এইমাত্র
  • যাত্রাবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত
  • ইন্টারনেট বন্ধ করায় গ্রামীণফোনের হেডঅফিস ঘেরাও
  • অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিটিভির আগুন, যেতে পারছে না ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি
  • টাঙ্গাইলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ
  • কিশোরগঞ্জে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, আহত অর্ধশতাধিক
  • পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল-সড়ক অবরোধ
  • কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
  • জামালপুরে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, আহত ১২, আটক ৪
  • কটিয়াদীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে হামলায় আহত অর্ধশত
  • আজ মঙ্গলবার, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩১ | ২৩ জুলাই, ২০২৪
    দেশজুড়ে

    বৈরী আবহাওয়ায় বন্ধ থাকা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ফের শুরু

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:১১ এএম
    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:১১ এএম

    বৈরী আবহাওয়ায় বন্ধ থাকা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ফের শুরু

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:১১ এএম

    বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজার বঙ্গোপসাগরে গত পক্ষকালের বেশি সময় ধরে মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর শনিবার থেকে ফের শুরু হয়েছে। সাগরের আবহাওয়া শান্ত থাকায় শনিবার বিকেল থেকে কক্সবাজারের জেলেরা ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজারের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ট্রলারই সাগরে মাছ ধরতে গেছে বলে জানিয়েছে জেলা ফিশিং বোট মালিক সূত্র।

    জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোস্তাক আহমদ জানান, কক্সবাজারে ছোট বড় প্রায় ৭ হাজার যান্ত্রিক নৌযান সাগরে মাছ ধরে। এরমধ্যে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় এক তৃতীয়াংশ ট্রলারই সাগরে মাছ ধরতে গেছে। বাকী ট্রলারগুলোও রবি-সোমবারের মধ্যে সাগরে মাছ ধরতে যাবে।

    তিনি জানান, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা জুলাই মাসের ২৩ তারিখ শেষ হলেও সাগর উত্তাল থাকায় ওই মাসে সাগরে মাছ ধরতে পারেনি জেলেরা। এরপর আগস্ট মাসজুড়ে মোটামুটি নিয়মিত সাগরে আসা-যাওয়া সম্ভব হলেও ওই মাসের শেষদিকে আবারও সাগর উত্তাল হয়ে ওঠে। ফলে মাছ না ধরেই ফিরে আসতে হয় জেলেদের। কিন্তু পক্ষকালের বেশি সময় পর শনিবার থেকে সাগরের আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে এলে জেলেরা মাছ ধরা জন্য আবারও সাগরে যেতে শুরু করেছে।

    জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির মতে, সাগরে মাছ ধরার জন্য বিভিন্ন আকারের বোট রয়েছে। এরমধ্যে বড় বোটে ৩০ থেকে ৪০ জন এবং ছোট বোটে ৫ থেকে ১৭ জন জেলে থাকে। আবার কক্সবাজার শহরতলীর দরিয়ানগর ঘাটের ইঞ্জিনবিহীন ককশিটের বোটে থাকে মাত্র ২ জন জেলে। ট্রলারগুলোর মধ্যে ইলিশ জালের বোটগুলো গভীর বঙ্গোপসাগরে এবং বিহিন্দি জালের বোটগুলো উপকূলের কাছাকাছি মাছ ধরে। যে কারণে ইলিশ জালের বোটগুলো পক্ষকালের রসদ নিয়ে এবং বিহিন্দি জালের বোটগুলো সাগরে মাত্র একদিনের রসদ নিয়ে মাছ ধরতে যায়। বিহিন্দি জালে ইলিশ ব্যতীত ছোট আকারের প্রায় পাঁচ প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে, যাকে স্থানীয় ভাষায় ‘পাঁচকাড়া’ (পাঁচ প্রকারের) মাছ বলা হয়। কক্সবাজার জেলার লক্ষাধিক জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী প্রত্যক্ষভাবে সাগরে মাছধরা পেশার ওপর নির্ভরশীল।

    এদিকে, সাগরে মাছ ধরা শুরু হওয়ায় শনিবার থেকে শহরের প্রধান মৎস্য অবতরণকেন্দ্র ফিশারীঘাটসহ শহর ও শহরের বাইরের জেলেপল্লীগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে বলে জানান ফিশারীঘাটস্থ মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির সভাপতি জয়বাল আবেদীন হাজারি।

    তিনি জানান, মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র প্রতিবছর আড়াই মাসের কাছাকাছি বন্ধ থাকে। সাগরে মাছ ধরা শুরু হলে এক সপ্তাহ থেকে পক্ষকাল পরই ট্রলারগুলো মাছ ধরে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পৌঁছে। আর এবার মাছ ধরা শুরু হয়েছে নিষেধাজ্ঞা অতিবাহিত হওয়ারও ৮/১০ দিন পর। তার মানে এবার প্রায় ৩ মাসের কাছাকাছি মাছের বিকিকিনি বন্ধ। আবার অক্টোবরের বন্ধে আরো এক মাস মিলে প্রতি বছর ৪ মাস সময় বন্ধ থাকছে মৎস্য ব্যবসা।

    উল্লেখ্য, সাগরে মাছের প্রাচুর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯ সাল থেকে প্রথমবারের মতো ছোট নৌকাগুলোকেও ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় নিয়ে আসে। এরআগে ২০১৫ সাল থেকে কেবল বড় বড় বাণিজ্যিক ট্রলারগুলোর জন্যই এ নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। তবে ইলিশের প্রজননকাল উপলক্ষে ছোট ট্রলারগুলোকে ২০১১ সাল থেকেই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়, যেটি অক্টোবর মাসে এখনও কার্যকর রয়েছে।

    পিএম

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…