এইমাত্র
  • সাবেক ডিএমপি কমিশনারের অবৈধভাবে দখলে থাকা জমি উদ্ধার করল আদালত
  • ড. ইউনূসকে বাংলাদেশ গঠনে ভারতের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করলেন মোদি
  • ঈদে যশোরে বাবা-মেয়ে ও চাচা ভাইপোসহ সড়কে ঝরলো ৫ প্রাণ
  • প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার
  • যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত ৩৪ শতাংশ শুল্কারোপ করছে চীন
  • রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
  • ১৫ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেনের টিকিট বিক্রি
  • ইউনূস-মোদির বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইল বাংলাদেশ
  • বাড়তে পারে গরমের তীব্রতা
  • জীবন বাজি রাখা শাহাবুদ্দিনকে এনসিপি’র পক্ষ থেকে সম্মাননা
  • আজ শনিবার, ২১ চৈত্র, ১৪৩১ | ৫ এপ্রিল, ২০২৫
    প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার
    বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রত্যাবর্তনের যোগ্য ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রথম ধাপে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা থেকে তারা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২০১৮-২০ সালের মধ্যে ছয় ধাপে এ সংক্রান্ত মূল তালিকা সরবরাহ করা হয়েছিল।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে ৬ষ্ঠ বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক বৈঠকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউ থান শোয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানকে এ তথ্য জানান।এটি রোহিঙ্গা সঙ্কটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রথম নিশ্চিতকৃত তালিকা।চলমান রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের দিকে এই প্রথমবারের মতো কোনো তালিকার বিষয়টি নিশ্চিত করল মিয়ানমার।মিয়ানমারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরও ৫ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।আজকের এ বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত।
    রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য একটি মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে সেখানে বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করা যায়।তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে রাখাইন রাজ্যে আসন্ন দুর্ভিক্ষের বিষয়ে ইউএনডিপি’র সতর্কবার্তার মধ্যে, রাখাইন থেকে আরো বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করার জন্য জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাখাইনে একটি মানবিক চ্যানেল স্থাপন করা যেতে পারে।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বলেন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের যদি মীমাংসা না হয়, তাহলে সমগ্র অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।উপদেষ্টা বলেন, বিমসটেক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, বিশেষ করে রাখাইনের বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে সমাধানের জন্য সংলাপ চালাতে পারে। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে স্থায়ীভাবে প্রত্যাবর্তনের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে রাখাইনে স্থিতিশীলতা আনতে মিয়ানমারকে আরো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘রোহিঙ্গা মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি সম্পর্কিত উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন’-এ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে। বাংলাদেশ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে এই সম্মেলনে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আশা করে।তিনি বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ১৩-১৬ মার্চ বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিক সফর করেন এবং রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার অধিকারের প্রতি সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।থাই প্রধানমন্ত্রী এবং শীর্ষ সম্মেলনের চেয়ারপার্সন পায়োংতার্ন সিনাওয়াত্রা, বিমসটেকের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্রা মণি পান্ডে এবং বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের প্রধানরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  এইচএ 

    জাতীয়

    সব দেখুন
    ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠকে যেসব আলাপ হয়েছে
    থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনে শেষ পর্যন্ত অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই নেতার মধ্যে কী কথা হয়েছে তা জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা।বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির প্রথম বৈঠক এটি। দুই দেশের সাম্প্রতিক সম্পর্কের বরফ গলার জন্য থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠানরত বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে স্বল্প সময়ের এই বৈঠকটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল।বৈঠক ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক হয়েছে বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, গঙ্গার পানি চুক্তির নবায়ন, তিস্তা চুক্তির প্রসঙ্গও ইউনূস তুলেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্কের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন মোদি। সেজন্য দুই দেশের সম্পর্কের পরিবেশ নষ্ট করে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সীমান্তে অবৈধ পারাপার বন্ধের পাশাপাশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় তুলেছেন।বৈঠকের সময় ইউনূস মোদিকে ২০১৫ সালে ভারতের মুম্বাইতে তার কাছ থেকে একটি পদক গ্রহণের ছবি উপহার দেন।এর আগে, গত ৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দেন এই দুই নেতা। সম্মেলনে তাদের পাশাপাশি দেখা গেলেও দুই নেতার আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের আগেই শুক্রবার মোদি বসেছিলেন মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাই-এর সঙ্গে। অন্যদিকে ইউনূস বসেছিলেন ভূটানের প্রধানমন্ত্রী দাসো সেরিং টোবগার সঙ্গে।এমআর-২
    চুরির অর্থ ফেরত আনতে শ্রীলঙ্কার সহায়তা চেয়েছেন ড. ইউনূস
    চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য শ্রীলঙ্কার সহায়তা চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হারিনিয়া আমারাসুরিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ সহায়তা চান তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।বার্তা অনুযায়ী, বৈঠকে দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।বৈঠককালে চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারে নিজের দেশের প্রচেষ্টার কথা বর্ণনা করেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অর্থ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য একটি নতুন আইন অনুমোদন করেছে শ্রীলঙ্কার সংসদ।এ সময় বাংলাদেশ থেকে চুরি যাওয়া কোটি কোটি ডলার ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টায় শ্রীলঙ্কার সমর্থন চান প্রধান উপদেষ্টা।বৈঠকে দুই নেতা জুলাইয়ের বিদ্রোহের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার অ্যাজেন্ডা এবং আগামী বছরের ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানে তার প্রশাসনের পরিকল্পনা বর্ণনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।এমআর-২
    থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধান উপদেষ্টা
    বিমসটেক সম্মেলন শেষে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।এছাড়া আগামী ২ বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।এমআর-২
    রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য একটি মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে সেখানে বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করা যায়।তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে রাখাইন রাজ্যে আসন্ন দুর্ভিক্ষের বিষয়ে ইউএনডিপি’র সতর্কবার্তার মধ্যে, রাখাইন থেকে আরো বাস্তুচ্যুতি বন্ধ করার জন্য জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে রাখাইনে একটি মানবিক চ্যানেল স্থাপন করা যেতে পারে।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বলেন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের যদি মীমাংসা না হয়, তাহলে সমগ্র অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।উপদেষ্টা বলেন, বিমসটেক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, বিশেষ করে রাখাইনের বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে সমাধানের জন্য সংলাপ চালাতে পারে। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে স্থায়ীভাবে প্রত্যাবর্তনের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে রাখাইনে স্থিতিশীলতা আনতে মিয়ানমারকে আরো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘রোহিঙ্গা মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি সম্পর্কিত উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন’-এ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে। বাংলাদেশ বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে এই সম্মেলনে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আশা করে।তিনি বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ১৩-১৬ মার্চ বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিক সফর করেন এবং রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার অধিকারের প্রতি সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।থাই প্রধানমন্ত্রী এবং শীর্ষ সম্মেলনের চেয়ারপার্সন পায়োংতার্ন সিনাওয়াত্রা, বিমসটেকের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্রা মণি পান্ডে এবং বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের প্রধানরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  এইচএ 
    ১৫ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেনের টিকিট বিক্রি
    সার্ভার জটিলতায় ১৫ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেনের টিকিট বিক্রি। সংস্কার কাজের জন্য সার্ভার জটিলতা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কতৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এ পরিস্থিতি ছিল।সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সান্টিং পাওয়ারের সমস্যার কারণে শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি ট্রেন। এতে যাত্রীদের পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর ছাড়ার সময় ছিল সকাল ৮টা ৩০ মিনিট। অথচ ট্রেনটি স্টেশনে আসে বেলা ১১টার দিকে। যাত্রীদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে। দেড় ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে রংপুর এক্সপ্রেস। শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে জয়ন্তীকা, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসসহ বেশকয়েকটি ট্রেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল ট্রেনের টিকিট বিক্রির সার্ভার। এ সময় টিকিট কাটতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। আর শিডিউল বিপর্যয়ের পেছনে সান্টিং পাওয়ারের সমস্যর কথা বলছে রেল কতৃপক্ষ।কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, শনিবার পথে অতিরিক্ত ভিড়ের শঙ্কায় ছুটি একদিন হাতে রেখেই ফিরছেন বেশিরভাগ যাত্রী। তবে এবারের ঈদ যাত্রা নিয়ে স্বস্তি ছিল সবার চোখেমুখে। ফিরতিযাত্রা নিয়েও ছিল না তেমন অভিযোগ।শুক্রবার সারাদিন আন্তনগর ও কমিউটার মিলে প্রায় ৭০ জোড়া ট্রেন যাতায়াত করবে। এইচএ
    ইউনূস-মোদির বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইল বাংলাদেশ
    ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ওই বৈঠকের পর এ তথ্য জানিয়েছেন।শফিকুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।’প্রেস সচিব বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতে বসে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, এসব বিষয় বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তে হত্যা, তিস্তা নদীর পানি বন্টনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলো।বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন ২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এইচএ
    ব্যাংককে বৈঠকে বসেছেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি
    থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সাংগ্রিলা হোটেলে এ বৈঠক শুরু হয়।প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক হচ্ছে।যদিও মূল সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবুও বাংলাদেশ ও ভারতের লাখো লাখো মানুষের দৃষ্টি রয়েছে এ বৈঠকে।এর আগে বৃহস্পতিবার বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদী বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এমআর-২
    নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রধান উপদেষ্টা
    বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের জনগণকে আশ্বস্ত করেছি- একবার আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে, আমরা একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করবো।’শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানগত অধিকার নিশ্চিত করতে, বিশেষ করে নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জনগণ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও স্বাধীন সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গত ১৫ বছরে আমাদের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্রমাগত তাদের অধিকার হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবক্ষয় ঘটেছে এবং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে।এ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের বিপুল প্রতিরোধ গড়ে ওঠে এবং প্রায় দুই হাজার নিরপরাধ মানুষ, যার মধ্যে ১১৮ জন শিশু, এই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আবার নতুনভাবে জন্ম নেয় বলে তিনি জানান।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য সুদূরপ্রসারী সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সুশাসন, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।তিনি জানান, সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম মূল ভিত্তি। অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা, সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন সংস্থা এবং সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, যা জনসাধারণের মালিকানা, জবাবদিহি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এ কমিশনগুলো এরই মধ্যে তাদের সুপারিশ প্রদান করেছে, যা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তার নেতৃত্বে ও ছয়টি কমিশনের প্রধানদের অন্তর্ভুক্তিতে সাত সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ গঠনের মাধ্যমে কমিশনগুলোর সুপারিশসমূহ গৃহীত ও কার্যকর করা হবে।এমআর-২

    রাজনীতি

    সব দেখুন
    ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
    থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আশার আলো জাগিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, এই বৈঠক হওয়া আনন্দের কথা। যা দুই দেশের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। আমরা মনে করি ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশ-ভারতের যে রাজনৈতিক অবস্থান, এই বৈঠক আমাদের আশার আলো দেখাচ্ছে।তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সরকার প্রধানকেই আন্তরিক মনে হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের যে তিক্ততা তৈরি হচ্ছিল, তা বৈঠকের ফলে কমবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।এর আগে, আজ বিকেলে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠককে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে দেখছে বিএনপি। এই বৈঠকের প্রয়োজন আছে এবং প্রয়োজন ছিল। বৈঠকের অভ্যন্তরে কী আলোচনা হয়েছে, বিস্তারিত তা জানা না গেলেও ইতিবাচকভাবে দেখার কথা জানিয়েছেন তিনি।এমআর-২
    ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
    থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আশার আলো জাগিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, এই বৈঠক হওয়া আনন্দের কথা। যা দুই দেশের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। আমরা মনে করি ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশ-ভারতের যে রাজনৈতিক অবস্থান, এই বৈঠক আমাদের আশার আলো দেখাচ্ছে।তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সরকার প্রধানকেই আন্তরিক মনে হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের যে তিক্ততা তৈরি হচ্ছিল, তা বৈঠকের ফলে কমবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।এর আগে, আজ বিকেলে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠককে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে দেখছে বিএনপি। এই বৈঠকের প্রয়োজন আছে এবং প্রয়োজন ছিল। বৈঠকের অভ্যন্তরে কী আলোচনা হয়েছে, বিস্তারিত তা জানা না গেলেও ইতিবাচকভাবে দেখার কথা জানিয়েছেন তিনি।এমআর-২
    শুরু হলো খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা
    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা।বুধবার (২ এপ্রিল) চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।তিনি বলেন, আগামী চারদিন উনার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে, লন্ডন ক্লিনিকের ডাক্তাররা বাসায় উনাকে দেখতে আসবেন।খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরও বলেন, কিছু পরীক্ষা করার জন্য হয়তো তাকে (খালেদা জিয়াকে) লন্ডন ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েক দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, যা চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে করা হচ্ছে।বিএনপির চেয়ারপারসন এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লন্ডনে যান বেগম খালেদা জিয়া। গত ৮ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি লন্ডনের দ্য ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।বাসায় ফেরার পর গত দুই মাসে খালেদা জিয়াকে আর হাসপাতালে নিতে হয়নি। কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হলে দ্য ক্লিনিকের চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাসায় গিয়ে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন।৭৯ বছর বয়সি খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে উদ্দেশ্যমূলক মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি করে রাখে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার আবেদন অগ্রাহ্য করে চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত করে। পিএম
    যারা রাজাকারদের হাতে নেতৃত্ব চায়, তাদের ভোট চাই না : ফজলুর রহমান
    বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি ভোট চাই না। যারা রাজাকারদের হাতে নেতৃত্ব ছাড়তে চায়, আমি তাদের ভোট চাই না। কথাটা খুব ক্লিয়ার। আমি ভোট চাই তাদের যারা মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে মানে। যারা এই দেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায়।মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের আনন্দ বাজারে ঈদ-পরবর্তী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘বাপ ডাইকা (নির্বাচন) দেওন লাগবো, বাপ ডাইকা। আমাকে গুলি করে মারবেন? আমার আল্লাহ আছে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে আমাকে রক্ষা করতে পারে, পারে না? ৫০০ গুলিও আমার বুকে লাগতে না পারে, আমার আল্লাহ আছে। আমি সত্য কথা বলবোই। ফজলুর রহমান যদি জীবিত থাকে, বাপ ডাইকা বাংলাদেশে ইলেকশনটা দিয়া যাওন লাগবো।উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম পলাশসহ মৃগা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।পিএম
    সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত: মির্জা ফখরুল ইসলাম
    সংস্কার আর নির্বাচন আলাদা জিনিস না। সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত চলবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া সংষ্কার প্রস্তাব যথাযথভাবে পর্যালোচনা করেই মতামত দিয়েছে বিএনপি বলেও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার ( ১ এপিল) ঠাকুরগাঁও এ নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।প্রধান উপদেষ্টার সদ্য সমাপ্ত চিন সফরের প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে চিন একতরফা ভাবে একটা দলের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছে তবে এখন তারা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করে সকল দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে। চিন বাংলাদেশে উৎপাদনে ও উন্নয়নে  বিনিয়োগের জন্য যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটা দেশের জন্য আশাবাদের কথা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে বিষয়ে মতের ঐক্য হবে সেগুলো মেনেই নির্বাচন হবে। যারাই নির্বাচিত হবে সে সংস্কার করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ, যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ কায়েসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খালেদা জিয়া
    আগামীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, আমাদের একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে। সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সোমবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় বিএনপি নেত্রী এ কথা বলেন।খালেদা জিয়া বলেন, আপনাদের এত ত্যাগ ও সংগ্রাম বৃথা যায়নি এবং যাবে না। দেশবাসীর ভোটাধিকার সবাই মিলে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘদিন পর সবাইকে এভাবে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় আগামীর পথচলায় দেশবাসীর দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।এমআর-২
    আ.লীগ নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে গণদাবি: নাহিদ ইসলাম
    বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের গণদাবি বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।সোমবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ঈদের দিন রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে এ কথা বলেন তিনি।নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে। এখন কীভাবে কার্যকর হবে তা দেখার বিষয়। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের গণদাবি বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক।তিনি বলেন, যেহেতু বিচার চলছে, আমরা বিচারের প্রতি আস্থাশীল। আমরা মনে করি, বিচার এবং রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের যে বিষয়টি সেটি সুরাহা হতে পারে।এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ঈদে আনন্দের মাঝেও আমাদের মধ্যে দুঃখ রয়েছে। কারণ, গণ-অভ্যুত্থানে আমরা যেসব ভাইবোনকে হারিয়েছি, তাদের ছাড়া অনেকগুলো পরিবার ঈদ পালন করছে। সেই কষ্ট, সেই বেদনার ভাগ নিতেই জুরাইন কবরস্থানে এসেছি।তিনি বলেন, আপাৎকালীন আমরা বলছি যে, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করা উচিত। আওয়ামী লীগ মার্কা আগামী নির্বাচনে থাকবে না। এটাই শহীদ, আহত পরিবারসহ গণদাবি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।সবসময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টি থাকবে বলেও জানান তিনি।এমআর-২
    দেশকে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: জি এম কাদের
    অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।সোমবার (৩১ মার্চ) বনানীতে দলটির কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে জি এম কাদের বলেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ভোট আয়োজনের চেষ্টা ভালো হবে না। সরকারের এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে হবে।এ সময় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। পাশাপাশি জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।এমআর-২

