এইমাত্র
  • পানিতে তলিয়ে গেছে ভোলার নিচু এলাকা
  • এখন একটাই কাজ, তারেক জিয়ার সাজা বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী
  • চোখ’ ফুটেছে ঘূর্ণিঝড় রেমালের, ব্যাপক তাণ্ডবের আশঙ্কা
  • বেঁচে যাওয়া বাছুরটিই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ষাঁড়
  • সাভারে ডেইলি স্টারের সাংবাদিকের ‍উপর হামলা
  • স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস ডব্লিউএইচওর
  • প্লাবনের তোড়ে বাঁধ ভেঙে রাঙ্গাবালীর ২০ গ্রাম প্লাবিত
  • এবার বেনজীরের কোম্পানি-ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ
  • পেনশন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
  • বিয়ে করলেন শরিফুল রাজ ও বুবলী
  • আজ রবিবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ২৬ মে, ২০২৪
    অর্থ-বাণিজ্য

    ঢাকার খামারগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে কোরবানির পশু বিক্রি

    শেখ ফরিদ প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
    শেখ ফরিদ প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম

    ঢাকার খামারগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে কোরবানির পশু বিক্রি

    শেখ ফরিদ প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার ঈদুল আজহা ১৭ জুন (সোমবার) উদযাপিত হতে পারে। কোরবানির এক মাস হাতে থাকলেও ফার্মগুলোতে কোরবানিযোগ্য পশু বিক্রি শুরু হয়ে গেছে আরো কয়েকমাস আগেই।

    রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় পশু হাট বসলেও ঢাকা শহরের ব্যস্ত জীবনের চাপে হাটে গিয়ে পছন্দসই পশু কেনা হয়ে উঠে না অনেকের। ঢাকায় যেখানে মানুষ থাকতেই কত রকম ঝামেলা পোহাতে হয়, সেখানে বাসায় গরু রেখে যত্ন নেওয়া, নিয়মিত খাবার খাওয়ানো, গোসল করানো একটা আলাদা চাপ হয়ে দাঁড়ায়। তাই ফার্মে গিয়ে অগ্রিম বুকিং দিয়ে আসছে অনেক ক্রেতারা। এই কারণেই খামারিদেরও বেশ ব্যস্ত সময় যাচ্ছে এখন।


    মঙ্গলবার (১৪ মে) রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকার আল মদিনা ক্যাটেল ফার্ম, সাদেক এগ্রো, বাবু এগ্রোসহ বেশ কিছু খামার ঘুরে খামারিদের গরু প্রস্তুতি, বিক্রি, চাহিদাসহ ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছেন প্রতিবেদক।

    সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি খামার বেশ পরিপাটি করে সাজানো হয়েছে। খাবার খাওয়ানো, গোসল করানো, ক্রেতাদের ঘুরে ঘুরে পশু দেখানো থেকে শুরু করে বেশ ব্যস্ত এবং উৎসবমুখর সময় পার করছে খামারিরা।

    আল মদিনা ক্যাটেল ফার্মের একজন খামারি রাজু মন্ডল বলেন, আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এখানে বর্তমানে তিন শতাধিকের বেশি গরু এবং মহিষ আছে প্রায় ২০টির মতো। শাহীওয়াল, হোলস্টাইন, ব্রাহমা, মীর কাদিম, সিন্ধি, ভুট্টি জাতের গরুসহ প্রায় ১০-১২টি জাতের গরু এবং থাই মহিষও আছে। বছরের শুরু থেকেই চলে বুকিং এ প্রক্রিয়া, অনেক ক্রেতা আছে একদম বছরের শুরুতেই আমাদের এখানে পশু বুকিং দেন এবং মাঝেমধ্যে এসে দেখে যান।


    তিনি আরো জানান, মহিষ আসলে অনেকে শখ করে কোরবানি দেন। মহিষে যদিও লাভ গরুর তুলনায় কম এবং তাতে খরচও বেশি। যেহেতু ক্রেতারা বুকিং দেবার পর যাবতীয় খরচ আমরা বহন করি, তারপরও চেষ্টা করি ক্রেতাদের খুশি রাখতে। তাই কিছু মহিষও রেখেছি আমরা।

    পশুর দাম প্রসঙ্গে খামারি রাজু মন্ডল বলেন, এবার গবাদিপশুর দাম তুলনামূলক বেশি এবং ঈদের যত দিন ঘনিয়ে আসবে ততো দাম বাড়ার সম্ভবনা আছে। এর প্রধান কারণ হলো গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি। প্রায় প্রতিদিনই কেজিতে ৫-১০ টাকা দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি এমন করে বৃদ্ধি পেতেই থাকে তাহলে আমাদের কিছু করার থাকবে না, দাম আরো বৃদ্ধি পাবে। আর যদি এই সুযোগে বর্ডার ক্রস করে গরু আসে তাহলে বাজার পরিস্থিতি আরো এলোমেলো এবং লস প্রজেক্ট হবে।

    সাদিক এগ্রোর কর্মকর্তা আব্দুর রহিম ইসলাম জানান, তাদের ওখানে প্রায় ১৬০০টি ষাঁড় গরু প্রস্তুত আছে। যারমধ্যে সর্বনিম্ন ২ লাখ এবং সর্বোচ্চ প্রায় ৪০ লাখ টাকার গরু আছে। বেচা বিক্রি শুরু হয়ে গেছে আরো অনেক আগে থেকেই, ইতোমধ্যে ২০০ গরু বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা বুকিংকৃত গরু ফ্রি হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।


    দাম প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম কম। খাবারের দাম ৬৫% বেড়েছে কিন্তু গরুর দাম বাড়েনি। তবে সামনে গরুর দাম বাড়বে, কারণ কোন খামারিরা চাইবে না লোকশান দিয়ে বিক্রি করতে। তাই আমাদের কিছুই করার থাকবে না।

    মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, এ বছর কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ পশুর। আর প্রস্তুত আছে ১ কোটি ৩০ লাখ। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি আছে।

    চাহিদার তুলনায় কোরবানির প্রস্তুতকৃত বেশি থাকায়, স্বাভাবিকভাবেই বাজার অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে পড়ার সম্ভবনা কম। তবে এরমধ্যে যদি বর্ডার পার হয়ে গরু আসে এবং সিন্ডিকেট সক্রিয় হয় তাহলে কোরবানির বাজার এলোমেলো হবার সম্ভবনা থাকবে বলে মনে করছেন খামারিরা।

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…