এইমাত্র
  • রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আরসার ৪ সদস্য আটক, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
  • ঢাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৩
  • পিটিআই প্রধানের পদ থেকে সরানো হলো গোহরকে
  • আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার সুযোগ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • রাশিয়ার ওপর আরও ৫০০ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
  • কাদের-চুন্নুকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে, বাদ দেয়া হয়নি: রওশন
  • অবৈধ মজুতদাররা শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে চায়: খাদ্যমন্ত্রী
  • ৩ মার্চ কলকাতা মাতাবেন নগর বাউল জেমস
  • স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ করলো ব্রিটিশ সরকার
  • ওআইসি সম্মেলন যোগ দিতে তুরস্কে গেলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী
  • আজ শনিবার, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩০ | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
    দেশজুড়ে

    স্ত্রীসহ তিনজনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা: পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

    খন্দকার নাঈম উদ্দিন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম
    খন্দকার নাঈম উদ্দিন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম

    স্ত্রীসহ তিনজনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা: পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

    খন্দকার নাঈম উদ্দিন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম

    পরকীয়ার জেরে স্ত্রী-সন্তান ও যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা মামলার একমাত্র আসামি বরখাস্ত হওয়া পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সৌমেন রায়কে (৩৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমীন এ রায় দেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।

    সৌমেন রায় মাগুরা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের আসবা গ্রামের সুনীল রায়ের ছেলে। তিনি সর্বশেষ খুলনার ফুলতলা থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৩ জুন বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড় এলাকার নাজ ম্যানশন মার্কেটের বিকাশের দোকানের সামনে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী আসমা খাতুন (২৫), আসমার প্রথম পক্ষের ছেলে রবিন (৫) এবং আসমার পরকীয়া প্রেমিক শাকিলকে (২৮) সরকারি অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন এএসআই সৌমেন রায়। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে সার্ভিস রিভলভার, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ আটক করে।

    পরে সেদিন বিকেলে তাকে বরখাস্ত করা হয়। একইদিন রাতে এএসআই সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম। পরদিন ১৪ জুন বিকেলে কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সৌমেন।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ২০২২ সালের ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন সৌমেন রায়। এরপর কুষ্টিয়া আদালতে বারবার আত্মসমর্পণের দিন ধার্য থাকলেও তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

    গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক বছর পেরিয়ে গেলেও লাপাত্তা সৌমেন। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…