    দেশজুড়ে

    সব দেখুন
    ঈদের ছুটি কাটিয়ে মেট্রোরেল চলাচল শুরু
    পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন বন্ধ থাকার পর ফের রাজধানীর জনপ্রিয় গণপরিবহন মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে দিনের প্রথম ট্রিপ হিসেবে মেট্রোরেল উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এবং মতিঝিল থেকে প্রথম ট্রেন সাড়ে ৭টায় উত্তরা উত্তর স্টেশনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র এ তথ্য জানায়।সূত্রটি জানায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গতকাল সোমবার (৩১ মার্চ) মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। আজ ঈদের দিন ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে চলাচল করা গণপরিবহন মেট্রোরেল চলতে শুরু করেছে।গত রোববার (৩০ মার্চ) ডিএমটিসিএল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুধু ঈদের দিন মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। পরদিন সকাল থেকে অন্য দিনগুলোতে যথা নিয়মে মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত থাকবে।এমআর-২
    ঈদের রাতে রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৬
    রাজধানীর বংশালে পাকিস্তান মাঠে ঈদ উপলক্ষে বসানো মেলায় ফাস্টফুডের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ থেকে আগুন লেগে ৬ জন দগ্ধ হয়েছে।সোমবার (৩১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।দগ্ধরা হলেন- রিমঝিম (১৬), মেহেদী হাসান (২৫), সাগর (২৫), ইকবাল (৩৩), নয়ন (২৯) ও অপূর্ব (১৮)।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বংশাল পাকিস্তান স্মার্ট এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় ৬ জনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে রিমঝিমের শরীরে বার্ন ইনজুরি, মেহেদী হাসানের শরীরের ১ শতাংশ, সাগরের শরীরে ১১ শতাংশ, ইকবালের শরীরের ২ শতাংশ, নয়নের শরীরের ৭ শতাংশ অপূর্বর শরীরের এক শতাংশ বার্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে সাগরকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে বাকিদের জরুরি বিভাগে অবজারবেশনে রাখা হয়েছে। পিএম
    ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল
    পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন রাজধানীবাসীর বাহন মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, ঈদের দিন মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে, তবে আগের শিডিউল অনুযায়ী ঈদের অন্য দিনগুলোতে চলাচল অব্যাহত থাকবে।শনিবার (২৯ মার্চ) মেট্রোরেলের স্টেশনগুলো ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের যে উপচে পড়া পরিস্থিতি ছিল, তা কমে গেছে। ট্রেনের প্রায় প্রতিটি কোচই সিটিং ছিল।যাত্রীরা বসে স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারছেন। কাউন্টারগুলোতেও ভিড় ছিল না। আর এ পরিস্থিতিতে যাত্রীরাও ভ্রমণ করে স্বস্তি পাচ্ছেন। মেট্রোরেলের তত্ত্বাবধানে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ জানায়, গেল বছরের মতো এবারও ঈদের দিন মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে।তবে ঈদের পরের দিন থেকে আগের শিডিউলে চলবে। রমজান মাসের শিডিউল আর থাকবে না।এমআর-২
    বনানীতে রাস্তায় মাঝখানে উল্টে গেল বাস, আহত ৪২ জন
    রাজধানীর বনানীতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আনা নেওয়া করা পরিস্থান পরিবহনের একটি বাস উল্টে ৪২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করে বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল সারোয়ার।তিনি বলেন, পরিস্থান পরিবহনের একটি বাস আজ ভোরে বনানী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় উল্টে যায়। বাসটি মূলত গার্মেন্টস শ্রমিকদের আনা নেওয়া করতো। আজ ভোরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে বাসটি গাজীপুর যাচ্ছিল। এর মাঝখানে বনানীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ৪২ জন গার্মেন্টস শ্রমিক আহত হয়েছেন। তবে ছয় জন বাদে বাকিরা তেমন গুরুতর আহত হননি। গার্মেন্টস মালিকপক্ষ আহত শ্রমিকদের দেখভাল করছে।  এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান রাসেল সারোয়ার।
    বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
    ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন এমআরটি লাইন-১ এর ভূগর্ভস্থ তিতাস গ্যাসের বিদ্যমান গ্যাস লাইন স্থানান্তর কাজের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।বুধবার (২৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমআরটি লাইন-১ এর জন্য ভূগর্ভস্থ গ্যাস পাইপলাইন অপসারণের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা নিকুঞ্জ-১, নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত এলাকা, কনকর্ড সিটি (নদীর পাড় পর্যন্ত), নামাপাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যমান সকল শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।উক্ত সময়ে আশেপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ‍্যাস কর্তৃপক্ষ।এমআর-২
    যশোরে শিশুকে যৌন নিপীড়ন, আ'লীগ নেতা গ্রেফতার
    যশোরের মণিরামপুরে চার বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আওয়ামী লীগের নেতা বাবর আলী ওরফে বাবুকে (৫০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি হরিহরনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তারপুর নয়ন মোড়ের বাসিন্দা। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটি বাবর আলীর বাড়িতে খেলতে যায়। এ সময় তিনি শিশুটিকে ঘরে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন চালায়। পরে মেয়েটি বাড়ি গিয়ে তার মাকে ঘটনাটি বলে দেয়।  পরে শিশুটির মা বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।  মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী জানান, সম্পর্কে ওই শিশুর প্রতিবেশী দাদা হন বাবর আলী ওরফে বাবু। যৌন নিপীড়নের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দের পর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এনআই
    ঈদে যশোরে বাবা-মেয়ে ও চাচা ভাইপোসহ সড়কে ঝরলো ৫ প্রাণ
    এবারের ঈদ উৎসবে যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা মেয়ে ও চাচা ভাইপোসহ ৫ জনের প্রাণহানী হয়েছে। ইদ পরবর্তী তিন দিনে যশোর সদর উপজেলার উপজেলার পুলেরহাট, চুড়ামনকাটির দাসপাড়া ও শার্শা উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামের সামনে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। নিহতরা হলেন- খুলনা নগরীর মুজগুন্নী আবাসিক এলাকার মিল্লাত আলী গাজীর ছেলে রুবেল (৩২), তার মেয়ে ঐশি (১০), চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের পুকুর বাগডাঙ্গা গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন (৫০), শার্শা উপজেলার বৃত্তিবারীপোতা গ্রামের  খলিলুর রহমানের ছেলে রাসেল হোসেন (২০) ও বিল্লাল হোসেনের ছেলে জাহিদ হোসেন (২২)। দুর্ঘটনায় রুবেলের স্ত্রী জেসমিন খাতুন (২৮) ও ৪ বছরের মেয়ে তায়েবাসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বাড়ি থেকে বের হয়ে মুহুর্তে তাজা প্রাণগুলো ঝরে যাওয়ার ভুক্তভোগী পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন রুবেল। সদর উপজেলার পুলেরহাট মোড়ে পৌঁছালে  যাত্রীবাহী একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ১৪-০২৫২) তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। আঘাতে তারা সড়কের ওপর ছিটকে পড়লে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে রুবেলের হোসেনের মেয়ে ঐশী  ঘটনাস্থলে মারা যান। রুবেলসহ তার স্ত্রী জেসমিন ও আরেক মেয়ে তায়েবাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছু সময় পর সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রুবেল। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভায়।নাভারণ হাইওয়ে থানার এস আই ইউসুফ শেখ জানান, ঈদ উপলক্ষে রুবেল তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে খুলনা থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে শার্শা উপজেলা শহরে শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পুলেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা- মেয়ে মারা যান। এদিকে, যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গ থেকে রাতে বাবা-মেয়ের মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহজারিতে বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। রুবেলের মা হাজেরা বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। একমাত্র ছেলে ও পুতনিকে হারিয়ে শোকে পাগল হাজেরা। কিছু সময় পর পর জ্ঞান ফিরলেই বিলাপ করছেন তিনি।রুবেলের বড় বোন আফরোজা হাউমাউ করে কাঁদছিলেন আর বলছিলেন, একমাত্র আদরের ভাই শখ করেছিল মোটরসাইকেলের। তাই দুই বোন মিলে তাকে মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম। সখের মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন শ্বশুর বাড়ি। ঘাতক বাস তার ভাই ও ভাইজির জীবন কেড়ে নিয়েছে। এই শোক কিভাবে সহ্য করবেন তারা। সব শেষ হয়ে গেছে। শুক্রবার সকালে জানাযা শেষে বাবা- মেয়ের লাশ গোয়ালখালী কবরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানা গেছে।  এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অজ্ঞাত বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন নিহত রুবেলের পিতা  মিল্লাত আলী। শুক্রবার তিনি যশোর কোতয়ালি  থানায় তিনি এ মামলা করেন।এর আগের দিন ২ এপ্রিল বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের শার্শা স্টেডিয়ামের সামনে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মারা যান মোটরসাইকেল চালক রাসেল হোসেন (২০) ও আরোহী জাহিদ হোসেন (২২)। তারা সম্পর্কে চাচা ভাইপো।শার্শা থানার ওসি কেএম রবিউল ইসলাম জানান, রাসেল ও জাহিদ মোটরসাইকেল যোগে নাভারন থেকে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। শার্শা স্টেডিয়ামের সামনে পৌঁছালে বেনাপোল অভিমুখি একটি প্রাইভেট কারের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের পিছনে সজোরে ধাক্কা দিলে তারা দুজন রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এতে মাথায় আঘাত লেগে ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয়।নাভারণ হাইওয়ে থানার ওসি রোকনুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি পালিয়ে যায়। প্রাইভেটকারটি আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে।এদিকে, শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে জাকির হোসেন চুড়ামনকাটি বাজারে সবজি বিক্রি করে ভ্যানযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে চুড়ামনকাটির দাসপাড়ায় পৌঁছালে ভ্যানের সামনে একটি ছাগল চলে আসে। চালক ওই ছাগল বাঁচানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটি সড়কের পাশে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় জাকির হোসেন ও মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসক জাকির হোসেনকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করেন। ঢাকায় যাওয়ার পথে জাকিরের মৃত্যু হয়।উল্লেখ্য, গত বছর ঈদুল ফিতরের উৎসবে যশোর সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। এছাড়া ২৩ জন আহত হয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।পিএম
    যশোরে ভ্যান উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
    যশোরে মোটরচালিত ভ্যান উল্টে জাকির হোসেন (৫২) নামে এক সবজি ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সদর উপজেলার চুড়ামনকাটির দাসপাড়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত জাকির চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের পুকুর বাগডাঙ্গা গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি সবজি বিক্রি করে ভ্যানে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে জাকির হোসেন চুড়ামনকাটি বাজারে সবজি বিক্রি করে ভ্যানযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। ভ্যানে আরও কয়েকজন যাত্রী ছিলো। পথিমধ্যে চুড়ামনকাটির দাসপাড়ায় পৌঁছালে ভ্যানের সামনে একটি ছাগল চলে আসে। চালক ওই ছাগল বাঁচানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটি সড়কের পাশে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় জাকির হোসেন ও মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।  চিকিৎসক জাকির হোসেনকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করেন। ঢাকায় যাওয়ার পথে জাকিরের মৃত্যু হয়। চুড়ামনকাটির সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই আব্দুর রউফ জানান, ভ্যান উল্টে দুইজন হতাহতের ঘটনাটি শুনেছেন। এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এইচএ
    নড়াইলে আদর্শ সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যাপীঠে ৫০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত
    নড়াইলের কালিয়ার খাশিয়াল আদর্শ সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যাপীঠ এ দুইদিনব্যাপী ৫০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতিত্ব করেন সুবর্ণ জয়ন্ত উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বিশ্বাস। এসময় প্রধান অতিথি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিগত দিনে এই এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হয়নি। লুটপাট দুর্নীতি রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিলো। বিএনপি সরকার গঠন হলে এই এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হবে।কর্মসূচির অংশ হিসেবে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার মোল্লা, মুন্সি মানিক মিয়া ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এইচ এম বাহাউদ্দিন, সমাজসেবক আসজাদুর রহমান মিঠু, খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম বরকতউল্লাহ।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমার দাস।এনআই
    চুয়াডাঙ্গা ভৈরব নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী কার্পাডাঙ্গা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রমের ভৈরব নদীতে ডুবে তিন বছরের শিশু লামিয়ার মৃত্যু হয়েছে। শিশু লামিয়া ওই গ্রামের জামাল উদ্দীনের মেয়ে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ভৈরব নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানায়, শিশুটি ভৈরব নদীর ধারে তার ভাই জিহাদ হোসেনের সাথে খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে তার ভাই জিহাদ বাড়ী চলে গেলেও শিশুটি একাই খেলছিল। কোন এক সময় শিশুটি অসাবধানতা বসত পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে। দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, আমি এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছু জানিনা। খোঁজ নিয়ে দেখছি।এনআই
    বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, সালিশে অভিযুক্ত বৃদ্ধকে কান ধরিয়ে উঠবস
    চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বাকপ্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আজিজ (৫৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তবে এই গুরুতর অপরাধের বিচার আদালতে না গিয়ে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ১০ বার কান ধরে ওঠবস, মাটিতে সিজদা এবং সমাজচ্যুত করার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়ার চরতী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ব্রাহ্মণডেঙ্গা গ্রামে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে বাকপ্রতিবন্ধী ওই নারী তার বসতঘরে একা ছিলেন। এই সুযোগে অভিযুক্ত মো. আজিজ ঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ধস্তাধস্তির আওয়াজ শুনে তার ভাই এবং আশপাশের লোকজন এসে আজিজকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। তবে একপর্যায়ে সে কৌশলে পালিয়ে যায়।পরদিন (২ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠকে অভিযুক্ত আজিজকে ১০ বার কান ধরে ওঠবস, মাটিতে সিজদা, ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং সমাজ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।সালিশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন, গণ্যমান্য ব্যক্তি আবদুল মন্নান, জামাল উদ্দিন, মোরশেদুল আলম টিপু, নুরুল আলম সওদাগর, আলী নবী লেদু প্রমুখ।স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন সময়ের কণ্ঠস্বর-কে বলেন, "উভয়পক্ষের সম্মতিতে আমরা একটি সালিশ করেছি। অভিযুক্ত মো. আজিজকে ১০ বার কান ধরে ওঠবস, মাটিতে সিজদা, ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া তাকে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।"তবে ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তারা জরিমানার টাকা গ্রহণ করেননি। ভুক্তভোগীর বড় ভাই সময়ের কণ্ঠস্বর-কে বলেন, "আমার বোনের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আজিজ তার ওপর নির্যাতন চালানোর চেষ্টা করেছিল। এর আগেও সে কয়েকবার আমার বোনকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমরা তখন প্রমাণসহ ধরতে পারিনি। এবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর সমাজপতিরা সালিশি বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেন।"এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জজকোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ হোসাইনী সময়ের কণ্ঠস্বর-কে বলেন, এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সালিশি বৈঠক কোনোভাবেই যথাযথ বিচার হতে পারে না। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী, ধর্ষণচেষ্টা একটি গুরুতর অপরাধ। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (৪) (খ) ধারায় বলা হয়েছে, "যদি কেউ কোনো নারীর শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণের চেষ্টা করে, তবে তিনি অনূর্ধ্ব ১০ বছর বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।"একই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাহেদুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বর-কে বলেন, "এ বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা এবং নেটিজেনরা এই সালিশি রায়ের কঠোর সমালোচনা করেছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধ কেবল কান ধরে ওঠবস আর সামান্য অর্থদণ্ডের মাধ্যমে মীমাংসা করা যায় কি? কেউ কেউ বলছেন, এই ধরনের সালিশি রীতির কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায় এবং সমাজে অপরাধের প্রবণতা বাড়ে।মানবাধিকার কর্মী কানিজ ফাতিমা আফরিন বলেন, ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার মতো অপরাধের বিচার শুধুমাত্র আদালতে হওয়া উচিত। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন এবং অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হয়।এনআই
    লোহাগাড়ায় বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু
    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিষপানে আকতার জাহান (২৮) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের মনির বাপের ভিটায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে স্ত্রী মৃত্যুর সাথে সাথে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে তার স্বামী।আকতার জাহান ওই এলাকার সোলেমান রুবেলের মেয়ে ও ২ সন্তানের জননী। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুরের পরপরই বিষ পানের একজন রোগী নিয়ে আসে রোগীর স্বজনরা এবং দ্রুত যাবতীয় ইমার্জেন্সি চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরক্ষণে নিয়মিত চিকিৎসার জন্য বেডে নেওয়ার পথে হঠাৎ লুটিয়ে পড়ে এবং সেখানেই মারা যায়।স্থানীয়রা জানিয়েছে, রোগী মারা যাওয়াতে তার স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে রোগীর সাথে আসা শাশুড়িকে মারধর করে, সেটা দেখে স্বামী পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে নিহতের স্বামীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।লোহাগাড়া থানার এসআই জাহেদ হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আকতার জাহান নামের এক গৃহবধূর লাশ থানা হেফাজতে আনা হয়েছে, লাশ রেখে স্বামী পালিয়ে যাওয়াতে বিষয়টি সনাদেহজনক মনে হচ্ছে।ময়না তদন্ত রিপোর্টের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে, পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।এনআই
    মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী সীমান্ত নাথ (২৪) নামের এক যুবক এবং ইয়াসমিন জুথি (১৯) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। শুক্রবার ( ৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মিঠাছরা ও রাত সাড়ে ৮টায় বড়তাকিয়া বাইপাস এলাকায় দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তেতৈয়া এলাকার শ্যাম সুন্দর মহাজন বাড়ির শিবু চন্দ্র নাথের ছেলে সীমান্ত নাথ ও উপেজলার নিজামপুর এলাকার ইয়াসিনের স্ত্রী, এসএসসি পরীক্ষার্থী সাদিয়া ইয়াসমিন জুথি।নিহতের স্বজন রুপন চন্দ্র নাথ জানান, শুক্রবার বিকেলে সিমান্ত মোটরসাইকেলযোগে সীতাকুণ্ড তার এক স্বজনের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে মিঠাছরা বাজারের উত্তর পাশে মুচি পোল এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সে গাড়ি থেকে পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।তিনি আরও বলেন, সীমান্তের জোরারগঞ্জ আবুরহাট সড়কে একটি ফ্রিজ মেকানিকের দোকান রয়েছে। এতো তারাতারি তাকে হারিয়ে ফেলবো কখনো চিন্তা করিনি।বিষয়টি নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন বলেন, শুক্রবার বিকেলে নিজের  মোটরসাইকেল (চট্ট মেট্রো-হ ১৮-৭২৩৮) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিমান্ত দেব নাথ নামের একজন নিহত হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।এদিকে, একইদিন রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলার বড়তাকিয় বাইপাস এলাকায় বাসের ধাক্কায় সাদিয়া আফরিন নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।সাদিয়ার স্বামী ইয়াসিন জানান, শুক্রবার আমার বাসা থেকে জুথি বড়তাকিয়া দুয়ারু এলাকার তাঁর নানু বাড়ি যাচ্ছিল। বাস থেকে নেমে ব্যাটারিচালিত রিকসাযোগে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্বায় সে মারা যায়। এক ছোট ভাই আমাকে খবর দেয়। সে এবার আবুল কাশেম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।ফৌজদারহাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম জানান, বড়াকিয়া বাইপাস এলাকায় দুর্ঘটনায় একজন নিহতের খবর শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।এনআই
    চট্টগ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৪
    চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাস এলাকায় স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চার জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন- টাইগারপাস পলোগ্রাউন্ড কলোনি এলাকার বিপ্লব (৩১), নূর নবী (২৬), খয়বার আলী (২৮) ও পলোগ্রাউন্ড মেস কোয়ার্টার এলাকার মো. সাইফুল (৩০)।প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় টাইগারপাস মোড়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. বাবুর অনুসারীদের সাথে চাঁদার বিষয় নিয়ে টাইগারপাস পলোগ্রাউন্ড কলোনি এলাকার মো. বিপ্লব ও নূর নবীসহ কয়েকজন বিএনপি সমর্থকের বাকবিতন্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় মো. বাবুর অনুসারীরা অপর পক্ষের কয়েকজনকে পিটিয়ে জখম করে।এ বিষয়ে আহতদেরকে চমেক হাসপাতালে আনায়নকারী মো. রফিক মিয়া জানান, কোতোয়ালি থানাধীন টাইগারপাস পুলিশ ফাঁড়ির সামনে বিএনপির নেতারা আহতদের কাছে চাঁদা দাবি করলে তারা দিতে অস্বীকার করেন। এসময় বিএনপির নেতারা কয়েকজনকে পিটিয়ে জখম করে। আমি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসি। এ ঘটনায় আহতদের স্বজনরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। এনআই
