এইমাত্র
  • ৪০০ কোটি টাকার পিয়ন জাহাঙ্গীর
  • 'তুমি কে আমি কে- রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে উত্তাল ঢাবি
  • ট্রাম্পকে গুলি করা কে এই টমাস ম্যাথিউ
  • ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে প্রত্যয় স্কিম বাধ্যতামূলক
  • ইমরান খান ও তার স্ত্রীর ৮ দিনের রিমান্ড
  • খাদ্যের পাশাপাশি ত্রাণ হিসেবে বস্ত্র দরকার বানভাসিদের
  • রূপালী ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের দায়ে তিন কর্মকর্তাসহ ৬ জনের কারাদণ্ড
  • গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
  • দিনাজপুরে নদীতে নিখোঁজ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার
  • আমার পিয়ন ছিল, সেও ৪০০ কোটি টাকার মালিক: প্রধানমন্ত্রী
  • আজ সোমবার, ৩০ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৫ জুলাই, ২০২৪
    রাজধানী

    এবার সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আরেক শিশুর মৃত্যু

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০৯ এএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০৯ এএম

    এবার সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আরেক শিশুর মৃত্যু

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০৯ এএম

    ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই এবার মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)।

    আহনাফ তাহমিন আয়হামের স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৮টায় আহনাফকে সুন্নতে খৎনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর রাজধানীর মালিবাগের জেএস হাসপাতালে দশ বছর বয়সী ছেলে আহনাফ তাহমিনকে সুন্নতে খতনা করতে নিয়ে আসেন বাবা ফখরুল আলম।

    পরিবারের অভিযোগ, আসার পরই হাসপাতাল পরিচালক ডা. এস এম মুক্তাদিরদের নেতৃত্বে তাহমিনকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায় হাসপাতালে দায়িত্বরত ডা. মাহাবুব এবং ডা. ইশতিয়াক আজাদ। সেখানে এনেস্থেশিয়া দেয়া হয় শিশুটিকে। যাতে গভীর ঘুমে তলিয়ে যায় আইহাম। পরিস্থিতি খারাপের দিতে যেতে থাকলে আরেকটি হাসপাতাল থেকে আনা হয় চিকিৎসক। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা যায়, চিরঘুমে চলে গেছে শিশুটি।

    স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া না দিয়ে মাত্রাতিরিক্ত জেনারেল এনেস্থেশিয়া দেওয়াতেই শিশুটির মারা গেছে।

    তবে মালিবাগের জেএস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটির রোগ সম্পর্কে স্বজনরা না জানানোয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়।

    হাসপাতাল পরিচালক ডা. এস এম মুক্তাদির বলেন, ছেলেটির ওজন বেশি ছিল। বয়সও ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। ফুসফুসে সমস্যা ছিল। কিন্তু সব তথ্য পরিবার জানায়নি।

    হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে জানান, হট্টগোলের খবর পেয়েই উপস্থিত হন তারা।

    এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর খতনার জন্য আয়হামকে বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ৯টার দিকে শিশুটিকে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া হয়। পরে জ্ঞান না ফেরায় তাকে গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ৭ জানুয়ারি মধ্যরাতে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…