এইমাত্র
  • নিজেদের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস হায়দ্রাবাদের
  • জানা গেল কোরবানি ঈদের সম্ভাব্য তারিখ
  • চলতি আইপিএলে দ্রুততম শতক হাঁকালেন হেড
  • ‘রাজকুমার’র সফলতায় ভক্তদের শুভেচ্ছা শাকিবের
  • রাত ১টার মধ্যে যে সব এলাকায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়
  • এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু আগামীকাল
  • ওমরাহ ভিসার মেয়াদে যে পরিবর্তন আনল সৌদি আরব
  • ইরান-ইসরায়েল মধ্যকার উত্তেজনায় সৌদির অবস্থান কী?
  • নরসিংদীতে প্রকাশ্যে ইউপি সদস্যকে গুলি ও জবাই করে হত্যা
  • বড় মেয়েকে নিয়ে গোপনে বাংলাদেশ ছাড়লেন সেই জাপানি মা
  • আজ সোমবার, ২ বৈশাখ, ১৪৩১ | ১৫ এপ্রিল, ২০২৪
    তথ্য-প্রযুক্তি

    গুজব বন্ধ না হলে দেশে ফেসবুক-ইউটিউব বন্ধের সিদ্ধান্ত

    তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৪, ১০:৫৫ পিএম
    তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৪, ১০:৫৫ পিএম

    গুজব বন্ধ না হলে দেশে ফেসবুক-ইউটিউব বন্ধের সিদ্ধান্ত

    তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৪, ১০:৫৫ পিএম

    আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনে তা সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে। আজ রবিবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, ‘যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের গুজব ছড়ানো বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে। তারা ব্যবস্থা না নিলে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘গুজব প্রতিরোধ ও সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণে‌ ওদের (ফেসবুক-ইউটিউব) হেড অফিস এখানে না থাকার কারণে, বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সুপারিশ বা কথা তারা শোনে না। তারা যে শুনছে না, তা আমরা পাবলিকলি প্রচার করবো। প্রয়োজন হলে কিছু সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংস্থাকে আগে প্রোপারলি নোটিফাই করবো যে, আমাদের অভিযোগ যথাযথভাবে আমলে না নিয়ে তারা (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম) এসব ক্রাইম, গুজব অব্যাহত রাখছে এবং তাদের পক্ষ থেকে (প্রতিরোধে) কোনো উদ্যোগ নেই। প্রথমে তাদের বারবার বলা হবে, দরকার হলে আমরা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন আকারেও বলবো, যেন এ কথা বিশ্ববাসীর মনে না হয়, এখানে মৌলিক অধিকার ব্যাহত হচ্ছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম) আইনের বিধানে রয়েছে- কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা আমাদের অভিযোগগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাদের এ উদাসীনতা পাবলিক নোটিশের মাধ্যমে জনগণকে অবহিত করা হবে। যদি কখনো এগুলো বন্ধ হয়, দায়টা যাতে সরকারের ওপরে না আসে, তাদের ওপরই যাতে বর্তায়। তাদের আমরা কী অভিযোগ দিলাম, তা যেন মানুষ জানে, আমরা অভিযোগ করে প্রতিকার পাচ্ছি না।

    এফএস

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…