    তিতাসে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, বাবা-ছেলে আটক
    কুমিল্লার তিতাসে ঠোঁট কাটা রুবেল নামে এক যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলার গাজীপুর এলাকার বাস্তুহারা কলোনীতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘকটনায় অভিযুক্ত সুন্দর আলী ও তার বাবা জয়নাল আবেদীনকে আটক করেছে তিতাস থানা পুলিশ।নিহত রুবেল একই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তার বড় ভাই মো. বিল্লাল হোসেন গাজীপুর খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে দপ্তরি পদে কর্মরত।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বাস্তুহারা কলোনীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রুবেলের সঙ্গে অভিযুক্ত সুন্দর আলীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সুন্দর আলী ক্ষিপ্ত হয়ে রুবেলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে হত্যা করে।এলাকাবাসী জানায়, রুবেল ও অভিযুক্তদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এ ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সুন্দর আলী ও তার বাবা জয়নালকে আটক করে।তিতাস থানার ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের পরিবার মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।’এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।পিএম
    সাবেক ডিএমপি কমিশনারের অবৈধভাবে দখলে থাকা জমি উদ্ধার করল আদালত
    ঘুষ-দুর্নীতিতে আলোচিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে প্রায় একযুগ পর জমির প্রকৃত মালিককে দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর উপজেলার গোপালপুর বাজারে বেদখল জমি পরিমাপ করে লাল নিশানা টাঙিয়ে দেন আদালতের পক্ষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এরপর আছাদুজ্জামানের তৈরি অবৈধ দখল মুক্ত করতে ভেকু দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন। শেষে উদ্ধার হওয়া ১৫ শতাংশ জমি ঢাক-ঢোল পিটিয়ে প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেন।জমির প্রকৃত মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম নাসির উদ্দিন আহমেদের ছেলে এসএম রেজওয়ান জানান, গত ৯৭ সালে স্থানীয় মোসলেম গংদের কাছ থেকে উক্ত ১৫ শতক জমি ক্রয় করে দখল গ্রহণ করি। এরপর ২০১৬ সালে তৎকালীন পুলিশের ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় আমাদের নামে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে রাতারাতি আসাদুজ্জামান মিয়া ওই জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের আশীর্বাদপুষ্ট ও পুলিশের ডিএমপি কমিশনার হওয়ায় আমরা আছাদুজ্জামানের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারিনি। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দীর্ঘ ৯ বছর পরে আদালত অবৈধ দখলমুক্ত করে আমাদের নিকট হস্তান্তর করেছেন।পিএম
    কালিয়াকৈরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কন্যা নিহত, বাবা আহত
    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের শিলাবৃষ্টি তেলের পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটেছে।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে উল্লেখিত স্থানে ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে বাবা ও কন্যা মোটরসাইকেলে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। পথিমধ্যে কালিয়াকৈরের সূত্রাপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৬ বছরের কন্যা নিহত হন, বাবা গুরুতর আহত হন।পরে স্থানীয়রা আহত বাবাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। নিহত কিশোরীর মরদেহ হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।কালিয়াকৈর থানার ওসি (তদন্ত) জুবায়ের আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। হাইওয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত কন্যার পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।পিএম
    কোটালীপাড়ায় বিএনপির নেতাকে পিটিয়ে আহত
    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পূর্ব শক্রতাও বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকার কারণে বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার (৪১)সহ ৪জনকে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষ। গুরুতর আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।এ ঘটনায় মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় লেবু শেখসহ ৯জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আজিজুল শেখ নামে একজনকে আটক করেছে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার (৩এপ্রিল) উপজেলার বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নের ২৫ নং হরিনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগসূত্রে জানাগেছে, বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদারের সাথে একই এলাকার লেবু শেখের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল। এরই সুত্রধরে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোঃ শহিদুল ইসলাম ও তার এক চাচাসহ তিন ভাই মাগরিবের নামাজ শেষে ২৫ নং হরিনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে পৌছালে লেবু শেখ(৪৮) লোকজন নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার(৪১), তোকাম শিকদার (৪৮), আসাদুল শিকদার (২১), ফেরদৌস শিকদার (২৪) গুরুতর আহত হয়। আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার বলেন, আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকার কারণে লেবু শেখ লোকজন নিয়ে আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যের উপর হামলা চালিয়েছে। লেবু শেখসহ অন্য আসামীরা সকলেই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশে আমার উপরে এ হামলা চালানো হয়েছে। তাই আমি প্রশাসনের নিকট অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।এ ব্যাপারে লেবু শেখের বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে লেবু শেখের ভাইপো বাচ্চু শেখের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, শুনেছি গতকাল সন্ধ্যায় মসজিদে দুই পক্ষের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে। এ ঘটনার সময় আমার স্বামী বাচ্চু শেখ ঘটনাস্থলে ছিল না। সে গতকাল ঢাকায় চলে গেছে।কোটালীপাড়া থানার এস আই উত্তম কুমার সেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে আজিজুল শেখ নামে একজনকে গ্রেফতার করেছি। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।এইচএ
    মানিকগঞ্জে কার্টুনের ভেতর থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
    মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের এগারশ্রী এলাকায় একটি কার্টুনের ভেতর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মিতরা-বরুন্ডী আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি কার্টুন দেখতে পান এলাকাবাসী। সন্দেহ হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য চিত্ত রঞ্জন সরকারকে জানানো হয়। তিনি গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে কার্টুন থেকে দুর্গন্ধ এবং রক্ত বের হতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. হোসেন আলী বলেন, ‘মেম্বার আমাকে ফোনে জানালে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশের ঝাড় থেকে কার্টুনটি তুলে রাস্তায় রাখি। পরে পুলিশ এসে সেটি খুলে দেখতে পায় ভেতরে এক নারীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ রয়েছে।’খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ওসি এস এম আমান উল্লাহ জানান, ‘সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট পরিচয় শনাক্তের কাজ করছে। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’এইচএ
    কালকিনিতে শেষ রাতে হামলা, ঘরে ঢুকে হাত কর্তন দুর্বৃত্তদের
    মাদারীপুরের কালকিনিতে শেষ রাতে হামলা চালিয়ে  ঘরের জানালা দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে ইউনুস সরদার নামের এক ব্যক্তির হাত কর্তন করেছে  দুর্বৃত্তরা। আর পিটিয়ে আহত করা হয় তার স্ত্রীকেও। স্ত্রী শঙ্কামুক্ত হলেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইউনুস সরদারকে (৪৫) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ইউনুস কালকিনি উপজেলার সিডিখান ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ডিমচর গ্রামের মফেজ সরদারের ছেলে।পুলিশ, ভুক্তভোগীর পরিবার  ও স্থানীয়রা জানায়, স্থানীয় মৎস পেশাসহ গ্রাম্য দলাদলী ও রাজনীতির সাথে জড়িত আনেক আগে থেকেই ইউনুস সরদার। সেই সূত্রে তার সাথে অনেকের রয়েছে সত্রুতাও।আজ শুক্রবার ( ৪ এপ্রিল) ভোররাতে একদল দুর্বৃত্ত ইউনুস সরদারের বসতঘরের জানালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়িঘর তছনছ করে তারা। কুপিয়ে জখম করা হয় ইউনুসকে। বিচ্ছিন্ন করা হয় ডান হাতের নিচের অংশ। বাঁধা দিলে তার স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত  করা হয়। তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে ইউনুসকে উদ্ধার করে প্রথমে পাশ্ববর্তী বরিশালের গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে পাঠানো হয় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজে।আহত ইউনুসের চাচা সহিদ সরদার বলেন, ‘ইউনুস আমার বংশের ছেলে। পাশাপাশি আমাদের বাড়ি। পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে তবে রাতের বেলায় ঘটনা হওয়ায় বিষয়টি এখনো পরিষ্কার বলা যাচ্ছে না।’কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, ‘কে বা কারা এই হামলা চালিয়ে এখনো জানা যায়নি। এলাকার আধিপত্য নাকি পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ঘটনা, তা তদন্তের পরে বলা যাবে।এইচএ
    বাউফলে মাদ্রাসার নৈশ প্রহরীর উৎপাত থেকে রেহাই পেতে মানববন্ধন
    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দ্বিপাশা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী যুবলীগ নেতা মো. শাহাজাদার উৎপাতে অতিষ্ট এলাকাবাসী। এলাকায় মাদক বাণিজ্য, সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত, একাধিক ব্যক্তিকে হুমকি, হয়রানী ও মারধর করায় শাহাজাদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে দ্বিপাশা বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত হোসেন রাজিব, মদনপুরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জিয়া উদ্দিন মাহমুদ, নিজাম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম রনি, আবদুর রহমান ও আবু সালেহ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে শাহাজাদা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শাহজাহান সিরাজের ক্যাডার হিসেবে কাজ করেছেন। বিগত দিনে দ্বিপাশা এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর স্বশস্ত্র হামলা  করেছেন। এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উপহার হিসেবে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আসম ফিরোজ তাকে (শাহাজাদা) দ্বিপাশা মাদ্রাসায় নৈশ প্রহরীর চাকরি দেন। চতুর্থ শ্রেণির চাকরি করলেও শাহজাদা ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে পুরো মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। তার স্ত্রী মহিলা ইউপি সদস্য হওয়ায় জেলা পরিষদ থেকে মাদ্রাসার নামে বরাদ্দ এনে তা কাজ না করে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও মাদ্রাসায় বসে মাদক ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর শাহজাদা বীরদর্পে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এলাকাবাসীকে হুমকি ধামকি দিয়ে তিনি মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার কারনে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে। মানববন্ধনে শাহজাদার অবৈধ নিয়োগ বাতিল সহ তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়ার  দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।এইচএ
    ভোলায় অস্ত্র ও বোমাসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক
    মো. সবুজ, ভোলা: ভোলায় ১টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২১টি হাত বোমা ও ৫৬৯টি ইয়াবাসহ ৫ জন সন্ত্রাসীকে আটক করা করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিন জোন।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মধ্যে রাতে উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়ন থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।দুপুর ১২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রিফাত আহমেদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।আটককৃতরা হলেন- মো. জাহাঙ্গীর (৬৫), মো. মঞ্জু (৩৫), মো. জিয়া (৩০), আব্দুল আব্বাস (৩০) ও মো. সেলিম (২৬)। তারা সবাই ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোস্টগার্ড জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে একদল দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ভেদুরিয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলো। স্থানীয়রা কোস্ট গার্ডের শরণাপন্ন হলে কোস্ট গার্ড উক্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার মধ্যে রাতে একটি অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২১টি হাত বোমা, ৫৬৯ পিস ইয়াবা ও নগদ ৪৪ হাজার ৫১০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে সব আলামতসহ আটককৃতদের ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।ছবি- সংযুক্ত মো. সবুজ, ভোলা
    দ্বিতীয় বিয়ে মেনে না নেওয়ায় স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে আত্মহত্যা
    বরগুনার তালতলীতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন। প্রথম স্ত্রী স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে মেনে না নেওয়ায় এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের চাউলাপাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- মো. ইকবাল (২০) পাশ্ববর্তী বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষীপুরা গ্রামের শুক্কুর হাওলাদারের ছেলে। এবং ডিভোর্সী লামিয়া (২০) পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের পূর্ব সুবেদখালী গ্রামের জাফর ফকিরের মেয়ে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইকবাল ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকুরী করতে করতেন। সেখানে প্রেমের সম্পর্কে মাধ্যমে দুই বছর আগে ভোলা জেলার নাজমা আক্তারকে বিয়ে করেন। পরে প্রথম স্ত্রী নাজমা আক্তারকে বাড়িতে রেখে ফের নিজ কর্মস্থল ঢাকায় যান ইকবাল। পরে সেখানে কাজের সুবাদে পরিচয় হয় ডিভোর্স প্রাপ্ত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার লামিয়ার সঙ্গে। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে গত নয় মাস আগে বিয়ে করেন তারা। এরপর ঈদের ছুটিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে এলে প্রথম স্ত্রী স্বামী ইকবালের দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নেননি। এছাড়াও প্রথম স্ত্রী স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। এ অবস্থায় ইকবাল নিজের বাড়িতে উঠতে না পেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তালতলী উপজেলার চাউলাপাড়া গ্রামের রহিম ডাক্তার বাড়িতে উঠেন। রহিম ডাক্তার ইকবালের বোনের শ্বশুর। ওই বাড়ির একটি কক্ষেই তারা আত্মহত্যা করেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহত ইকবালের বাবা শুক্কুর হাওলাদার বলেন, আমার ছেলে ঢাকায় কাজ করতেন। সেখানে তিনি নিজে নিজে দুই বছর আগে প্রথম স্ত্রী নাজমা আক্তারকে বিয়ে করেন এবং গত ৮-৯ মাস আগে লামিয়াকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। পরে দ্বিতীয় স্ত্রী লামিয়াকে নিয়ে বেয়াই বাড়িতে আসেন এবং সেখানে আত্মহত্যা করেন।এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুজনেই আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে অন্য কোনো বিষয় থাকলে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পুলিশের তদন্তসাপেক্ষে জানা যাবে বলেও জানান তিনি।পিএম
    বরিশালে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের টাকা ফেরত দিল বিআরটিএ
    ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের বাস কাউন্টারগুলোতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসন।ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কাছ থেকে পরিবহনগুলো যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৮০ ধারা লঙ্গন করার অপরাধে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সত্যতা পাওয়ায় করিম গ্রুপের গোল্ডেন লাইন পরিবহনের টিকিট কাউন্টারে ৫ হাজার টাকা এবং একই আপরাধে লাবিবা ক্লাসিক পরিবহনের কাউন্টারে ৫ হাজার টাকা, হানিফ পরিবহনের টিকিট কাউন্টারে ৩ হাজার টাকা। মোট তিনটি টিকিট কাউন্টারকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সমাপ্তি রায়। এসময় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, বরিশাল বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ঈদ উপলক্ষে বা কোনো অজুহাতে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কিনা, তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আমাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ বরিশালের বাস কাউন্টারগুলোতে বিআরটিএ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হয়।অভিযানে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায়কৃত অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।অন্যদিকে জেলার ঢাকা- বরিশাল মহাসড়কে গৌরনদীতেও ফিটনেস বিহীন বাসের ও টিকিট কাউন্টার গুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।পিএম
    কুয়াকাটায় সৈকত দখল করে মার্কেট নির্মাণ, ঝুঁকিতে পর্যটকরা
    সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ভবনটিকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে কুয়াকাটা পৌর কর্তৃপক্ষ। সৈকতের মালিক সরকার, কোন ব্যক্তি নয়- এমন ঘোষণাও দিয়েছে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন। এমন নিষেধাজ্ঞ উপেক্ষা করেও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত দখল করে চলছে মার্কেট নির্মানের কাজ। টিন, কাঠের মাচার উপরে কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে করা হচ্ছে দ্বিতীয় তলায় আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টের কাজ। সৈকতের জমি নিজের দাবী করে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ করছেন সাজিদুল ইসলাম হিরু মিয়া। এনিয়ে স্থাপনার ব্যবসায়ীরা আতংকিত হলেও, নিরুত্তাপ জমি ও ভবনের মালিক দাবীদার হিরু মিয়া।সরেজমিনে দেখা যায়, কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্টে পশ্চিম পাশের প্রায় দুইশো ফুট লম্বা টাইলস মার্কেট। মার্কেটটি পুরোপুরি সৈকতের ভিতরে। জোয়ারের পানি আচড়ে পড়ছে মার্কেটে। এখানে রয়েছে ৪০টির বেশি দোকান। এটিকে আরো ২০-৩০ ফুট বর্ধিত করা হচ্ছে। নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে সৈকতের বালু। লোহার পাত আর কাঠ দিয়ে তৈরী করা হলেও তার উপরেই ঢালাই দিয়ে দোতলায় নির্মান করা হচ্ছে আবাসিক হোটেল।   নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ওই মার্কেটের এক দোকানি জানান, বর্ষায় ঢেউ এসে আচড়ে এই মার্কেটের এক পাশে। এতে ঝুকিতে থাকতে হয় আমাদের। মার্কেটটি আরো বড় করা হচ্ছে। উপরে ঢালাই দেয় হচ্ছে। এতে যেকোনো সময়ে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ নিয়ে কথা বললে আমাদেরকে মার্কেট থেকে বের করে দিবে।কুয়াকাটা ট্যুর গাইড এসোসিয়েশনের সভাপতি কে.এম বাচ্চু বলেন, কুয়াকাটাতে স্থায়ী কোনো মার্কেট না থাকায় এই মার্কেটটি কিছুটা হলেও পর্যটকদের প্রসাধনী কেনায় গুরুত্বপূর্ন স্থান হিসাবে বিবেচিত। তবে মার্কেটিকে পৌর কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করে সাইনবোর্ড দিয়েছে। সৈকতের মধ্যে মার্কেটিকে বর্ধিত করছেন। সৈকত দখল করার কারনে সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। স্থাপনা ঝুকিপূর্ন নয় প্রকৌশলীর পরামর্শ নিয়ে কাজ করা হয়েছে এমন দাবী করে মালিক দাবিদার সাজিদুল ইসলাম হিরু মিয়া বলেন, এই জমির মালিক আমি। আমার জমির অনেকাংশ সমুদ্রের মধ্যে রয়েছে। এটা নিয়ে প্রশাসনের সাথে বার বার বৈঠক হয়েছে। আবারও হবে। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়ামিন সাদেক বলেন, সমুদ্র সৈকতের মালিক একমাত্র সরকার। এখানে ব্যক্তি মালিকানার কোনো সুযোগ নেই। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।  এনআই
    ভালুকায় মোটরসাইকেল চাপায় বৃদ্ধ নিহত
    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় এক মোটরসাইকেল চাপায় মোফাজ্জল হোসেন খান (৭৮) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভালুকার ভরাডোবা-ঘাটাইল সড়কে বান্দিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা পার হচ্ছিলেন বান্দিয়া গ্রামের মৃত নূর হোসেন খানের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন খান। এ সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে জরুরি ভিত্তিতে ভালুকা সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনার পর মোটরসাইকেল চালক যানবাহন ফেলে রেখে পালিয়ে যান।ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামছুল হুদা খান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং চালককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।স্থানীয়রা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালনা ও বেপরোয়া যানচলাচলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।পিএম
    দুই কানের হেড ফোনই কাল হলো, প্রাণ গেল যুবকের
    জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রেললাইনে দাঁড়িয়ে দুই কানে হেড ফোন লাগিয়ে কথা বলার সময় ট্রেনের উপস্থিতি টের না পাওয়াতে ট্রেনের ধাক্কায় মেহেদী মাহাদ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাউসী পপুলার মোড় এলাকায় বাউসী রেলওয়ে ব্রীজ থেকে একশো গজ দক্ষিণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত মেহেদী মাহাদ পৌরসভার শিমলা পল্লী গ্রামের ইতালি প্রবাসী মো. লাঞ্জু মিয়ার ছেলে। মেহেদী মাহাদ এবার সে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছেন।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেহেদী বৃহস্পতিবার বিকালে বাউসী পপুলার এলাকায় ঘুরতে এসে বাউসী রেলওয়ে ব্রীজের একশো দক্ষিণে রেললাইনের পাশে স্লিপারের উপর দাঁড়িয়ে পশ্চিম দিক হয়ে দুই কানে হেডফোন লাগিয়ে কথা বলছিলেন। এমন সময় তারাকান্দি হতে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাউসী রেলওয়ে ব্রীজ অতিক্রম করছিল। ট্রেন চালক একাধিকবার বাঁশি দিলেও শুনতে পায়নি মেহেদী। যখন সে বুঝতে পারে তখন ট্রেনটি তার সম্মুখে এবং ঘুরে তাকানোর সাথে সাথেই ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে ট্রেন চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মেহেদী মারা যায়। তার এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিহত যুবকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।এ-বিষয়ে সরিষাবাড়ী রেলওয়ে ফাঁড়ির এএসআই আশীষ চন্দ্র দে বলেন, ‘সন্ধ্যায় ঢাকাগামী অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে নিহত হয়েছে। এখনো তার পরিবারের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    দেওয়ানগঞ্জে পলিথিন বর্জ্য থেকে পেট্রোল ও ডিজেল তৈরি
