হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য প্রয়োজন পাশের মানুষের সহযোগিতা। যার চোখের সামনে ঘটনাটি ঘরে সেই মানুষটি সহযোগিতা না করলে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
যদি আপনার কাছের লোকের দেখেন যে তীব্র বুকে ব্যথা হচ্ছে, ব্যথার তীব্রতা ছড়িয়ে যাচ্ছে গলায় এবং বামহাতে, প্রচুর ঘাম হচ্ছে তখন কার্ডিয়াক ইমার্জেন্সি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে আমরা ইসিজি করে নিশ্চিত করি যে, হার্ট অ্যাটাকজনিত কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা। যদি ঘটে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ইনিশিয়ালি কিছু ওষুধ সেবন করানো হয়। সেগুলোর মধ্যে থাকে ইকোস্প্রিনজাতীয় ওষুধ। এতে রোগীর মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে।’’
বুকে ব্যথা হলে অনেকে হাসপাতালে যেতে গড়িমসি করেন। তারা মনে করেন বুকের ব্যথা হয়তো হার্টের কারণে নয়, এটা গ্যাসের সমস্যার জন্য হচ্ছে। বা মাংসপেশীর ব্যথার জন্য হচ্ছে। কিন্তু আমার পরামর্শ হচ্ছে যাদের এই ধরনের সমস্যা দেখা দেবে তাদের বড় ঝুঁকি এড়াতে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে।’’
অনেক সময় হার্টে রিং পরানোর প্রয়োজন হতে পারে। যাদের হার্টে রিং পরানো হয় তাদের অন্য রক্তনালীগুলো যাতে ব্লক না হয় সেজন্য নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।
** নিয়মিত হাঁটাচলা করতে হবে।
** মেডিটেশন করতে হবে।
** সঠিক লাইফস্টাইল মেনে চলতে হবে।
** সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে।
এইচএ