এইমাত্র
  • ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে প্রত্যয় স্কিম বাধ্যতামূলক
  • ইমরান খান ও তার স্ত্রীর ৮ দিনের রিমান্ড
  • খাদ্যের পাশাপাশি ত্রাণ হিসেবে বস্ত্র দরকার বানভাসিদের
  • রূপালী ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের দায়ে তিন কর্মকর্তাসহ ৬ জনের কারাদণ্ড
  • গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
  • দিনাজপুরে নদীতে নিখোঁজ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার
  • আমার পিয়ন ছিল, সেও ৪০০ কোটি টাকার মালিক: প্রধানমন্ত্রী
  • হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • রেলওয়ের ৪০ শতাংশ পোষ্য কোটা কেন অবৈধ নয়, জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট
  • সাতক্ষীরায় বাসচাপায় সাইকেলচালক নিহত
  • আজ রবিবার, ৩০ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৪ জুলাই, ২০২৪
    দেশজুড়ে

    রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু'গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ২, আশ্রয়শিবিরে আতঙ্ক

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৫৭ পিএম
    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৫৭ পিএম

    রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু'গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ২, আশ্রয়শিবিরে আতঙ্ক

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৫৭ পিএম

    কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারভিত্তিক দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় ২ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সাধারণ রোহিঙ্গারা বলছেন, গোলাগুলিতে একের পর এক মৃত্যুর খবরে আশ্রয়শিবিরজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তার নাম শামসুল আলম। তিনি ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক জি-৯-এর মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে। নিহত অপরজন হলেন নুর মোহাম্মদ। তিনি ২ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক ২-৪ এর গফুর আহমদের ছেলে।

    বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং মধুর ছড়াস্থ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পশ্চিমের পাহাড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক কমিউনিটি নেতা জানিয়েছেন, আরএসও নেতা মৌলভী রহিমুল্লাহ উল্লাহ এবং আরসা নেতা নবী হোসেন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুজন ছাড়াও কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যাদের মরদেহ পাহাড়ে আরসার আস্তানায় রয়েছে।

    সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী দুজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেছেন, কী কারণে, কেন এই হত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতের একজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। অপরজনের মরদেহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধারের জন্য ক্যাম্পে গেছে। ফেরার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

    তিনি বলেন, ৬ নম্বর ক্যাম্পের ২ নং পাহাড়ের সামনে খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র নিয়ে খেলার মাঠে এসে গুলি করলে ২ জন নিহত হন। ঘটনার পর পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

    নিহত শামসুল আলমের ছোট বোন হাসিনা বেগম বলেন, ‘আরসার লোকজন ভোরে ক্যাম্প থেকে আমার ভাইকে ডেকে পাহাড়ে নিয়ে যায়। বিকালে জানতে পারি ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন মারা গেছে।’

    কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের তথ্যমতে, এ ঘটনায় আরও একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় আনা হয়েছিল; যাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শামসুল আলমের মরদেহ মর্গে রয়েছে।

    পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে একাধিক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ জন রোহিঙ্গা মাঝি, ১১ জন আরসা সদস্য, ১ জন স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যরা সাধারণ রোহিঙ্গা।

    পিএম

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…