    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী তে উদ্যোক্তা গোলাম মোস্তফা   তিনি পরিত্যক্ত পলিথিন বর্জ্য থেকে তৈরি করছেন ডিজেল ও পেট্রোল । শিগগিরই পোড়া পলিথিনের কালি থেকে ছাপাখানা, প্রিন্টার ও ফটোকপির কালি উৎপাদনও শুরু করবেন বলে জানান গোলাম মোস্তফা।  দেশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি পলিথিন থেকে রক্ষা পাওয়ার এই উদ্যোগে বেশ খুশি স্থানীয় লোকজনসহ অনেকেই। তাঁর এই অভূতপূর্ব উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা। সহযোগিতা পেলে বর্তমান কারখানাটিকে আরও বড় পরিসরে এবং দেশের ৬৪ জেলায় অনুরূপ কারখানা স্থাপনের স্বপ্ন দেখেন এই পল্লী চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা।আমাদের দেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিথিন বর্জ্য। দৈনন্দিন জীবনে পলিব্যাগ ও পলিপ্যাকেট অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ হওয়ায় এইসব পরিত্যাগ করা যাচ্ছে না। আবার সহজে পচনশীল না হওয়ায় ব্যবহৃত পরিত্যক্ত পলিথিন ও প্লাস্টিক যত্রতত্র ফেলার ফলে আমাদের চারপাশের নদী-নালা, খাল-বিলসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ঊর্বরা শক্তি হ্রাসসহ নানাভাবে চারপাশের ভূমিকে দূষিত করছে। ফলে আমাদের চারপাশের সামাজিক পরিবেশ এই পলিথিন বর্জ্যের কারণে আজ মারাত্মক হুমকির মুখে।হুমকি থেকে সামাজিক পরিবেশ রক্ষায় এবং পেট্রোল ও ডিজেলের  মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সম্পদ উৎপাদন এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ায় বেশ খুশি গোলাম মোস্তফা নিজেও। সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরিত্যক্ত পলিথিন ও প্লাস্টিক থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন দেখতে প্রতিদিন তাই উৎসুক মানুষ ভিড় করছে তার নিজ বাড়িতে।  বৃহস্পতিবার( ৩ এপ্রিল)  নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন ও ডেমোনেস্ট্রেশন এর মাধ্যমে এসব কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১৬ সন থেকে আমি এ উদ্যোগটি গ্রহণ করি। বর্তমানে মোস্তফার  কারখানাটিতে প্রতিদিন ৬০ কেজি পরিত্যক্ত পলিথিন পুড়িয়ে ৩০-৩৫ লিটার পেট্রোল ও ডিজেল  উৎপাদন করছেন। এই পরিমাণ উৎপাদনে সর্বসাকল্যে তার ব্যয় হচ্ছে ৮ শ থেকে ১ হাজার টাকা। দৈনিক নিট মুনাফা হচ্ছে ৩ থেকে ৪ হাজার।  আগামীতে কালি উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করলে লাভের মুনাফার সাথে অতিরিক্ত টাকা যোগ হবে। কারখানাটি স্থাপনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। তাঁর এই কারখানায় কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে ৩-৫ জন পুরুষ ও নারী শ্রমিকের।পলিথিনকে সামাজিক পরিবেশ, মাটি, পানি ও বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ উল্লেখ করে তিনি জানান, পলিথিন বর্জ্যকে উচ্চমাত্রায় হিট দেওয়ার ফলে পলিথিনের হাইড্রোকার্বনের চেইন ভেঙে যায়। হাইড্রো কার্বনের চেইন ভেঙে যাওয়ার ফলে লিকুইড গ্যাস তৈরি হয়। সেই লিকুইড গ্যাস ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে প্রতিটি চেম্বার হয়ে কলিন কনডেনসারে প্রবেশ করে আস্তে আস্তে ঠান্ডা হয়ে পেট্রোল, ডিজেল ও পেট্রোল  আলাদা হয়ে যায়। পেট্রোল ও ডিজেল  আলাদা হয়ে ওয়াটার ফিল্টারের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়ে চেম্বারের যে জ্বালানির জায়গা আছে, সেখানে গিয়ে জমা হয়।পলিথিন থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় পাইরোলাইসিস প্রসেস। এই প্রক্রিয়ায় পলিথিন বা প্লাস্টিককে উচ্চ তাপমাত্রায় বিক্রিয়া ঘটিয়ে পলিথিনের অণুগুলো আলাদা করা হয়। যার মাধ্যমে তরল গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই তরল গ্যাস আস্তে আস্তে তাপমাত্রা  হ্রাস হওয়াতে ঘনীভূত হতে শুরু করে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পৌঁছানোর পর এই তরল গ্যাস পেট্রোল ও ডিজেলে পরিণত হয়ে আলাদা আলাদা পাত্রে জমা হতে থাকে।তিনি জানান, বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) এর মান নির্ণয়ের ফলাফলে পলিথিন থেকে উৎপাদিত এই জ্বালানি তেলের মান হচ্ছে ৯৩.৫৬। যা নর্মাল জ্বালানি থেকে ১.৫৬ পার্সেন্ট জ্বালানি ক্ষমতা বেশি এবং পুরোপরি লো কার্বনের জ্বালানি। এতে করে নর্মাল জ্বালানির চেয়ে বেশি রান করে যানবাহন। আর এই জ্বালানি পরিবেশের জন্য পুরোপুরি ক্ষতিমুক্ত।এই কারখানা পরিচালনায় তিনি সবার সহযোগিতা পাচ্ছেন উল্লেখ করে বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের তিনিও তার কারখানা ভিজিট, পরামর্শ ও সহযোগিতা উন্মুক্ত রেখেছেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি। তবে নতুন কিছু শুরুর আগে বুঝে শুনে শুরু করার আহ্বান তাঁর।নিজেদের এলাকায় ব্যতিক্রমী ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়, এমন একটি কারখানা গড়ে ওঠায় বেশ খুশি এলাকার লোকজনও। তারা এই উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তাকে সাধুবাদ জানান। আবার হাতের নাগালে সাশ্রয়ীমূল্যে জ্বালানি তেল পাওয়ায় খুশ ক্রেতারাও।এ বিষয়ে সানন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক কবি আজিজুর রহমান জানান, সানন্দবাড়ী তথা দেশের বিভিন্ন স্থানে পলিথিন ও  প্লাস্টিক বর্জ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এগুলো পরিবেশের জন্য অত্যন্ত হুমকি স্বরুপ। এ সমস্ত পলিথিন,  প্লাস্টিক বর্জ্য গলিয়ে ডিজেল, পেট্রোল ও জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগটি সুন্দর তবে সেটি পরিবেশ সম্মত হলে ভালো হয়।ময়মনসিংহ সরকারি মোমিনুননেছা মহিলা কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম আকন্দ  বলেন, পরিবেশের জন্য যদি এটা উপকারী হয়, পরিবেশবান্ধব কিনা এটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার। এ বিষয়ে ঢাকা মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম জানান, বিকল্প পদ্ধতিতে উৎপাদিত এই জ্বালানী বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উপযোগী কিনা এবং পরিবেশগতভাবে ক্ষতিকারক কিছু আছে কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার।  এক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রয়োজন।পলিথিন বর্জ্য পরিবেশের জন্য বড় একটি সমস্যা  এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ( অতিরিক্ত দায়িত্ব)  অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির বলেন, পলিথিন বা প্লাস্টিক বর্জ্য হতে জ্বালানী পদার্থ যথা ডিজেল, পেট্রল বা অক্টেন উৎপাদনে পারভেজের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। এ ধরণের উৎপাদন বানিজ্যিকভাবে করা গেলে তা যেমন পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক হবে তেমনি জ্বালানীর চাহিদা পূরণেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তবে এটা পরিবেশবান্ধব কিনা ।এনআই
    নেত্রকোনায় মোটরসাইকেলের চাপায় পথচারী নিহত
    নেত্রকোনায় মোটরসাইকেলের চাপায় মো. রফিকুল ইসলাম (৫৮) নামের এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সাড়ে দশটায়  এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো: কাজী শাহনেওয়াজ।এর আগে বুধবার রাত ১টায় নেত্রকোনা পৌর শহরের নাগড়া এলাকার খন্দকার নিকেতনের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।নিহত রফিকুল ইসলাম ময়মনসিংহ সদরের চরপাড়া এলাকার আব্দুল সুবাহানের ছেলে। তবে জন্মসূত্রে তিনি নেত্রকোনা পৌর শহরের নাগড়া মতিবিড়ি এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। পেশায় তিনি একজন মুদি দোকানদার ছিলেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম নাগড়া ফুটওভার ব্রিজের পাশে মুদির দোকানে ব্যবসা করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় রাত সাড়ে বারোটায় দোকান বন্ধ করে নিজ বাসার দিকে আসছিলেন, তখন হঠাৎ করে থানা মোড় থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল রফিকুল ইসলামকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে তিনি রাস্তার পাশের একটি দেয়ালে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষত বিক্ষত হয়ে রক্তকরণ হতে থাকে। দুর্ঘটনার আওয়াজ শুনে রাস্তার পাশের স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।প্রত্যক্ষদর্শী ফরিদ হোসেন বাবু জানান, দুর্ঘটনার আওয়াজ শুনে আমি এবং আমার ভাই বাসা থেকে বের হয়ে রফিকুল কাকাকে রাস্তার পাশে পরে থাকতে দেখি। মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল রেকে পালিয়ে চলে যায়। তখন আমরা কয়েকজন মিলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছেলে এম এস আরিফ জানান, মোটরসাইকেলের চাপায় দুটো পা ভেঙ্গে গিয়েছিল সারা শরীর ক্ষত বিক্ষত হয়ে গিয়েছিল। আমরা থানায় কোনো অভিযোগ করিনি, তবে থানা থেকে মোটরসাইকেলটি আটক করে নিয়ে গিয়েছে।নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো: কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মোটরসাইকেলটি আটক করে নিয়ে এসেছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় তাদের দাবির প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
    ময়মনসিংহের ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৪
    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বালুবাহী ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে দুই শিশুসহ একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুইজন।রবিবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চর শ্রীরামপুর গ্রামের বৈশাখী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- একই উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের ওবায়দুর রহমানের স্ত্রী কুলসুমা খাতুন (৯৫), মানিক মিয়ার স্ত্রী দীলরুবা খাতুন (৪০), ময়মনসিংহ শহরের নাটক ঘরলেন এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে রিতি আক্তার (১৪) ও প্রীতি আক্তার (৭)।এছাড়া আহতরা হলেন- গৌরীপুরের ভাংনামারী ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের মানিক মিয়ার মেয়ে মাহী আক্তার (১৬) ও একই গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী শ্যামলী আক্তার (২০)। এরমধ্যে মাহী আক্তার নিহত দীলরুবা খাতুনের মেয়ে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারটি ঈদ পালন করতে ময়মনসিংহ নগরীর নাটক ঘরলেনের বাসা থেকে অটোরিকশা নিয়ে গৌরীপুরের যাচ্ছিল। যাত্রাপথে যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চর শ্রীরামপুর গ্রামের বৈশাখী মোড় পর্যন্ত আসতেই অটোরিকশার সঙ্গে বালুবাহী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী। এসময় আশপাশের লোকজন আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. সফিকুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চারটি মরদেহ হাসপাতালে এসেছে। মরদেহগুলো হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এছাড়া আহত অবস্থায় মাহি আক্তার ও শ্যামলী নামের দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকার জানান, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ঘটনার পর ঘাতক ট্রাক চালক পালিয়ে গেছে, তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।পিএম
    আমরা কখনোই বলিনি নির্বাচনের পরে সংস্কার: মির্জা ফখরুল
    ‘নির্বাচন নয়, সংস্কার; বা আগে নির্বাচন পরে সংস্কার– বিএনপি কখনও এমন কথা বলেনি। এটি বিএনপিকে টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার অথবা বিএনপির কর্মসূচি বুঝতে বা বোঝাতে না পারার সমস্যা। বর্তমানে উচ্চারিত সংস্কারের সবগুলো বিষয়ই বিএনপির ৩১ দফায় রয়েছে।’ বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন।নির্বাচন প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘বিএনপি সব সময়ই ধ্বংস হয়ে যাওয়া নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার করে নির্বাচন চেয়েছে। বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে আমরা ছয় মাসের কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচন চেয়েছি। বিএনপি যা চেয়েছিল সেটাই তো এখন আসছে, তাহলে সমস্যা কোথায়।’মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ডানপন্থা ও কর্তৃত্ববাদের ক্রম উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এখন দুনিয়াজুড়েই গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন। বিএনপির সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের ঢাকার বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব নিজেই তা উল্লেখ করেছেন। গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রে নানা সমস্যা থাকলেও এটাই এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সেরা মতবাদ। তাই গণতন্ত্র রক্ষা এখন একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে আমাদের সামনে এসেছে। বহুদলীয় গণতন্ত্র বা বহুত্ববাদকে এখন ছড়িয়ে দিতে হবে।’ভারতীয় গণমাধ্যমের অপপ্রচারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া একটা অপতথ্য ও মিথ্যা প্রচারের কারখানা। আমি সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। আগস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতীয় মিডিয়ায় সম্প্রতি চট্টগ্রাম দখলের হুমকিসহ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেসব অপপ্রচার চলছে সেটা “পাগলের প্রলাপ”। আগস্ট আন্দোলনের পরপরই সংখ্যালঘুদের ওপর কিছু কিছু অন্যায় হলেও তারপর থেকে এখন পর্যন্ত আর কোনও ঘটনা তো ঘটছে না। অথচ ভারতীয় মিডিয়ার হিংসাত্মক প্রচারণা দেখলে মনে হয়, যেন প্রতিদিন এমন ঘটনা ঘটছে।’ঠাকুরগাঁওসহ দেশজুড়ে গ্রেফতার বাণিজ্য এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ঘাটতির কথা স্বীকার করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘হাসিনার আমলের পুলিশি নিপীড়ন ব্যবস্থার ফলে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের মনোবলে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। দেশজুড়েই আমরা আইনশৃঙ্খলার অবনতির খবর আমরা পাচ্ছি।‘বর্তমানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে যেসব ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো নির্বাচনের আগেই সংস্কারের প্রস্তাব আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দিয়েছি। প্রয়োজনে আরও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ব্যাপারে বলবো।’দলীয় নেতাকর্মীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির যেসব নেতাকর্মী ও সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং অন্যায় করার, সেসবের বিরুদ্ধে কিছু অভিযুক্ত কমিটি ভেঙে দেওয়া, বহিষ্কারসহ নানা দলীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’এ সময় উপস্থিত ছিলেন– জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক পয়গাম আলী, সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরীফ, সাধারণ সম্পাদক তারিখ আদনানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এইচএ
    বিরামপুরে চাঁদাবাজি মামলায় ছাত্রদল সভাপতিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার
    দিনাজপুরের বিরামপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি। চাঁদা না পেয়ে বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর ও বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ কাটার মামলায় সানোয়ার হোসেন (২৬) নামে উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতিসহ ৫ জন কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।মঙ্গলবার (১ লা এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিরামপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মমতাজুল হক। উপজেলার ৭ নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ১ ওর্য়াডের চন্ডিপুর(চায়না অফিস) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে মো. সানোয়ার হোসেন (২৬)। তিনি ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। অন্যরা হলেন, একই গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে মো. শাহা আলম (৩৬), জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (২৯), আশরাফ আলীর ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), মৃত আলেফ আলীর ছেলে মো. রতন রানা (২৫)। গত রবিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।মামলা সূত্রে জানা যায়, পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সানোয়ার  হোসেন ও তার গংদের সঙ্গে পৌরশহরের ঘাটপাড় এলাকার অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মোখলেছুর রহমানের সাথে দীর্ঘদিন থেকে জমিজমার বিষয় নিয়ে মনোমানিল্য হয়ে  আসিতেছিল। সেই জমির বিষয়ে সমাধান করার কথা বলে  তারা  ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে।মোখলেছুর রহমান পেশায় একজন ডাক্তার হওয়ায় তার জমি চন্ডিপুর (চায়না অফিস) এলাকার মৃত জাবেদ আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৪৩), কে জমিজমা দেখাশোনার জন্য কর্মচারী হিসেবে রাখেন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে তার জমিজমা দেখাশোনা করে আসছিলেন। সেই জমিতে ফারুক হোসেন একটি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। জমিতে এ মৌসুমে কুল (বড়ই) এবং কমলা চারা সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফল গাছ লাগিয়ে তিনি পরিচর্যা করে আসছিলেন। এ মৌসুমে প্রতিটি বড়ই গাছে পর্যাপ্ত পরিমানে বড়ই ধরে, কিছু বিক্রয় করেন আর কিছু বড়ই এখনও গাছে আছে। জমি দেখাশোনার কাজ করায় তারা সময় সুযোগমত ফারুক হোসেনের বাড়ী ঘর ভাংচুর করে। বাড়িঘর উচ্ছেদ করে জমি দখল করবে বলে প্রায় সময় হুমকি ধামকি দিত ঐ ছাত্রদল সভাপতি।গত রবিবার (৩০ মার্চ) দুপুর দেড় টার দিকে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সানোয়ারসহ অজ্ঞাত নামা ২০/২৫ জন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতে লাঠি সোঠা, রামদা, লোহার রড, শাবল, ধারালো চাকু, ছুরি, দা, বেকী, কোদাল ও কুঠার ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে দল বেঁধে বাগানে ঢুকে পরে। বাগানে ঢুকে বাগানে থাকা ১৫৭ টি বড়ই গাছ, ৮৪টি কমলা গাছ ও ২৩টি আমের গাছের গোঁড়া কেঁটে দেয়। যার আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এসময় তাদের গাছ কাটতে নিষেধ করলে তারা কর্মচারী ফারুক হোসেনের উপর ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদল সভাপতি সানোয়ার হোসেন হুকুম দেন, শ্যালাদের শেষ করে দাও, হুকুম করার সঙ্গে সঙ্গে তারা কর্মচারী ফারুকের ওপর আক্রমন করে। প্রানভয়ে দৌড় দিয়ে বাড়ীতে চলে আসে। তখন ছাত্রদল সভাপতি আবারও হুকুম করে, শ্যালাদের ধর। হুকুম করার সঙ্গে সঙ্গে তারা সবাই ফারুকের পিছনে ধাওয়া করে। তারা ধাওয়া করে বসত বাড়ীতে অনধিকার ভাবে ঢুকে পরে। বাড়িতে ঢুকে তারা তাদের এলোপাথারীভাবে মারপিট শুরু করে।  মারপিটে শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম করে। ছাত্রদল সভাপতি সানোয়ার হোসেনের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ফারুক হোসেনের মামাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন কে ডান হাতের কনুইয়ের নিচে ডাং মেরে গুরুত্বর জখম করে। দেলোয়ার মাটিতে পরে গেলে তার সঙ্গে থাকা মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক লোহার রড দিয়ে বাম হাতের কনুইয়ের নিচে আবারও ডাং মেরে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে, ফারুক হোসেনের বিদ্যুতের মিটারসহ বাড়ীঘর ভাংচুর করে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং বক্সের ভিতরে রাখা ব্যবসার নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অসৎতের উদ্দেশ্যে চুরি করে নিয়ে যায়। ফারুক হোসেন জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওন, বিরামপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মমতাজুল হক থানা ফোর্স, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা কর্মচারীসহ স্থানীয় জনগন দ্রুত ঘটনাস্থলে তাদের আটক করে।  এ সময় বড়ই বাগান দিয়ে দৌড় দিয়ে পালানোর সময় তারা আঘাত প্রাপ্ত হয়। ঐ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের মারপিট করে জখম করে। বিরামপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, ফারুক হোসেনের দায়ের করা মামলায় মো. সানোয়ার হোসেনসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।এনআই
    সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত: মির্জা ফখরুল ইসলাম
    সংস্কার আর নির্বাচন আলাদা জিনিস না। সংস্কার সংস্কারের মত চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মত চলবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া সংষ্কার প্রস্তাব যথাযথভাবে পর্যালোচনা করেই মতামত দিয়েছে বিএনপি বলেও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার ( ১ এপিল) ঠাকুরগাঁও এ নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।প্রধান উপদেষ্টার সদ্য সমাপ্ত চিন সফরের প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে চিন একতরফা ভাবে একটা দলের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছে তবে এখন তারা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করে সকল দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে। চিন বাংলাদেশে উৎপাদনে ও উন্নয়নে  বিনিয়োগের জন্য যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটা দেশের জন্য আশাবাদের কথা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে বিষয়ে মতের ঐক্য হবে সেগুলো মেনেই নির্বাচন হবে। যারাই নির্বাচিত হবে সে সংস্কার করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ, যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ কায়েসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    আবু সাঈদের পরিবারকে বেরোবি উপাচার্যের ঈদ সামগ্রী প্রদান
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছরের জুলাইয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। রবিবার (৩০ মার্চ ) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের জাফরপাড়ার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী শহীদ আবু সাঈদের বাবা জনাব মকবুল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। উপাচার্য শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন। এ সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।এসময় বেরোবি উপাচার্য বলেন, শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য। শহীদ আবু সাঈদকে ছাড়া তার পরিবার প্রথমবারের মতো ঈদ পালন করবে। উপাচার্য বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী দেওয়ার জন্য এখানে এসেছি। কিন্তু আবু সাঈদের পরিবারের মাঝে ঈদের কোন আনন্দ নেই। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো রমজান মাসে নিত্য পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় রয়েছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের মতো যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। উপাচার্য বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই বিপ্লবে শহীদদের হত্যাকারীদের যথাযথ বিচার এখনো দেখতে পারিনি ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবার ও দেশবাসী ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ অনুভব করবে। এনআই
    লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে দিনাজপুরে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
    ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে। সকাল ৯টায় প্রায়  লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে সেখানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।ঐতিহাসিক এ ঈদের জামাতে অংশ নিতে দিনাজপুর সদর উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের কয়েকটি জেলার মুসল্লিরা আসেন। জামাতে ইমামতি করেন মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।বৃহৎ এ জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ছিল কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি। মাঠের আশপাশে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও তৎপর ছিলেন।নামাজে অংশ নেন জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর পৌর প্রশাসক বিয়াজুল ইসলাম,দিনাজপুর পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন মারুফ,জেলা বিএনপির সভাপতি সাধারন সম্পাদক, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মীরা।জেলার নীলফামারী থেকে ঈদ জামায়াতে আসা মুসল্লী তামিরুল হক বলেন, একসাথে এত বেশি মুসল্লী একসাথে নামাজ আদায় করে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে ঈদ জামায়াতে আসা মুসল্লী ডা জাকির হোসেন বলেন,দীর্ঘ দিনের ইচ্ছে আজ আল্লাহর রহমতে পুরন হলো। একসাথে লাখ মুসল্লী ঈদের নামাজ আদায় করলাম। আল্লাহ আমাদের রোজ ও নামাজ গুলো কবুল করুন।গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, আল্লাহ তালার রহমতে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠে মুসল্লীর সুন্দর ভাবে নামাজ আদয়া করতে পেরেছে। আমারা নামাজ শেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতীর মঙ্গল কামনায় দোয়া করেছি।বিশেষ করে ফিলিস্তিনি মুসলিমদের জন্য দোয়া করেছি আল্লাহ তাদের হেফাজত করবেন।৭১ ও ২৪ সালের নিহতদের আত্মার  মাগফেরাত কামনা করছি।জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠ ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে লাখো মুসল্লীর উপস্থিতিতে সুন্দর ভাবে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠর নজরদারি ছিলো সবমিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর ভাবে নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। জানা যায়, বিভিন্ন স্থান থেকে বড় বড় ঈদগাহ মাঠের চিত্র নিয়ে এসে এ মাঠের নির্মাণ পরিকল্পনা করা হয়। সর্বপ্রথম মাঠের পশ্চিম প্রান্তে গত ২০১৫ সালে এ ঈদগাহ মাঠের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর পর এটি নামাজের জন্য পুরো প্রস্তুত করা হয়। এ ঈদগাহে রয়েছে ৫২টি গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে দু’টি মিনার, এর মধ্যের দুটি মিনার ৫০ ফুট করে এবং প্রধান মিনারের উচ্চতা ৫৫ ফুট। এসব মিনার আর গম্বুজের প্রস্থ হলো ৫১৬ ফুট। দেশের বড় ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানের পশ্চিম দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ ঈদগাহ মিনারটি। প্রত্যেকটি গম্বুজে দেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক বাতি সংযোগ। ৫২টি গম্বুজ ২০ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে। গেট দুটির উচ্চতা ৩০ ফুট নির্মাণে নান্দনিক স্থাপনা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।উল্লেখ্য, আগে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতো কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এখন দিনাজপুরের ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মাঠে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
    উল্লাপাড়ায় যৌতুক দাবিতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা
    যৌতুকের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় গৃহবধু খাদিজা খাতুনকে (২৩) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে তার স্বামী আনোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে উল্লাপাড়া উপজেলার দূর্গানগর ইউনিয়নের মুলবেড়া গ্রামে। আনোয়ার হোসেন এই গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। গৃহবধুর মৃত্যুর পর স্বামী ও তার স্বজনরা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। খাদিজা শাহজাদপুর উপজেলার হলুদিঘর গ্রামের এমারত হোসেনের মেয়ে। ৩ বছর আগে আনোয়ারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নিহত খাদিজা খাতুনের বাবা অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই খাদিজার স্বামী আনোয়ার বিভিন্ন সময়ে খাদিজাকে তার বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক হিসাবে কখনও ৫০ হাজার আবার কখন ১ লাখ টাকা এনে দেবার দাবি জানাতেন। এনিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহ ছিল। যৌতুকের দাবি পুরণ করতে না পারায় প্রায়শই খাজিদাকে নির্যাতন করতেন স্বামী ও তার স্বজনরা। শুক্রবার ভোরে যৌতুকের অর্থ নিয়ে খাজিদার সঙ্গে তার স্বামীর ঝগড়া বিবাদ হয়। এক পর্যায়ে আনোয়ার ঘরে রাখা লাঠি দিয়ে তার স্ত্রীকে বেধড়ক পেটায়। এতে খাজিদার শোবার ঘরেই তার মৃত্যু হয়। খাদিজার মৃত্যুর পর তার স্বামী আনোয়ার এবং বাড়ির লোকজন সবাই পালিয়ে যায়। গ্রামের নিকট প্রতিবেশী হিটলার কালু জানান, ভোরে কান্নাকাটির শব্দ পেয়ে তিনি খাজিদার বাড়িতে আসেন। এ সময় খাদিজার নিথর দেহ ঘরের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় উল্লাপাড়া থানায় খবর দেন। উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল হাসান জানান, পুলিশ খাদিজা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘাতক স্বামী ও তার স্বজনরা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। খাদিজার বাবা এমারত হোসেন বাদি হয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এনআই
    ধামইরহাটে মাদকসহ আটক ২
    নওগাঁর ধামইরহাটে ২৬০পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুজন মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার দক্ষিণ চকযদু এলাকার রাস্তায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার দক্ষিণ চকযদু এলাকার মৃত খাতের আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন(৬০) এবং খেলনা ইউনিয়নের উদয়শ্রী গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ হোসেন(২৯)।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানান, ৪ এপ্রিল ভোরে বস্তাবর বিওপি’র টহল কমান্ডার নায়েক  ইয়াদ আলীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলের মাধ্যমে দক্ষিণ চকযদু গ্রামের রাস্তায় অভিযান পরিচালনা করে ২৬০পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তাদেরকে আটক করা হয়। অপর আরো একটি অভিযানে কালুপাড়া বিওপি’র বিওপি কমান্ডার সুবেদার  আইয়ুব আলী এর নেতৃত্বে সীমান্ত পিলার ২৬৮/১০-এস আলতাদিঘী গ্রামের মাঠের ধান ক্ষেত্রের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৩১ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি। পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন ১৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, আটককৃত আসামীদের বিরদ্ধে ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের পূর্বক মালামালসহ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট সিজার মূল্য প্রায় ১লক্ষ ৪৪ হাজার ৪শত টাকা।এনআই
    সিরাজগঞ্জে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা
    সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী বাস কাউন্টারগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে অভিযুক্ত এসআই বাস কাউন্টারকে বার হাজার, সেবা লাইন বাস কাউন্টারকে বার হাজার, জেনিন বাস কাউন্টারকে দশ হাজার ও অভি এন্টারপ্রাইজ বাস কাউন্টারকে পাঁচ হাজার সহ সর্বমোট উনপঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় শহরের বাজার স্টেশন এলাকার ব্যস্ততম সড়কের পাশে অবস্থিত উপরোক্ত বাস কাউন্টার গুলোতে যৌথবাহিনীর ফোর্স সহকারে সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আফিফান নজমু ও সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো রুহুল আমিন এবং বিআরটিএ'র পরিদর্শক হাফিজুল ইসলাম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের নিকট থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনের ২০০৯ এবং বিআরটিএ'র ২০১৮ ধারা অনুযায়ী এই জরিমানা করা হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য যাত্রী হাসান রশিদ অর্ক'র কাছে থেকে ৩৭৬ টাকার কাছে ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে। অপর যাত্রী শাপলা খাতুনের কাছে চারজনের জন্য এক টিকিটে ১৫০০ টাকা লিখে ২০০০ টাকা ভাড়া আদায় করেছে সেবা লাইন বাস কাউন্টার। সেবা লাইনের ম্যানেজার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কিলোমিটার হিসেবে ঢাকার ভাড়া আসে ৩৮৪ টাকা। ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে আসার পথে খালি বাস আসার লোকসান পোাশানোর জন্য যাত্রী প্রতি ৫০০ টাকা নেয়া হচ্ছে।বাস মালিক সমিতির নেতা রোমান আহম্মেদ জানান, ঈদের আগে বাস মালিক ও জেলা প্রশাসনের সাথে সমঝোতা বৈঠকে জেলা প্রশাসক মহোদয় মৌখিকভাবে টিকিট প্রতি ৫০ টাকা বেশি নেয়ার অনুমোদন দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের সাথে মালিকদের বেঠকের রেজুলেশনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত করে জরিমানা করা হয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আফিফান নজমু।পিএম 
    ধামইরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
    নওগাঁর ধামইরহাটে মোটরসাইকেল এর মুখোমুখি সংঘর্ষে আলবার্ট সরেন (৪০) নামে এক আদিবাসী যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএচটি) কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি উপজেলার লক্ষীতাড়া গ্রামের রাফায়েল মার্ডির ছেলে। দূর্ঘটনায় পত্নীতলা উপজেলার গগনপুর এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে।  রুবেল হোসেন (৩৬) নামের একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। আরো ৩জন গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার ওসি আব্দুল মালেক জানান, কয়েকজন বন্ধুরা মিলে ঈদের আনন্দে উপজেলার আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে ঘুরতে আসেন। পরে সন্ধ্যায় বাড়িতে ফেরার পথে ৩টি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ তৈরি হয়। এতে একজন মারা যায়। পাশাপাশি ধামইরহাট উপজেলার চকচন্ডি গ্রামের সেলু মার্ডির ছেলে ইশ্বর মার্ডি এবং পত্নীতলা উপজেলার গগনপুর এলাকার আব্দুল খালেক (৩০) এবং মোঃ ভুট্টু মিয়া (৩০) আহত হয়।তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহন করা হবে।এনআই
    উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পূর্বদেলুয়া ব্রীজের উপর ট্যাংকলড়ি ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।বৃস্পতিবার (৩ এপ্রিল)  বিকেল ৪ টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে পূর্বদেলুয়া ব্রীজের উপর এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন উল্লাপাড়া উপজেলার আলোকদিয়ার গ্রামের আব্দুল আজিজ এর ছেলে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৩২),ডুবডাঙ্গা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে আব্দুল মমিন (৩৫) আহত চার জনের পরিচয় জানা যায়নি।হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে ছেড়ে আসা সিনএনজি উল্লাপাড়ার দিকে আসছিলো অপর দিকে বাঘাবাড়ি থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্যাংকলড়ি পূর্বদেলুয়া ব্রীজে পৌছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির দুই যাত্রী নিহত হয় আহত হয় চার জন। এ সময় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্যাংকলড়িটি আটক করা হলেও ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে গেছে।এনআই
    সাদাপাথরে ঘুরতে এসে কিশোরীর মৃত্যু
    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণে এসে হার্ট অ্যাটাকে -তাচ্ছিল্য (১৪) নামের এক কিশোরী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ওই কিশোরী সিলেট নগরীর জল্লারপাড় এলাকার প্রলয়ের কন্যা। কিশোরী পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি সময়ের কণ্ঠস্বর কে নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান। তিনি জানিয়েছেন, মৃত কিশোরীর পরিবার কোনো অভিযোগ করেনি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই তার মরদেহ পরিবার নিয়ে গেছে। মৃত ওই কিশোরীর বাবা জানান, আগে থেকেই তাচ্ছিল্যের হার্টের সমস্যা ছিল। বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তাচ্ছিল্যসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে সাদাপাথর বেড়াতে আসেন। একপর্যায়ে তারা সবাই সাদাপাথরে হাঁটু পানিতে গোসল করতে নামেন। হঠাৎ তাচ্ছিল্য মাথা ঘুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সেখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রভাকর রায় জানান,শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাকে তাঁর মৃত্যু ঘটে। আমাদের কাছে (স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে) নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।এনআই
    হবিগঞ্জের সাতছড়ি উদ্যানে পর্যটকের ঢল
    হবিগঞ্জের সাতছড়ি উদ্যানে পর্যটকের ঢল মঈনুল হাসান রতন হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। তারা উদ্যানের প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করে মুগ্ধ হচ্ছে। এভাবে পর্যটকের ঢল আরো কয়েকদিন থাকবে বলে মনে করছে উদ্যান কর্তৃপক্ষ।এ উদ্যানের ভেতরে রয়েছে অন্তত ২৪টি আদিবাসী পরিবারের বসবাস। রয়েছে বন বিভাগের লোকজন। পর্যটকদের জন্য চালু আছে প্রজাপতি বাগান, ওয়াচ টাওয়ার, হাঁটার ট্রেইল, খাবার হোটেল, রেস্ট হাউস, মসজিদ, রাত যাপনে স্টুডেন্ট ডরমিটরি। উদ্যানে দুই শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদের মধ্যে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, কৃষ্ণচূড়া, ডুমুর, জাম, জামরুল, সিধা জারুল, আওয়াল, মালেকাস, আকাশমনি, বাঁশ, বেত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ১৯৭ প্রজাতির জীবজন্তুর মধ্যে প্রায় ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৬ প্রজাতির উভচর। আরো আছে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি। রয়েছে লজ্জাবতী বানর, মুখপোড়া হনুমান, উল্লুক, ভাল্লুক, চশমাপরা হনুমান, শিয়াল, কুলু বানর, মেছো বাঘ, মায়া হরিণের বিচরণ। সরীসৃপের মধ্যে আছে নানা জাতের সাপ। কাও ধনেশ, বন মোরগ, লাল মাথা ট্রগন, কাঠঠোকরা, ময়না, ভিমরাজ, শ্যামা, ঝুটিপাঙ্গা, শালিক, হলদে পাখি, টিয়া প্রভৃতির আবাসস্থল এই উদ্যান।সাতছড়ি উদ্যানের কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সন্ধ্যা রাণী দেববর্মা জানান, ঈদে পর্যটক বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল সাতছড়ি উদ্যান। এ লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে। রয়েছে নিরাপত্তা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যটকরা এসে ঘুরাঘুরি করে মুগ্ধ হচ্ছেন।সাতছড়ি বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মামুনুর রশিদ জানান, সাতছড়িতে প্রচুর বন্যপ্রাণী রয়েছে। রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। মনোরম প্রাকৃতি পরিবেশে ঘুরে পর্যটকরা আনন্দিত। ঈদে পর্যটকদের নিরাপত্তা মনিটরিং করা হচ্ছে। পরিষ্কার করা হয়েছে বসার আসনগুলো। পর্যটকরা উদ্যানের এমন পরিবেশে মুগ্ধ হচ্ছেন।তিনি জানান, ঈদের দিন প্রবেশ ফি বাবদ ১ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা ও পর দিন ৮৯ হাজার ৯৩০ টাকা রাজস্ব এসেছে। এভাবে আরো কয়েক দিন চলবে বলে মনে করছেন তিনি।সাতছড়িতে প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত পর্যটক আসেন। উদ্যানে প্রবেশে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিট ১১৫ টাকা ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৬০ টাকা। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১ হাজার ১৫০ টাকা। শুটিংয়ের জন্য ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। পিকনিক পার্টির জন্য জনপ্রতি ২৩ টাকা। পার্কিংয়ের জন্য ছোট গাড়ির ফি ১১৫ টাকা ও বড় গাড়ি ফি ২৩০ টাকা।বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল জানান, বর্তমানে পর্যটকদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। এ উদ্যানে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যটকদের অবস্থান লেগে থাকে। কারণ এখানে সহজে আসা যায়। উদ্যানের গভীর অরণ্যে দেখা যাচ্ছে নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী। আশপাশে রয়েছে চা বাগান। পাশে তেলিয়াপাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ। উদ্যানে রয়েছে থাকা-খাওয়ার সু-ব্যবস্থা। রয়েছে নিরাপত্তা।তিনি জানান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে পর্যটক সমাগম বাড়ছে। ঈদে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাজানো হয়েছে উদ্যানে অবস্থিত দোকানগুলো।উদ্যানে আসা পর্যটক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শামীম আহমেদ জানান, পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের নিয়ে এসে ঘুরে ঘুরে দেখেছেন। উদ্যানের পরিবেশ তাদের মুগ্ধ করেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা পর্যটক শাহিন মিয়া, পারুল আক্তার, রুবেল মিয়া, বাবলি সরকার উদ্যান ঘুরে তাদের ভালো লাগার কথা জানান। দেশের নানা প্রাপ্ত থেকে শত শত পর্যটক এ উদ্যানে এসে মুগ্ধ হচ্ছে। পর্যটকের নিরাপত্তায় পুলিশের টহল রয়েছে। রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। সাতছড়ি উদ্যান ছাড়াও জেলার বিভিন্ন চা ও রাবার বাগান এবং দর্শনীয় স্থানে পর্যটকরা পরিদর্শন করে মুগ্ধ হচ্ছে। এইচএ
    সুনামগঞ্জ সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকের লাশ হস্তান্তর
    বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার উপজেলা সীমান্তে নিহত হওয়া ভারতীয় নাগরিক সারভেস মারাক (২৮) এর লাশ হস্তান্তর করছে বিজিবি ও পুলিশ। তিনি ভারতের মেঘালয় প্রদেশের শিলং জেলার চেলা থানার সীমান্ত এলাকা কাসিন্দা বস্তির গবিন মারাক এর পুত্র।মঙ্গলবার (১ লা এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বাংলা বাজার ইউনিয়নের কলাউড়া সীমান্তের ১২৩৭ পিলারে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দু দেশের বিজিবি,বিএসএফ ও পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে লাশটি হস্তান্তর করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী কাছ থেকে জানাগেছে,দোয়ারাবাজার উপজেলার টেবলাই গ্রামের এক কৃষক ফসলি জমিতে ইদুর মারার জন্য সাধারণ(গুনা)তার দিয়ে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করে। সেই ইঁদুরের ফাঁদে সোমবার মারা যান। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাহিদুল হক,সাব-ইন্সপেক্টর মোহন রায়, বাংলাবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মো: সিরাজুল ইসলাম ভারতের পক্ষে কাসিন্দা বিওপি,বিএসএফ ইন্সপেক্টর বিএস নয়াল,মেঘালয় প্রদেশের শিলং চেলা থানার অফিসার ইনচার্জ ইপ্রাইম রাইডংসহ বিজিবি,বিএসএফ ও পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন,দোয়ারা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো:জাহিদুল হক। তিনি বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে লাশ হস্তান্তর করা হয়।এনআই
    একটা সংগঠন করতাম, যেটা বলতে এখন লজ্জা হয়: জামায়াত আমির
    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জন্মস্থানের একটা মায়া-ভালোবাসা আছে। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আপনাদের সামনে ২৪ বছর পর কথা বলার সুযোগ হয়েছে। কুলাউড়ার মানুষ যেভাবে চেনে অন্য কেউ সেভাবে চেনে না। ’মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘আমি কি যুদ্ধাপরাধী? না; অথচ আমার ওপর যুদ্ধাপরাধের মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল সাড়ে ১২ বছর। সাড়ে ১২ বছরের ছেলে যুদ্ধের সময়ে মানুষ খুন করতে পারে—এটা বিশ্বাসযোগ্য কথা? তা-ও চেষ্টা করা হয়েছে। কেউ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগও দেয়নি, সাক্ষ্যও দেয়নি।হিন্দু ভাইয়েরাও তাতে রাজি হয়নি। আমি সেই সময় জামায়াতে ইসলামীও করতাম না। আমি অন্য একটা সংগঠন করতাম। যেটা বলতে এখন লজ্জা হয়।’ কুলাউড়া শহরের ঐতিহ্যবাহী ডাকবাংলো মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আব্দুল মুন্তাজিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট মহানগরীর আমির মো. ফখরুল ইসলাম।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত জালিম সরকারের আমলে আমরা ১১ জন শীর্ষ নেতাকর্মীকে হারিয়েছি। ৫ শতাধিক মানুষ পঙ্গু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ হামলা-মামলার শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল।আগস্টের ১ তারিখ আমাদের নিষিদ্ধ করা হয়। সে সময় আল্লাহকে বলেছিলাম, ৪ দিন পর আল্লাহর বিচার হয়েছে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্রদের সঙ্গে আমরাও ছিলাম। জালিমের মাথা আল্লাহ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।’তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে আল্লাহ জালিমের কবল থেকে মুক্ত করেছেন। ফিলিস্তিনকেও যেন আল্লাহ জালিমের হামলা থেকে মুক্ত করে দেন।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের আবাল বৃদ্ধ-বনিতা সব জায়গায়, ঘরে, রাস্তায়, কর্মস্থলে নিরাপদ থাকবে, এমন একট দেশ গড়তে চাই। আমরা এমন একটা দেশ দেখতে চাই, যেখানে চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোরদের জ্বালায় মানুষ অতিষ্ঠ হবে না। আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ চাই। আল্লাহ যতদিন আমাদের তৌফিক দেবেন ততদিন আমরা লড়াই চালিয়ে যেতে চাই দেশকে এইভাবে দেখার জন্য।চা শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শুরুতেই দাবি তুলেছিলাম চা শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির জন্য। যেখানে মালিক এবং শ্রমিক উভয়েই লাভবান হবে। শ্রমিক উপযুক্ত শ্রমের মূল্য পেয়ে আনন্দদের সঙ্গে কাজ করবে। যার ফলে মালিক আরও লাভবান হবে।তিনি বলেন, আমরা অপদার্থ শিক্ষাব্যবস্থা চাই না। শিক্ষিত হয়ে যাতে কেউ ডাকাতে পরিণত না হয় সেই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চাই। যাদের অন্তরে মানুষের প্রতি ভালোবাসা নেই, এরকম ডাক্তার, শিক্ষক, আইনজীবী চাই না।
    চাঁদরাতে টমটম পার্কিং নিয়ে সংঘর্ষ, শ্রীমঙ্গলে বিএনপি নেতাসহ আটক ১৪
    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চাঁদরাতে টমটম পাকিং নিয়ে সাবেক মেয়র মহসিন মধুর সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গলের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মহসিন মিয়া মধুসহ আটক ১৪ জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।সোমবার (৩১ মার্চ) রাত ১টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের গদারবাজার এলাকার এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। জানা যায়, গদার বাজার এলাকায় সাবেক মেয়র মহসিন মধুর বিনা লাভের বাজারের সামনে টমটম পার্কিং নিয়ে মধু গ্রুপ ও পশ্চিম ভাড়াউড়া গ্ৰামবাসীর লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি  টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে সেনাবাহিনী মাঠে নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় শহরে দোকানপাঠে আটকে পড়া সাধারণ মানুষ নিরাপদে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বেশকয়েকটি দোকান ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শ্রীমঙ্গলে সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধুর বিনা লাভের বাজারে হামলার ঘটনায় দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় বেশ কিছু টমটমসহ গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে পুলিশ ও যৌথবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মহসিন মিয়া মধুসহ ১৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    অনলাইন ভোট

    জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আপনিও কি তাই মনে করেন?

    আন্তর্জাতিক

    সব দেখুন
    ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
    মুসলিমদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর বিদায়ের পর এখন আরেক বড় উৎসব ঈদুল আজহার অপেক্ষা শুরু হয়েছে। যা কোরবানির ঈদ নামে পরিচিত। এই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে আরব আমিরাতের ‘আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটি’।সংস্থাটি জানায়, আগামী ২৭ মে সন্ধ্যায় হিজরি বর্ষপঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজের চাঁদ দেখা যাবে। আর ২৮ মে হবে জিলহজের প্রথমদিন। সে হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ৬ জুন ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে।আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান উল্লেখ করেছেন, আরব আমিরাতে ২৭ মে সকাল ৭টা ০২ মিনিটে চাঁদটি উঠবে। ওইদিন সূর্যাস্তের ৩৮ মিনিট পর পর্যন্ত চাঁদটি আকাশে দৃশ্যমান থাকবে। এতে অর্ধচন্দ্রটি সহজে দেখা যাবে।যদি জ্যোতির্বিদ্যার এ তথ্য সঠিক হয় তাহলে ৫ জুন হবে আরাফাতের দিন। এটি পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এর পরের দিন পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।তবে যদি ২৭ মে সন্ধ্যায় জিলহজের চাঁদ না দেখা যায় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ উদযাপিত হবে ৭ জুন।যেহেতু বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ হয় সে হিসেবে এখানকার মানুষ ৭ অথবা ৮ জুন ঈদ পালন করবেন।ঈদুল আজহাকে কোরবানির ঈদও বলা হয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিজ ছেলেকে কোরবানি করতে চেয়েছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আঃ)। যা ছিল আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের একটি নির্দশন।বিশ্বের সব সাধারণ মুসল্লি পশু জবাইয়ের মাধ্যমে কোরবানির ঈদ পালন করে থাকেন।এমআর-২
    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত ৩৪ শতাংশ শুল্কারোপ করছে চীন
    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি চীনের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিলো চীন। যা ১০ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।বেইজিংয়ের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর বর্তমান প্রযোজ্য শুল্ক ছাড়াও ৩৪ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।ছাড়া বেইজিংয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সাতটি বিরল আর্থ এলিমেন্টের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে গ্যাডোলিনিয়ামও ইট্রিয়াম।চীন শুল্কের বিরুদ্ধে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) কাছে মামলা দায়ের করবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়টি।ট্রাম্প মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সব আমদানি পণ্যে সর্বজনীন ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন, যা শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত থেকে কার্যকর হবে। তাছাড়া দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যে উদ্ধৃত রয়েছে এমন বেশ কিছু দেশের ওপর প্রতিশোধমূলক প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।এদিন চীনের ওপর অতিরিক্ত ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ঘটনার পর পরই পাল্টা কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়ে ছিল চীন।সূত্র: এএফপিএইচএ
    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করলো কানাডা
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এবার পাল্টা ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ করেছে প্রতিবেশী দেশ কানাডা। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ১৮৫টি দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কারোপের একদিন পরই এ ঘোষণা দেন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত গাড়ির ওপর নতুন এ শুল্ক আরোপিত হবে। তবে, এর আওতায় পড়বে না গাড়ির যন্ত্রাংশ; বাদ যাচ্ছে মেক্সিকোও।আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতাভুক্ত নয়, এমন ২৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের আমদানিকৃত গাড়ির ওপর চাপানো হবে শুল্ক। বজায় থাকবে ওয়াশিংটনের ওপর আরোপিত পূর্ববর্তী শুল্ক।কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে পদ্ধতিতে আমাদের ওপর শুল্কারোপ করেছে, ঠিক একই পদ্ধতিতে আমরা তাদের থেকে আমদানি করা যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ করছি। আমদানিকৃত যন্ত্রাংশের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না। এই শুল্কারোপের শেষ দেখতে লড়াই চালিয়ে যাবো।এমআর-২
    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত
    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছেন দেশটির আদালত। এর ফলে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে দেশটিতে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির সাংবিধানিক আদালতের রায়ে বলা হয়, ইউন গত বছর সামরিক আইন জারি করে জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত এই রায় ঘোষণা করে। আদালতের মতে, গত বছরের ৩ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল স্বল্প সময়ের জন্য সামরিক আইন জারি করেন। তার দাবি ছিল, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি ও উত্তর কোরিয়াপন্থি ব্যক্তিরা সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি সামরিক আইনের আশ্রয় নেন। তবে আদালত মনে করে, এই পদক্ষেপ ছিল সংবিধানবিরোধী ও জনগণের অধিকার হরণ করে।গত বছরের ডিসেম্বর ৩ তারিখে ইউন সামরিক আইন ঘোষণা করার পর সংসদ ভবনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করেন, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। যদিও তিনি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই ঘোষণা প্রত্যাহার করেন, কিন্তু এর মধ্যেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছে যায়।এরপর জানুয়ারিতে জাতীয় পরিষদ দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে ইউনকে অভিশংসিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও ইউন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন, আদালতের রায়ের ফলে তিনি এখন চূড়ান্তভাবে ক্ষমতা হারালেন। শুক্রবার আদালতের আট বিচারকের মধ্যে ছয়জন প্রেসিডেন্ট ইউনকে অপসারণের পক্ষে রায় দেন।বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির মুখপাত্র জো সেউং-লা আদালতের সিদ্ধান্তকে ‘জনগণের মহান বিজয়’ বলে অভিহিত করেছেন ও ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সুকে সংবিধান মেনে দেশ পরিচালনার আহ্বান জানান।এদিকে, হান ডাক-সু আদালতের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে জনগণের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানান।তবে সিউলে ও অন্যান্য শহরে আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ইউনের সমর্থকরা তাকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে রাস্তায় নেমেছে। অন্যদিকে, বামপন্থিরা তার অভিশংসন উদযাপন করছে।এমআর-২
    আজও ১০০ প্রাণ ঝরল গাজায়
    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় আরও ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। এর ফলে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।বার্তাসংস্থাটি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আগ্রাসনে ভূখণ্ডটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার ৫২৩ জনে পৌঁছেছে বলে বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি আক্রমণে আহত হওয়া আরও ১৩৮ জনকে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংঘাতের শুরু থেকে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৭৬ জনে পৌঁছেছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১ হাজার ১৬৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।পিএম
    ময়মনসিংহের ইয়াসিন ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
    ইউক্রেনের মিসাইল হামলায় প্রাণ গেছে ময়মনসিংহের এক যুবকের। এ মৃত্যুর খবরে শোকে কাতর পরিবার, শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ গোটা এলাকাজুড়ে। মরদেহ ফিরে পেতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা। ওই যুবকের নাম ইয়াসিন মিয়া।বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলে হবে সেনা সদস্য। তবে দেশে সেই স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় দরিদ্র পরিবারে সচ্ছলতা আনতে ভালো বেতনে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতে গত বছরের সেপ্টেম্বরে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলার মরিচালি গ্রামের ইয়াসিন মিয়া শেখ। মস্কো থেকে প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার দূরের ওই কোম্পানিতে তিন মাস চাকরির পর বাবার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়ে যোগ দেন ইউক্রেন যুদ্ধে। গত ২৭ মার্চ ইউক্রেনের মিসাইল হামলায় থেমে যায় ইয়াসিনের নিশ্বাস। ঈদুল ফিতরের পরদিন গত মঙ্গলবার বিকেলে ইয়াসিনের এক সহযোদ্ধা ইয়াসিনের মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবারকে। এ ঘটনায় শোকে বিহ্বল পরিবারের সদস্যরা। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ছেলের ছবি হাতে নিয়ে মায়ের বিলাপ থামছেই না, বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন ফিরোজা খাতুন। ছোটভাইকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বড়ভাই রুহুল আমিন শেখ।পরিবারের চাওয়া লাশটা যেন ফিরে পান তারা। ইয়াসিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, রাশিয়ায় যাওয়ার জন্য ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে রাশিয়ান ভাষা শেখে ইয়াসিন। পরে বন্ধুর সহায়তার ইয়াসিন রাশিয়ায় একটি কোম্পানিতে ভালো চাকরি পায়। সবই ঠিকটাক মতো চলছিল। পরে সেখান থেকে কীভাবে রাশিয়া সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সে তা কেউ জানে না। পরবর্তীতে সে তা জানিয়ে সবাই অভয় দিলেও শেষ রক্ষা হলো না।ইয়াসিনের মা ফিরোজা খাতুন বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পর বড় ছেলে অনেক কষ্ট করে ছোট ছেলেটাকে পড়াশোনা করিয়েছে। তার ইচ্ছা ছিল বিদেশ গিয়ে পরিবারে স্বচ্ছলতা আনতে। সেজন্য অনেক ঋণ করে তাকে বিদেশ পাঠাই। এখন তো আমাদের সবই শেষ। এখন শুধু আমরা আমাদের ছেলের লাশটা ফেরত চাই।’গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদুল হাসান বলেন, ‘পরিবারটির খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে এসিল্যান্ডকে সেই বাড়িতে পাঠিয়েছি।’ বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সব আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।৯ বছর আগে মারা যায় ইয়াসিনের বাবা আব্দুস সাত্তার শেখ। মা ফিরোজা খাতুন ও ভাই রুহুল আমিন শেখকে নিয়ে ছিলো দারিদ্রতার সংসার।এফএস
    আন্তর্জাতিক আদালতের সদস্যপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা হাঙ্গেরির
    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ জারির ইস্যুতে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে হাঙ্গেরি। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীর স্টাফ গারজেলি গুলিয়াস ফেসবুকে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান। নেতানিয়াহু হাঙ্গেরি সফরে যাওয়ার পর দেশটি এমন পদক্ষেপ নিল। খবর আল জাজিরার।পোস্টে তিনি লেখেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে প্রস্থান করেছে হাঙ্গেরি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংবিধানিক এবং আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো অনুযায়ী বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এর কারণ হিসেবে আদালত রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।গত বছরের নভেম্বরে গাজায় হামলার সময় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহু এবং তার তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। তবে গত নভেম্বরে আইসিসি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার একদিন পর হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী অরবান নেতানিয়াহুকে তার দেশে আমন্ত্রণ জানান।তবে সম্প্রতি হাঙ্গেরি সফরের সিদ্ধান্তের পর নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। আইসিসির এমন সিদ্ধান্ত নাকচ করে দেয় হাঙ্গেরি। দেশটির এমন সিদ্ধান্তে প্রশংসা জ্ঞাপন করেছে ইসরায়েল।ধারণা করা হচ্ছিল আইসিসি থেকে বাতিল করা হবে হাঙ্গেরির পদ। তবে তার আগেই নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা আসলো হাঙ্গেরির পক্ষ থেকে। এ ছাড়া বরাবরই ইসরায়েল আইসিসির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। দেশটি জানিয়েছে, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ইহুদি-বিদ্বেষের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আইসিসি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইসিসি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকারী একটি দেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে সমস্ত বৈধতা হারিয়েছে বলেও জানায় তেল আবিব।জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যানালেনা বেয়ারবক নেতানিয়াহুর হাঙ্গেরি সফরকে ‘আইসিসির বিরোধিতা’ বলে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন এবং এটিকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের জন্য একটি খারাপ দিন’ বলে অভিহিত করেছেন।এফএস
    মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ছাড়িয়েছে
    মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৮৫ জনে পৌঁছেছে।ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে সাগাইং শহরে প্রতি তিনটি বাড়ির মধ্যে একটি ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটির চলমান গৃহযুদ্ধ উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত করছে।জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, ভূমিকম্পের আগেই দুই কোটি মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। অপরদিকে দুর্যোগে নতুন করে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।সংবাদ মাধ্যম এএফপিকে সন্ন্যাসিনী আয়ে থিকার বলেন, পথচারীরা আমাদের জন্য পানি ও খাবার সরবারাহ করছেন। আমরা সম্পূর্ণভাবে তাদের দয়ার ওপর নির্ভরশীল।ভূমিকম্পের পরিপ্রেক্ষিতে সামরিক জান্তা ও প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে,যার মূল উদ্দেশ্য মানবিক সহায়তা স্বতস্ফুর্তভাবে পরিচালনা করা।দুর্গম এলাকাগুলোতে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এবি
    ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ওলট-পালট বিশ্ব বাণিজ্য
    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করেছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সব দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির অর্থনীতি সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন শুল্কের প্রভাব ‘বিশাল’ হবে। তিনি বলেছেন, ১৯৩০ সালে অভ্যন্তরীণ ব্যবসা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে। যা সুরক্ষাবাদ হিসেবে পরিচিত। এরপর প্রায় ১০০ বছরেও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এত উচ্চ দেখা যায়নি। এমনকি রাতারাতি এশিয়ার পুঁজিবাজারের দরপতনের সময়ও এমনটি হয়নি।ট্রাম্প যা করেছেন সেটি বৈশ্বিক বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ট্রাম্প বিশ্বের সব দেশের সব পণ্যের ওপর যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন সেটি শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে। এর উপরে ‘বাণিজ্য উদ্বৃত্ত’ থাকায় কয়েক ডজন দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্কও আরোপ করা হবে।এদিকে এবিষয়ে বিবিসির অর্থনীতি সম্পাদক জানিয়েছেন, এশিয়ার দেশগুলোর (বাংলাদেশসহ) ওপর ট্রাম্পের অত্যাধিক শুল্ক আরোপের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত এসব দেশের কয়েক হাজার কোম্পানি, ফ্যাক্টরি এমনকি পুরো দেশেরই ব্যবসার মডেল পরিবর্তন করে দিতে পারে।বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর ‘সাপ্লাই চেইন’ তাৎক্ষণিকভাবে ভেঙে যেতে পারে। আর অত্যাসন্ন এ প্রভাব এই দেশগুলোকে চীনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।ট্রাম্প এসব করছেন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি-রপ্তানির মধ্যে থাকা ব্যবধান শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার জন্য। যা বৈশ্বিক অর্থনীতির আগের সবকিছু পরিবর্তন করে দেবে।নতুন শুল্ক আরোপের প্রভাব যেসব ফ্যাক্টরির ওপর পড়বে সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে পূর্ব এশিয়ার যেসব দেশে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে সেসব দেশের উৎপাদিত কাপড়, খেলনা এবং বৈদ্যুতিক জিনিসপত্রের দাম খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।এই দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের কারণে ইউরোপের কিছু ভোক্তা লাভবান হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুল্ক আরোপের প্রভাবে সামাজিক মাধ্যম সেবায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া বিধানেও ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বিবিসির এ সাংবাদিক। শুল্ক আরোপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যে মূল্যস্ফীতি দেখা দেবে সেটির কারণে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার বাড়াতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। শেষে বিবিসির সাংবাদিক  ফয়সাল আহমেদ বলেছেন, সবকিছু বিবেচনায় মনে হচ্ছে বিশ্বে একটি অপ্রীতিকর বাণিজ্য যুদ্ধ অত্যাসন্ন।এবি
    মহাকাশে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল চীন
    চীন আবারো মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন সাফল্যের সাক্ষী হলো। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) উত্তর চীনের শানসি প্রদেশের তাইয়ুয়ান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে তিয়ানপিং-৩এ ০২ উপগ্রহ সফলভাবে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।চীন আবারো মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন সাফল্যের সাক্ষী হলো। আজ (৩ এপ্রিল) উত্তর চীনের শানসি প্রদেশের তাইয়ুয়ান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে তিয়ানপিং-৩এ ০২ উপগ্রহ সফলভাবে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।সকাল ১০টা ১২ মিনিটে (বেইজিং সময়) লং মার্চ-৬ ক্যারিয়ার রকেট আকাশে ছুটে যায়, বহন করে নিয়ে যায় এই বিশেষ উপগ্রহকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছে যায়। এতে চীনের মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে যোগ হয় আরো এক নতুন অধ্যায়।তিয়ানপিং-৩এ ০২ উপগ্রহ মূলত ভূমি-ভিত্তিক রাডার ও অপটিক্যাল সরঞ্জামের পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হবে। এটি নিম্ন-কক্ষপথের মহাকাশ পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও আবহাওয়া বিশ্লেষণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, কক্ষপথের পূর্বাভাস মডেল উন্নত করার কাজেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।লং মার্চ রকেট সিরিজের এটি ৫৬৮তম সফল উৎক্ষেপণ। প্রতিটি মিশনের সাথে চীন একেকধাপ এগিয়ে যাচ্ছে মহাকাশ গবেষণার পথে, উন্মোচন করছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার।সূত্র : সিনহুয়াএমআর

    বিনোদন

    সব দেখুন
    ঈদের রাতে শাকিব খানকে নিয়ে অপুর স্ট্যাটাস
    ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানকে হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ভালোবাসা জানিয়েছেন তার প্রাক্তন স্ত্রী ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সোমবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে স্যোশাল মিডিয়ায় এ ভালোবাসা জানান তিনি।এদিন অপু বিশ্বাস ছেলে আব্রাম খান জয় ও প্রাক্তন শাকিব খানের বেশ কিছু ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, হাজার কিলোমিটার দূরত্বে থেকেও আজ আমি নিশ্চিন্ত, কারণ আব্রাম তার পাপার পরম আদরে আনন্দে উল্লাসে ঈদ উদ্‌যাপন করল।তিনি আরও লেখেন, এই বন্ধন আজ আমাকে আনন্দের অশ্রুতে সিক্ত করল। আমার সন্তানের বাবা নিঃসন্দেহে একজন শ্রেষ্ঠ বাবা। এরপর ভালোবাসার ইমোজি জুড়ে দেন অপু বিশ্বাস।এদিকে অপুর এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন দীর্ঘ সময় পরেও ছেলের জন্য শাকিব-অপুর বন্ধন যে অটুট রয়েছে, তা যেন আবারও প্রমাণ হলো এই পোস্টের মাধ্যমে। যদিও এ বিষয়ে কিছু বলছেন না শাকিব। ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে বহু সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে সিনে পর্দার বাইরেও তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভালোবেসে তারা বিয়েও করে ফেলেন ২০০৮ সালে।কিন্তু ক্যারিয়ারের কথা ভেবে সেই খবর গোপন রাখেন শাকিব-অপু দু’জনেই। দীর্ঘ আট বছর পর ২০১৭ সালে সন্তান নিয়ে টেলিভিশন লাইভে হাজির হন অপু। ওই ঘটনায় শুধু মিডিয়া পাড়া নয়, গোটা দেশ তোলপাড় হয়।বিতর্ক-সমালোচনার ঝড় থামতে না থামতে শাকিব ও অপুর বিয়েটাও ভেঙে যায়। ২০১৮ সালে তারা বিবাহবিচ্ছেদ করেন। বর্তমানে ছেলে আব্রাম খানকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় তাকে। তবে ছেলের আবদারগুলো দুজনে পূরণ করেন।
    কয়েদির বেশে পুলিশের হাতে আটক অভিনেতা আফরান নিশো!
    রাজধানীর গুলশানে কয়েদির বেশে দেখা মিলল জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর। যেখানে দেখা যাচ্ছে লম্বা চুল, মুখ ভর্তি দাড়ি, গায়ে কয়েদির পোশাক, হাতে হাতকড়া আর এই অভিনেতার দুই পাশে দুজন পুলিশ!তাহলে গ্রেপ্তার হলেন এই অভিনেতা? না, কারণ গ্রেপ্তার হওয়ার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা কয়েদির পোশাক পান। তবে এমন পোশাকে কেন অভিনেতা? প্রশ্ন আসতেই পারে, কারণ তিনি এমন কোনও অপরাধেও জড়িত নন, যার জন্য সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাহলে এই পোশাকের রহস্য কী?মূলত আসছে ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নিশো অভিনীত সিনেমা 'দাগি'। এটি মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প বলে জানিয়েছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন। এর ধারণা দিয়ে এই নির্মাতা বলেন, নিশান-জেরিনের ভালোবাসা-বিরহের গল্প 'দাগি'। একই সঙ্গে চরিত্র দুটির অনুশোচনার গল্পও। আবার এখানে কারাগারের ব্যাপারও আছে। আর জেলের দাগ একবার যার লাগে, বাকি জীবন সে দাগি হয়ে থাকে। এখান থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ক্ষমার বিষয়টি। যা আমাদের জীবনে তো বটেই, ধর্ম ও মানবতারও অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। তাই আমরা বলছি, 'দাগি' মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প।  নির্মাতার কথা থেকে ধারণা পাওয়া যায়, এই সিনেমার মূল চরিত্রে অর্থাৎ দাগি আসামির বেশে দেখা যাবে নিশোকে। মুক্তির আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর গুলশানের শুটিং ক্লাবে সিনেমাটির সংবাদ সম্মেলনে নিশো সাজাপ্রাপ্ত আসামির বেশে হাজির হয়ে চমকে দেন। এরপর মঞ্চে নির্মাতা শিহাব শাহীন হাতকড়া খুলে নিশোকে তার আসনে বসান। এর আগে পুলিশ ভ্যানে আফরান নিশোকে নিয়ে আসা হয় অনুষ্ঠানস্থলে। এছাড়াও সিনেমার দুই নায়িকা তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামালসহ প্রযোজকরা এই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন।সৈয়দপুর, রাজশাহী, ঢাকায় হয়েছে 'দাগি' সিনেমার শুটিং। সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে আরও শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতুসহ অনেকে। 'দাগি' সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।প্রসঙ্গত, 'দাগি' সিনেমার টাইটেল গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নিশো নিজেই। যেটি বুধবার প্রকাশ হয়েছে। রাসেল মাহমুদের কথায়, গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আরাফাত মহসীন নিধি। গানে মূলত নিধির সঙ্গে কিছু অংশ গেয়েছেন নিশো।
    কাজী হায়াতের গাড়ি আটকানো নিয়ে এবার মুখ খুললেন কাজী মারুফ
    ঈদ যত এগিয়ে আসছে, সিনেমাপাড়া ততই উত্তাপ হয়ে উঠছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রতিক্ষীত সিনেমা ‘বরবাদ’ মুক্তি নিয়ে জল ঘোলা তো কম হয়নি। চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড এ সিনেমায় ভায়োলেন্সের ওপর আপত্তি জানায়। আর তাতেই বেঁকে বসে শাকিবিয়ানরা। সেন্সর বোর্ড কর্তাদের আপত্তিতে কিছু সংশোধনী করা হয়েছে। তবে শাকিব ভক্তরা দাবি করেন আনকাট সার্টিফিকেশনের। সেই দাবি জানাতে মঙ্গলবার চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য কাজী হায়াতের গাড়ি আটকে প্রতিবাদ করেন। এ সময় বর্ষীয়ান এই নির্মাতার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় ভক্তদের। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাজী হায়াতপুত্র চিত্রনায়ক কাজী মারুফ। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুক লাইভে কথা বলেন তিনি। মারুফ বলেন, ‘কাজী হায়াত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য। উনি যেটা করেছেন, তা একান্ত ওনার ব্যাপার। বা উনি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা সেই ছবির ভালোর জন্যই নিয়েছেন, দেশের জন্য করেছেন।’ সেদিন ভক্তদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় ‘আমার মারুফেরও লোক আছে’ মন্তব্য করে বিপাকে পড়েন কাজী হায়াত। এমনকি কাজী মারুফের ফেসবুক পেজের ইনবক্স ও মন্তব্যের ঘরে গালিগালাজসহ হুমকি আসতে থাকে।বিষয়টি নিয়ে মারুফ বলেন, ‘মারুফের লোক আছে বলে বাবা বুঝিয়েছেন আমার দর্শক আছে। একসময় আমার দর্শক ছিল।’তার ভাষায়, এখনকার দর্শকেরা গল্পপ্রধান সিনেমা থেকে ভায়োলেন্স বেশি পছন্দ করেন। তাই তারা মারুফের সিনেমা পছন্দ করবেন না। তার কথায়, ‘এখনকার প্রজন্ম আমার সিনেমা দেখেনি, দেখলেও হয়তো পছন্দ করবে না। এখনকার দর্শক মারামারি পছন্দ করে, যার নজির দেশের চলমান অবস্থা। দেশে আছিয়ার মতো শিশুদের, এটা বলতেও আমার খারাপ লাগছে।’ মারুফ আরও বলেন, ‘অনেক কথা বলার আছে আমার। নির্মাতাদের সেল্ফ সেন্সরশিপ থাকা উচিত। দুইটা টাকার জন্য যা খুশি বানালাম, এটা কখনো উচিত নয়।’এছাড়া শাকিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কথা বলেন মারুফ। তিনি বলেন, ‘শাকিব তোমাকে ইচ্ছা করেই ফোন দিইনি, তুমি বিষয়টি দেখো।’
    দাগি সিনেমার নায়ক ও গায়ক আফরান নিশো
    নাটকের পর ওটিটি পরে তো বড় পর্দার নায়ক। এবার নিশোকে দেখা গেল গানেও।  ঈদের ‘দাগি’ সিনেমার টাইটেল ট্র্যাকে কণ্ঠ দিয়েছেন আফরান নিশো। গানের কথা-'তোমাদের চোখে দাগি/সমাজের চোখে দাগি/যতবার খুশি মারো, তত বারবার জাগি'। ঠিক যেন 'দাগি' সিনেমার দাগি হয়ে নিজের কথাগুলোই বলেছেন গানে গানে। ২৬ মার্চ গানটি প্রকাশ পেয়েছে অনলাইনে। রাসেল মাহমুদের কথায়, গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আরাফাত মহসীন। গানে মূলত নিধির সঙ্গে কিছু অংশ গেয়েছেন নিশো। কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই গানটিতে কণ্ঠ দেওয়া অভিনেতার। নিশো বলেন, 'এটা আমার জন্য একরকম সারপ্রাইজই ছিল। প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল একদিন আমাকে গানটির একটা ডেমো ভার্সন শুনিয়ে জানতে চাইলেন, কেমন লেগেছে। আমি বললাম, ক্যাচি অ্যান্ড পাওয়ারফুল। গানটা নিয়ে কী করা যায়? এটা ভাবতে ভাবতে একসময় আমাকে জানানো হয়, গানটিতে আমি কণ্ঠ দিলে কেমন হয়?'  গানটির কথা সাজানো হয়েছে একজন দাগির দৃষ্টিকোণ থেকে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চেয়েছেন ‘দাগি’ সিনেমার দাগি যিনি, তাঁর কণ্ঠেই গানটি সবচেয়ে বেশি মানায়। নিশো বলেন, 'গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার কারণগুলো আমার বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছে বলেই আমি রাজি হয়েছি। পরে আরও কিছু সংযোজন-বিয়োজনের পর গানটিতে ভয়েস দিই।' সৈয়দপুর, রাজশাহী ও ঢাকায় হয়েছে 'দাগি' সিনেমার শুটিং। সিনেমায় অভিনয় করেছেন তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতুসহ অনেকে। ‘দাগি’ সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।

