এইমাত্র
  • তারা যখনই বসবে আমরা রাজি আছি : আইনমন্ত্রী
  • নেত্রকোনায় গরু চুরিকে কেন্দ্র করে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
  • একাত্তরের রিপোর্টার নাদিয়া শারমিন গুলিবিদ্ধ
  • পিরোজপুরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ
  • জয়পুরহাটে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
  • ছাত্রলীগ আক্রমণ করেনি, গণমাধ্যমে ভুল শিরোনাম হয়েছে: কাদের
  • মহাখালীতে অবরোধ, ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
  • কোটা আন্দোলনে গিয়ে নাশকতার মামলায় কারাগারে দুই শিক্ষার্থী
  • পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী পলক
  • বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ শ্রাবণ, ১৪৩১ | ১৮ জুলাই, ২০২৪
    আইন-আদালত

    ১৫২ কোটি টাকার মামলা: কমিশনার ওয়াহিদাকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৪:২০ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৪:২০ পিএম

    ১৫২ কোটি টাকার মামলা: কমিশনার ওয়াহিদাকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৪:২০ পিএম
    সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

    ১৫২ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার আসামি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন ওই আদেশ দেন।

    দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানিতে অংশ নেন। আদালতের নির্দেশনায় ওই কমিশনারকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন বহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন করায় কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গত ১১ জুন মামলা দায়ের করে দুদক। তিনি গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেল লিমিটেডকে ওই সুবিধা দিয়েছিলেন।

    এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার হিসেবে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি পিআরএলে রয়েছেন।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ৪টি প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর আইনানুগভাবেই ভ্যাট প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা বলে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কর মেয়াদে তা পরিশোধ না করায় মূসক আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে প্রদেয় সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর ধারা ৩৭(৩) অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ প্রদান করেন। সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণফোন লিমিটেডের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। পরবর্তীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

    এনবিআর সদস্য হোসেন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত টিমের প্রতিবেদনেও এর সত্যতা পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১৮/৪০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…