এইমাত্র
  • জোয়ারে ভেসে যাওয়ার পর যুবকের লাশ উদ্ধার
  • পানিতে তলিয়ে গেছে ভোলার নিচু এলাকা
  • এখন একটাই কাজ, তারেক জিয়ার সাজা বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী
  • চোখ’ ফুটেছে ঘূর্ণিঝড় রেমালের, ব্যাপক তাণ্ডবের আশঙ্কা
  • বেঁচে যাওয়া বাছুরটিই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ষাঁড়
  • সাভারে ডেইলি স্টারের সাংবাদিকের ‍উপর হামলা
  • স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস ডব্লিউএইচওর
  • প্লাবনের তোড়ে বাঁধ ভেঙে রাঙ্গাবালীর ২০ গ্রাম প্লাবিত
  • এবার বেনজীরের কোম্পানি-ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ
  • পেনশন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
  • আজ রবিবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ২৬ মে, ২০২৪
    আন্তর্জাতিক

    ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় নিহত ৫৮, উদ্ধার অভিযান চলছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৪, ১২:৩৯ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৪, ১২:৩৯ পিএম

    ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় নিহত ৫৮, উদ্ধার অভিযান চলছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৪, ১২:৩৯ পিএম
    ছবি সংগৃহীত

    ইন্দোনেশিয়ার তানাহ দাতার জেলা ও এর আশপাশে আকস্মিক বন্যা ও শীতল লাভা প্রবাহের কারণে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বন্যার পানির স্রোতে বাড়িঘর ভেসে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত ৫৮ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর এএফপির।

    ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির এই জেলায় গত শনিবারের (১১ মে) বেশ কয়েক ঘণ্টার মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হয় কাদা ও পাথরের প্রবাহ। এতে ভেসে যায় অনেক বাড়িঘর, ধ্বংস হয়ে যায় রাস্তা ও মসজিদ।

    বুধবার (১৫ মে) দেশটির জাতীয় দুর্যোগ বিষয়ক সংস্থার প্রধান সুহারায়ান্তো বলেন, ‘সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৮ জনে।’ তিনি জানান, এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৩৫ জন। এর আগে গত মঙ্গলবার স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছিলেন নিখোঁজ লোকের সংখ্যা ২২ জন। এ ছাড়া বিভিন্ন ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৩৩ জন।

    উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, অনেক মৃতদেহ পাওয়া গেছে পাশের নদীতে। আগ্নেয়গিরি থেকে ভেসে আসা লাভা ও কাদা বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে প্রচণ্ড গতিতে আশপাশের এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে আর এতে ভেসে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। এ সময় আগ্নেয়গিরির গা বেয়ে শীতল লাভার সঙ্গে বের হয়ে আসে ছাই, বালি আর নুড়ি পাথর।

    জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার প্রধান সুহারায়ান্তো জানিয়েছেন, বন্যার কারণে যে জঞ্জাল পুরো এলাকজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তা পরিষ্কার করতে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ছয়টি জেলার পরিবহণ চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে তিন হাজার ৩০০ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    উদ্ধার কাজে কর্তৃপক্ষ আজ বুধবার আবহাওয়া পরিবর্তন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যা সাধারণত কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

    বর্ষাকালে ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় কারণে অনেক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে তাকে। ২০২২ সালে সুমাত্রা দ্বীপে বন্যার কারণে ২৪ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

    এআই

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…