    অর্থ-বাণিজ্য

    সব দেখুন
    এপ্রিলেও অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানি তেলের দাম
    এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (৩১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। নতুন দাম ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের জন্য বিদ্যমান মূল্য কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য হবে- ডিজেল প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, কেরোসিন প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, অকটেন প্রতি লিটার ১২৬ টাকা ও পেট্রোল প্রতি লিটার ১২২ টাকা।এমআর-২
    আজ যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা
    এবার ঈদের ছুটিতে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল টানা ৯ দিন ব্যাংক বন্ধ। তবে পোশাক খাতে কর্মরতদের বেতন দেওয়ার সুবিধার্থে শিল্প এলাকায় আজ (২৯ মার্চ) ব্যাংক খোলা থাকবে।এর আগে, শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা ছিল। তবে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, বাকি সময় লেনদেন পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।শনিবার (২৯ মার্চ) শিল্প এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর মধ্যে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। যেসব শাখা খোলা থাকবে সেসব শাখায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিধি মোতাবেক ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।২৪ মার্চ কিছু ব্যাংক শাখা খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপন বলা হয়, আগামী ৩ এপ্রিল পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতরের আগে তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল বিক্রির জন্য এবং ওই শিল্পে কর্মরতদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে পোশাকশিল্পের লেনদেনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যাংক শাখা ২৮ ও ২৯ মার্চ খোলা রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাকশিল্প এলাকার।এমআর-২
    ঈদের আগে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
    ঈদুল ফিতরের আগে আবারও এক দফায় স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ১ হাজার ৭৭৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দর শনিবার (২৯ মার্চ) থেকে কার্যকর হবে।নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।এর আগে, সবশেষ গত ২৫ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ১৫৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।উল্লেখ্য, চলতি বছর দেশের বাজারে এ নিয়ে মোট ১৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস। যারমধ্যে ১৩ বার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। দাম কমানো হয়েছে মাত্র ৪ বার। এর আগে ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৩৫ বার বাড়ানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম। এছাড়া গত বছর ২৭ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।এনআই
    দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিঙ্গাপুর-যুক্তরাজ্য থেকে আসবে ২ কার্গো এলএনজি
    দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির করছে সরকার। এতে ব্যয় হবে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কমিটির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।জানা গেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে। ভারতের মেসার্স বগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই চাল আনা হবে। প্রতি মেট্রিক টন চালের দাম ধরা হয়েছে ৪২৪.৭৭ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৫০ হাজার টন চালের দাম পড়বে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানির সম্প্রতি অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর আওতায় ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম থেকে কয়েক টন চাল আমদানি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।এবি 
    শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে ৩ কারখানাকে সোয়া ১২ কোটি টাকা দিলো সরকার
    ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে তিনটি পোশাক কারখানাকে ১২ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে অসন্তোষ থাকা টিএনজেডের এক কারখানা গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করেছে।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন, বোনাসসহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।উপদেষ্টা বলেন, ‘রোয়ার ফ্যাশন নামের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে তাদের শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে পাওনাদি পরিশোধের জন্য এরই মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলের আপদকালীন হিসাব থেকে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এ উদ্যোগ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রসারিত করা যাবে না।’তিনি বলেন, ‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত শ্রম অসন্তোষ নিরসন বিষয়ে গত ২৫ মার্চের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেড গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে। এটা এর আগে বাংলাদেশে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। মালিক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।’এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাহমুদ গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ সহায়তা বাবদ ১১ কোটি টাকা ছাড় করেছে বলেও জানিয়েছেন শ্রম উপদেষ্টা।সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘স্টাইলক্রাফট অ্যান্ড ইয়াংওয়ান বিডি লিমিটেড বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আজ এক সভা হয়েছে। সভায় শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে।’পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যার যা পাওনা পেয়ে যাবেন। বাকিরা যারা না পান আজ বা কাল সকালে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবো। প্রায় সব সমস্যাই সমাধান হয়ে গেছে।’‘এই ঈদ অন্যান্য ঈদ থেকে অনেক ভালো। অন্যান্য বছরের তুলনায় শ্রমিক অসন্তোষ কম। পোশাক খাতের অনেকেই ভালো করছে। এই শিল্পটা বসে যায়নি, পোশাক শিল্পে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে’, বলেন উপদেষ্টা।জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট। রাস্তার দুই পাশে দোকান বসেছে। সদরঘাট যেতে এই সড়কটি সচল রাখার কথা জানিয়েছিলেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি পুলিশের ডিসি সাউথকে অনুরোধ করছি, এটি আপনারা দেখেন। আমি যদি বের হই, এরকম দেখি, আপনাদের বিরুদ্ধেই আমাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করতে হবে।এবি 
    দেশের গ্যাস সংকট নিরসনে স্বস্তির খবর
    বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে নতুন ১১ কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস)। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি মাসে দুটি এবং আগামী মাসে আরও নয়টি কার্গো এলএনজি দেশে পৌঁছাবে, যা জাতীয় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে মহেশখালী থেকে প্রতিদিন ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে, যার ফলে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে গ্যাস সংকট অনেকটাই কমে এসেছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এলএনজি সরবরাহের ফলে আগামী দুই মাসের বেশি সময় গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহের ইতিহাসে এর আগে কখনো একসঙ্গে এত বড় পরিমাণে এলএনজি আসেনি। ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়। তবে প্রায় সাত বছর পর এই প্রথম একসঙ্গে ১১ কার্গো এলএনজি সরবরাহ হতে যাচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ফারাক থাকার ফলে প্রায়শই গ্যাস সংকট দেখা দেয়। বিশেষ করে আশুগঞ্জ–বাখরাবাদ পাইপলাইনকে ওয়ানওয়ে করে দিয়ে চট্টগ্রামকে পুরোপুরি এলএনজি নির্ভর করে ফেলার কারণে এই সংকট আরও প্রকট হয়। তবে সাম্প্রতিক এলএনজি আমদানির গতি বাড়ায় চট্টগ্রামে গ্যাসের প্রবাহ ও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। আগামী অন্তত দুই মাস এই সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।একটি এলএনজি কার্গোর ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬৬ হাজার ঘনমিটার লিকুইড গ্যাস। গ্যাসিফিকেশনের পর এটি প্রায় ৬০০ গুণ বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে সরবরাহ করা হলে ১১ কার্গো এলএনজি অন্তত ৪০ দিনের গ্যাস চাহিদা পূরণ করতে পারবে। ফলে দেশের অন্তত দুই মাসের গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।বর্তমানে বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩,২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২,২০০–২,৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ঘাটতি পূরণ করতে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। নতুন ১১ কার্গো এলএনজি এই ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট লাঘব করবে।শীতকাল শেষে গ্যাসের প্রবাহে আর কোনো বাধা থাকবে না, ফলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এটি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী শিল্পখাত, বিশেষ করে বস্ত্র ও পোশাক শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত হলে উৎপাদন ব্যাহত হবে না।বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমে আসবে, যা শিল্প উৎপাদন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং রপ্তানিতে গতি আসবে।বাংলাদেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ক্রমশ কমছে। ফলে চাহিদা পূরণে আমদানি নির্ভরতা বাড়ছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি আমদানির জন্য বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে চুক্তি করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্পট কার্গো সংগ্রহ করছে। তবে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ভবিষ্যতে কেমন থাকবে, তা নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির উপ-মহাব্যবস্থাপক, পাইপলাইন ও পুরনির্মাণ ডিপার্টমেন্ট প্রকৌ. মো. আহসান হাবীব সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বর্তমানে গ্যাসের যোগান ঠিকমতো রয়েছে এবং প্রেসারও স্বাভাবিক। এটি ধরে রাখা গেলে দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতের জন্য একটি সুসংবাদ হয়ে থাকবে।
    আইএমএফের প্রতিনিধি দল আসছে ঢাকায়
    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থছাড় নিয়ে আলোচনার জন্য সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসছেন। প্রতিনিধিদলটি ৫ এপ্রিল ঢাকায় এসে ৬ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহ সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এদিকে বাংলাদেশ কিস্তির অর্থছাড় পেতে বেশ কিছু শর্ত দিয়েছে আইএমএফ। যা পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে।   সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইএমএফের ঋণের দুই কিস্তির অর্থ একসঙ্গে পেতে বাংলাদেশের সামনে মোটাদাগে তিনটি বাধা রয়েছে। এগুলো হলো মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দশমিক ৫ শতাংশ হারে বাড়তি রাজস্ব আদায় ও এনবিআরের রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব প্রশাসনকে আলাদা করা।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইএমএফকে জানানো হয়েছে, এসব শর্ত বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব প্রশাসনকে আলাদা করার পদক্ষেপ ছাড়া বাকি দুটির বিষয়ে তেমন অগ্রগতি নেই। তবে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হচ্ছে। যার কারণে হঠাৎ ডলারের দাম খুব বেশি বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ পদ্ধতিতে ডলারের দাম ১২২ টাকায় স্থিতিশীল আছে।এইদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানিয়েছে, আইএমএফের প্রতিনিধিদল দুই সপ্তাহ বাংলাদেশের সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকগুলোতে অংশ নেবে অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, ইআরডি, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বিইআরসি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিবিএস, বাণিজ্য ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সফরের শেষে ১৭ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে তারা মূল্যায়ন ও সুপারিশ জানাবে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জানা গেছে, আইএমএফ সঙ্গে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি করে বাংলাদেশ। এরইমধ্যে তিনটি কিস্তির অর্থছাড় করেছে আইএমএফ। এরমধ্যে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পায়। একই বছরের ডিসেম্বরে পেয়েছে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর ২০২৪ সালের জুনে তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে। তিন কিস্তিতে বাংলাদেশ প্রায় ২৩১ কোটি ডলার পায়। ঋণের অর্থছাড় বাকি আছে ২৩৯ কোটি ডলার। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাজেট সহায়তার জন্য এই ঋণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত দুটি কিস্তি একসঙ্গে ছাড়ের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার এবং আইএমএফ একমত হয়েছে। এইচএ
    এপ্রিলেও অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানি তেলের দাম
    এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (৩১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। নতুন দাম ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের জন্য বিদ্যমান মূল্য কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য হবে- ডিজেল প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, কেরোসিন প্রতি লিটার ১০৫ টাকা, অকটেন প্রতি লিটার ১২৬ টাকা ও পেট্রোল প্রতি লিটার ১২২ টাকা।এমআর-২
    আজ যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা
    এবার ঈদের ছুটিতে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল টানা ৯ দিন ব্যাংক বন্ধ। তবে পোশাক খাতে কর্মরতদের বেতন দেওয়ার সুবিধার্থে শিল্প এলাকায় আজ (২৯ মার্চ) ব্যাংক খোলা থাকবে।এর আগে, শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা ছিল। তবে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, বাকি সময় লেনদেন পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।শনিবার (২৯ মার্চ) শিল্প এলাকায় ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর মধ্যে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। যেসব শাখা খোলা থাকবে সেসব শাখায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিধি মোতাবেক ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।২৪ মার্চ কিছু ব্যাংক শাখা খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপন বলা হয়, আগামী ৩ এপ্রিল পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতরের আগে তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল বিক্রির জন্য এবং ওই শিল্পে কর্মরতদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে পোশাকশিল্পের লেনদেনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যাংক শাখা ২৮ ও ২৯ মার্চ খোলা রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাকশিল্প এলাকার।এমআর-২
    ঈদের আগে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
    ঈদুল ফিতরের আগে আবারও এক দফায় স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ১ হাজার ৭৭৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দর শনিবার (২৯ মার্চ) থেকে কার্যকর হবে।নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।এর আগে, সবশেষ গত ২৫ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ১৫৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।উল্লেখ্য, চলতি বছর দেশের বাজারে এ নিয়ে মোট ১৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস। যারমধ্যে ১৩ বার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। দাম কমানো হয়েছে মাত্র ৪ বার। এর আগে ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৩৫ বার বাড়ানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম। এছাড়া গত বছর ২৭ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।এনআই
    দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিঙ্গাপুর-যুক্তরাজ্য থেকে আসবে ২ কার্গো এলএনজি
    দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির করছে সরকার। এতে ব্যয় হবে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কমিটির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।জানা গেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটেশনের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে। ভারতের মেসার্স বগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই চাল আনা হবে। প্রতি মেট্রিক টন চালের দাম ধরা হয়েছে ৪২৪.৭৭ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৫০ হাজার টন চালের দাম পড়বে দুই কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানির সম্প্রতি অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর আওতায় ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম থেকে কয়েক টন চাল আমদানি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও চাল আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।এবি 
    শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে ৩ কারখানাকে সোয়া ১২ কোটি টাকা দিলো সরকার
    ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে তিনটি পোশাক কারখানাকে ১২ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে অসন্তোষ থাকা টিএনজেডের এক কারখানা গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করেছে।বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন, বোনাসসহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।উপদেষ্টা বলেন, ‘রোয়ার ফ্যাশন নামের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে তাদের শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে পাওনাদি পরিশোধের জন্য এরই মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলের আপদকালীন হিসাব থেকে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এ উদ্যোগ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রসারিত করা যাবে না।’তিনি বলেন, ‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত শ্রম অসন্তোষ নিরসন বিষয়ে গত ২৫ মার্চের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেড গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে। এটা এর আগে বাংলাদেশে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। মালিক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।’এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাহমুদ গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ সহায়তা বাবদ ১১ কোটি টাকা ছাড় করেছে বলেও জানিয়েছেন শ্রম উপদেষ্টা।সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘স্টাইলক্রাফট অ্যান্ড ইয়াংওয়ান বিডি লিমিটেড বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আজ এক সভা হয়েছে। সভায় শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে।’পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যার যা পাওনা পেয়ে যাবেন। বাকিরা যারা না পান আজ বা কাল সকালে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবো। প্রায় সব সমস্যাই সমাধান হয়ে গেছে।’‘এই ঈদ অন্যান্য ঈদ থেকে অনেক ভালো। অন্যান্য বছরের তুলনায় শ্রমিক অসন্তোষ কম। পোশাক খাতের অনেকেই ভালো করছে। এই শিল্পটা বসে যায়নি, পোশাক শিল্পে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে’, বলেন উপদেষ্টা।জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট। রাস্তার দুই পাশে দোকান বসেছে। সদরঘাট যেতে এই সড়কটি সচল রাখার কথা জানিয়েছিলেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি পুলিশের ডিসি সাউথকে অনুরোধ করছি, এটি আপনারা দেখেন। আমি যদি বের হই, এরকম দেখি, আপনাদের বিরুদ্ধেই আমাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করতে হবে।এবি 

    শিক্ষাঙ্গন

    সব দেখুন
    এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষাবোর্ড
    আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১ মাস পেছানোর দাবি জানায় একদল শিক্ষার্থী। এই দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয় তারা। তবে তাদের এ দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক মনে করেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা।তারা বলছেন পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে জুন মাসের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। তাই চাইলেও পরীক্ষার পেছানো সুযোগ নেই।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার‌ বলেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সকল কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ। এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।পরীক্ষা পেছানোর যেসব দাবি করেছে সেগুলোর কোনোটারই যৌক্তিকতা নেই। তাদের এসব দাবি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার‌ বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে।সব পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এসব গুজবে কান না দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান এ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, ১০ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে সে ঘোষণা আরও ৮-৯ মাস আগে দেওয়া হয়। সে মোতাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি গ্রহণ করে। পরীক্ষা শুরুর এক সপ্তাহ আগে পরীক্ষার পেছানোর দাবি শুধু অযৌক্তিক নয় এটা পরীক্ষা বানচালেরও ষড়যন্ত্র।তারা আরও বলেন, দেশে বড় ধরনের কোনো দুর্যোগ বা অস্থিরতা তৈরি না হলে সাধারণত পরীক্ষার পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে পরীক্ষা পেছানোসহ দুই দফা দাবি তুলে ধরেন একদল শিক্ষার্থী। তাদের দাবিগুলো হলো- পরীক্ষা এক মাস পেছানো এবং সব পরীক্ষায় ৩ থেকে ৪ দিন বন্ধ দেওয়া।তারা দাবির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই ১মাস সময় দিলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যাবে।এইচএ
    ঈদের ছুটি শেষে এসএসসি পরীক্ষা
    ঈদের ছুটি শেষ হতেই শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। টানা ৩৮ দিনের ছুটি কাটিয়ে আগামী ৮ এপ্রিল খুলবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর দুদিন পর অর্থাৎ ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। আসন্ন এ পরীক্ষায় বসবে ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন পরীক্ষার্থী।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের তিন হাজার ৭৪৯টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত বা তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ মে।এবার ঢাকাসহ সব শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ নতুন কর্মকর্তা। পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা নেই তাদের। প্রশ্নফাঁস রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে ভূমিকা রাখে, তা এবার কতটা সম্ভব হবে; সেটা নিয়েও দুশ্চিন্তাঢাকাসহ সবগুলো শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদে নতুন কর্মকর্তারা এসেছেন। তাদের দিয়ে এসএসসির মতো বড় পাবলিক পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করাটাকেও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা।এইচএ
    বেরোবিতে ঈদের দিন উপাচার্যের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বিশেষ খাবার প্রদান
    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর উদ্যোগে ঈদের দিনে আবাসিক হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন বাস্তবতায় যে সকল শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে তাদের জন্য সকালে ও দুপুরে বিশেষ খাবার প্রদান করা হয়। সোমবার (৩১ মার্চ) দুপুরে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের কুশল বিনিময় করেন ও তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। আপনজন ও পরিবার ছেড়ে হলে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ঈদের দিন দুপুরে বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। এ সময় উপাচার্য পত্নী মোছাঃ মাহমুদা আখতার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর রশিদ, প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, সহকারী প্রক্টর মো. আব্দুল্লাহ্-আল-মাহবুবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে কর্মরত আনসার সদস্য, ফাঁড়ির পুলিশ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্যও বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের নামাজে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকতা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে সকালে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের জন্য সেমাইসহ মিষ্টান্ন জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।পিএম
    আবু সাঈদের পরিবারকে বেরোবি উপাচার্যের ঈদ সামগ্রী প্রদান
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছরের জুলাইয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। রবিবার (৩০ মার্চ ) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের জাফরপাড়ার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী শহীদ আবু সাঈদের বাবা জনাব মকবুল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। উপাচার্য শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন। এ সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।এসময় বেরোবি উপাচার্য বলেন, শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য। শহীদ আবু সাঈদকে ছাড়া তার পরিবার প্রথমবারের মতো ঈদ পালন করবে। উপাচার্য বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারকে ঈদ সামগ্রী দেওয়ার জন্য এখানে এসেছি। কিন্তু আবু সাঈদের পরিবারের মাঝে ঈদের কোন আনন্দ নেই। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো রমজান মাসে নিত্য পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় রয়েছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের মতো যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। উপাচার্য বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই বিপ্লবে শহীদদের হত্যাকারীদের যথাযথ বিচার এখনো দেখতে পারিনি ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবার ও দেশবাসী ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ অনুভব করবে। এনআই

