩০ মার্চ) স্থানীয় সময় ৯টায় পশ্চিম লন্ডনের সর্ববৃহৎ এই খোলা মাঠে ঈদের নামাজে অংশ নিতে হাজির হন তিনি।স্থানীয় সময়ে সকাল সাড়ে ১০টায় এই মাঠে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ঈদের জামাতে তারেক রহমানের পাশে ছিলেন বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং যুক্তরাজ্য বিএনপি সভাপতি এমএ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ইউরোপের সমন্বয়ক কামাল উদ্দিন প্রমুখ। আগের দিন থেকেই জানা গিয়েছিল, আবহাওয়া ভালো থাকলে তারেক রহমান এই খোলা মাঠে ঈদের নামাজে অংশ নেবেন। যদি আবহাওয়া খারাপ থাকতো, তাহলে তিনি কিংস্টন মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতেন।ঈদের নামাজের পর তারেক রহমান কুশল বিনিময় ও কোলাকুলি করেন লন্ডনের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গ ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে। এদিকে, প্রায় এক দশক পর মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদ করার সুযোগ পেলেন তারেক রহমান।
লাইফস্টাইল
সব দেখুন
নতুন টাকা ছাড়াও ঈদে যেভাবে সালামি দিতে পারেন
ছোটবেলায় ঈদ সালামির জন্য আপনিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন নিশ্চয়ই। সালামি মানেই যেন চকচকে নোট আর ইচ্ছেমতো খরচ করার স্বাধীনতা। সেসব দিন পেরিয়ে এখন হয়তো সালামি দেওয়ার পালা আপনার। এরও একটা আলাদা আনন্দ আছে। তবে সালামি পাওয়ার নিখাদ আনন্দটাকে হয়তো এর চেয়ে বেশ এগিয়েই রাখবেন আপনি। কেউ সালামি হিসেবে নগদ অর্থ সরাসরি তুলে দেন হাতে, কেউ আবার সালামি দেন সুন্দর খামে পুরে। এ যুগে আরও আছে ডিজিটাল সালামি। ছোটদের সালামি বা ঈদি দেওয়ার প্রচলন আছে অন্যান্য দেশেও। দেশে দেশে মুসলিম পরিবারগুলোতে শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এই ঐতিহ্যের প্রচলন বহু বছর ধরেই।বছরের পর বছর ধরে ঈদ বকশিস বা সালামি হিসেবে নতুন টাকা দেওয়ার রীতি চলে আসছে। এটি যেন অলিখিত ঐতিহ্য বা রেওয়াজ। তবে এবার এই রীতি আর পালন করা হচ্ছে না। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাকার নতুন নোট বাজারে আসেনি। তবে কি এবার ময়লা পুরনো টাকাতেই কাটাতে হবে ঈদ? ঈদে নতুন টাকা নেই বলে মন খারাপ করে থাকার কারণ নেই। তারচেয়ে বরং নতুন নোট ছাড়াও কীভাবে ঈদ সালামি দেওয়া যায় সেই উপায় জানুন- অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত নোট নতুন নোট যেহেতু এবার নেই তাই মানিব্যাগ বা পার্সে থাকা অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত নোটগুলোকেই বেছে নিতে পারেন সালামির জন্য। কিছুটা কম ময়লা, ছেঁড়াফাটাহীন নোটগুলো আলাদা করুন সালামির জন্য। সালামি দিন ডিজিটাল মাধ্যমে এখন যুগ বদলেছে। ছোট-বড় সবাই ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত। তাই এবার সালামি দেওয়ার ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম বা ডিজিটাল মাধ্যম। বিকাশ, নগদ, উপায়ের মতো অ্যাপের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে সালামি পাঠিয়ে দিন। তার যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে সেটিও হতে পারে সালামি আদান-প্রদানের মাধ্যম। অর্থের বদলে উপহার নগদ অর্থের মাধ্যমেই যে ঈদ সালামি দিতে হবে এমন কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। এবার নাহয় অর্থের বদলে উপহার দিন। ছোটদের প্রিয় কোনো খেলনা বা খাবার, বড়দের প্রয়োজনীয় কিছু বা শোপিস, মোমবাতি, বাহারি আয়না, প্রসাধনী, গয়না দিতে পারেন ঈদ উপহার। উপহার হতে পারে বই পরিবারের ছোট শিশু থাকলে তাদের ঈদ সালামি হিসেবে নতুন টাকার বদলে নতুন বই দিতে পারেন। কমিক্স বুক, রঙের খাতা, রঙপেন্সিল এসবও উপহার দিতে পারেন। নতুন টাকা না পেলেও নতুন বই পেলে তাদের আনন্দ বাড়বে বৈ কমবে না।