    তথ্য-প্রযুক্তি

    সব দেখুন
    এবার এক্সও বেচে দিলেন ইলন মাস্ক
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার (বর্তমানে এক্স) কিনে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক। এবার এক্স’কেই বিক্রি করে দিলেন তিনি। নিজের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংস্থা এক্সএআই-কে এই প্ল্যাটফর্ম বিক্রি করে দিয়েছেন মাস্ক। শনিবার (২৯ মার্চ) মাস্কের এক এক্স পোস্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।এতে বলা হয়, ৩৩ বিলিয়ন ডলারের অল-স্টক লেনদেনের মাধ্যমে এক্স-এর হাতবদল হয়েছে। এক্স কিনে নিয়েছে ইলন মাস্কের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংস্থা এক্সএআই।শুধু তাই নয়, ইলন মাস্কের এক্স-এর ১২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের দায়ও এক্সএআই-এর ঘাড়ে চাপতে চলেছে। এই আবহে এক্সএআই-এর বাজার দর উঠেছে ৮০ বিলিয়ন ডলার। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে এক ছাতার তলায় আনতে চলেছেন ইলন মাস্ক, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।বিষয়টি নিয়ে মাস্ক নিজের এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে লেখেন, ‘এক্সএআই এবং এক্স-এর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে জড়িত। আজ আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ডেটা, মডেল, গণনা, বিতরণ এবং প্রতিভা এক ছাতার তলায় আনার পদক্ষেপ নিয়েছি।’মাস্ক আরও বলেন, ‘আমি এক্সএআই এবং এক্স-এর প্রত্যেক কর্মীর কঠোর পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দিতে চাই যা আমাদের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। এটা তো সবে শুরু।’ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে লড়াইয়ে এক্সএআইকে সামনের সারিতে রাখার চেষ্টা করছেন মাস্ক। এক্সএআইয়ের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে এক্স-এর ৬০০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী যুক্ত হওয়ায় এআই সম্পর্কিত কাজ আরও দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হবে বলে মনে করছেন ধনকুবের মাস্ক।তবে এক্স বা এক্সএআইর মুখপাত্ররা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। কারণ চুক্তির বেশিরভাগ সুনির্দিষ্ট বিষয় অস্পষ্ট রয়ে গেছে, যেমন বিনিয়োগকারীদের কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে, এক্স সংশ্লিষ্টদের কীভাবে নতুন ফার্মে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ইত্যাদি বিষয় এখন অমিমাংসিত।এর আগে ২০২২ সালের শেষের দিকে সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম টুইটার কিনে নেন মাস্ক। ওই সময় ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার খরচ করেছিলেন তিনি। সংস্থাটির ঋণও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল। টুইটার-চুক্তি সম্পন্ন হতেই প্ল্যাটফর্মটির নাম বদল করে এক্স হ্যান্ডেল রাখেন তিনি।  এইচএ
    বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ শনিবার, দ্বিতীয়টি ২১ সেপ্টেম্বর
    ২০২৫ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার (২৯ মার্চ)। এবারের গ্রহণটি আংশিক বলে জানা গেছে।গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবছর দু’টি সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা। প্রথমটি ২৯ মার্চ, দ্বিতীয়টি ২১ সেপ্টেম্বর।বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী শনিবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। শেষ হবে ৬টা ৪৩ মিনিটে। কিন্তু গ্রহণ চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছাবে ৪টা ৪৭ মিনিটে। বাংলাদেশ থেকে দেখা না গেলেও আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আটলান্টিক এবং উত্তর মহাসাগর থেকে তা দেখা যাবে।প্রসঙ্গত, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় চলে এলে চাঁদ যদি সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে বাধা দেয়, তখনই সূর্যগ্রহণ হয়। যদি সূর্যের আলো সম্পূর্ণ বাধাপ্রাপ্ত হয় তাহলে পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হয়। অন্যথায় হয় আংশিক সূর্যগ্রহণ। এবারের গ্রহণ আংশিক। উল্লেখ্য, এবছর ৪টি গ্রহণ হওয়ার কথা। এর মধ্যে মার্চে একটি চন্দ্রগ্রহণ ও একটি সূর্যগ্রহণ। আবার ৭ সেপ্টেম্বর হবে চন্দ্রগ্রহণ। ২১ সেপ্টেম্বর সূর্যের বলয়গ্রাস।২০২৫ সালের শুরু থেকেই মহাজাগতিক নানা বিস্ময় অপেক্ষা করে রয়েছে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য। উল্কাবৃষ্টি থেকে শুরু করে শুক্র-শনির সহাবস্থানের মতো নানা দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন তারা। এর মধ্যে অন্যতম গ্রহণ। প্রতি বছরের মতো এবারও আলাদা করে নজর কাড়বে সূর্য ও চন্দ্রের গ্রহণ। কিন্তু প্রথম গ্রহণটির মতো দ্বিতীয় গ্রহণও দেখা যাবে না বাংলাদেশ থেকে। তবে অনলাইনে তা দেখা যাবে।এইচএ  
    ল্যাপটপে মোবাইল চার্জ দেবার আগে একবার ভাবুন
    আজকাল অন্যতম প্রয়োজনীয় গ্যাজেট হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ল্যাপটপ। অনেকেই স্মার্টফোন ল্যাপটপ থেকে চার্জ করে নেন। ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করার সুবিধা অনেক। চার্জারের দরকার হয় না। ইউএসবি ক্যাবল থাকলেই হলো। অফিস হোক কিংবা ক্যাফে, সহজে চার্জ করাও যায়। ইলেকট্রিকে বোর্ডেরও দরকার পড়ে না। কিন্তু এতে লাভের বদলে ক্ষতিই হয় বেশি।ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টের ভোল্টেজ ফোনের জন্য উপযুক্ত নয়। এর ফলে চার্জ উঠতে দেরি হবে। সময় বেশি লাগবে। পাশাপাশি ওভারহিটিংয়ের ঝুঁকিও থাকে। চার্জিংয়ের সময় যদি ফোন বেশি গরম হয়ে যায় তাহলে শুধু ফোন নয়, ল্যাপটপেরও ক্ষতি হতে পারে। সঠিক ভোল্টেজ ব্যবহার করা জরুরি, তবেই ব্যাটারি দীর্ঘদিন চলবে, কার্যক্ষমতাও ঠিক থাকবে।সবচেয়ে বড় কথা হলো, ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। হ্যাঁ, এটা অনেকেই জানেন না। যদি কেউ নিয়মিত ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করেন, তাহলে ল্যাপটপের ব্যাটারির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ধীরে ধীরে আয়ু কমতে থাকে।ইউএসবি পোর্টেরও ক্ষতি হয়। বারবার খোলা-লাগানোর ফলে পোর্টের পিন বেঁকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন ইউএসবি পোর্ট আর কাজ করাই যাবে না। তাই ক্যাবল লাগানোর সময় খুব বেশি চাপ দিতে বারণ করা হয়।ল্যাপটপ ফোন চার্জের জন্য তৈরি হয়নি। যদি কেউ সেটাই করতে থাকে তখন পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ে। ল্যাপটপ মাল্টিটাস্কার। এতে অনেক কাজ একসঙ্গে চলে। কিন্তু ফোন চার্জ করতে থাকলে সেই কাজে প্রভাব পড়ে।দীর্ঘমেয়াদে ল্যাপটপ থেকে চার্জ করার কারণে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতে পারে। পাশাপাশি পাবলিক কম্পিউটার বা অজানা চার্জিং পোর্টে ফোন চার্জ করতেও বারণ করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে ডাটা চুরির আশঙ্কা থাকে।সবসময় ফোনের আসল ওয়াল চার্জার ব্যবহার করা উচিত। এতে ব্যাটারিও ভালো থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করাই যায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, এটা যেন অভ্যাসে পরিণত না হয়। আর পাবলিক চার্জিং পোর্ট এড়িয়ে চলতে হবে। সুরক্ষা সবার আগে।ল্যাপটপ থেকে ফোন চার্জ করা সুবিধাজনক হলেও, সচেতনতার সঙ্গে ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সঠিক পদ্ধতি মেনে চললে ডিভাইসের পারফরম্যান্স বজায় থাকবে এবং ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘস্থায়ী হবে।এইচএ
    দশ মিনিটের চার্জে ১০ ঘণ্টা চলবে ইয়ারবাড
    বর্তমানে সবারই খুব পছন্দ ইয়ারবাডস। ছোট্ট চার্জিং কেস সমেত এদিক-ওদিক নিয়ে যাওয়াও সহজ। পোশাকে একটা প্যাকেট কিংবা ব্যাগে অল্প একটু জায়গাই যথেষ্ট। বিভিন্ন সংস্থা তাদের ইয়ারবাড বাজারে আনছে।সম্প্রতি নতুন ইয়ারবাড বাজারে আনছে রিয়েলমি। রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭ মডেল। এটি একটি ট্রু ওয়্যারলেস স্টিরিও ইয়ারবাডস। সংস্থার দাবি রিয়েলমির নতুন ইয়ারবাডসে একবার পুরো চার্জ দিলে ৫২ ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকবে।রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭ মডেলে ৫২ ডেসিবেল পর্যন্ত কাজ করবে অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন বা এএনসি ফিচার। ছয়টি মাইক যুক্ত একটি সেটআপ থাকছে এই ইয়ারবাডসে যেখানে কল নয়েজ ক্যানসেলেশন ফিচার কাজ করবে।রিয়েলমির আসন্ন ইয়ারবাডসে রয়েছে ১২.৪ মিলিমিটারের ডিপ বেস ড্রাইভার এবং সেখানে হাই রেজোলিউশনেও অডিও সাপোর্ট পাবেন ব্যবহারকারীরা। এর সঙ্গে ২৬০ ডিগ্রি স্প্যাটিয়াল অডিও এবং এলএইচডিসি ৫.০ টেকনোলজির সাপোর্ট থাকছে।রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭-এই ইয়ারবাডসে মাত্র ১০ মিনিট চার্জ দিলে এই ইয়ারফোন চালু থাকবে প্রায় ১০ ঘণ্টা। ক্রিস্টাল অ্যালয় ডিজাইন থাকতে চলেছে এই ইয়ারবাডসে।এটি আইপি৫৫ রেটিং যুক্ত ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিসট্যান্ট ডিভাইস। অর্থাৎ ধুলা এবং পানিতে সহজে নষ্ট হবে না ইয়ারবাডটি। আইভরি গোল্ড, ল্যাভেন্ডার পার্পল এবং মস গ্রিন- এই তিন রঙে রিয়েলমি বাডস এয়ার ৭ লঞ্চ হতে চলেছে ভারতে। ইয়ারবাডের দাম সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি।এমআর-২
    হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলে আসছে নতুন সুবিধা
    হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করলে প্রস্তুতি না থাকায় চেহারা নিয়ে অনেক সময় বেশ বিব্রত হতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে ফোনের ক্যামেরা বন্ধ রেখেই ভিডিও কলে কথা বলার নতুন সুবিধা চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ। এরই মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের সর্বশেষ পরীক্ষামূলক সংস্করণে (বেটা ভার্সন) নতুন এই সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি।বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল রিসিভ করলেই ফোনের সামনের ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। ফলে চাইলেও ক্যামেরা বন্ধ রেখে ভিডিও কলে কথা বলা যায় না। নতুন এ সুবিধা চালু হলে সামনের ক্যামেরা বন্ধ রেখেই অন্যদের করা ভিডিও কলে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলা যাবে। সুবিধাটি কবে নাগাদ উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। তবে শিগগিরই সুবিধাটি উন্মুক্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।অ্যান্ড্রয়েড অথরিটির তথ্যমতে, সুবিধাটি চালু হলে ভিডিও কল আসার সময় হোয়াটসঅ্যাপে ‘টার্ন অফ ইয়োর ভিডিও’ নামের একটি অপশন দেখা যাবে। এরপর ‘একসেপ্ট উইথ আউট ভিডিও’ বাটনে ক্লিক করলেই ভিডিও কলের সময় ফোনের সামনের ক্যামেরা বন্ধ থাকবে এবং অডিও মোডে কথা বলা যাবে।এর পর যদি আপনি চান, মাঝপথে ভিডিও অন করতে, তার অপশনও আছে। সে ক্ষেত্রে কল চলার সময়েই ‘টার্ন অন ইয়োর ভিডিও’-তে ক্লিক করলেই ক্যামেরা চালু হয়ে যাবে।এইচএ
    ফেসবুক স্টোরি থেকে আয়ের সুযোগ
    ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ এক সুযোগ নিয়ে এসেছে। এখন থেকে ফেসবুকের কনটেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত কনটেন্ট নির্মাতারা তাদের ফেসবুক স্টোরিজ থেকেও অর্থ আয় করতে পারবেন। কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আয়ের নতুন সুযোগ নিয়ে এসেছে ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে ফেসবুকের কনটেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত কনটেন্ট নির্মাতারা তাদের ফেসবুক স্টোরিজ থেকেও অর্থ আয় করতে পারবেন। নির্মাতারা তাদের ভিডিও, রিলস বা দৈনন্দিন জীবনের মুহূর্তগুলো স্টোরিতে শেয়ার করেও অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকের মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের সদস্যদের জন্য চালু হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ একটি রেসিপি ভিডিও তৈরি করে এবং সেটির কিছু অংশ স্টোরিতে শেয়ার করেন তবে সেটি থেকেও আয়ের সুযোগ থাকবে।ফেসবুকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্টোরির পেমেন্ট নির্ধারিত হবে কনটেন্টের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিউয়ের শর্ত ছাড়াই নির্মাতারা আয়ের সুযোগ পাবেন।বিশ্লেষকরা বলছেন, টিকটকের জনপ্রিয়তা বাড়ার ফলে ফেসবুক ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন আয়ের পথ তৈরি করতে চাইছে। মেটা ইতোমধ্যে নগদ বোনাস, কনটেন্ট চুক্তি এবং অন্যান্য সুবিধা দিয়ে ক্রিয়েটরদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।ফেসবুক ক্রিয়েটরদের জন্য কী সুবিধা আনছে?ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক উভয় প্ল্যাটফর্মেই কনটেন্ট মনিটাইজেশন সহজতর হবে।স্টোরির মাধ্যমে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাওয়া যাবে।কোনো অতিরিক্ত সেটআপ ছাড়াই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হবে।আশা করা হচ্ছে, ফেসবুকের এই নতুন উদ্যোগ কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য বড় একটি সুযোগ তৈরি করবে।এসআর

    আইন-আদালত

    সব দেখুন
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা
    জুলাই আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। একাধিকবার অপরাধ প্রমাণে তথ্য-প্রমাণ মিলেছে খসড়া তদন্ত রিপোর্টে। পার পাওয়ার সুযোগ নেই।বুধবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকেএমনটা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চূড়ান্ত তালিকা পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব। তবে খসড়ার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ফরমাল চার্জ গঠন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।তাজুল ইসলাম বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বহু প্রমাণ ও উপাত্ত রয়েছে। কখনও সরাসরি, কখনও টেলিফোনেসহ নানা মাধ্যমে গুলির নির্দেশ দিয়ে তা আবার নিশ্চিতও করেন শেখ হাসিনা। হেলিকপ্টার থেকে গুলি করার স্পষ্ট নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। আইনের ভাষায় এ গণহত্যার সুপেরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি শেখ হাসিনার।তিনি আরও বলেন, খসড়া প্রতিবেদনটি এখন প্রসিকিউশনের হাতে রয়েছে। প্রতিবেদনে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে গণহত্যার চালানোর অজস্র প্রমাণ উঠে এসেছে। শিগগিরই চূড়ান্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া হবে।প্রসঙ্গত, গত ১৭ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের চেষ্টা ও গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।এইচএ

    প্রবাস

    সব দেখুন
    সৌদিতে চুরি করে মাছ ধরার অপরাধে প্রবাসী বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার
    সৌদিআরবের সমুদ্রে চুরি করে মাছ ধরার অপরাধে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনী।গতকাল সৌদিআরবের জেদ্দা শহরে আরব সাগরে কারেক্ট জাল ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই মাছ ধরার সময় বাংলাদেশি এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশির সাথে থাকা কারেন্ট জাল উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। তবে গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশির নাম পরিচয় প্রকাশ করেনি নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।সমুদ্র সুরক্ষা লঙ্ঘনের অপরাধে বাংলাদেশি নাগরিককে জেদ্দা সেক্টরে সীমান্ত রক্ষীদের টহলরত একটি দল উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।এদিকে সৌদির আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষ সকলকে মক্কা, রিয়াদ এবং পূর্ব অঞ্চলগুলিতে ৯১১ নাম্বারে এবং ৯৪৪, ৯৯৯, ৯৯৬ নাম্বার গুলোতে কল করে জল সম্পদ রক্ষা করতে এবং কোনও অপরাধ ও লঙ্ঘনের প্রতিবেদন অবহিতি করতে এবং  বিধিগুলি মেনে চলার জন্য প্রত্যেককে আহ্বান জানিয়েছে।এইচএ

    লাইফস্টাইল

    সব দেখুন
    নতুন টাকা ছাড়াও ঈদে যেভাবে সালামি দিতে পারেন
    ছোটবেলায় ঈদ সালামির জন্য আপনিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন নিশ্চয়ই। সালামি মানেই যেন চকচকে নোট আর ইচ্ছেমতো খরচ করার স্বাধীনতা। সেসব দিন পেরিয়ে এখন হয়তো সালামি দেওয়ার পালা আপনার। এরও একটা আলাদা আনন্দ আছে। তবে সালামি পাওয়ার নিখাদ আনন্দটাকে হয়তো এর চেয়ে বেশ এগিয়েই রাখবেন আপনি। কেউ সালামি হিসেবে নগদ অর্থ সরাসরি তুলে দেন হাতে, কেউ আবার সালামি দেন সুন্দর খামে পুরে। এ যুগে আরও আছে ডিজিটাল সালামি। ছোটদের সালামি বা ঈদি দেওয়ার প্রচলন আছে অন্যান্য দেশেও। দেশে দেশে মুসলিম পরিবারগুলোতে শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এই ঐতিহ্যের প্রচলন বহু বছর ধরেই।বছরের পর বছর ধরে ঈদ বকশিস বা সালামি হিসেবে নতুন টাকা দেওয়ার রীতি চলে আসছে। এটি যেন অলিখিত ঐতিহ্য বা রেওয়াজ। তবে এবার এই রীতি আর পালন করা হচ্ছে না। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাকার নতুন নোট বাজারে আসেনি। তবে কি এবার ময়লা পুরনো টাকাতেই কাটাতে হবে ঈদ? ঈদে নতুন টাকা নেই বলে মন খারাপ করে থাকার কারণ নেই। তারচেয়ে বরং নতুন নোট ছাড়াও কীভাবে ঈদ সালামি দেওয়া যায় সেই উপায় জানুন- অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত নোট নতুন নোট যেহেতু এবার নেই তাই মানিব্যাগ বা পার্সে থাকা অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত নোটগুলোকেই বেছে নিতে পারেন সালামির জন্য। কিছুটা কম ময়লা, ছেঁড়াফাটাহীন নোটগুলো আলাদা করুন সালামির জন্য। সালামি দিন ডিজিটাল মাধ্যমে এখন যুগ বদলেছে। ছোট-বড় সবাই ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত। তাই এবার সালামি দেওয়ার ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম বা ডিজিটাল মাধ্যম। বিকাশ, নগদ, উপায়ের মতো অ্যাপের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে সালামি পাঠিয়ে দিন। তার যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে সেটিও হতে পারে সালামি আদান-প্রদানের মাধ্যম। অর্থের বদলে উপহার নগদ অর্থের মাধ্যমেই যে ঈদ সালামি দিতে হবে এমন কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। এবার নাহয় অর্থের বদলে উপহার দিন। ছোটদের প্রিয় কোনো খেলনা বা খাবার, বড়দের প্রয়োজনীয় কিছু বা শোপিস, মোমবাতি, বাহারি আয়না, প্রসাধনী, গয়না দিতে পারেন ঈদ উপহার। উপহার হতে পারে বই পরিবারের ছোট শিশু থাকলে তাদের ঈদ সালামি হিসেবে নতুন টাকার বদলে নতুন বই দিতে পারেন। কমিক্স বুক, রঙের খাতা, রঙপেন্সিল এসবও উপহার দিতে পারেন। নতুন টাকা না পেলেও নতুন বই পেলে তাদের আনন্দ বাড়বে বৈ কমবে না।
    Loading…